নারীর সমঅধিকার ব্যর্থতার কারন নারী নিজেই

0 metformin synthesis wikipedia

বার পঠিত

নারীদের অধিকার আদায় করা, নারী নির্যাতন বন্ধ করা সমাজের সবার মানসিকতা না বদলানো পর্যন্ত প্রায় অসম্ভব।নারীর অধিকারের প্রশ্নে সাংবিধানিক ও আইনগত জোড়ালো সমর্থন থাকা সত্ত্বেও পুরুষতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিদ্যমান থাকার কারণে আমাদের সমাজে নারীদের এখনো সমঅধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি।আমাদের দেশে নারীদের অধিকার সচেতনতার অভাবে নারীরা একদিকে যেমন তাদের ন্যায্য অধিকার ভোগ এবং আইনী সহায়তা থেকে বঞ্চিত, অন্যদিকে বৈষম্যমূলক আইনের কারণে তাদের নানা ধরনের বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।যদিও নারী-পুরুষ একে অপরের পরিপূরক। উভয়ের শ্রমে-ঘামে, মেধা-মননে আজকের সভ্যতা এ পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।কিন্তু আমরা নারীদের প্রাপ্য অধিকার বুঝিয়ে দিতে অক্ষম।আর তার জন্য মেয়েদেরও কিছু যে দোষ আছে!আমরা যদি একটু পিছনে গিরে তাকাই তাহলেই বুঝতে পারব নারীদের কি আদো কোন দোষ আছে কিনা?তবে আমি পিছনে ফিরে না গিয়ে সরাসরি বলছি কিভাবে মেয়েদের কিঞ্চিত হলেও দোষ রয়ে যায় তাদের অধিকার আদায় করে নেওয়ার ক্ষেত্রে। আমাদের দেশের নারী আন্দোলনে শিক্ষিত মানুষেরা, বিশেষ করে নারীরা অংশগ্রহণ করছেন না। দেখা যায়, তারা নিজেরা শিক্ষা পাচ্ছেন, স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছেন, তাই অন্যের অধিকার, বিশেষ করে সাধারণ দরিদ্র বা গ্রামীণ নারী বা কিশোরীর অধিকার লঙ্ঘন হলে তারা কিছু বলছেন না। এমনকি, যতক্ষণ না এই শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির কোনো নারী নিজে আক্রান্ত হচ্ছেন ততক্ষণ পর্যন্ত নিরব থাকছেন তারা।আর এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এবং ধর্মের কুসংস্কারের মাধ্যমে মেয়েদের যে, বেড়াজালে আটক করে রাখা হইছে তার জন্য প্রয়োজন মেয়েদের মধ্যে ঐক্যতার।ঐক্য ছাড়া নারী কখনো ধর্মীয় বেড়াজাল কিংবা পুরুষতান্ত্রিক সমাজ থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব না তেমনি তাদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব না।আমরা সবাই বেগম রোকেয়ার কথা জানি। বেগম রোকেয়া নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছিলেন। সে সময় বলতে গেলে নারীর কোনো স্বাধীনতাই ছিল না। বাইরে যাওয়া তো দূরের কথা, বাড়িতে মেহমান এলেও তাকে লুকিয়ে রাখা হতো। এত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি নারীর অধিকারের জন্য লড়াই করে গেছেন। এ জন্য তাকে নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়। বেগম রোকেয়ার মতো অনেক সম্মানিত ব্যক্তি আছেন, যারা নারীর অধিকারের জন্য লড়াই করছেন।
কিছু কিছু ব্যাপারে মেয়েদেরও দোষ থাকে। তারাও মাঝেমাঝে ভুল করে ফেলে। এমন কিছু করে, যাতে তার পরিবারকে লজ্জায় পড়তে হয়। নারী সম্পর্কে নারীর দৃষ্টিভঙ্গি পান্টাতে হবে। এখনও গ্রামে কোনো নারী পুরুষ কর্তৃক নির্যাতিত হলে নারীরাও নির্যাতিত নারীর বিভিন্ন দোষ তুলে ধরার চেষ্টা করে যা গ্রাম্য সমাজে খুব ভালোভাবেই চোখে পড়ে। নারীর প্রধান শত্রু আরেক নারী। একজন নারী আরেক নারীর প্রতি হিংসান্বিত হয়ে অত্যাচারের চুড়ন্তে যেতে পারে। নারীকে আক্রমণের জন্য একজন নারীর মুখেই অবলীলায় উচ্চারিত হয় বেশ্যার মতো অপমানকর হিংষাত্বক শব্দ। এখানে শিক্ষিত-অশিক্ষত নারীর মধ্যে কোনো তফাত নেই। একজন পুরুষ ক্রোধ বা হিংসার বশবর্তী হলেও কখনও আরেক পুরুষকে এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করে অপমান করে না।
বেশিরভাগ ঘটনায় দেখা গেছে যে, কোনো নারীর ওপর নিপীড়ন চালানোর ঘটনায় একজন বা তার অধিক নারী জড়িত। শুধু জড়িত নয়, কখনও কখনও এরাই নারীর ওপর অত্যাচার চালাতে মূল ভূমিকা পালন করেন। নারীমুক্তির কথা যদি আসে তবে নারীকে প্রথম নারীর কাছ থেকেই মুক্তি নিতে হবে।

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

viagra en uk

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

kamagra pastillas

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

viagra in india medical stores
about cialis tablets
levitra 20mg nebenwirkungen