হজ্ব করে হাজী হলেই নিষ্পাপ !!!

151

বার পঠিত

যাদের পরিবারের শিরা উপশিরায় মিশে থাকে দূর্নিতীর ছোয়া তাদের পরিবার থেকে সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুটিও যে তাদের মতই দূর্নিতীবাজ,তেলবাজ এবং ধান্ধাবাজ হবে এটাই স্বাভাবিক।এখন বলা যেতে পারে বাপ চোর দেখেই যে ছেলেও চোর হবে তা না কিন্তু!হুম ঠিক আছে,কিন্তু বাপে চোর হলে যে অনেকাংশে ছেলেও চোর হয় তা কিন্তু আমাদের সমাজের দিকে একটু চোখ কান খোলা রেখে তাকালেই হয়।আমাদের সমাজ ব্যবস্থা শিক্ষিত হওয়ার পথে আগালেও পিছিয়ে যাচ্ছে নৈতিক দিয়ে।কারণ আমাদের সমাজ পরিবার এখান সরাসরি বলতে ২য় বার ভাবে না যে,সৎ পথে থেকে কোন লাভ নাই।অর্থাৎ তারা বলেই দিচ্ছে সৎ পথে চললে সামনে ভয়াবহ দিন অপেক্ষা করছে।তাই যত খুশি তেলবাজী করে পয়সা কামাও আর বিত্তের পাহাড় গড়ে তুলো।মানুষ অন্যায় করলে যে পাপবোধটা জাগ্রত হতো অলৌকিক কিংবা ধর্মের কারণে আজ সেটাও বোধ হয় ধ্বংস হবার পথে।সেটার একটা অবশ্য কারন আছে।যদিও সেটা সম্পর্কে অনেক মানুষ এবং অনেক বিজ্ঞ লোকের কাছে প্রশ্ন করে ভিন্নভিন্ন উত্তর পেয়েছি।

আমার পরিচিত এক লোক আছে,যে সরকারী চাকরি করে এমন একটা সেক্টরে যেখানে মানুষ গেলেই টাকা লাগে ।শুধু টাকা লাগে না অনেকে টাকা দিতে দিতে নিজের ভিটা বাড়ী পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েও তাদের পেট ভরাতে পারে না অনেক সময়।যাই হোক,লোকটির বেসিক বেতন যা সেই বেতন দিয়ে এখন বা শুরু থেকেও যদি এখনকার বেতন হিসাব ধরা হয় তবু মনে হয় না যে সে মধ্যবিত্তের পরিবারের থেকে খুব বেশী ভালো নাতো বৈকি খারাপভাবেই চলতে হবে পরিবারের চাহিদা মিটাতে গিয়ে।কিন্তু সেই বয়স্ক লোকটা আজ যেভাবে বা গত জীবন থেকে যেভাবে চলে আসছে তা কেবল উচ্চবিত্ত পরিবার থেকেই চলা সম্ভব ছিলো।কিন্তু না ,সেই আজ উচ্চবিত্তের মধ্যে পরে যাচ্ছে কেবল মাত্র কথায় তেলবাজ আর ধান্ধার ফলেই।যাই হোক সেই লোক সম্পর্কে ধারণা পাই তারই ছেলের সাথে পরিচয়ের সুবাদে।সেও একদিন কথায় কথায় বলে যে,সৎ থেকে জীবনে কিছুই করতে পারবি না।কিন্তু আমি যখন তার এই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে একটা মুচকি হাসি দিয়েই ক্ষান্ত ঠিক তখনই পাশের অন্য একটি ছেলে বলে উঠে,পরকালে গিয়ে হিসাব কি দিবি?

তারও উত্তর ছিলো হিসাব বরাবর।আমরা মুসলিমরা একদিন হলেও বেহেশতে যাব।আর তাছাড়া দূর্নিতী,চাকরি এসবতো আর সারা বছর করব না।একটা সময় যখন চলে আসবে তখন সব ছেড়ে দিয়ে হজ্ব করে হাজী হয়ে যাব,কারণ হজ্ব করার পর একজন মানুষ সদ্য জন্ম হওয়া শিশুর মত নিষ্পাপ।আর পরিবারের একজনকে যদি প্রচন্ড রকমের ধার্মিক এবং সৃষ্টিকর্তার অনুসারী বানানো যায় তাহলে বাকী লোকদের টেনে সে বেহেশতে নিয়ে যাবে।আর এজন্য ছোট ভাইকে প্রচন্ড ধার্মিক বানানোর জন্য মাদ্রাসায় দিছে এবং তাকে সৎ মানুষ বা ধার্মিক লোক বানানোর জন্য বাড়ীতে টিভি পর্যন্ত দেখার সুযোগ দেওয়া হয় না।কিন্তু অপরদিকে বয়স্কর বড় ছেলে চাপবাজ,তেলবাজীতে সেই উচ্চ মার্গীয়।আপনি তার যতই অপরিচিত হোন না কেন,সে যদি আপনার সাথে কথা বলার সুযোগ পায় তাহলে আপনি নিজেই তাকে আপন করে নিতে ২য় বার চিন্তা করবেন না বলেই আমার মনে হয়।এবং সে শুধু উচ্চ মার্গীয় তেলবাজই না,উচ্চ মার্গীয় ধান্ধা বাজ।যা কিনা আমার সহিত একের অধিকবার ধরা খেলেও চাপাবাজীতে হারে নাই।মানে হার মানে নাই।

যাই হোক,মূল কথা হলো কিছুদিন আগে সে কোন এক কথার ছলে বলতেছিলো যে,এই বার আব্বাকে বললাম হজ্ব করে আসতে যে বয়স তো ভালই হচ্ছে কিন্তু সে না করে।কারণ সে হজ্ব করবে চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর পেনশনের টাকা দিয়ে।যা কি না হালাল টাকা।অর্থাৎ ,কথাটা খেয়াল করবেন,তার এতো এতো টাকা এখন কিন্তু সেখানে সে হালাল টাকার কোন অংশই খুজে পায় না,যে টাকা দিয়ে সহী ভাবে হজ্ব করা যাবে।অথচ সে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী।কিন্তু এখন আমার প্রশ্ন হলো একজন মানুষ যে কিনা সারা বছর দূর্নিতী করে অর্থের কুমির হয়েছে,অথচ সেই আজ হজ্ব করে নিষ্পাপ সদ্য জন্ম হওয়া শিশুর মতই হয়ে যাবে তাও কিনা আবার টাকার জোড়ে !!!

বি.দ্রঃতারমানে একজন মানুষ সারাবছর ,সুদ,দূর্নিতী করার পরেও কি সে হজ্বের পর নিষ্পাপ শিশু হয়ে যায় মুসলিম ভাইদের কাছে যৌক্তিক উত্তর চাচ্ছি।আমি কয়েকজনকে প্রশ্ন করে ছিলাম তারা বলেছে হুম হজ্ব করার পর নিষ্পাপ হয়ে যায়,কিন্তু আবার এই গল্পটা বলার পর যখন প্রশ্ন করেছি তখন বলে আসলে আল্লাহ কার হজ্ব গ্রহন করে নিবে তাতো আর জানি না!অর্থাৎ আমি আমার আশানোরুপ উত্তর পাইনি।তারাই একবার বলেছে নিষ্পাপ হয়ে যায় আবার তারাই দ্বিধায় পরে যায়।আর উপরের গল্পের মুল বিষয়ের মত ধারনাও অনেকের মধ্যে পাইছি।তাই এই বিষয় নিয়ে জানার ইচ্ছা থেকেই জানতে চাওয়া।আবার অনেকে এও বলেছেন যে,জীবন বাঁচাতে শুকরের মাংস খাওয়াও হালাল,সেহেতু তার এই ঘোষ,দূর্নীতিও কোন না কোন ভাবে আল্লাহ মাফ করে দিয়ে তার হজ্ব কবুল করে নিবেন।

You may also like...

  1. ঈশ্বর কার ইবাদত গ্রহণ করেন সেটা তিনিই সবচেয়ে ভাল জানেন। কেউ যদি জগতে করা পাপ মোচনের উদ্দেশ্য নিয়ে হজ্ব পালন করে তবে তা সম্ভবত ঈশ্বর গ্রহণ করবে না। কেননা হজ্ব করার মূল উদ্দেশ্য ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করা। পাপ মোচন হজ্বের ফলাফল, কিন্তু কখনই হজ্বের উদ্দেশ্য নয়।
    এই লিংকে সম্ভবত উত্তর পেতে পারেন

    https://islamqa.info/en/173723

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

walgreens pharmacy technician application online

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

viagra in india medical stores

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

venta de cialis en lima peru
zovirax vs. valtrex vs. famvir
clomid over the counter