দ্যা জামায়াতে ইসলামী এজেন্ডা (দ্বিতীয় পর্ব)

249

বার পঠিত

শাহবাগ আন্দোলনের আগে জামায়াত মনে করেছিল যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাওয়া নতুন প্রজন্মের অসংখ্য হুজুগের একটিমাত্র, ইন্টারন্যাশনাল লবিং করে, জোচ্চুরি করে, দুর্নীতি করে তারা তাদের নেতাদের বাঁচিয়ে আনতে পারবে। তারা কখনোই বুঝতে পারে নি যে কাদের মোল্লার রায়ের পর কয়েকজনের ডাকা শাহবাগের আন্দোলনটা এত বিশাল রূপ নিয়ে নেবে। আন্দোলনের প্রথম কয়েকদিন তারা জাস্ট দেখল, তারপর রাজিব হায়দার হত্যা থেকে শুরু হলো তাদের নতুন প্লান। তারা সাধারন জনগণের কাছে শাহবাগ আন্দোলনকে কলুষিত করার জন্য আন্দোলনকারীদের নিরীহ জীবন কাদায় টেনে আনল।

তবুও আন্দোলন থেমে থাকল না। আরো কয়েকজন আন্দোলনকারী খুন হলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না, কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় হল। তবুও আন্দোলন চলতে থাকলো। আন্দোলনের বিরুদ্ধে জামায়াতের অসংখ্য প্রোপাগান্ডার একটাও আন্দোলন থামাতে পারল না। জামায়াত বুঝে গেল এখন থেকে মানুষ তাদের আর অত সহজে মেনে নিবে না, তারা যাই করুক না কেন বাধা আসবেই। তাই এবার জামায়াত অন্য পন্থা ধরল। তারা দেখলো রাজীব হায়দারের হত্যাটা কিভাবে নাস্তিকতার খোলস পরিয়ে জায়েজ করানো গেছে। তাই তারা নিজেরা চুপ হয়ে গিয়ে হেফাজতে ইসলাম সংগঠনটাকে ‘নাস্তিক মঞ্চের’ বিরুদ্ধে দাঁড় করাল। শফির মুখ থেকে নিজেদের কথাগুলো বলাতে লাগলো আর মাদ্রাসার অবুঝ বাচ্চাদের নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে রাস্তায় নামিয়ে দিলো। সাধারন ধর্মভীত মানুষ এখন কনফিউজ হয়ে গেলো কারণ হেফাজতের সাথে জামায়াতের তেমন ক্লিয়ার কোন কানেকশন ছিল না। জামায়াত তাদের আন্ডারে থাকা মাদ্রাসার হাজার হাজার ছাত্র, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের ব্যবহার করে সাধারন মানুষের মধ্যে হেফাজতে ইসলামের ‘পবিত্রতা’ ঢুকিয়ে দিলো। সেটা বাড়তে বাড়তে এখন এমন একটা অবস্থায় পৌঁছেছে যে এখন ২০১৬ সালে হেফাজতে ইসলাম দেশের সবচেয়ে বড় ইসলামী দল হিসেবে সরকারী তোয়াজ পাচ্ছে। হেফাজতের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সরকারী মন্ত্রীদের দাওয়াত করে মাদ্রাসায় নিয়ে যাচ্ছেন কওমিপন্থী আলেমরা।¹

এর পাশাপাশি সরকারি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এমনকি ক্ষমতাসীন দলে কৌশলে ঢুকে পড়তে লাগলো জামায়াতের কর্মীরা। এ সময় মহামারীর মত শুরু হল জামায়াত থেকে আসা নেতাদের আওয়ামী লীগ ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেয়া। এ ব্যাপারে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির কালের কন্ঠকে বলেন, ‘প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জামায়াত-শিবির বসে আছে। তারা সরকারকে বেকায়দায় ফেলছে। শুধু প্রশাসন কিংবা পুলিশে নয়, খোদ আওয়ামী লীগে জামায়াত রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের নেতাদের প্রকাশ্যে ফুলের মালা দিয়ে আওয়ামী লীগে নেওয়া হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘একটি দলের শৃঙ্খলা বলতে যদি কিছু থাকে তাহলে আওয়ামী লীগের মতো একটি দলে কখনোই জামায়াত-শিবির স্থান পেতে পারে না। এ দলে কোনো শৃঙ্খলা নেই।’² metformin tablet

জামায়াত শিবিরের বিরুদ্ধে সবচেয়ে জোরালো ভাষায় কথা বলা ব্লগারদের উপর চোখ দিলো এবার জামায়াত। তারা জানতো মেইনস্ট্রিম সাহিত্যিক বা একটিভিস্টদের উপর প্রথমে হামলা করলে অনেক ধরনের বাধার সম্মুখীন হতে হবে। তাই তারা প্রথমেই আঘাত হানলো ওপেনলি নাস্তিক পরিচয় দেয়া ব্লগারদের উপর যা শুরু হয়েছিল আহমেদ হায়দার রাজীবকে কুপিয়ে হত্যা করা থেকে। ২০১৩ থেকে এখন পর্যন্ত ১২ জন মুক্তচিন্তার মানুষ খুন হয়েছে ধর্মের নামে। নয় হত্যাকাণ্ডের মধ্যে কেবল রাজীব হায়দার হত্যা মামলার বিচার শেষ হয়েছে। অন্য আট মামলার মধ্যে ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান বাবু হত্যায় বিচার চলছে মহানগর দায়রা জজ আদালতে। বাকি সাত মামলার তদন্ত  শেষ হয়নি এখনো। এমনকি এসব হত্যাকাণ্ডের  কোনো ক্লু বের করতে পারেনি পুলিশ।³ একের পর এক নৃশংস খুন আর বিচারহীনতার কারনে ব্লগার আর অনলাইন একটিভিস্টদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে, সাধারন মানুষের মধ্যেও ভয় ঢুকে গেছে। এসব হিংস্রতার মধ্যে ব্লগার ও একটিভিস্টরা জামায়াতের নোংরামি নিয়ে কথা বলা প্রায় থামিয়েই দিয়েছে।

মাত্র দশ বছর আগেও দেশের সাধারন মানুষের মাঝে এতটা ধর্মান্ধতা ছিল না যা এখন সৃষ্টি হয়েছে জামায়াতের কর্মীদের কুটিলতার কারনে। গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষের মধ্যে তাদের বিষবাক্য ছড়িয়ে দিচ্ছে তারা। তাছাড়া দেশে এখন এত অরাজকতা চলছে, এত দুর্নীতি চলছে যে জামায়াতের বিরুদ্ধে এখন প্রায় কেউই কথা বলছে না, তাদের দিকে তাকানোর সময় পর্যন্ত নেই কারো। সরকারের মধ্যে চলছে চরম বিশৃঙ্খলা। যাদের এসব সামাল দেয়ার কথা সেসব মন্ত্রী আমলারা একেক সময় একেক অযৌক্তিক বিবৃতি দিয়ে এসব অপরাধ আরো উস্কে দিচ্ছে। সরকার এখনো বুঝছে না যে তাদের স্টুপিডিটির কারনে আখেরে লাভটা হচ্ছে পর্দার আড়ালে বসে কলকাঠি নাড়া জামায়াতের।

জামায়াত তার সৃষ্টির শুরু থেকেই নোংরা একটা দল। তারা ধর্মের মত একটা হার্মলেস জিনিসকে রাজনীতি, ব্যবসা, দুর্নীতি, খুনসহ অসংখ্য অপরাধ হালাল করতে ব্যবহার করে। যখন মানুষ দেশকে বাঁচানোর জন্য যুদ্ধের ময়দানে জীবন দিচ্ছিল তখন এরা পাকিস্থানী হানাদারদের সাথে মিলে নিজের স্বজনদের মাংস ছিঁড়ে খেয়েছে। যুদ্ধ সেই একাত্তরে শেষ হলেও এখনও জামায়াতের খাওয়া শেষ হয় নি। সেই একাত্তরেই প্রমাণ হয়ে গিয়েছে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে জামায়াত দলটা যা দরকার তাই করতে পারে। যে দল একবার এই দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে সে দলটাকে কেন আবার বিশ্বাস করবো আমরা?

Reference- metformin gliclazide sitagliptin

  1. http://www.banglatribune.com/politics/news/99457/সরকারের-সঙ্গে-কওমি-আলেমদের-সৌহার্দ্য-বাড়ছে irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg
  2. http://www.kalerkantho.com/print-edition/first-page/2015/04/27/215242
  3. http://www.sylhettodaycom/news/details/National/20767
nolvadex and clomid prices

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন * will metformin help me lose weight fast

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

clomid over the counter

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

viagra in india medical stores

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

side effects of quitting prednisone cold turkey
missed several doses of synthroid
levitra 20mg nebenwirkungen
thuoc viagra cho nam