বাংলা মায়ের স্বাধীনতা

153 metformin gliclazide sitagliptin

বার পঠিত

বর্ষপরিক্রমায় দিন আসে দিন দিন যায়।মহাকালের অনন্ত পরিক্রমায় প্রবাহমান এমনি অসংখ্য দিনক্ষনের হিসাব কে রাখে?তবু বর্ষপঞ্জির শেকেলে বেধে রাখার চেষ্টা করি।২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস,২৫ শে মার্চ সেই ১৯৭১ সালের কালজয়ী বাঙ্গালীর রক্তঝরা বিভীষিকা রাত এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস আমাদের বর্ষপঞ্জির এমনি একটি দিন যা রক্তের আখরে লেখা।এই মহান দিনগুলা আজ শুধু বর্ষপঞ্জিকাতেই দিনকে দিন আটকে যাচ্ছে আমাদের বাঙ্গালী জাতির চেতনায়।

কিন্তু চেতনাতো বসে থাকার পাত্র নয়।খোচা দেওয়াই যার স্বভাব,সংগ্রামই যার লক্ষবস্তু,প্রতিবাদই যার কন্ঠস্বর সেই চেতনা কি আর বসে থাকবে?না তা হতে পারে না।চেতনার মিতালী যাদের সাথে তারা এখনো দূর্বল।কিন্তু চেতনা তো চেতনাই।দূর্বলকে সবল করাইতো চেতনার কাজ।সব কিছুরই একটা শেষ আছে।ইতিহাস তার জন্মাতর থেকে জন্মাতর সাক্ষী হয়ে আছে।আর জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে এই যে দূর্নীতি অনিয়ম,ছাত্র রাজনীতির নামে সন্ত্রাসবাদ,গনতন্ত্রের নামে প্রহসন,ক্ষমতার লড়াই,টিকে থাকার রাজনীতি,নতজানু আর রাষ্ট্রনীতি,সর্বপরি স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি এসবই চেতনার ডাইরীতে বড় বড় হেডলাইনে লিপিবদ্ধ।চেতনার সৈনিকেরা একবার জাগবে বেচে থাকার তাগিদে।আর তখনই বাংলার তুরুনেরা সব এক হয়ে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের বিদ্রোহী কন্ঠে গেয়ে উঠবে আরো একবার-

“মহা বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত renal scan mag3 with lasix

আমি সেই দিন হব শান্ত,

যবে উৎপিড়ীতের ক্রন্দন রোল

আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না

অত্যাচারী খড়গ কৃপান ভীম রণ ভূমে রণিবে না

বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত

আমি সেই দিন হব শান্ত।“ posologie prednisolone 20mg zentiva

কালের আবর্তন তাৎপর্য আমাদের হৃদয়ে বয়ে নিয়ে আসে বিদ্রোহ,আমাদের অনুভূতি ও চেতনার আলোড়ন সৃষ্টি করে।কিন্তু কবির সেই পুরুনো আক্ষেপ আজ সত্যি সত্যি সত্য হয়ে যাচ্ছে আমাদের তরুন সমাজের মাঝে।– viagra en uk

“সাত কোটি সন্তানেরে

হে মুগ্ধ জননী

রেখেছ বাঙ্গালী করে

মানুষ করনি।“

আমরা ভুলে যাচ্ছি আমাদের ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন,৬ দফা ১১ দফা আন্দোলন,১৯৭১ সালের মার্চের কালজয়ী বর্বর রাত এবং দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদের তাজা রক্ত,মা-বোনের ইজ্জত,বেনটের আঘাতের কথা।আমরা আজ যেন স্বাধীন হয়েও পরাধীনতায় ভুগছি।

যে দেশের জন্য আমার শহীদ ভাইয়েরা সংগ্রাম করল দিনের পর দিন,মাসের পর মাস টানা নয় মাস জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানি হানাদারের সাথে ভারি অস্ত্রের মুখে সন্মূখ যুদ্ধ করে স্বাধীন করল আমাদের বাংলা মাকে,যারা গনতন্ত্রের জন্য লাফালাফি করে গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনল আজ তারাই গনতন্ত্রের অধিকার থেকে বঞ্চিত।অন্যদিকে যারা আজ এই বাংলার ঘোর বিরোধী ছিল আজ তারাই গনতন্ত্রের পোষক।তারাই আজ দেশের হর্তাকর্তা,মন্ত্রী,আইনের লোক,দেশে বড় বড় জাগায় তারাই আজ সর্বোচ্চ আসন গ্রহন করে আছে।আর যারা এদেশের জন্য তারা আজ অবহেলিত প্রানী বেশ কজন ছাড়া বাকী সকলেই।

১৭৫৭ সালের পলাশীর ষড়যন্ত্র ও প্রহসন মুলক যুদ্ধের করুন পরিনতির সূত্রধরে এবং পরবর্তীতে ভারত উপমহাদেশের মোগল শাসনের অবসানে এ দেশে ইংরেজ শাসনের গোড়াপত্তন যা প্রায় দুইশ বছর স্থায়ী হয়।Quite India আন্দোলনের স্রোতের তোড়ে অবশেষে সব গুটিয়ে সাত-সমুদ্রের ওপারে ইংরেজদেরকে পাড়ি জমাতে হয়।ইংরেজ বিতারনের মধ্য দিয়ে ১৯৪৭ সালে জন্ম নিলো একদিকে হিন্দু অধ্যুষিত ভারত,অন্যদিকে ভারত উপমহাদেশের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ নিয়ে পাকিস্তান।কিন্তু সেদিন কে জানত বৃটিশ উপনিবেশক শাসনের মধ্য দিয়ে জন্ম নিবে পশ্চিম পাকিস্তানী উপনিবেশক শাসনের?কখনও সামরিক শাসনের নামে,কখনও বা গনতন্ত্রের নামে ঘৃন্য অপকৌশল প্রয়োগ করে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী শাসনের নামে শোষন ও বঞ্চনার জঘন্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো।গণতন্ত্র আর ইনসাফের মুখে নগ্ন কুঠারঘাত করে রাজনৈতিক সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পাহাড় সম বৈষম্য ও আধিপত্য সৃষ্টি করে পাকিস্তানি পূর্ব-পাকিস্তান বর্তমান বাংলাদেশকে তাদের দামের উপর নির্ভরশীল করে তুললো।সর্বপরি আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতি এক হীন ষড়যন্ত্রের শিকারে পরিনত হলো।বাংলার মানুষ এক উপনিবেসের নাগপাশ ছিন্ন করতে না করতেই আর এক জালিমের খপ্পরে পড়ল।প্রথমেই আঘাত পড়ল মাতৃভাষার উপর।এদেশের মানুষের মুখের ভাষা বাংলাকে কেড়ে নিতে উঠেপড়ে লাগল উর্দূভাষী পাকিস্তানি জালিম সরকার।তারা এপার বাঙ্গালীর মানুষের মুখের ভাষা কেড়ে নিয়ে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার পায়তাড়া শুরু করে দিল।

পাকিস্তানের জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪৮ সালের তৎকালীন পূর্ব বাংলার ভাষা দিবস ১১ মার্চে ঢাকার রেসকোর্স মায়দানে ঘোষনা দিলেন-“Urdu and only Urdu shall be the state language of Pakistan.”২৪ মার্চ তারিখে সেই একই ঘোষনার পুনরাবৃত্তি করলেন কার্জন হল সমাবর্তন অনুষ্ঠানে;রেসসকোর্স ময়দানে ছাত্রদের যে “নো” “নো” প্রতিবাদ উচ্চারিত হয়েছিল,তা কার্জন হলে দ্বিগুন ধ্বনিতে উচ্চারিত হলে থমকে যান জিন্নাহ।ছাত্রদের এই সাহসের সূচনাটা করেছিলেন বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রামরাইল গ্রামের ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।পাকিস্তানের রাষ্ট্রতন্ত্র আবার বাংলা ভাষার উপর আঘাত হানে ১৯৫০ সালে।সেবার গণপরিষদে আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাব উপস্থাপিত হয়।ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ করে জানান।

সাথে সাথে চেতনা ছুয়ে এলো বাংলা ভাষী শিক্ষিত মহল শিক্ষক এবং ছাত্র জনতার মাঝে।রুখে দাঁড়াল এদেশের দামাল ছেলেরা পাকিস্তানি শোষকের বিরুদ্ধে।রাস্তা,বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবাদ,বিক্ষোবের স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে।অন্যদিকে পাকিস্তানি সরকার ১৪৪ ধারা জারি করেছে।কিন্তু বাংলার জনগন ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে যখন মিছিল মিটিং নিয়ে রাস্তায় বের হয় এবং পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রেনের বাইরে চলে যায় তখন গুলি ছুড়ে ছাত্র জনতার উপর।সেদিন সেই রক্তঝরা মিছিলে ভাষার জন্য শহীদ হয় সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউর, শফিকসহ আরো নাম না জানা অনেকে ।রক্তে রঞ্জিত হলো ভাষা সৈনিকেরা।জেল-জলুম নির্যাতন কিছুই বাদ রইল না।গনদাবীর মুখে পাকিস্তানের রাষ্ট্রতন্ত্র ১৯৫৬ সালে শাসনতন্ত্রে বাংলাকে ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্র ভাষা হিসাবে স্বীকৃত দেয়।শেষ পর্যন্ত বিজয় হলো চেতনার।বাংলা ভাষা পেল রাষ্ট্রীয় মর্যাদা। viagra vs viagra plus

কিন্তু এরপরও আমরা মুক্তি পেয়েও মুক্তি পেলাম না।কারন পাকিস্তানি শাষক সরকার বাঙ্গালী জাতির বিরুদ্ধে বহুমুখী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।শোষন নিপীড়ন,সর্বস্তরে বৈষম্য আর প্রহসনে অতিষ্ট হয়ে উঠলো বাঙ্গালীর জীবন।পাকিস্তানি সরকার গনতন্ত্রকে হত্যা করে কায়েম করল স্বার্থবাদী চিন্তাধারা।পাকিস্তানি সরকারের এই চিন্তাধারাকে রুখে দিবার জন্য বাংলার বুদ্ধিজীবি,শিক্ষিত মহল,ছাত্রজনতার মাঝে ছুটাছুটি করে দূর্বার আন্দোলনের আয়োজন করে।অবশেষে ফিরে এতে সক্ষম হল গনতন্ত্র বাঙ্গালীর চাপে।এলো ৭০ এর সাধারন নির্বাচন।শুরু হলো জাতীয়তাবাদী চেতনার গনজোয়ার।নির্বাচনে আওয়ামি-লীগ জয়ী হয়।কিন্তু নির্বাচনে আওয়ামি-লীগের জয়ী হলেও পশ্চি্ম-পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী বাংলাদেশ তথা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানি বাঙ্গালীর জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চাইলোনা।অপরদিকে বাঙ্গালী জনতা নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য উত্তাল হয়ে উঠলে পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতির দিকে যেতে থাকে।অপরদিকে তখনো ৬ দফা এবং ১১ দফা আন্দোলন তুঙ্গে।সারা বাংলার মানুষ তখন তাকিয়ে আছে বঙ্গবন্ধুর দিকে।

জনগনের রায়কে উপেক্ষা করে ক্ষমতা হস্তান্তর না করার হীন ষড়যন্ত্রে পাকিস্তানি সরকার মেতে উঠে বাংলার জনগনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে।বাঙ্গালী চেতনাকে দুমরে মুচড়ে দেওয়ার জন্য সামরিক শাসন লেলিয়ে দেওয়া হোল।অসংখ্য ষড়যন্ত্র আর বিশ্বাস ঘাতকতার শেষ পরিনতিতে অবশেষে এলো ১৯৭১ সাল।

শুরু হলো মানব ইতিহাসের এক রক্তক্ষয়ী অধ্যায়।পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতা নিয়ে নতুন করে শুরু হলো লুকুচুরি খেলা।একসময় পাকিস্তানের সামরিক প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ঢাকায় গোল টেবিল বৈঠক আহবান করলেন।আলোচনা মীমাংসা প্রহসন হলো শুধু।তারপর এলো ২৫ শে মার্চের সেই কালো রাত।শুরু হলো নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপর জঘন্যতম নিঃশংস গনহত্যা,ধর্ষন এবং লুন্ঠন।

আওয়ামি-লীগ প্রধান শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানী কারাগারে অন্তরীন করা হল।অন্যান্য আওয়ামী-লীগ নেতৃত্ববৃন্দও রইলেন।গোটা জাতি তখন হতাশা আর দ্বিধাগ্রস্ত।অবশেষে ২৭শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র পাঠ করা হয় এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধের সূচনা করলেন জাতীয় মুক্তি প্রত্যাশী স্বাধীনতা পাগল একদল সৈনিক।

বাংলার সর্বত্র স্বাধীনতা যুদ্ধের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়লো।জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহন করলেন।গোটা বাংলাদেশকে ৩ টি বিগ্রেড এবং ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করে গেরিলা কায়দায় পরিচালিত হলো হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর উপর আক্রমন।চললো টানা ৯ মাসে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ।এ যুদ্ধে দেশের জন্য লড়েছেন সকল স্তরের কৃষক,ছাত্র,শ্রমিক,শিক্ষক,পুলিশ,আনসার,বি.ডি.আর এমনকি সামান্য ব্যতিক্রম ছাড়া আপামর জনসাধারণ।৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ তাজা প্রানের বলিদান আর হাজার হাজার মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত হয় আমাদের এ বাংলা।অর্জিত হলো আমাদের আকাঙ্ক্ষিত বিজয় ১৬ ই ডিসেম্বর।ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মুক্তি ও মিত্র বাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে লেঃ জেনারেল নিয়াজী ও তার সহযোগী সৈন্যদের আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সূচিত হলো।পৃথীবির মানচিত্রে সংযোজিত হলো আর একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র।যার নাম বাংলাদেশ।

ovulate twice on clomid

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

walgreens pharmacy technician application online

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment. private dermatologist london accutane

zovirax vs. valtrex vs. famvir
accutane prices