দড়ি দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে উলঙ্গ করে নির্যাতন করা হলো গৃহবধূকে

137 metformin synthesis wikipedia

বার পঠিত

জ্ঞানবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দিক দিয়ে বিশ্ব অভূতপূর্ব উন্নতি সাধন করলেও এখনো কিছু কিছু নৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা মানব সমাজকে তাড়া করে বেরাচ্ছে।এর একটি হচ্ছে নারী নির্যাতন। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী এবং সমাজের উন্নয়নে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু তারপরও সাধারণভাবে তারা শান্তি, নিরাপত্তা ও অধিকারের দিক দিয়ে এখনো পুরুষের সমকক্ষ নয়।বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও বেড়েছে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা। walgreens pharmacy technician application online

নারী নির্যাতনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য রূপ হচ্ছে স্বামীর হাতে স্ত্রী নির্যাতন।যে নারী ও পুরুষ জীবনে সুখী হওয়ার জন্য সংসার জীবন গড়ে তুলেছেন, তাদের কাছে এই পরিসংখ্যান অত্যন্ত দুঃখজনক।নারী নির্যাতনের আরেকটি উদাহরণ হচ্ছে, শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগেই তার লিঙ্গ নির্ধারণ। দুঃখজনকভাবে এই একবিংশ শতাব্দিতে এমন অসংখ্য মানুষ আছে, যারা গর্ভস্থ সন্তান মেয়ে হলে তাকে মায়ের পেটের মধ্যেই মেরে ফেলতেও কুণ্ঠিত হয় না। একে জন্মের আগেই হত্যা বলে অভিহিত করা যেতে পারে।সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের বিস্ময়কর সাফল্যের পেছনে নারীর অগ্রগতি বড় ভূমিকা রাখলেও ঘরের মধ্যে নারীর অবস্থা তেমন বদলায়নি। দেশের বিবাহিত নারীদের ৮৭ শতাংশই স্বামীর মাধ্যমে কোনো না কোনো সময়ে, কোনো না কোনো ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

পারিবারিক নির্যাতন নিয়ে আগে নারীরা মুখ খুলতেন না। ঘরোয়া ব্যাপার বা লজ্জাজনক মনে করতেন। বর্তমানে মুখ খুলছেন। অন্যদিকে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহুদিন আগে থেকেই কাজ হচ্ছে। কিন্তু নারী নির্যাতনের মাত্রা বাড়ছেই। এর মূল কারণ হলো, নারী নির্যাতনের কঠোর আইন থাকলেও তা কঠোর ভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব হয়নি নির্যাতন গুলো চোখের আড়ালে রাখা লোক চক্ষু এবং নারীর আত্মসম্মান বোধের কারনে।তবে সবার আগে প্রয়োজন সমাজের সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন।আর চোখের সামনে নির্যাতন দেখলেও সবাই মেনে নিচ্ছে। দুর্বল আইনের শাসনও এ ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলছে। তাই এ ধরনের সংস্কৃতি যত দিন পরিবর্তন না হবে, তত দিন নির্যাতন বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

শহরের তুলনায় গ্রামে নারী নির্যাতনের ঘটনা একটু বেশি ঘটে।বয়স অনুযায়ী নির্যাতনের ধরন পাল্টাতে থাকে। আবার যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে অবিবাহিত নারীরা বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও মানসিক নির্যাতনের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীরা এর শিকার বেশি হন। মূলত স্বামীর বাড়িতে নারীরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার বেশি হন।জরিপে চার ধরনের নির্যাতনের কথা বলা হয়েছে। যেমন: শারীরিক, যৌন, মানসিক ও অর্থনৈতিক নির্যাতন।জীবনের কোনো না কোনো সময়ে ৬৫ শতাংশ বিবাহিত নারী স্বামীর শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন।বিবাহিত নারীদের প্রায় অর্ধেকই অর্থনৈতিক নির্যাতনের শিকার হন।এ নির্যাতনও গ্রামে একটু বেশি দেখা যায়।

নারী শিক্ষা এবং তাদের অধিকার রক্ষার ব্যাপারে বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন গড়ে তোলার মাধ্যমে নারী নির্যাতন উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমিয়ে আনা সম্ভব। তবে সবার আগে সমাজের প্রচলিত ভুল রীতিনীতিগুলো পরিবর্তন করতে হবে এবং নারীদের প্রতি পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাতে হবে। সমাজে নারীকে মানুষ হিসেবে এবং সংসারে নারীকে সম অংশিদারিত্বের মর্যাদা দিতে হবে। accutane prices

এছাড়া আরো বিভিন্ন ধরনের নারী নির্যাতন সামগ্রিকভাব দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে ম্লান করে দিচ্ছে। ফলে, এসব ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। নারী নির্যাতন ও নারী অধিকার বিষয়ক সব প্রাসঙ্গিক আইনকে আমলে এনে বাস্তবায়ন করতে উদ্যোগী হতে হবে। thuoc viagra cho nam

নারী নির্যাতন আমাদের সমাজে বেশীভাগ নারী নিজের পরিবারের দ্বারাই নির্যাতিত হয়। কেউ স্বামীর দ্বারাই, কেউ শশুর শাশুরী ননদের দ্বারা।কাউকে এসিড মেরে, কাউকে গাছের সাথে বেধে নগ্ন করে পশুর মতো পিটিয়ে। গতকাল সকাল বেলা ফেসবুক এক পেজে দেখলাম, এক নারীকে হাত পা বেধে নগ্ন করে পিটানো দৃশ্যর ভিডিও। দেখে শরীরের লোম শিউরে দাঁড়িয়ে উঠলো।মানুষ কতটা খারাপ হতে পারে তা ভিডিওটি না দেখলে বুঝবেননা। শাশুড়ি,ননদ, দেবর, শশুর সহ আট-দশজন মিলে অসহায় গৃহবধূ কে দড়ি দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে উলঙ্গ করে ভিডিও করল মোবাইল ফোনে।সেই ভিডিও আবার ইন্টারনেটে ছেড়ে দিল,পাঙ্খা গজাইলে যা হয় আর কি। নিজের ঘরের বউয়ের ইজ্জত নিয়ে যাঁরা তামাশা করল তাঁরা কি মানুষ?তাদের সাথে যদি কোন পশুরও তোলনা করা হয় তাহলে সেই পশুর জাতকেই অপমান করা হবে।কারন অন্যায়কারীর কোন জাত থাকতে পারে না। অসহায় গৃহবধূর উপর যে অন্যায় নির্যাতন করা হয়েছে তা অমানবিক।পশু ছাড়া কোন মানুষ এমনটি করতে পারেনা। এদের বিচার হওয়া প্রয়োজন, কঠিন বিচার। যে বিচার দেখে কেউ এ ঘটনার পূনরাবৃত্তি করার সাহস না পায়। কিছুদিন আগে রাকিব এবং রাজন হত্যা মামলার আসামীদের সর্বোচ্চ শাস্তির রায় হল।আসুন সবাই মিলে এবার মানুষরুপী এই পশুদেরকে আইনের মুখোমুখি করি।যেভাবে প্রতিবাদ করে ঝড় তুলা হয়েছিল রাকিব,রাজন হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে। নির্যাতিত মহিলাটির হাতে সাঁখা ছিল। যা থেকে অনুমান করা যায় যে এটি কোন হিন্দু পরিবারের ঘটনা। তবে হিন্দু বা মুসলিম সে যাই হোকনা কেন সবচেয়ে বড় পরিচয় হল সে একজন বাঙ্গালি নারী। অসহায় এই নারীর প্রতি যে অবিচার করা হল তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া চাই।

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

zovirax vs. valtrex vs. famvir

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

can levitra and viagra be taken together

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment. all possible side effects of prednisone

posologie prednisolone 20mg zentiva
viagra vs viagra plus
side effects of quitting prednisone cold turkey
capital coast resort and spa hotel cipro