একাত্তরে যশোরের প্রত্যক্ষদর্শীরা (১ম পর্ব)

207

বার পঠিত

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের  দলিলপত্রের অষ্টমখন্ডে গণহত্যা, ধর্ষণ ও প্রাসঙ্গিক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হয়েছে। সেখান থেকেই যশোরের প্রত্যক্ষদর্শীদের করা কিছু বর্ণনা তুলে দেওয়া হলো:

এ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলামকোতয়ালী থানা, যশোর। সাক্ষাৎকারের তারিখ:১৭-০৩-৭৩ ।

এপ্রিলের সাতাশ তারিখে তিনি নিজের বাসার খোজ নিতে যান। মায়ের অনুরোধে বাসায় রাত কাটান। সেই রাতেই তাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায় পাকসেনারা। তার আগে বাসায় তাকে এবং তার বৃদ্ধ বাবাকে চোখ বেঁধে বাসার মধ্যেই বেধড়ক মারা হয়। সেখান থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। নির্যাতনের শিকার হন।

সুবেদার মেজর শাহজি আমাকে সবগুলি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে। আমি মারের দরুণ থাকতে না পেরে কিছু কিছু প্র্রশ্নের উত্তর স্বীকার করি আর যেগুলো বেশি জরুরী সেগুলো স্বীকার করি না। মারের নিয়মগুলো নিচে বর্ণনা করা হলো: buy kamagra oral jelly paypal uk

1. প্রথমে মাটিতে উপুড় করে শুইয়ে দিত। তারপর বেতের লাঠি দিয়ে ঘাড়ে এবং পায়ের তালুতে মারতে থাকে। লাঠি দিয়ে মারা শেষ হলে আবার বুট দিয়ে পিঠের উপর উঠতো, খচতো বা পাড়াতো।

2. দ্বিতীয় নিজ কায়দা হলো চুল ধরে ঝাকিয়ে ঠাশ করে ঘাড়ে একটা চড় বসিয়ে দিত। cialis new c 100

3. পা উপরে দিয়ে মাথা নিচে দিয়ে একটা ঘরের মধ্যে লটকিয়ে রাখতো।

4. বস্তার মধ্যে পুরে দিয়ে বস্তার মুখ বেঁধে পিটিয়ে মেরে ফেলতো।

5. প্রত্যেক গিড়ায় গিড়ায় লাঠি দিয়ে এবং বন্দুকের বাট দিয়ে মারতো।

6. আট দশজন করে গাড়িতে তুলে নিয়ে বেয়নেট চার্জ করে মেরে রেখে আসতো।

7. প্রত্যেকের হাতে প্রতি আঙ্গুলে সূঁচ ঢুকিয়ে দিত। nolvadex and clomid prices

8. নিল ডাউন করে রাখতো। para que sirve el amoxil pediatrico

9. প্রতি চব্বিশ ঘন্টায় একবার খাবার দিতো। আর পায়খানা প্রস্বাব করাতে নিয়ে যাওয়ার সময় মারতো আর আসার সময় মারতো।

 

শ্রী নরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়,  শষ্ঠীতলা, যশোর। সাক্ষাৎকারের তারিখ: ১৯-০৩-৭৩।

১৯৭১ সালের ৪ঠা এপ্রিল সকালে ৮.৩০ মিনিটে ভারত ও তথাকথিত পাকিস্তানের খবর শুনছিলেন তিনি রেডিওতে। এমনসময় তার প্রতিবেশি দুজন বিহারী ও তিনজন পাকিস্তানি সেনা তার বাাসায় আসে। তিনি যশোরের চাাচড়া বাজার ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন ত্রিশবছর। এজন্য বিহারীরা ভাবে তার কাছে অনেক টাকা আছে। বিহারীরা তার কাছে জানতে চায় টাকা পয়সা কোথায় রাখছে। তখন সে বলে তার কাছে কোন টাকা পয়সা নেই। তখন পাশের ঘর থেকে তার চাকর কালিপদকেও ধরে আনে। তারা বলে টাকার কথা না বললে তাদের দুজনকেই গুলি করে মারবে। তখন তারা টাকার কথা বলতে পারে না। তখন তাদের দুজনকে পাশাপাশি দাড় করিয়ে এক সেনা গুরি করে। কালিপদ এর বুকে একটা গুলি লাগে আর সেখানেই মারা যায়। এরপরে তারদিকে গুলি করে। গুলিটা তার ডান হাতে লাগে এবং হাতটা প্রায় বিছিন্ন হয়ে যায়। এরপর আরো একটা গুলি করলে সেটাও হাকে একপাশে লাগে। তারা তাকে সেখানে ফেলে রেখে লুটপাট চালায়। তার বাসার আশেপাশের ঘর থেকেও মানুষদের বের করে সেদিন এগারোজনকে হত্যা করে বিহারী, পাকিস্তানি সেনারা। ভাগ্যক্রমে সেদিন বেঁচে গেলেও নরেন্দ্রনাথ পঙ্গু হয়ে যায়।

 

নুরজাহান, সুইপার, সিএমএইচ হাসপাতাল, মহিলা বিভাগ, যশোর ক্যান্টনমেন্ট। সাক্ষাৎকারের তারিখ: ২২-০৩-৭৩।

৩০শে মার্চ যখন যশোর ক্যান্টনমেন্টে গোলাগুলি শুরু হয় তখন তিনি ডিউটিরত অবস্থায় বন্দি হন। সেখানেই তিনি প্রত্যক্ষ করেন পাকবাহিনীর অত্যাচার।

৩০ তারিখের পর হতে প্রতিরাতে ৭/৮ বার করে হসপিটালে চেক করতো তারা।  বলতো যে কোন পুরুষ মানুষ তোমরা লুকিয়ে রেখেছো। এটা একটা বাহানা ছিল। ১১ই এপ্রিল তারিখে সামরিক হাসপাতালের স্টাফ বাদে যে মহিলারা প্রাণ ও ইজ্জতের ভয়ে হসপিটালে আশ্রয় গ্রহণ করে তাদের সবাইকে রাত অনুমান ১টার দিকে নিজ নিজ ঘরে ফিরিয়ে দেবে বলে নিয়ে যায়। উক্ত মহিলারা সবাই ছিলেন ই.পি.আর ও বেঙ্গল রেজিমেন্টের ও বেসামরিক লোকদের স্ত্রী, কন্যা ও শিশু। প্রথমে তাদের আর্টিলারীর ঘরে আটকিয়ে রাখে। উক্ত ছয় সাত ঘরে মহিলারা ছিলেন। উক্ত এলাকায় যারা পাহারা দিতো সেই পাকসেনার দুজন ঘরের দরজা ভেঙে ঢুকে পড়ে এবং দুজন মহিলার উপর অত্যাচার চালায়। একজন মহিলার পেটে যে বাচ্চা ছিল তা অমানুষিক নির্যাতনের ফলে নষ্ট হয়ে যায়। levitra 20mg nebenwirkungen

এঘটনার পর উক্ত এলাকা থেকে ৪জনকে অভুক্ত রেখে বন্দী মহিলাদের সেন্ট্রাল জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

একদিন দেখি যে একজন বাঙালী যুবকের দেহ থেকে রক্ত বের করে নিয়ে তাকে হত্যা করে। ছেলেটির শেষ কথা ছিল,” মা, স্বাধীনতা দেখে যেতে পারলাম না।”

ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে ১০নং পুকুরের ধারে দুইজন অজ্ঞাত অপরিচিত মহিলাকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। দুজন শিশুও ছিল। achat viagra cialis france

(চলবে)

metformin synthesis wikipedia

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন * doctorate of pharmacy online

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment. zovirax vs. valtrex vs. famvir

side effects of quitting prednisone cold turkey
viagra in india medical stores