লিওনিদাস–দ্য ট্র্যাজিক হিরো

282

বার পঠিত puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

তাঁকে ডাকা হতো ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ নামে।

তাঁর নাম লিওনিদাস। পুরো নাম লিওনিদাস ডা সিলভা। এ মানুষটিকে মনে করা হয় বাইসাইকেল কিকের জনক। তাঁকে আরও একটা নামে ডাকা হত। ‘দ্য রাবার ম্যান।’

বিশ্বকাপে তাঁর অভিষেক হয়েছিলো ১৯৩৪ সালে স্পেনের বিপক্ষে। ঐ ম্যাচে হেরে গেলেও ব্রাজিলের একমাত্র গোলটি আসে তাঁর পা থেকেই। সেই বিশ্বকাপ শুরু থেকেই ছিল নকআউট পর্বের। তাই স্পেনের কাছে হেরে যাওয়ায় সেবারে আর কিছু করে দেখানোর সুযোগ পাননি। তবে ১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপ শুধুমাত্র এবং শুধুমাত্র লিওনিদাসময়। tome cytotec y solo sangro cuando orino

১৯৩৮ সালে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ফ্রান্সে। গোটা ইউরোপজুড়ে তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগমনধ্বনি। সেই বিশ্বকাপও ছিল নকআউট পর্বের। অর্থাৎ হারলেই গুডবাই। প্রথম ম্যাচে ব্রাজিল মুখোমুখি হল পোল্যান্ডের। ৬-৫ গোলের সেই ম্যাচ ফুটবল ক্লাসিকেরই এক অংশ হয়ে আছে। সেই ম্যাচে লিওনিদাস করলেন হ্যাট্রিক। পরের ম্যাচ কোয়ার্টার ফাইনাল তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ার সাথে। সেই ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হল। তখন বিশ্বকাপের নিয়ম ছিল কোন ম্যাচে ফলাফল না আসলে সেই ম্যাচ আবার হবে। লিওনিদাস কোয়ার্টার ফাইনালে করলেন ১ গোল, রিম্যাচ হওয়া ম্যাচে আরও এক গোল করে ব্রাজিলকে নিয়ে গেলেন সেমিফাইনালে।

সেমিফাইনালে ব্রাজিল কোচ এদেমার পিমেন্তা’র কি ভূত চাপলো কে জানে। সেমিফাইনালে উঠেই তিনি ভাবলেন “আরে, ধুর! ইটালির সাথে কি খেলবো।” তিনি লিওনিদাসকে বিশ্রাম দিলেন যাতে ফাইনালে ‘ফ্রেশ’ লিওনিদাসকে পাওয়া যায়। ফলাফল? ইটালির সাথে সেমিতে হেরে গেলো ব্রাজিল। para que sirve el amoxil pediatrico

মনে করা হয় ব্রাজিল কোচ ঐ খামখেয়ালী সিদ্ধান্ত না নিলে ব্রাজিলকে আর ১৯৫৮ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় না। সেমিতে হেরে গিয়ে সুইডেনের সাথে ৩য় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে নামে ব্রাজিল। ‘ফ্রেশ’ লিওনিদাসের ২ গোলে ৩য় হয় তাঁরা। আরেকটু গাঢ় হয় ব্রাজিলের দীর্ঘশ্বাস।

১৯৩৮ সালে তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৫ বছর। কিন্তু এরপরেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। ১৯৫০ সালে বিশ্বকাপ যখন তাঁর মাতৃভূমিতে ফেরে দলে আর জায়গা পাননি তিনি। প্রথম ব্রাজিলিয়ান গ্রেট লিওনিদাস হয়ে থাকে এক ট্র্যাজিক হিরোর নাম। buy kamagra oral jelly paypal uk

‘৩০০’ মুভিতে কিং লিওনিদাস, তাঁর কাছে আসা রাজার দূতকে চিৎকার করে বলেছিলেন, “দিস ইজ স্পার্টা।” ফুটবলার লিওনিদাস তাঁর কোচকে বলতেই পারতেন, “দিস ইজ ওয়ার্ল্ড কাপ।”

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment. kamagra pastillas

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires
zovirax vs. valtrex vs. famvir
glyburide metformin 2.5 500mg tabs