প্রেম এবং এল ক্লাসিকোর গল্প

682

বার পঠিত sito sicuro per comprare cialis generico

নিশার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় ছোট খালার বাসায় । বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সবে মাত্র পাশ করেছি। সদ্যই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে জয়েন করেছি ।  হঠাৎ একদিন কোন এক অজ্ঞাত কারনে ছোটখালা আমাকে ডেকে পাঠালেন। অবশ্য ছোট খালা কি কারণে ডেকে পাঠাতে পারেন সেটা বের করা আমার জন্য তেমন কোন কঠিন কাজ ছিল না। আমাদের এই ছোট খালা মানুষের বিয়ে দিয়ে অদ্ভুত এক ধরনের আনন্দ পান। আমাদের আত্মীয় স্বজনদের অনেকেরই বিয়ে হয়েছে তার মাধ্যমে। অন্যের বিয়ে দেবার ব্যাপারে তার কখনো ক্লান্তি দেখিনি । কারো বিয়ের আয়োজন করা যে আনন্দময় কাজ হতে পারে সেটা শুধুমাত্র তাকে দেখেই বুঝতে শিখেছি । অন্যের বিয়ে দিতে এত আনন্দ পেলেও শুনেছি খালার নিজের বিয়ে দিতে নাকি অনেক কষ্ট  হয়েছিল । পাত্র পক্ষের নাকি তাকে পছন্দই হত না। এমনকি পছন্দ হবার পরও দুবার  বিয়ে ভেঙ্গে গিয়েছিল তার। নিজের এই তিক্ত অতীতটি অবচেতন ভাবে তার মনে কাজ করে কি না কে জানে? সম্ভবত করে । সবসময় ওনার হ্যান্ড ব্যাগে নাকি দু চারটা পাত্র পাত্রীর ছবি থাকে । একবার ওনাকে বলেছিলাম  -  খালা তুমি তো দিনকে দিন প্রফেশনাল ঘটক হয়ে যাচ্ছ?

খালা গর্বিত ভঙ্গিতে হাসতে   হাসতে বললেন -কি যে বলিস না ।

-সিরিয়াসলি। একটা ভিজিটিং কার্ড বানিয়ে ফেল। পারলে বসুন্ধরা কিংবা যমুনার দিকে একটা অফিস নিয়ে নাও। ampicillin working concentration e coli

- ফাজলামি করছিস?

-না, না, ফাজলামি করব কেন ? এই ধরনের পেশায় লেগে থাকার মত ধৈর্য তোমার আছে।

-সত্যি?

-হ্যা, কিন্ত একটা বিষয়ে তোমার বেশ ঘাটতি আছে ?

- সেটা কি?

-তোমার পান খাওয়া ধরতে হবে । আমি আমার জীবনে এমন কোন ঘটক দেখিনি যার পানের প্রতি দুর্বলতা নেই। পানের সঙ্গে মনে হয় বিয়ের কোন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে।

-ভাল বলেছিস তো। দেখি তাহলে …

-হ্যা, শুরু করে দাও।

আমাকে অবাক করে দিয়ে খালা পরদিন থেকে পান খাওয়া শুরু করলেন । শুধু পান নয় সঙ্গে জর্দাও। তার চেয়ে অবাক ব্যাপার হল এর ঠিক দু সপ্তাহের মধ্যে খালা দু দুটি বিয়ে ঠিক করে ফেললেন। একটি খালুর বন্ধুর মেয়ের আর একটি আমাদের পাশের বাসার মুকিত ভাই। মাত্রাতিরিক্ত ওজনের কারনে যার নাকি পাত্রি খুঁজে পাওয়া যায় না। আমি খালার ঘটকালি প্রতিভায় রীতিমত মুগ্ধ। যাই হোক খালা যখন আমায় তলব করলেন আমিও ছোট খাট অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলাম। কারন তেমন কিছু না। এই পাত্র পাত্রী দেখে বিয়ে তথা অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ আমার কাছে  মোটেও ভাল লাগে না। যেভাবে আয়োজন করে পাত্র পাত্রী দেখাদেখি চলে তাতে ঐ জায়গায় কল্পনা করলে নিজেকে কোরবানির গরু বলে মনে হয়। অপর দিকে মেয়েটিকেও যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয় সেটিও তেমন সুখকর হবার কথা নয় । যাই হোক আম্মার চাপাচাপিতে ঐ দিন কি মনে করে যেন গিয়েছিলাম খালার বাড়িতে। কলিংবেল টিপতেই খালা দরজা খুলে দিলেন । হাসিমুখে বললেন- ‘এসেছিস, যা ড্রইং রুমে গিয়ে বস” । খালার কথামত ড্রইং রুমে গেলাম। যা ভেবেছি শেষপর্যন্ত সেটাই। ড্রইং রুমে দীর্ঘ চুলের এক তরুণী গভীর আগ্রহে সানন্দা ম্যাগাজিন পড়ছে। খালাই পরিচয় করিয়ে দিলেন -বললেন ওর নাম নিশা , আমার কলেজ লাইফের বান্ধবী শিরীনের মেয়ে। সিটি  কলেজে অনার্সে পড়ে।

আমি বললাম- হ্যালো।

ম্যাগাজিন পড়ায়  বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় মেয়েটিকে খানিকটা বিরক্তই বলে মনে হল। তারপরও বিরক্তি ঢেকে শুকনো মুখে বলল- হ্যালো।

পরিচয়  করিয়ে দিয়েই  খালা তার পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে গেলেন। খালা যেতেই মেয়েটি আমাকে সম্পূর্ণ অবজ্ঞা করে আবার ম্যাগাজিন পড়ায় মন দিল। আমি কি করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না । অগ্যতা চুপচাপ থাকাটাকেই উপযুক্ত বলে মনে করলাম। অনেক চেষ্টা করেও বুঝতে  পারছিলাম না এই সস্তা ম্যাগাজিনটি এত মনযোগ দিয়ে পড়ার কি আছে? খানিক ক্ষণ পর মেয়েটি ম্যাগাজিনের পাতা বন্ধ করে আমার দিকে তাকিয়ে বলল – আপনি কি করেন?

-জ্বি, বিশ্ব বিদ্যালয়ে পড়াই।

-কোন সাবজেক্ট ?

-ফিজিক্স?

-ভাল। কিছু মনে করবেন না , একটা কথা বলি ? pastillas cytotec en valencia venezuela

-বলুন।

-আপনার খালা সম্ভবত ইন্টেনশনালি আমাদের দুজনকে একসঙ্গে করেছেন। উনি আমার আম্মাকে বলেছেন উনি নাকি একটা নুতুন রান্না  শিখেছেন। তাই সেটা শেখার জন্য আমাকে যেন তার বাসায় পাঠানো হয়।

আমি কি বলব ভেবে পাচ্ছিলাম না। শুকনো ভঙ্গিতে হেসে বললাম – আপনি সম্ভবত ঠিকই ধরেছেন। sildenafil 50 mg mecanismo de accion

-আপনার খালা মনে হয় নিজেকে পৃথিবীর সবচাইতে বুদ্ধিমতী মহিলা ভাবেন ।

-হতে পারে।

-যাই হোক আমার জরুরী একটা কাজ আছে। আমি আজ উঠি। উনাকে বলবেন আমি চলে গেছি।

মেয়েটি মুহূর্তের মধ্যেই ব্যাগ গুছিয়ে হনহন করে চলে গেল। আমি শূন্য দৃষ্টিতে ওর চলে যাওয়া দেখি। কেন জানি না মেয়েটি চলে যেতেই অদ্ভুত এক শূন্যতা যেন আমাকে গ্রাস করে। অনেক গভীর একটা শূন্যতা, যে শুন্যতার সঙ্গে আমার আগে কখনো পরিচয় ঘটেনি । আমি জানি না এই শুন্যতার উৎপত্তিস্থল , এমনকি  জানি না এই শুন্যতার সমাধিস্থল ।  শুধু এটুকু  বুঝতে পারছিলাম অপরিচিত  এই মায়াবী মেয়েটি আমার হৃদয়ে গভীর একটা   ক্ষত তৈরী করেছে।   আমি মেয়েটির ফেলে রাখা ম্যাগাজিনটি হাতে তুলে নিই। এই ম্যাগাজিনটির প্রতিটি পাতায় মেয়েটির হাতের স্পর্শ লেগে আছে ভাবলেই আমার মধ্যে রোমাঞ্চকর একটা  অনুভূতি হয়। একটার পর একটা পাতা উল্টাতে থাকি আমি । প্রতিটি পাতার স্পর্শে আমি যেন মেয়েটির উষ্ণ হাতের  স্পর্শ অনুভব করি । আমার রক্তে শিহরণ জাগে। অদ্ভুত এক সম্মোহনে আক্রান্ত হই আমি। অনেক চেষ্টা করে তা থেকে মুক্ত হতে পারি না। যতই সময় গড়ায় ততই যেন আরো আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে যেতে থাকি,  গভীর থেকে গভীরতর ভাবে ।  কিছুক্ষণ পর খালা এসে বললেন – কিরে তুই একা বসে আছিস যে, নিশা কই?

আমি ছোট একটা দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বলি – চলে গেছে। cialis 20 mg prix pharmacie

 

২)

সেদিনের পর থেকে নিশাকে আমি  ভুলতে পারতাম না। সবসময় শুধু ওর কথা মনে হত। দূর থেকে লম্বা চুলের কোন মেয়েকে দেখলে মনে হত এই সম্ভবত নিশা। নিশার কাল্পনিক অস্তিত্ব সবসময় আমাকে প্রবল ভাবে ঘিরে রাখত । আমি তা থেকে মুক্ত হতে পারতাম না , হতে চাইতামও না। নিশা ও নিশাকে কেন্দ্র করে এক ধরনের সুখ কল্পনা করেই সেসময়ের দিনগুলো  পার করতাম।  একদিন বাসা থেকে ভার্সিটিতে যাচ্ছিলাম । জ্যামে আটকা পড়ে রিকশায় বসে আছি। হঠাৎ ৮-৯ বছরের একটা মেয়ে একঝুড়ি ফুল নিয়ে আমার সামনে এসে বলে -স্যার ফুল নিবেন ?

আমি আমার জীবনে কখনো ফুল কিনি নি , ফুলের প্রতি আমার কোনকালেও আগ্রহ ছিল না তবুও মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করলাম-কত করে প্রতি পিস ?

-প্রতি পিস  দশ টাকা স্যার । মেয়েটি উত্তর দেয়।

আমি একসঙ্গে ৫টি গোলাপ কিনে ফেলি । কিন্ত ফুল গুলো কিনে এক ধরনের অস্বস্তিতে পড়ি। বিশ্ব বিদ্যালয়ের  একজন শিক্ষক হাতে ফুল নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে এটা খুবই অস্বস্তিকর একটা দৃশ্য । ছাত্র ছাত্রীরা কি ভাববে , সহকর্মীরা কি এটা নিয়ে হাসাহাসি করবে এই জাতীয় ভাবনা চিন্তা খেয়াল করে আমার মনে। একটা গিফট পেপার দিয়ে ঢেকে ফুলগুলোকে ঢেকে আমার ড্রয়ারে সেগুলোকে রেখে দেই খুব সযতনে।  হাজার হলেও আমার কেনা প্রথম গোলাপ।

একদিন লাজ লজ্জার বালাই ফেলে খালাকে বলেই ফেললাম -খালা নিশার সঙ্গে কি  তোমার কোন যোগাযোগ আছে?

খালা খানিক্ষণ এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বললেন -হ্যা, আছে তো । কেন ?

- না মানে সেদিন তোমার বাসা থেকে যেভাবে বেরিয়ে গেল।

-সেদিন একটা নুতুন আচার তৈরী করে নিয়ে ওদের বাসায় গিয়েছিলাম । তারপরই সব ঠিক ঠাক ।

-ভাল।

-কি ব্যাপার তুই হঠাৎ ওর কথা জিজ্ঞেস করছিস যে ?

এমনিতেই কিছু না ।

খালার সবকিছু বুঝে ফেলার ভঙ্গিতে বলেন – কিছুনা বললেই হল । মেয়েটা অনার্স ফাইনাল দিচ্ছে । মাস্টার্সের আগে বিয়ে করতে চাচ্ছে না । ফ্যামিলি থেকেও বিয়ের জন্য খুব একটা চাপ নেই। তাছাড়া প্রেম টেম আছে কিনা কে জানে । আজকালকার মেয়ে বলা যায় না …

খালার কথা শুনে আমার হৃদয় যেন কেপে উঠে। নিজেকে চরম অবিচারের শিকার বলে মনে হতে থাকে আমার। কায়মনোবাক্যে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে থাকি এমনটা যেন না হয় । ভাবতে অবাক লাগে আমার যে মন বহুকাল ধরে ঈশ্বর নামক ধারনাকে প্রায় পরিত্যাগ করেই  বসে আছে সেই মনও  আজ অবচেতন ভাবে ঈশ্বর তথা কোন এক অতি প্রাকৃত শক্তির করুণা চাইছে । ভালবাসা আসলে কতই না অদ্ভুত!!

একদিন খালা ফোন করে একটা রেস্টুরেন্টের ঠিকানা দিয়ে বললেন-কাল ঐ রেস্টুরেন্টে যাবি।

আমি বললাম -কেন ?

-নিশা আসবে।

-ও।

খুব স্বাভাবিক ভাবে কথা গুলো বললেও “নিশা আসবে” এই কথাটি আমার হৃদয়ে প্রবল আলোড়ন তুলে। নিশাকে পাওয়ার পথে এক লাফে অনেক বড় একটা ধাপ এগিয়ে গেছি বলে মনে হতে থাকে আমার । তুমুল উত্তেজনায় ঐ দিন আরো একটি নিঃসঙ্গ রাত কাটাই আমি ।

  acquistare viagra online consigli

৩)

পরদিন বিকেলে খালার ঠিকানা দেওয়া সেই  রেস্টুরেন্টে যাই । জ্যামে আটকা পড়ে আমার পোঁছতে কিছুক্ষণ দেরী হয়ে গেছে। আমার চোখ দুটি প্রবল আগ্রহে খুঁজে ফিরে একটি পরিচিত মুখ । লক্ষ্য করি কোনার এক টেবিলে একা বসে আছে নিশা। আজ তাকে সেদিনের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্নরকম লাগছে। হন্তদন্ত হয়ে সেদিকে যাই। বলি -সরি ফর লেট।

-ইটস ওকে । তারপর কেমন আছেন ?

-জ্বি ভাল। আপনি ?

-ভাল।

-সেদিনের আচরণের জন্য আমি খুবই দুঃখিত।

- না, না, ঠিক আছে ।

-মোটেও ঠিক নেই। আপনি হয়তো আপনার খালার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতেন না। আপনার উপর রাগ দেখানোটা আমার মোটেও উচিত হয় নি। domperidona motilium prospecto

-আমি কিছুটা আগেই অনুমান করেছিলাম। কাজেই আপনার দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই। আর ভাল কথা আজকে কি বলে আপনাকে এখানে পাঠিয়েছে ?

নিশা মুচকি হেসে বলে – আজ তিনি আসল কারণটিই বলেছেন ।

-ভাল । বলুন কি খাবেন ? buy viagra alternatives uk

-আপনি আপনার পছন্দ মত অর্ডার দিতে পারেন , আমার আলাদা করে কোন পছন্দ নেই ।

আমি খাবারের অর্ডার দিলাম। রেস্টুরেন্ট টিভির পর্দায় ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের খেলা চলছে। নিশাকে দেখলাম বেশ আগ্রহ নিয়ে ম্যান ইউ বনাম আর্সেনালের খেলা দেখছে। কিছুক্ষণ পর আমার দিকে তাকিয়ে সে বলে – আপনি খেলা ধুলা পছন্দ করেন ?

- আউটডোর গেমস খুব একটা না তবে দাবা খুব পছন্দ করি । এক সময় প্রচুর খেলতামও।

- আমি না মারাত্নক ক্রীড়া পাগল।

- তাই নাকি ? কোন খেলা বেশি পছন্দ করেন?

-ক্রিকেট ফুটবল দুটোই পছন্দ করি।

- আর কোন টিমের সাপোর্টার ?

- বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম , ফুটবলে আর্জেন্টিনা আর বার্সেলোনা । আপনি ?

-আমি ক্রিকেট ফুটবল খুব বেশি দেখি না। দেখলে একটু আকটু  বাংলাদেশের খেলাই  দেখি। আগেই বলেছি আমার প্রিয় খেলা দাবা। সেটি তো আর লাইভ টেলিকাষ্ট হয় না । তাই ইউটিউবে ম্যাগনাস কার্লসেন , বিশ্বনাথ আনন্দের খেলার কিছু রিভিউ  ভিডিও দেখি । আচ্ছা আপনার প্রিয় খেলোয়াড় কে ?

- ওয়ান এন্ড অনলি লিওনেল মেসি । আমি মেসির খেলার অনেক বড় ভক্ত। মেসি যা খেলে না স্রেফ অসাধারন!!

-তাই ?

-হ্যা। আচ্ছা আপনি আউটডোর গেমস পছন্দ করেন না কেন ?

-এর পিছনে একটা গল্প আছে ।

-কি গল্প ?

-ছোটবেলায় গ্রামের বাড়িতে আমার এক চাচাত ভাই আমাকে একবার ফুটবল মাঠে নিয়ে গিয়েছিল । আমার খেলার কোন ইচ্ছাই ছিল না কিন্ত তাদের দলে একজন প্লেয়ার শর্ট হওয়ায় শেষপর্যন্ত আমাকে খেলানো হল । যেহেতু খেলাধুলা কিছুই পারি না তাই ঠিকানা হল গোল পোষ্ট। খেলা চলাকালীন প্রতিপক্ষ দল একটা পেনাল্টি পায়। আমার সেই চাচাত ভাই পেনাল্টি কিকার কে উদ্দেশ্য করে বলেছিল – ভাই গোলকিপার ছোট ছেলে, একটু আস্তে শট মাইরেন । ব্যাটা আস্তেই শট মেরেছিল কিন্ত ডাইনে বামে না মেরে মেরেছিল একেবারে সোজাসুজি । আর আমিও কি করতে হবে বুঝতে না  পেরে সোজা পাথরের মত দাঁড়িয়ে ছিলাম। ফল বলের আঘাত সরাসরি আমার বুকে। আমার তখন একেবারে দম বন্ধ হবার দশা। তড়িঘড়ি করে আমাকে নেওয়া হল হাসপাতালে। সেদিনের পর থেকে আর ভুলেও কখনো মাঠ অভিমুখী হইনি।

নিশা হাসতে হাসতে বলে -বেশ মজার ঘটনাতো ।

-আপনার কাছে মজার মনে হচ্ছে ?

-আপনার জন্য কষ্টকর হতে পারে কিন্ত অন্যদের জন্য মজার। আচ্ছা খেলাধুলার বিষয় বাদ দেই কেমন ? কিছু সিরিয়াস বিষয় নিয়ে আলাপ করি ?

- করুন ।

-আপনি হয়তো আমাদের বিয়ের ব্যাপারে আলোচনা শুনেছেন । free sample of generic viagra

-জ্বি ।

-বেসিক্যালি আমার এই মুহূর্তে বিয়ের কোন ইচ্ছা নেই । মাস্টার্সের পর ক্যারিয়ার গড়ায় মন দিতে চাই । তাই এই সব বিয়ে শাদীর ভাবনা আপাতত মাথায় রাখছি না । একচুয়ালি আপনার খালা আর আমার আম্মার চাপাচাপিতে এখানে আসতে হল । তাছাড়া আপনাকেও সরি বলার একটা উপলক্ষ্য খুজছিলাম, বুঝেছেন ।

- জ্বি , বুঝেছি ।

- আশা করি আপনি কিছু মনে করবেন না । is viagra safe for diabetics

-না, না, ঠিক আছে।

আপনার সাথে পরিচিত হয়ে অনেক ভাল লাগলো । আপনি যেন অনেক ভাল কোন মেয়েকে জীবন সঙ্গী হিসেবে পান সেই শুভকামনা রইল। আজ তাহলে উঠি ? থ্যাংস ফর দ্য ডিনার।

-এক মিনিট একটু দাড়াবেন নিশা, আমি আপনাকে একটা জিনিস দিতে চাই।

নিশা খানিকটা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে -কি জিনিস ?

আমি গিফট পেপারে মোড়ানো শুকনো গোলাপ গুলো নিশার দিকে এগিয়ে দেই। use metolazone before lasix

নিশা জিজ্ঞেস করে -কি এটা?

-একগূচ্ছ শুকনো গোলাপ। আপনাকে যেদিন প্রথম দেখি সেদিন আমি আপনার প্রেমে পড়ে যাই । আপনার কথা ভেবেই এই গোলাপ গুলো কিনেছিলাম কিছু দিন আগে। ফুলগুলো রেখে দিয়েছিলাম খুব সযতনে তবুও সময়ের আবর্তনে শুকিয়ে গেছে।  এই শুকনো গোলাপ গুলোর সঙ্গে আমার খুব প্রিয় কিছু অনুভূতি জড়িয়ে আছে। হ্যা , আমি জানি যে এটা আপনার জীবন , আপনি কাকে জীবন সঙ্গী হিসেবে বেছে নিবেন সেটা ঠিক করার অধিকার আপনার অবশ্যই আছে। কিন্ত একই সঙ্গে আমিও নিশ্চয়ই আমার অনুভূতি গুলো প্রকাশ করার অধিকার রাখি। ধরে নিন এই গোলাপগুলো সেই অনুভূতিটাই কিছুটা ধারন করছে।

নিশাকে সম্পূর্ণ হতভম্ভ বলে মনে হয় তবে দ্রুতই নিজেকে সামলে নেয় সে। শুকনো ভঙ্গিতে বলে -ধন্যবাদ। আমি আজ আসি ।

-ঠিক আছে, ভাল থাকবেন।

নিশা তার ব্যাগ উঠিয়ে চলে যেতে উদ্যত হয় । হঠাত কি মনে করে পিছনে ফিরে তাকায় সে। কিছুটা শ্লেষ মেশানো কন্ঠে বলে- কিছু মনে করবেন না , এটা আপনার কত নম্বর প্রেম জানতে পারি ?

আমি হুমায়ুন আজাদের ভাষায় বলি – দ্বিতীয় , তৃতীয় , চতুর্থ কিংবা পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেই । একজন মানুষ যখন প্রেমে পড়ে তখন তার কাছে প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম।

 

৪)

এর ঠিক দুই মাসের মাথায় পারিবারিক ভাবে আমাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পরপরই নিশাকে নিয়ে ভার্সিটির কোয়াটারে উঠে যাই। হাটি হাটি পা করে শুরু হয় আমাদের সংসার। নিশাকে খুব অল্প কয়েকদিনেই সংসারের প্রায় সবকিছু গুছিয়ে ফেলল । প্রায় মার্কেট থেকে এটা ওটা কিনে এনে বলে – দেখো তো এটা এমন ? আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে বলি- দারুণ। নিশা খুশি হয়। ওর খুশি দেখতে আমার ভাল লাগে। আমি মাঝে মধ্যে অবাক হই এই ভেবে যে মেয়েটি আমার শত সীমাবদ্ধতার এই জীবনে কি দারুন ভাবেই না মানিয়ে নিয়েছে। আমার জীবনে সীমাবদ্ধতার অভাব নেই । সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতার নাম আর্থিক সীমাবদ্ধতা। বিশ্ব বিদ্যালয়ে পড়িয়ে আর ক টাকাই বা বেতন পাই। বিয়ে উপলক্ষ্যে ব্যাংক থেকে কিছু লোন করতে হয়ে ছিল। প্রতি মাসে সেই লোন শোধ করতে হয়। এছাড়া বাবা-মাকেও প্রতিমাসে কিছু টাকা দিতে হয়। এর বাইরে যে টাকা টুকু থাকে তার প্রতিটি আমাকে হিসাব করে খরচ করতে হয়। সংসারের খরচের জন্য প্রতি মাসে নিশার হাতে কিছু টাকা তুলে দেই যদিও খুব ভাল করেই জানি এটি খুবই অপ্রতুল। নিশা কি করে যে এই সব ম্যানেজ করে সেই ভাল জানে। বিয়ের পর নিশার খুব ইচ্ছা ছিল হানিমুনে নেপালে যাবার।  আমারও ইচ্ছা ছিল কিন্ত শেষ পর্যন্ত বাজেটে টান পড়ায় আর যাওয়া হয় নি । নিশার মন খারাপ হলেও সে তার সাধ্যমত এটিকে গোপন করার চেষ্টা করেছে। আমি নিশার কষ্টটুকু খুব ভাল মতই বুঝতে পারছিলাম। সেদিনই প্রথম নিজের প্রতি করুণা বোধ করি আমি । তবে এত সীমাবদ্ধতার  পরও আমাদের জীবনে ভালবাসার কমতি ছিল না। ছোট খাট খুনসুটি সুখ দুঃখের মধ্য দিয়ে আমাদের যাপিত জীবন বেশ ভালই কেটে যাচ্ছিল। বিয়ের পর নিশার অনেক নুতুন কিছুই নুতুন করে আবিস্কার করি তার মধ্যে একটি হল ওর  ফুটবল প্রেম। এরকম কোন ফুটবল প্রেমী আমি আমার জীবনেও দেখি নি। ইনফ্যাক্ট কোন মেয়ে যে এরকম ফুটবল প্রেমী হতে পারে সেটাই আমার ধারণাতে ছিল না। প্রতি সপ্তাহে সে তার প্রিয় খেলোয়াড় মেসি আর প্রিয় দল বার্সেলোনার খেলা দেখতে বসে। বার্সেলোনা জিতলে আর মেসি গোল করলে সে এতটাই উচ্ছ্বসিত হয় যে ওর উচ্ছ্বাস দেখতে আমার খুবই ভাল লাগে। কিন্ত আমি ওকে ক্ষেপানোর জন্য রিয়াল মাদ্রিদের সাপোর্টার বনে যাই। রোনালদো যে এখন বিশ্বের সেরা প্লেয়ার , গত দুটো ব্যালন ডিও যে রোনালদো জিতেছে এই সব বলে ওকে রাগানোর চেষ্টা করি । নিশাও জবাব দেয়।  মেসি রোনালদো দ্বৈরথও আমাদের স্বামী স্ত্রীর খুনসুটিতে নুতুন মাত্রা এনে দেয়।

 

একদিন চেম্বারে বসে পত্রিকার পাতা উল্টাচ্ছিলাম । হঠাৎ  একটি একটি শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপন নজর পড়ে আমার । বিজ্ঞাপনটি বলছে ঐ ব্রান্ডের শ্যাম্পু কিনে শ্যাম্পুর গায়ে থাকা নাম্বারটি এস এম এস করে পাঠাতে হবে। লটারীর মাধ্যমে বিজয়ী ভাগ্যবান পাবেন সান্টিয়াগো বার্নাব্যু তে বসে রিয়াল মাদ্রিদ বনাম বার্সেলোনা ম্যাচ দেখার সুযোগ। আমার নিশার বলা একটা কথা মনে পড়ে যায় । নিশা একদিন বলেছিল যে মাঠে বসে ওর মেসির খেলা দেখার খুব ইচ্ছা।  বিয়ের পর নিশার জীবনের কোন শখ আহ্লাদই আমি পুরণ করতে পারিনি।  হঠাৎ  অপ্রত্যাশিত ভাবে নিশার একটি বড় ইচ্ছা পুরণ করার সুযোগ আমার সামনে আসে। আমি এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাই না ।  ঐ দিনই একটা দোকান থেকে ঐ ব্রান্ডের শ্যাম্পু কিনে প্যাকেটের গায়ে থাকা কোডটি এস এম এস করে পাঠিয়ে দেই। কিন্ত নিশাকে এ ব্যাপারে কিছুই বলি না। নির্বাচিত হব কিনা তারই কোন ঠিক ঠিকানা নেই আর যদি হইও নিশাকে একটা বড় ধরনের সারপ্রাইজ দিতে চাই।

দু সপ্তাহ পর আমার নাম্বারে একটা ফোন আসে। জানানো হয় যে আমি সেই দশ ভাগ্যবানের একজন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি যারা ষ্পেনে গিয়ে খেলার দেখার সুযোগ পাবে । সেদিন ছিল আমার বিবাহত্তর জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় দিন। নিশার জীবনের বড় একটি শখ পুরন করতে পারছি এরকম একটি প্রবল আত্ব তৃপ্তি ছড়িয়ে পড়ে আমার মনে।  ঐদিন একটু তাড়াতাড়িই বাসায় ফিরি। আমাকে একটু আগেই বাসায় ফিরতে দেখে নিশা একটু অবাক হয় । জিজ্ঞেস করে – কি ব্যাপার আজ এত তাড়াতাড়ি যে …

আমি বলি- নিশা তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে ?

-কি সারপ্রাইজ ?

-পরে বলব।

না , এখনি বল কি সারপ্রাইজ ?

-আজ কি বার্সেলোনার খেলা ছিল ।

-হ্যা, বার্সেলোনা ২-০ গোলে জিতেছে। নেক্সট ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের সাথে।

-গুড। সেই ম্যাচ দেখতে তুমি ষ্পেনে যাচ্ছ।

-মানে ?

আমি নিশার হাতে ম্যাচের টিকিটটি তুলে দেই। নিশা পুরোপুরি হতভম্ভ। হতভম্ভ নিশাকে ঠিক যেমনটাই দেখতে চেয়েছিলাম ,ওকে এখন ঠিক তেমনটাই দেখাচ্ছে। বিস্মিত হতভম্ভ নিশাকে দেখে আমার বেশ মজাই লাগছে। diflucan 150 infarmed

তবে নিশা নিজের হতভম্ভতা দ্রুতই কাটিয়ে ওঠে বলে- আমি একা গিয়ে কি করব? তুমিও চল ?

-আমি যাব কিভাবে? টিকিট তো পেয়েছি মাত্র একটা, তুমিই যাও।

-তা হলে আমার যেয়ে কোন কাজ নেই।

-কি যে বল না ? এই সুযোগ কি কেউ হাতছাড়া করে ? তাছাড়া আমার ফুটবলের প্রতি অতটা আগ্রহও নেই , তুমি যেহেতু পছন্দ কর, তুমিই যাও।

-তারপরও …

-বাদ দাও তো। মাত্র কয়েক দিনেরই তো ব্যাপার।

-ভাল করে ভেবে বলছ তো …

-হ্যা। তুমি প্রিপারেশন নেওয়া শুরু করে দাও ।

নিশা কয়েকদিন ধরে প্রবল উচ্ছাসে ব্যাগ গোছায় । ক্যামেরা , ডায়েরী বাদ দেয় না কিছুই। যে কোন দারূন কিছু দেখলে সেটা ডায়েরীতে লিখে রাখার অভ্যাস আছে ওর। স্পেন ভ্রমনের সময়ও নিশ্চয়ই অনেক কিছু সে তার ডায়েরীতে লিখে রাখবে। নিশার এই উচ্ছ্বাস দেখতে আমার ভাল লাগে ।

  propranolol hydrochloride tablets 10mg

৫)

আজ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় নিশার ফ্লাইট। নিশাকে তুলে দিতে বিমান বন্দরে গিয়েছি। আরো যারা নির্বাচিত হয়েছে তারাও এসেছে। প্রত্যেকেই প্রচন্ড খুশি । প্রিয় দল আর প্রিয় খেলোয়াড়ের খেলা দেখার সুযোগ পাওয়ায় প্রত্যেকেই রোমাঞ্চিত। শুধু নিশাকেই খানিকটা বিমর্ষ বলে মনে হচ্ছে । আমি বলি- কি ব্যাপার নিশা ? এত মন খারাপ করছ কেন ?

-আমার যেতে মোটেও ভাল লাগছে না। prednisone dosage for shoulder pain

-স্পেন অনেক সুন্দর দেশ । ঘুরে আসো , ভাল লাগবে। তাছাড়া ফোনে তো কথা হবেই ।

-ঠিক আছে । বুয়াকে বলে দিয়েছি বুয়া এসে রান্নাবান্না করে দিয়ে যাবে । তুমি ঠিকমত খাওয়া দাওয়া করিও ।

- এসব নিয়ে তোমার এত ভাবতে হবে না তো । পৌঁছে ফোন দিও। prednisone 10mg dose pack poison ivy

-ওকে।

নিশা কাস্টমস চেকিং এর জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছে। আমি নিশার দিকে তাকিয়ে একটু হাসার চেষ্টা করি । যদিও এই অংশটা পুরোপুরিই অভিনয়। নিশা বিহীন কয়েক দিন কাটাবো ভাবতেই আমার শরীরের রক্ত যেন হিম হয়ে জয়ায়। কষ্টের এক গুচ্ছ তিক্ত অনুভূতি তীব্র ভাবে আমার হৃদয়কে গ্রাস করে। আমি বেশিক্ষণ ঐ জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারিনা । এয়ার পোর্টের উল্টো দিকে রেলিং ধরে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি । আধার ঘনিয়ে সন্ধ্যা নামছে।  নিকষ কালো অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পৃথিবী  ।  একটু একটু করে জেগে ঊঠার চেষ্টা করছে রাতের ঢাকা। ব্যস্ত কঠিন একটি দিন শেষে মানুষ ফিরছে ঘরে, ফিরছে তাদের প্রিয় মানুষটির কাছে। দিগন্ত থেকে নীড়ে ফিরছে পাখিরাও। হঠাৎ আমার ঘাড়ে পরিচিত একটা হাতের স্পর্শ অনুভব করি । ঘুরে তাকিয়ে দেখি নিশা। আমি বলি -কি ব্যাপার  এখনো যাওনি ?

-যাব না ।

- যাব না মানে ? clomid dosage for low testosterone

যাব না মানে যাব না । pastilla generica del viagra

- কি বলছ এই সব ?

-যা বলছি ঠিকই বলছি ।  যদি কখনো একসঙ্গে যাওয়ার সুযোগ হয় তাহলে যাব অন্যথায় নয়।

-ভাল করে ভেবে বলছ তো?

-হ্যা, আর তুমি এরকম স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছ কেন? চল আজ রিকশায় করে বাসায় যাই ।

আমি কি বলব ভেবে পাই না ।  নিশার  হাত ধরে রাস্তায় হাঁটার আগে আরো একবার ওর চোখের দিকে তাকাই আমি । আনন্দ আর ভালবাসার অপূর্ব সম্মিলন খুজে পাই ওর  এই  চোখ জোড়ার  মাঝে  । ওর এই  চোখ জোড়ার দিকে তাকিয়েই বুঝতে পারি এই মায়াবী মেয়েটি তার সকল ভালবাসা শুধু আমার জন্য বরাদ্দ করেছে। ঐ দুটো চোখের মাঝে আমি আমার জীবনের সকল অর্থ খুঁজে পাই। নিজেকে পৃথিবীর সবচাইতে সুখী মানুষ বলে মনে হতে থাকে আমার। বেঁচে থাকার চেয়ে আর কোন আনন্দময় কাজ আমি খুঁজে পাই না । এই মেয়েটির সংস্পর্শে আমার বাঁচতে ইচ্ছে করে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ,সহস্রাব্দের পর সহস্রাব্দ ।   পাড়ি দিতে  ইচ্ছে করে মহাকাশ,  দুর্গম কোন  সাগর -মহাসাগর। সমগ্র পৃথিবীটাকে  শুনিয়ে  আমার বলতে ইচ্ছে করে

In this part of the story I am the one who

Dies, the only one, and I will die of love because I love you,

Because I love you, Love, in fire and blood.

পুনশ্চ  সেবারের এল ক্লাসিকোটা আমি খুব আগ্রহ নিয়েই দেখেছিলাম। আমার দেখা সবচেয়ে স্মরণীয় ফুটবল ম্যাচ।

You may also like...

  1. চমৎকার লেগেছে। কিন্তু এতো বড় লেখাগুলোকে ২ ভাগ করে দিলে পাঠকের পড়তে সুবিধা হয়। লিখতে থাকুন… pills like viagra in stores

  2. cialis new c 100
  3. ///বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম , ফুটবলে আর্জেন্টিনা আর বার্সেলোনা । /////

    আমিও একই দলগুলোর সাপোর্টার :D
    গল্প ভীষণ ভাল লেগেছে, সুন্দর ভাবে এগিয়ে গিয়েছে গল্প। এরেঞ্জড প্রেম কাহীনি… হাহাহা

  4. accutane price in lebanon
  5. ওভার অল, নট ব্যাড। তবে, তৃতীয় ও চতুর্থ পরিচ্ছেদের সংযোগটা বেশিমাত্রায় নাটকীয় মনে হল।

  6. নিশা মাহমুদা বলছেনঃ

    খুব কাকতালীয়ভাবে আমার নাম নিশা এবং আমি ফুটবল আর ক্রিকেটপ্রেমী আর প্রিয় দলগুলো বাংলাদেশ, আর্জেন্টিনা, বার্সেলোনা। প্রিয় ফুটবলার অবশ্যই মেসি। এবং আমার পরিচিত অনেকের কাছেই আমি এরকম কথা শুনেছি যে ‘খেলা পাগল এরকম আর কোন মেয়েকে তারা দেখেননি’ !

lasix tabletten

প্রতিমন্তব্যইকবাল মাহমুদ অনিক বাতিল

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

hcg nolvadex pct cycle
kan metformin krossas