অপার্থিব ভাই এর জন্য

428

বার পঠিত

 

 

 

অস্ত্রের দক্ষ ব্যাবহার অবশ্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিন্ত তার চেয়ে অনেক বেশিগুরুত্ব পূর্ণঅস্ত্রের মহত্ত্বর ব্যবহার।সেনাবাহিনী গুলোতে তা সেইসেনাবাহিনী বাংলাদেশ ,ভারত , পাকিস্তান যেইদেশেরই হোক না কেন এগুলোতেদক্ষ যোদ্ধার অভাব নেই কিন্ত মহৎ যোদ্ধার তীব্রঅভাব রয়েছে। আসলেসেনাবাহিনীর ট্রেনিং কাঠামোই এরকম । এদের ট্রেনিং একজন সৈনিককেদক্ষযোদ্ধা হতে শেখায় কিন্ত ভাল মানুষ হতে শেখায় না।বাংলাদেশ একটি স্বাধীনদেশ হলেও আজওএ দেশের সেনাবাহিনীর ট্রেনিং কাঠামো চলে পাকিস্তানসেনাবাহিনীর ট্রেনিং কাঠামোর আদলে। তাইতোএ দেশেরও অনেক সেনা কর্মকর্তাদেরমানসিকতা পাকিস্তানী সেনা কর্ম কর্তাদের মত। কিছু দিনআগে পত্রিকায়এসেছিল যৌতুকের দাবীতে এক বাংলাদেশিমেজর তার ঢাকা ভার্সিটি পড়ুয়া স্ত্রীরউপর নির্যাতন চালিয়েছে। নারায়ন গঞ্জে সাত খুনের সঙ্গেও জড়িত উচ্চ পদস্থসেনা কর্ম কর্তারা । তবে প্রতিপক্ষ লোকদেরগণহত্যা , নারীদের ধর্ষণ সহনানা নৃশংসতায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পৃথিবীর বাকি সেনা বাহিনী গুলো থেকেঅনেক খানি এগিয়ে। বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধ , বেলুচিস্তানের গণহত্যাতে তারএর প্রমাণ দিয়েছে।একারণে এটি বিশ্বেরসবচাইতেঘৃণ্য সেনা বাহিনীগুলোরএকটি। শান্তি পূর্ণ পৃথিবী গড়তে পৃথিবীর সব দেশকে আগে সেনা বাহিনী মুক্তহতে হবে। বিশেষ করে এই উপমহাদেশে যেখানে বিপুল সংখ্যক লোক দারিদ্রসীমারনিচে বাস করে সেখানে বিপুল অর্থ খরচ করে লাখ লাখ সেনাবাহিনী পালা এক ধরণেরকরুণ রসিকতা। কাজেই সেনা বাহিনীর ভুমিকাকে গ্লোরিফাইনা করে নুতুন করেভেবে দেখার সময় এসেছে,।

 

* অস্ত্রের দক্ষ ব্যাবহার অবশ্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিন্ত তার চেয়ে অনেক বেশিগুরুত্ব পূর্ণঅস্ত্রের মহত্ত্বর ব্যবহার।সেনাবাহিনী গুলোতে তা সেইসেনাবাহিনী বাংলাদেশ ,ভারত , পাকিস্তান যেইদেশেরই হোক না কেন এগুলোতেদক্ষ যোদ্ধার অভাব নেই কিন্ত মহৎ যোদ্ধার তীব্রঅভাব রয়েছে। আসলেসেনাবাহিনীর ট্রেনিং কাঠামোই এরকম । এদের ট্রেনিং একজন সৈনিককেদক্ষযোদ্ধা হতে শেখায় কিন্ত ভাল মানুষ হতে শেখায় না।

 

-সেনাদের প্রশিক্ষণ দাওয়া হয় যুদ্ধের জন্য । যুদ্ধ জয় এর জন্য । যুদ্ধ মানেই হত্যা- বর্বরতা । ১ টি শিশু কখনেই বর্বরতার শিক্ষা নিয়ে জন্মাই না। অর্থাৎ, তাকে প্রশিক্ষণ না দিলে কখনোই সে বর্বর হতে পারবে না । আর যুদ্ধের সময় যাতে শত্রু কে মারতে বা ধ্বংস করতে কোন সেনা হেসিটেড না করে তার জন্য বর্বরতার শিক্ষা প্রয়োজন। যুদ্ধ না হলে সেনা বাহিনীর প্রয়োজন থাকবে না। কিন্তু বাস্তবতা হল যুদ্ধ ছাড়া পৃথিবী চলবে না বা চলতে পারে না । আর তাই একজন সেনার ভাল মানুষ হয়ার চেয়ে দক্ষযোদ্ধা হওয়াই গুরুত্বপূর্ণ ।

 

*বাংলাদেশ একটি স্বাধীনদেশ হলেও আজওএ দেশের সেনাবাহিনীর ট্রেনিং কাঠামো চলে পাকিস্তানসেনাবাহিনীর ট্রেনিং কাঠামোর আদলে। তাইতোএ দেশেরও অনেক সেনা কর্মকর্তাদেরমানসিকতা পাকিস্তানী সেনা কর্ম কর্তাদের মত। কিছু দিনআগে পত্রিকায়এসেছিল যৌতুকের দাবীতে এক বাংলাদেশিমেজর তার ঢাকা ভার্সিটি পড়ুয়া স্ত্রীরউপর নির্যাতন চালিয়েছে। নারায়ন গঞ্জে সাত খুনের সঙ্গেও জড়িত উচ্চ পদস্থসেনা কর্ম কর্তারা ।

 

-   বাংলাদেশ এর সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণ কাঠামো পাকিস্তান এর মত!!!!!! একমত হতে পারলাম না । পাকিস্তান আর্মি পৃথিবীর সেরা বাহিনী গুলার একটি । এটা সবাইকে স্বীকার করতেই হবে । তো এক্ষেত্রে যদি তাদের ফলো করা হলে আমার মনে হয় না তাতে দোষের কিছু আছে। তবে আমার মনে হয় না আপনার কথা সঠিক । কারণ, বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমী এর পসিশোন ২য়। প্রথমে ইসরাইল । যদি বাংলাদেশ এর সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণ কাঠামো পাকিস্তান এর মত হত তাহলে পৃথিবীতে ২য় হত পাকিস্তান এর একাডেমী। আর ২-১ টা ঘটনা প্রায় ৩লাখ বা তার বেশি সদস্যের বাহিনীর যোগ্যতা বা উপযোগিতাকে নির্দেশ করতে পারে না । শেষ এ বলব, আর্মি রা কমান্ড ছাড়া অ্যাকশান এ যেতে পারে না ।

 

 

*তবে প্রতিপক্ষ লোকদেরগণহত্যা , নারীদের ধর্ষণ সহনানা নৃশংসতায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পৃথিবীর বাকি সেনা বাহিনী গুলো থেকেঅনেক খানি এগিয়ে।

-   ন্যাটোর চেয়েও এগিয়ে ? (!)  আমার মতে পাকিদের সবচেয়ে বড় অন্যায় আমাদের কাছে ক্ষমা না চাওয়া ।

 

*বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধ , বেলুচিস্তানের গণহত্যাতে তারএর প্রমাণ দিয়েছে।একারণে এটি বিশ্বেরসবচাইতেঘৃণ্য সেনা বাহিনীগুলোরএকটি।

-   এই ধরণের যেকোনো ঘটনার জন্য আর্মি এর চেয়ে সরকার এর দাইভারই বেশি আমার মতে । আর পাকিস্তান এর জাতীয়ও পশু ছাগল ।…………………… আর কিছু বলব না ।

 

 

*শান্তি পূর্ণ পৃথিবী গড়তে পৃথিবীর সব দেশকে আগে সেনা বাহিনী মুক্তহতে হবে। বিশেষ করে এই উপমহাদেশে যেখানে বিপুল সংখ্যক লোক দারিদ্রসীমারনিচে বাস করে সেখানে বিপুল অর্থ খরচ করে লাখ লাখ সেনাবাহিনী পালা এক ধরণেরকরুণ রসিকতা।

-   সেনা মুক্ত ! ! ! যুদ্ধ কি বন্ধ করা সম্ভব?????? যুদ্ধ বন্ধ না করা গেলে, সেনার প্রয়োজনীয়তা কখনোই মিটবে না বা মুক্ত পৃথিবী চালনা সম্ভব না ।

 

  zovirax vs. valtrex vs. famvir

*কাজেই সেনা বাহিনীর ভুমিকাকে গ্লোরিফাইনা করে নুতুন করেভেবে দেখার সময় এসেছে,।

- সেনারা কাজ করে দেশ ও এর মানুষ এর জন্য । তারা তরুণ জীবনের আনন্দ বিসর্জন দিয়ে বি এম এ তে হার ভাঙ্গা প্রশিক্ষণ নেয় , তারা পাহাড়ে পরে থাকে , দিনের পর দিন পরিবার থেকে দূরে থাকে , শত শত রাত না ঘুমিয়ে কাটায় আমরা যাতে শান্তি তে ঘুমিতে পারি তার জন্য ।  তাদের ভূমিকা অবশ্যই গ্লোরিফাই করা উচিৎ। আমার মতে গ্লোরিফাই  না করাতাই হবে অমানবিক ।

 

  achat viagra cialis france

কোথাও ভুল থাকলে ধরিয়ে দাওয়ার অনুরুধ থাকল।

 

 

 

You may also like...

  1. //কিন্তু বাস্তবতা হল যুদ্ধ ছাড়া পৃথিবী চলবে না বা চলতে পারে না ।//

    এই কথাটি এক সময় হয়তো পৃথিবীর বাস্তবতা ছিল। কিন্ত সারা বিশ্বেই অসংখ্য মানুষের মাঝে দিন কে দিন যুদ্ধ বিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। পৃথিবীর ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কোন যুদ্ধই মানব সভ্যতার কোন উন্নয়ন সাধন করেনি বরং সভ্যতার অগ্রযাত্রাকে কয়েক ধাপ পিছিয়ে দিয়েছে। একমাত্র শিক্ষা ,জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চাই পারে সভ্যতাকে এগিয়ে নিতে ,কোন যুদ্ধ নয় । এই সত্যটিই মানুষ এখন দিন কে দিন উপলব্ধি করছে। পৃথিবীতে অনেক দেশই আছে যেগুলো সেনাবাহিনী মুক্ত (সুত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/List_of_countries_without_armed_forces) । কাজেই পরবর্তী প্রজন্মের মাঝে যদি অসাম্প্রদায়ীকতা ও বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা হয় তাহলে তারা একদিন যুদ্ধ মুক্ত পৃথিবী গড়বে এই আশা করাই যায়। acquistare viagra in internet

    //আর যুদ্ধের সময় যাতে শত্রু কে মারতে বা ধ্বংস করতে কোন সেনা হেসিটেড না করে তার জন্য বর্বরতার শিক্ষা প্রয়োজন। আর তাই একজন সেনার ভাল মানুষ হয়ার চেয়ে দক্ষযোদ্ধা হওয়াই গুরুত্বপূর্ণ ।//

    এই ধরনের চিন্তা ভাবনা ভয়ংকর ও চরম নিন্দনীয়। একজন মানুষের সবার আগে প্রয়োজন একজন উত্তম মানুষ হওয়া তা তিনি যে পেশায় থাকুন না কেন। এই ধরনের মানসিকতা ও উগ্র জাতীয়তাবাদ শান্তি পূর্ণ পৃথিবী গড়ার পথে অনেক বড় একটা বাধা।

    // বাংলাদেশ এর সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণ কাঠামো পাকিস্তান এর মত!!!!!! একমত হতে পারলাম না । পাকিস্তান আর্মি পৃথিবীর সেরা বাহিনী গুলার একটি । এটা সবাইকে স্বীকার করতেই হবে । তো এক্ষেত্রে যদি তাদের ফলো করা হলে আমার মনে হয় না তাতে দোষের কিছু আছে। তবে আমার মনে হয় না আপনার কথা সঠিক ।//

    ট্রেনিং বলতে শুধু ফিজিক্যাল বা টেকনিকাল ট্রেনিং বুঝায় না , এর বাইরেও মানসিক ট্রেনিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এদেশের সেনা বাহিনীর অনেক সদস্যের মেন্টালিটি একেবারে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর মত। ক্যান্টনমেন্টের বাইরের সাধারন মানুষদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গী খুবই হেয় , এমনকি অধিনস্ত সিপাহীদের প্রতি কর্মকর্তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যবহার খুবই বাজে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যে অনেক ক্ষেত্রেই পাকিস্তানকে অনুকরণ করে এটাও প্রমাণিত। দুই দেশের সমর নীতি তৈরি করা হয় ভারতকে প্রধান শত্রু হিসেবে ধরে নিয়ে। দুই দেশের সেনা কর্মকর্তাদের মনস্তত্বেও গভীর মিল আছে। দুই দেশের সেনাবাহিনী রাজনৈতিক ভাবে তীব্র উচ্চাভিলাষী । বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর থেকে ফারুক , খালেদ মোশারফ , তাহের , জিয়া, এরশাদ, মইনুদ্দিনদের উত্থান তো এরই সাক্ষ্য দেয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মত এদেশের সেনা বাহিনীও ব্যবসা বাণিজ্যে নাম লিখিয়েছে। আর পাকিস্তান সেনাবাহিনী যুদ্ধে দক্ষ হতে পারে কিন্ত তাদের কুকীর্তিরও কোন সীমা নেই। পৃথিবীর আর কোন দেশের সেনাবাহিনী নিজ দেশের সাধারণ নিরীহ জনগণকে হত্যা করে না, পৃথিবীর আর কোন দেশে সেনা গোয়েন্দা সংস্থা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এমনকি প্রধানমন্ত্রীর উপর খবরদারি করে না । মেয়ের সেক্স টেপ প্রকাশের হুমকি দেখিয়ে প্রধান বিচারপতিকে ব্লাক মেইল করার অভিযোগ আছে সে দেশের সেনা গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে। কাজেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যদি পাকিস্তানের কাছ থেকে এই সব শেখে তাহলে সেটা হবে খুবই ভয়ংকর।

    //এই ধরণের যেকোনো ঘটনার জন্য আর্মি এর চেয়ে সরকার এর দাইভারই বেশি আমার মতে । //

    যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরিতে রাজনীতিবিদরা বড় ভুমিকা রাখে এটা সত্য কিন্ত বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সরকারের নেতৃত্বে ছিল ইয়াহিয়া খানের উপর যিনি একই সঙ্গে ছিলেন সেনা প্রধানও। কাজেই জুলফিকার ভুট্টোর মত রাজনৈতিক নেতাদের কিছু দায় থাকলেও বড় দায় ইয়াহিয়া খান ও তার প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাদের।

    //সেনা মুক্ত ! ! ! যুদ্ধ কি বন্ধ করা সম্ভব?????? যুদ্ধ বন্ধ না করা গেলে, সেনার প্রয়োজনীয়তা কখনোই মিটবে না//

    অবশ্যই যুদ্ধ বন্ধ করা সম্ভব । তার জন্য সাম্প্রদায়িকতা ও উগ্রজাতীয়তাবাদ এই দুটোকে রোখা অত্যন্ত জরুরী। সাম্প্রদায়ীকতা এখন অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর। যেমন উদাহরন হিসেবে বলা যায় যে পাকিস্তান সেনা বাহিনীর কাছে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মানে কাফেরদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে মরলে তাদের ভাষায় জান্নাত নিশ্চিত। যুদ্ধ বন্ধ করতে এই ফ্যাক্টর গুলোর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠা তাই অত্যন্ত জরুরী । তবে সেনা বাহিনী এখন ফ্রাংকেনষ্টাইনের দানবে পরিণত হয়েছে। নিজেদের অস্তিত্বের স্বার্থেই তারাই এই জাতীয় ঐক্যমত্য তৈরীতে এখন প্রধান বাধা । তবে ভবিষ্যতে একদিন এই ঐক্য মত্য হবে এই আশা করা ছাড়া এখন আর কিছুই করার দেখছি না।

    //তারা তরুণ জীবনের আনন্দ বিসর্জন দিয়ে বি এম এ তে হার ভাঙ্গা প্রশিক্ষণ নেয় , তারা পাহাড়ে পরে থাকে , দিনের পর দিন পরিবার থেকে দূরে থাকে , শত শত রাত না ঘুমিয়ে কাটায় আমরা যাতে শান্তি তে ঘুমিতে পারি তার জন্য ।//

    আমি জানি যে সেনাবাহিনীগুলোতে অনেক দক্ষ মেধাবী মানুষ জন আছেন। সেনা বাহিনীতে যোগ না দিলে তাদের কেউ হয়তো ভাল ডাক্তার, কেউ হয়তো ইঞ্জিনিয়া্‌, কেউ হয়তো শিক্ষক, কেউ হয়তো ভাল বিজ্ঞানী গবেষকও হতে পারতেন। বাংলাদেশের মত একটি গরীব দেশের উন্নয়নের জন্য যেখানে মেধার সর্বোচ্চ ব্যবহার অত্যন্ত জরুরী সেখানে একজন মেধাবী মানুষকে সারা জীবন লেফট রাইট করে জীবন পার করতে দেখা খানিকটা মর্ম যাতনার উদ্রেক করে বৈকি। মুলত আমার আফসোসটা এখানেই । এর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর পিছনে সরকারের যে বিশাল অর্থটা খরচ হয় সেই অর্থ শিক্ষা বিস্তার সহ জনগণের কল্যাণে ব্যয় করলে বাংলাদেশ হয়তো অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক দিয়ে আরো অনেক ভাল অবস্থানে থাকতো।

    can levitra and viagra be taken together
  2. প্রথমেই ভয় পেলাম সাইজ দেখে । ভাল করে পড়ে , মন্তব্য করব নে । :grin:

  3. অংকুর বলছেনঃ

    ভাই,এটা তো ব্লগ। ফেসবুক না। ব্লগে কাউকে নিয়ে আলাদা পোস্ট দিয়ে তর্ক করাটা তো যুক্তিযুক্ত না।

  4. সরি ভাই। পরবর্তী তে খেয়াল রাখব। আর আসলে এটাকে আমি তর্ক বলব না। তর্ক না বলে আমার মতে একে বিতর্ক বললে ভাল হয়। আর আসা করি আমার কোন কথায় অপার্থিব ভাই আঘাত পান নি। :grin: জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

    • আমি আসলে এগুলোকে তর্ক বা বিতর্ক বলি না , আমি এগুলোকে বলি আলোচনা কারন তর্ক বিতর্ক বললে এক ধরনের জয় পরাজয়ের প্রশ্ন আসে । আমি গঠনমুলক যে কোন আলোচনাকে সবসময় ইতিবাচক হিসেবে দেখি। তিক্ত কোন আলোচনাকেও কখনোই ব্লগের বাইরে পার্সোনালি নেই না । আর এই পোষ্টের ব্যাপারে বলব বিভিন্ন বাংলা ব্লগে এভাবে বিতর্ক বা আলোচনাকে প্রধান উপলক্ষ্য করে পোষ্ট দেওয়া নুতুন কিছু নয়। ব্লগের কোন নীতিমালার সাথে এটা সাংঘর্ষিক নয় । কাজেই এই পোষ্টটিকে অযৌক্তিক বলার কোন কারণ নেই।

  5. //পৃথিবীর ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কোন যুদ্ধই মানব সভ্যতার কোন উন্নয়ন সাধন করেনি বরং সভ্যতার অগ্রযাত্রাকে কয়েক ধাপ পিছিয়ে দিয়েছে। একমাত্র শিক্ষা ,জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চাই পারে সভ্যতাকে এগিয়ে নিতে ,কোন যুদ্ধ নয় । \\
    আপনার এই কথাটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক না। যুদ্ধ সভ্যতাকে পিছিয়ে দিয়েছে তা ঠিক না । হ্যাঁ যুদ্ধের কারণে অনেক মানুষ মরেছে , অনেক ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু এটাও ঠিক যুদ্ধের কারণে সরকার বাধ্য হয়েছে বিজ্ঞান চর্চার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে । আজ যুদ্ধ বলে কিছু না থাকলে হয়তবা পরমানু শক্তির মত জিনিস গুলো সমন্ধে আমরা জানতাম না । এরকম আরও বহু জিনিস আছে। তার চেয়ও বড় কথা এই যুদ্ধ না থাকলে তো ইন্টারনেটই থাকত না ! :P doctus viagra

    \\পৃথিবীতে অনেক দেশই আছে যেগুলো সেনাবাহিনী মুক্ত (সুত্রঃ http://en.wikipedia.org/wiki/List_of_countries_without_armed_forces) । //
    যেসকল দেশ এই লিস্ট এ আছে , সে সকল দেশ নিয়ে রিসার্চ করলে দেখবেন হয় দেশগুলো ছোট , জনসংখ্যা কম, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর প্রভাব যুক্ত বা অন্যকোন দেশ তাদের নিরাপত্তার জন্য প্রতিশ্রুতিশীল । যেমন ভ্যাটিকান সিটি , সম্ভবত ইটালি বা সুইজারল্যান্ড এর সেনাবাহিনী ভ্যাটিকান সিটিকে রক্ষা করার প্রতিস্রুতিবদ্ধ ।

    // এই ধরনের চিন্তা ভাবনা ভয়ংকর ও চরম নিন্দনীয়। একজন মানুষের সবার আগে প্রয়োজন একজন উত্তম মানুষ হওয়া তা তিনি যে পেশায় থাকুন না কেন। এই ধরনের মানসিকতা ও উগ্র জাতীয়তাবাদ শান্তি পূর্ণ পৃথিবী গড়ার পথে অনেক বড় একটা বাধা।//
    এর উত্তরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকেই আমি উদাহরন হিসাবে নেই। বিডি আর্মি সাধারনত কখন প্রথম আক্রমণ করে না । অর্থাৎ, আক্রান্ত হলে শত্রুর বংশ উদ্ধার এ প্রতিস্রুতিবদ্ধ। তো মনে করেন মায়ানমার অ্যাটাক করল । আপনার মতবাদ অনুসরণ করলে দেখা যাবে বাংলাদেশ আর্মির ক্ষেত্রে হতাহতের পরিমাণ বেশি হবে ! অর্থাৎ দেশ শত্রুর দখলে চলে যাবে ! যতদিন পর্যন্ত পৃথিবীর সকল মানুষের জীবন রীতি এক না হবে ততদিন পর্যন্ত যুদ্ধ থামানো অসম্ভব ! আর জীবন রীতি এক হতে হলে অনেক কিছু ,অনেক জাতিকে বিসর্জন দিতে হবে । এটাও অসম্ভব !
    // বাংলাদেশ এর সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণ কাঠামো পাকিস্তান এর মত!!!!!! একমত হতে পারলাম না । পাকিস্তান আর্মি পৃথিবীর সেরা বাহিনী গুলার একটি । এটা সবাইকে স্বীকার করতেই হবে । তো এক্ষেত্রে যদি তাদের ফলো করা হলে আমার মনে হয় না তাতে দোষের কিছু আছে। তবে আমার মনে হয় না আপনার কথা সঠিক ।//
    ট্রেনিং বলতে শুধু ফিজিক্যাল বা টেকনিকাল ট্রেনিং বুঝায় না , এর বাইরেও মানসিক ট্রেনিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মত এদেশের সেনা বাহিনীও ব্যবসা বাণিজ্যে নাম লিখিয়েছে। আর পাকিস্তান সেনাবাহিনী যুদ্ধে দক্ষ হতে পারে কিন্ত তাদের কুকীর্তিরও কোন সীমা নেই। পৃথিবীর আর কোন দেশের সেনাবাহিনী নিজ দেশের সাধারণ নিরীহ জনগণকে হত্যা করে না, পৃথিবীর আর কোন দেশে সেনা গোয়েন্দা সংস্থা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এমনকি প্রধানমন্ত্রীর উপর খবরদারি করে না । মেয়ের সেক্স টেপ প্রকাশের হুমকি দেখিয়ে প্রধান বিচারপতিকে ব্লাক মেইল করার অভিযোগ আছে সে দেশের সেনা গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে। কাজেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যদি পাকিস্তানের কাছ থেকে এই সব শেখে তাহলে সেটা হবে খুবই ভয়ংকর।

    \\এদেশের সেনা বাহিনীর অনেক সদস্যের মেন্টালিটি একেবারে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর মত। ক্যান্টনমেন্টের বাইরের সাধারন মানুষদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গী খুবই হেয় , এমনকি অধিনস্ত সিপাহীদের প্রতি কর্মকর্তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যবহার খুবই বাজে। //
    সেনা বাহিনীর ট্রেনিং এ সবচে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয় শৃঙ্খলা সম্বন্ধে। আর এই ট্রেনিং যে এক প্রকার ব্রেইন ওয়াশ তা তো বুঝেননি। যখন তারা দেখে বিশৃঙ্খল জনতা বা তাদের কষ্ট করে রক্ষা করা একটা জিনিস (দেশ) কে কেও দুষিত করছে তখন তারা রিয়াকট করে বসে । অধিনস্ত সিপাহীদের প্রতি কর্মকর্তাদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কিছু বলব না। কারণ আপনি প্রাক্তিকালি না দেখলে বুজবেন না। আমি জড়িত আছি বিধায় জিনিসটা বুঝি ।

    \\বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যে অনেক ক্ষেত্রেই পাকিস্তানকে অনুকরণ করে এটাও প্রমাণিত। দুই দেশের সমর নীতি তৈরি করা হয় ভারতকে প্রধান শত্রু হিসেবে ধরে নিয়ে। দুই দেশের সেনা কর্মকর্তাদের মনস্তত্বেও গভীর মিল আছে। দুই দেশের সেনাবাহিনী রাজনৈতিক ভাবে তীব্র উচ্চাভিলাষী । বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর থেকে ফারুক , খালেদ মোশারফ , তাহের , জিয়া, এরশাদ, মইনুদ্দিনদের উত্থান তো এরই সাক্ষ্য দেয়।//
    পার্শ্ববর্তী দেশ গুলো সবসময় একে অপর কে প্রধান শত্রু হিসাবে গণ্য করে। উদাহরন নেট ঘাঁটলেই আপনি পাবেন ।তবে হ্যাঁ, কিছু ক্ষেত্রে বেতিক্রম যেমন ইউএস আর কানাডা / মেক্সিকো , রাশিয়া – উত্তর কোরিয়া । এক্ষেত্রে তাদের নীতি –সামর্থ্য- সংস্কৃতি অনেকটাই প্রভাব ফেলে।
    বাংলাদেশএর বান্দরবান এ আর্টিলারি অয়েপেন রাখা আছে । রেঞ্জ মনে হয় ৩০-৪৫ কিমি। বাকিটুকু বুঝেনেন।
    রাজনৈতিক ভাবে উচ্চাভিলাষী! ১/১১ এর সময় আর্মি না নামলে কে সংঘাত বন্ধ করত ?????? আসা করি বলবেন ।
    ফারুক , খালেদ মোশারফ , তাহের , জিয়া, এরশাদ, এদের শাসন আমলে আমার জন্ম হয়নি ।তাই এদের নিয়ে জানলেও কিছু বলব না ।

    \\পৃথিবীর আর কোন দেশের সেনাবাহিনী নিজ দেশের সাধারণ নিরীহ জনগণকে হত্যা করে না, পৃথিবীর আর কোন দেশে সেনা গোয়েন্দা সংস্থা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এমনকি প্রধানমন্ত্রীর উপর খবরদারি করে না । মেয়ের সেক্স টেপ প্রকাশের হুমকি দেখিয়ে প্রধান বিচারপতিকে ব্লাক মেইল করার অভিযোগ আছে সে দেশের সেনা গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে।//
    বেশিদূর না পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার , কাচিন ,রহিঙ্গা দের নিয়ে স্টাডি করেন প্রথম লাইন এর উত্তর পাবেন ।
    সেক্স টেপ এর ঘটনা কি সত্য !!!!! ?????????? বাপ্রে :P
    প্লিজ ভাবেন না যে আমি পাকিস্তান এর দালাল। আমি সবসময় সঠিক তথ্য দিয়ে শত্রু কে পচাতে বিশ্বাসী। আর ভুল যেই করুক সেটা ভুলি আর ভালো কাজ যে করুক প্রশংসার দাবীদার।

    \\তবে সেনা বাহিনী এখন ফ্রাংকেনষ্টাইনের দানবে পরিণত হয়েছে।//
    কথাটি ঠিক বলেন নি। সেনাবাহিনী কাজ করে দেশ এর জন্য ।ফ্রাংকেনষ্টাইন হলে তো আর দেশের প্রতি ভালবাশা থাকত না!

    //আমি জানি যে সেনাবাহিনীগুলোতে অনেক দক্ষ মেধাবী মানুষ জন আছেন। সেনা বাহিনীতে যোগ না দিলে তাদের কেউ হয়তো ভাল ডাক্তার, কেউ হয়তো ইঞ্জিনিয়া্‌, কেউ হয়তো শিক্ষক, কেউ হয়তো ভাল বিজ্ঞানী গবেষকও হতে পারতেন।\\
    সশস্ত্রবাহিনী তে ধরলাম ৪ লাখ জনবল আছে । এবার বাংলাদেশের বেকার লোকের সংখ্যা দেখেন। ওইটাও বাদ দিলাম । এই ৪ লাখ বাদে বাকি মানুষ সব কি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে !????

    \\বাংলাদেশের মত একটি গরীব দেশের উন্নয়নের জন্য যেখানে মেধার সর্বোচ্চ ব্যবহার অত্যন্ত জরুরী সেখানে একজন মেধাবী মানুষকে সারা জীবন লেফট রাইট করে জীবন পার করতে দেখা খানিকটা মর্ম যাতনার উদ্রেক করে বৈকি। মুলত আমার আফসোসটা এখানেই । এর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর পিছনে সরকারের যে বিশাল অর্থটা খরচ হয় সেই অর্থ শিক্ষা বিস্তার সহ জনগণের কল্যাণে ব্যয় করলে বাংলাদেশ হয়তো অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক দিয়ে আরো অনেক ভাল অবস্থানে থাকতো।
    //
    কথাটা সত্যি দুঃখজনক, আক্রমণাত্মক, ভুল , অপ্রত্যাশিত । আমাদের দেশের কি প্রতিরক্ষার প্রয়োজন নাই?????
    জদি না থাকে ,দেশটা দখল করলে বাংলাদেশ বলবেন কাকে????? বা বাংলাদেশ কি তখন আদৌ কোন রাষ্ট্র থাকবে????? প্রতিরক্ষার ক্ষমতা না থাকলে তো সেটা রাষ্ট্রর ক্যাটাগরিতেই পরে না ! তাহলে তো দেশ স্বাধীন করার দরকারই ছিল না !
    আর যদি প্রয়োজন থেকে থাকে তাহলে, প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে মেধার ব্যয় ঠিক আছে। হ্যাঁ এতা বলতে পারেন একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় । কিন্তু প্রয়জনিয়তা নাই এতা বলা বা মনে করা ঠিক না ।

    সেনা বাহিনী সারা জীবন লেফট রাইট করে ????? ………………কেন বললেন বুজলাম না ।
    নিরাপত্তা না থাকলে উন্নয়ন সম্ভব না ।

    কোথাও ভুল থাকলে ধরিয়ে দাওয়ার অনুরুধ থাকল।

    posologie prednisolone 20mg zentiva
venta de cialis en lima peru

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

acne doxycycline dosage

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

synthroid drug interactions calcium

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

nolvadex and clomid prices
walgreens pharmacy technician application online ovulate twice on clomid