অপারেশন রেড লাইট ( প্রথম পর্ব )

455

বার পঠিত

একঃ 

ফোনের রিংটোনে ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো । রাতে রিয়াল মাদ্রিদের খেলা দেখতে দেখতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি খেয়াল করিনি । ফোনটা ধরে

- হ্যালো !!

ওপাশ থেকে, ” হ্যালো !! কমান্ডার আব্দুল্লাহ !! আমি ডিজিএফআই থেকে মেজর জেনারেল শাখাওয়াত বলছিলাম । “

ঘুম ঘুম ভাবটা দূর হয়ে গেলো ।

- জ্বি স্যার । বলেন ।

- একটা জরুরী ব্যাপারে কথা ছিলো । আজকে ১১টায় হেডকোয়ার্টারে দেখা করো ।

- ওকে স্যার ।

মনে মনে ভাবছিলাম যে কি এমন ব্যাপার হতে পারে যে মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স থেকে আমার ডাক পড়লো । একটু পরেই কমান্ডিং অফিসার কর্ণেল আজিজ স্যার ফোন দিলেন ।

- শাখাওয়াত স্যারের ফোন পেয়েছো ?

- জ্বি স্যার ।

- ওকে তাহলে ডিজিএফআই হেডকোয়ার্টারে দেখা হচ্ছে ।

১০টার মধ্যেই রেডি হয়ে গেলাম । ঠিক ১০টা ৪৫ এ পৌঁছে গেলাম ডিজিএফআই হেডকোয়ার্টারে । গিয়ে দেখি স্কুল জীবনের পুরানো বন্ধু লে.কর্ণেল ইয়াসির ও বসা । জিজ্ঞেস করতেই জানলাম ওর বর্তমান পোস্টিং ডিজিএফআইতে ।

স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বললো, ” মামা যতটা ভাবতেছো ব্যাপারটা তারচেয়ে সিরিয়াস । এই কেসের মেইন দায়িত্বটা আমাকেই দেওয়া হয়েছে । কিন্তু তোমাকে দরকার কারণ এই কেসে একজন কমান্ডো লাগবে । আর বর্তমানে সামরিক গোয়েন্দা বিভাগে তুমিই একমাত্র SWADS এর কমান্ডো । আর বাকি ডিটেইলস স্যার জানাবে । “

বুঝে গেলাম মারাত্বক সিরিয়াস এক কেসে ডাকা হয়েছে আমাকে । হুদাই কোন কমান্ডোকে এই ধরণের মিশনে ডাকা হয় না । স্নায়ু শক্ত করে ফেললাম । বুঝতে পারছি দেশের উপরে কোন মস্তবড় আঘাত আসতে চলেছে । মনে মনে প্রস্তুতি নিয়ে নিলাম কমিশন প্রাপ্তির দিনে নেওয়া সেই শপথ অনুযায়ী ” প্রাণ দিয়ে হলেও দেশকে রক্ষা করবো । “

ঠিক ১১টায় ডিজিএফআই হেডকোয়ার্টারের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাখাওয়াত স্যারের রুমে ডাক পড়লো আমার আর ইয়াসিরের । ভেতরে যেতেই আমাকে বসতে বলার আগে বলে নিলেন, ” কেসটা খুবই টপ সিক্রেট ব্যাপার । যা এখন শুনবা তা যেন বাইরের কেউ না জানে । মিডিয়াতে এই খবর ফাঁস হলে বিপদ আছে । “

আমি বললাম, ” স্যার কেউ জানবে না । “

দুইঃ 

প্রথম খবর শুনে তেমন ধাক্কা খেলাম না কারণ খবরটা আমার আগেই জানা । সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সচিবকে তার মেয়েসহ অপহরণ করা হয়েছে । আরেকটা খবর পেলাম এই অপহরণ তদন্তের দায়িত্বে থাকা র‍্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের মেজর নজরুল ও তার আগে দায়িত্ব পাওয়া সিআইডির পুলিশ সুপার আরিফ ও সহকারি পুলিশ সুপার তামান্না তিনজনেই নিহত হয়েছেন । এই খবরটা পত্রিকাতে দেখেছিলাম ।

তবে আসল ঘটনা এই মাত্র জানলাম আর সেটা হলো, ” বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি হয়ে গেছে । “

তাও যা তা কোন কিছু নয়, আমাদের নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যাপারে কিছু তথ্য যেটা শত্রু রাষ্ট্রের হাতে পড়লে আমাদের মস্ত বড় ক্ষতি হয়ে যাবে । বড় একটা শক খেলাম কারণ আমাদের শত্রু রাষ্ট্র পাকল্যান্ডের গুপ্তচরেরা এই কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে ।

প্রথম দিকে অপহরণের ব্যাপারটা এত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি কারণ তথ্য যে চুরি গেছে এটা প্রথমে ধরা পড়েনি । ঈদের ছুটির সময়ে তথ্য চুরি হয় আর চুরি করে ঐটার জায়গাতে ভুয়া একটা কাগজের বান্ডিল রেখে যাওয়া হয় । যে কারণে ইঞ্জিনিয়াররা না চেক করা পর্যন্ত ব্যাপারটা ধরা পড়েনি । তবে এই ব্যাপারে ভিতরে যে গাফেলতি হয়েছে এই ব্যাপারে বোঝা যাচ্ছে , সবার সন্দেহের তীর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের দিকে । ইতিমধ্যেই জানতে পারলাম তাকে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং গ্রেফতারও করা হয়েছে ।

শাখাওয়াত স্যারঃ বুঝলে আমরা এখনো সিউর না এই ফাইল টা কোথায় আছে । will i gain or lose weight on zoloft

আমিঃ কেন ? স্যার

- কারণ ওদের গুপ্তচরদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে । ফাইল পেলে ওরা সোজা উড়াল দিতো ।

- গুপ্তচর গুলা কারা ?

- কতিপয় দেশী-বিদেশী লোক যাদেরকে আগে আটক করেও প্রমাণের অভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ।

- ওদের উপরে নজর রাখা হয়েছে ?

- হ্যা । তবে কোন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না ।

- তাহলে ?? viagra en uk

- সেটা তোমাদের বের করে নিতে হবে ।

- ওকে স্যার ।

- শুনো আমাদের এই মিশনের নাম ” অপারেশন রেড লাইট ” । কারণ যে প্রোজেক্টের ফাইল চুরি গেছে ওইটার নাম ছিলো ” প্রোজেক্ট রেড লাইট ” । আর শুনো তোমার কেস সম্পর্কিত সব কিছুর ডিটেইলস এই একটা ফাইলে পাবা । আজকে থেকেই কাজ শুরু করে দাও । সময় খুব কম । আমাদেরকে খুব দ্রুত ওই চুরি যাওয়া তথ্যের ফাইলটা বের করতে হবে । আর সচিব ও তার মেয়েকেও । কারণ সচিবের থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের করতে পারবে ওরা ।

- জ্বি স্যার । আল্লাহ ভরসা !

- ওকে । আর তোমাদের সহযোগীরা ইয়াসিরের রুমে অপেক্ষা করছে ।

- ওকে স্যার

- নাউ ইউ মে লিভ । অল দা বেস্ট ।

- থ্যঙ্কু স্যার ।

- ডোন্ট ফরগেট দেশের ভবিষ্যত এখন তোমাদের হাতে । clomid over the counter

- ইয়েস স্যার ।

মহাপরিচালকের রুম থেকে বেরিয়ে আসলাম আমি আর ইয়াসির । বের হওয়ার পরেই ও বললো, ” বুঝলা কুদ্দুস সাহেবকে আমার অপরাধী মনে হয় না । “

- কেনো ?

- ফাইলটা পড়ে দেখো । কোথাও একটা ঘাপলা ঘাপলা আছে মনে হবে ।

- ওকে ।

ইয়াসিরের রুমে যেতেই পরিচয় হয়ে গেলো আমাদের সহকারীদের সাথে । মেজর বাধন, ক্যাপ্টেন রাকিব আর লেফটেন্যান্ট বিথি । puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

সবার সাথে পরিচয় পর্ব শেষ করে ইয়াসির বললো, ” আগে একটু ফাইলটা পড়ে নাও । তারপরে ঠিক করবো আমাদের কর্মপ্রণালি । “

ফাইলটা পড়তে বসলাম । জানতে পারলাম একের পর এক চমকপ্রদ তথ্য ।

তিনঃ 
প্রতিরক্ষা সচিবের নাম মুশফিকুর রহমান । অস্ট্রেলিয়ার নামকরা এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করে এসেছেন । ঈদের দিন তাকে মেয়েসহ অপহরণ করা হয়েছে । মেয়ের নাম প্রান্তি রহমান । মেয়েটা কয়েকদিন হয়েছে দেশে এসেছে । তার আগে সে বাবার মতই বিদেশে নামকরা এক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তো । মেয়েটা অনেক মেধাবী আর মার্শাল আর্টে ব্ল্যাকবেল্ট ধারী । এছাড়াও পুরা কেস ফাইলটা পড়ে অনেক ঘাপলা দেখতে পেলাম ।
সচিবকে ঈদের দিন অপহরণ করা হয়, ঐদিনেই সিআইডিকে এই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় । ৩ দিন পরে মতিঝিল থেকে সিআইডির দুই কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার হলে দায়িত্ব দেওয়া হয় র‍্যাবকে । এরপরে ৪ দিন পরে র‍্যাব কর্মকর্তার লাশ পাওয়া গেলে ব্যাপারটা সবাইকে ভাবিয়ে তুলে । মজার ব্যাপার ঈদের পর থেকে ওই ” প্রোজেক্ট রেড লাইট ” এর কাগজের কোন খোঁজ কেউ নেয় নাই । কাগজের জিম্মাদারি ছিল যুগ্ম-সচিব কুদ্দুস সাহেবের । উনি ঈদের আগেরদিনই লন্ডন গিয়েছিলেন এক সপ্তাহের ছুটি নিয়ে । উনি দেশে আসার পরে মন্ত্রণালয়ে চুরির ব্যাপারটা প্রকাশ পায় । এরপরেই অপহরণ কেস নতুন দিকে মোড় নেয় ।
তদন্ত কর্মকর্তাদের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখলাম ঘাড়ের হাড় ভেঙ্গে তাদের মৃত্যু হয়েছে । একমাত্র কারাতের আঘাতেই এমনটা হওয়া সম্ভব । ব্যাপারটা বেশ চিন্তার ।
গুপ্তচর বলে সন্দেহ করা হচ্ছে আব্দুল মজিদ নামের এক ব্যক্তিকে । বাধন বললো ইন্টেলিজেন্সের রিপোর্ট লোকটার চেহারার সাথে পাকল্যান্ডের সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তা লে.কর্ণেল মোহাম্মদ ইউনূসের চেহারার সাথে অনেক বেশি মিল । যে কারণে তাকে সন্দেহ করা হচ্ছে । ওর উপরে চিলের নজর রাখা হয়েছে । লোকটা থাকে গুলিস্তানের এক বাসায় । তবে তাকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি কারণ এতে হয়তো তারা আরো বেশি সতর্ক হয়ে যাবে !! venta de cialis en lima peru
কেস ফাইল পড়ে ইয়াসিরকে বললাম, ” চুরি কিভাবে হলো ব্যাপারটা পরিষ্কার না । পুরা ব্যাপারটা কেমন ঘোলাটে !! “
- আসলেই । কি করবা এখন তাইলে ??
- কুদ্দুস সাহেবের সাথে কথা বলতে হবে ।
- উনি এখন সিআইডি হেফাজতে । রাজারবাগের কার্যালয়ে রাখা হয়েছে তাকে ।
- চলো তাহলে ।
চারঃ 
ক্যান্টনমেন্ট থেকে রাজারবাগ আসতে প্রায় ঘন্টাখানেক লেগে গেলো আমাদের । ঐখানে গিয়ে কুদ্দুস সাহেবের সাথে দেখা করার অনুমতি চাইলাম । অনুমতি মিললো … posologie prednisolone 20mg zentiva
আমাদের দেখেই বললেন ” ওয়াহ !! শেষ পর্যন্ত ইন্টেলিজেন্সকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে । দেরি করে ফেলেছে । আরো আগেই ডাকা দরকার ছিল । “
ইয়াসিরঃ কুদ্দুস সাহেব আমার সাথে হচ্ছেন কমান্ডার আব্দুল্লাহ !! SWADS এর একজন কমান্ডো ।
আমার দিকে তাকিয়ে কুদ্দুস সাহেব বললেন, ” কমান্ডার যত দ্রুত পারো এই কাগজগুলা উদ্ধার করো । আমি মরি না বাচি তাতে কিছু যায় আসে না কিন্তু ওই গুলা না পাওয়া গেলে দেশের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে ।
- তা স্যার ঈদের আগের দিনের ঘটনাটা একটু বলবেন কি ?
- সিউর ।
একটু কেশে গলা পরিষ্কার করে নিলেন উনি । এরপরে বলতে শুরু করলেন
” ঈদের আগের দিন সন্ধ্যা ৬টায় আমার ফ্লাইট ছিলো । ওইদিন সচিব স্যারের সাথে এক অনির্ধারিত মিটিং শেষ করতে করতে প্রায় সোয়া ৪টা বেজে যায় । বাসা থেকে বারবার ফোন আসছিলো । তাড়াহুড়ায় ছিলাম অনেক । ঘুরাক্ষণেও ভাবিনি এমনটা হবে । তাহলে লন্ডন যাওয়ার পরিকল্পনাই করতাম না । ” একটু থামলেন উনি ।
- এরপরে কি হলো ?? acquistare viagra in internet
- তাড়াহুড়া ছিল । সচিব স্যার বললেন ফাইলটা চেক করতে । আমার আসলে নিজের চেক করতে যাওয়া উচিত ছিল ।
- আপনি নিজে চেক করেননি ??
- না আমার সহকারী বুশরা তাসনিমকে পাঠিয়েছিলাম ।
- এরপরে ?? renal scan mag3 with lasix
- ও এসে বললো ” স্যার সব ঠিক আছে । ” আমিও নিশ্চিন্তে বের হয়ে গেলাম ।
- বুশরা কি বুঝতে পারবে কোনটা আসল আর কোনটা নকল ??
- হ্যা ওই অফিসে কেবল ও আর আমিই বলতে পারবো এইটা ।
- ও আচ্ছা বের হওয়ার আগে কাউকে কিছু জানাননি ??
- হ্যা সচিব স্যারকে বলে এসেছিলাম ” সব ঠিক আছে । ” ঐ সময় স্যারের রুমে স্যারের মেয়েও ছিলো ।
- ধন্যবাদ আপনাকে ।
সিআইডির কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় ইয়াসির বলতে লাগলো ” দেখলা । তোমাকে আগেই বলেছিলাম ওনাকে নির্দোষ মনে হচ্ছে । “
- হুম । আসলে ওনাকে লোক দেখানোর জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে । তেমন শক্ত প্রমাণ ওনার বিপক্ষে নেই । আদালতে কেস গেলে এমনিতেই খালাস পেয়ে যাবে ।
- এখন কি করবা ??
- বুশরার সাথে দেখা করতে হবে ??
- ওকে তো মনে হয় অফিসে পাওয়া যাবে ।
- চলো ।
রাজারবাগ থেকে পুরান হাই-কোর্ট । প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে গিয়ে বুশরার খোঁজ করতে জানা গেলো আজকে সে অফিসে আসেনি ।
হটাতই মন সতর্ক হয়ে উঠলো । বললাম, ” ওর বাসার ঠিকানা নাও । ওর বাসায় যাবো আমরা । ” প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোয়ার্টারে নয় ঢাকার মগবাজারে ওর বাসা । বাসায় গিয়ে দেখি দরজা খোলা । সন্দেহ হলো । সাবধানে ভিতরে যেতেই ঘরের অবস্থা দেখে চমকে উঠলাম । পুরা ঘর তছনছ হয়ে আছে । বুঝতে পারছি মন্ত্রণালয়ের জুনিয়র সহকারী সচিবকেও অপহরণ করা হয়েছে ।
বিথি আর বাধনকে বললাম, ” এই জায়গাতে তোমরা তদন্ত করে দেখো । ” ইয়াসিরকে বললাম, ” চলো । একটু অফিসে যাবো । “ metformin synthesis wikipedia
acne doxycycline dosage

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

kamagra pastillas

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong> missed several doses of synthroid

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

cialis new c 100
accutane prices