সাধারন নিয়ে অসাধারন রাজনীতি

324

বার পঠিত

 

খেপছেন, তিন বারের প্রধানমন্ত্রী, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ওরফে পিঙ্কি ম্যাডাম প্রচন্ড খেপছেন। এতো খ্যাপা তিনি এর আগে কুন সময় খেপে নাই। তাঁর অবস্থা এই রকমের ব্যারাছেরা যে গত ৪৪ বছরেও এই এরকম দুরবস্থা তাঁর দেখতে হয়নাই। এই কথা শুইনা আমাগো ছক্কু মিয়া ভুরু কুচকাইয়া জিগায় “ম্যাডাম এতো খেপলো ক্যান ?”

আরে খেপবো না, উনার কথা এখন আর কেউ শুনে না, আর শুনবোই বা কে, শুনার মতো আশেপাশে কেউ থাকলে তো শুনবো। নিজের পেটের পোলাই তাঁর কথা শুনলো না আর এখন তো আশে পাশে কেউ নাই। ছক্কু মিয়া কপালডা আরো কুচকাইয়া জিগায় “হের পোলায় আবার হের কোন কথা শুনলো না” ? ধমক দিয়া কইলাম, আরে বুঝোস না, সাড়া জীবন মুছুয়া আদমি পছন্দ করা মানুষ আহ্লাদ কইরা পুলারে কইছিল বাবা তুই তোর বাপের মতো মুচ রাখ, সেই পুলা তাঁর কথা না রাইখা ক্লিন সেভ কইরা বেড়ায়। আর এখন আশে পাশে সেই রকম মছুয়া আদমীগুলাও খুইজা পাওয়া যাইতাছে না, সব গুম নাইলে বাঘইর।

তয় আসলে এইসব খ্যাপা কোন খ্যাপাই না, তাঁর আসল রাগ জনগনের উপর। তিনি মনে করছিলেন সরকার তাঁরে বাসায় আটকাইয়া রাখলে কেউ না কেউ নিজের জীবন বাজি রাইখা তাঁরে উদ্ধার করতে ঝাপাইয়া পরবো। কিন্তু দুই সপ্তাহ ধইরা তিনি এক বন্দী কারাগারে দিন কাটাইতাছেন, কথা কওনের মানুষ পর্যন্ত নাই, যাও ভাইবার দিয়ে দুই চাইরটা মনের দুঃখের কথা কইতো, বেদ্দপরা সেইটাও বন্ধ কইরা দিছে। আর এতো কিছুর পরেও দেশের জনগণ চুপ মাইরা বইয়া রইছে। এই চুপ থাকার কারনেই এই দেশের জনগনের উপর প্রচন্ড খেপছে আমাদের পিঙ্কি ম্যাডাম।

এই জন্যই তো এই জনগনের উপর প্রতিশোধ নেয়ার অর্ডার করছেন ম্যাডাম। শালার জনগন, তুগো ভুটের অধিকার না থাকলে এই জীবন দিয়া কি করবি ? তুগো বাইচা থাকনের অধিকারও নাই। তোরা মর। তুগো ভোটের অধিকারের লেগা অবরোধ দিছি, কই অবরোধ পালন করতে রাস্তায় বইসা থাকবি, সরকার পতন ঘটাবি, আর আমারে উদ্ধার কইরা গদিতে বসাবি, তা না কইরা উনারা কামে যায়, কয় নামে না গেলে খামু কি ? দেশটা গেছে, সবাই খালি খাওন খাওন করে। আরে গরীব দেশ, দুই বেলার যায়গায় এক বেলা না খাইলে কি হয়, আরেক বেলা তো চিকেন বিরিয়ানি দিমু, হেইডাই খায়া রাস্তায় বয়া থাকবো তা না হেরা কামে যাইবো ভাত খাইবো, কাম তগো পিছন দিয়া দিমু। বেদ্দপেরা কথা শুনে না। এর জন্যই এই শালা গুলারে পুইরা মার। দেখ কামে গেলে কি হয়।

উপরের কথাগুলি, একটু ভিন্ন আদলে লেখা হলেও কথাগুলি বাস্তব সত্যি। আসলেই আমাদের দেশের নেতা নেত্রীদের কাছে জনগনের বেঁচে থাকার অধিকারের চাইতে ভোটের অধিকারটাই সব চাইতে বড়, যে ভোটের মাধ্যেমে তারা ক্ষমতার মসনদে বসে সেই জনগনের উপরেই ছড়ি ঘোরাতে পারবেন। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং শিক্ষা, এই পাচটি মৌলিক অধিকারের কোথাও বেঁচে থাকার কথা নেই। তাই আপনি বেঁচে না থাকলে আপনার মৌলিক অধিকারের প্রশ্নও ওঠেনা। তাই তো আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার হরন করতেই আজ রাজনীতিবিদেরা মাঠে নেমেছেন।

সাধারন মানুষ কি চায় ? তাদের মতো তাদের চাহিদাগুলিও খুবই সাধারন, তারা বাঁচতে চায়। যদি কোন মতে বেঁচে থাকে তাহলে পেটের জন্য খাবার চায়, দুটো খাবার কস্টে সৃষ্টে মিলে গেলে শরীর ঢাকার জন্য এক টুকরা কাপর, রাতে মাথা গোঁজার জন্য একটু ঠাই, ব্যাস এই টুকুই, বাকি দুটি না হয় না ই পেলো। তাও তো কস্টে সৃষ্টে দিন কেটে যাবে। আর এর কোনটিই তো কাউকে দিতে হবে না, আপনি শুধু তাদের বেঁচে থাকতে দিন তারা ওই তিনটি ম্যানেজ করে নিবে। আপনি যদি তাঁদের বাচতেই না দেন তাহলে কোথায় যাবে তারা।

এদেশের মানুষকে ধরে জিজ্ঞেস করেন বর্তমান সরকারের খাদ্য মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রির নাম কি, ৯৯ ভাগ লোক বলতে পারবে না। কিন্তু যদি জিজ্ঞেস করেন বর্তমান এক কেজি চালের মূল্য কত ? তাহলে ওই বাকি এক ভাগ উত্তর দিতে পারবেন না। এই ৯৯ ভাগ সাধারন মানুষেরা ওই ১ ভাগ অসাধারন মানুষদের নিয়ে মাথা ঘামায় না, তাঁদের মাথার ঘাম পায়ে লুটায় ওই দুবেলা দু মুঠো ভাত জুটাতে। তাই তাঁদের কাছে এটা খুব বেশী একটা বড় ব্যাপার না কে ক্ষমতায় আর কে বিরোধি দলে, কে কত ভোট কম পেয়ে হারলো আর কে কারচুপি করে জিতলো। ঠিক এই ব্যাপারটিই আমাদের দেশের অসাধারন কিছু মানুষের পছন্দ না, তাই তারা জোর করে হলেও তাঁদের অসাধারন আইডিয়া দিয়ে সেই সাধারন মানুষদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রক হয়ে ওঠেন, শুধু ভাগ্যের নিয়ন্ত্রকই নয়, তাঁদের জীবন মৃত্যুর নিয়ন্ত্রকও হয়ে ওঠার চেস্টা করেন তারা। venta de cialis en lima peru

আমাদের দেশের মিডিয়াও সারাদিন কেবল সেই অসাধারন লোকদের অসাধারন কির্তিগুলির সংবাদ প্রকাশনায় ব্যাস্ত, সাধারনের খবর পাওয়া যায় কেবল তখনই যখন সাধারনেরা খবর হয়ে ওঠে, তারা যখন মৃত্যুর মিছিলে যোগ দেয়, তারা যখন অসাধারনের প্রতিহিংসার আগুনে পুড়ে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে যন্ত্রণায় কাতরায়। তাও দেখানো হয় সুকৌশলে যেন এতে অসাধারনের দোষ প্রকাশিত না হয়, উঠে আসে সাধারনের অসহায়ত্ব। আর এর প্রকাশ এতো নগ্ন হয় যাতে বেচে যাওয়া সাধারনেরা ভয়ে ভীত হয়ে অসাধারনের গুনগানেই ব্যাস্ত হয়ে পড়ে। doctorate of pharmacy online

এই সাধারন অসাধারনের ফারাক আজ ৪৪ বছরেও মিটেনি। এই পোড়ামাটির নীতি এখনও এদেশ ছাড়েনি। ৭১ এ পাকিস্তানী সামরিক জান্তা এদেশের মানুষ চায়নি, চেয়েছিল মাটি। তাই তারা গ্রাম থেকে গ্রাম জ্বালিয়ে পুরিয়ে ছারখার করে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করেছিল, কারন তারা মানুষ চায়নি চেয়েছিল মাটি, সেটা পুড়ে গেলেই বা কি, এ দেশের মানুষের চাইতে এদেশের পোড়া মাটিই তাঁদের বেশী দরকার। সে পাকিস্তানীদের বীজ আজো এদেশে পোড়ামাটির নীতি অনুসরন করে যাচ্ছে, তাঁদের এদেশের সাধারন মানুষের প্রয়োজন নেই তাঁদের দরকার এদেশের মাটি, সেটা পুড়ে গেলেই বা কি।

acne doxycycline dosage
zovirax vs. valtrex vs. famvir

You may also like...

  1. একটু ভিন্ন আদলে লেখা হলেও কথাগুলি বাস্তব সত্যি। আসলেই আমাদের দেশের নেতা নেত্রীদের কাছে জনগনের বেঁচে থাকার অধিকারের চাইতে ভোটের অধিকারটাই সব চাইতে বড়, যে ভোটের মাধ্যেমে তারা ক্ষমতার মসনদে বসে সেই জনগনের উপরেই ছড়ি ঘোরাতে পারবেন। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং শিক্ষা, এই পাচটি মৌলিক অধিকারের কোথাও বেঁচে থাকার কথা নেই। তাই আপনি বেঁচে না থাকলে আপনার মৌলিক অধিকারের প্রশ্নও ওঠেনা। তাই তো আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার হরন করতেই আজ রাজনীতিবিদেরা মাঠে নেমেছেন। posologie prednisolone 20mg zentiva

    বিশ্লেষণ ভালো লেগেছে।

    viagra in india medical stores
  2. এক কথায় অসাধারণ… চমৎকার বিশ্লেষণ! মনের কথাগুলো কি সুন্দর করে গুছিয়ে বলে দিছেন। নিয়মিতই লিখবেন আশাকরি!!!
    এডমিন কেউ নাই নাকি? স্যালুটের ইমো কই?

doctus viagra

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন * zoloft birth defects 2013

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.