বিজয় দিবসের গল্প—”জয় বাংলা”

471

বার পঠিত

১.

 

৭ জানুয়ারি, ২০১৫। prednisone 10mg dose pack poison ivy

 

২০১৫ সালের বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দলের ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করা হল এইমাত্র। যাদের থাকার কথা ছিল তারা সবাই-ই আছে।

 

স্কোয়াডঃ মাশরাফি, সাকিব, তামিম, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ, বিজয়, মমিনুল, রুবেল, তাসকিন, শফিউল, অয়ন, তাইজুল, আল-আমিন, নাসির, সাব্বির।

 

১৪ টা নাম নিয়ে কোন সংশয় নেই। কিন্তু অয়নটা কে?

 

ঘণ্টা দুয়েক আগের কথা।

 

প্রধান নির্বাচকের রুমে মিটিং চলছে স্কোয়াড ঘোষণার জন্য। ৩০ জন থেকে ১৫ জন বেছে নেয়া এমনিতেই অনেক কঠিন কাজ। সেই কাজ আরও কঠিন হয়েছে অস্ট্রেলিয়া- নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনের কথা মাথায় রেখে। সবকিছুর পরে যখন ১৫ জন ফাইনাল, তখন প্রধান নির্বাচক অয়নের কথা তুললেন। এটাও বললেন অয়নকে নেওয়া মানে এই ১৫ জন থেকে ১ জনকে বাদ দিতে হবে। এবং সেই ১ জন হল শামসুর। sildenafil 50 mg mecanismo de accion

 

রুমে উপস্থিত একজন বললেন, “শামসুরের তো তাও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। অয়নের তো কোন অভিজ্ঞতাও নেই। অস্বীকার করছি না ছেলেটা দারুণ খেলে। কিন্তু শুরুতেই বিশ্বকাপের মতো একটা আসরে নামিয়ে দেওয়া কি ঠিক হবে?”

 

প্রধান নির্বাচক বললেন, হ্যাঁ, এটা ঠিক যে অয়নের কোন অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু আমাকে যদি বলা হয়, দুজনের মধ্য থেকে কাকে বেছে নিতে হবে। আমি অবশ্যই অয়নকেই বেছে নেব। ছেলেটা ওপেনিং ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রচণ্ড মারকুটে। সাথে বোনাস হিসেবে আমরা পাচ্ছি ওর ফিল্ডিং। আর অভিজ্ঞতার কথা যেটা আসছে, অয়নকে আমি নিতে চাচ্ছি ব্যাকআপ হিসেবে। বাংলাদেশের হয়ে ওপেন করবে এনামুল আর তামিম। এ দুজনের কোনরকম ইনজুরি না হলে অয়ন মাঠে নামছে না। আর যদি কোন রকম ইনজুরি আসেও, অয়ন তো আছেই।

 

মিটিং এ সবার সম্মতিতে অয়ন ১৫ জনের স্কোয়াডে ঢুকে গেলো।

 

 

২.

 

২৮ মার্চ, ২০১৫।

 

বাংলাদেশ শিবিরে ইনজুরির আক্রমণ। কোচ এবং অধিনায়ক দুজনই দুশ্চিন্তায়। ইনজুরির জন্য আগামীকাল খেলতে পারছেন না ওপেনার তামিম ইকবাল। তাঁর জায়গায় ওপেন করতে নামবেন অয়ন হাসান।

 

একদম নতুন একটা ছেলেকে বিশ্বকাপ ফাইনালের মত বড় ম্যাচে নামানো ঠিক হবে কিনা এ নিয়ে কোচ এবং অধিনায়কের মধ্যে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক চলছে। কোচ একেবারেই রাজি না। কিন্তু ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাস্টিক মাশরাফি বললেন, “আমাদের হাতে কি আর কোন অপশন আছে? আমি আপনাকে বলছি, অয়ন হচ্ছে পুরাই বারুদ। ওর সাথে আমি বিভাগীয় পর্যায়ে একই টিমে খেলেছি। ও যদি কাল ক্লিক করে, তাহলে অর্ধেক ফাইনাল আমরা জিতে গেছি ধরে রাখতে পারেন।”

 

কোচ কিছু বললেন না। তাঁর মাথায় সাব্বির আর এনামুলকে ওপেনিং-এ খেলানোর একটা প্ল্যান মাথায় ঘুরছিলো। কিন্তু প্ল্যানটা তাঁর নিজেরই পছন্দ হল না। তিনি তাঁর নোটবুকে লিখলেন, “তামিম ইকবালের জায়গায় কাল খেলবে অয়ন হাসান।”

 

৩.

 

২৯ মার্চ, ২০১৫। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড।

 

ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল আজ। মুখোমুখি বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান।

 

প্রথম রাউন্ড, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমি ফাইনাল পার করে বাংলাদেশ আজ ফাইনালে।

 

টসে জিতে ফিল্ডিং নিলো পাকিস্তান।

 

মাঠে নামার আগে মাশরাফি অয়নকে এক পাশে ডেকে নিলেন।

 

“অয়ন, জীবনে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামছিস, সেটাও আবার বিশ্বকাপ ফাইনাল। এমনিতেই অনেক চাপে আছি আমরা, কিন্তু তুই কোন চাপ নিস না। তোর চাপ আমরা ১০ জন মিলে ভাগ করে নিচ্ছি। তুই শুধু তোর নিজের খেলাটা খেলে আয়। আমি তোর খেলা দেখেছি। জানি তুই নিজের দিনে কি করতে পারিস।”

 

প্রিয় “কৌশিক”দা’র কাছ থেকে এরকম কথা শুনে অয়নের মাথাটা একদম ফাঁকা হয়ে গেলো। কৌশিকদা একথা বলছেন! কৌশিকদা! তাঁর বিশ্বাসের মর্যাদা যে রাখতেই হবে।

 

ব্যাট করতে মাঠে নামলো এনামুল হক ও অয়ন হাসান।

 

ব্যাপারটা প্রথমে লক্ষ করলেন এক ক্যামেরাম্যান। তার কিছুক্ষণ পরেই স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় ছবিটা ভেসে উঠলো।

 

রমিজ রাজা বিস্ময়ে চিৎকার করে ফেললেন। “হোয়াট ইজ দিস? ইজ দ্যাট বয় ক্রেজি?”

 

পর্দায় অয়নের ব্যাটের নিচের অংশ দেখাচ্ছে। সেখানে লেখা “জয় বাংলা।”

 

মেলবোর্নের বাঙালিরা আবেগে ফেটে পড়লো এবার।

 

পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের হতভম্ব দেখাচ্ছে। তারা চিন্তাও করতে পারেনি এরকম কিছু হতে পারে। তারা এতদিন শুধু গল্পই শুনে গেছে। ১৯৭১ সালে নাকি রকিবুল হাসান নামে এক বাঙ্গাল ব্যাটে “জয় বাংলা” লাগিয়ে মাঠে নেমেছিল। এইসব বাঙ্গালদের জন্যই আসলে কিছু হবে না। আরে ব্যাটা, তুই খেলার সাথে রাজনীতি মিশাশ ক্যান? খেলা আর রাজনীতি এক হল? তুই তোর মুসলমান ভাইদের সমর্থন দিবি না? আর কতদিন ৪৪ বছর আগের গণ্ডগোল নিয়ে পড়ে থাকবি?

 

খেলা শুরু হল।

 

অয়নকে নন-স্ট্রাইকিঙে রেখে স্ট্রাইক নিলো এনামুল।

 

উমর গুলের প্রথম ওভারের প্রথম বল। ডট।

 

দ্বিতীয় বল। আবার ডট।

 

তৃতীয় বল। ওয়াইড। এক রান।

  doxycycline monohydrate mechanism of action

চতুর্থ বল। ডট।

 

পঞ্চম বল। ডট।

 

ওভারের শেষ বল। ১ রান নিয়ে স্ট্রাইকে থাকলেন এনামুল হক। স্কোরঃ ২/০। kan metformin krossas

 

অয়ন স্ট্রাইক পেলো ৩য় ওভারে।

 

উমর গুল বল হাতে ছুটে আসছে। প্রথম বল। ডিফেন্স করলো অয়ন। prednisone dosage for shoulder pain

 

দ্বিতীয় বল। কভার ড্রাইভ। বল চলে গেলো মিড অফ দিয়ে সীমানার বাইরে। চার রান।

 

তৃতীয় বল। ছুটে আসছে উমর গুল আবার।

 

বাউন্সার দিলো গুল।

 

বাউন্সার দেওয়া মাত্রই অয়ন কিছুটা ব্যাকফুটে এসে হুক করলো।

 

বল থার্ডম্যান দিয়ে উড়ে গিয়ে পড়লো সীমানার বাইরে। ছক্কা।

 

কোমরে হাত দিয়ে হা করে দাঁড়িয়ে আছে গুল। এইমাত্র যা হল বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে।

 

চতুর্থ বল। উমর গুল দৌড়ে এসে গায়ের জোরে ফুলটস দিলো।

 

অয়ন সাথে সাথে ফ্লিক করলো। বল ডিপ মিড উইকেট দিয়ে আবারও সীমানার বাইরে।

  pastilla generica del viagra

৪ বলে ১৪। ওই ওভারে আরও একটা চার মেরে মোট ২০ রান তুলে নিলো অয়ন। ৩ ওভার শেষে স্কোর ২৬/০।

 

ড্রেসিংরুমে মাশরাফি কোচের দিকে তাকিয়ে একটা মুচকি হাসি দিলেন। ভাবটা এমন “কি, বলেছিলাম না?”

 

এর পরের ২০ ওভার পাকিস্তানের উপর দিয়ে ঝড় বইয়ে দিলো অয়ন। পাকিস্তানের বোলারদের অবস্থা এমন হল যে তারা বুঝতেই পারছে না কোথায় বল ফেলবে।

 

২০ ওভারে বাংলাদেশের রান দাঁড়ালো ১৫১/০।

 

ফাইনাল দেখতে সাবেক, বর্তমান অনেক ক্রিকেটারই এখন মাঠে। রিকি পন্টিং এর পাশে বসেছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। গিলি, পন্টিংকে বললেন, “হেই রিকি। দ্যাট বয় রিমাইন্ডস মি দ্য ইনিংস ইউ হ্যাড প্লেইড অ্যাট জোহানেসবার্গ।”

 

রিকি পন্টিং কিছু বললেন না। কি যেন নাম ছেলেটার? হুম, অয়ন। অয়ন যেভাবে খেলছে তাতে তাঁর নিজের ইনিংস টাকেও বড় বিবর্ণ মনে হচ্ছে।

 

পন্টিং এবং গিলক্রিস্টের থেকে কিছুটা দূরে বসে আছেন দুই বন্ধু শচীন এবং লারা। লারা অস্ফুটস্বরে পরিষ্কার ইংরেজিতে যা বললেন তার বাংলা হল, “আমি যেদিন ইংল্যান্ডের সাথে ৪০০ করলাম, সেদিনও আমি এতটা ডোমিনেটিং ছিলাম না।”

 

চিরকালের স্বল্পভাষী শচীন চুপ করে থাকলেন। মাঠে যা খেলছে অয়ন নামের ছেলেটা, তাতে কথা বলার সময় কোথায়? হাততালি দিতে দিতে তাঁর হাত ব্যথা হয়ে গেছে।

 

কমেন্ট্রি বক্সে আছেন সঞ্জয় মাঞ্জরেকার, রমিজ রাজা আর রিচি বেনো। অয়নের খেলা দেখে রিচি বেনো উৎসাহে ফেটে পড়ছেন। সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের মুখে কথা যোগাচ্ছে না।। রমিজ রাজা শোকে স্তব্ধ। sildenafil 50 mg dosage

 

অয়ন আউট হলো ২৪তম ওভারের শেষ বলে। তাঁর নিজের সংগ্রহ তখন ৯৩ বলে ১৪৫। দলের সংগ্রহ তখন ১৭০/১।

 

অয়ন যখন মাঠ থেকে বের হয়ে যাচ্ছে তখন পুরো মেলবোর্ন উঠে দাঁড়িয়েছে। হাততালি দিতে দিতে পারলে তারা হাত ফাটিয়ে ফেলে।

 

এর পরেই বাংলাদেশ একটা বিপর্যয়ের মধ্যে পড়লো। এনামুল বোল্ড হয়ে গেলো। সাকিব আর মাহমুদউল্লাহ হলো রানআউট। মুশফিক পয়েন্টে হাফিজের এক দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরে গেলো ড্রেসিংরুমে। বাংলাদেশ ১৭০/১ থেকে হয়ে গেলো ১৮৩/৫।

 

ক্রিজে তখন মিঃফিনিশার নাসির হোসেন আর হার্ডহিটার সাব্বির রহমান।

 

রান তোলার গতি স্লো হয়ে গেলো। যে রানরেট ৭.৫ এর উপরে ছিল সেটা এখন নেমে এসেছে ৬ এ।

 

৩৫ ওভারের খেলা শেষ। স্কোরঃ ২১০/৫।

 

কোন ঝুঁকি না নিয়ে নাসির আর সাব্বির খেলা শুরু করলো সিঙ্গেলস এর উপরে। ৪৫ ওভারে স্কোর দাঁড়ালো ২৫৫/৫।

 

পরের ৫ ওভারে সাব্বির আর নাসিরের কয়েকটা বিগশটে স্কোর হল ৫০ ওভারে ২৯৯/৭।

কমেন্ট্রিতে বলছে, “অয়ন যেভাবে শুরু করেছিলো, তাতে বাংলাদেশের ৩৫০ রানও কম হয়ে যায়। কিন্তু তাঁরা করেছে ২৯৯। এখন দেখার বিষয় বাংলাদেশ এই স্কোর ডিফেন্ড করতে পারে কিনা। পাকিস্তান নিডস ৩০০ রানস ইন ৫০ ওভারস অ্যাট আ রানরেট অফ ৬.০০।” accutane price in lebanon

 

খেলায় এখন বিরতি।

 

পাকিস্তান ব্যাটিঙে নামলো। ওপেনিঙে মোহাম্মদ হাফিজ এবং আহমেদ শেহজাদ।

 

প্রথম ওভারের প্রথম বল। লম্বা রানআপে দৌড়ে আসছে মাশরাফি।

  cialis 20 mg prix pharmacie

স্ট্রাইকিঙে হাফিজ। ছেড়ে দিলো। ডট।

 

দ্বিতীয় বল। ডিফেন্স করলো হাফিজ। আবার ডট।

 

ওই ওভারে কোন রান আসলো না। মেডেন ওভার। পাকিস্তানের স্কোরঃ ০/০।

 

দ্বিতীয় ওভারে বল করতে আসলো শফিউল ইসলাম। কিন্তু বেধড়ক পিটুনি খেলো সে। ওই ওভারে ১৪ রান নিয়ে রানরেট ৭ এ নিয়ে গেলো পাকিস্তান।

  lasix dosage pulmonary edema

৫ ওভার শেষে রান দাঁড়ালো ৪০/০।

  prednisone side effects moon face

মাশরাফির কপালে ভাঁজ। একটা ব্রেক থ্রো দরকার।

  viagra lowest price

সাকিবকে বোলিং এ আনলো মাশরাফি।

 

কিন্তু সাকিবের ওভারের পরে পাকিস্তানের রান হল ৫৪/০।

 

“৬ ওভারে ৫৪। রানরেট ৯ করে। ড্যাম ইট।”

 

খেলার এ পর্যায়ে মাশরাফি একটা জুয়া খেললো। সে বোলিং এ আনলো মাহমুদউল্লাহকে।

 

মাহমুদউল্লাহ’র প্রথম বল। স্লোয়ার ডেলিভারি।

 

আউট। ক্লিন বোল্ড। আহমেদ শেহজাদ ইজ আউট।

 

মাশরাফি প্রায় কোলে তুলে নিলো মাহমুদউল্লাহকে।

 

নতুন ব্যাটসম্যান আসাদ শফিক।

 

মাহমুদউল্লাহ’র দ্বিতীয় বল। ঠেকিয়ে দিলো শফিক।

 

তৃতীয় বল। আবার ডট।

 

চতুর্থ বল।

 

আউট। হোয়াট আ ক্যাচ বাই মুশফিক।

 

মুশফিক অনেকটা পিছনে গিয়ে একহাতে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিলো। পাকিস্তানের স্কোর তখন ৫৪/২।

 

ওভার শেষ।

 

ক্রিজে এখন ইউনিস খান আর মোহাম্মদ হাফিজ।

 

বল করতে আসলো শুরুতে মার খাওয়া শফিউল ইসলাম। এসেই ফেরালো হাফিজকে। স্কোর ৫৭/৩।

 

এর পরের ওভারে বল করতে আসলো মাশরাফি নিজেই। ইউনিস খানকে বোল্ড করে পাকিস্তানকে বানিয়ে দিলো ৬২/৪।

 

১০ ওভার শেষে পাকিস্তান তখন রীতিমত কাঁপছে।

 

মিসবাহ ও সরফরাজ আহমেদ মিলে টেনে নিয়ে চলল পাকিস্তানকে।

  prednisolone injection spc

২০ ওভার শেষে স্কোরঃ ৯০/৪।

 

মিসবাহ ঠাণ্ডা মাথায় খেলছে। ২০০৭ সালে একবার তার ভুলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হেরেছিল পাকিস্তান। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি সে আর করতে চায় না।

 

৩০ ওভারে স্কোরঃ ১৪৭/৪।

 

কমেন্ট্রিতে রবি শাস্ত্রী বলছেন, “বাংলাদেশ যেভাবে চেপে ধরেছিল পাকিস্তানকে, সেই চাপ থেকে তারা বের হয়ে আসছে।” acheter cialis 20mg pas cher

 

৪০ ওভার শেষে স্কোরঃ ২১৫/৪।

 

শেষ ১০ ওভারের খেলা এবার।

 

সবসময় নির্বিকার থাকা সাকিবের মুখেও দুশ্চিন্তার চাপ। ম্যাচটা যে হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। cd 17 clomid no ovulation

 

মাশরাফি এই সময়ে আবার সাকিবকে বোলিঙে আনলো।

 

৭ ওভারে ৪০ রান। ০ উইকেট। আজ সাকিবের দিন নয়।

 

কে বলেছে এই কথা?

 

বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার বোলিঙে এসেই করলো হ্যাট্রিক।

 

পাকিস্তানের স্কোর এখনঃ ২২০/৭।

 

জয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে দূর দিগন্তে।

 

মাঠে এখন পাকিস্তানের শেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান শহীদ আফ্রিদি।

 

এই মানুষটার সাথে বাংলাদেশের বহু স্মৃতি জড়িত। ১৯৯৯ সালে নর্দাম্পটনে যেবার বাংলাদেশ পাকিস্তানকে হারায়, সেই দলে ছিল শহীদ আফ্রিদি। ২০১৪ সালে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের জেতা ম্যাচ বের করে নেয় এই শহীদ আফ্রিদি।

 

৫৪ বলে ৮০ রান দরকার। হাতে আছে ৩ উইকেট।

 

আফ্রিদি বিগশট বাদ দিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় খেলছে। ventolin evohaler online

 

স্কোরঃ ৪৪ ওভারে ২৪০/৭।

 

৪৫ তম ওভারে সাকিব তুলে নিলো উমর গুল আর ওয়াহাব রিয়াজকে। পাকিস্তান ২৪৬/৯। জয় তখনও প্রায় ৫৫ রান দূরে।

  buy viagra alternatives uk

আফ্রিদি এবারে যেন অতিমানব হয়ে উঠলো। প্রত্যেকটা বল মাঠের বাইরে নিয়ে ফেলার চেষ্টা করছে সে।

 

৪৭ ওভারে স্কোর হল ২৬৯/৯।

 

৪৮ ওভারে স্কোর ২৮২/৯।

 

১২ বলে দরকার ১৮।

 

৪৯ তম ওভারে বোলিঙে আসলো মাশরাফি।

 

আফ্রিদি ওই ওভারের প্রথম ৫ বলে, ১ ছয়, ২ চারে তুলে নিলেন ১৪ রান।

 

স্কোরঃ পাকিস্তান ২৯৬/৯। ওভার ৪৮.৫। জয় থেকে আর মাত্র ৪ রান দূরে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান। ৩ রান হলে ম্যাচ টাই।

 

মাশরাফিকে উদভ্রান্ত দেখাচ্ছে। “খোদা!! আবারও কি এতো কাছে এসে হেরে যেতে হবে? আর একটা উইকেট নিতে দাও।”

  pastillas cytotec en valencia venezuela

মাশরাফি দৌড় শুরু করলো। স্ট্রাইকিঙে শহীদ আফ্রিদী।

 

আফ্রিদী’র মাথায় চলছে অন্য চিন্তা। “১ অথবা ৩। নাহলে ৪। ইরফানকে কোনভাবেই স্ট্রাইক দেওয়া যাবে না।

 

মাশরাফি বল করলো।

 

ইয়র্কার দিতে চেয়েছিলো। কিন্তু আফ্রিদি এগিয়ে আসায় বলটা হয়ে গেলো ফুলটস। pharmacie belge en ligne viagra

 

আফ্রিদি পুল করলো।

 

মাশরাফি শূন্য চোখে তাকিয়ে আছে বলের দিকে। নেই, কেউ নেই। বল ডিপ মিড উইকেট দিয়ে চলে যাচ্ছে সীমানার দিকে। সেই সাথে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশের স্বপ্নও।

 

পুরো ম্যাচে অচল হয়ে থাকা “পকেট ডায়নামো” মমিনুল চালু হল ঠিক তখন।

 

তাঁর ছোট শরীরটা নিয়ে জীবনের সেরা দৌড় শুরু করলো সে। ডিপ স্কয়ার লেগ থেকে দৌড়ে এসে যখন ডাইভ দিলো বল তখন সীমানার দড়ি ছোঁয়ার অপেক্ষায়।

 

কিভাবে যে মমিনুল বলটাকে বাউন্ডারি হওয়া থেকে বাঁচালো তা সে নিজেও বলতে পারবে না। বল হাতে যখন উঠে দাঁড়ালো তখন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা ২ রান নিয়ে ফেলেছে। আর ১ রান নিলেই সমান হয়ে যাবে স্কোর।

 

মমিনুল গায়ের সমস্ত শক্তি দিয়ে বলটা ছুঁড়লো।

 

বাংলাদেশের ১১ জন খেলোয়াড়, ড্রেসিং রুমের স্টাফ, পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা, স্টেডিয়ামের ১ লাখ দর্শক, ভিআইপি লাউঞ্জে বসে থাকা মহারথীরা, টেলিভিশনের সামনে বসে থাকা লাখ লাখ দর্শক সবাই মন্ত্রমুগ্ধের মত তাকিয়ে আছেন বলের দিকে।

 

মুশফিক বল ধরার জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সামনের দিকে। চোখের কোণা দিয়ে দেখতে পেলো আফ্রিদি ক্রিজের অর্ধেক পার হয়ে এসেছে। আর একটু……

 

আফ্রিদির চোখের সামনে দিয়ে বল মিডল স্ট্যাম্প উড়িয়ে নিয়ে গেলো।

 

আউট।।।।। আ–উউ—টট। আ–উউউউউউউউ——-টটটটটট।

 

ক্রিকেট বিশ্বকাপের নতুন চ্যাম্পিয়নের নাম “বাংলাদেশ।”

  diflucan 150 infarmed

পাঠক, তার পরে কি হতে পারে, দয়া করে কল্পনা করে নিন।

 

হাজার মাইল দূরে, পাকিস্তানে বসে বাংলাদেশের উল্লাস দেখছেন জেনারেল নিয়াজি’র ভাতিজা ইমরান খান। ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে এসে বিমানবন্দরে বাঙ্গালিদের “নমস্তে” বলার জন্য কি এখন আফসোস হচ্ছে তার?

 

ভারতের নজফগড়ে বসে খেলা দেখছিলেন বীরেন্দর শেবাগ। বিভিন্ন সময়ে তিনি যে দলকে নিয়ে কটূক্তি করেছিলেন সেই দলই এখন বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন। অন্যদিকে এবারের বিশ্বকাপের দলে তার জায়গাই হয়নি। আইরনি ইজ অ্যাট ইট’স বেস্ট। is viagra safe for diabetics

 

স্টেডিয়ামে মুখ চুন করে বসে আছেন এক শিখ। বাংলাদেশকে তেলাপোকার সাথে তুলনা করেছিলেন তিনি। তার নাম নভজোত সিং সিধু। লজ্জায় তিনি মাথা নিচু করে আছেন।

 

মুলতানের মরীচিকা, ২০১২ সালের এশিয়া কাপে বুক চিরে বেরোনো দীর্ঘশ্বাস, ২০১৪ সালের এশিয়া কাপের মিলিয়ে যাওয়া স্বপ্ন সব হিসাব নিকাশ এসে মিলল অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এসে।

 

রিচি বেনো তখনও চিৎকার করেই যাচ্ছেন, “দ্যাট ওয়াজ অ্যান আনবিলিভেবল ম্যাচ। বাংলাদেশ ইজ দ্য  চ্যাম্পিয়ন অফ দ্য ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ টু থাউজ্যান্ড ফিফটিন।”

 

গোটা বাংলাদেশ তখন আনন্দে উন্মাতাল।

 

পরিশিষ্টঃ ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার নেওয়ার সময় রবি শাস্ত্রী অয়নকে জিজ্ঞেস করলেন, “প্রথম ম্যাচেই এরকম সেঞ্চুরি। কেমন লাগছে জিজ্ঞেস করবো না। আই জাস্ট ওয়ান্ট টু আস্ক, ইজ দেয়ার অ্যানি সিক্রেট বিহাইন্ড ইট?”

  sito sicuro per comprare cialis generico

অয়ন রবি শাস্ত্রী’র অবাক চোখের সামনে “জাস্ট আ মিনিট” বলে মঞ্চ থেকে নেমে গেলেন। ড্রেসিং রুম থেকে নিজের ব্যাটটা নিয়ে এসে বললেন, “দ্যাট টু ওয়ার্ডস ইজ মাই সিক্রেট।” levitra generico acquisto

 

ক্যামেরা ব্যাটের দিকে ঘুরে গেলো।

 

অয়নের ব্যাটে জ্বলজ্বল করছে সেই দুটি শব্দ। clomid dosage for low testosterone

 

পাঠক, আপনি জানেন সেখানে কি লেখা ছিল।

 

 

উৎসর্গঃ ক্র্যাক প্লাটুনের শহীদ আব্দুল হালিম খান জুয়েল। যার স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশ স্বাধীন হলে জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন হওয়ার, ওপেনিঙে ব্যাট করার। এই মানুষটিকে ১৯৭১ সালের ২৯শে আগস্ট রাতে আজাদদের বড় মগবাজারের বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর লাশটাও আর খুঁজে পাওয়া যায় নি।

  cialis new c 100

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের গ্যালারীর একটা অংশের নামকরণ করা হয়েছে তাঁর নামে।

 

“শহীদ জুয়েল ও শহীদ মুশতাক স্ট্যান্ড।”

 

শহীদ মুশতাক এবং শহীদ জুয়েলের নামে যে স্টেডিয়ামের গ্যালারীর নাম, সেই স্টেডিয়ামে খেলার সময় পাক অধিনায়ক মিসবাহ বলেন, মনে হচ্ছে লাহোরেই খেলছি।

 

এই লজ্জা, এই অপমান কিভাবে সহ্য করি?

 

(সমাপ্ত)

You may also like...

  1. pills like viagra in stores
  2. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    উৎসর্গঃ ক্র্যাক প্লাটুনের শহীদ আব্দুল হালিম খান জুয়েল। যার স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশ স্বাধীন হলে জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন হওয়ার, ওপেনিঙে ব্যাট করার। এই মানুষটিকে ১৯৭১ সালের ২৯শে আগস্ট রাতে আজাদদের বড় মগবাজারের বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর লাশটাও আর খুঁজে পাওয়া যায় নি। aborto cytotec 9 semanas

    আর কিছুই বলার নেই!! চমৎকার লিখেছেন

    propranolol hydrochloride tablets 10mg
  3. এইভাবে একটা জয়ের জন্য উদ্ভ্রান্ত হয়ে আছি ভাই। দারুণ লিখেছেন। পড়ার সময় কখন যে আমি খেলার মাঠে চলে গিয়েছিলাম। অসাধারণ লিখছেন, অসাধারণ…

  4. অসাধারন। ১৯৯৯ সালের সেই জয়ের পর থেকে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি আর একটা বড় মঞ্চের জয়ের জন্য ………

  5. এইরকম হবে ১০০ভাগ নিশ্চিত , বাংলাদেশ যেদিন এশিয়া কাপ এর ফাইনাল এ উঠেছিল সেদিন লাফ দিয়ে আমার পা মচকে গিয়েছিল , টাইগাররা যদি ২০১৫ এর ফাইনাল জিতে তাহলে হাত পা ভেংগে হাসপাতাল এ ভর্তি হতে রাজি । :grin: :grin:

প্রতিমন্তব্যদুর্বার প্রলয় বাতিল

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

crushing synthroid tablets