মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি…

379

বার পঠিত kamagra pastillas

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জানিনা এই চিঠি কোন দিন কোন কালে আপনার দৃষ্টিগোচর হবে কি না। তবুও লিখছি, কারন আপনার কাছে আমার দাবীটা জানানোর একটা চেষ্টা তো অন্তত করেছি এটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় সান্তনা। viagra in india medical stores

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই দেশ ক’দিন আগেও দেশ ছিল না। পাকিস্থানের একটি প্রদেশ ছিল মাত্র। আপনার বাবা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজের জীবন বাজি রেখে পাকিস্থানের সেই পূর্ব প্রদেশটিকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট ‘বাংলাদেশ’ নামে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। উনার স্বপ্ন ছিল, সাড়ে সাত কোটি মানুষের স্বাধীনতা, শোষণ বঞ্চনা থেকে মুক্তি ও আত্মসম্মানের সহিত শান্তিতে বেঁচে থাকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। আল্লাহর অশেষ কৃপায় এক সাগর রক্ত ও লাখে লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে উনার সেই স্বপ্নের অর্ধেক পূরণও হয়েছিল। বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষ শোষণ বঞ্চনা থেকে মুক্ত হয়ে পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়েছিল। বিজয়ের পরবর্তী ধাপ হিসেবে তিনি সাড়ে সাত কোটি মানুষের সুখ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবতীর্ণ হোন। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, সেই সংগ্রামের সফলতার মুখ দেখার আগেই এই দেশেরই স্বাধীনতা বিরুধী কিছু বেঈমান বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। সেই সাথে হত্যা করে উনার স্বপ্ন ও বাঙালির মানুষ হয়ে উঠার সুযোগটাকেও। ভাগ্যক্রমে বিদেশে থাকায় আপনি ও আপনার বোন সেদিন বেঁচে যান।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এরপর গঙ্গার জল অনেক গড়িয়েছে, আপনার দেশ ফেরত আটকে দেয়া হয়েছে, দেশের স্বাধীনতাপন্থী খ্যাতিমানদের ক্রমে হত্যা করা হয়েছে, দেশ ত্যাগে বাধ্য করা হয়ছে এমনকি শত নির্যাতন লাঞ্চনা সহ্য করেও সাধারণ পর্যায়ের যারা রয়ে গেছিল তাদের সবার কন্ঠকে জোর করে চেপে ধরা হয়েছিল। রাষ্টের মূলনীতি পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধুর ধর্ম নিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক স্বপ্নের সোনার বাংলাকেও ঘুরিয়ে দেয়া হয়েছিল উল্টো রথে। আমি সে দিকে আর নাই গেলাম… এর বহুদিন পর আপনি দেশে আসেন। দেশের মানুষের অকুন্ঠ সমর্থন আর ভালবাসা আপনাকে বাংলার মসনদে আসীন করে। আজ আপনি বাংলাদেশের একজন সফল প্রধানমন্ত্রী।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বাধীনতার আজ প্রায় ৪৩ বছর গত হয়েছে। এই ৪৩ বছরে দেশ বার বার পিছিয়ে পড়েও অনেক দূর এগিয়েছে। একটি রাষ্ট্রের জন্য যে বিষয়গুলি অপরিহার্য ছিল তা বঙ্গবন্ধু উনার স্বল্প সময়ের শাসনামলেই অর্জন করে রেখে গিয়েছিলেন। যুদ্ধ বিদ্ধস্ত একটি রাষ্ট্রকে মাত্র ৩বছরে তিনি রাষ্ট্রের পরিচয়ে গড়ে তুলেছিলেন। সংবিধান প্রণয়ন, প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন, আভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী গঠন, স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা নির্মান, ভারতীয় সৈন্যদের ফেরত পাঠানো, জাতিসংঘ, ওআইসি সহ আন্তর্জাতিক সব সংস্থা সমূহের সদস্য পদ অর্জন, বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রসমূহ কতৃক স্বীকৃতি আদায়সহ এমন কোন সেক্টর নাই যা তিনি স্থাপন বা প্রতিষ্ঠা করেননি। পরবর্তীতে যে সরকারই ক্ষমতায় এসেছে তারা প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান সমূহ শুধুমাত্র পরিচালনাই করেছে, নতুন করে কোন কিছুকেই তৈরী বা প্রতিষ্ঠা করতে হয়নি। এককথায় তৈরী ভাত-তরকারী তারা শুধু পাতে তুলে খেয়েছে মাত্র, চাল ডাল নুন মশল্লা জ্বালানী কোন কিছুই তাদেরকে জোগাড় করতে হয়নি।
৭৫ থেকে ৯৬ পর্যন্ত দেশ অনেকটা অন্ধকারেই থাকে। দীর্ঘ পথ অনেক আন্দোলন সংগ্রামের পর ৯৬’তে দেশের হাল ধরেন আপনি। মাত্র ৫ বছরে দেশের অনেক পরিবর্তনও ঘটে। সবকটি সেক্টর নতুন করে ঢেলে সাজিয়ে দীর্ঘ মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। কিন্তু আফসুস, পরবর্তী নির্বাচনেই মিথ্যা আর অপপ্রচারের কাছে আপনি ও আপনার দল পরাজয় বরণ করে। এরপর দীর্ঘ আরেকটি সময় পেরুনোর পর ২০০৯ সালে আপনি আবার ক্ষমতায় আসেন এবং আজ অবধি অধিষ্টিত আছেন। ক্ষমতায় আসার পর আপনি আবারো দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির দিকে নজর দেন এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীর বিচারকাজ শুরু করে ইতিহাসের দায় মেটানোর গুরুদায়িত্বটিও কাধে নেন। অস্বীকার করার উপায় নেই, ধর্মান্ধ ও স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্টি ছাড়া দেশের আপামর প্রগতিশীল জনতা আপনার ঐ কাজের প্রতি অকুন্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদান করে। ধর্মান্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধীদের সকল মিথ্যা ও অপপ্রচার, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র খুব সফলতার সাথেই দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে আপনি মোকাবেলা করেছেন এবং এখনো করে যাচ্ছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ২০০৯ সালে দেশের মানুষ খেয়ে না খেয়ে আপনার দলকে কেন ভোট দিছিলো আপনি জানেন? শুধুমাত্র দু বেলা শান্তিতে দু মুটো ভাত খাওয়ার নিশ্চয়তা আর রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ দেখার জন্য। আপনিও সেটা অনুধাবন করতে পেরে শত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে, নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করেও দেশের সামগ্রিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখার চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে দেশের মানুষের জীবন মানের অনেক উন্নতি হয়েছে এবং মানুষ মোটামুটি শান্তিতেই আছে। পাশাপাশি আপনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজও আইনের নিজস্ব গতিতে চলছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী…
সুযোগ বার বার আসে না। এই দেশ, এই জাতি আপনার কাছ থেকে অনেক কিছুই আশা করে। দোয়া করি আপনি হাজার বছর সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকুন। কামনা করি, সকল রোগ-শোক, দুঃখ-বেদনাকে জয় করে লৌহের মত শক্ত ও মজবুত থাকুন। কিন্তু একথাও স্বীকার্য যে, মৃত্যু চিরসত্য। আজ হোক কাল হোক এই বিশ্বভ্রহ্মান্ডের সব কিছুর মায়া ত্যাগ করে আপনাকেও একদিন চলে যেতে হবে। বাংলাদেশ কেন, সমস্থ জাহানের ক্ষমতাও যদি আপনার হস্থগত হয় তবুও আপনি মৃত্যুকে এড়াতে পারবেন না। তাই আপনার কাছে বিশেষ অনুরোধ, দুনিয়া ছেলে চলে যাবার আগে বেশি না এমন কয়েকটি কাজ আপনি সম্পন্ন করে যান যে কাজের বদলৌতে দুনিয়া ছেড়ে গেলেও পিতার মত আপনাকেও জাতি হাজার হাজার বছর স্মৃতিতে চির ভাস্মর করে রাখে। বেশি না, মাত্র ৩টি কাজ। এই যেমন : ১। দ্রুত সময়ে( বেশি হলে বছর তিনেকের মধ্যে) অভিযুক্ত সবকটা যুদ্ধাপরাধীর বিচারকাজ সমাপ্ত ও রায় কার্যকরে পদক্ষেপ গ্রহণ।
২। ঘুষ-দূর্নীতি বন্ধে কঠোর, আমি আবার বলছি ফখর উদ্দিন সরকারের চাইতেও অধিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ।
৩। জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ সহ সব ধরণের ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করণ।

আমার বিশ্বাস আপনি পারবেন। আপনাকে পারতেই হবে যে?

renal scan mag3 with lasix

You may also like...

  1. বেশি না, মাত্র ৩টি কাজ। এই যেমন : ১। দ্রুত সময়ে( বেশি হলে বছর তিনেকের মধ্যে) অভিযুক্ত সবকটা যুদ্ধাপরাধীর বিচারকাজ সমাপ্ত ও রায় কার্যকরে পদক্ষেপ গ্রহণ।
    ২। ঘুষ-দূর্নীতি বন্ধে কঠোর, আমি আবার বলছি ফখর উদ্দিন সরকারের চাইতেও অধিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ।
    ৩। জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ সহ সব ধরণের ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করণ।

    আমার বিশ্বাস আপনি পারবেন। আপনাকে পারতেই হবে যে?

    পুরোটা চিঠি পৌঁছে দেওয়ার দরকার নেই, শুধু এই তিনটি দফা কি কেউ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন না? ovulate twice on clomid

    zoloft birth defects 2013
  2. শঙ্খনীল কারাগার বলছেনঃ

    খুব বাস্তবসম্মত কিছু দাবী তুলে ধরেছেন। আপনার সাথে একমত পোষনে আমার কোনো দ্বিধা নেই। আসলে এই কাজ গুলো করার ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই। সাম্প্রতিক তাঁর কিছু মন্তব্যেই এর প্রমাণ পাওয়া যায়। কিন্তু একটি রাষ্ট্র ক্ষমতার দায়িত্বে যখন কেউ থাকে তখন কেবল আন্তরিক নয় তাকে বেশ কিছুটা কৌশলীও হতে হয়। আপনার দাবীগুলোর বাস্তবায়নের দীর্ঘসূত্রতার জন্য আমি সেই কৌশলকেই দায়ী করবো। দিন বদলের যে স্বপ্ন তিনি আমাদের দেখিয়েছেন তাঁর বাস্তবায়ন কেবল তাঁর হাতেই সম্ভব।

  3. এই তিনটা কাজ পূর্ন করতে পারলে দেশে শান্তি আর অগ্রগতি দুটোই দ্বিগুন হয়ে যাবে।

  4. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    দেশের ভাল সবাই চাই অন্তত যারা মনে প্রানে বাঙ্গালী। আপনার মত চাওয়া আমাদেরও। তবে কাজ করতে গেলে তখন বুঝা যায় চতুর্মখী কীভাবে অক্টোপাসের মত সমাজটাকে ঘিরে আছে। যা হোক সময়ের সাথে সাথে সবকিছুই ঠিক হয়ে যাবে আশাকরি… will i gain or lose weight on zoloft

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

nolvadex and clomid prices