ভালবাসা যেখানে অপবিত্র, ভাঙ্গন সেখানে অনিবার্য ( পর্ব-১ )

399

বার পঠিত

ছোটচাচু কানাডায় থাকে। বছরান্তে জুলাইয়ের দিকে ছুটিতে বাংলাদেশে আসে। সেবার ঈদের সময় ছুটি পড়েছিল। পুরো পরিবার নিয়ে চলে এসেছিল চাচু। এখানে তেমন কোন কাজ থাকে না। সন্ধ্যায় আমার পড়া দেখতে বসত। সাথে পেপারও পড়ত। এক সন্ধ্যায় সেরকমই পেপার নিয়ে দেখছে আমি অংক করছিলাম। চাচী এসে বল, ‘তুমি কি ব্যস্ত?’

-     না। নিধিকে অংক করতে দিয়েছি। অংক দেখব।

-     যুথীর এই ঔষধটা নিয়ে ডক্টরের সাথে কথা বলতে হবে। ওর রাগ তো কমছে না।

-     হুম বলে দেখ।

-     আচ্ছা, দেরি করলে রাগ আরো বেড়ে যাবে না? ডক্টরকে বরং তুমি একটা মেইল করে দিও।

-     তুমিই দিও। যুথীকে তো তুমিই বেশি দেখাশোনা কর। তুমি ভালমত বলতে পারবে।

-     হুম, আচ্ছা। নেক্সট কবে উত্তরা যাবে? বাবলীর বিয়ের কেনাকাটার সময় আমি আপাদের সাথে থাকব।

-     ক্যালেন্ডার দেখে ডেট ফিক্সড কর।

-     রফিক হাসান, আমি খুব বিরক্ত হচ্ছি। viagra vs viagra plus

-     হুম। কেন?

-     আপনি পেপার পরে পড়ে একটু ঠিকমত কথায় মনযোগ দিবেন। একজন কথা বলছে আর আপনি পেপার দেখতে দেখতে তার উত্তর দিচ্ছেন এটা অভদ্রতা।

চাচু পেপারটা মুখের সাথে লাগিয়ে চাচীর দিকে ফিরে বলল, ‘ওটা অভদ্রতা হলে এটা?’ metformin gliclazide sitagliptin

-     চরম অভদ্রতা।

-     সরি ম্যাডাম। বাট তোমার কি পেপার পড়াটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় না? তোমার কথা শুনতে শুনতে আরেকটা কাজ করে ফেললে খারাপ কি?

-     কোন কাজেই ঠিকমত মনযোগ দাও না। পেপারটা ঠিকমত পড়েছ?

-     তোমার কথা শুনেছি।

-     বেখেয়ালে সব কথা শোনায় সবগুলো কাজ আমার ঘাড়ে দিয়ে দিয়েছ।

-     ওহ! সরি।

-     যখন মন্ট্রিয়ালে অফিসের কাজ নিয়ে বিজি থাক পেপার পড়ার তেমন সময় পাও না তখন আমাদের কথার ফাঁকে পেপার পড় এটা আমি ইজিলি নেই। কিন্তু এখানে হিউজ টাইমের মধ্যেও যখন এরকম কর। এটা খুব বিরক্ত লাগে। তুমি কি খেয়াল করেছ ব্যস্ততার কারণে যে কাজটা করতে এখন সেটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। বিজি থাকায় এমন করতে সেটা মেনে নেওয়া যেত কিন্তু এটা মেজাজ খারাপ করায়। বাসায় আমি একটা কিছু রান্না করতে করতে যখন তোমার সাথে কথা বলি তখন তো প্রায়ই রেগে যাও টাইম দেই না বলে। এখন তুমি টাইম পেয়েও এমন হিউমিলেট কর- বিরক্ত লাগে।

-     বেটার হাফ রেগে গেছ দেখছি।

কিছুক্ষণ আগে সবাই ইফতারি করে ওঠায় কিছু খাবার দাবার তখনো টেবিলে ছিল। একটা বাটিতে কিছু খেঁজুর ছিল। চাচু একটা খেঁজুর নিয়ে চাচীর দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘ ডু ইউ ওয়ানা হ্যাভ আ ডেট?’

-     নো থ্যাংকস। বরং ভাব কিছুক্ষণ আগে যে বেটার হাফ বললে সেও যদি তোমার মত করে পেপার দেখতে দেখতে কথা বলত তাহলে কথার ধরনটা কেমন হত।

-     এটা তো আমার যুক্তি। যাই হোক একটা আনমাইন্ডফুল ডিসকাশন।

-     ওটা কোন ডিসকাশন হতই না। ইনফ্যাক্ট তোমারটাও ছিল না।

-     কি ব্যাপার আমার কথাই আমাকে শুনাচ্ছ?

-     নিজের কথা নিজে ভুলে যাও তাই শুনাচ্ছি।

-     আচ্ছা সরি। doctus viagra

-     বারবার বলে সরিকেও হিউমিলেট করছ। যদিও এটাও তোমার কথা! এখন ঠিক কর তো কবে উত্তরা যাব। যুথীরও বিশাল কেনাকাটা বাকি।

-     ক্যালেন্ডারটা দেখে বলতে হবে।

-     আমিই নিয়ে আসছি। তোমাকে উঠতে হবে না।

 

 _______________________________________________________________________

-     আজকে আসবি?

-     হুম।

-     কখন?

-     ৪টায়।

-     সুরভী উদ্যানের সামনে থাকিস।

-     ক্যান্টের মাঠে যাব।

-     ওখান থেকে তাহলে। zovirax vs. valtrex vs. famvir

-     আচ্ছা।

নিভৃত ৪টায় আগেই পৌঁছে গিয়েছিল। আমার পৌঁছাতে পৌঁছাতে আরো পনের-বিশ মিনিট দেরি হল।

-     অনেক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছিলি?

-     না। capital coast resort and spa hotel cipro

-     কোথায় বসবি?

-     ক্যান্টে যাব।

-     আচ্ছা।

ক্যান্টের সামনে এসে রিকশা থামতেই আমি বললাম, ‘ এখানে ফুপিদের বাসা’

-     ও ভাল তো। দেখবে না?

-     সমস্যা নেই।

তুই কি ফুপিদের বাসাটা দেখেছিস?

-     তুই দেখিয়েছ? তুই না বললি এখানে বাসা ওদের?

-     হ্যা, সাথে হাত দিয়ে দেখিয়েছিলাম।

-     ও! সরি মোবাইলে একটা জিনিস দেখছিলাম।

-     মোবাইলটা রাখবি?

-     হুম রাখছি। একটু।

রাখছি বলে প্রায় মিনিট সাতেক পর মোবাইলটা পকেটে ঢুকালো। আমরা মাঠে গিয়ে বসতেই রিংকুদির ফোন এল। সেই থেকে আবার মোবাইলে ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেল। can your doctor prescribe accutane

-     কিছু বল। বলছ না কেন?

-     তুই বল।

-     রাগ হচ্ছিস?

-     না। তোর ছোট চাচীর ঐ ঘটনাটা মনে আছে?

-     কোনটা?

-     খেঁজুর।

-     ওফ! তোর ছোটচাচী! সামান্য বিষয় নিয়ে মহাভারত লিখে ফেলতে পারবে।

-     হুম। ( মনে মনে আমি ওকে বকছিলাম। ছোটচাচীর মতই বিরক্ত হচ্ছিলাম। )

-     এভাবে তোর সাথে বসে মোবাইল দেখাটা যদিও খুবই বিরক্তিকর। wirkung viagra oder cialis

-     না দেখ দরকার হলে। ( বিরক্তিকর বিষয় জেনেও এরকম করলে তোকে আর এর বেশি কি বলা যায়?)

-     আচ্ছা তুই কি তোর ছোট চাচীর কথা এটাকে ইন্ডিকেট করে বললি?

-     হুম?

-     তুমি নিশ্চই তোমার ছোটচাচীর মত ছোটখাট বিষয়ে রিঅ্যাক্ট কর না?

-     না।

-     কি কর?

-     কোকিলের গান দেখি।

-     কোথায়? thuoc viagra cho nam

-     মিলিনিয়াম বিল্ডিঙ্গের ওখানে।

-     গান কেউ দেখে? zithromax azithromycin 250 mg

-     গান গাইছে না। আমি দেখে দেখে ভাবছি ওরা গাচ্ছে।

-     হাহা। খুব ভালবাসি তোকে।

-     কোকিলের গানের মত?

-     মানে?

-     খুব ভালবাসি।

_______________________________________________________________________

২০১১ সাল। ঈদের ছুটিতে রংপুরে গিয়েছিলাম। আমাদের নানুবাড়ির সামনে একটা ছোট মাঠ ছিল, পেছনে একটা বড় মাঠ ছিল। কিন্তু এছনের মাঠে ধান চাষ করায় ওখানে খেলা যেত না। আমরা সামনের মাঠেই খেলতাম। আমরা বলতে আমি আমার সমবয়সী মামাত ভাই ঈষান আর ওর বন্ধুরা। যদিও মাঠে খেলার বদলে মোবাইলেই খেলত(!) বেশি। আমি সাইকেল চালানো শিখছিলাম সাদমানের কাছে। অনেকক্ষণ ধরে ঈষাণের খোঁজ নেই। আমি সাদমানকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ঈষান কই?’

-     আপকামিং বউ-এর কাছে।

-     মানে?

-     আমার একটা ফ্রেন্ড পূর্বা। ওর সাথে কথা বলে।

-     ও!

পরদিন ঈষাণ আমাকে পূর্বার ছবি দেখাল। মেয়েটা দেখতে সুন্দর। বেশ সুন্দর। আমি ঈষাণকে বললাম , ‘তাহলে এখানে পড়তে যাচ্ছ এবার?’

-     প্লিজ, তুমি কিছু বল না। তুমি কিছু বললেই হয়ে যায়।

-     লিয়া?

-     ওকে আমি লাভ করি না। ও আমাকে প্রোপোজ করেছিল তাইই।

-     পূর্ণিকে এই সুখবরটা দিতে হবে। পূর্ণি এখনও আমার ক্রাশ।

-     আচ্ছা যাই হোক। কিন্তু তুমি এখানে ডুবতে যাচ্ছ।

-     প্লিজ, নিধি।

-      ওকে সরি।

পূর্বা সম্পর্কে আমার প্রথম জানা ওখানেই। এরপর যখন শুনেছি ওর কথা তখন আমি ঢাকায়। পূর্বা-ঈষাণের সম্পর্ক হবার কিছুদিন পর পূর্ণি আমাকে এসে বলেছিল। আমি ঈষাণকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কি ব্যাপার আমার আগে আমার ফ্রেন্ডরা সব জানে, খালি আমিই আমার ভাইয়ের(!) খবর জানি না’।

-     তেমন কিছু না। আজকে তোমাকে জানাতেই ফোন করেছিলাম।

-     ও! তখন কোচিং-এ ছিলাম।

-     আমি তোমাকেই আগে জানাবো ভেবেছিলাম। side effects of drinking alcohol on accutane

-     ইট’স ওকে।

-     রংপুর আসছ কবে? পূর্বার সাথে দেখা করিয়ে দিব।

-     দেখি। ঈদের আগে না।

-     পূর্বার সাথে কথা বলবে।

-     ফেসবুক আইডিটা দাও। আগে ওখানে কথা বলি তারপর না হয়…

-     আচ্ছা। আমি পাঠিয়ে দিব।

এর দু’তিন মাস পর থেকে ঈষাণের সাথে আমার কথা বলা বন্ধ হয়ে যায়। আমাদের বাসায় ভাবত ঈষাণের সাথে আমার কোন সম্পর্ক আছে ( আমাদের পরিবারে কাজিন ম্যারেজের সংখ্যা অনেক হওয়ায় আমাদের নিয়েও সন্দেহ ছিল)। আমাকে বাবা কথা বলা বন্ধ করে দিতে বলেছিল। আমিও আর কখনো তাই ঈষাণকে ফোন দিতাম না, ঈষানও না। এরপর থেকে আমার যোগাযোগ হত পূর্বার সাথে। আমি এক ফোনোগল্পু, ও আরেক। দু’জনের তাই খুব ভাল বন্ধুত্ত্ব তৈরি হয়ে গিয়েছিল। ঈষাণের সব খবর ওর কাছ থেকেই পেতাম। এমনকি মামা-মামীরও। মামী ওদের কলেজেরই টিচার। মামী পূর্বাকে অত পছন্দ করত না। পূর্বার এই বিষয়টা খারাপ লাগত। কিন্তু পূর্বা ঈষাণকে একথা বলতে পারত না। তাই এধরনের কথাগুলো ও আমাকে বলত। যাই হোক। পূর্বার সাথে আমার সম্পর্ক বরাবরই ভাল ছিল। এখনো আছে। সম্পর্ক খারাপ হয়েছে ঈষাণের সাথে।

পূর্বার সাথে ঈষাণের সম্পর্ক বেশ সুন্দর ছিল। ওদের সম্পর্ক নিয়ে সবাইই কম বেশি জানত। অনেক সমস্যা হত আবার কোন সমস্যাই হত না। কলেজে ম্যাডামের ছেলে হিসেবে ঈষাণের পরিচিতি ছিল। তাই ওদের সম্পর্কের ব্যাপারেও কলেজে মোটামোটি জানাশুনা ছিল। ভালই লাগত দেখতে ওদের। বিতর্ক প্রতিযোগীতায় দু’জনেই একসাথে অংশ নিত এবং জিতেও আসত। স্কুইরেল কম্পিটিশন সেখানেও একসাথে। ওয়াল ম্যাগাজিনের কাজ করছে একসাথে। ক্লাসে বসে আছে। ছেলে মেয়ের আলাদা সারি। ইষাণ আর পূর্বা পাশাপাশি সারিতে বসেছে। ক্লাসের ফাঁকে ঈষাণ হয়ত হয়ত জ্যামেভরা ঢাকার ছবি এঁকে ফেলল মাঝে সুন্দর করে এক যুগলের ছবি হাইলাইট করে পূর্বাকে দিল। ঈষানের প্রাক্টীক্যাল সব পূর্বা করে দিত। কাল প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষা আজকে হয়ত খুব ঝড় হচ্ছে। পূর্বা তাও খাতা নিয়ে হাজির হয়ে যাবে। সত্যিই বলতে সুন্দর ছিল। আমি লিখে সেই সুন্দর সম্পর্ককে তুলে ধরতে পারব না।

গত বছর থেকে পূর্বার সাথে আমার যোগাযোগ কমে এসেছিল। মাসে একবার হয়ত যোগাযোগ হত। তাও ফেসবুকে। তো এই বছর ক’ মাস আগে আমি একদিন ফেসবুকেই ওকে নক করলাম।

-     কেমন আছ?

-     ভাল না। তুমি কেমন আছ?

-     ভাল। তুমি ভাল না কেন?

-     জন্ডিস হয়েছিল।

-     ও! private dermatologist london accutane

তোমার সাথে আমার কথা ছিল।

-     আমারও।

-     তোমার কি কথা?

-     অনেক কথা। ফেবুতে বলা যাবে না। irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

-     ফোন করে বল।

-     কবে ফোন করব?

-     কাল।

-     তুমি কি বলতে চেয়েছিলে?

-     না। মামা-মামীর সম্পর্কটা নিয়ে ঈষাণ কি ভাবছে সেটা জানতে চেয়েছিলাম।

-     ঈষাণের সাথে আমার ব্রেক আপ হয়ে গেছে।

-     কবে?

-     তিন মাস হল।

-     ও! সরি।

-     না ঠিক আছে। ঐটাই তোমাকে বলার ছিল।

-     এটুকু?

-     না। বললাম না অনেক কথা!

-     আচ্ছা ফোন দিও। achat viagra cialis france

পরদিন পূর্বা ফোন দিয়েছিল বিকালের দিকে। আমি ঘুম থেকে উঠে ফোন ধরলাম।

-     তুমি ঘুমাচ্ছিলে?

-     হুম।

-     সরি। পরে ফোন করব তাহলে?

-     না উঠে গেছি।

-     কেমন আছ?

-     এইতো ভাল। তুমি? amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

-     আছি মোটামোটি।

-     এখন শরীর কেমন?

-     ভাল।

-     হুম। তারপর তোমাদের ব্রেক আপ হল কিভাবে?

-     তোমাকে একটা স্ক্রিনশট পাঠিয়েছিলাম পাওনি।

-     হুম। ওখানে তো লিন আর আজুমা নামের দু’জনের কনভারসেশন ছিল। লিন জিজ্ঞেস করছিল ‘তুমি কি সিলভিকে ভালবাস?’ আজুমা বলল, ‘জানিনা। হয়ত’। এই। আমি কিছুই বুঝলাম না।

-     লিন আমি আর আজুমা ঈষাণ।

-     ও!

-     ঈষাণ আমাকে এই বছর থেকেই ইগনোর করছিল। রাতে ঠিকমত কথা বলত না। কলেজেও ইগনোর করে চলত। আর আমাদের কলেজে নতুন একটা মেয়ে এসেছে সিলভি। ওর সাথে খুব ক্লোজ হয়ে গিয়েছিল। রাতে ফোন দিলে বলত ঘুম পায়, কিন্তু সিলভির সাথে কথা বলত। আমাকে আমার ফ্রেন্ডরা এগুলো সম্পর্কে বলেছিল। কিন্তু আমি ওদের প্রথমে বিশ্বাস করিনি। পরে ওকে জিজ্ঞেস করায় ও এইটা বলে।

-     তারপর?

-     তারপরও আমি ঈষাণকে ফোন করতাম। ঈষাণ ধরত না। ৬০ বার ৭০ বার ফোন দেবার পর ধরত। ধরে খুব ঝাড়ত। গালাগাল করত।

-     তুমি এতবার ফোন দিতে কেন?

-     থাকতে পারতাম না। মাঝে মাঝে মনে হত রেগে কথা শুনালেও অন্তত কথা তো বলে একটু। এটাই ভাল লাগত। ঈষাণ আর আমি তো টাকা জমাচ্ছিলাম। আমাদের প্রায় ১৩ হাজার টাকার মত জমে গিয়েছিল। ঈষাণের ফোনটা তখন নষ্ট হয়ে যায়। আমি ঈষাণকে টাকা দিয়েছিলাম আমার জমানো অংশ থেকে। ভেবেছিলাম এই টাকার খবর জিজ্ঞেস করতে হলেও একটা দু’টা কথা বলা যাবে। কিন্তু ঈষাণ ঢাকায় গিয়ে ফোন কেনার পরও কোন কথা বলত না। আরো খারাপ ব্যবহার করত। ঢাকা থেকে ফেরার পর কলেজে আমি ওর সাথে কথা বলতে গেলাম ও আমার উপর প্র্যাকটিকাল খাতা বই ছুঁড়ে মারতে লাগল। আমার জন্ডিস তখন। আমি দেখে সেন্সলেস হয়ে গেছি সিঁড়িঘরে। সবাই এসে আমাকে কমনরুমে নিয়ে গেল। ঈষাণ ল্যাবে গিয়ে প্র্যাক্টিকাল করছিল একাই। রাতে আমাকে ফোন দিয়ে বলে আমি নাকি ওকে আর আম্মাকে সবার সামনে ছোট করার জন্য এমন করেছি। ক্লাসে সবার সামনে সিলভির সাথে এমন ক্লোজ হত-আমি দেখতে পারতাম না। আমাদের স্কলারশিপের রেজাল্ট দিল। সিলভি স্কলারশিপ পেয়েছে শুনে ঈষাণ ওকে congrates করে জড়িয়ে ধরল। আমার ফ্রেন্ডটা আমি ওখানেই দাঁড়িয়ে আছি ঈষাণের সামনে; আমাকে যখন বলল পূর্বা তুইও তো স্কলারশিপ পেয়েছিস। ঈষাণ জাস্ট মুখটা বিকৃত করে চলে গেল। কয়েকদিন পর ঈষাণ কোচিং ক্লাসের বাইরে দাঁড়িয়ে দেড় ঘন্টা ধরে কথা বলছিল কারো সাথে। আমি গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম সিলভির সাথে কথা বলছিল নাকি। ও বলে না। আমি তার পর ওর হাত থেকে মোবাইল নিয়ে দেখলাম এতক্ষণ ধরে সিলভির সাথেই কথা বলছিল। জিজ্ঞেস করলাম মিথ্যা কথা বলল কেন? ও রাগ দেখিয়ে চলে গেল। পরদিন ওয়াল ম্যাগাজিনের কাজ করছি তখন ঈষাণ কাজ না করে সিলভির সাথে গল্প করছিল। আমার ঐদিন খুব খারপ লাগছিল। আমি ঈষাণকে যেয়ে বলেছি ঈষাণ অন্তত ফ্রেন্ডশিপটা রেখো আমার সাথে। ও আমাকে *** ** ** বলে গালি দিল। আমি ওকে বাস্টার্ড বলে চলে এসেছিলাম। রাগে সেদিন আর সহ্য করতে পারছিলাম। পরদিন যেয়ে দেখি। ওরা এক রাতে নতুন একটা ম্যাগাজিন তৈরি করেছে। আমাকে গ্রুপ থেকে বের করে দিয়ে। আমার করা সবকিছু নষ্ট করে দিয়েছে। আমার লেখাগুলো বাদ দিয়ে দিয়েছে। এরর আমি কান্নাকাটি করে কয়েকদিন সব বাদ দিয়ে দিয়েছিলাম। ফোন, ফেসবুক, কলেজ সব। আমাদের আন্যিভারসারির আগেরদিন আমার এক ফ্রেন্ড ফোন করে বলে। ও নাকি আমাকে নিয়ে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছে। আমার আরো কয়েকটা ফ্রেন্ড ফোন করে বলে ঈষাণ আবার আমাকে ছোট করছে। আমি পরদিন ঈষাণকে যেয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘এগুলোর মানে কি? আমাদের যখন আর কিছু নেই কেন এরকম স্ট্যাটাস দিচ্ছ?’। ঈষাণ বলে, ‘আই মিস ইউ।’ আমার শুন যে কি ভাল লাগল।

-     তুমি পটে গেলা! বাই দা ওয়ে ওর ফোন নিয়ে চেক করাটা ঠিক করনি। all possible side effects of prednisone

-     আমি জানতাম ও আমাকে মিথ্যা বলছিল। যাই হোক। তারপর ও বাইরে দেখা করতে বলল। বিকেলে আমরা কফি হাউজে দেখা করল। ও দেখাল ও আমার ছবি এঁকেছে। ও কয়েকরাত ঘুমাতে পারে না। আসলেই পারত না। ওর চোখ মুখ সব বসা। ও খুব একা হয়ে পড়েছে।

-     তুমি তো এইবার আইসক্রিম!

-     প্লিজ নিধি, এভাবে বলনা। acquistare viagra in internet

-     তারপর?

-     আমি আর ও একসাথে রিকশায় ঘুরলাম। ও আমাকে ফুল কিনে দিল, আদর করে দিল। রাস্তায় সিলভির এক ফ্রেন্ডের সাথে দেখা। ঈষাণকে পরে রাতে সিলভি ফোন দেয়। ঈষাণ তখন বলে কি! ‘কই না তো? আমাকে পূর্বা দেখা করতে বলেছিল। পূর্বা ফুল কিনে চাইল। রিকশায় যেতে চাইল। এখন একটা মেয়েকে একা তো আর ছেড়ে দেওয়া যায় না’।

-     ঈষাণ আমার ভাই হয় না। আমি আর শুনতে চাই না।

-     সরি নিধি। তোমাকে ওড় সম্পর্কে এগুলো বলা ঠিক হয়নি। clomid over the counter

-     এখন কি অবস্থা তোমার?

-     ওর সাথে আমার যোগাযোগ আছে এখন। আম্মু মেনে নিয়েছে আমাকে। কিন্তু ঈষাণ আর আগের জায়গায় ফিরে যেতে চায় না। শুধু আমার সাথে যোগাযোগ রাখতে চায়। আমরা যোগাযোগ রাখছি। কারণ আমিও খুব একা ঈষাণও। যদিও ঈষাণ ইদানিং একটা জুনিয়র মেয়ের সাথে কথা বলছে। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, “ঐ মেয়েটাকে পছন্দ করে নাকি?’ বলে, ‘না, পছন্দ আবার ঐ মেয়েকে ! অসম্ভব। শুধু কথা বলতে ভাল লাগে জন্য বলে।’ ঈষাণ খারাপ জেনেও মেয়েরা ঈষাণের উপর পটে এই ব্যক্তিত্ত্ব ওর খুব ভাল লাগে।

-     মেয়েরা নষ্ট সুপুরুষের পিছনেই বেশি পড়ে। থাক এই ছাতার ব্যক্তির ব্যক্তিত্ত্বের গল্প আমাকে বল না।

-     নিধি শোন, প্লিজ। এই কথাগুলো আমি কাউকে বলতে পারিনা। কারো কাছে কাঁদতে পারিনা।

-     পূর্বা, তোমার সামনে বিরাট ফিউচার। তুমি এখানে একটা ফালতু ছেলের পিছনে পড়ে আছ কেন?

-     নিধি আমি বুঝি। আমি জানি ঈষাণ সবার সামনে আমাকে খুব নিচু করে। সবাইকে দেখানোর চেষ্টা করে আমি ওর পিছনে দাঁত কামড়ে পড়ে আছি। কিন্তু তারপরও আমি পারিনা। আমি ভাবি ওর সাথে যোগাযোগ করব না। কিন্তু পারি না। আমি ওকে খুব ভালবাসি।

-     তোমরা ভালবাসাকে খারাপ বানিয়ে দিলে।

-     এমনকি তোমার সাথে হয়নি নিভৃত তোমাকে নিচু করেছ। বুঝেও তুমি চুপ করে ছিলে?

প্রশ্নটা কোথায় জানি আটকে গেল… puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

_______________________________________________________________________

 

-     নিভৃত আজকে আম্মাকে তোর কথা বলেছি। nolvadex and clomid prices

-     হুম ভাল তো…

-     তুই এরকমভাবে কথা বলছিস যেন পাশ দিয়ে কোন সুন্দরী মেয়ে হেঁটে যাচ্ছে আর তুই তার দিকে দাকিয়ে অমনযোগী হয়ে গেছিস।

-     এই অন্ধকারে কোথায় সুন্দরী মেয়ে দেখতে পাব?

-     সোডিয়াম আলোর নিচে। missed several doses of synthroid

-     না।

-     তাহলে পিসিতে।

-     হা হা। সরি। acne doxycycline dosage

-     তোর জরুরী কাজ থাকলে সেরে তারপর ফোন দে না হয়।

-     না না, তেমন জরুরী না।

-     আচ্ছা তুই কি জানি আম্মার কথা বলছিলি।। বল

-     আম্মাকে তোর কথা বললাম। আম্মা শুনল। এও শুনল তুই এখন পিছিয়ে গেছিস। আমার পরীক্ষার…

-     রাতুল তো দেখি বুয়েটে চান্স পেয়েছে।

-     ও! কোন সাবজেক্টে?

-     ট্রিপল ই।

-     ও ভাল তো। walgreens pharmacy technician application online

-     হুম। খাওয়া চাইতে হবে। রিফাত, অনিকদের খবর নিতে হবে। শোন, আমি একটু বড় ভাইয়াকে খবরটা জানিয়ে এসে তোকে ফোন দেই।

-     আচ্ছা।

নিভৃত প্রায় একঘন্টা পর ফোন করল।

-     কি করিস?

-     তোর ফোনের অপেক্ষা।

-     সরি। তখন কি বলছিলি? রাতুলের খবরে আর বাকিটা শোনা হয়নি।

-     কিছু না।

-     বল না।

-     না আম্মার কথা। আম্মাকে বলেছি ওগুলোই। kamagra pastillas

-     আচ্ছা তোকে একটু পর ফোন করি?

-     তুই আমাকে ফোন করিস কেন?

-     কথা বলতে ভাল লাগে।

-     মাইশাকে কি বলেছিস?

-     তোর কথা বলেছি। তোর সাথে কথা বলি ভাল লাগে জন্য কিন্তু ওকে ভুলতে পারিনা।

-     আচ্ছা। রাখছি।

-     হুম। পরে ফোন দিব।

_______________________________________________________________________

 

আমার চাচাতো বোন নিতু। এ বছর এস এস সি পরীক্ষা দিয়েছে। পড়াশুনায় মোটামোটি ভালই। কিন্তু খুব ভীতু আর আবেগপ্রবণ। পরীক্ষার দুই মাস আগে থেকে ভয়ে নাকি ঘুম আসে না। লিটারে লিটারে চোখের পানি ফেলে। শ’য়ে শ’য়ে বার দুরুদ পড়ে। কিন্তু পড়ার পড়া তেমন কিছুই পড়ত না। আমার বান্ধবী রিয়াকে একবার ওর কথা বলেছিলাম। সেই থেকে রিয়া ওকে খুব বোঝাতে শুরু করে। এক বিশাল আর্মি রুটিন এঁটে দেয় আমাদেরবাসার ফ্রিজের গায়ে। বাসা কাছাকাছি হওয়ায় প্রায়ই বাসায় আসত আর নিতুর পড়ার খবর নিত। সেটা অনেকটা নিয়মিতই ছিল। বাসায় না আসলে ফোন করে। আমারই বিরক্ত লাগত। কারণ, ওর জন্য শুধু নিতুই যাঁতাকলে পিষ্ট হত না আরেক যাঁতাকলে পিষ্ট হতাম আমি। বাসার বড় হয়ে ছোট ভাই-বোনগুলোর পড়ালেখার খবর নেই না কিন্তু আমারই বান্ধবী কিনা এত  কষ্ট করে আমার বোনের জন্য! আম্মু-চাচীর এইসব বকার ভয়ে নিজেই দেরি দেরি করে বাসায় ফিরতাম। যতটা সম্ভব রিয়া যেন বাসায় না আসতে পারে সেই ব্যবস্থা করতাম। কিন্তু নিতুর কাছে এই আর্মি ট্রেনিং মোটেও কষ্টকর ছিল বলে মনে হত না। যদিও ওর পিছনে রিয়ার হাত ধুয়ে লাগা নিয়ে দু’একটা কথা বলত কিন্তু সাথে সাথে এও বলত রিয়া ওকে যত আদর করে তত আদর নাকি আমিও করি না। যাই হোক রিয়ার এত যত্ন আর আদরের সূত্র ধরেই নিতুর সাথে ওর একটা সুন্দর ঘনিষ্ট সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল। নিতু ওকে ওর প্রেমিকের সম্পর্কে অনেক কথা বলত, মাঝে মাঝে চেতিয়ে দিত, ওদের ঝগড়া লাগলে আবার সান্তনাও দিত(আমিই কোনদিন এমন করিনি) ! এদিকে নিতুর কান্নাকাটি, ভয় পাওয়া সব কিছু নিয়ে রিয়াও ডোজে ডোজে কাউন্সিলিং করাতো। একবার নিতু এক ভয়ঙ্গকর ঘটনা ঘটিয়ে বসেছিল। একসাথে গোটা কয়েক স্লিপিং পিল খেয়ে ফেলল। আমাকে অবশ্য প্রায়ই বলত, বেঁচে থাকতে ভাল লাগেনা। মরে যাবে। আমি বরাবরই ফাজলামো করে উড়িয়ে দিতাম। বলতাম, মিজান স্যার বলে পৃতিবীতে ঘুমেই সুখ, তাহলে মরে গেলে তো আরো কত সুখ থাকার কথা! অবশ্য হাঁসের সোনার ডিমের মত ব্যাপার হলে ইন্সিডেন্স হয় ভেরি দুঃখজনক’। নিতু কখনো হাসত, কখনো রাগত। কিন্তু আমি কখনোই গায়ে লাগাতাম না। সেবার যখন ও একসাথে কতগুলো যুরিয়াম খেয়ে ফেলেছিল আমি তখন ক্যাম্পাসে। আমার সাথে রিয়াও ছিল। বাসা থেকে ফোন পাবার পর আমরা দু’জনে মিলেই হাসপাতালে গিয়েছিলাম। নিতুর স্টোমাক ওয়াশ করার পর ও যখন একটু সুস্থ তখন রিয়া প্রথমে খুব বকলো এরপর আবার বোঝাতে শুরু করলো। ওদের সম্পর্কটা এভাবে খুবই সুন্দর হয়ে উঠেছিল।

ক’দিন আগে নিতুর পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়েছে। রেজাল্ট দেবার আগে আগে নিতু আবার আগের মত ভয় পাচ্ছিল, কান্নাকাটি করছিল। রেজাল্ট খারাপ হলে নাকি আবার কতগুলো যুরিয়াম খেয়ে ফেলবে এরকম কথা বলছিল। আমি আগের মতই ফাজলামো করছিলাম। তবে এবার ফাজলামোর বিষয় রিয়া। বললাম, আরেকবার যুরিয়াম খেলে এবার রিয়া স্টোমাক ওয়াশ না করে ডাক্তার দিয়ে ব্রেইন ওয়াশ করাবে।

-     হুম। তার আগে সব নেটওয়ার্ক অফ করে দিতে হবে।

-     তোম মোবাইলটা আমাকে দিয়ে দে।

-     রিয়া আপু বাসায় চলে আসবে। levitra 20mg nebenwirkungen

-     এই সুযোগে বাসাটাও চেঞ্জ করি চল।

যদিও শয়তানি করেছিলাম তবু আমার মধ্যেও একটা ভয় ঢুকে গিয়েছিল নিতু আবার উলটা পালটা কিছু করে বসে কিনা। আমাদের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছিল তখন। পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে রিয়াকে বললাম নিতুকে ফোন দিয়ে একটু কথা বলতে। রিয়া হঠাত রেগে গেল।

-     দেখ ওর এইসব ছেলেমানুষিতে আমি প্রচন্ড বিরক্ত।

-     মানে?

-     এসব উলটা পালটা কথা বলবে আর আমাদের কি কাজ নাই? এখন ওকে বসে সান্তনা দেওয়া। তার উপর এখন পরীক্ষা!

-     তুই রেগে যাচ্ছিস কেন?

-     সরি, আমি আসলে পরীক্ষার প্রেসারে আর দিদারের সাথে ঝামেলাগুলো নিয়ে খুব ফ্রাস্ট্রেটেড। প্লিজ, তুই আমাকে ক্ষমা করিস। buy kamagra oral jelly paypal uk

-     এখানে আমার কিছুই না। নিতুর সাথে তোর ব্যাপার।

-     তাছাড়া নিতু এত বেশি দিদারকে নিয়ে কথা বলে যে রাগ উঠে যায় মাঝে মাঝে।

-     নিতুকে তুই কিছু বলেছিস?

-     হ্যা, সেদিন বলে এসেছিলাম আমার ব্যক্তিগত বিষয় এগুলো। এসব নিয়ে যেন ও আর কথা না বলে।

-     তোদের ব্যাপার স্যাপার কিছুই বুঝিনা।

-     তোর তো কিছু যায় আসে না।

-     আমার আসলেই কিছু যায় আসে না। তুই নিতুর এত কেয়ার করিস তাই তোকে বলতে এসেছিলাম। যদিও নিতু আমার বোন তারপরও ওর সাথে আমার চেয়ে তোর খাতির অনেক বেশি। তুই যেভাবে আমার কাছে নিতুর খবর নিতি সেই জায়গা থেকে আমি তোকে আজকে ফোন দিতে বলেছিলাম। এতে এভাবে রিঅ্যাক্ট করার কি আছে আমি বুঝি না।

-     আর এখানে আমার কোন দোষ আছে কি?

-     দেখ, রিয়া তোদের সম্পর্কের এই জটিলতাগুলো আমি সত্যিই বুঝিনা। নিতু ছোট। ওর সাথে তুই এমনভাবে বন্ধুত্ব তৈরি করেছিলি যে ও তোকে ও খুব কাছের একটা ফ্রেন্ড মনে করত। ও মনে করে ওর এরকম সময় তুই পাশে থাকবি। তুই ওকে এতই যত্ন করিস যে ওর কোন খবর না পেলে বাসায় চলে যাবি। ওর তোর কাছে এক্সপেকটেশন অনেক বেড়ে গিয়েছে। এখানে ওর চেয়ে তোর দোষটাই বেশি। ওর সাথে তুই সুন্দর ফ্রেন্ডশিপ তৈরি করেছিস খুব ভাল কথা। কিন্তু তোকে বুঝতে হবে এই বয়সে তোর ব্যক্তিগত বিষয় ব্যাপারটা ও বুঝলেও বন্ধুত্বের জায়গা থেকে ও কখনো আমাদের মত গুরুগম্ভীর থাকবে না। এসব নিয়ে কথা না বলে প্রোফেশনাল আলাপ আলোচনা করবে না। তাছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে তুই দিদারের সাথে তোর সমস্যার কথা বললে আমি যেমন কোন আগ্রহ দেখাই না। সে জায়গায় ও সব কথা শুনে আর তোকে উলটো বোঝানোর চেষ্টা করে। তুই ফ্রেন্ডশিপের একটা সুবিধা নিবি আর অসুবিধার জায়গায় ব্যক্তিগত বলে চুপ করিয়ে দিবি এটা ঠিক না। তুই সম্পর্কটাকে প্রথম থেকেই এভাবে তৈরি করেছিস। তোর উচিত ছিল ধীরে ধীরে ওকে বুঝানো। খামোখা রাগ দেখিয়ে সম্পর্কটাকে খারাপ করা অবিবেচকের মত কাজ।

-     আমি সম্পর্ক খারাপ করিনি। এক-দুইবার রাগ হতেই পারে। ওরও হতে পারে।

-     তুই যে এইসব ছেলেমানুষিতে বিরক্ত হচ্ছিস একবারো বুঝিয়েছিস? একে বিরক্ত-রাগ হয়ে মনে মনে দূরত্ব তৈরি করছিস তার উপর ওর এক্সপেকটেশন বাড়াচ্ছিস। এটা মোটেও সম্পর্ক খারাপ করা না। আসলেই।

-     আমি তোর মত না। আমার সাথে সবার সম্পর্কই ভাল থাকে। আমি কারো উপর রাগ হই না।

-     সেটাই সমস্যা। তুই হঠাত হঠাত সবার সাথে এত ভাল সম্পর্ক তৈরি করিস যে সবার মনে হয় তুই খুব কাছের মানুষ। কিন্তু একসময় যখন সরে আসিস আর যুক্তি দিয়ে বলিস যে তোর এভাবে সবার যত্ন নেওয়া সম্ভব না তোর নিজের জীবন, পড়ালেখা ইত্যাদি ইত্যাদি আছে তখন কেউ তোর উপর যৌক্তিকভাবে রাগ করতে পারে না এবং তারা ভাবতে থাকে আসলে তাদেরই দোষ যে তারা অন্যায়ভাবে তোর কাছে বেশি আশা করে ফেলেছে। এর জন্য তারা কষ্ট পায় কিন্তু কিছু বলতে পারেনা। আর তোর সাথে সম্পর্ক সেটা তো ভাল থাকবেই কারণ সম্পর্ক ভাঙ্গার মত বড় কোন দোষ তো তুই করিস নি। অন্তত আপাতদৃষ্টিতে না। কিছু মনে করিস না, কিন্তু দিদারের সাথে সমস্যার মূল কারণও তোড় অবিবেচকের মত এই কাজগুলো। তুই হয়ত ইচ্ছে করে করিস না। কিন্তু তুই কখনোই বুঝতে পারিস না যে এর শুরুটা তুইই করেছিলি।

-     নিধি, আমি ভাল চেয়ে করি। যখন যাকে যেটুকু সময় দেওয়া যায়।

-     হ্যা, অবিবেচকের মত ভাল চাওয়ার কারণেই হিতে বিপরীত হয়। তার চেয়ে বড় কথা মানুষকে গ্রাজুয়ালি বুঝিয়ে তুই সরে আসতে পারিস। কিন্তু তুই যেটা করিস একসময় একজনকে অনেক অধিকার দিয়ে হঠাত নিজের অধিকারের কথা ভাবিস এবং সেটা আদায় করতে মহাব্যস্ত হয়ে পড়িস। এইজন্যই সম্পর্কগুলো ভাল থেকেও খারাপ হয়ে যায়।

-     নিধি, যে সম্পর্ক তুই কোনদিন তৈরি করতে পারিসনি সেটা নিয়ে কথা বলা উচিত না তোর।

-     হুম, আমি এই সম্পর্ক তৈরি করিনা কারণ আমি জানিই আমার পক্ষে একইরকমভাবে সম্পর্কগুলোকে সুন্দর রাখা সম্ভব না। তুই হয়ত অনেক পরিশ্রম করতে পারিস অন্যের জন্য। আমি পারিনা। এটা আমার দুর্বলতা। কিন্তু আমি অবিবেচক না। বাই দা ওয়ে, তুই জিজ্ঞেস করলি জন্যই কথাগুলো বলা। উচিত না হলে সরি।

-     উফ! একরাশ কথা শুনিয়ে আবার ফরমালিটি!

  metformin synthesis wikipedia

You may also like...

  1. দুঃখিত মাশিয়াত খান, বাক্য গঠনে এতো ভুল যে ধৈর্য নিয়ে পড়তে পারলাম না। বেখেয়ালে ভুল হতে পারে । তবে লেখাটি যত্ন করে লেখেন নি। অর্থ ঠিক মত বুঝা যাচ্ছে না।
    কিছু কিছু লাইন এতো লম্বা করেছেন, শেষ হতে হতে মনে থাকে না শুরুতে কি ছিল!।
    তাড়াহুড়ো নয় ভেবে চিন্তে লিখুন।
    শুভ কামনা। @};-

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

para que sirve el amoxil pediatrico
will metformin help me lose weight fast
viagra en uk
zoloft birth defects 2013