“মধ্যদুপুরে জোছনা পান” (সত্য ঘটনার ছায়া অবলম্বনে)

371

বার পঠিত

————————————————— viagra masticable dosis

আমার নতুন স্টাইলে লেখা প্রথম গল্পটি সভ্যতাতেই প্রথম পোস্ট দিলাম :)

—————————————————
প্রেম নাকি গাছ থেকে পড়া অন্ধ তালের মত, কখন যে কার
ঘাড়ে গিয়ে পড়ে তা আগে ভাগে বুঝতে পারা যায় না। আর, তারুণ্য
থেকে যৌবনে পা দিয়েছে অথচ প্রেমে পড়েনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।আমি সাধারনের দলে,তাই আমিও ভালবেসেছিলাম। efek samping minum obat viagra

ভালবাসার ক্ষেত্রে নানা জনের নানা মত।কেউ টাকা দেখে, কেউ দেখে মন।কেউ বা আবার শুধু রূপ দেখেই ভালবাসে।

রূপবতী মেয়ে অনেক দেখেছি।মুগ্ধ করা রূপ ছিল সকলের।কিন্তু সেই রূপ আমার চন্দ্রমুখীর উজ্জল কিরনের তুলনায় একদমই ফিকে।তার নাম চন্দ্রমুখী।সত্যিই,চন্দ্রের ন্যায় মুখ তার।
সে সুন্দর, পবিত্র, সাদামাটা, অতি সাধারন।নেই রূপচর্চার চাকচিক্য।তথাকথিত সুন্দরীদের কাতারেও কেউ তাকে ফেলবে না। কিন্তু এই সাধারনত্বের মাঝেই তার অসাধারনত্বটি লুকিয়ে আছে।আমার মতে রূপ আর সৌন্দর্যের মাঝে একটা সুক্ষ পার্থক্য রয়েছে।রূপের মাঝে পবিত্রতা বিষয়টি ঐচ্ছিক, থাকতেও পারে, নাও থাকতে পারে।কিন্তু সৌন্দর্য মাত্রই তা আবশ্যকীয়। সেই নিষ্পাপ, পবিত্র সুন্দরের দেখা পেলাম একদিন,একরকম হুটাৎ করেই।

সময়টা ছিল মধ্যদুপুর। ক্লাসে সমাস নির্ণয়ের ওপর পরীক্ষা চলছিল। প্রস্তুতি নেই। প্রশ্নের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া তাই কিছুই করার ছিল না। প্রশ্নপত্রে কেবল একটা শব্দের সাথেই পরিচিত ছিলাম, চন্দ্রমুখ। অর্থ- চন্দ্রের ন্যায় মুখ। ঝটপট উত্তর লিখে বসে থাকলাম। আচ্ছা, চন্দ্রের ন্যায় মুখ কি সত্যিই আছে? নাকি এটি শুধুই উপমা। উত্তর না লিখে এদিক ওদিক চোখ বুলিয়ে সময় কাটাতে লাগলাম। হটাৎ আমার দৃষ্টি তার দিকে এসে থমকে গেল।
সে লিখছিল। মধ্যদুপুরের কড়া রোদ জানালার থাই গ্লাস ভেদ করে তার মুখে এসে পড়ছিল। মনে হচ্ছিল যেন ঘরময় জোছনার জোয়ার বইছে। পলকহীন দৃষ্টিতে চেয়ে রইলাম। এক মূহুর্তের জন্য দ্বিধান্বিত হয়ে পরি এই ভেবে, সূর্যের আলোয় ঘরটি আলোকিত হচ্ছে নাকি তার চন্দ্রমুখের কোমল কিরনে উদ্ভাসিত হচ্ছে আমার মন? দুটোই সত্য ছিল।

সেদিনই প্রথম মধ্যদুপুরে জোছনা পান করেছিলাম।

এরপর থেকে তার প্রতি অদ্ভুত এক ভাললাগার শুরু। জোছনা পান যেন অভ্যাসেই পরিনত হয়ে গেল।
কলেজে প্রথম থেকেই তাকে দেখে আসছিলাম। ক্লাসরুমে কিংবা গেটের বাইরে। দেখতাম, বড়জোর একপলক বা তার কিছু বেশী। কিন্তু ভাবতেও পারিনি, সেই কয়েক পলক দৃষ্টিপাতই বছর দুয়ের ব্যাবধানে এভাবে পলকহীন দৃষ্টিতে বদলে যাবে।ভেবে অবাক লাগে, যে সুন্দর আমি জগত্ জুড়ে খুঁজে বেরিয়েছি তা অতি নিকটেই ছিল।তাই হয়ত কবি বলেছেন,

দেখিতে গিয়াছি পর্বতমালা
দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে শুধু দু পা ফেলিয়া
একটি ধানের শীষের উপর
একটি শিশির বিন্দু।

শিশিরের মতই শুভ্র সে।সমগ্র মুখ জুড়ে যেন এক নিবিড় পবিত্রতা। যেমনটি ছিল অপুর হৈমন্তী। তবে পার্থক্য, হৈমন্তী ছিল অপুর সম্পদ। আর সে? আমার অবচেতন মনের ভালবাসা ছাড়া আর কিছুই নয়। তবে হ্যাঁ,হয়ত অনেক কিছু হতে পারত। কিন্তু কিছু বিষয় আছে যার শুরু হওয়ার আগে সমাপ্তি ঠিক করে ফেলা উচিত। যে আপন হবার নয় তাকে আপন ভাবতে গেলে শুধু কষ্টই পেতে হয়।

সে সময় দু-চারখানা অকবিতা লিখে বন্ধুমহলে বেশ সুনাম কুড়িয়েছিলাম। মনের কথা প্রকাশের পন্থা হিসেবে তাই কবিতাকেই বেছে নিলাম।লিখে ফেললাম একখানা অকবিতা-

“উদাসী মন বারংবার করে জ্বালাতন
পলকবার তার দর্শন বাসনা শুধায়,
হৃদয়ে যথা চিত্রাংকনের প্রয়াস নিরন্তর
অন্তর দৃষ্টি তথা মেতে ওঠে ছলনা খেলায়।”

কবিতা পর্ব শেষ। এবার তা যথাযথ ব্যাক্তির নিকট হস্তান্তরের পালা। শেষবর্ষের ছাত্র ছিলাম। কলেজের দিনগুলোও ফুরিয়ে আসছিল দ্রুত। প্রতিদিনই ভাবতাম, আজই দেব! কিন্তু একধরনের ভীতি কাজ করায় কিছুতেই হচ্ছিল না।
কলেজের শেষ দিনটির কথা এখনও মনে পরে।সহপাঠীরা পরস্পরের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছিলাম।কষ্ট লাগছিল এই ভেবে, এদের অনেকের সাথে এটিই হয়ত শেষ দেখা। তেমনটিই হয়েছিল।এরই মাঝে সহপাঠীদের ভীড়ে ব্যাকুল দু’চোখ কেবলই তাকে খুঁজতে লাগল। দেখলাম, কোনে দাঁড়িয়ে বান্ধবীর সাথে কথা বলছে। এক মুহুর্ত ভাবলাম। আজ বলতেই হবে। কবিতার পাতা হাতে নিয়ে সামনে এগিয়ে গেলাম। কিন্তু তা আমার হাতেই রয়ে গেল,দেয়া হল না। কবিরা সাধারনত নিরবেই ভালবেসে যান।

ভালবাসা গোপনে রেখে অনেকেই তো পথ চলছে। তাদের জীবন থেমে নেই। যান্ত্রিক জীবনের যান্ত্রিক মনে হয়ত তা অতি ক্ষীণ প্রভাব ফেলে, হয়ত নয়।

আর কবিতাটি? আমার মধ্যদুপুরে জোছনা পানের স্মৃতি হিসেবে আজও মানিব্যাগের কোনে স্বযত্নে রাখা আছে। ওখানেই থাকুক,কিছু স্মৃতি লালনের মাঝে অদ্ভুত আনন্দ আছে।
————————————————— glaxosmithkline levitra coupons

কঠিন সমালোচনা প্রত্যাশী।

sildenafil efectos secundarios

You may also like...

  1. সমালোচনা করার মতো কিছু পেলাম না ভাই :-? শব্দচয়ন দারুণ =D> m/ !!! চমৎকার লিখেছেন… :-bd আরও এরকম চমৎকার লেখা পড়ার প্রত্যাশায় আছি… :!! pharmacy tech practice test online free

  2. চমৎকার লিখেছেন । :দে দে তালি: :দে দে তালি: :দে দে তালি:

  3. অংকুর বলছেনঃ

    রূপের মাঝে পবিত্রতা বিষয়টি ঐচ্ছিক, থাকতেও পারে, নাও থাকতে পারে।কিন্তু সৌন্দর্য মাত্রই তা আবশ্যকীয়।

    :-bd :-bd :-bd :-bd :-bd দারুন একটা লাইন ছিল । লেখাটি চমত্‍কার হয়েছে । ভালোবাসা নিবেন । @};- @};- @};- @};-

প্রতিমন্তব্যসোহেল মাহামুদ(অতি ক্ষুদ্র একজন) বাতিল

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

prednisone side effects in dogs long term