Category: ছোটগল্প

মোমেনার অপারেশন

১) ভাদ্র মাসের তীব্র গরম। আধার ঘনিয়ে সন্ধ্যা নামছে। আজ সোমবার, রূপপুর বাজারের হাটের দিন ।গ্রামের ছেলে বুড়ো সবাই আজ হাটে। তাই অন্যান্য দিনের চেয়ে ব্যতিক্রম হয়ে বাড়ির সামনের বাঁশের মাচা গুলো আজ ফাকা পড়ে আছে। এরকম একটি বাঁশের মাচায় বসে মোমেনা বেগম আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। ভরা পূর্ণিমার চাঁদ ওঠেছে। পূর্ণিমার রুপালি আলোয় আলোকিত বিস্তীর্ণ প্রান্তর।আকাশের চাঁদ দেখে মোমেনার আজ ছোট বেলার কথা মনে পড়ে যায় ।ছোট বেলায় তার দাদীও এরকম জোস্না রাতে বারান্দায় বসে গল্পের আসর জমাত।কমলা সুন্দরীর গল্প, ডালিম কুমারের গল্প কতই না রং বেরঙের গল্প ছিল সেগুলো। দাদীর মুখে সেসব শুনতে কত ভালই না লাগত তার।...

para que sirve el amoxil pediatrico
cialis new c 100

কোর্স নং CSE-800

১) প্রিয়তিকে আমি প্রথম দেখি  ইউনিভার্সিটি লাইফের প্রথম দিনে ওরিয়েন্টশন  প্রোগ্রামে।  এক তীব্র শীতের সকালে নুতু্ন দিনের উজ্জল স্বপ্ন চোখে একে  গিয়েছিলাম ক্যাম্পাসে ।কিছুটা ভয় আর রোমাঞ্চ নিয়ে অপেক্ষা করছিলাম মিলনায়তনের সামনে। হঠাৎ মেয়েদের জটলায় দীর্ঘ চুলের একটা মেয়ের দিকে আমার দৃষ্টি পড়ে যায়। এরকম দীর্ঘ চুলের রূপসী কোন মেয়ে আমি আমার জীবনে দেখিনি ।কেমন যেন ভীত চোখে তাকিয়ে চারপাশের সবকিছু দেখছিল  সে।  জগতের সব মায়া যেন শুধু তার ঐ অপূর্ব চোখ জোড়ায় ভর করেছে ।প্রথম দেখায় আমার মনে হল এই  মেয়েটির চোখের দিকে তাকিয়ে থেকে আমি যেন অনন্তকাল  পার করতে পারব । অদ্ভুত  সুন্দর ঐ চোখ জোড়া  দেখেই মেয়েটির...

স্নানঘর ও নিষিদ্ধ যৌনতা…

প্রতিবার স্নান করার সময় প্রবাল ভীষন অস্বস্তিতে ভুগছিলো, এখানে আসার পর থেকে এমনটা হয়েছে, ছোটকাকুর শ্বশুরবাড়ি। আলিশান ব্যাপার। ভেতরবাড়ির বাঁদিকে কালো কাঠে খোদাই করা হরিনের নকশাওয়ালা দরজার ঘরে তাকে থাকতে দেয়া হয়েছে। এসব পুরোনো ধাঁচের বাড়িতে রুমের সাথে এটাচ করা বাথরুম আর ঝকঝকে সব আসবাবপত্র দেখে প্রথমে অবাকই হয়েছিলো প্রবাল। সবই ঠিক ছিলো, কিন্তু সমস্যাটা স্নানের সময়। মনে হয় কে যেনো লুকিয়ে লুকিয়ে তাকে দেখছে। প্রবালের অনেকদিনের অভ্যেস, কাপড় গায়ে রেখে সে স্নান করতে পারেনা। কোনভাবেই না। তাই অস্বস্তিটা একটু বেশীই লাগে তার। বাথরুমের ভেন্টিলেটরটা পেছন বাড়ির ছাদের সাথে লাগোয়া, ওদিকে আরো কয়েকটা ঘর, তারপর উপরে ছাদওয়ালা সামনে মরচেধরা গ্রীল...

side effects of drinking alcohol on accutane

রোমান্টিক থ্রিলারঃ ‘রাতগল্প’

‘রাতগল্প’ সিগারেটের পুড়ে যাওয়া ফিল্টার এ্যাশট্রে তে গুঁজে দিয়ে, হালকা ধোঁয়া ছেড়ে, মেয়েটির দিকে এবার খানিকটা দৃষ্টিপাত করে আবির। কিছুক্ষণ ধরেই বেশ তাড়া দিচ্ছে মেয়েটি, “হু, কি যেনো বলছিলেন?” “যা করবেন, তাড়াতাড়ি করেন?” মেয়েটির কথায় তেমন কর্ণপাত না করে বেশ শান্ত গম্ভীর গলায় পাল্টা প্রশ্ন আবিরের.. “আপনি কদ্দিন হলো এখানে আছেন?” “ক্যান?” “দরকার আছে বলেই তো জিজ্ঞাসা করছি?” “৩ বছোর” “হু” “কিন্তু আপনে এইগুলা দিয়া কি করবেন?” “কৌতুহল? জানার আগ্রহ বলতে পারেন!” কৌতুহলী দৃষ্টিতে চারপাশে চোখ বোলায় আবির। সিড়ি পেরিয়ে আরো ক ‘টা ঘরের সাথে লাগোয়া এ ঘরটা বেশ ছিমছামই বলা চলে। চার’তলা বাড়ির দোতলার এই মাঝারি আকারের ঘরের ভেতরকার...

can your doctor prescribe accutane

অনুগল্পঃ ‘নারী’

হসপিটালের বিছানায় হুশ ফিরতেই, ঝাপসা চোখে চারপাশের কঠিন বাস্তবতাগুলোকে বুঝে ফেলেছিলাম আমি। আশপাশের মানুষগুলির কটাক্ষ ভরা চাহনি আর মার সাথে সাদা পোশাকের নার্সের তিক্ত ব্যবহার হতাশার দীর্ঘশ্বাস গুলিকে শুধু দীর্ঘই করছিলো। বাঙ্গালী মেয়ের জীবন কত বিচিত্র তাই না? শৈশবের সদ্য বুঝ জ্ঞান হতে শুরু করেছে কি করেনি, শাসনের শেকল বেড়িটা এঁটে যায় পায়ে। এটা কোরোনা, সেটা কোরোনা, এটা তোমার নয়, ওখানে তোমার যাওয়া চলবে না। বেশ চোখে চোখে রাখা যাকে বলে। বয়সটা খানিক বাড়তে শুরু করেছে কি চারপাশের তীর্যক কথা কিংবা চাহনিগুলোও কেমন ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে বন্দীশালার পরিধি আর ক্রমশ কমতে থাকে বাইরে বেরুবার পথ।...

অমূল্য

নিহাল। বছর আটেক বয়স ছেলেটির। অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। সারাদিনে তার ব্যস্ততার অন্ত নেই। কখনও স্কুল, কখনও কোচিং, কখনও বা প্রাইভেট টিউটর। এ এক টাইট শিডিউল! আজকালকার আর পাঁচটা শিশুর মতই নিহালও অবসরে বিনোদনের জন্য বেছে নিয়েছে কার্টুন আর গেমস। এভাবেই রুটিন মাফিক চলে তার পুরো সপ্তাহ। আজ নিহাল পড়েছে বিশাল ঝামেলায়। রুটিন অনুযায়ী আজ কোন কোচিং কিংবা প্রাইভেট টিউটর নেই। আজ কার্টুন ও নেই। সপ্তাহের এই দিনে সব পুরাতন পর্বগুলোই পুনঃপ্রচার করে। এই দিনটা সে কম্পিউটারে গেমস খেলে পার করে। কিন্তু আজ কম্পিউটার নষ্ট। স্কুল থেকে ফিরেছে বেলা বারোটায়। ফ্রেশ হয়ে টিভির সামনে বসেছে অনেকক্ষণ হল। কোন চ্যানেলে... thuoc viagra cho nam

বখাটে

গল্পটা আমি তোমাকে বলব। জানি এই গল্পটা শোনার কোন ইচ্ছে তোমার নেই। তুমি শুনবেও না। তবুও তোমাকে বলব। কারণ, গল্পটা আবর্তিত তোমাকে ঘিরে। গল্পটার শুরুতে তুমি এবং শেষটুকুও তোমার হাতেই। তবু বলছি, গল্পটা তুমি আগে শোন নি। গল্পটাকে তুমি চেন। কিন্তু, জান না এটা ঠিক কী? বিশ্বাস কর, শুধু তোমাকে গল্পটা শোনাব বলে সেই ধূলি-ধূসরিত পৃথিবী থেকে এতটা পথ পাড়ি দিয়ে এই নিঃসীম অন্ধকারের জগতে এসেছি। গল্পটা ঠিক কোথা থেকে বলতে শুরু করব, আমি জানি না। আমি লেখক নই। খুব ভাল আড্ডাবাজও নই। গল্প বলে কাউকে মুগ্ধ করার ক্ষমতাও আমার নেই। খুব সাধারণ একটা ছেলে। ‘বখে যাওয়া’ শব্দ দু’টো দিয়েই... achat viagra cialis france

doctorate of pharmacy online

স্বপ্নতে মিথ্যে বাস্তব!

হোঁচট খেতে খেতে ছেলেটা যখন তীরে এসে উপস্থিত তখন দেখে কোন বোট কিংবা নৌকা কিছুই নেই। মিথ্যা জীবনের মিথ্যা বাঁচার লড়াই। তাকে যেতে হবে সমুদ্র পারি দিয়ে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে। ওকে খুঁজে পেতেই হবে। কিন্তু কিভাবে? হঠাৎ একটা কলা গাছ দেখে ভেলা বানায় সে, কোন কিছু না ভেবেই চড়ে বসে ভেলায়।ভাসতে থাকে সমুদ্রে।দীর্ঘ্য সমুদ্র পথ পারি দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে।হঠাৎ জেগে দেখে তার কলা গাছের ভেলায় পচন ধরেছে,কলা গাছের খোল গুলি খসে যাচ্ছে।আর একটু পরেই ডুবে যাবে সে।ছেলেটা সাতার জানেনা।দিসেহারা হয়ে এদিক সেদিক কিছু একটা খুজে,যা আকরে ধরে বাঁচা নয়, অন্তত ভেসে থাকা যায়।কিন্তু কিছুই খুজে পায়না।চারিদিকে শুধুই শান্ত...

clomid over the counter

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ ‘আশ্চর্য’

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ আশ্চর্য পুুরোনো ব্রীজটা ধরে মূল রাস্তার পেট চিড়ে বের হওয়া সরু রাস্তাটার একদম শেষ প্রান্তে মতির হোটেল। ছোটখাটো চায়ের দোকান বললেও নিতান্তই ভুল হবে না। শত মন খারাপ নিয়ে এখানে ঢুকলেও, ফেরার পথে মুখে দু দন্ড হাসি নিয়ে ফিরতে পারি। সাপ্তাহিক ছুটি সমেত দিন তিনেকের ঘন্টাখানেক এখানটায় বরাদ্দ থাকলেও বেঞ্চিতে বসতে না বসতেই মিনিট ও ঘন্টার কাটা টা দ্রুতবেগে ছুটতে শুরু করে দেয় যেন এখানকার ঘড়িটায় রেসের ঘোড়ার তীব্র গতি বসানো। সময় কোনদিকে পেরিয়ে যায় বোঝা মুশকিল। আড্ডা বলে কথা। আমি(সালমান), অর্নব, শ্যামল, রাব্বি। ফোর ইডিয়টস। আড্ডার বিষয়বস্তুগুলোও আজকাল অতি বিচিত্র কখনো জঘন্য। প্রেম, ভালোবাসা, ব্রেক আপ,...

buy kamagra oral jelly paypal uk

ভালবাসা- একটি অদ্ভুত অনুভুতির নাম…..

এক. :- রাতুল, একটু বুঝতে চেষ্টা কর… মাত্র তো অল্প কয়েকটা দিনের ব্যাপার । :- হৃদি, তোমার আন্দাজ পর্যন্ত নেই তুমি কি বলছ । :- কি এমন বলেছি ? মালিহার সাথে কিছুদিন প্রেমের অভিনয় করবে… এই তো । :- কিন্তু আমি তোমাকে ভালবাসি । আমি কেন শুধু শুধু মৃত্যু পথযাত্রী ঐ মেয়েটাকে ধোঁকা দেবো ? :- এখানে ধোঁকার কথা আসছে কেন ? মেয়েটার ক্যান্সার, ডাক্তার ওর সময় বেঁধে দিয়েছে । বড়জোর মাস ছয়েক বাঁচবে আর । তাছাড়া তুমি তো জানই, মেয়েটা সেই ফার্স্ট ইয়ার থেকেই তোমাকে মনে মনে ভালবাসে । কখনো প্রকাশ করেনি…এই যাহ ! তোমার কি উচিত না জীবনের...

নিরাশা

.. চেয়ারম্যান বাড়িজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। হবে নাই বা কেনো?? ভদ্রলোকের সর্বকনিষ্ঠ কন্যার বিয়ে বলে কথা। গ্রামের মোড়ল বিবেচনায় অত্র এলাকায় যে সম্মানখানা তার আছে, তা এতদ অঞ্চলে দ্বিতীয় কারো আছে বলে জানা যায় না। পাঁচবারের চেয়ারম্যান বলে কথা। হেলাফেলার ব্যাপার নয় মোটেই। আর তাই হয়তোবা আয়োজনের বিন্দুমাত্র খামতি রাখতে চান না চেয়ারম্যান সাহেব। সকলের উপর জারি করা নির্দেশ বাস্তবায়ন হতেই হবে এমন একটা ব্যাপার। সমস্ত জন-প্রাণী খেয়ে তবেই বাড়ি ফিরবে। এ তল্লাটের সমস্ত এতীম, ফকির, মিসকিন সকলকে পেটপুরে খাওয়ানোর পাকাপোক্ত বন্দোবস্ত হয়েছে। সুন্দরী বালিকাদের অনবরত ছুটোছুটি, সাজসজ্জা, আশেপাশের বাড়ি থেকে আসা ছোট ছেলেপুলেদের কোলাহল আর নববধূর মা বাবার...

মনিশা

  সকালের ক্লাস বিরক্তিকর, প্রথমসারির প্রথম সিট এ বসে আছি,দরজা দিয়ে যেই ঢুকছে পেছনে চলে যাচ্ছে , কিছুক্ষণ দরজার দিকে তাকিয়ে থেকে বুঝলাম কারোই আজ সামনে বসার ইচ্ছা নেই । তাই এরপর যে মেয়েটা আসলো তাকে বললাম, এই এখানে বসো…আমার পাশের সিট দেখিয়ে দিলাম। হাসিমুখে মেয়েটা আমার পাশে এসে বসলো । আমাদের ঠিক পেছনে বসা ছিল মেয়েটার পরিচিত একটা ছেলে, মেয়েটা বলল সে নতুন নাম্বার নিয়েছে, ছেলেটা সেই নতুন নাম্বার সেভ করার সময় মেয়েটার নাম উচ্চারন করল, মনিশা ঘোষ । মেয়েটা উজ্জ্বল শ্যামলা, চোখের পাপড়ি এত ঘন যে দেখলে মনে হয় কাজল দিয়েছে চোখে, হাসিটাও সুন্দর । তার বাড়ি ঢাকার...

আমি, বটু দা এবং হুইলচেয়ারের গপ্পো

কোথা হতে শুরু করবো জানি নাহ, গল্পের শুরু আছে তবে শেষ নেই, সকাল বেলা এমনিতে ভাল ঘুম না হলে মাথা বেশ ঝিম ঝিম করে। ঈদের ছুটিতে ঘরে শুয়ে বসে থাকতে থাকতে বেশ মোটা হয়ে যাবার কথা, কিন্তু কেন যেন আমি দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছি। খাওয়া দাওয়া এবং আয়োজন এর কমতি নেই, কিন্তু তবুও অবস্থার উন্নতি হচ্ছে নাহ। আজ আমার ছুটির শেষ দিন, অহর্নিশি জাগরণ অভ্যাসটা একটা শক্ত ব্যামো ধরিয়ে দিয়েছে, এখন আর চাইলেও ঘুমোতে পারি নাহ। সকাল সকাল উঠে পড়ে লাগলাম একটা ছোট্ট গল্প লিখবো বলে, এ গল্পের নায়ক আমার বটু দা। বটু দা মজার মানুষ, বয়স চল্লিশ এর কোঠা...

tome cytotec y solo sangro cuando orino

বন্ধু তোকে অনেক বেশি ভালবাসি…..

এক.   একটি বিয়ে বাড়ি অনেক উৎসবের আধার । চারদিকে কত হাসি, কত কোলাহল ! কি ভীষণ ব্যস্ততা সবার মাঝে। একেক জনের লাজ, একেক জনের সাজ, একেক জনের ঢং আর একেক জনের রঙ…. কি অদ্ভুত বৈচিত্রতা !   চশমিস আঁতেল তরু, বইয়ের বাইরেও যে আলাদা একটা দুনিয়া আছে এটা ওর অজানা ছিল । অথচ আজ ও ই নেচে গেয়ে মঞ্চ কাঁপাচ্ছে । ওর এরূপটি কি আমাদের কারো জানা ছিল ? কিংবা ধরা যাক, মোটকু ইমনের কথা । সারাদিন খাওয়া ছাড়া আর কিছু চিনতো না । অথচ কাল থেকে ও নিজের খাওয়া দাওয়া বাদ দিয়ে মেহমানদারীতে লেগে আছে । সবাইকে খাওয়াতে...

দুই প্রতারক

১.||…………… “না..না..না.. ইমপসিবল, এ আমার দ্বারা কিছুতেই সম্ভব না, তুমি ভাবলে কি করে মাত্র ১ লাখে আমি ওই বিজ্ঞাপনে কাজ করবো, আশ্চর্য্যওওও”, গলাখানা কিঞ্চিৎ উচুঁ করেই ননস্টপ এভাবেই ফোনে কাউকে ঝারি মেরে যাচ্ছিলেন মডেল শুমু। অপর প্রান্তে কে আছে বোঝা মুশকিল তবে এ প্রান্তে শুমু ছাড়াও আরো এক ব্যাক্তি যে উপস্থিত তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। হালকা ক্রোধ সহযোগে গলার স্বর খানিকটা উঁচু করে বলা কথাগুলো ফোনের ওপ্রান্তের বদলে এপ্রান্তের লোকটাকে শুনিয়ে ভালোমতো শক লাগিয়ে দেওয়ার প্ল্যান মোটামুটি সাকসেসফুল। পাশের সোফায় বসে অবাক বিস্ময়ে হা করে সেল্ফ ক্লেইমড সুপারস্টরের কথা শুনে চলেছে সে। উদাস বদন ও চোখ মুখের চাহনি দেখে অনুমান...

কয়েকটি পড়ন্ত বিকেলের মায়া

আবিদের হঠাৎ চিৎকারে ভয় পেয়ে গেলো রুদ্র, ছুটে এলো ছাদের এপাশে। ছেলেটা অনেক চঞ্চল, কোন অঘটন না ঘটিয়ে ফেললো ঘুড়ি উড়াতে যেয়ে, এই ভয়টাই মনে আসছে। না, আবিদের কিছু হয়নি। মিষ্টি হাসলো আবিদ। ‘দাদা ঘূরি উড়াও’, রুদ্রকে কিছু বলতে না দিয়েই নাটাই টা হাতে তুলে দিলো আবিদ। ‘এভাবে কেউ চিৎকার দেয়, কত ভয় পেয়ে গেছিলাম’, মিষ্টি কন্ঠের অনুযোগটা শুনে চমকে উঠলো রুদ্র। পিছনে ফিরে তাকালো, ঝুমার পাশে একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে। রুদ্র মেয়েটার দিকে তাকিয়ে রইলো বোকার মত। কয়েক সেকেন্ডের জন্য থেমে যাওয়া পৃথিবীটাকে প্রান দিলো ঝুমা। মিষ্টি হেসে বললো, ‘রুদ্রদা, ও হচ্ছে মায়া, আমার কাজিন। কিছুদিনের জন্য বেড়াতে এলো, পরীক্ষা... missed several doses of synthroid

renal scan mag3 with lasix

মায়া

নীল শাড়ি, চোখে কাজল, আর মুখে এক মায়াময়ী হাসি, পড়ন্ত বেলার মিষ্টি রোদ মায়াকে জড়িয়ে রেখেছে। মায়ার দিকে অপলক চেয়ে রয় রুদ্র, ঈশ্বর যাকে নিজ হাতে সাজিয়েছে, তার দিকে কিভাবে না তাকিয়ে থাকা যায় জানা নেই রুদ্র’র। মায়া কে যতই দেখে ততই অবাক হয় রুদ্র। প্রতিদিন এই মেয়টাকে তার নতুন লাগে। ‘রুদ্র’দা কি ভাবছো?’ হঠাৎ প্রশ্ন টা শুনে চমকে যায় রুদ্র। ‘ওহ! রুপু তুই’, বলে রুদ্র। ’আরে মায়া আপু ও দেখি ছাদে আজ। দাদা সুন্দর লাগছেনা আপুকে অনেক?’ জানতে চায় রুপু। ‘নাহ, আমার কাছে তেমন কিছু মনে হচ্ছেনা’, ছাদের অন্য দিকে হেটে চলে যায় রুদ্র। রুপু রুদ্রের আচরনে কিছুটা হতাশ...

প্রতিশোধ

এক.   – বাইরের খাবার খাবি না, জানালা দিয়ে মাথা বের করবি না, আর পৌঁছে মাত্রই আমাকে ফোন দিবি । – মা, তুমি এমনভাবে কথা বলছ যেন আমি এখনো স্কুলেই পড়ি ! আমি বড় হয়েছি না ? – না, মোটেও বড় হস নাই ! মায়ের কাছে সন্তানরা কখনো বড় হয়না । আর কেন এমন করি ? যেদিন মা হবি সেদিন বুঝবি । – আরেহ ! তুমি দেখি সিরিয়াস হয়ে গেলে ! আমি তো দুষ্টামি করে বলেছিলাম । – সাবধানে যাস মা । তুই তো অনেক দিন দেশের বাইরে ছিলি । এখানকার পরিস্থিতির কথা জানিস না । দেশের অবস্থা খুব একটা...

একাত্তরের চট্টগ্রাম শহরের বধ্যভুমি ও নির্যাতনকেন্দ্র সমুহ

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাক বাহিনী অন্যান্য শহর গুলির মত দখল করে নেয় চট্টগ্রাম শহরও। তারা তাদের সৈন্যবাহিনী ও বাঙ্গালী দোসরদের সাথে হাত মিলিয়ে গড়ে তোলে বধ্যভুমি ও অত্যাচার কেন্দ্র। এখানে তেমনি খুজে পাওয়া বধ্যভুমি ও অত্যাচার কেন্দ্রগুলির তালিকা দেওয়া হল : ১। মহামায়া ডালিম ভবন(ডালিম হোটেল) ২। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ ৩। চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম ৪। চট্টগ্রাম সেনানিবাস ৫। গুডস হিল ৬। রেডিও ট্রান্সমিশন কালুরঘাট ৭। টাইগারপাস নৌহাঁটি ৮। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ৯। নৌবিহার সদর দপ্তর পতেঙ্গা ১০। সার্সন রোডের পাহাড়ের বাংলো

acne doxycycline dosage

ভালো থাকবেন, অনেক বেশি ভালো থাকবেন ; পর্ব – ১

- হ্যালো, আপনি অনেক ভালো লিখেন। – তাই নাকি? জানতাম না তো । তবে প্রশংসার জন্য ধন্যবাদ। – দেখুন, আমি কাউকে সহজে প্রশংসা করিনা। আপনার লিখা আমার কাছে ভালো লাগে তাই বললাম। – আবারো ধন্যবাদ আপনাকে। – আচ্ছা, আপনি থাকেন কোথায়? – দুঃখিত, এই মূহুর্তে ব্যক্তিগত কোন তথ্যাদি দিতে পারছিনা । – কেন? আপনি কি ভয় পাচ্ছেন আমাকে? ভয় নেই, আমি মেয়ে হয়ে আপনার কি ক্ষতি করব? – ভয় পাচ্ছি না। তবে একটু ব্যস্ত আছি। – নতুন কিছু লিখছেন? – হুম। – কি লিখছেন? আমি কি জানতে পারি? – ফেবু ওয়ালে চোখ রাখলে অবশ্যই পারবেন। তবে একটু ধৈর্য্য ধরুন। -...

can levitra and viagra be taken together