Category: ধারাবাহিক

সহীহ ইতিহাসনামা

(এক) ইতিহাস পড়ি এটাই শেষ কথা নয় আমার হাতেই রচিত হবে আগামীর ইতিহাস। ইতিহাসের একজন লেখকের বই পড়লে সব বুঝা যায়। দুই জনের পড়লে তুলনামূলক নিজ আদর্শে সত্য মিথ্যা অনুধাবন ও নির্ণয় করা যায়। বেশি লেখকের বই পড়লে দ্বিধায় পড়তে হয়। কোনটা ঠিক আর কোনটা ঠিক নয়। একজন ঐতিহাসিক সময়ের স্বাক্ষী না গোপালের স্বাক্ষাী হয়ে সত্য মিথ্যা যা হউক যাচাই না করে নিজ আদর্শ, নিজ বিশ্বাস, নিজ পক্ষীয় ইতিহাস রচনা করে। ভবিষ্যৎ সেই ইতিহাস পড়ে নতুন প্রজন্ম কি জানবে? একথা আর নতুন করে না বলাই শ্রেয়। ইতিহাস সৃষ্টি থেকে আজ অবধী ঐতিহাসিকগণ ছিলেন তাদের সিংহ ভাগ ছিলেন কোন না কোন...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec
wirkung viagra oder cialis

মাই প্রিসন; মাই প্রাইড (পর্ব-১)

“হাই ফ্রেন্ডস! ভূত এফ এম এর আজকের এপিসোডে স্বাগতম! আমি এমন একটি এপিসোড অনএয়ার করতে যাচ্ছি যেটা অনএয়ার হওয়ার পর আমার কোনো অনুশোচনা থাকবেনা, প্রাপ্তির নিশ্চয়তা থাকবেনা। যদি কখনো অনুধাবন করি যে,এটা বলে ভুল করেছি,সেটা আমাকে বিন্দু পরিমাণ ভাবাবে না। আমাকে সেটা বিসর্গ পরিমাণ নাড়াবেনা। যদি কখনো বুঝতে পারি যে,এটা প্রচার আমার ভালো হয়েছে,স্মৃতি গুলো জমে গেছে হিমালয়ের বরফের মত,তবুও আমার তৃপ্তির বরফ গলে কখনো নদী হয়েও বইবেনা। আমি এটা বলছি একরকম নিষ্প্রাণের মত;অনুভূতিহীন অ্যানিমেশনের মত,অনেকটা প্লেস্টেশানের কোনো গেইম চরিত্রের মত”। শুরু করছি রাসেল ভাই! “ছোটো বেলায় কাগজ টুকরো করে একটা খেলা খেলতাম। বাবু-পুলিশ-চোর-ডাকাত। লটারির মত। চারটি কাগজ ছড়িয়ে দেয়া...

কম্পিউটার গেইমিং রিভিউ :- এক এ ভূমিকা

কম্পিউটারের এই যুগে গেইমিং খুবই জনপ্রিয় একটা বিষয়। পরিমিত গেইমিং সত্যিই অবসর বিনোদনের চমৎকার একটি মাধ্যম। তবে অবশ্যই সেটা সীমিত পরিসরে। ঘন্টার পর ঘন্টা গেইম নিয়ে পড়ে থাকাটা বিভিন্ন রকমের মানসিক রোগ সৃষ্টি করতে পারে। অনেকে গেইমিং নিয়ে এপিলেপ্সিতেও ভুগে। যাই হোক, আমার আজকের এই পোস্ট গেইম রিভিউ নিয়ে। সচরাচর ব্লগে মুভি রিভিউ দেখা যায়। আমি গেইম নিয়েই লিখি! আশা করি গেইমারদের কাজে লাগবে ব্যাপারটা। এই রিভিউটা একটি সিরিজ হিসেবে থাকবে। তাই গেইম রিভিউ লিখার শুরুতেই আমি প্রাথমিক কিছু কথা বলে নিতে চাই গেইমিং নিয়ে। মূলত গেইমিং কম্পিউটার নিয়ে। তথা কনফিগারেশান নিয়ে। ব্যাপার গুলো অনেকেই হয়তো জানেন। তাও বলার প্রয়োজনে...

synthroid drug interactions calcium
clomid over the counter
side effects of quitting prednisone cold turkey

দুর্শব্দ #১

ক. মহসিন সাহেব হাজী মানুষ। একবার না। তিনবার হজ্জ্ব করেছেন তিনি। সামনের বছর আল্লাহ তৌফিক দান করলে, আরও একবার করার ইচ্ছে আছে।  নামাজ পড়তে পড়তে তার কপালে দাগ পড়ে গেছে। এলাকার মসজিদে প্রথম কাতারে তার জন্য একটা জায়গা বরাদ্দ থাকে। মাথায় সব সময় টুপি, মুখে নূরানি দাঁড়ি, সবসময় মুখে আকণ্ঠ বিস্তৃত হাসি। শরীর থেকে সব সময় আতরের সুগন্ধ আসে। তার মুখটা দেখলেই যে কারও মন ভাল হয়ে যায়। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি তিনি। আল্লাহ পাক তাকে সবকিছু দু’হাত ভরে দিয়েছেন। মোহাম্মদপুরে তার আলিশান বাড়ি। টাকা পয়সা দু’হাতে খরচ করেও যেন শেষ হতে চায় না। স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে নিয়ে তার আদর্শ সুখী পরিবার।  ...

উপন্যাস : লড়াই : শেষ পর্ব

সময় এগিয়ে যায়। এগিয়ে চলে শাহবাগ ও। প্রতিদিনের স্লোগান – মিছিল – মীটিং এর মাঝে সোমা ধীরে ধীরে আকিবাকে ভুলে নতুন করে জীবন শুরু করার অনুপ্রেরণা পেতে থাকে। তবু কলেজের ব্যাস্ত জীবনের ফাঁকে হঠাৎ আকিবা সামনে পরে গেলে সোমার সবকিছু শূন্য লাগতে শুরু করে। নিজের ভেতরের শক্তিটুকুকে এবার সোমা কাজে লাগায়। ধীরে ধীরে ও আকিবাকে ভুলে যায়। আকিবা শুধুই ওর অতীতের একটা অধ্যায় হয়ে বেঁচে থাকে।  স্মৃতিগুলো তো থেকেই যায়। তাকে মোছার সাধ্য কার?  মোবাইলের মেমরির মতন মানুষের মেমরিতে তো আর ডিলিট বাটন নেই! এর মধ্যেই জল অনেক দূর গড়িয়ে যায় – সবদিকে…। সোমার সাথে ওর বাবার সম্পর্ক দিন দিন...

উপন্যাস : লড়াই : পর্ব – ২

পরদিন কলেজে.. – আকিবা, তোর পাগলামি শেষ হল? – হ্যা, শোন। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর কনফারেন্স এ একটা ভাইয়া যে আমাদের রাস্তা পার করে দিসিল মনে আছে? – কোনটা? ওইযে গোলগাল মুখ? – হ্যা ওইটাই। আমি না ওইটার উপর ক্রাশ খাইসি। ফেসবুক আইডিটা খুজে দিতে পারবি? সেই থেকে শুরু। সোমা সেদিন মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে ফেসবুকে বসে। সেই ছেলেটার ফেসবুক আইডি খুঁজে বের করে। ছেলেটার নাম সাকিব।সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে অনার্স। – সোমা, একটা হেল্প করতে পারবি? – এত ফর্মালিটির কি আছে? তোর জন্য সবকিছু করতে পারব। – একটা নতুন আইডি খোল আমার নামে। তারপর ওই আইডি থেকে সাকিবের সাথে তুই কথা বলবি। আমার বাসায় ফেসবুক ধরা নিষেধ। একটু অবাক হলেও... tome cytotec y solo sangro cuando orino

উপন্যাস: লড়াই। পর্ব : ১

মেয়েটি একা হেঁটে চলেছে রাস্তায়। রাস্তাটি আর দশটা সাধারণ রাস্তার মতই। লোকজনের আলাপ – আলোচনা, হই হল্লা,  জিনিসপত্র বেচা কেনা সবই চলছে। আর তা হবে নাই বা কেন?  মেয়েটাও তো খুবই সাধারণ।  আর মানুষগুলোর মত তার জীবনেও হাসি – কান্নার খেলা চলে। কখনো মনে হয়,  আর সহ্য করতে পারবে না। কিন্তু তারপরে কোনো না কোনো উপায়ে সবকিছু আবার ঠিক হয়ে যায়। পরাজয়ের একদম কিনারায় পৌঁছে জয়ের মুখ দেখতে সে অভ্যস্ত। পশ্চিম ধানমন্ডির এই ব্যস্ত রাস্তাটা এখন  আপাতত থাক। আমরা চলে যাই এক বছর আগের ঘটনায়। মেয়েটা তখন ঢাকা শহর এর নামী একটা কলেজে পড়ে। তখন ওরা এখানে থাকত না। কলেজের...

দ্য ইনক্রেডিবল ডাইন

মাথাটা অনেকক্ষণ ধরে ঝিঁঝিঁ করছে রবিনের। এর পিছনে অবশ্য আর্কিমিডিস স্যারের বিশাল এক অবদান আছে। আর্কিমিডিসকে আজ রাতে সে স্বপ্ন দেখেছে। স্বপ্নের কিছু অংশ – আর্কিমিডিস- রবিন,তুমি কি জানো আমি এক অসাম আবিষ্কার করেছি? রবিন- না। জানিনা। আর্কিমিডিস- কি বলতেছ তুমি? তুমি আমার বিখ্যাত আর্কিমিডিসের নীতিটা জানোনা? রবিন- খচর খচর করেন কেন? বললাম তো জানিনা। আর্কিমিডিস তখন রবিনকে তাঁর নীতিটা বুঝাতে শুরু করলেন। তারপর বললেন, “দেখলা? কি বিশাল এক আবিষ্কার করছি আমি?” রবিন বললো, “স্যার এটা কোন আবিষ্কারই না। বাংলা সিনেমায় প্রায়ই দেখি ভিলেন জলহস্তীকে লোহার ট্যাঙ্কে ভরে নদীতে ফেলে দিছে। এরপর ট্যাঙ্ক আপনার সূত্রকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভাসতে ভাসতে নায়কের...

will i gain or lose weight on zoloft

একাত্তরের চট্টগ্রাম শহরের বধ্যভুমি ও নির্যাতনকেন্দ্র সমুহ

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাক বাহিনী অন্যান্য শহর গুলির মত দখল করে নেয় চট্টগ্রাম শহরও। তারা তাদের সৈন্যবাহিনী ও বাঙ্গালী দোসরদের সাথে হাত মিলিয়ে গড়ে তোলে বধ্যভুমি ও অত্যাচার কেন্দ্র। এখানে তেমনি খুজে পাওয়া বধ্যভুমি ও অত্যাচার কেন্দ্রগুলির তালিকা দেওয়া হল : ১। মহামায়া ডালিম ভবন(ডালিম হোটেল) ২। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ ৩। চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম ৪। চট্টগ্রাম সেনানিবাস ৫। গুডস হিল ৬। রেডিও ট্রান্সমিশন কালুরঘাট ৭। টাইগারপাস নৌহাঁটি ৮। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ৯। নৌবিহার সদর দপ্তর পতেঙ্গা ১০। সার্সন রোডের পাহাড়ের বাংলো

দৈনন্দিন কর্মকান্ডে বিজ্ঞান (পর্ব ১)

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা আমাদের সবারই জানা আছে। বইতে প্রতিনিয়তই পরি, আর অবনত মস্তকে স্বীকার করে নিই, বিজ্ঞান আমাদের এসব দিয়েছে, বিজ্ঞান ঐসব দিয়েছে! বস্তুত, বিজ্ঞান একটি উন্মুক্ত জ্ঞান। আমরা যে কেউই চিন্তা করতে বের করতে পারি বিভিন্ন কম্বিনেশান। বেসিক জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আমরা কিছু বানাতে না পারি, অন্তত কিছু থিয়োরি সহজেই দিতে পারি! অনুরূপ কথা গণিতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য! জাস্ট কিছু ক্রিয়েটিভিটি কাজে লাগাতে পারি যেকোনো সময়। আজ তেমনই কিছু আলোচনা থাকছে। স্বয়ংক্রিয় চার্জারঃ যদি বলি, আমি এমন একটা যন্ত্র বানাবো যেটা বিদ্যুৎ ছাড়াই আজীবন নিজে নিজে চার্জ হবে। ভাবছেনয সৌর শক্তি? না! তাহলে ভাবছেন, জেনারেটর? না! আমার তেল কিনার টাকা...

বিষন্নতার শহরে(২য় অধ্যায়)

সায়রা বেগম শুয়ে আছেন। ইদানিং বুকের ব্যথাটা সামান্য বেড়েছে। তিনবেলা রুটি খাওয়ার ফলে কি বুকের ব্যথাটা বাড়ছে? একটা সময়ের পর শুধু বেঁচে থাকার জন্য বেঁচে থাকে মানুষ। সময় তার গতিতে ছুটে যায়। দিন আসে রাত যায়। মানুষ হয়তো স্রষ্টার কাছে নিজেকে সপে দিতে গিয়ে নিজেকে নিজের কাছে সপে দেয়। মিলি ঢুকে দেখলো মা ঘর অন্ধকার করে শুয়ে আছে। হাত বাড়িয়ে লাইট অন করলো মিলি। সায়রা বেগম চোখ মেলে তাকালেন। দেখলেন মিলি বিছানায় উঠে আসছেন। তার এই মেয়েটা বড় লক্ষ্মী হয়েছে। তাঁর শাশুড়ীর মত দেখতে সুন্দরী আর খুব মিশুক। সবার সাথে সহজেই মিশে যায়। বড় ভয় হয় সায়রা বেগমের। মেজো মেয়ের...

ভালবাসা যেখানে অপবিত্র, ভাঙ্গন সেখানে অনিবার্য (পর্ব-২ )

  কোচিং করে বের হচ্ছিলাম তখন। আমি, সারা আর সাকিব। সাকিব সারার দিকে এগিয়ে বলল, ‘আমি তোমাকে নাম্বারটা দিব নাকি তোমারটা আমাকে দিবে?’ সারা আমার হাত ধরে টান দিয়ে জোরে টানতে থাকল। রাস্তায় আদিবের সাথে দেখা, ‘হাই সারা’ -     বাই। আমি আমার হাতটা ছাড়িয়ে সারার দিকে তাকিয়ে বললাম, ‘এটা চরম অভদ্রতা।’ -     কোনটা? -     তুই যে ব্যবহারগুলো করিস। -     তুই জানিস না। তুই আসার আগে সাকিব আমাকে বলছিল ও নাকি আমাকে খব পছন্দ করে। অনেকদিন থেকেই বলবে বলবে করে বলতে পারছে না। ইত্যাদি ইত্যাদি। -     তো? কেউ জানাতেই পারে। তাই বলে এরকম ব্যবহার করতে হবে? -     তো কি নাম্বার দিয়ে...

ভালবাসা যেখানে অপবিত্র, ভাঙ্গন সেখানে অনিবার্য ( পর্ব-১ )

ছোটচাচু কানাডায় থাকে। বছরান্তে জুলাইয়ের দিকে ছুটিতে বাংলাদেশে আসে। সেবার ঈদের সময় ছুটি পড়েছিল। পুরো পরিবার নিয়ে চলে এসেছিল চাচু। এখানে তেমন কোন কাজ থাকে না। সন্ধ্যায় আমার পড়া দেখতে বসত। সাথে পেপারও পড়ত। এক সন্ধ্যায় সেরকমই পেপার নিয়ে দেখছে আমি অংক করছিলাম। চাচী এসে বল, ‘তুমি কি ব্যস্ত?’ -     না। নিধিকে অংক করতে দিয়েছি। অংক দেখব। -     যুথীর এই ঔষধটা নিয়ে ডক্টরের সাথে কথা বলতে হবে। ওর রাগ তো কমছে না। -     হুম বলে দেখ। -     আচ্ছা, দেরি করলে রাগ আরো বেড়ে যাবে না? ডক্টরকে বরং তুমি একটা মেইল করে দিও। -     তুমিই দিও। যুথীকে তো তুমিই বেশি দেখাশোনা...

ইচ্ছের সমাধি ( শুরু )

অন্ধকার, গাড় অন্ধকার এ ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকার মাঝে জান্তব এক সুখের সন্ধানে থাকে কিছু মানুষ! অর্ক সেইদলের একজন! কোন এক অজানা অভিমানে বা কিসের টানে ছুটে চলতে শুরু করছে অন্ধকার এর পিছনে টা নিজেও হয়তো জানে না! বা জানলেও কাওকে জানতে দিতে চায় না। চায় না কেও বিরক্ত করুক! ভুলে যাক সবাই! প্রচণ্ড বিরক্ততা চারপাশে দুর্বোধ এক বেড়াজাল এ বন্দী করে রাখে তাকে! কিছু হইলেই! কি দরকার! কি দরকার একটা ভাব!   নিজেকে চারদেয়াল এর মাঝে বেধে ফেলে অপেক্ষাই শুধু এখন! অনিকেত প্রান্তর পাড়ি দেবার অপেক্ষা! ইচ্ছের সমাধির গুলোর উপর শেষ এফিটাফ এর তুলির আচর দিবার অপেক্ষা! মাঝে...

বিষন্নতার শহরে(১ম)

সোবাহান সাহেব কে তা মজিদ জানেনা। জানার কথাও নয়। আজ সকালে নাসরুদ্দিন সাহেব যখন জুতোর বাক্সের সাইজের একটা প্যাকেট সুদৃশ্য শপিং ব্যাগে করে তাকে দিল তা দেখে মজিদ খানিকটা হতবাকই হল। সে রাজ্যের বিরক্তি নিয়ে বললো, কি এটা? নাসিরুদ্দিন সাহেব ধমকে উঠলেন, তুমি তা জাইন্না কি করবা? এই নাও এই কাগজটা ধর। ঠিকানা লিখা আছে। এই প্যাকেটটা সোবাহান সাহেবরে দিয়া আসো। মজিদ কিছু বলে না। এখন কিছু বললেই বাবা খেপবে। সাত সকালে ভদ্রলোক খেপিয়ে লাভ নাই। ভাড়া কত দিমু? মজিদ তার বাবার দিকে তাকায়। মুখের খোঁচা খোঁচা দাড়ি চুলকে বলে, দেন, সিএনজি ভাড়া দেন। সিএনজিতেই যাইতে হবে এমন তো কথা...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

যে প্রেমটি হল না

এটা বড় আক্ষেপের কথা গেল প্রেমগুলোর দোষে তোমাকে যে ভাল লেগেছে তা হয়তো বলাই হবে না আবার প্রেমে পড়লে লোকে মন্দ বলবে চরিত্র নিয়ে টানাটানি শুরু হবে তাই প্রচন্ড ভাল লাগা স্বত্তেও তোমাকে আর সেটা বলছি না যেদিন প্রথম দেখেছিলাম তোমাকে ঠিক সেদিন থেকেই ঘটনা বুঝতে সময় লাগেনি আমার এক মূহুর্ত এরকম মূহুর্ত যে আরও এসেছে বার কয়েক জীবনে প্রতিটি প্রেমই বুঝি প্রথম প্রেমের মত প্রতিবারই মনে হয় এই বুঝি আজন্ম আকাঙ্ক্ষিত প্রেম এই বুঝি শেষ প্রেম, আর জীবনেও না… গেল প্রেম গুলোর মত তুমিও কি সেই গৎবাঁধা হবে নাকি আমাকে অবাক বিষ্ময়ে বিস্মিত করবে এই ভেবেই যে দিন রাত...

ovulate twice on clomid

আমি একটা পাতার ছবি আঁকি. . .

মাঝ রাত্তিরে যে তুলসী বিলে পরীর মেলা বসে সে আমি জানতাম না। তুলসী বিল আমার সাত পুরুষের সম্পদ। আমার বাবা, তার বাবা। তার দাদা, তারও দাদার বিল ছিলো এই তুলসী বিল। এপার থেকে ওপার দেখা যায় না। মাঠ পেরিয়ে ঘাট পেরিয়ে, সমিরুদ্দির বর্গা জমি ডাইনে রেখে যতদূর চোখ যায়, তুলসী বিল শেষ হয় না। গেলো বছর বর্ষায় পোয়াতি গাভীর মতো টলমলে পানিতে মিজাইন্যার ছাও টা ডুইবা গেলো , ঘের দেয়ার ঘোষনা হল তুলসী বিলে। সেই থেকে দুই বর্ষা ছাপিয়ে তিন বর্ষা হাজির, ঘের দেয়া আর শেষ হয় না। সেই সে ভজনপুর থেকে রামচন্ডী, তেতুলিয়া থেকে শিলিগুড়ি ; তুলসী বিলে এক...

metformin synthesis wikipedia