Category: সাম্প্রতিক

ক্রিকেট বিশ্বায়ন: একটি নাটকের শিরোনাম

তারা ক্রিকেট বিশ্বায়নের কথা বলে বেড়ায় । এতটাই বিশ্বায়ন ঘটেছে যে , বিশ্বকাপে ১৬টি দেশের পরিবর্তে ১৪টি দেশ অংশ নিতে পারে । চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে র্রাংকিংয়ের নবম আর দশম দেশ খেলার সুযোগ পায় না । তাদের বিশ্বায়নের প্রভাবে ২০০৩ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলা কেনিয়া আর সুপার সিক্স খেলা কানাডা ক্রিকেটবিশ্ব থেকে প্রায় হারিয়েই গিয়েছে । পাকিস্তান , ইংল্যান্ড , ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর পরেও আয়ারল্যান্ড টেস্ট স্ট্যাটাস থেকে বঞ্চিতই থেকে যাচ্ছে । জন ডেভিসন , স্টিভ টিকোলো বা কেনেডি ওবায়ার মতো ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারের করুণ সমাপ্তি ঘটেছে তাদের বিশ্বব্যাপি ক্রিকেট ছড়িয়ে দেওয়ার প্রভাবে ! আইসিসির লভ্যাংশের সিংহভাগ যায় ক্রমান্বয়ে ভারত , অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ডের...

will i gain or lose weight on zoloft

বাংলদেশ হেরেছে, ভারত চুরি করে জিতেছে! বাণিজ্যের কাছে ক্রিকেট পরাজিত হয়েছে

আজকে ভারত—বাংলাদেশ ম্যাচ টা ব্যাক্তিগতভাবে অনেকাংশেই আমার কাছে পাতানো সাজানো গোছানো ভারতীয় রিয়েলিটি টিভি শো গুলোর মতো মনে হয়েছে। শুধু এ ম্যাচ না, এ গোটা ওয়ার্ল্ডকাপটাকেই কেনো যেনো আমার কাছে ভারতীয় বস্তাপঁচা টিভি রিয়েলিটি শো এর মতো মনে হইতেছে। যেগুলো তে আগে থেকেই উইনার—রানার্স আপ ফিক্সড করা থাকে। যেমনঃ, ঐ শো গুলোতে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিযোগী যতই ভালো পারফর্ম করুক লাভ নাই; চাবি থাকে শো ডিরেক্টরের হাতে, সেই হর্তাকর্তা, সে নানাভাবে টুইস্ট-সিমপ্যাথি সংযোজন ও কর্তন করে টিআরপি বাড়াইয়া শো পরিচালনা করে; একসময় ট্যাকাটুকা উইঠা গেলে শো খতম করা হবে। এখানে মাঝখান দিয়া লাভ টা কি হইলো বলেন তো দেখি?? লাভ হচ্ছে,...

can you tan after accutane

নকলের ভিড়ে…

আধুনিক পৃথিবীতে আসল থেকে নকল জিনিসের পরিমানই বেশি। খাবার,পোশাক,যন্ত্রপাতি তো ছিলই, যেই জিনিসটা বর্তমান সময়ে বেশি দেখা যায় তা হলো চেহারার নকল। প্রসাধনী, নানা ধরনের দেশি বিদেশি প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করে নিজেকে আলাদা রূপ দেয়াটা যেন প্রতিনিয়তই ঘটে। শুধু দেখাবার জন্যই না, প্রয়োজনের খাতিরেও বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার এর কোন বিকল্প নেই। টুথপেস্ট,শেভিং ক্রিম,শ্যাম্পু,কন্ডিশনার,ফেসওয়াস ইত্যাদিকে বিলাসিতা থেকে প্রয়োজন বলাই বোধহয় যুতসই হবে। কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় এইসব প্রসাধনী ব্যবহারের আগে তার বিষয়ে একটু ভালোভাবে জেনে নিচ্ছেন কি? অনেক গরম, রাস্তা থেকে একটা পানির বোতল কিনে খাচ্ছেন। পানিটা কি বিশুদ্ধ? যেসব প্রসাধনী ব্যবহার করছেন,সেসব কি আসল? রাজধানীর নামিদামি শপিং মল থেকে শুরু করে...

kamagra pastillas

বাংলাদেশের ইংল্যান্ড বিজয় , রুবেল-হ্যাপি সমাচার এবং সমাজে নারীর অবস্থান

কোয়াটার ফাইনালে উঠার জন্য অভিনন্দন বাংলাদেশ, অভিনন্দন রুবেল হোসেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অবিস্মরনীয় জয়ে বল হাতে অসাধারন পারফরম্যান্স করায় রুবেল হোসেন নিশ্চয় আজকাল অনেক মানুষের অভিনন্দনে সিক্ত হচ্ছেন। সেটাই স্বাভাবিক। অযাচিত এক ঘটনায় জড়িয়ে পড়ায় যে মানুষটির বিশ্বকাপে অংশ গ্রহনই পড়ে গিয়েছিল সংশয়ের মুখে সেদিনের অসাধারন পারফরম্যান্সে তার প্রাপ্তির আনন্দ নিশ্চয় অনেক গাঢ় হবার কথা। এই দুঃসময়ে যারা তার পাশে ছিলেন কিছুটা অভিনন্দন তাদেরও প্রাপ্য। যাই হোক সেদিন বাংলাদেশের জয়ের পর ফেসবুকে পরিচিত অনেকের ষ্ট্যাটাস দেখলাম। টিভিতেও অনেক বিশেষজ্ঞের সাক্ষাৎকার ও সাধারন মানুষের বক্তব্য দেখলাম। বাংলাদেশের জয়ে তারা সকলেই আনন্দিত, প্রবল ভাবে উচ্ছ্বসিত। এই আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের তীব্র প্রকাশের মাঝে অস্বাভাবিক...

মানুষ

মানুষ হিসেবে আমি বেশ নির্লিপ্ত। কারও সাতে পাঁচে নেই। চার পাশে কত কী ঘটে গেল তাতে আমার কিচ্ছুটি আসে যায় না। আমার জগত একটা কম্পিউটার টেবিল আর বিকেল বেলা চায়ের আড্ডার মাঝেই সীমাবদ্ধ। বাইরের পৃথিবীটা দেখার ইচ্ছে আমার কোনোকালেই খুব বেশি ছিল না। ইচ্ছে ছিল না বাইরের মানুষদের জানারও। সারাটা জীবন কাটিয়েছি ওভাবেই। তবে, মাঝে মাঝে যে মানুষরূপী গরু ছাগল ভেড়ার সাথে দেখা হয়ে যেত না, তেমনটি নেই। হত। আমি মনোযোগ দিয়ে তাদের কথা শোনার ভান করতাম। এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে আরেক কান দিয়ে বের করে দেয়ার মধ্যবর্তী যে সময়টুকু কথাগুলো আমার মাথার ভেতরে থাকতো, তার মধ্যে আমি জানতে পারতাম...

SONY Alpha 7s রিভিউ

a7s হলো Sony’s full-frame mirrorless lineup এর তৃতীয় মডেল, একটি ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা যেটিতে স্টিল ছবির দক্ষতার পাশাপাশি ভিডিও রেকর্ডিং এর উপরেও অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যদিও a7s মূলত স্টিল শুটার, Sony জোরালোভাবে দাবি করছে এর মেইন ফোকাস হচ্ছে ভিডিওগ্রাফি। a7s সম্পর্কে যেই জিনিসটা আপনার সর্বপ্রথম জানা দরকার সেটা হল, এটি Internally 1080P ভিডিও এবং External Recorder এ 4K ভিডিও হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। Internal 1080P ফুটেজটি XAVC S ফরমেটে রেকর্ড হয়, যেটি Sony র XAVC System এর আরও একটি Consumer -friendly ভার্সন। যাইহোক, যদিও a7s এর বডি এর 24 এবং 36MP সিস্টার মডেলগুলোর মতই, তবুও a7s এবং a7R...

“ধর্মীয় মৌলবাদ একটি মানসিক ব্যাধি” এবং অভিজিৎ রায়ের “বিশ্বাসের ভাইরাস”

“বিশ্বাস নির্ভর সমাজে ধর্মের প্রভাব ব্যাপক। আমাদের পরিচিতি, রীতিনীতি, বিয়েসহ তাবৎ সামাজিক উৎসবে আমরা ধর্মের অস্তিত্ব খোঁজে পাই। কিন্তু আমরা ক’জনে জানি যে, ধর্মের বিস্তার আর টিকে থাকার ব্যাপারগুলো ভাইরাসের মত করে অনেকটা।” – অভিজিৎ রায় (বিশ্বাসের ভাইরাস) রাজীব হায়দার শোভন’কে উৎসর্গিত ২০১৪ সালে প্রকাশিত সদ্য প্রয়াত বিজ্ঞান লিখকও, গবেষক এবং প্রকৌশলী ডঃ অভিজিৎ রায়ের ‘বিশ্বাসের ভাইরাস’ বইয়ের কিছু অংশ এটি। এই বইয়ে আটটি অধ্যায় আছে। অধ্যায় গুলো নিম্নরূপঃ প্রথম অধ্যায়ঃ একজন নাফিস এবং বিশ্বাসের ভাইরাস দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ বিশ্বাসের ভাইরাসঃ থাবা বাবার রক্তবীজ তৃতীয় অধ্যায়ঃ ব্লগার গ্রেফতারঃ ভাইরাসাক্রান্ত বাংলাদেশ চতুর্থ অধ্যায়ঃ ধর্ম কেন ভাইরাসের সমতুল্য পঞ্চম অধ্যায়ঃ ধর্ম কি সত্যিই...

এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না…

কি লিখবো ঠিক বুঝতে পারতেছি না। খুব হতাশ হয়েও ভাবি -”না, হতাশ হবো না। আমার হাতের তো কলম আছে। আর এর চাইতে উৎকৃষ্ট অস্ত্র আর হয় না!” কিন্তু পরক্ষনেই আবার মনেহয়, যদি কাল হাতটাই না থাকে! যদি কাল দেহতেই মাথা না থাকে! হ্যাঁ, এমন একটা দেশে আমরা বসবাস করছি, এমন একটা সময় আমরা পার করছি যেখানে এই চিন্তাগুলো অমূলক নয়! কি দোষ ছিল অভিজিৎ রায়ের? যুক্তি দিয়ে ধর্মীয় গোঁড়ামিটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া? নাকি সে একজন নাস্তিক সেটাই সবচাইতে বড় অপরাধ? যদি তা-ই হয় তাহলে অভিজিতদের হত্যার করার আগে আমাদের সংবিধানকে সংশোধন করতে হবে; যেখানে লেখা আছে “বাংলাদেশ একটি... viagra en uk

ধর্মান্ধ-তা নয়, মানসচক্ষুই অন্ধ

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে হত্যার ষড়যন্ত্রকারী আবু জেহেল রক্ষা পেয়েছিল। কিন্তু হুমায়ুন আজাদ রক্ষা পান নাই, থাবা বাবা ওরফে রাজীব রক্ষা পান নাই, আজকে অভিজিৎ-কেও রক্ষা করতে পারে নাই। আবু জেহেল কি নাস্তিক ছিলেন?? কই তাকে তো কেও দিনে দুপুরে কুপিয়ে মারে নাই। নবীজী বার বার তাকে ধর্মের পথে আহবান জানিয়েছিলেন, কখনো কুপিয়ে হত্যা করার কথা ভাবেন নাই। “(আল্লাহ্‌র) দীনের ব্যাপারে কোন জোর জবরদস্তি নেই,……” -সূরা আল বাকারা-২৫৬ ” আর লড়াই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না।… -সূরা আল বাকারা-১৯০ “……কোন মানুষকে হত্যা...

acne doxycycline dosage

একুশের শ্রদ্ধা…

অনেক শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন আজ… ফুল দিতে গিয়ে ঠেলাঠেলি, গুতাগুতি, পাড়া-পুড়া দিয়ে চারপাশের মানুষকে অতিষ্ঠ করে শেষ পর্যন্ত একাধারে সফল ও ক্লান্ত… আমি যেতে পারি নি। কিন্তু টিভিতে দেখেছি আপনার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, ভাল লেগেছে… অনেক ভাল লেগেছে। কিন্তু দিনশেষে নিজের মনে উচ্চারিত হওয়া একটা প্রশ্ন আপনাকেও করতে ইচ্ছে করছে- ভাষা শহীদরা কে কোথায় কিভাবে মারা গিয়েছিলেন এবং তাদের কোথায় দাফন-কাফন করা হয়েছে, তাদের পরিবার কেমন আছে- জানেন? লজ্জিত ভাবে স্বীকার করছি- আমি জানি না। আমি আরও স্বীকার করছি, যে এসব ব্যাপারে কোনদিন ন্যূনতম জানার চেষ্টাটাও করি নি। পেশাগত ব্যাপারে একজনের সাথে কথা বলতে বলতেই ব্যাপারটা উঠে...

আওয়াজ

খেয়াল করে দেখুন ব্যাপারটা। আমরা কিন্তু আসলে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি। বাসায় আছেন, খাবার খেতে খেতে টিভি নিউজ দেখছেন- অমুক জায়গায় বোমা হামলায় এতজন নিহত, অতজন আহত। মুখে খাবার রেখে তো আর কিছু বলা যায় না, সো মনে মনে কিঞ্চিৎ দুঃখপ্রকাশ করে আবার অন্য খবরে মন দিলেন। কাজে বের হলেন। কোথাও যাচ্ছেন… হঠাৎ সামনে বা পেছনে ধ্রুম ধ্রাম ককটেল ফাটার আওয়াজ। ভ্রূক্ষেপ করার সময় নেই আপনার। উল্টো আশে পাশে সবার নির্বিকার চিত্ত দেখে হাল্কা একটা হাসি ঠোটে ঝুলিয়ে আবার ব্যস্ত পায়ে চলতে শুরু করলেন। এটাই হয়। এবং হবে। দেশের অবস্থা যাই হোক না কেন, আপনি আমি অভ্যস্ত হয়ে পড়ব খুব তাড়াতাড়ি।...

চলমান সহিংসতা বন্ধে আলোচোনার ভুমিকা সত্যিই আছে কি ?

বর্তমান চলমান রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে যে কর্মসূচি চলছে তাঁকে রাজনৈতিক আন্দোলোন না বলে রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলাই স্রেয়, এর কারন একদম পরিস্কারঃ উদ্দেশ্য রাজনৈতিক হলেও যে কর্মসুচি চলছে তা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড (উদ্দেশ্যে করে সাধারন মানুষকে আক্রমন এবং হত্যা করা) সাধারন ভাবে সন্ত্রাস মোকাবেলায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দরকার হলেও গত এক মাস ধরে চলা সহিংসতায় গতকাল পর্যন্ত ৫৮ জন নিহত হওয়া প্রমান করে শুধুমাত্র আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে এই সন্ত্রাস বন্ধ করা সম্ভব নয়।   এই আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস বন্ধ করতে হলে এর রাজনৈতিক কারন খুজে দেখতে হবে এবং এই রাজনৈতিক কারনটি সমাধানের মাধ্যমেই এই আন্দোলন বন্ধ হবে। তবে কারন...

missed several doses of synthroid

মুক্তির নারীঃ নূরজাহান…

নূরজাহান বেগম, বাবার আদরের মেয়ে নূরজাহান।আদর করে বাবা যাকে নূরী বলে ডাকতেন।একাত্তরে নূরীর বয়স ছিল মাত্র পনেরো।কিন্তু মেয়ের বয়স যতোই কম বুকের ভেতরের আগুন ততোই বেশি।সেই আগুন ছিল পাকিদের জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেশ থেকে বিদায় করার আগুন, সেই আগুন ছিল লাল সবুজ পতাকার মাঝখানের হলুদ মানচিত্রের আগুন।চারিদিকে বাঙালিদের ওপর অসহনীয় অত্যাচার চালাচ্ছে পাকিরা।অত্যাচারের মাত্রা যতোই বাড়ে নূরীর ভেতরের আগুন ততোই বাড়ে।অবশেষে নূরী ঠিক করলো যেভাবেই হোক যুদ্ধে যাবে সে। আগুনরঙা মানচিত্রের জন্ম দেবেই সে… যেই কথা সেই কাজ। আরও দুই জন মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে, “আমি যেখানেই যাই ভালো থাকবো,আমার জন্য দোয়া করবেন”- এই দুই বাক্যের চিরকুট লিখে রওনা দেয় যুদ্ধে, মানচিত্র...

সত্য কথা সহজভাবে!

২০০৯ এর নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়লাভ এবং যুদ্ধাপরাধ বিচারের অঙ্গিকার করার পর এই সরকারের সাথে দল সমর্থকের বাইরেও বিপুল সংখ্যক প্রগতিশীল, দেশপ্রেমী শিক্ষিত তরুণ-যুবক ইনভল্ভ হয়ে যায়। স্বাধীনতার শত্রুমুক্ত একটি সুন্দর, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ দেখার আশায় এরা আন্তরিকতার সাথে সরকারের পাশে দাড়ায়। পরবর্তীতে উৎসাহিত হয়ে এদের সাথে সর্বক্ষেত্রে যোগ দেয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল লক্ষ সাধারণ মানুষ। শাহবাগ মুভমেন্ট ছিল তারই একটি আনুষ্ঠানিক বহিঃপ্রকাশ। এরপর আমরা দেখেছি, এই মানুষেরা দেশ বিরোধীদের মিথ্যে অপপ্রচার রোধ, নানামুখী ষড়যন্ত্রের তথ্য প্রকাশ, রাষ্ট্রের বিভিন্ন জনকল্যানমুখী কাজে অংশগ্রহণ এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় আপনা থেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা দেখেছি, রানা প্লাজা ধ্বসের পর এরা উদ্ধার কাজে সরাসরি...

বিএনপি’র আন্দোলন কৌশলঃ সহিংসতা এবং এর প্রভাব

  বিএনপি’র চলমান আন্দোলন প্রক্রিয়া এবং তার ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি চিন্তা দু এক দিন ধরে ঘুরপাক খাচ্ছে আমার মধ্যে এটা নিয়ে কিঞ্চিত আলোচোনা করতেই এই লেখা শুরু করছি। বিএনপি খুব বেশী পুরোনো ঐতিহ্যবাহী দল না হলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি বেশ পুরোনো এবং এর বেশির ভাগ সিনিয়র নেতানেত্রীদের রাজনীতির অভিজ্ঞতা অনেকদিনের, এরা প্রথমবার সেনা শাসনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আরোহণ করলেও একটি বিশেষ নির্বাচন বাদ দিলেও দুইবার জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করেছিল। তাই বর্তমানে সরকারে বা বিরোধী দলে না থাকলেও এই দলকে ছোট করে দেখার কোন কারন নেইএবং বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন কোন দলও নয়। কিন্তু বর্তমান চলমান আন্দোলনের নামে দেশজুড়ে যে...

সমঝোতা হবে কি ??

গত কয়েকদিনে আমাদের দেশের রাজনৈতিক পটভুমিতে একটি নাটককে কেন্দ্র করে যে বক্তব্য বিবৃতি মিডিয়াতে আসছে, তা শুধু হতাশাজনকই নয়, ভয়ঙ্করও বটে। তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী’র কার্যালয়ের কর্মকর্তা এবং তাঁদের দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের যখন প্রধানমন্ত্রী পদের মর্যাদা এবং প্রটোকল সম্পর্কে কোন ধারনা না থাকে তখন তারা কিসের জন্য রাজনীতি করছেন তা আমার বোধগম্য হয়না। বেগম খালেদা জিয়া দেশের একটি শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি’র চেয়ারপার্সন এবং শেখ হাসিনা অন্য আরেক শীর্ষ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভানেত্রি, এই হিসেবে দুজন একই কাতারের মানুষ হলেও এদের মধ্যে একজন যখন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহন করেন, তখন দুজনকে এক কাতারে দেখা অন্যায়। প্রধানমন্ত্রী কোন দলের প্রধানমন্ত্রী নয়, ...

গন্তব্য বার্ন ইউনিট

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জামালুর ইসলাম পেশা অটো চালক,মুখে পোড়া দাগ।খোজ নিয়ে জানা গেল ট্রাক ড্রাইভার ছিলেন,মালিকের অনুরোধে কাঁচামাল নিয়ে বের হয়েছিলেন গন্তব্য ছিল কারওয়ান বাজার,কিন্তু গণতন্ত্রের আম্মু বাহিনীর ছোড়া পেট্রোল বোমা তার গন্তব্য পরিবর্তন করে নিয়ে যায় বার্ন ইউনিটে আড্ডা,ফেসবুকিং,ঘোরাঘুরি আর পড়াশোনা ইত্যাদি করে ভালোই সময় কাটছিল দুই বান্ধবি সাথী আর যুথি,সামনে পরিক্ষা ফর্ম ফিলাপ করতে কলেজে গিয়েছিল।ফেরার পথে বাসে বসে অন্য বান্ধবিদের সাথে আড্ডা মেরে ভালোই সময় কাটাচ্ছিল।পরিক্ষা শেষে কে কে কি প্ল্যান করবে সেই চিন্তাও করতে থাওক্ল।চোখের সামনে ভেসে উঠতে থাকল ঘুরতে যাওয়া আর হই হুল্লার করার দৃশ্য,হঠাত আর্ত চিতকারে নেমে আসে বাস্তব জগতে।সবাই হুরোহুরি করে বাস থেকে নামছে।বান্ধবিদের কেউ... accutane prices

doctus viagra

সাধারন নিয়ে অসাধারন রাজনীতি

  খেপছেন, তিন বারের প্রধানমন্ত্রী, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ওরফে পিঙ্কি ম্যাডাম প্রচন্ড খেপছেন। এতো খ্যাপা তিনি এর আগে কুন সময় খেপে নাই। তাঁর অবস্থা এই রকমের ব্যারাছেরা যে গত ৪৪ বছরেও এই এরকম দুরবস্থা তাঁর দেখতে হয়নাই। এই কথা শুইনা আমাগো ছক্কু মিয়া ভুরু কুচকাইয়া জিগায় “ম্যাডাম এতো খেপলো ক্যান ?” আরে খেপবো না, উনার কথা এখন আর কেউ শুনে না, আর শুনবোই বা কে, শুনার মতো আশেপাশে কেউ থাকলে তো শুনবো। নিজের পেটের পোলাই তাঁর কথা শুনলো না আর এখন তো আশে পাশে কেউ নাই। ছক্কু মিয়া কপালডা আরো কুচকাইয়া জিগায় “হের পোলায় আবার হের কোন কথা...

গণতন্ত্র

___________________(১)____________________ ফজরের নামায পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়েছে সজল ও শাওন। গত দু দিন গাড়ি নিয়ে বের হওয়া হয় না। বেশ কিছু দিন হয়েছে সরকার বিরোধীরা অবরোধ ডেকেছে। প্রতিদিনই তাণ্ডব চক্রবৃদ্ধি হারে বেরেই চলেছে। গত ১০ দিনের অবরোধে মরেছে ১৫জন, আহত হয়ে হাসপাতালে আছে ৫০ জন। আর গাড়ি পুড়েছে ৬৫ টা। মানুষকে মেরে মানুষের জন্যেই নাকি হচ্ছে আন্দোলন। সজল ও শাওনেরা গণতন্ত্র বোঝে না। তারা চায় তিন বেলা খেতে, ছেলে-মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে। চায় শান্তিতে থাকতে। জীবনের চেয়ে গণতন্ত্র না যেন কি সেটা বড় এখন, তাইতো মানুষ মরছে প্রতিদিনই। মানুষের মৃত্যুতে অবশ্য আন্দোলন কারীদের ভ্রুক্ষেপ নেই, তাদের কথা গণতন্ত্র চাই! শাওন-সজল...

এই শহরে মেঘেরা একা – Book Promotion

মানুষের মনকে কখনোই কৌটো বন্দি করতে নেই। মন হবে উন্মুক্ত আকাশের মত যেখানেথাকবে শুধু স্বাধীনতা আর উদারতা। যেখানে সাদাকালো ভেদাভেদ থাকবে না। মানুষের জীবনে অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে। কিন্তু মানুষের প্রতিটি মুহূর্ত শ্রেষ্ঠ সময়ের অংশ। মানুষের উচিৎ প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করার চেষ্টা করা। তা না হলে মানুষ এবং একটি রোবোটের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকবে না। রোবোট চলে মানুষের বানানো লজিক দিয়ে কিন্তু একজন মানুষ চলবে তার আবেগ দিয়ে। এখানে লাভ ক্ষতির প্রশ্নটা গৌণ। -“নগরের বিস্মৃত আঁধারে” – একুয়া রেজিয়া একুয়া রেজিয়া। না, যা ভাবছেন তা না। এক অণু নাইট্রিক এসিড, দুই অণু হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণে গঠিত রাজঅম্ল নয় যা যেকোনো ধাতুকে...