Category: প্রবন্ধ

নষ্ট গদ্য নষ্ট পদ্য

এক সময় রাজনীতি নিয়ে লেখার কারণে আমার দুর্নাম ছিল।বন্ধুমহলের সবাই আমার প্রতি ছিল ত্যাক্ত-বিরক্ত।রাজনীতির পচে যাওয়া কথা নিয়ে আমার স্ট্যাটাসের পর স্ট্যাটাস আর শেয়ার করা টপিক দিয়ে ভরে যেত তাদের নিউজফিড।বলত,”তুই কি রাজনীতি ছাড়া আর কিছু লিখতে পারিস না?” রাজনীতি আমি বুঝিনা,আমি কেন আমার মনে হয় কেউই বোঝেনা।ঘোলা পানির নিচে কি আছে সেটা বোঝা যায়না,তবে এটা নিশ্চিত ভাবে বলা যায় পানিটা পরিষ্কার নয়,নোংরা।রাজনীতি নিয়ে লিখতাম,কারণ ইচ্ছা ছিল রাজনীতি করব।ছোটবেলায় দাদাবাড়ি গেলে দেখতাম দাদার সেখানে বিশাল প্রভাব,রাজনীতি করেন বলে।বাবাকে সবাই সম্মান করত,সমীহ করত- রাজনীতি করতেন বলে।বাবা কে বলতাম “তুমি রাজনীতি ছেড়ে দিলে কেন?” আমার চোখে তখন রঙিন মোহ।বাবা বলতেন,”এত নোংরামি আমার...

চলচ্চিত্র নির্মাণ বিষয়ক প্রবন্ধ- স্বল্প আলোয় শুটিং এর কিছু সহজ কৌশল

  সিনেমাটোগ্রাফির একটি প্রধান নিয়ামক হল প্রোপার লাইটিং। আসলে গোটা প্রসেসটাই প্রোপার লাইটিং এর ওপর গভীরভাবে নির্ভরশীল। এখানে প্রোপার লাইটিং কেন বলছি জানেন? ইচ্ছেমত গলা পরিপূর্ণ করে খাওয়া আর রুটিনমাফিক পরিমিত খাবার গ্রহন করার মধ্যে বিস্তর পার্থক্য আছে। অতিরিক্ত আলো বা প্রয়োজনের তুলনায় কম আলো, এই দুটি বিষয়ে দর্শক মারাত্মক বিরক্তি বোধ করেন। সেজন্যই একজন সিনেমাটগ্রাফারের প্রধান কাজ হল পর্দার সামনে বসে থাকা মানুষগুলোকে এজাতীয় বিরক্তি থেকে মুক্তি দেয়া। ফ্রেমে আলো বেশি থাকলে সম্পাদনার সময় হয়ত ঝামেলা মেটানো যায়, তবে কম আলোর ব্যাপারে সম্পাদক যতই কারিকুরি করুন না কেন, নয়েজ (ঝিরঝির ভাব) এড়াতে পারবেন না। অনেক সময় আমরা স্বল্প আলোর...

দৈনন্দিন কর্মকান্ডে বিজ্ঞান (পর্ব ১)

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা আমাদের সবারই জানা আছে। বইতে প্রতিনিয়তই পরি, আর অবনত মস্তকে স্বীকার করে নিই, বিজ্ঞান আমাদের এসব দিয়েছে, বিজ্ঞান ঐসব দিয়েছে! বস্তুত, বিজ্ঞান একটি উন্মুক্ত জ্ঞান। আমরা যে কেউই চিন্তা করতে বের করতে পারি বিভিন্ন কম্বিনেশান। বেসিক জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আমরা কিছু বানাতে না পারি, অন্তত কিছু থিয়োরি সহজেই দিতে পারি! অনুরূপ কথা গণিতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য! জাস্ট কিছু ক্রিয়েটিভিটি কাজে লাগাতে পারি যেকোনো সময়। আজ তেমনই কিছু আলোচনা থাকছে। স্বয়ংক্রিয় চার্জারঃ যদি বলি, আমি এমন একটা যন্ত্র বানাবো যেটা বিদ্যুৎ ছাড়াই আজীবন নিজে নিজে চার্জ হবে। ভাবছেনয সৌর শক্তি? না! তাহলে ভাবছেন, জেনারেটর? না! আমার তেল কিনার টাকা...

“অভিনয়” আর “পর্ণোগ্রাফি”র পার্থক্য করতে জানি না !!!

অনেক প্রশ্নই মনের দরজায় প্রায়শ কড়া নেড়ে যায়। উত্তর জানা নেই কিংবা জানার তাগিদ নেই বলে সেই প্রশ্নগুলো নিয়ে সাধারণের সামনে আসতে পারি না ! নিজের মাঝেই কোথায় যেন দ্বিধা কিংবা অস্বস্তি অনুভব করি অথবা কখনো কখনো হয়তো প্রয়োজনই মনে করি না !! কিন্তু, তাই বলে উত্তর না পেয়েও কি আমি স্বস্তি পাই ??? না পাই না, কখনোই স্বস্তি পাই না । প্রশ্নগুলোকে কেন জানি না অবহেলা করতে পারি না আবার সচেতনতার আলোতেও আনতে পারি না ! তেমনি দু’একটা প্রশ্ন অভিনয়বৃত্তি, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সাথে সংশ্লিষ্ট… ** আমরা কতজন নাটক, সিনেমায় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অভিনয় দক্ষতা বা কোন অভিনীত বিষয়ের সার্বিক বিষয়-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের প্রতি... missed several doses of synthroid

ত্রিশোত্তর বাঙলা কবিতায় কলাকৈবল্যবাদ, অস্তিত্ববাদ ও তিন দ্রোহি কবি [পর্ব -৩]

তৃতীয় দ্রোহি : সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (ইতোমধ্যে ১ম ও ২য় পর্ব পোস্ট দেয়া হয়েছে) আমার কথা কি শুনতে পাও না তুমি ? কেন মুখ গুঁজে আছো তবে মিছে ছলে ? কোথায় লুকাবে ? ধূ-ধূ করে মরুভূমি ; ক্ষ’য়ে-ক্ষ’য়ে ছায়া ম’রে গেছে পদতলে । আজ দিগন্তে মরীচিকাও যে নেই ; নির্বাক, নীল, নির্মম মহাকাশ । নিষাদের মন মায়ামৃগে ম’জে নেই ; তুমি বিনা তার সমূহ সর্বনাশ । কোথায় পলাবে ? ছুটবে বা আর কত ? উদাসীন বালি ঢাকবে না পদরেখা । প্রাকপুরাণিক বাল্যবন্ধু যত বিগত সবাই, তুমি অসহায় একা ।। ফাটা ডিমে আর তা দিয়ে কী ফল পাবে ? মনস্তাপেও লাগবে না...

zoloft birth defects 2013

রামমোহন রায়: ধর্মকে ছিঁড়ে যুক্তিতে বাঁধলেন যিনি

“আমরা মৃতের বধূ হবার জন্য জীবিত নারীকে নীত হতে দেখেছি।” — অথর্ব-বেদ (১৮/৩/১,৩) “মানুষের শরীরে সাড়ে তিন কোটি লোম থাকে, যে নারী মৃত্যুতেও তার স্বামীকে অনুগমন করে, সে স্বামীর সঙ্গে ৩৩ বৎসরই স্বর্গবাস করে।” — পরাশর সংহিতা (৪:২৮) “যে সতী নারী স্বামীর মৃত্যুর পর অগ্নিতে প্রবেশ করে সে স্বর্গে পূজা পায়।” — দক্ষ সংহিতা (৪:১৮-১৯) “যে নারী স্বামীর চিতায় আত্মোৎসর্গ করে সেতার পিতৃকুল, স্বামীকুল উভয়কেই পবিত্র করে।” — দক্ষ সংহিতা (৫:১৬০) [1] [11] আমাদের, উপমহাদেশ-বাসীদের শিরায়-উপশিরায় প্রতিনিয়তই প্রবাহিত হয় ধার্মিকতার স্রোত। কখনও হাত কেটে গেলে যদি লাল লাল রক্তের পরিবর্তে নীল নীল ধার্মিকতা বেরিয়ে আসে, তাহলে অবাক হবার খুব বড়...

৪০-বছরের ভারত-বাংলাদেশ বৈরিতা : সমাধান কোন পথে?

গত বছর কোলকাতার রাস্তায় টেক্সিতে ভ্রমনকালে বাংলাভাষী টেক্সিওয়ালার খেদোক্তি ছিল, ‘‘একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের প্রায় ২০,০০০ সেনার রক্তে বাংলাদেশ রঞ্জিত হলেও এবং তখনকার অভাবী কোলকাতার মানুষের বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রতি অকৃত্রিম সমর্থন, আর ১-কোটি শরণার্থীকে নানাভাবে সহযোগিতার পরও, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ কেন এতো ভারত-বিদ্বেষী? কেন বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে নানা কর্মকান্ডে অংশগ্রহণকারী সন্ত্রাসীদের সহায়তা করে? বাংলাদেশ কি পাকিস্তান’’? এরূপ অভিযোগ আরো শুনেছি হিন্দীভাষী চেন্নাইগামী ট্রেনযাত্রীর মুখে ‘করোমন্ডল এক্সপ্রেসে’। যদিও কোলকাতার অধিকাংশ মানুষ ‘বাংলাদেশ’ শব্দটির ব্যাপারে খুবই ‘নস্টালজিক’ এবং পশ্চিম বঙ্গের মতই তারা মনেপ্রাণে রাজনৈতিক বাংলাদেশকে ভালবাসে, বিশেষ করে এক সময় যাদের পূর্বপুরুষরা বাস করতো পূর্ববঙ্গ তথা বর্তমান বাংলাদেশে। সুসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মত...

ovulate twice on clomid

শহীদ জুয়েল ও শহীদ মুশতাক– অসামান্য কিছু বীরত্বের উপাখ্যান এবং একটা প্ল্যাকার্ডের গল্প…..

  ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম খান (জুয়েল) দৃশ্যপট — ১ লোকটা খুব অদ্ভুতধরনের। ক্রিকেট ছাড়া কিছুই বোঝে না। ক্রিকেট তার ধ্যানজ্ঞান এবং পাগলামি। আর আজাদ বয়েজ ক্লাব তার সেই পাগলামির ফসল। আজাদ বয়েজ ক্লাবটাকে নিজের হাতে গড়ে তুলেছেন মুশতাক। যদিও পশ্চিম পাকিস্তানিরা বাঙ্গালীদের মানুষ বলেই মনে করে না, ক্রিকেট খেলোয়াড় তো বহু দুরের কথা। তারপরও মুশতাকের মতো কিছু ক্রীড়া সংগঠকের জন্য আজ অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড়েরা খেলতে পারছে,নিজেদের মেলে ধরতে পারছে। যেমন, আবদুল হালিম চৌধুরীর কথাই ধরা যাক না। ডাকনাম তার জুয়েল। জগন্নাথ কলেজের ছাত্র জুয়েল ছোটবেলার থেকেই ক্রিকেটের প্রচণ্ড ভক্ত। মুশতাকের মতই ক্রিকেটটাকে ভালবেসেছেন খুব ছোটবেলার থেকে।...

zithromax azithromycin 250 mg
doctorate of pharmacy online

দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প!

১৮৫৪! ক্রিমিয়ার যুদ্ধের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে হুতাশনের মত। যত্রতত্র আহত সৈনিকেরা ছড়িয়ে আছে। দেখার মত নেই কেউ। ইউরোপে প্রভুত্ব কায়েমের নিমিত্তে রাশিয়ার সাথে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স আর ইতালির এই যুদ্ধে যতটা না বিভীষিকা ছড়াচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্রে, তার চেয়ে কিছু কম আসছে না হাসপাতালে। আহত সৈনিকদের আহাজারিতে তার বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। হাসপাতালের ধারণ ক্ষমতা পার হয়ে গেছে বহু আগেই। তবু, নতুন আহত সৈনিক আশা বন্ধ হচ্ছে না। স্ক্যাটারি (বর্তমান ইস্তানবুলের অন্তর্গত) এর হাসপাতালের অবস্থা তখন এক শব্দে — বিভীষিকাময়! ব্রিটেনের যুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা সিডনি হারবার্ট এর কাছে তখন মনে হল, পুরো ইংল্যান্ডে কেবল এক জনই এই সময়ে সব কিছুর হাল ধরার সক্ষমতা রাখেন — ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল...

সাবধানের মার নাই

অনেকে না সবাই হয়তো  ‘কঠিন প্রশিক্ষণ সহজ যুদ্ধ’  টাইপ  কোন উক্তি যেকোন সেনানিবাসের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় দেখেছেন। আসলেই তাই প্রশিক্ষণ যত মজবুত হবে যুদ্ধ ততই সহজ মনে হবে। বাস্তব জীবনের সকল প্রকার যুদ্ধের ক্ষেত্রেই এই উক্তিটি যথার্থরূপে খাটবে তাই বাস্তব সম্মত। সম্প্রতি আমরা সকলই আহসানউল্লাহ ভার্সিটির ৬ জন ছাত্র সেন্টঃ মারটিনের উত্তাল সমুদ্রে প্রান হারানোর কথা জেনেছি। অনেক অনেক ধরণের কাদা ছুঁড়াছুঁড়ি ইতিমধ্যেই করে ফেলেছেন। মৃত্যু সাধারণত আমাকে অতটা বিচলিত করে না, কখনই করে নি। মানব সভ্যতার ইতিহাস সর্বত্রই রক্তিম লাল।  তবে খুব নিকটাত্মীয় বা আপন কেউ মারা গেলে একটু খারাপ আর সবার মতো আমারও লাগে এইটা স্বাভাবিকই বটে। কিন্তু যদি রানা প্লাজার মত হত্যাযজ্ঞ হয়...

শিরোনামহীন কিছু অগোছালো ব্যাখ্যা!!- প্রথম অনুচ্ছেদ

দেশান্তরী হওয়ার পর দেখতে দেখতে প্রায় ৩ টা বছর পার করে দিলাম। খুব উত্তেজনা নিয়ে ইতালি পাড়ি জমিয়েছিলাম। ভাল ভাল ইউনিভার্সিটির  বড় ডিগ্রি নিব,  বড় কোম্পানিতে চাকরী করবো, হাজার হাজার ইউরো ডলার উপার্জন করব, মনের মানুষটিকে একদিন বিয়ে করে ঘর সংসারী হয়ে যাব। এক কথায় সিম্পেল লাইফ প্লান। কিন্তু আসলে সবার পেটে সব কিছু সহ্য হয় না, তেমনি সবার জন্য বিদেশের জীবন যাপন নয়। কেননা আজ দুই বছরে আমার আসে পাসের এতো বন্ধু বান্ধব, মামা, চাচা, ভাই বোন এর ভিতর একজন বাদে অন্য কাউকে পাইনি যে বা যারা আমাকে একটি বারের জন্য হলেও বলেছে যে পড়াশুনা শেষ করে দেশে কিছু... nolvadex and clomid prices

achat viagra cialis france