Category: ছড়া

আকাশের গল্প

আকাশের ওই মেঘের ফাঁদে আটকা পড়ে চাঁদ কাঁদে। ওরে মেঘ তুই যারে উড়ে। চাঁদের মনটা খুশি করে। ওই যে মেঘ সরে গেল- চাঁদের বুড়ি কথা বল। বুড়ির মনে বেজায় কষ্ট চরকাটা  তার হল নষ্ট। তারারা জ্বলে মিটমিটিয়ে, আকাশ যেন মেঘকে নিয়ে খেলছে লুকোচুরি। চাঁদ তারাদের গল্প চলে, বাতাসের গানে মেঘ দোলে। জোনাকির উড়াউড়ি। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ০১/০৫/২০১৫

দুঃখদের ছুটি

দুঃখদের আজ দিলাম ছুটি; আনন্দের দিন আসে। মন খারাপেরা ভূমিতে লুটি খিলখিলিয়ে হাসে।   অশ্রু ফেলার সময় আর কই? চোখ ফেল মুছে- খুশির সূর্য পুব আকাশে ঐ অমানিশা যায় ঘুচে।   আনন্দ খুঁজে বেড়াই চারপাশে, তারা বড় ক্ষুদ্র। দুঃখরা পালিয়ে যায় দূর দেশে দেখে খুশির রুদ্র।   হাসি আনন্দের চলে খুনসুটি- আকাশে বাতাসে। দুঃখদের আজ দিলাম ছুটি; আনন্দের দিন আসে।   -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২৪/০৩/২০১৫

মজার ছড়া

খোকন মাকে প্রশ্ন করে- বলতে পারো মাম্, তোমার কাছে আমার আছে কত্তো টাকা দাম!   হেসে কেঁদে বলেন মা তার- জানিস নে তা বোকা, তুই তো আমার গচ্ছিত ধন, সোনামাণিক খোকা।   খোকন বলে- যেইখানে সেই গচ্ছিত ধন রাখা- কুলপি খাবো, সেখান থেকেই দাও না দু’টো টাকা।

ছড়াঃ দাদু-দিদুন

টাক ডুমা ডুম - টাক দাদুর মাথায় - টাক, টাকের উপর চক দিয়ে রোজ- দিদুন কষেন - আঁক। টাক ডুমা ডুম - টাক।।   তাক ধিনা ধিন - তাক দিদুন ডাকেন - নাক নাকের উপর বাজান দাদু- তাক ধিনা ধিন – তাক। তাক ধিনা ধিন - তাক।।

টাটকা ছড়া

ভীষণ রেগে বললে দাদা- আস্ত গাধা তুই, এক অংক এত করেও বুঝলি নে কিচ্ছুই।   ব্যাঁ ব্যাঁ করে  খানিক পরে বলল হেসে রাধা- গাধারা কি অংক বোঝে? আমার সোনা দাদা!           গাধা

মজার ছড়া

খোকন মাকে প্রশ্ন করে- বলতে পারো মাম্, তোমার কাছে আমার আছে কত্তো টাকা দাম?   হেসে কেঁদে বলেন মা তার- জানিস নে তা বোকা! তুই যে আমার গচ্ছিত ধন সোনামাণিক খোকা।   খোকন বলে- যেইখানে সেই গচ্ছিত ধন রাখা, কুলপি খাবো, সেখান থেকেই দাও না দু’টো টাকা!

viagra vs viagra plus

চতুর -হাঁদা

সাপ দেখেছো হিস্  হিসানো, পা দেখেছো সাপের? ভূত দেখোনি, দেখতে পারো, শ্রাদ্ধ ভূতের বাপের!   দেখতে পেলেও ঘুঘু, বোধহয় ফাঁদ দেখোনি ঘুঘুর, ভয় পেয়ো না, যেমন কুকুর তেমনি আছে মুগুর।

আগুন

জ্বলছে আগুন মনে বনে টলছে প্রাণীকুল, কীসের পাপে সৌরতাপে ফোটায় বিষের হুল।   ভোরেই জেগে গিন্নি রেগে আগুন হয়ে ওঠেন, সেই আগুনেই কিচেনরুমে চায়ের জলটা ফোটে।   হাট বাজারের সাথে সাথেই আগুন জ্বলে পেটে, নেতার কথায় আগুন জ্বলে মিছিল মিটিং গেটে।   তুষের আগুন বুকের মাঝে সুখের ঘরে খাঁ খাঁ, পোড়ার জন্যে পিপিলীকার গজায় তবু পাখা।  

ছড়াঃ বাঘের ফোন

বাঘ মামাজি বললো ফোনে- ভাগনে হরিণ শোনো, তোমার সাথে এখন থেকে নেই কো বিবাদ কোনো।   এক ঘাটে জল খাবো এসো ভাগনে এবং মামায়, নদীর চরে ঘুরবো এসো ভয় পেয়ো না আমায়।   হরিণ বলে- মামা তোমার বুদ্ধিটা কী খাসা, সন্ধি করার ফন্দি এঁটেই চাও মিটাতে আশা?   কিন্তু আমি নেই তো বনে, সেই তো কবে থেকে নাচ করছি বলিউড়েই স্নো পাউডার মেখে।   এক ঘাটে জল খাই কেমনে যাই কেমনে চরে, রাগ করে বাঘ ফোনটা রাখে মনটা খারাপ করে।    

নববর্ষের ছড়া / শঙ্কর দেবনাথ

সকল জীবন ধকলবিহীন নকলবিহীন সুখে, শান্তিতে থাক, ক্লান্তিবিহীন বুকে।   ফুল ফুটুক আর ডাকুক পাখি মাখুক আঁখি আলো, ঘৃণার ঘরে বীণার স্বরে মুছুক মনের কালো।   কেউ না যেন দুঃখে থাকে রুক্ষে থাকে একা, ইচ্ছে ছড়াই ছড়ায় ছড়ায়, গন্ধে জড়াই লেখা।

para que sirve el amoxil pediatrico

বাজিকথা/ শঙ্কর দেবনাথ

বোমাবাজি গোলাবাজি গলাবাজি তোলাবাজি বাজি আছে কত রে, চালবাজি চাঁদাবাজি ফাঁকিবাজি ধাঁধাবাজি বাজি নানা মত রে।   কাঠিবাজি ঠগবাজি ঢপবাজি রকবাজি আরও বাজি পটকা, রাজি হয়ে ডিগবাজি খাও যদি ধরে বাজি তাহলেই খটকা, তেতে যদি ওঠে তাতে কারো মাথা মটকা!

রুঢ়কথা

ব্যাঙ্গমা নেই ব্যাঙ্গমী নেই শুক- সারিরাও নেই, শুধুই আছে ব্যাঙ্গ মা গো অসুখ সারি এই। রূপকথা নেই রূপহারা সব রুঢ়কথায় ভরা, ফুলপরী নেই ফুল টাইমই পরীক্ষা আর পড়া। পক্ষ আছে লক্ষ্যে যাবার কোথায় পক্ষীরাজ! গান-এর ভয়ে গান হারিয়ে কাঁপছে পক্ষীরা আজ। buy kamagra oral jelly paypal uk

সেই গাছ এই আজ

প্রাণ দেয় ঘ্রাণ দেয় দেয় ছায়াবুক, জল দেয় বল দেয় দেয় মায়ামুখ। শিস দেয় বিষ নেয় বিষহরা হয়, জ্বরা নেয় খরা নেয় দেয় বরাভয়। ধরে রাখে ভরে রাখে মাটি আর মা-টি, বাসা দেয় আশা দেয় বন্ধু সে খাঁটি। সেই গাছ এই আজ মানুষেরা কাটে, মুখ বুজে সুখ খুঁজে মরুপথে হাঁটে।

clomid over the counter

ছড়াঃ দাদু-দিদুন

টাক ডুমা ডুম টাক দাদুর মাথায় টাক, টাকের উপর চক দিয়ে রোজ দিদুন কষেন আঁক। টাক ডুমা ডুম টাক।। টাক ডুমা ডুম টাক দিদুন ডাকেন নাক, নাকের উপর বাজান দাদু তাক ধিনা ধিন তাক। তাক ধিনা ধিন তাক।।

ছড়াঃ বর্ণচোরা

মহান পুরুষ তিনি সমাজের বরণীয়, বড় বড় ভাষণেতে জানান কী করণীয়। অশ্রু ঝরিয়ে কন- স্বদেশকে বাঁচা রে! গোপনে জড়িত তিনি হেরোইন পাচারে।

half a viagra didnt work

বাঙলা

৫২’তে করলো মিছিল বুকে নিল গুলি, রক্ত দিয়ে ফিরিয়ে আনলো বাংলা মা’য়ের বুলি। ৭১’রে স্বাধীনতা স্বাধীন করবে দেশ, সসস্ত্র যুদ্ধ হল পেলাম বাংলাদেশ। স্বাধীনতার চল্লিশ বছর শেষ হয়নি ওরা, রক্ত নিয়েছে খুন করেছে আমার ভাইদের যারা। ফাঁসিতে যখন ঝুলবে ওরা। অশ্রু চোখে হাসবে তখন আমার নির্যাতিত মা-বোনেরা। বিচার হবে, বিচার হবে রাজাকারের বিচার হবে- এই নিয়েছি পণ। তাইতো মোরা করেছি আবার স্বপ্নের গণ জাগরণ।

zithromax azithromycin 250 mg
thuoc viagra cho nam
wirkung viagra oder cialis

জর্জ অরওয়েল

Who controls the past controls the future, who controls the present controls the past.’-George Orwell ‘1984’ (1949) জর্জ অরওয়েল ছিলেন একজন বৃটিশ সাংবাদিক এবং লেখক যিনি বিংশ শতাব্দীর দুইটি বিখ্যাত বই “এনিম্যাল ফার্ম ” এবং ” নাইন্টিন এইট্টিফোর ” এর জন্য বিখ্যাত। ২০০৮ সালে টাইমস সাময়িকীর শ্রেষ্ঠ ৫০ জন লেখকের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। কালোত্তীর্ণ ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েল ১৯০৩ সালের ২৫ জুন বিহারের মতিহারে জন্মগ্রহণ করেন। জর্জ অরওয়েল মূল নাম এরিক আর্থার ব্লেয়ার। অরওয়েলের বাবা রিচার্ড ওয়ামেসলি ব্লেয়ার ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের আফিম বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ১৯০৪ সালে অরওয়েল মায়ের সঙ্গে ইংল্যান্ডের হেনলি অন টেমসে চলে আসেন। অতঃপর ১৯১২... missed several doses of synthroid

glyburide metformin 2.5 500mg tabs

হীরক রাজার দেশে চলতে হবে হেসে

রাজা: কী গবেষক, পেটে অসুখ? গোমড়া কেন মুখখানা?হাসতে হবে সব সময়, এ দেশে গোমড়া মুখে থাকা মানা!গোমড়া মুখে থাকা মানে রাজার বিরুদ্ধে অভিযোগ,এসব আর চলবে না, হিসাবের খাতায় শুরু হবে যোগ-বিয়োগ।গবেষক: কই মহারাজ, গোমড়া কোথায়? আছি তো বেশ ফুর্তিতে,তিনটা বছর কেটে গেল, প্রিপারেশন নিচ্ছি নতুন বর্ষপূর্তিতে!রাজা: বেশ বেশ! এই না হলে কি আছি সোনার দেশে!তা খবর কী, বলে ফেলো সব, কাশাকাশি হবে শেষে!গবেষক: লোকে বলে, রাজামশায় নাকি নেন না জনগণের খবরনিরাপত্তাহীনতায় যে যেখানে পারছে, খুঁড়ছে নিজের কবর!রাজা: বলো কী! এত বড় স্পর্ধা!খোঁড়াখুঁড়ি সব বন্ধ, কারও কবরে যাওয়া চলবে না!নির্বাচনের নাই বেশি দিন,খবরদার আমার সামনে ওসব আর বলবে না।গবেষক: রাজা মশায়,...

can levitra and viagra be taken together