Category: মুক্তিযুদ্ধ এবং একাত্তর

“সভ্যতার বিনির্মাণে একাত্তরের দলিল হোক আগামীদিনের প্রেরণা”

‘সভ্যতা ব্লগ’ আস্থা রাখে, “বিনির্মাণে আগামীর পথে”  স্লোগানে। আস্থা রাখে, মানব সভ্যতার সকল সফল অর্জনে। আগামীর পথ বিনির্মাণে পূর্বসূরিদের অর্জন আর সাফল্যগাঁথা সেখানে কেবলই প্রেরণা নয় অনেক সময় দিক নির্দেশনা। যেমনটা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কেবলই একটি বীরোচিত সফলতার এবং সংগ্রামের অগ্রযাত্রার ইতিহাস নয়, বরং বাঙালী জাতির এগিয়ে চলার দিকনির্দেশনাও বটে। এই বাঙালী সভ্যতা যতদিন থাকবে অথবা মানব সভ্যতায় বাঙালী জাতি যতদিন টিকে থাকবে, ততদিন ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। এরপরও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরাজিত শক্তি নবোদ্যমে তাদের কূটকৌশল এবং ১৯৭৫ সালের কতিপয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তাদের নির্বুদ্ধিতায় আমাদের অগ্রযাত্রাকে থমকে দিতে...

about cialis tablets

৪৩ বছরের বকেয়া যন্ত্রণা কিংবা জন্মপরিচয়হীন কিছু বাস্টার্ডের গল্প………

” জয়া, জয়া… ” মেয়েকে ডাকছে জাফর সাহেব। কিন্তু মেয়ের কোন সাড়া-শব্দই নেই ! নিজের ঘরেও নেই; কথায় গেলো মেয়েটা ! ভাবতে ভাবতে জাফর সাহেব তার বাড়ির উত্তর দিকে হাঁটতে লাগলো। হঠাৎ দেখল যে জয়া উত্তরের ঘরটি খোলার চেষ্টা করছে। খুব দ্রুত সেদিকে এগিয়ে গেলেন তিনি। জয়া কিছু বুঝে উঠার আগেই ঠাস্‌ করে তার গালে একটা চড় বসিয়ে দিলো জাফর সাহেব। ” এর আগে কতো বার বলেছি যে, এখানে আসবে নাহ্‌। আর তুমি কিনা এই ঘরটি খোলার চেষ্টা করছ..! অবাধ্য মেয়ে কোথাকার ” কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলো জয়া। জাফর সাহেব সেই ঘরটির দিকে একবার তাকালেন। নাহ্‌ আর সহ্য করতে পারছেন...

স্বাধীনতা-উত্তর ভাষ্কর্য (পর্ব-২)

১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে যে ভয়াবহ গণহত্যার সূচনা হয় তার বিপরীতে স্বাধিকারের জন্য আন্দোলনরত সাধারণ মানুষের রক্তক্ষয়ী নয় মাসের যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন রাস্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম হয়। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে যুদ্ধের রূপক সাক্ষ্য হিসেবে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন ভাষ্কর্য। প্রথম পর্বেই বলা হয়েছিল এসব ভাষ্কর্যের আবির্ভাব সম্পর্কে। এই পর্বে আরো খানিকটা যুক্ত করা হল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে অন্যান্য বিভিন্ন ক্ষেত্রের মত শিল্পকলা ক্ষেত্রেও ব্যপক পরিবর্তন আসে। শিল্প সাহিত্যের অন্যতম প্রদিপাদ্য বিষয় হয়ে উঠে স্বাধীনতযুদ্ধ। এই বিষয়ে সংরক্ষিত একটী বক্তব্য তুলে ধরছি, ‘উনিশ শতক থেকেই সারা বিশ্বে প্রজাতান্ত্রিক কিংবা জাতীয় রাষ্ট্রের উত্থানের ফলস্বরূপ দেশে দেশে জাতীয় বীরত্ব ও বিজয়ের সৌধরূপে গণপ্রাঙ্গণ ভাস্কর্যের... amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

৪০-বছরের ভারত-বাংলাদেশ বৈরিতা : সমাধান কোন পথে?

গত বছর কোলকাতার রাস্তায় টেক্সিতে ভ্রমনকালে বাংলাভাষী টেক্সিওয়ালার খেদোক্তি ছিল, ‘‘একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের প্রায় ২০,০০০ সেনার রক্তে বাংলাদেশ রঞ্জিত হলেও এবং তখনকার অভাবী কোলকাতার মানুষের বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রতি অকৃত্রিম সমর্থন, আর ১-কোটি শরণার্থীকে নানাভাবে সহযোগিতার পরও, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ কেন এতো ভারত-বিদ্বেষী? কেন বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে নানা কর্মকান্ডে অংশগ্রহণকারী সন্ত্রাসীদের সহায়তা করে? বাংলাদেশ কি পাকিস্তান’’? এরূপ অভিযোগ আরো শুনেছি হিন্দীভাষী চেন্নাইগামী ট্রেনযাত্রীর মুখে ‘করোমন্ডল এক্সপ্রেসে’। যদিও কোলকাতার অধিকাংশ মানুষ ‘বাংলাদেশ’ শব্দটির ব্যাপারে খুবই ‘নস্টালজিক’ এবং পশ্চিম বঙ্গের মতই তারা মনেপ্রাণে রাজনৈতিক বাংলাদেশকে ভালবাসে, বিশেষ করে এক সময় যাদের পূর্বপুরুষরা বাস করতো পূর্ববঙ্গ তথা বর্তমান বাংলাদেশে। সুসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মত...

September On Jessore Road: অ্যালেন গিন্সবার্গ; এক মহানুভব কবি………

আরউইন অ্যালেন গিন্সবার্গ সর্বাধিক পরিচিত অ্যালেন গিন্সবার্গ নামে।অ্যালেন গিন্সবার্গ একজন বিখ্যাত মার্কিন কবি ও গীতিকার।অ্যালেন গিন্সবার্গ ১৯৫০ সালের দিকে বিট প্রজন্মের সর্বাধিক পরিচিত একজন কবি। অ্যালেন গিন্সবার্গ ৩রা জুন ১৯২৬ সালে একটি ইহুদি পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।তিনি নিউ-জার্সির প্যাটারসন এলাকায় বেড়ে ওঠেন।গিন্সবার্গ ১৯৪৩ সালে ইস্টসাইড হাই স্কুল থেকে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি হাই স্কুলে থাকা কালীন সময়েই তার শিক্ষকের সহায়তায় Walt Whitman পড়া শুরু করেন। গিন্সবার্গ কলোম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার পূর্বে কিছুদিন Montclair State College এ অধ্যয়ন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থাতেই ১৯৪৫ সালে অ্যালেন গিন্সবার্গ পড়াশুনার খরচ যোগাড় করার জন্য চাকরিতে যোগদান করেন। কলোম্বিয়াতে থাকা কালীন সময়েই গিন্সবার্গ Jester Humor...

glyburide metformin 2.5 500mg tabs
achat viagra cialis france
nolvadex and clomid prices

শহীদ জুয়েল ও শহীদ মুশতাক– অসামান্য কিছু বীরত্বের উপাখ্যান এবং একটা প্ল্যাকার্ডের গল্প…..

  ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম খান (জুয়েল) দৃশ্যপট — ১ লোকটা খুব অদ্ভুতধরনের। ক্রিকেট ছাড়া কিছুই বোঝে না। ক্রিকেট তার ধ্যানজ্ঞান এবং পাগলামি। আর আজাদ বয়েজ ক্লাব তার সেই পাগলামির ফসল। আজাদ বয়েজ ক্লাবটাকে নিজের হাতে গড়ে তুলেছেন মুশতাক। যদিও পশ্চিম পাকিস্তানিরা বাঙ্গালীদের মানুষ বলেই মনে করে না, ক্রিকেট খেলোয়াড় তো বহু দুরের কথা। তারপরও মুশতাকের মতো কিছু ক্রীড়া সংগঠকের জন্য আজ অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড়েরা খেলতে পারছে,নিজেদের মেলে ধরতে পারছে। যেমন, আবদুল হালিম চৌধুরীর কথাই ধরা যাক না। ডাকনাম তার জুয়েল। জগন্নাথ কলেজের ছাত্র জুয়েল ছোটবেলার থেকেই ক্রিকেটের প্রচণ্ড ভক্ত। মুশতাকের মতই ক্রিকেটটাকে ভালবেসেছেন খুব ছোটবেলার থেকে।...

২০১৫ সাল হতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পাঠ্যসূচীতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নামে সম্পূর্ণ নতুন একটি বিষয় অন্তর্ভূক্ত করা হোক

১. দ্বিতীয় থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত (প্রয়োজনে দ্বাদশ) “আমাদের মুক্তিযুদ্ধ” নামে একটি নতুন বিষয় অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।  ২. মুক্তিযুদ্ধে শিশু কিশোরদের ভূমিকা নিয়ে মাধ্যমিক স্তরে আলাদা অধ্যায় থাকবে। ৩. শ্রেণিভেদে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব এবং বেঁচে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয়, বেঁচে না থাকলে তাঁদের জীবিত বংশধরদের পরিচয় (যারা স্বাধীনতাবিরোধীদের সাথে পরে যোগ দিয়েছে, তারা ছাড়া) উল্লেখ করে রচনা থাকতে পারে। এতে করে চেনা জানা লোকদের মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িত জেনে একে দূরের কোনো অলৌকিক কাহিনী বলে মনে হবে না এখনকার বাচ্চাদের।  ৪. রাজাকার, আল বদর, আল শামস ইত্যাদি বাহিনীর স্বরূপ, তাদের উৎপত্তি ও বর্তমান অবস্থান নিয়ে মাধ্যমিক লেভেলে আলাদা অধ্যায় থাকবে।  ৫.... acne doxycycline dosage

গেরিলা যোদ্ধা; ও আমাদের মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা যোদ্ধাদের অবদান……..

“দিন তোমাদের, রাত আমাদের/ রৌদ্র তোমাদের, বৃষ্টি আমাদের/ শহর তোমাদের,গ্রাম আমাদের”। গেরিলাদের কার্যপরিধি ঠিক এভাবেই ব্যাখ্যা করেছিলেন ইতিহাসের বিখ্যাত গেরিলা নেতা মাও সে তুং। গেরিলা একটি স্প্যানিশ শব্দ।যার অর্থ হল খুদে যোদ্ধা।গেরিলা শব্দটি মূলত দলছুট বা একক যোদ্ধার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও কখনো কখনো গেরিলারা ছোট ছোট দল গড়ে তোলে।আবার কখনো কখনো গেরিলারা বিভিন্ন দল-উপদলে বিভক্ত হয়েও শত্রুপক্ষের প্রশিক্ষিত বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। গেরিলারা হল সেসব বেসামরিক যোদ্ধা যারা ভূমি ও ভৌগলিক সুবিধা ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের উপর প্রভাব বিস্তার করে।এদের যুদ্ধ পদ্ধতি হয় অনেকটা ”হিট এন্ড রান” পদ্ধতিতে।গেরিলারা মূলত বিচ্ছিন্ন ভাবে শত্রুপক্ষের উপর আক্রমন পরিচালনা করে, এবং সহজেই শত্রুপক্ষকে বিপর্যস্ত করে...

জহির রায়হান— হারিয়ে যাওয়া এক সূর্যসন্তান এবং কিছু পাকিস্তানি পারজের ম্যাৎকার…

আজ আপনাদের এক বিস্মৃত ক্ষনজন্মা বীরের গল্প বলব। ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট বর্তমান ফেনী জেলার অন্তর্গত মজুপুর গ্রামে জন্ম নেয়া এই বীরের নাম জহির রায়হান। বাঙালি জাতিসত্তা এবং বাংলাদেশ গঠনে এক অনস্বীকার্য ভূমিকা পালন করা এই মহান বীর আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছিলেন একটা পুরনো আমলের সাধারণ ক্যামেরা, কিছু যন্ত্রপাতি এবং কিছু সহযোদ্ধাকে সাথে নিয়ে। এই সামান্য সম্বল দিয়েই তিনি নির্মাণ করেন স্টপ জেনোসাইড এবং লেট দেয়ার বি লাইট নামের দুটো আউটস্ট্যান্ডিং মাস্টারপিস। যাতে উঠে এসেছে ১৯৭১ সালে ফাকিস্তানি হায়েনাদের চালানো সভ্যতার সবচেয়ে জঘন্যতম নৃশংসতা ও বর্বরতার নির্মম আখ্যান। লেট দেয়ার বি লাইট শেষ করে যেতে পারেননি তিনি। তার...

renal scan mag3 with lasix

মুক্তিযুদ্ধের দলিল-দস্তাবেজ সংরক্ষনের দাবী…

ক্ষমতার পালাবদল ঘটে, ঘটবেই। গনতান্ত্রিক রাজনীতিতে যে কোন দলই ক্ষমতায় আসতে পারে এবং সেটা স্বাভাবিক ও অবশ্যই সমর্থনযোগ্য। ভয়টা হল অন্য জায়গায়! যদি স্বাধীনতা বিরুধীরা আরেকবার জয়ী হতে পারে তবে এই ইতিহাস বিকৃতিকারীরা মুক্তিযুদ্ধের কোন ডকুমেন্টই তারা আর অবশিষ্ট রাখবে না। কেননা অতীতেও তারা এরকম করেছে। মুক্তিযুদ্ধের অনেক মুল্যবান আলামত ও দলিল-দস্তাবেজ তারা নষ্ট করেছে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলা একাডেমি ও আদালতে বর্তমানে যে সব ডকুমেন্ট বা দলিল-দস্তাবেজ রয়েছে তাও পুরোপুরি সংরক্ষিত অবস্থায় নেই।যে কোন দুর্ঘটনা বা অগ্নি সংযোগে হারিয়ে যেতে পারে মুল্যবান দলিল সমুহ। সরকার ও এসব দলিল পত্র সংরক্ষনে এখন পর্যন্ত কার্যকরি কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। কালের কন্ঠ পত্রিকার...

অপারেশন ঈগল (পর্ব-১)

                                                       গোলাম রব্বান, একজন মুক্তিযোদ্ধা(ডেপুটি কলাম কমান্ডার, অপারেশন ঈগল,রাঙ্গামাটি,।গেরিলা যুদ্ধ সমন্বয়কারী ১নং সেক্টর ও অপারেশন কমান্ডার বি.এল.এফ, চট্টগ্রাম অঞ্চল।) তাঁর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি নিয়ে লিখা এই অমর ইতিহাস একটি জার্নাল থেকে সংগৃহীত। লেখাটি হুবুহু তুলে ধরা হল। ৭১”এ বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব রণাঙ্গনের একটি গৌরোজ্জ্ব্ল অভিযানঃ ১৯৭১” এর ন”মাসের মরণজয়ী মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগী রাজাকার, আলবদর, আল শামসসহ বিভিন্ন ঘাতক গোষ্ঠীদের মরণপণ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে স্থল, বিমান ও নৌ-বাহিনীর সমন্বয়ে ১১টি সেক্টরের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিভিন্ন লেখকের লেখনীতে উধৃত আছে। আজকের এই লেখায় এমন এক অঘোষিত... thuoc viagra cho nam

metformin gliclazide sitagliptin

স্বাধীনতা-উত্তর ভাষ্কর্য (পর্ব-১ )

স্বাধীনতা পরবর্তীকালীন জীবনের সকল ক্ষেত্রে যেমন পরিবর্তন এসেছে, শিল্পকলার ক্ষেত্রেও এ পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। স্বাধীনতোত্তরকালে কুসংস্কার, অশিক্ষা, ধর্মীয় গোঁড়ামি সত্ত্বেও এদেশে আধুনিক স্থাপত্য ও ভাস্কর্য চর্চায় এক নতুন উদ্দীপনায় অগ্রসর হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকে উপজীব্য করে বিশাল আকৃতির স্থাপত্য ও ভাস্কর্যের মাধ্যমে আমাদের শিল্পীরা সামাজিক নিয়ম-নীতির প্রচলিত গোড়ামির শিকল ভাঙ্গতে সক্ষম হয়েছেন। বিশ শতকে, বিশেষত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বাপর সময়ে সমাজতান্ত্রিক মনোভাবাপন্ন রাষ্ট্রসমূহে গণবিপ্লব ও তার বিজয়ের গাথামূলক বৃহদায়তন বহিরাঙ্গন ভাস্কর্য নির্মাণের ব্যাপক প্রবণতা লক্ষ করা যায়। বিশ শতকের সত্তরের দশকে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও জনমনেও একইভাবে মুক্তিযুদ্ধ ও তার বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখতে বহিরাঙ্গনে বৃহদায়তন সৌধ ভাস্কর্যের চাহিদা তৈরি হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের...