Category: মুক্তিযুদ্ধ এবং একাত্তর

ডাঃ ভূপেন হাজারিকা এবং এক বিস্মৃত ইতিহাসের গল্প…

– Tarique Linclon & Rahman Raad   মুক্তিযুদ্ধের একেবারে শেষদিকে মারাত্মকভাবে আহত হয় বাবু, বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের চার নম্বর সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার; পারিবারিক নাম Ruhel Ahmed​। – বোন এবং দুই ভাইয়ের মাঝে মেজো ছিলেন তিনি। একাত্তরে বয়স ছিল মাত্র ১৯, সদ্য এইচ এস সি পাস করে বুয়েটের আর্কিটেকচারে ভর্তি হয়েছিলেন। বাসা ছিল ধানমন্ডিতে, তাঁদের ধানমন্ডির বাসা একাত্তরে ছিল সেইফ হাউজ। এমনকি জাতীয় দৈনিকে একবার তাঁর বাসার টিএনটি নাম্বারটা একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের হেল্প লাইন হিসেবে পত্রিকায় চলে আসে। সে আরেক কাহিনী। আজ অপরাজেয় সেই ১৯ বছরের দামাল ছেলের অন্যরকম একটি ইতিহাস তুলে ধরবো। ৪৩ বছর আগের এক গৌরবময় অনন্যসাধারণ ইতিহাস… সম্মুখযুদ্ধে...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

সিদ্ধিরগঞ্জ অপারেশন (অসমাপ্ত…)

রামপুরা বিল। ওপারে সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন। কোনোভাবে উড়িয়ে দিতে পারলেই ঢাকার বেশিরভাগ এলাকা অন্ধকার হয়ে পড়বে। এপারে বাড্ডার পিরুলিয়া গ্রাম থেকে দুটো নৌকায় বিদ্যুৎ স্টেশন রেকি করতে যাচ্ছে ১০জন গেরিলা। অন্ধকারে হঠাৎ একটা নৌকার আকার নড়ে উঠতে দেখা গেল। হাঁক এল , কে যায়? কাছে আসতেই বোঝা গেল, নৌকা ভর্তি পাকিস্তানী মিলিটারি। কমান্ডারের নির্দেশে সবার স্টেনগান পাটাতনের নিচে রাখা ছিল, কেবল বদিউল আলম ছাড়া। এক মুহূর্ত দ্বিধা না করে কোলের উপর রাখা স্টেন তুলে ব্রাশফায়ার করল বদি, খালি হয়ে গেল পুরো ম্যাগাজিন। উল্টে যাওয়া পাকি নৌকা থেকেও জবাব এল, আগুনের ফুলকি আর বারুদের ঝাঁঝালো গন্ধে হঠাৎ ভরে গেল জায়গাটা। ব্রাশফায়ারের...

জয় বাঙলা…

ভাটপাড়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশফাক চৌধুরী যখন পাকবাহিনীর ক্যাম্প থেকে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন বিকেলের সূর্য প্রায় অস্তাচলে গিয়েছে। অসম্ভব বিবর্ণ দেখাচ্ছে চৌধুরীসাহেবকে। তার পেছন পেছন আসছে তার পাঁচজন সার্বক্ষণিক সঙ্গী । তারা বংশানুক্রমে চৌধুরী বাড়ির একনিষ্ঠ কর্মচারী। এ অঞ্চলের সবচেয়ে প্রভাবশালী বংশগুলোর মধ্যে একটা হল চৌধুরী বংশ। সে বংশের সপ্তম সন্তান তিনি। কুষ্টিয়া জুরি বোর্ডের হাকিম ছিলেন আশফাক চৌধুরীর পিতা আশরাফ চৌধুরী। যেহেতু শরীফ বংশ, তাই যুদ্ধ শুরু হবার পরেই ধর্মরক্ষায়, পাকিস্তানের সংহতি রক্ষায় শান্তি কমিটিতে যোগ দিতে বলা হয়েছিল আশফাক চৌধুরীকে তার বড় তিন ছেলেসহ। আশফাক চৌধুরীকে এ অনুরোধ করেছিলেন তার শ্বশুরের বড় ভাই শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান যশোহর... side effects of drinking alcohol on accutane

পতাকার জন্য লড়াই করে যাওয়া এক সংশপ্তকের উপাখ্যান…

১৯৮৩ সালের অক্টোবরের ৫ তারিখে নড়াইল জেলার চিত্রা নদীর তীরে এক শ্যামল গ্রামে জন্ম হয় কৌশিক নামের এক ডানপিটে ছেলের। খুব ছোটবেলার থেকেই কৌশিক ছিল প্রচণ্ড দুরন্ত আর চঞ্চল। চিত্রা নদীতে যখন তখন ঝাঁপ দেয়া ছাড়া কৌশিক খেলাধুলায় ছিল খুবই ভালো। ফুটবল আর ব্যাডমিনটন ছিল সবচেয়ে প্রিয় খেলা। ধীরে ধীরে বড় হতে হতে পছন্দ বদলে গেলো তার। ক্রিকেট নামের একটা খেলা তার চিন্তাচেতনার প্রায় পুরোটাই দখল করে ফেলল। অনূর্ধ্ব ১৯ দলে রীতিমত আগুন ঝরাতে শুরু করল হালকাপাতলা ডানপিটে কৌশিক। একপর্যায়ে চোখে পড়ে গেল বাংলাদেশের তৎকালীন কোচ এবং ওয়েস্টইন্ডিজের গ্রেট লিজেন্ড অ্যান্ডি রবার্টসের। জহুরি জহুর চিনতে কখনও ভুল করে না। আর...

পাকিস্তান জিন্দাবাদ…

কয়েকদিন আগের কথা। রাস্তায় হঠাৎ এক স্কুল ফ্রেন্ডের সাথে দেখা। প্রায় ১০ বছর পর দেখা, দাড়ি রাখছে, একেবারে চেনাই যায় না। জোর করে বাসায় ধরে নিয়ে গেল। আন্টি তো আমারে দেইখা বিশাল খুশি, কতদিন পর দেখা। ড্রইংরুম পার হয়ে ওর রুমে ঢুকতেই চোখে পড়ল শহীদ আফ্রিদি আর সাইদ আজমলের বিশাল দুইটা পোস্টার, দেয়ালে ঝুলতেছে। একটা ধাক্কা লাগলো, বন্ধুরে জিগাইলাম, —দোস্ত, এই পোস্টার এইখানে? —কেন, সমস্যা কি? —এরা তো পাকিস্তানের খেলোয়াড়। —তো কি হইছে? —তুই কি পাকিস্তান সাপোর্ট করছ? —হ। —কেন? —আজিব তো, মুসলমান তো মুসলমানকেই সাপোর্ট করবে। কেন করি এইটা জিগানোর মানে কি? —কিন্তু ৭১রে… —আরে, রাখ তোর ৭১। তগোর...

রাজাকার

দাত কেলিয়ে হাসছে দেখ, একাত্তরের রাজাকার প্রতিশোধের নেশায় এবার, দেশ করছে ছাড়খার! বুকের ভেতর স্বপ্ন পালে, দেশ বানাবে পাকিস্তান, এইতো সুযোগ, শোধ তুলছে, চার দশকের অপমান। আগুন খেলায় মত্ত তারা, কেউ পাবে না এবার ছাড়, পুড়ছে মানুষ, জ্বলছে জাতি, দেশ বানাবে অঙ্গার! মানুষ পোড়া মাংস দিয়ে, খেলছে খুনের খেলা এইতো সুযোগ, মেটাবে এবার একাত্তরের জ্বালা। আর কত মার খেয়ে যাবি হায়? এবার অস্ত্র ধর, বিভেদ ভুলে এক হয়ে খোড় রাজাকারের কবর। বঙ্গবন্ধুর সৈন্য তোরা, তোদের কিসের ভয়? শত্রু বধে গাইবি আবার, জয় বাংলার জয়।

capital coast resort and spa hotel cipro

একদল অন্যরকম মুক্তিসেনা

২৪ জুলাই ১৯৭১ বল পায়ে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে পিন্টু বুকের মাঝে অন্যরকম এক ভয় কাজ করছে একের পর এক প্রতিপক্ষের খেলোয়ার সামনে চলে আসছে ভাবতে ভাবতে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।পাশ থেকে সালাউদ্দিন দম বন্ধ করে দৌড়াচ্ছে সারা গায়ের ঘাম ঝরে পরছে মাটিতে।হঠাৎ পিন্টুর চিৎকার “সালাউদ্দিন বল নে” সালাউদ্দিন একদমে সামনে এগিয়ে বল টেক করেই সুট করলো প্রতিপক্ষের গোলকিপার অবাক বনে কিছু বুঝে উঠার আগেই গোল।সালাউদ্দিন মাটিতে বসে পড়লো চোখ দিয়ে টপ টপ করে জড়ে পরছে অশ্রুকনণা। শেখ আশরাফ আকাশ পানে চেয়ে আছে দূরে পত পত করে উড়ছে একটি পতাকা গাঢ় সবুজের সাথে কড়া লাল বৃত্তের মাঝে ৫৬ হাজার বর্গ মাইলের... para que sirve el amoxil pediatrico

একজন কালজয়ী সাহিত্যস্রস্টার কথা…

দরজায় শব্দ হল হঠাৎ, ঠক ঠক ঠক। নুরুল আফসার ঘড়ির দিকে তাকালেন, রাত বাজে সাড়ে ১০টা। এত রাতে কে এল? দরজা খুলে অবাক নুরুল,”বারেক, এতো রাতে ? কি ব্যাপার? কালো চাদরে ঢাকা সর্বাঙ্গ, হালকা চাপ দাড়ি মুখে, ছেলেটার চোখের দৃষ্টি মাছের মতো, নিস্পলক, ঘষা কাঁচ যেন। সালাম দিল, ঠাণ্ডা স্বরে বলল, “তেমন কিছু না স্যার, আপনাকে একটু আসতে হবে।“ -কোথায়? –আমার সাথে, ক্যাপ্টেন সাহেবের জরুরি তলব। –আমি তো খেতে বসেছি। – ব্যাপারটা স্যার জরুরী। খুব বেশিক্ষন লাগবে না, বাইরে জীপ দাড়িয়ে আছে। অধ্যাপক নুরুল আফসার হাত ধুয়ে শার্টটা গায়ে চড়াচ্ছেন, রেহানা এসে দাঁড়ালেন সামনে। “ আলবদরের লোকজন নাকি বাড়ি বাড়ি...

posologie prednisolone 20mg zentiva

পাকিস্তানী জারজ আব্দুল মোনায়েম খানের “শহীদ”!! মর্যাদা প্রাপ্তি এবং এক দুর্ভাগা জাতির গল্প…

কুখ্যাত জারজ গভর্নর মোনায়েম খান আজ আপনাদের বিস্ময়কর এক বীরের কথা শোনাবো। বাঙ্গালী জাতির সর্বকালের সবচেয়ে গৌরবের বীরত্বগাঁথা ৭১রের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এই মানুষটার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর। দেশমাতা,স্বাধীনতা কিংবা যুদ্ধ – এই বড় বড় বিষয়গুলো বোঝার মতো পরিনত হয়তো হয়নি নবম শ্রেণীপড়ুয়া মোজাম্মেল হকের। কিন্তু সময়ের প্রয়োজন তাকে করে তোলে এক অদ্ভুত পরিনত যোদ্ধায়। এই অসম্ভব সাহসী যোদ্ধা পাক বাহিনীর দুর্ভেদ্য দুর্গ ভেদ করে এক অভাবিত বীরত্বগাঁথার জন্ম দেন। শুনতে রুপকথার মত শোনালেও এর প্রতিটা বর্ণ জ্বলজ্বলে সত্য। তার নিজের জবানিতেই তার এই অনন্যসাধারন বীরত্বের গল্প শুনি আমরা…   বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক( বীর প্রতীক) নবম শ্রেনীতে পড়তাম।... all possible side effects of prednisone

clomid over the counter
metformin tablet
zovirax vs. valtrex vs. famvir

শশীলাল চর্মকার

১২-১৩ বছরের বাবরি চুলওয়ালা কিশোর শশীলাল চর্মকার। বাবার সাথে সারাদিন সৈয়দপুরের রাস্তায় ঘুরে মানুষের পুরান জুতা সেলাই করা ছিল তার কাজ। বড় বোন শ্যামাপ্রিয়া নবম শ্রেণীতে পড়ে, ভাল ছাত্রী হিসেবে এলাকায় খুব নাম ডাক। বাবা, মা ও দিদিকে নিয়ে ছিল তার ছোট সাজানো সুখের সংসার। কিন্তু এই সাজানো সুখের সংসারে মহাপ্রলই নেমে এল ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ! স্থানীয় বিহারিদের মদদপুষ্ট হয়ে পাকিসেনারা আক্রমন করে বসে হিন্দুদের বাড়িঘরে। হাতের কাছে যাকে পেয়েছে, তাকেই হত্যা করেছে। শশীলালদের বাড়িতেও আক্রমন হল, তার বাবা-মাকে গুলি করে হত্যা করা হল! অপহরন করে নিয়ে গেল দিদি শ্যামাপ্রিয়াকে এবং গভীররাতে সৈয়দপুর রেলকারখানার উত্তরে নিয়ে নিষ্ঠুর ভাবে নির্যাতন... synthroid drug interactions calcium

ovulate twice on clomid

মুক্তির নারীঃ নূরজাহান…

নূরজাহান বেগম, বাবার আদরের মেয়ে নূরজাহান।আদর করে বাবা যাকে নূরী বলে ডাকতেন।একাত্তরে নূরীর বয়স ছিল মাত্র পনেরো।কিন্তু মেয়ের বয়স যতোই কম বুকের ভেতরের আগুন ততোই বেশি।সেই আগুন ছিল পাকিদের জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেশ থেকে বিদায় করার আগুন, সেই আগুন ছিল লাল সবুজ পতাকার মাঝখানের হলুদ মানচিত্রের আগুন।চারিদিকে বাঙালিদের ওপর অসহনীয় অত্যাচার চালাচ্ছে পাকিরা।অত্যাচারের মাত্রা যতোই বাড়ে নূরীর ভেতরের আগুন ততোই বাড়ে।অবশেষে নূরী ঠিক করলো যেভাবেই হোক যুদ্ধে যাবে সে। আগুনরঙা মানচিত্রের জন্ম দেবেই সে… যেই কথা সেই কাজ। আরও দুই জন মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে, “আমি যেখানেই যাই ভালো থাকবো,আমার জন্য দোয়া করবেন”- এই দুই বাক্যের চিরকুট লিখে রওনা দেয় যুদ্ধে, মানচিত্র...

LIBERATION WAR IN DHAKA: PART-3: OPERATION HOTEL INTERCONTINENTAL

…. সে এক অদ্ভুত যুদ্ধযাত্রা। উঁচু – নীচু – ধনী – গরিব – কম্যুনিস্ট – এন্টি কমিউনিস্ট সব রকম সব কিছু ভুলে দলে দলে ঢাকার তরুণেরা জড়ো হয়েছে মতিনগরে। মতিনগর হল ২ নং সেক্টরের ট্রেনিং ক্যাম্প।।। কুমিল্লা বর্ডারের খুব কাছেই। সেই মতিনগরেই ট্রেনিং পেতে থাকে প্রথম বারে যাওয়া তরুণেরা। এলএমজি, গ্রেনেড কিংবা মেশিনগান চালানো আর ঠিক সময়ে ঠিকভাবে লুকিয়ে যাওয়ার গেরিলা কৌশল শেখানো হত এখানে। ক্যাম্পটা বর্ডারের খুব কাছে হয়ায় পাকিস্তানিরা বারবার এটার উপর আক্রমণ করতে থাকে।।। তখন মুক্তিযোদ্ধারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ মালপত্র বহন করে রওনা দেন মেলাঘরের পথে।। মেলাঘর ছিল বর্ডার থেকে ৩০-৩২ কিলোমিটার দূরত্বে…। এই মেলাঘরেই মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং...

LIBERATION WAR IN DHAKA: PART-2: LEAVING BACK BEHIND

২৫ মার্চ, ১৯৭১। রাত ঘনিয়ে আসে… । প্রতিদিনের মত নিরীহ শান্ত মানুষেরা দিনের হিসেব নিকেশ শেষে ঘুমে গা এলিয়ে দেয়।আর ঠিক তখনই পাকিস্তান সামরিক জান্তা বাস্তবায়ন করে শতাব্দীর নিষ্ঠুরতম হত্যাযজ্ঞ। যুদ্ধক্ষেত্রে সবরকম নিয়ম -নীতির বাইরে যেয়ে তারা ঝাঁপিয়ে পরে নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালির উপর। তাদের এই হিংস্রতম আক্রমণ থেকে সেদিন রেহাই পায়নি গর্ভবতী মা কিংবা একদিনের শিশুটিও। চরমতম আভিজাত্যের নগরী, মুঘলদের এই সাজানো গোছানো অহংকার, মসজিদের নগরী ঢাকা সেদিন পরিণত হয়েছিল মৃত্যুর নগরীতে। ….রাজারবাগ পুলিশ লাইনের বাঙালি পুলিশ থেকে শুরু করে আজাদ বয়েজ ক্লাবের খেলাপাগল মুশতাক – কেউ তো রেহাই পায়নি সেদিন! তবু যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিল। পিলখানায় ই – পি-...

অপেক্ষা…

পরীটাকে আজাদ প্রথম দেখেছিল করাচী ইউনিভার্সিটির বাঙ্গালী সমিতির অনুষ্ঠানে, শাড়ি আর নীল টিপের স্নিগ্ধ লাবণ্যে মনে হচ্ছিল সত্যিই বুঝি স্বর্গ থেকে কোন পরী নেমে এসেছে। কিন্নরি কণ্ঠে সে গাইছিল, “সাতটি রঙের মাঝে আমি মিল খুঁজে না পাই, জানি না তো কেমন করে কি দিয়ে সাজাই।“ চোখ সরাতে পারছিল না আজাদ, কি মায়াময় নিস্পাপ সৌন্দর্য… ফাংশন শেষে আজাদ এগিয়ে যায়, দুরুদুরু বুকে হৃদপিণ্ডটা বাজে ড্রামের মত, যথাসম্ভব গলাটা পরিস্কার করে বলল,” আপনি গাইলেন, কেমন করে কি সাজাবেন, বুঝতে পারছেন না, অথচ আপনাকে কিন্তু অসাধারন লাগছে… —ওমা, গাইলাম গান, প্রসংশা পেলাম সাজের, ব্যাপার কি? গান ভালো হয়নি বুঝি? —আরে না না, গান...

মিরপুর-দ্যা লাস্ট ব্যাটেলফিল্ড…

অস্কার পুরস্কার বিতরণী মঞ্চ। উপস্থাপকের দিকে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ, টানটান উত্তেজনায় শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা। উপস্থাপকের ঠোঁটে রহস্যের হাসি। শেষ পর্যন্ত সেরা চলচ্চিত্রের নাম ঘোষিত হল, মনোনয়ন পাওয়া গুণী পরিচালকদের বিশ্বসেরা সব চলচ্চিত্রকে পেছনে ফেলে সকলের বিস্ফোরিত দৃষ্টির সামনে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে ঘোষিত হল Mirpur-The Last Battlefield এর নাম। বিস্ময়ের তখনো বাকি ছিল। সেরা স্ক্রিপ্ট, সেরা সিনেমাটোগ্রাফিসহ আরো ছয়টি বিভাগে অস্কার জিতলো মুভিটা, এর মধ্যে সেরা পরিচালকও ছিল। হালকাপাতলা মানুষটা উঠে দাঁড়ালেন, একটু আগে সেরা পরিচালক হিসেবে তার নাম ঘোষিত হয়েছে, মঞ্চে যেতে হবে। ধীর পায়ে এগিয়ে যাচ্ছেন মানুষটা, বুদ্ধিদীপ্ত চোখ দুটোয় চিকচিক করছে গর্বমাখা আনন্দ, বাংলাদেশের প্রথম অস্কারজয়ী পরিচালক, জহির রায়হান…...

can you tan after accutane

LIBERATION WAR IN DHAKA: PART-1: THE WARRIORS

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন বদি। এইচ এস সি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে চতুর্থ স্থান অধিকার করা এক অসাধারণ ছাত্র এই বদি। কমিউনিস্ট মতাদর্শের সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও ছাত্র ইউনিয়নের সাথে বিরোধিতার জের ধরেই যোগ দিলেন এন এস এফ এ। ক্যাম্পাসে দোর্দন্ড প্রতাপ ওয়ালা এন -এস -এফ বদি। খেলোয়াড় হিসেবে জুয়েল ছেলেটা তার খুব পছন্দের ছিল। ক্যাম্পাসে দেখা হলে খোঁজ – খবর নেয়া চলত।তাতেই ক্রিকেটার জুয়েলের কত গর্ব!! বন্ধুদের জুয়েল বলে বেড়াতেন – “.. দেখছস কত বড় গুন্ডা আমার খোঁজ খবর নিতাসে… “ পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যান ছিল জুয়েল। বল জিনিসটা যে পেটানোর জন্য সেটা তার ব্যাটিং দেখলে বোঝা যেত..। দুর্ধর্ষ...

অমর মহাকাব্য একাত্তরের ১১ অধ্যায়ের সবটুকু।

আমার মুক্তিযুদ্ধ আমার মহাকাব্য।এই কাব্যের সরল ইতিহাসগুলো কমবেশি সবাই জানলেও,জানি না তার ভিতরের সবটুকু।পাঠ্য বইয়ের বাহিরে কজনই বা খুজে বেড়ায় এই ইতিহাস।যেমনটি ছোট বেলায় ক্লাস ৫ এ শিখেছিলাম,বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচলনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের সমগ্র ভূখণ্ডকে ১১টি যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করেছিলো, এই।এরপর অনেক বড় হবার পরও ঠিক ভাবে জানতে পারিনি ১১টি সেক্টরের সব ইতিহাস,খুজে পাইনি পাঠ্যবইয়েও।তাই পাঠ্যবইয়ের ভিতরে-বাহিরের থাকা সবকিছু এক করার সিদ্ধান্ত নিলাম।মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরের কমান্ডার কে ছিলো,সাব সেক্টর কয়টি ছিলো,কোন জেলা কোন সেক্টরে ছিলো,সাত বীরশ্রেষ্ঠের কে কোন সেক্টরে ছিলেন ইত্যাদি ইত্যাদি। চলুন শুরু করা যাক সেক্টর-১ঃ _______________________________________________________ সেক্টর কমান্ডারঃ মেজর জিয়াউর...

ক্ষমা করো মা

বহু দিন আগে একটা গল্প পড়েছিলাম বীরাঙ্গনাদের নিয়ে। গল্পের মুল কাহিনি অনেকটা এরকম, এক জন মুক্তিযুদ্ধা নয় মাস যুদ্ধ শেষে বাড়ি ফিরে এসে দেখেন তারা স্ত্রীর খুজ নেই। অনেক খুজাখুজির পর স্থানীয় একটি পাকিস্তানি সৈন্যদের ক্যাম্পে তার অর্ধমৃত দেহের খুজ পান তিনি। অনেক চিকিৎসার পর তার স্ত্রী কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেন। স্বাভাবিক হয়ে উঠতে শুরু করে তাদের জীবন। কিন্তু বাধ সাধে স্থানীয় লোকজন, তারা রোজ এসে ভিড় জমায়, ধর্ষিতার মুখে শুনতে চায় রগরগে গল্প, মায়ের যোনি নিসৃত রক্তের স্বাদ পেয়ে নিষিদ্ধ আনন্দ পেতে চায় তারা। বাধ্য হয়ে স্ত্রীকে নিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যান তিনি। বহু কাল পরে এক রেল স্টেশনে...

গেরিলা – শামসুর রহমান,১৯৭১

ঢাকা শহরে তখন একের পর এক গেরিলা অপারেশন হচ্ছে।পাকিস্তানিরা হাজারো চেষ্টা করে ঠেকাতে পারছে না বাঙ্গালী গেরিলাদের।পাগল হয়ে গেছে পাকির দল চোখে মুখে ভয়,মৃত্যু ভয় কখন কি হয়?পাকিদের এই অবস্থা দেখে বাঙালিরা তখন আনন্দে আত্নহারা।আর মনের প্রতিটি পরত থেকে ভালোবাসা বিলিয়ে দিচ্ছে সেইসব মৃত্যু কে তুচ্ছজ্ঞান করা গেরিলাদের জন্য।সেই সময় শামসুর রহমান ভালোবেসে একটি কবিতা বাধলেন তাদের নিয়ে যাদের তিনি তখনো দেখেনি কিন্তু ভালোবাসা দিয়েছেন অন্তরের অন্তস্থল থেকে।কবিতা টি পুরো তুলে দিলাম দেখতে কেমন তুমি? কি রকম পোশাক আশাক পরে করো চলাফেরা? মাথায় আছে কি জটাজাল ? পেছনে দেখাতে পারো জ্যোতিশ্চত্রু সন্তের মত? টুপিতে পালক গুঁজে অথবা জবর জং ঢোলা...

venta de cialis en lima peru

ফটোফ্রেম “১৯৭১”- এর কারিগরেরা; পর্ব- ২

দূর থেকে দেখলে হয়তো লম্বা পিঁপড়ার সারি বলেই মনে হতো। কিন্তু দৃশ্যটি খুব কাছ থেকে দেখা। তাই মানুষ বলে চেনা যাচ্ছে মানুষগুলোকে। বহুদূর থেকে তারা আসছে পায়ে পায়ে। ক্লান্ত, অবসন্ন। তবু চলার বিরাম নেই। স্রোতের মতো চলমান মানুষের পেছনে উদ্যত মৃত্যু। সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। চোখে আতঙ্ক-উদ্বেগ, মুখে শোকের ছায়া। চলছে তারা যশোর রোড ধরে। শিশু-যুবক-মধ্য বয়সী, বৃদ্ধ নর-নারী। পূর্ব পাকিস্তানের গ্রামগঞ্জ থেকে জোয়ান বুড়ো বোঁচকা বুঁচকি ঘটিবাটি নিয়ে গ্রাম ছাড়ছে। দুস্থ শরণার্থী কংক্রিটের পাইপে বসত গড়েছে। রাস্তার ধারে ভাত ফুটছে। ভাতের পাতিলের সামনে কাত হয়ে শুয়ে আছে গর্ভবতী মলিন কিশোরী। এক বুড়িকে ডুলিতে বসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে দুটো লোক। বিশাল পাইপ... half a viagra didnt work