Category: মুক্তিযুদ্ধ এবং একাত্তর

cialis new c 100

রক্তচরিত্রঃ ০১

  ৪৮ সালে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ততকালীন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ গঠিত হয়। মাওলানা ভাসানী ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি সেক্রেটারি। ছিলেন টাঙ্গাইলের যুবনেতা শামসুল হক, শেখ মুজিব এবং খন্দকার মোশতাক আহমেদ ছিলেন দলের যুগ্ম সম্পাদক। কিছুদিন পর শামসুল হকের মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে মাওলানা ভাসানী শেখ মুজিবকে দলের কার্যকরী সম্পাদক মনোনীত করেন। ভাসানী মুজিবের সাংগঠনিক ক্ষমতায় ইতোমধ্যেই চমতকৃত হয়ে উঠেছিলেন। তার উপর ঢাকা রাজশাহীর ছাত্র আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিম্ন শ্রেণীর কর্মচারীদের ধর্মঘট এবং ’৪৮ এর প্রথম ভাষা আন্দোলনে শেখ মুজিবের ভুমিকাও ছিলো মোশতাকের চেয়ে তীব্র ও কার্যকর। মুলত মুজিব মোশতাক দ্বন্দ এখান থেকেই শুরু। ‘৫৪র সাধারণ নির্বাচনে মোশতাক কৃষক শ্রমিক পার্টিতে... viagra en uk

kamagra pastillas

সাকা বৃত্তান্ত

[১] “সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী” যিনি  সংক্ষেপে “সাকা চৌধুরী” নামে পরিচিত। বাবা ফজলুল কাদের চৌধুরী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ উত্থাপিত ছয় দফার বিরোধী ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ কালে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের বিপক্ষে এবং ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। পুত্রও তার ব্যতিক্রম নন। স্বাধীনতার সময় অবস্থানের বিষয়ে পরে আসছি। স্বাধীনতা উত্তর যেসব রাজাকার এদেশে ফিরে এসেছে, সুযোগ সুবিধা বহন করেছে,গাড়িতে পতাকা লাগিয়েছে,তাদের সকলের মধ্যে তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম, সবচেয়ে উদ্ধত,নোংরাভাসী,অসভ্য এবং হিংস্র। তার চট্টগ্রামের “গুডহিল” বাসাটি শুধু একাত্তরেই না,একাত্তরের পরেও নব্বই দশক পর্যন্ত মানুষের জন্য এক বিভীষিকার নাম ছিল। সাকা চৌধুরী একাত্তরের আগে ও পরে অনেক খুন,ধর্ষণের সাথে জড়িত ছিল।...

কেন খেলার সাথে রাজনীতি মেশাবো?

আমার এক আত্মীয় আছেন খুব নিরীহ ধরনের, কারোর সাতেও নাই পাঁচেও নাই, দুনিয়ার কারো ব্যাপারে মাথাব্যাথা নাই, নিজের মত করে খুব সহজ-সরল জীবনযাপন করেন। ভোটের সময় ইসলামী দল হিসেবে জামায়াতকে ভোটটা দিয়ে আসেন,রাজাকারের ফাঁসি চাইলে বিরক্ত হন,কসাই কাদেরের ঝুলে যাওয়ার ব্রেকিং নিউজ দেখে “ইসলামের কাণ্ডারি নিরীহ বৃদ্ধ মানুষগুলাকে নাস্তেক জালেম হাসিনা সরকার ফাঁসি দিয়ে দিতেছে দেশটারে হিন্দুস্থান বানানোর জন্য”এই বলে কিছুক্ষন হা-হুতাশ করেন, তারপরে আবার সব ভুলে যান। আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারন তার এ জীবনযাপনে একমাত্র উত্তেজনা দেখা দেয় বাংলাদেশের খেলার সময়, এগারোটা লাল-সবুজ টাইগারকে মাঠে দেখলেই তার মেজাজ খিঁচড়ে যায়,//”বাঙ্গালী তো আজকেও পোঙ্গামারা খাবে, বুঝলা? ; ছাগলের বাচ্চাগুলা খেলা পারে... viagra vs viagra plus

জামালপুরের ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধ

জামালপুর জেলা পরিচিতিঃ-২০৩১.৯৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তন নিয়ে জামালপুর জেলার অবস্থান।১৯৭৮ সালে ২৬ ডিসেম্বর জামালপুরকে বাংলাদেশের ২০তম জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।এর আগে জামালপুর বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার অন্তরভুক্ত ছিল। এ জেলার ভৌগলিক অবস্থান খুবই মনোমুগ্ধকর। বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তে গারো পাহাড়ের পাদদেশে নৈসর্গিক দৃশ্য ও নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক লীলাভূমি যমুনা, ব্রক্ষ্মপুত্র,ঝিনজিরাম, ঝিনাই ও বানার নদীর পলি বিধৌত অববাহিকায় প্রখ্যাত সাধক আউলিয়া হযরত শাহ্ জামাল (রহ:) ও হযরত শাহ্ কামাল (রহ:) এর পূণ্য স্মৃতিধন্য ভূমিতে জামালপুর জেলার অবস্থান।এই ছোট্র জেলা শহর টিতে রয়েছে-০৭ টি উপজেলা এবং ০৮ টি থানা।(তথ্য-গোগল সার্চ ) ভাষা আন্দোলনে জামালপুর বাসির অবদানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ :বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলনে জামালপুর জেলারও...

দালাল আইনের ইতিবৃত্ত ও বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রেক্ষাপট

পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধদের বিচারের ব্যাপারটি প্রাচীন-কাল থেকেই চালু রয়েছে। গ্রীক পুরাণেও যুদ্ধাপরাধীর বিচারের কিছু বিবরণ পাওয়া যায়। মধ্যযুগেও রয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচারের নমুনা। ১৪৭৪ সালে হাগেনবাখের স্যার পিটারকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিলো। ১৮১৫ সালে পরাজিত ফরাসী সম্রাট নেপোলিয়ানকে অপরাধী ঘোষণা করে বৃটিশ সরকারের কাছে তুলে দেয় ভিয়েনা কংগ্রেস।ফলস্বরূপ ফলস্বরূপ সেইন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেয়া হয়েছিলো তাঁকে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের জন্য দায়ী জার্মানদের বিচারের দায়িত্ব জার্মান সরকারের ওপর ন্যস্ত করে মিত্র শক্তিসমূহ। ১৯২০ সালে ৪৫টি মামলার দায়িত্ব নিয়ে ১২ জনের বিচার করে জার্মানী এবং ছ’জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এ-বিচার ‘লাইপজিগ ট্রায়াল’ নামে পরিচিত। যুদ্ধাপরাধীদের লঘুদণ্ড প্রদানের কারণে এ-রায় মেনে নেয়নি মিত্র...

‘গণহত্যা অস্বীকার’ ও ‘নব্য-হানাদারি মানসিকতা’ রোধে আইন এবং এর তাৎপর্য

“Denial of the Holocaust is not an opinion, it is a political act which tries to bring Nazi thought into the mainstream.” -  Hans Rauscher, Columnist, Vienna Newspaper ‘Der Standard’ -দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে নাৎসি প্রোপ্যাগান্ডার বিপরীতে আইন প্রণয়ন প্রেক্ষাপটে ভিয়েনার জনৈক কলাম লেখক। ১) ভূমিকা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকালেও নাৎসি’দের অমানবিক নির্যাতন আর গণহত্যাকে অস্বীকার করার মত গোষ্ঠীর অভাব ছিল না। একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পর যখন দেশীয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা আর বিদেশী চরদের সমন্বয়ে পঁচাত্তরের পটপরিবর্তন হল, সেই থেকে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশে। তাই অনেক কিছুই শিক্ষণীয় আছে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর পদক্ষেপ থেকে। আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালও সেই রুয়ান্ডা, নুরেমবার্গ...

যুদ্ধ সাংবাদিকতা এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ

যুদ্ধ সাংবাদিকতা প্রায়শই স্থান খুঁজে নেয় হলুদ সাংবাদিকতার আশ্রয়ে। সত্য মিথ্যার মিশ্রনে এমন সব প্রতিবেদন তৈরী করা হয় যুদ্ধের উপর যা সংবাদপত্রের নীতিকে সমর্থন করলেও, উহ্য থেকে যায় সাংবাদিকতার নীতিমালা কিংবা একজন মানুষ হিসেবে সাংবাদিকের নীতি। এ বিষয়ে একটি ঘটনা স্মরণ করা যেতে পারে। হলদে সাংবাদিকতার জনক হিসেবে পরিচিত, মার্কিন সাংবাদিক জগতের প্রবাদ পুরুষ উইলিয়াম র‍্যান্ডল্‌ফ হার্স্ট। তার ফটোগ্রাফার রেমিংটনের সাথে একটি টেলিগ্রাম বিনিময় হয়েছিলো ১৮৯৬ সালে। ১৮৯৬ সালে হার্স্ট তার সহকারী রেমিংটনকে হাভানা পাঠিয়েছিলেন, আমেরিকা-স্প্যানিশ যুদ্ধের রিপোর্ট বিশেষ করে “স্প্যানিশ বর্বরতা”র ছবি পাঠাতে। রেমিংটন সেখানে গিয়ে তো অবাক। তিনি টেলিগ্রামে হার্স্টকে জানিয়ে দিলেন, “এখানে পরিস্থিতি একেবারে শান্ত। যুদ্ধ হবার...

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং ভারত চীন আমেরিকা সোভিয়েতের অবস্থানের সংক্ষিপ্ত আলোচনা

৩০ জানুয়ারী, ১৯৭১ সাল। লাহোরে একটি ভারতীয় যাত্রীবাহী বিমান অপহরণ করে নিয়ে আসে দুই যুবক। তারা ছিলো কাশ্মীরের লিবারেশান আর্মির সদস্য। এমনকি ভারতের এই বিমান অপহরণের পর তাদেরকে পাকিস্তানে বিরোচিত সম্মান জানানো হয়। পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো তাদের সাথে আলিঙ্গন করেন এবং তাদেরকে “মহান মুক্তিযোদ্ধা” বলে অভিনন্দন জানান। বিমানটি বিস্ফোরণে ধ্বংস করার পর যুবক দুটি আত্মসমর্পণ করে এবং পাকিস্তান তাদেরকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়। এই ঘটনার সূত্র ধরে ভারত তাদের আকাশসীমায় পাকিস্তানি বিমান চলচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ফলে পাকিস্তানকে শ্রীলঙ্কান আকাশপথে বাংলাদেশে সৈন্য পরিবহণ করতে হয়। মূলত এটি ছিলো পাকিস্তানের প্রথম একটি বুদ্ধিবৃত্তিক পরাজয়। মূলত ৭০ এর সাধারণ...

আবাল বাঙাল

আমার এই সেমিস্টারে প্রোজেক্ট এন্ড ল্যাবোরেটিজ নামে একটা কোর্স আছে। ক্লাসে প্রসঙ্গত কারনে আমি এলিয়েন। ম্যাক্সিমাম ইতালিয়ান আর সাথে স্পানিশ, চিলিয়ান, কম্বোডিয়ান, জার্মান মিলিয়ে একটা গ্লোবালাইজেশনের আখড়া হলেও এরা যে যার স্থানে নিজের জাতি সত্তায় আলাদা। সাউথ এশিয়ান দের ভিতর এক মাত্র আমিই আছি এখানে। একদিন প্রোফেসর আমাকে ডেকে জিজ্ঞাসিল কোথা থেকে এসেছো হে বৎস? প্রতি উত্তরে খুব বিনয়ের সহিত বলিলাম বাংলাদেশ নামক এক ছোট বদ্বীপ জনাব। বাংলাদেশ!! তোমরা একটা জাতি বটে। তোমরা তো শেখ মুজিব এর দেশের মানুষ রাইট? ঈষৎ হাসিয়া কহিলাম, জি জনাব। আচ্ছা তোমরা উনাকে কি বলে ডাকো যেন? কঠিন একটা নাম আবেগে আপ্লূত হইয়া বলিলাম, বঙ্গবন্ধু...

achat viagra cialis france
levitra 20mg nebenwirkungen

কামারুপুত্রের আফসোস এবং কিছু রূপকথার গল্প…

হাসান জামান শাফি নামের একজনের ওয়ালে একটা লেখা পড়লাম। কামারুরে তিনি বাপ বইলা সম্বোধন করছেন, নিষ্পাপ নিরপরাধ ইসলামী সমাজের আদর্শ তার বাপরে নাকি হাসিনা সরকার আরেকজনের অপরাধে মেরে ফেলছে। ওই যে এই কাদের সেই কাদের না টাইপের ব্যাপার আর কি, উনি বলতে চাইতেছেন এই কামারুও সেই কামারু না… বেশ আবেগঘন একটা লেখা, পাবলিকের ইমোশনে ধাক্কা দেওয়ার মত সব উপাদানই আছে। আরেক রাজাকার মীর কাশেম আলির মেয়ে সুমাইয়া রাবেয়াও তার সাথে গলা মিলায়া বলতেছেন আমার বাপ যুদ্ধাপরাধী হইতেই পারে না, সব মিডিয়ার সৃষ্টি, প্রোপাগান্ডা মাত্র। কামারুজ্জামানের ব্যাপারে উনারা বিস্ময় প্রকাশ করে বলতেছেন ১৯ বছরের একটা কিভাবে এহেন অত্যাচার আর নৃশংসতা চালাইতে...

একজন সালামের গল্প…

৩টা ৪৫ বাজতে চলল প্রায়। ক্যাপ্টেন আমীন নিঃশব্দে এগোচ্ছেন, সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের দুই কোম্পানি সৈন্য।৩০০ সেনার মধ্যে রেগুলার আর্মির মাত্র ১০ জন, বাকিরা বেশিরভাগ মাত্র এক সপ্তাহের ট্রেনিং নিয়েই চলে এসেছে যুদ্ধে, কিশোর-ছাত্রজনতা… ময়মনসিংহ সীমান্তের নকশি বিওপিতে দুর্ভেদ্য পাকিস্তানীরা, মাইন ফিল্ড, সূচালো বাঁশের কঞ্চি আর কাঁটাতারের বেড়ায় ঘেরা পুরো ঘাঁটি, এর আগেও একবার আক্রমণ চালানো হয়েছিল, কোন মুক্তিযোদ্ধা বেঁচে ফিরতে পারেনি। এবার শুধু ইন্ডিয়ান আর্মির আর্টিলারি সাপোর্টটা যুক্ত হয়েছে, এই ই যা… সেটাও সীমিত পরিসরে… তবুও কেউ ভয় পাচ্ছে না, মৃত্যুকে ভয় পায় না এরা আজ অনেকদিন হল… ঠিক ৩টা ৪৫ মিনিটে রেডিওতে আমীনের গলায় শোনা গেল “জোরে মার” চিৎকার, আর্টিলারি...

missed several doses of synthroid

ঘৃণা

ঝুম বৃষ্টির মধ্যে কারাগারে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের জন্য রাখা সেলে শুয়ে আছে কাম্রু।ইদানীং রাত হলেই খিল খিল করে হাসা অনেক নারীর কন্ঠ শুনতে পান।কয়েক দিন ধরেই রাতে ঘুম হচ্ছে না।আজ তো বোধহয় হবেই না,আগামিকাল রিভিউ এর রায় আসছে।চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর ব্যার্থ চেস্টা।মাঝেমধ্যে মনে পড়ছে সেই দিনগুলির কথা।আর আফসুস হচ্ছে,আরেক বার ক্ষমতায় এলেই মন্ত্রী হওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার,তারপর প্রত্যাহ সকালে উঠে গেয়ে উঠতেন পাক সার জমিন সাদ বাদ। গানটা গাওয়ার সাথে সাথে দিলটার মধ্যে কেমন যেন প্রশান্তি বয়ে যায়,শরিরে উত্তেজনা আসে।আর এইসব বাদ দিয়া কি একটা মালাউনের জাতীয় সংগীত গায় পোলাপান। এই পোলাপান গুলাই নস্টের গোড়া ৭১ এই বেয়াদ্দপ গুলার জন্যই...

ডেইলি স্টারের পাকিস্তান ডে বা কিছু বিস্মৃত যন্ত্রণার গল্প…

এরাম রেস্টুরেন্টে বসে আড্ডা দিতেছিল ওরা, হঠাৎ কোথেক্কে কাজী কামাল উদ্দিন এসে হাজির। ক্ষেপে আছে বোঝাই যাচ্ছে, আজাদের দিকে তাকায়া বলল, ঘটনা শুনছো মিয়া? বিসিবি তো পাইক্কাগুলার প্রস্তাব মাইনা নিছে। হালাগোরে প্লেনের ভাড়া দিবো, যাওয়া আসার ভাড়া… আজাদ বললো, কন কি? ফাইজলামি নাকি? ওরা যা কইব, সেইটা মানতে হইব? বিসিবির সমস্যা কি? পাশ থেইকা রুমি বললো, হারামজাদারা নিজেদের দেশটারে বানায়া রাখছে শিটহোল, সেকেন্ডে সেকেন্ডে গ্রেনেডের উর্বর ফলন হয়, দুনিয়ার কোন দেশ খেলতে যায় না। ফকিরের মত আরব আমিরাতে খেইলা বেড়াইতেছে, ওগোর যে খেলার সুযোগ দিছি, এইটাই তো বহুত, আবার লাভ চায় কোন হিসাবে? মিসকিনের বাচ্চাগুলার সাহস দেখছো? শাহাদাত চৌধুরী থামান...

সংবাদপত্রে মার্চ ‘৭১

In it’s battle to put down the independence moment in East Pakistan, the Pakistani army has resorted to widespread killings of civilians, according to the report reaching here today from unimpeachable foreign diplomatic sources in Dacca. These reports were confined to Dacca, a city of 1,500,000 people and all the reports were confined to event’s up to the Pakistani army, without warning, attacked civilian population centers in an effort to crush the province’s nonviolent moment for autonomy.  The army units- all west Pakistani troops-opened fire with artillery, rockets and machine guns. – NEW DELHI, March 29,1971, New York Times মার্চ...

একজন রেহানা কিংবা কিছু মিথ্যাচারের গল্প…

চুলায় ভাত বসিয়েছিল আসমানী, হঠাৎ কোথেক্কে “মিলিটারি মিলিটারি” চিৎকার করতে করতে ছুটে এল নশু পাগলা। জীপ তিনটা গ্রামে ঢুকলো ঠিক তখনই, কিছুদূর গিয়ে থামতেই লাফ দিয়ে পাকিস্তানী শূয়োরগুলো নামলো। আসমানীর স্বামীর খোঁজে পুরো বাড়ি তন্নতন্ন করে খুঁজলো, না পেয়ে অগত্যা আসমানী আর তার ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধা শাশুড়ির পেটে ইসলামের নামে পাকিস্তানের বীজ বুনে যাওয়াই মনস্থির করলো। কয়েকদিন আগে রেহানা নামের ফুটফুটে একটা পরী জন্ম দেওয়া আসমানি অবশ্য এই পবিত্র পৈশাচিকতা সহ্য করতে পারলো না, “মাগো, মাগো বলে কয়েকবার আর্তচিৎকারের পর নিস্তেজ হয়ে গেল। যোনির ভেতর বেয়নেট নিয়ে নির্বিচারে খোঁচানোয় গলগল করে রক্ত বেরোতে লাগলো। যাবার সময় হঠাৎ বিছানায় নিশ্চিন্তে...

শেকড়ের সন্ধানে… (পর্ব-০১)

“শেকড়ের সন্ধানে…”   আমার   নিজের তৈরি একটি ক্ষুদ্র ডকুমেন্ট।  মুক্তিযুদ্ধের  বিভিন্ন বই, পত্রিকা,  একাত্তরের ভিকটিমদের নিজ মুখের ভাষ্য, সহব্লগারদের দেয়া অনেক অজানা তথ্য একত্র করে একটা ডকুমেন্ট বানাতে চেষ্টা করছি নিজের জন্য, আমার ছোট দুইটা ভাই আছে- যারা এখনো এসব কিছুই বুঝে না ওদের জন্য; যাতে ওরা কখনই নিজেদের শেকড়ের সন্ধান পেতে ভুল না  করে সেই জন্য, ওদের মতো আরও অনেক অনেক ছোট ছোট ভাই-বোন আছে আমাদের ওদের জন্য, সর্বোপরি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। আমি জানি, এটা খুব সহজ কাজ হবে না আমার পক্ষে। আমি হয়তো এটা ঠিকভাবে করতেও পারবো না। হয়তো আমার অনেক ভুল থাকবে, যেটা শুধরে দেবার দায়িত্ব...

all possible side effects of prednisone
glyburide metformin 2.5 500mg tabs

একজন মোহাম্মদ আলি এবং রাজাকার সুবহানের গল্প…

ঈশ্বরদীর সাহাপুর গ্রামের একজন ব্যবসায়ী ছিল মোহাম্মদ আলী প্রামানিক, জয় বাংলার লোক হিসেবে আশেপাশের গ্রামের মানুষ তাকে এক নামে চিনতো। আর তাদের প্রামানিক বংশরে চিনতো বিচার-সালিশের জন্য। ১০ গ্রামের বিচারক ছিল প্রামানিকরা, সেইরকম মর্যাদা আর প্রতিপত্তি ওদের। ইয়া বড় একটা সাদা ঘোড়ায় চড়ে চলাফেরা করতো। রাজকীয় স্টাইল। গ্রামের বেশিরভাগ পরিবারই ছিল হিন্দু, সবাইকে প্রানটা দিয়ে ভালবাসতো মানুষটা। একাত্তরের ২রা মে পাকিস্তানি মিলিটারিরে যখন পাবনা জামায়াতের নেতা আবদুস সুবহানের দেখানো পথে সাহাপুর গ্রামে ঢুকে বাড়ির পর বাড়ি জ্বালায়ে দিতে লাগলো, হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে মেয়েদের বাড়ি থেকে বের করে জিব চাটতে চাটতে ঝাঁপিয়ে পড়তে লাগলো, মোহাম্মদ আলী বাড়ি ছিল না। তারে না পায়া...

কিছু বকেয়া গ্লানির গল্প…

হোসনা বেগম ছুটছে, ঊর্ধ্বশ্বাসে… তার চারপাশে ছুটছে অসংখ্য মানুষ, ছুটছে ভয়ংকর আতংকে, প্রান বাঁচাতে, আশেপাশে অবিরাম গুলি চলছে, সাঁই সাঁই করে। গোড়ল গ্রামটা পেরিয়ে নদীর ধারে হঠাৎ মুখ থুবড়ে পড়ে গেল হোসনা, এক মাঝি দৌড়ে এসে তাকে ওঠাল। দুইহাতে আঁকড়ে ধরে থাকা বিছানাপত্র পড়ে গেছে নিচে, সেদিকে তাকিয়ে হঠাৎ চিৎকার করে ওঠে হোসনা, আমার কাশেম কই? একটু আগে যখন রাজাকাররা পাকিস্তানী শুয়োরগুলোকে নিয়ে হোসনার স্বামীকে গুলি করে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়, তখন দিশেহারা হোসনা দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে ঘুমিয়ে থাকা ২০ দিনের কাশেমকে তার বিছানাসমেত জড়িয়ে বুকে নিয়ে দৌড়াতে থাকে। টেরই পায়নি কাশেম ভেবে সে আসলে কাশেমের কোলবালিশটা তুলে এনেছে। জীবন্ত...

acquistare viagra in internet

একজন অপদার্থ বাবার গল্প…

বাসটা হঠাৎ থেমে গেল। রুদ্র তার বাবার বুকেই ঘুমিয়ে পড়েছিল, ব্রেকের হঠাৎ ঝাঁকুনিতে জেগে উঠলো।সামনে একদল কালো মিলিশিয়া দেখা যাচ্ছে,সবাই বলাবলি করে পাকিস্তানী মিলিটারির চেয়েও নাকি ভয়ংকর এরা, সাক্ষাৎ আজরাইল। রাস্তাঘাটে মিলিশিয়াদের বাস থামিয়ে চেক করাটা নতুন কিছু না, তবুও কেন জেন রায়হানের বুকেরে ভেতরটা কেঁপে উঠলো, রুদ্রকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল সে। –আব্বু, বাস থেমে গেল কেন? –বলতে পারছি না বাবা। –মিলিটারী থামিয়েছে? –হ্যাঁ বাবা। –কেন থামিয়েছে? – মনে হয় চেক করবে। –কি চেক করবে আব্বু? –সেটা তো জানি না বাবা। –মিলিটারিগুলো এমন কালো কেন আব্বু? ওরা কি “জয় বাঙলা” খুঁজছে? –শ-শ-শ। এটা বলে না বাবা। ঠোঁটে আঙ্গুল ঠেকিয়ে...

posologie prednisolone 20mg zentiva

টাইগাররা কি জানে? বোধহয় না…

এমসিজি গ্রাউন্ডে শ্রীলংকার ৩৩৩ রানের টার্গেটে বাংলাদেশের অবস্থা তখন খুবই বাজে, মাত্রই দিলশানের বলে ডাউন দ্যা উইকেটে মারতে আইসা ষ্ট্যাম্পড হইল মাশরাফি। সঙ্গে সঙ্গে কাজী কামালউদ্দিন চিল্লায়া উঠলো, ধুরবাল, এইটাও গেল। তোরে ছক্কা মারতে কইছে কে? একটা প্লেয়ার যদি একটু দায়িত্ব নিয়া খেলে… পিছ থেইকা রুমী ঠাণ্ডা গলায় শুধরায়ে দিল, ও হইল বোলার, ব্যাটসম্যানের ধৈর্য আপনি ওর কাছে চাইলে ক্যামনে হবে? আর দায়িত্বের কথা বলতেছেন, দুই পায়ে আটটা অপারেশন হইছে মিয়া, অখনো পোলা একটা সিঙ্গেল ঠেকাইতে ঝাপায়া পড়ে, এইটা জাইনাও যে আরেক বার ইঞ্জুরি হইলে আজীবনের লাইগা পঙ্গু হইয়া যাইব… দায়িত্ব জিনিসটা ওরে শিখায়েন না, বুঝছেন? পাশে থেইকা বদিউল আলমের...

private dermatologist london accutane