Category: ইতিহাস

একজন হারিয়ে যাওয়া শেখ কামালের গল্প… একজন কিংবদন্তী দেশপ্রেমিকের গল্প…

তার জন্ম হয়েছিল গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের খুব সাধারণ এক পরিবারে ১৯৪৯ সালের ৫ই আগস্ট তারিখে। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে ২য় ছিলেন তিনি। খুব ছোট বেলার থেকেই ডানপিটে ছেলেটি পিতার আদর স্নেহ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। সত্যি বলতে কি, ছেলেটার জন্মের পর থেকে তার পিতার সাথে তার ভালোমতো দেখাই হয় নি। কেননা তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান তখন বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠছেন, বাঙ্গালী জাতির মুক্তিদূত হয়ে উঠছেন। পাকিস্তানী শোষকদের নির্মম শোষণের বিরুদ্ধে কথা বলবার কারনে, প্রতিবাদ করবার কারনে তার পিতাকে প্রায়ই কারাবরন করতে হয়। তোঁ একদিন বঙ্গবন্ধু জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি এসেছেন, বহুদিন পর বাড়িতে আনন্দের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ছোট্ট ছেলেটি...

লিটল বয় এর হিরোশিমা আগমন

~~~লিটল বয়~~~ লিটল বয় কী? ♦লিটল বয় শেক্সপিয়ারের কোন চরিত্র নয়, বায়রনের কোন কাব্য গাথার কেউ নয় কিংবা ইয়েটস্ রচিত কোন বই ও নয়;লিটল বয় একটি পারমানবিক বোমা। যার প্রস্তুত প্রনালীর মূলতত্ত্ব আলবার্ট আইনস্টাইনের [ভর-শক্তি মতবাদ, E =mc×c] ♦লিটল বয় একটি পারমাণবিক বোমা যাদিয়ে পৃথিবীর ইতিহাসের নির্মমতম,নিষ্ঠুতম, বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ ঘটানো হয়। লিটল বোমার আঘাতে ধ্বংস হয় হিরোশিমা, রচিত হয় রক্তাক্ত এক উপন্যাসের যার নায়ক লিটল বয়, নায়িকা হিরোশিমা নগরী। গোত্র পরিচিতি : ♦লিটল বয় একটি পারমাণবিক [নিউক্লিয়ার ] বোমা যা নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার (ফিশান/ ফিউশন/ উভয়ই) ফলে প্রচন্ড শক্তিরূপে নির্গত হয়। একটি ১০০০ কিলোগ্রামের থার্মো-নিউক্লিয় অস্ত্রের প্রচলিত বিস্ফোরণ ক্ষমতা প্রায় ১...

একাত্তরের ইতিহাস,একজন মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষাতকার, মিরপুর জল্লাদখানা

শরিকুল ইসলাম বাবলু, দুই নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার গল্প আমরা শুনেছি। কিন্তু তিনি মৃত্যুর ভয়াল থাবার ভেতর থেকে ফিরে এসেছিলেন। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭১ সালে মিরপুর তথা মিরপুরের জল্লাদখানায় তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরা হলো তার জবানীতে।জয় বাংলা।জয় বঙ্গবন্ধু। ১৯৭১ সালে আমার বয়স ছিল পনের বছর। তো মিরপুর এলাকায় আমরা তখন বাঙালী থাকতাম শতকরা তিনজন।মানে একশতে আমরা তিনজন থাকতাম বাঙালী আর সাতানব্বই জন বিহারী। তো মার্চ মাসে মানে সাতই মার্চে বঙ্গবন্ধু যখন ভাসন দিল তখন সমস্ত বিহারীরা এলার্ট হয়ে গেল।তখন আমাদের সাথে খুব একটা যোগাযোগ, কথাবার্তা বলে না,আমাদেরকে...

metformin synthesis wikipedia

ম্যাট্রিকুলেশনে ফেল করলেও এইচএসসি পাশ!!

একবার চিন্তা করুন তো আপনি এইচএসসি পরীক্ষাই দেননি, এসএসসি তে ফেল; অথচ বলে বেরাচ্ছেন এইচএসসি পাশ।তখন আপনার সামাজিক অবস্থান কেমন হবে? তবে হ্যা ভাই, আপনার যদি হায়া না থাকে কিংবা আপনি যদি রাজনীতির লোক হন তবেই এটায় কোন সমস্যা নেই।এর আদর্শিক উদাহরন আমাদের খালেদা খাতুন পুতুল ie বেগম জিয়া। উনি ১৯৬১ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অংশ নিলেও মাত্র ২ বিষয়ে কৃতকার্য হন! ঢাকা বোর্ডের এই মার্কশিট অনুযায়ী জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬। ৫৪-৫৫ বছর এটাই ছিল কিন্তু ২০০১ এর ভোটার হবার তথ্যে আসল নতুন ইতিহাস, চরম এক মিথ্যাচার। তিনি নাকি এইচএসসি পাশ!! তিনি এর জন্য কোন প্রমান জাহির করতে পারবেননা। শেখ... synthroid drug interactions calcium

ড. কামাল হোসেন, বেগম জিয়া ও ১৫ আগস্ট

ড. কামাল হোসেন আমাদের দেশের একজন স্বনামধন্য নক্ষত্র। তিনি তরুন বয়সেই ‘৭২ এর সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে ছিলেন। তিনি বাংলাদেশকে হৃদয় দিয়ে ভালবাসেন, দেশের জনগনের বহু মানবাধিকার বিষয়ে নিজে মামলা করেছেন, রুলিং চেয়েছেন।দুঃখ পেয়েছেন মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্ত হতে না পেরে। কিন্তু একটা বিষয়ে তিনি কেমন যেন উদাসিন। পরে আসছি সে কথায়। তাকে নিয়ে জল অনেক ঘোলা হয়েছে, কিন্তু বলে রাখি শেখ মুজিব এতটা অবিবেচক ছিলেন না যে যাকে তাকে বুকেটেনে নেবেন। ১৫ আগস্ট নিয়ে আর কি বলব?সার সংক্ষেপ হল – কারো পৌষ মাস কারো সর্বোনাশ।আমাদের দেশে এখন গনহত্যা, শিশু হত্যার বিরোধী লোকের অভাব হচ্ছে না, (কারনটা নয় নাই বললাম)...

metformin tablet

বাইশে শ্রাবণ- অপ্রয়োজনীয় কিছু খুন এবং হাংরি বিদ্রোহের এক সৈনিকের গল্প…

হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে অনেক ঘুরেছি আমি;বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে সেখানে ছিলাম আমি;আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে; গভীর ঘুমে ডুবে থাকা কলকাতা শহরের ফুটপাথ ধরে হেটে যাচ্ছে এক ক্লান্ত-শ্রান্ত নিশিকন্যা ,ব্যাকগ্র্যাউন্ডে আবৃতি হচ্ছে জীবনানন্দের বনলতা সেন। হঠাৎ সে খুন হয়ে গেলো। শুধু সেই নয়, একে একে খুন হয়ে গেলো ৪ জন।তোলপাড় শুরু হল পুলিশ ডিপার্টমেন্টে। খুনের কোন ক্লু নেই, মোটিভ নেই।শুধু লাশের পাশে ষাটের দশকে চরমভাবে সমালোচিত হাংরি আন্দোলনের কবিদের লেখা কবিতার একটা করে চিরকুট পাওয়া যেতে লাগলো। কলকাতা পুলিশের তদন্ত বিভাগের রগচটে চৌকস কর্মকর্তা অভিজিৎ যখন বহু চেষ্টায়ও কোন...

গণহত্যা ’৭১:কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া কিছু ইতিহাস(পর্ব- ০২)

পূর্বের পর্বটিতে আমি তুলে ধরেছিলাম বরইতলা,বাবলা বন এবং বেলতলী বধ্যভূমির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। ১৯৭১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকটি বধ্যভূমি কিংবা সেই জায়গাগুলোতে সংঘটিত গণহত্যার কথা তুলে ধরা হলেও, বাদ পরে গেছে অধিকাংশ বধ্যভূমিতে সংঘটিত গণহত্যার ইতিহাস। এমনও হয়তো অনেক বধ্যভূমি রয়েছে যেগুলোর কোন চিহ্নই এখন আর পাওয়া যায় না। শুধু লোকমুখে শোনা যায় সেসব জায়গার ইতিহাস। অনুসন্ধান করতে গেলে তেমন কোন স্মৃতিচিহ্নই পাওয়া যায় না সেসব জায়গা থেকে। কিন্তু এমনটা কি হবার কথা ছিল ? আমাদের শহীদ পিতা মাতাদের বীরত্বগাঁথার ইতিহাসগুলো কি হারিয়ে যাবার ছিল এমনি ভাবে ? অতন্ত্য দুঃখের হলেও সত্যি যে এমনটাই হয়েছে। আজ কালের বিবর্তনে...

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ । যা ছড়িয়ে দিয়েছিল সারা বিশ্বে সংগীত দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার ইচ্ছেটা । আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়ছি আর সেই সব ভিনদেশী মানুষ গুলো আমাদের জন্য চেষ্টা করছে তাও আবার যে দেশটি চায় না স্বাধীন হোক এই দেশটা, সেই মাটিতেই ! গানতো গানই ! গানে আবার শোক-দুঃখের আবহ কেন ? এমন প্রশ্ন যাদের মনে ছিল, ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট তারা বর্ণে-শব্দে উত্তর পেয়ে যান সে প্রশ্নের ! সে প্রশ্নের উত্তর ছিল একটি কনসার্টের মাধ্যমে, ‘বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি গানের মাধ্যমে ! আর ঐ প্রশ্নের উত্তর দেন বিশ্বের দু’জন সঙ্গীতগুরু সদ্য প্রয়াত সেতার বাদক ওস্তাদ রবি শংকর, মানবতাবাদী গায়ক জর্জ হ্যারিসন...

অন্ধ কে?

♣♣♣…………………… ~~~ অন্ধ হল সেই ব্যক্তি যে নিজের ধারনার বাইরে আর কিছু বিশ্বাস করে না অর্থাৎ তার হাতে অন্য চিন্তার সুযোগ থাকলেও নিজের কুয়ায় সর্বদা ঘুরপাক খায়। আমাদের সমাজে অন্ধের পরিমান খুব বেশি এবং এতটাই বেশি যে এদের ছাড়া সমাজ কল্পনাই করা যায় না। তাদের এই অন্ধবাদের মতেই চলছে আমাদের সমাজ তৈরি হচ্ছে অন্ধবাদের ক্লোন। তারা প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্ধবাদ কে সুপ্রতিষ্ঠা দেবার চেষ্টায় আছে। প্রশ্ন হতে পারে আমারা যাদের দেখি চোখে দেখেন না তারাই অন্ধ। হ্যা এটা অন্ধ কিন্তু বিষয়টা ঐশ্বরিক। আর এই অন্ধ মোটেও ঐশ্বরিক নয় বরং পুরাটাই ব্যক্তিগত। এই অন্ধদের হাত থেকে বাঁচার উপায় জানেন কি???

একাত্তরের চট্টগ্রাম শহরের বধ্যভুমি ও নির্যাতনকেন্দ্র সমুহ

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাক বাহিনী অন্যান্য শহর গুলির মত দখল করে নেয় চট্টগ্রাম শহরও। তারা তাদের সৈন্যবাহিনী ও বাঙ্গালী দোসরদের সাথে হাত মিলিয়ে গড়ে তোলে বধ্যভুমি ও অত্যাচার কেন্দ্র। এখানে তেমনি খুজে পাওয়া বধ্যভুমি ও অত্যাচার কেন্দ্রগুলির তালিকা দেওয়া হল : ১। মহামায়া ডালিম ভবন(ডালিম হোটেল) ২। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ ৩। চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম ৪। চট্টগ্রাম সেনানিবাস ৫। গুডস হিল ৬। রেডিও ট্রান্সমিশন কালুরঘাট ৭। টাইগারপাস নৌহাঁটি ৮। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ৯। নৌবিহার সদর দপ্তর পতেঙ্গা ১০। সার্সন রোডের পাহাড়ের বাংলো

পেয়ারা পাকিস্তান, মেরে পেয়ারা পাকিস্তান– কিছু অপ্রয়জনীয় বিলাপ…

ফেসবুকে  ক্রিকেটখোর নামক একটা গ্রুপে সঞ্চালকের দায়িত্বে আছি। আজ সকালে আরেক সঞ্চালক আবিদ ফাহাদ ক্রিকেটে যারা পাকিস্তান সমর্থন করে, তাদের নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলেন। পোস্টের সারমর্ম হল, আজ থেকে ৫০ বছর পরে যদি ইসরাইলিরা ফিলিস্তিনে খেলতে আসে, তাহলেও কিন্তু ফিলিস্তিনিরা ওদের সমর্থন করবে না, ইসরাইলি পতাকা গালে, মুখে, বুকে আকবে না, কোন ইসরাইলি খেলোয়ারকে বিয়ে করবার জন্য সোল্লাসে প্ল্যাকার্ড দোলাবে না কোন ফিলিস্তিনি তরুণী। অথচ আমাদের দেশের কিছু মানুষ ঠিক সেই কাজটা করে। যে ধর্মের দোহাই দিয়ে তখন ওরা আমাদের নির্বিচারে মেরেছিল, আজ তাদের এ দেশীয় কিছু ভাইয়েরা ঠিক সেই ধর্মের দোহাই দিয়েই সব ভুলে গিয়ে পাকিস্তান সমর্থন করতে বলে…  তোঁ স্বভাবতই পোস্ট...

levitra 20mg nebenwirkungen

গণহত্যা’৭১:কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া কিছু ইতিহাস (পর্ব-০১)

গণহত্যা বলতে দুইয়ের অধিক বা অনেক মানুষ মেরে ফেলা বোঝায়। পারিভাষিক অর্থে কোন দেশ, জাতি, গোষ্ঠী বা ভিন্ন মতাদর্শধারীদের খুন এবং মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করাই হল গণহত্যা। ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত রেজ্যুলেশন ২৬০ (৩) এর অধীনে গণহত্যা বলতে বোঝানো হয়েছে এমন কর্মকান্ড যার মাধ্যমে একটি জাতি বা ধর্মীয় সম্প্রদায় বা নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে বা হচ্ছে। ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহিত রেজ্যুলেশন ২৬০(৩) অনুসারে যেসব কর্মকাণ্ড গণহত্যার উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয় সেগুলো হল – ক)পরিকল্পিতভাবে একটি জাতি বা গোষ্ঠীকে নির্মূল করার জন্য তাদের সদস্যদেরকে হত্যা বা...

half a viagra didnt work

এক চুমুক ইতিহাস

জ্বী আপু! এইতো, এইদিকে। একটু ডানে ঘুরে সবুজ সাদার এই দোকানে। এই যে দেখুন এই জামাটা টকটকে লোহিত রঙা জরি চুমকির লন। কি বললেন? হ্যাঁ, এটা অবশ্যই থ্রিপিস। উপরে দুই পিস নিচে এক পিস-একাত্তুরে ক্ষতবিক্ষত। এই যে দেখুন, পোয়াতি বধুর নাড়িভুড়িতে আঁকা কি সুন্দর নকশী ডিজাইন। বেয়নেটে খুবলে যাওয়া মাংসের মত চুমকি। ছিন্ন ভিন্ন চুলে সিলাই করা টেকসই এক থ্রিপিস। পাবেন কোথাও? লাল রঙটা এতটা কালচে কেন? একাত্তুরের রক্ত! শুকিয়ে গেছে যে আপু! কত সুন্দর কান্নার রঙ এই পোশাকে। ভারী কান্না, চাপা কান্না, ভীত কান্না, লাল নীল কষ্টের মত বায়বীয় ধূসর কান্না, অপমানের কান্না, কান্না আর কান্না। ধর্ষিত কান্না। জানেন...

সময়ের সাক্ষী :গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল ভাইয়ার কন্ঠে একাত্তর

একাত্তরের আগুনঝরা দিনগুলির কথা শুনে কাটল আজকের দিনটা – আমার জীবনে চিরস্মরণীয় একটা দিন হয়ে থাকবে সারাজীবন এই দিন। আজকে শাহবাগে আমরা কয়েকজন অনেক সুন্দর কিছু সময় কাটালাম একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল ভাইয়া ( আমরা আঙ্কেল , স্যার ইত্যাদি সম্বোধন করছিলাম – তিনি নিজেই বললেন কিসের স্যার , ভাইয়া বলবা ) , রাজু আঙ্কেল (রাজু আহমেদ) ,হেলাল আঙ্কেল , সাইফুল ইসলাম রঞ্জু আঙ্কেল এর সাথে। একাত্তরের এই বীর মুক্তিযোদ্ধারা আমাদেরকে শোনালেন যুদ্ধদিনের সেই পরশপাথর ছোঁয়ানো দিনগুলোর কাহিনী। পাশাপাশি আমাদের চলমান আন্দোলনের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও কথা হল তাঁদের সাথে। বিচ্ছু জালাল ভাইয়া এসেছিলেন লাল -সবুজ জামা গায়ে , বাংলাদেশের লাল...

হাংরি আন্দোলন — এক অভূতপূর্ব দ্রোহের বিস্ফোরণ (পর্ব -২) কৃত্তিবাস ও কল্লোলের সাথে মিলিয়ে ফেলবার অপচেষ্টা…

    পঞ্চাশের দশকের ইউরোপের সংঘটিত কিছু টাইমস্পেসিফিক বা তৎকালীন সময় কেন্দ্রিক কিছু শিল্প-সাহিত্য আন্দোলনের আদলে বাঙলা সাহিত্যেও এক বিপ্লবের চেষ্টা চলেছিল। অনেকেই সেই আন্দোলনের চেষ্টার সাথে হাংরি আন্দোলনকে মিলিয়ে ফেলবার চেষ্টা করেন।আসলে কল্লোল বা কৃত্তিবাস গোষ্ঠীর তৎকালীন আন্দোলন ছিল বড়ই সাজানো -গোছানো যুক্তিগ্রন্থনা নির্ভর নিটোল বাস্তবতায় ভরা অদ্ভুতুড়ে এক পরিহাস(যেখানে সাহিত্যিকগন নতুনভাবে নতুনচিন্তায় নবআবিস্কারে মাতার বদলে আন্দোলন আন্দোলন বলে চেঁচিয়ে আবার নিজের চেনাজানা জগতের খোলসের মাঝে ঢুকে যেতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন), অতএব ইউরোপীয় উপনিবেশিকতার চৌহদ্দিতে গড়ে ওঠা সে আন্দোলন বাঙলা সাহিত্যে নতুন ধারা সৃষ্টি তো দূরে থাক,ন্যূনতম বিদ্রোহের আমেজও সৃষ্টি করতে পারেনি। যার অবধারিত ফলফলে এক সময়ের বিপুল...

আগমনী সভ্যতায়..

মেয়েটি জানালার ধারে বসে থাকে একা একা। বিস্তীর্ণ নীল আকাশটা একটু একটু করে কিভাবে ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায়! অবাক বিস্ময়ে তাই চেয়ে দেখে একাকী মেয়েটি। মেঘের পর মেঘ জুড়ে একসময় ঝুম বৃষ্টিতে চারধার একাকার হয়ে যায়। জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টি ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখে একাকী মেয়েটি।  কিন্তু বৃষ্টি কেন যেন প্রতিবার ওর বাড়িয়ে দেয়া হাতটাকে ফাঁকি দিয়েই পালিয়ে যায়। অদ্ভূত এক ঘোরের মধ্যে প্রতিদিনের পথচলা। কোনো রোমান্টিসিজম কিংবা সাময়িক ফ্যান্টাসি নয়, বৃষ্টিকে মেয়েটি ভালোবাসে। নীল শাড়ি পরে চুল ছেড়ে দিয়ে বৃষ্টিতে নেচে বেড়াতে তার খুব ইচ্ছে করে। কিন্তু ইট কাঠ পাথরের শহরে সেই স্বপ্ন যে পূর্ণ হবার নয়। তাই...

কামালপুরের যুদ্ধ — অজানায় থাকা এক বীরত্বগাঁথা (প্রথম পর্ব)

গত শতাব্দীকে বোধহয় আমরা সবচে নৃশংসতম শতাব্দীও বলতে পারি। সভ্য হওয়ার সবচে সাহসী দাবীদার এর আগে এতো রক্তপাত করেছিল কিনা আমার জানা নেই। যেমন ব্যাপক প্রাণঘাতী যুদ্ধের বেশ কয়েকটিই গত শতাব্দীর উদাহরণ দিয়ে শেষ হবার নয়। যেমন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা প্রায় ১২ মিলিয়ন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ৬০ মিলিয়ন, ভিয়েতনাম যুদ্ধে প্রায় ৫ মিলিয়ন এবং কঙ্গো যুদ্ধের প্রায় ৪ মিলিয়ন প্রাণহানি। আর আমাদের এই বঞ্চিত-লাঞ্ছিত বাংলায় একাত্তরে প্রাণ দিতে হয় প্রায় ৩ মিলিয়ন মাত্র ৮ মাস ২০ দিনে। মৃতের সংখ্যা কেবলই বর্বরতার ভয়ংকরতম চেহারা ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম নয়। আমরা এইসবের কিছু ধারণা পায় বিশ্ব-চলচ্চিত্রের কিছু অসাধারণ কাজ থেকে তার থেকে বেশী...

হাংরি আন্দোলন — এক অভূতপূর্ব দ্রোহের বিস্ফোরণ…

হাংরি আন্দোলন, বাঙলা সাহিত্যের এক অদ্ভুত ক্রান্তিকালে আরও অদ্ভুতুড়ে এক আন্দোলনের নাম।মাত্র ২১ বছর বয়েসে কলকাতার কবি মলয় রায় চৌধুরীর মাথার পেছন দিকের গ্রে সেলগুলোতে যখন এই আন্দোলনের দামামা প্রথম বেজে উঠল, তখন কেউ হয়তবা ধারনাও করতে পারেননি যে একসময় এই আন্দোলনই পাল্টে দেবে রবীন্দ্র-নজরুল পরবর্তী বাঙলা সাহিত্যের স্রোতধারা, বদলে দেবে অন্য সংস্কৃতি থেকে ধার করা ময়ুর পুচ্ছ দিয়ে কালজয়ী সাহিত্য তৈরির মত সাময়িক আত্মঘাতী প্রবনতাকে…   স্বদেশী আন্দোলনের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী নেতাদের দেখানো এক সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত দেশের স্বপ্ন যখন টকে গিয়ে পচতে শুরু করল আর সেই পচনের ধারা ধীরে ধীরে বাঙলা সংস্কৃতির সৃজনশীলতাকে খেতে শুরু করে কালজয়ী সাহিত্যিক জন্মাবার সব... puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

“Led Zeppelin” – স্বর্গের সিঁড়ি নির্মাণ করেছে যে গানের দল

লেড জেপিলিন (Led Zeppelin) ১৯৬৮ সালে লন্ডনে যাত্রা শুরু করা একটি রক ব্যান্ড।  গিটারিস্ট জিমি পেইজ, গায়ক বা ভোকাল  রবার্ট প্ল্যান্ট,  বেইজিস্ট এবং কি-বোর্ডিস্ট জন পল জোন্স এবং  ড্রামার জন বনহ্যাম  এর হাত ধরেই এই ব্যন্ডের জন্ম। ব্লুজ ওরিজিন এবং ফোক ধাঁচের গানের সাথে তাদের ব্যতিক্রমী হেভি মেটাল ধারার ইউনিক সঙ্গিত মূর্ছনা শুরুতেই বিশ্ব সঙ্গীত বোদ্ধাদের নজর কাড়ে। ‘ইয়ার্ড বার্ড’ দল গঠন করলেও তারা প্রথম সাইন করে অ্যাটল্যান্টিক রেকর্ডের সাথে ‘লেড জেপিলিন’ (Led Zeppelin) নামে।   ১৯৬৯ সালেই তাদের নাম শিরোনামের দুতি এ্যালবাম প্রকাশিত হয়; লেড জেপিলিন এক এবং লেড জেপিলিন দুই অর্থাৎ  Led Zeppelin (1969) ও Led Zeppelin II (1969)। এরপর ১৩ বছরের ব্যান্ড কেরিয়ারে তাঁরা...

শহীদ জননী জাহানারা ইমাম

কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ এবং ঘাতক দালাল বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী শহীদ জননী জাহানারা ইমাম ১৯২৯ সালের ৩ মে জন্মগ্রহণ করেন। একাত্তরে তার জ্যেষ্ঠ পুত্র শফি ইমাম রুমী কয়েকটি গেরিলা অপারেশনের পর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন। পরবর্তী সময়ে নির্মমভাবে শহীদ হন। বিজয় লাভের পর রুমীর বন্ধুরা রুমীর মা জাহানারা ইমামকে সকল ‘মুক্তিযোদ্ধার মা’ হিসেবে বরণ করে নেন। রুমীর শহীদ হওয়ার সূত্রেই তিনি “শহীদ জননী”র মযার্দায় ভূষিত হন। জন্ম, শৈশব ও শিক্ষাঃ জাহানারা ইমামের জন্ম ১৯২৯ সালের ৩ মে মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামে। ত্রিশ ও চল্লিশের দশকের রক্ষণশীল বাঙালী মুসলমান পরিবার বলতে যা বোঝায়, সেরকম একটি পরিবারেই তিনি জন্মেছিলেন। তাঁর পুরো নাম জাহানারা...

side effects of quitting prednisone cold turkey
posologie prednisolone 20mg zentiva