Category: ইতিহাস

missed several doses of synthroid
will i gain or lose weight on zoloft

একটি ভাষন একটি জাতির ইতিহাস ।

বাঙালি স্বাধীনতার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস “মার্চ মাস”।কারণ ’১৯৭১’ সালের এই মার্চ মাসেরই ২৫ তারিখ গভীর রাতে, মানে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা এসেছিলো।শুধু তাই না, ২৫ মার্চ গভীর রাতে, এদেশের নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গণহত্যা চালায় পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী।আরও একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা আছে এই মাসে। সেটি হচ্ছে- ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ। কিন্তু ৭ মার্চের প্রেক্ষাপট হঠাৎ করেই তৈরি হয়নি।যদি অন্তত ১৯৪৭ সালের পর দেশ বিভাগের পর থেকে পাকিস্তান শাসনকাল ধরি, তাতেও প্রায় দুই যুগের ইতিহাস।পাকিস্তান স্বাধীন হবার পর থেকেই, পশ্চিম পাকিস্তানিরা আমাদের বাঙালিদের ওপর নানাভাবে অত্যাচার চালিয়ে আসছিলো। যেন আমাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোনো দামই ছিলোনা তাদের কাছে।১৯৪৭... viagra en uk

clomid over the counter

আলোচনার শীর্ষে যখন ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ !!

গত রোববার চার অস্ত্র ও গ্রেনেডধারী উরির সামরিক ঘাঁটিতে ঢুকে হামলা চালিয়ে ১৭ ভারতীয় সেনাকে হত্যা করে; হামলায় আহত হন আরও ৩৫ জন। পরে হামলাকারীরাও পাল্টা গুলিতে মারা যান।কাশ্মীরে হামলা চালিয়ে ১৭ জন ভারতীয় সেনাকে হত্যার পর ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশে উত্তেজনা বিরাজ করছে।উরি সেনাঘাঁটিতে হামলার ঘটনায় সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করেছে ভারত ।অন্যদিকে এই হামলা ভারতেরই সাজানো ঘটনা।আর পাকিস্তান পাল্টা অভিযোগ করছে কাশ্মীরে তীব্র সহিংস গণবিক্ষোভ থেকে দৃষ্টি ফেরানোর চেষ্টা করছে ভারত। যে বিশেষ সময়ে ঘটনাটি ঘটেছে, তা থেকেই সেটা স্পষ্ট বলে পাক সংবাদপত্রগুলোর দাবি।বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক-টুইটারের মাঝেও ক্রমশ উত্তেজনার ফলেই চুলচেরা বিশ্লেষন করছে বিভিন্ন দেশের সাধারণ রাজনৈতিক...

তাজউদ্দীন আহমদঃ যিনি লড়েছিলেন স্রোতের বিপরীতে

  ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই দিবাগত রাতে দরদরিয়া গ্রামে কান্নার তীব্র চিৎকারে যে শিশু তার আগমন বার্তার খবর শুনিয়েছিল, তাকেই আমরা আরো ৪৫ বছর পর নতুন এক স্বাধীন দেশের ঊষালগ্নে ক্রন্দনরত অবস্থায় দেখতে পাব। সারাজীবন স্রোতের বিরুদ্ধে সাতার কাটা এই মহান লোকের নাম-ধর্ম-জাত সবকিছুই বিকৃত করে দিয়েছিল তখনকার শাসক-শোষকরা। তারা রটিয়ে দিয়েছিল যে, তিনি কোন মুসলমান নয়, তিনি একজন ভারতীয় হিন্দু, আসল নাম তেজারাম। পাকিস্তানকে ভাঙ্গার জন্যেই তিনি পাকিস্তানে প্রবেশ করেছেন। এমনকি ১৯৭১ এ একজন পাকিস্তানি অফিসার তাঁর শশুরকে জিজ্ঞেস করেছিল, “ সৈয়দ সাহেব, আপনি ছিলেন আরবি প্রফেসর এবং ইসলাম ধর্ম সম্বন্ধেও আপনার অগাধ জ্ঞান রয়েছে। অথচ আপনার মেয়ের কি... cialis new c 100

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

গণহত্যা ১৯৭১: ভয়াবহতার চিত্র

যে কোন গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী, ভুক্তভোগী ও উপস্থিত সাক্ষীদের সংখ্যা যতবেশী কমতে থাকে সে গণহত্যার অস্বীকারকারীদের সংখ্যাও ততবেশী বাড়তে থাকে। এমন না যে, তারা সরাসরি সম্পূর্ণ ঘটনাকে অস্বীকার করে ফেলে, বরং ঘটনাটাকে স্বীকার করেই ঘটনার ভয়াবহতার ও নৃশংসতার তীব্রতা ও মাত্রা কমানো শুরু করে। একাত্তরেপাকিস্তানিরা যে ধরণের নির্যাতন করেছিল তার ভয়াবহতা কিংবা ব্যাপকতা আমাদেরএই প্রজন্মের কাছে অনেকটা অকল্পনীয়, কখনো কখনো অবিশ্বাস্য মনে হয়। এই সুযোগটা আজে লাগিয়ে কিছুটা সত্য ও কিছুটা মিথ্যের আশ্রয়ে বিভিন্ন যুক্তির জাল বিস্তার করে এই অস্বীকারকারীরা সহজেই নতুন প্রজন্মের মগজ ধোলাই করে  এবং এর ফলশ্রুতিতে যা হয় সেটার প্রভাব  আমাদের দেশের চতুর্দিকে বিদ্যমান। ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যা...

দ্যা জামায়াতে ইসলামী এজেন্ডা (প্রথম পর্ব)

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ দলটা প্রচণ্ড বুদ্ধিমান একটা টিম। দেশের সবচেয়ে তুখোড় মেইনস্ট্রিম রাজনীতিবিদের থেকেও অনেক গুন বেশি রাজনীতি তারা বুঝে। ক্ষমতায় যাওয়া এদের মূল লক্ষ্য নয়, এটা তাদের প্লানের একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। ওদের প্লান আরো অনেক বড় এবং তারা যাই করুক না কেন সব কাজই ওই বড় ছবিটা বাস্তবায়নের জন্য করে। ফাইন্যান্সিয়াল দিক থেকে জামায়াত সবচেয়ে সচ্ছল দল বলা যায়। এর বিভিন্ন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ওরা বছরে প্রায় ২৭৮ মিলিয়ন প্রফিট করে যার ১০% খরচ হয় জামায়াত আর তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পেছনে। এর সাথে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অনুদান তো আছেই।“Apart from its business earnings, Jamaat has been receiving...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

মুজিব বাহিনী : স্বাধীনতার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর বিকল্প পরিকল্পনা

[এই লিখাটি মুজিব বাহিনীর পূর্নাঙ্গ ইতিহাস নয়, বিভিন্ন প্রাপ্য তথ্যের ভিত্তিতে জানার চেষ্টা মাত্র।] সাবেক ভারতীয় সেনাপ্রধান স্যাম মানেকশ এর এক সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায় তাজউদ্দিন আহমেদ এর সাথে আলোচনার পর শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী তাকে ডেকে বাংলাদেশকে সামরিক সহায়তা দেয়ার ব্যাপারে তাদের প্রস্তুতি কেমন তা জানতে চান। পাশাপাশি বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতেও নির্দেশ দেন। উক্ত নির্দেশের প্রেক্ষিতে ১৫ই মে ১৯৭১ থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনী আনুষ্টানিকভাবে আমাদের মুক্তিবাহিনীকে সহায়তা প্রদান শুরু করলেও তার আগে থেকেই তারা বিভিন্ন রকমের সহায়তা দেয়া শুরু করে। ২৫শে মার্চ দিবাগত রাতে তাজউদ্দিন আহমেদের গোপনে ভারত যাত্রা এবং সেখানে পৌঁছে কিভাবে কি হয়েছিল সে ব্যাপারে বিস্তারিত অন্যদিন।...

can levitra and viagra be taken together

গণহত্যাকে অস্বীকারঃ গণহত্যারই একটা অংশ

পাকিস্তান ৭১ এ ত্রিশ লক্ষ লোক হত্যা করেছিল, এটা মেনে নিলেও পাকিস্তান গণহত্যা করেছে, এটা মানতে আমাদের অনেকেরই আপত্তি। “তখন যুদ্ধ চলছিল দেশব্যাপী, যুদ্ধের সময় এমন হবেই” – তাদের যুক্তিটা অনেকটা এ ধরণের। আমার এই লেখাটা শুধুমাত্র এই “যুক্তি”কে ঘিরে, তবে লেখাটা মৌলিক নয়।  ১৯৯৬ সালে প্রখ্যাত গবেষক Dr. Gregory H. Stanton একটা আর্টিকেল লিখেন “8 stages of genocide” নামে; যেখানে তিনি একটি গণহত্যা সংগঠনের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে বিশদ আলোচনা ও বিশ্লেষণ করেছিলেন। তাঁর কাজের ওপর ভিত্তি করে আমাদের উপর সংগঠিত গণহত্যাটিকে আমি তুলনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছি।   প্রথমেই দেখি, গণহত্যা বা Genocide বলতে আমরা কি বুঝি? Genocide  এর...

বাংলা মায়ের স্বাধীনতা

বর্ষপরিক্রমায় দিন আসে দিন দিন যায়।মহাকালের অনন্ত পরিক্রমায় প্রবাহমান এমনি অসংখ্য দিনক্ষনের হিসাব কে রাখে?তবু বর্ষপঞ্জির শেকেলে বেধে রাখার চেষ্টা করি।২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস,২৫ শে মার্চ সেই ১৯৭১ সালের কালজয়ী বাঙ্গালীর রক্তঝরা বিভীষিকা রাত এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস আমাদের বর্ষপঞ্জির এমনি একটি দিন যা রক্তের আখরে লেখা।এই মহান দিনগুলা আজ শুধু বর্ষপঞ্জিকাতেই দিনকে দিন আটকে যাচ্ছে আমাদের বাঙ্গালী জাতির চেতনায়। কিন্তু চেতনাতো বসে থাকার পাত্র নয়।খোচা দেওয়াই যার স্বভাব,সংগ্রামই যার লক্ষবস্তু,প্রতিবাদই যার কন্ঠস্বর সেই চেতনা কি আর বসে থাকবে?না তা হতে পারে না।চেতনার মিতালী যাদের সাথে তারা এখনো দূর্বল।কিন্তু চেতনা তো চেতনাই।দূর্বলকে সবল করাইতো চেতনার কাজ।সব কিছুরই... about cialis tablets

renal scan mag3 with lasix

শহীদ বুদ্ধিজীবি হত্যা দিবস

১৯৪১ সালে পাকিস্তানে সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদীর হিন্দু বিদ্বেষ আর ব্রিটিশপ্রীতি ধারণ করে জামায়াতে ইসলামীর জন্ম দিয়েছিলো। বাংলাদেশের জামায়াতীরাও হিন্দু বিদ্বেষে টইটুম্বুর। তদুপরি যেসব প্রগতিশীল চিন্তা- চেতনা এবং উদার সমন্বয়বাদী, মানবতাবাদী, অসাম্প্রদায়িক-ধর্মনিরপেক্ষ দর্শনের ভিত্তিতে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।তারই প্রেক্ষিতে ১৯৪৭ সালে যে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তা নির্ধারণ করে ভারত ভাগ হয়েছিল, পাকিস্থান নামের এক নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল, সেই দ্বিজাতি তত্ত্ব যে এদেশের মানুষের কোন মঙ্গল বয়ে আনতে পারেনি তা অচিরেই প্রমাণিত হয়ে গিয়েছিল। এই তথাকথিত দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে সৃষ্ট পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্থানের মাঝে পরিলক্ষিত হচ্ছিল নানা রকম অসঙ্গতি আর অসন্তোষের।কখনও সামরিক শাসনের নামে,কখনও বা গনতন্ত্রের নামে ঘৃন্য অপকৌশল প্রয়োগ করে...

viagra in india medical stores
tome cytotec y solo sangro cuando orino
nolvadex and clomid prices

শহীদ নূর হোসেন দিবস (‘গণতন্ত্র মুক্তিপাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’)

আমাদের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পথ কখনো মসৃণ ছিল না। স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের আপনজনদের নৃশংসভাবে হত্যা,৩ নভেম্বর জেলের ভিতরেই হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের চার স্তম্ভ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী চার জাতীয় নেতা -তাজউদ্দিন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, আ.হ.ম কামরুজ্জামান এবং মনসুর আলীকে।এবং ৩ নভেম্বরের ধারাবাহিকতায় সংঘটিত হয় ৭ নভেম্বর সিপাহী বিপ্লবের মত জগন্যতম ইতিহাস।যার মধ্যদিয়ে এ দেশে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা রুদ্ধ হয়। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য বাংলার জনগণ আন্দোলন করে। ১৯৮৭ সালের নভেম্বর মাস। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন তখন তুঙ্গে। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর ছিলো অবরোধ দিবস। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্দোলন-সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ এক দিন। সারা দেশ থেকে...

can your doctor prescribe accutane

একজন হিটলারের গল্প

অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ অ্যাডলফ হিটলার ১৮৮৯ সালের ২০ এপ্রিল জার্মানির সীমান্তবর্তী ব্রাউনাউ-আম-ইন গ্রামে দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবার নাম ছিল Alois ও মায়ের নাম ছিল Klaaraa.ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যতা ছিল তার নিত্যসঙ্গী। ।হিটলার যিনি জার্মানিতে জন্মগ্রহণ না করেও জার্মানির চ্যান্সেলর হয়েছিলেন অথচ তিনি জন্ম নিয়েছিলেন অস্ট্রিয়ায়।যতটুকু জানা যায়, আলোইসের মা মারিয়া আন্না ও সিকেলগ্রাবার প্রতিবেশি মিলশ্রমিক জোয়ান জর্জ হিটলারের মিলিত ফসল এই আলোইস হিটলার। সে হিসেবে হিটলারের দাদা ছিলেন একজন ইহুদি। হিটলারের বাবার কোনো জাত ছিল না। সোজা বাংলায় বললে বলা যায় হিটলার ছিলেন একজন জারজ সন্তান। তিনি জীবনের অনেকটা সময় শেষ নাম হিসেবে তার মায়ের নাম ব্যবহার করেছিলেন।...

সিপাহী বিপ্লবের ইতিহাস এবং একজন মেজর জিয়া

১৯৪৭ সালে যে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তা নির্ধারণ করে ভারত ভাগ হয়েছিল, পাকিস্থান নামের এক নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল, সেই দ্বিজাতি তত্ত্ব যে এদেশের মানুষের কোন মঙ্গল বয়ে আনতে পারেনি তা অচিরেই প্রমাণিত হয়ে গিয়েছিল। এই তথাকথিত দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে সৃষ্ট পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্থানের মাঝে পরিলক্ষিত হচ্ছিল নানা রকম অসঙ্গতি আর অসন্তোষের।ভাষা আন্দোলন এবং ষাটের দশকের ঘটনা প্রবাহের ধারাবাহিকতায় এলো একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ।স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্বাহ্নেই শোষক পাকিস্তানী প্রশাসন বুঝতে পেরেছিল এদেশের সহজ-সরল মানুষগুলোকে আর শাসন-শোষন করা যাবেনা।বাঙ্গালী জেগে উঠেছে। এদেশে পাকিস্তানী স্বৈরশাসকদের পতন অনিবার্য।এটা কেবল কিছু সময়ের ব্যাপার মাত্র।এই পরাজয়কে সহজে মেনে নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব ছিলনা।তাই হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী আর তাদের...

জাতীয় কলঙ্কময় জেল হত্যা দিবস

১৯৪৭ সালে যে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তা নির্ধারণ করে ভারত ভাগ হয়েছিল, পাকিস্থান নামের এক নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল, সেই দ্বিজাতি তত্ত্ব যে এদেশের মানুষের কোন মঙ্গল বয়ে আনতে পারেনি তা অচিরেই প্রমাণিত হয়ে গিয়েছিল। এই তথাকথিত দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে সৃষ্ট পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্থানের মাঝে পরিলক্ষিত হচ্ছিল নানা রকম অসঙ্গতি আর অসন্তোষের। ফলশ্রুতিতে পূর্ব পাকিস্থানের বিলুপ্তি ঘটলো, জন্ম হলো ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরে স্বাধীন স্বার্বভৌম বাংলাদেশ নামক নতুন আরেকটি দেশের । স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্বাহ্নেই শোষক পাকিস্তানী প্রশাসন বুঝতে পেরেছিল এদেশের সহজ-সরল মানুষগুলোকে আর শাসন-শোষন করা যাবেনা।বাঙ্গালী জেগে উঠেছে। এদেশে পাকিস্তানী স্বৈরশাসকদের পতন অনিবার্য।এটা কেবল কিছু সময়ের ব্যাপার মাত্র।এই পরাজয়কে সহজে মেনে...

সহীহ ইতিহাসনামা

(এক) ইতিহাস পড়ি এটাই শেষ কথা নয় আমার হাতেই রচিত হবে আগামীর ইতিহাস। ইতিহাসের একজন লেখকের বই পড়লে সব বুঝা যায়। দুই জনের পড়লে তুলনামূলক নিজ আদর্শে সত্য মিথ্যা অনুধাবন ও নির্ণয় করা যায়। বেশি লেখকের বই পড়লে দ্বিধায় পড়তে হয়। কোনটা ঠিক আর কোনটা ঠিক নয়। একজন ঐতিহাসিক সময়ের স্বাক্ষী না গোপালের স্বাক্ষাী হয়ে সত্য মিথ্যা যা হউক যাচাই না করে নিজ আদর্শ, নিজ বিশ্বাস, নিজ পক্ষীয় ইতিহাস রচনা করে। ভবিষ্যৎ সেই ইতিহাস পড়ে নতুন প্রজন্ম কি জানবে? একথা আর নতুন করে না বলাই শ্রেয়। ইতিহাস সৃষ্টি থেকে আজ অবধী ঐতিহাসিকগণ ছিলেন তাদের সিংহ ভাগ ছিলেন কোন না কোন...

বই পর্যালোচনাঃমিরপুরের ১০টি বধ্যভূমি

“বিহারীরা আমার বোন আমেনাকে ড্রামের পেছন থেকে বের করে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।আমার বোন চিৎকার করে বাঁধা দেবার চেষ্টা করে,পরে তাঁর দেহটি হঠাৎ নিথর হয়ে যায়। সেই নিথর দেহের উপর পালাক্রমে চলে ধর্ষণ। ধর্ষণ শেষ হলে নিথর দেহটিতে তিনটি গুলি করে” … বর্ণনা দিতে গিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে যান মোমেনা বেগম। প্রায় ২ ঘন্টা পর স্বাভাবিক হলে তিনি আরও জানান- “লাশগুলো মিলিটারি ও বিহারীরা টেনে গাড়িতে করে কালাপানি বধ্যভূমির দিকে যায়।আমি পালিয়ে গাবতলীতে আত্মীয়ের বাসায় চলে যাই। প্রায় ২ মাস প লুকিয়ে পরিবারের লাশের সন্ধানে “কালাপানি বধ্যভূমিতে” যাই। গিয়ে দেখি যেন একটা মৃত্যুপুরী। অসংখ্য মানুষের ছড়ানো ছিটানো লাশ আর লাশ। কিছু কিছু...

ভাষার দাবিতে এক লড়াকু যোদ্ধা

  পাকিস্তান সৃষ্টির ঠিক ছয় মাস দশ দিন পর, ২৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৪৮ সালে করাচিতে পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে  পূর্ব বাংলার কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সংশোধনী প্রস্তাবে ২৯নং বিধির ১নং উপবিধিতে উর্দু ও ইংরেজির পর ‘বাংলা’ শব্দটি যুক্ত করার দাবি জানান। তিনি যুক্তি উপস্থাপন করেন, পাকিস্তানের ৫টি প্রদেশের ৬ কোটি ৯০ লাখ মানুষের মধ্যে ৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষ বাংলা ভাষাভাষী। সুতরাং বিষয়টিকে প্রাদেশিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাংলাকে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর ভাষা হিসেবে দেখা উচিৎ। তাই তিনি গণপরিষদে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির দাবি করেন। লিয়াকত আলী খান সাম্প্রদায়িক বক্তব্যের ভিত্তিতে এই দাবী নাকচ করে দেন।...

স্বপ্নের খোঁজে

মানুষটার সাথে পরিচয় আমার কোনো কালেই ছিলোনা! প্রথম পরিচয় রিফিউজি ক্যাম্পে! হঠাৎ হঠাৎ কোথা হতে উদয় হতো! পিছে দু বস্তা চাল, 2 টিন তেল আর সামন্য চালনীতে পেঁয়াজ! পেঁয়াজ গুলো রেখেই আমগাছের নিচে বসে খানিকটা জিরিয়ে নিতো! পুরো রিফিউজি ক্যাম্প সারাক্ষম গমগম করে! সকাল বিকাল খাওয়ার সময় এলেই সবার ডাক পড়ে! সবাই সারিবদ্ধ ভাবে বসে পড়ে! দুটো মগ দিয়ে সদ্য পাকানো হলদে চালের পানি বিলোয়! কারো প্লেটেই খানিকটা বাড়ে না! একমুঠো চালের খিচুড়ি বহু আরাধ্য! সবাই চেটে পুটে খায়! এক বৃদ্ধাকেও প্রায়ই দেখতাম! গালের চামড়া ঝুলে গেছে! কিছুক্ষণ পরপর মাছি উড়তে থাকে! হাত দিয়ে তাড়ানোর শক্তি ও নেই! মাছি নির্ভয়ে... achat viagra cialis france

জেনে নাও তুমি কে

নতুন দিনের পথিক । চল একটু হাটি । যে পথে কেউ হাটে চায় না । পথে কেউ যেতে চায় না । যে পথে রয়েছে ধুলা আর বালি । চল না হাটি সে পথে । ফিরে দেখি কিছু সময় । ব্যস্ততার মাঝে একটু সময় ব্যয় করি । চল না পথিক । . ভাবছ কোথায় থেকে শুরু করি । চল ‘৪৭ থেকেই শুরু হোক । দেশ ভাগ হলো সাথে সাথে আমরাও ভাগ হয়ে গেলাম । পথিক জানো কি তখন থেকেই নির্যাতন আর নিপিরন এর স্টিম রোলার চলছে । সব কিছুতেই আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে । . চল এবার আসি ‘৫২ তে ।...

viagra vs viagra plus

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার রাজনৈতিক জীবন দর্শন

“সাত কোটি সন্তানেরে হে মুগ্ধ জননী রেখেছ বাঙ্গালী করে মানুষ করনি।”- কবির এ মর্মবেদনা অনেক পুরোনো।সেদিনের কবির চেতনায় আগুন ধরেছিল বঙ্গ সন্তানদের চেহারা দেখে।তাই বড় আফসোস করে কবি তার বেদনা দগ্ধ চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন কাব্যিক ছন্দে।কিন্তু আজ অনেক চড়াই উৎরাই ঘাত প্রতিঘাত আর উস্থান-পতনের মাধ্যমে স্বাধীনতার এতো বছর পরেও বাঙ্গালীর জাতির পিতা নিয়ে আমরা নষ্ট খেলা,ইতিহাস নিয়ে টানাটানি এবং অপবাদ নিয়ে মেতে আছি।আমরা আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যে, সংশয় এবং মানা না মানার মধ্যে দিয়ে যে নষ্ট খেলায় মেতে আছি তা শুধু আমাদের জন্য অপমান জনক না বরং তা আমাদের বিশ্বের মানচিত্রে অতি নগ্ন হিসাবেই পরিচিত লাভ করাতে দ্বিগুন...

accutane prices

দালাল আইনের ইতিবৃত্ত ও বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রেক্ষাপট

পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধদের বিচারের ব্যাপারটি প্রাচীন-কাল থেকেই চালু রয়েছে। গ্রীক পুরাণেও যুদ্ধাপরাধীর বিচারের কিছু বিবরণ পাওয়া যায়। মধ্যযুগেও রয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচারের নমুনা। ১৪৭৪ সালে হাগেনবাখের স্যার পিটারকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিলো। ১৮১৫ সালে পরাজিত ফরাসী সম্রাট নেপোলিয়ানকে অপরাধী ঘোষণা করে বৃটিশ সরকারের কাছে তুলে দেয় ভিয়েনা কংগ্রেস।ফলস্বরূপ ফলস্বরূপ সেইন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেয়া হয়েছিলো তাঁকে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের জন্য দায়ী জার্মানদের বিচারের দায়িত্ব জার্মান সরকারের ওপর ন্যস্ত করে মিত্র শক্তিসমূহ। ১৯২০ সালে ৪৫টি মামলার দায়িত্ব নিয়ে ১২ জনের বিচার করে জার্মানী এবং ছ’জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এ-বিচার ‘লাইপজিগ ট্রায়াল’ নামে পরিচিত। যুদ্ধাপরাধীদের লঘুদণ্ড প্রদানের কারণে এ-রায় মেনে নেয়নি মিত্র...