Category: অণুকাব্য

অণুকাব্যগুলো অশ্লীল নয়

১। ন্যাংটো হয়ে পুতুলগুলো আসে; যাই চাই তাই দেখিয়ে খিলখিলিয়ে হাসে। সবাই আমরা পুতুল হয়েই আছি। যেমনে তারা নাচায় তেমনি করেই নাচি। ২। গত মিনিটে হয়ে গেল আরও কটি ধর্ষণ, যাক, পর্দায় তারই দৃশ্য, কানে হেডফোন। লোলুপ দৃষ্টিতে গিলে খাচ্ছে যেন চোখ, অভুক্ত নরখাদকের চলছে যে রাজভোগ। ৩। কুপিয়ে ভেবেছ বাঁধবে হুরের সাথে জুটি, সার্চবক্সে লিখে দিলে ছোট্ট করে ‘চটি’, মহাপুণ্য পরে হয়ে যাক একটুখানি পাপ, মহান ঈশ্বর ক্ষমাশীল, করে দেবে মাফ। ৪। অণুকাব্যগুলো অশ্লীল? নাহ, কভু নয়! অশ্লীলতা কেবল মগজের ভাঁজে রয়। শব্দগুলোতে পেয়েছে তুমি খুব আঘাত? আঘাত কেবল দেয় মানুষেরই দুহাত। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২৬/০৪/২০১৬

সড়কীয় অণুকাব্য

১। রাস্তার ধারে জ্বলতে নিভতে থাকা একটি ভুতুড়ে ল্যাম্পপোস্ট, একা। তারই ঠিক নিচে দাঁড়িয়ে আমিও- নিভে যেতে থাকি হাজারবার জ্বলেও। ২। নিয়নের শীতল রোদে স্নাত হয়ে হিম বাতাসের ঝলক দেয় কাঁপিয়ে। থেমে আছি আমি, থেমে আছে সময়। ছুটে যাওয়া ব্যস্তদের বড় করুণা হয়। ৩। ঐ দূরে ভেজা পিচ কিংবা মরীচিকা, তপ্ত দুপুরে ভেজা শার্টে সড়কজুড়ে একা। দুপুরের নিঃসঙ্গতা ভয়ঙ্কর রাতের চেয়ে। হেঁটে যাই আইল্যান্ড ধরে সঙ্গী সূর্য নিয়ে। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ১৬/১১/২০১৫

তপ্ত অণুকাব্য

।১। সভ্যতা তুমি করেছ মহাপাপ প্রায়শ্চিত্ত তার বর্ধিত উত্তাপ।   ।২। গ্রীষ্ম তোর ফল খেয়েছি এবার দে ক্ষমা, অনেক দিয়েছিস গরম; শীতল বৃষ্টি নামা।   ।৩। শহরে বুকে বইছে মরুর তপ্ত লু হাওয়া। চলছে পানীয় আর আইসক্রিম খাওয়া।   -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ০৫/০৬/২০১৫

doctorate of pharmacy online

রোদ বৃষ্টির কাব্য

#১ একলা শালিক মেঘ পেরিয়ে ওই ঠোঁটে তুই এক ফোঁটা রোদ নিস; রাজকন্যের চোখের কোণে শিশির মুছে রোদটুকু রাখিস। #২ ইলশেগুড়ির আবছা পরশ যখন আসে আকাশ ধুয়ে, চায়ের ধোঁয়ায় থাকবি মিশে, উষ্ণ আমার দু’ঠোঁট ছুঁয়ে? #৩ যখন আমি খুব একাকী খুব ধোঁয়াশায় ক্লান্ত ভবঘুরে, মেঘ হয়ে যাও, বৃষ্টি নামাও। নীল হয়ে এসো উড়ে। #৪ খুব বোশেখের প্রবল রোদে শেষ বিকেলের মেঘ হবি তুই? যেমন আমি কালবোশেখি সন্ধ্যে হয়ে সিক্ত চোখের পাঁপড়িটা ছুঁই। অনেক অনেক অনেক উঁড়ে আমার ঝড়ে মিলিয়ে যাবি? আমার ছায়া হবি কি তুই? বৃষ্টি হয়ে দু’ঠোট ছুঁবি? #৫ যখন তুমি মিষ্টি আঁচে রৌদ্র স্নানে থাকো, তখন না হয়... clomid over the counter

নারী অণুকাব্য

১ পূর্ণাঙ্গ সৃষ্টি তো তুমিই হে নারী পুরুষ সে তো খসড়া তোমারি। নারী,বেরিয়ে আস শিকল ছাড়ি- চিৎকার করে বল- আমি সব পারি!   ২ সে সকল নারীবাদে আমি অবিশ্বাসী নারীবাদের নামে যারা পুরুষ বিদ্বেষী। নারী-পুরুষ হাতে হাত রেখে পাশাপাশি ফুটে উঠুক বিশ্বে সাম্যবাদের হাসি।   ৩ নারী তুমি স্বাধীনভাবে পথ চলো, মুখ ফুটে যা বলতে চাও তা বলো, সকল বাধারে ফেলে পদতলে দলো, নারী-পুরুষ সাম্যের আলো জ্বালো।   -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ০৮/০৩/২০১৫   -আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শুভেচ্ছা metformin gliclazide sitagliptin

can your doctor prescribe accutane

ভাষাদিবসের অণুভাষ্য

এক ——- ভালবাসা ভাসা ভাসা হলে ভিনদেশি শিকারী ঈগল দীঘল ডানায় ভাসে জাতিয় আকাশে আর ফ্যাকাশে ইঁদুরছানা মরে ভয়ে ভয়ে—   বর্ণমালার ঘরে- অজগর তেড়ে আসে অ-এ   দুই —– প্রেম আজ-   বন্দি ফ্রেমে নদীবুক-   ভর্তি পানায় মা তোমার-    অ আ ক খ-র ঘরে দেয়-    বর্গী হানা

হরতাল অণুকাব্য

১ শুক্র আর শনি বাদে হরতালে দেশ কাঁদে। ২ আজিব শহর ঢাকা, নাই তো একটু ফাঁকা। আগে দিলে হরতাল- রাস্তায় ছেলেরা দামাল হইরই চল চল খেলব ক্রিকেট-ফুটবল। ৩ হরতাল দাও তবুও ম্যাম, রাস্তায় কেন এত জ্যাম? ৪ অবরোধের উপর হরতাল- অর্থনীতি বড় বেসামাল। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ১৭/০২/২০১৫

অণুকবিতারা

এক/ প্রেমের ভেতরে কিছু সেঁকো বিষ থাকে- রাত্রি ঘুমিয়ে গেলে চুপি চুপিচুপি ডাকে। -_——   দুই/ পাখিটির বুকে আছে যতটুকু নীড় তারও চেয়ে বেশি নাচে পরিযায়ী ভীড়। ——– তিন/ নদী ছোটে যদি’ সুখে ফেলে রেখে চর ঘর থাকে একা ঘরে মন যাযাবর।

অণুকবিতা

এক/ তোমার শিরায় হাঁটে নিকোটিন ধারা, কোথায় ঘুমোবো আমি? বিছানা সাহারা। ******** দুই/ মা’র শাড়ি পুড়ে পুড়ে হয়ে যায় ছাই, চারদিকে এতো দাদা-! কাকে ডাকি ভাই?

জীবন বিষয়ক / শঙ্কর দেবনাথ

বলাই যায় না শুধু দলা দলা কষ্টরা দীর্ঘশ্বাস বেয়ে নেমে আসে ঘেমে যায় ঘর দোর মন   তবু চোর চোর খেলি রোজ খোঁজ করি একটা ভোরের   জীবনটা প্রেমের ঘোরের —-

cialis new c 100

বোকা আমি বোকা মন

সেই আগের মত নেই বদলে গেছে অনেক কিছু। এগিয়ে যাচ্ছে সবাই আগে আমিই শুধু তাকিয়ে পিছু। চারদিকে সব নতুনের খেলা, পুরোনো আমি, পাই অবহেলা, অবহেলিত কবিতারা আজ উঠছে জেগে, বিশ্বাসের সময়ে- মিথ্যা আমার ভাগে। বারে বারে আঘাত পেয়েও ছুটে যাই আঘাতেরই কাছে। আঘাত আর প্রবঞ্চনার মাঝেই আমার ভালোবাসা লুকিয়ে আছে। বোকা ছিলাম,তাই আছি,থাকব সারাজীবন- বিশ্বাস-অবিশ্বাসে আহত বোকা মন।

walgreens pharmacy technician application online

প্রতিভা

কবিতা লিখিও না বৎস চাঁদকে ঝলসানোর কলঙ্ক পাইবে রাষ্ট্রদ্রোহে জেলের ভাত পাইবে ধৈর্য সমগ্র ছাড়িয়া পলায়ন করিবে শব্দের মিল না খুঁজিয়া পাইবে   উপন্যাস লিখিও না বৎস প্রকাশককে করজোড় করিতে হইবে প্রেসে ঘুরিয়া জুতার তলা খোয়াইবে নকল করিয়াছ বলিয়া ভর্ৎসনা পাইবে মরিবার পরে স্বত্বের টাকাটিও না পাইবে   গান লিখিও না বৎস সমালোচনায় সুর ভুলিয়া যাইবে তাল লয়ে লোকসকল ছি ছি করিবে গলার চামড়া ফাটিয়া রক্ত আসিবে কি পার কি না পার বলিয়া লোক হাসিবে   গল্প লিখিও না বৎস দিশা হারাইয়া গুমরিয়া মরিবে অর্থ জানিতে চাহিয়া লোকে হাসিবে পত্রিকা আপিস ফেরত পাঠাইবে চুলা জ্বালানোর সরঞ্জামে ব্যবহৃত হইবে   শুধু...

নির্ঘুম অণুকাব্য!

#১ একঘেয়ে সব আজকে রাত্রিভর। ঘুম নেই চোখে, ঘুমও স্বার্থপর। #২ আমি হব মধ্য রাতের পেঁচা, সবার শেষে রাতের স্বপ্ন করব কেনা বেচা। #৩ আজ মন খারাপের রাতে ইচ্ছেগুলোর সাথে একটুকু পথ হেঁটে দেবে কি চাঁদ অবধি যেতে? #৪ না হয় একবার মরে গেলাম। ক্ষতি কতখানি? অথবা সহস্রবার না হয় মরে যাই আমি। মরে যাক ভুল যত আছে জানি। অতপর রাত্রির পেঁচা হয়ে জন্ম আবার। তবুও ঠোঁটে লেগে থাক আমার আমৃত্যু ক্ষত। থাকুক যে ক্ষত নয় শুকোবার। না হয় থাকি আমৃত্যু অন্ধ যেথা তুমি নাই। দগ্ধ যন্ত্রণা থাকুক চোখে। লক্ষ্মীপেঁচার প্রেতাত্মা হয়ে অন্য ধরায় খুঁজিয়া বেড়াই। #৫ রাত কাটে নির্ঘুম,...

glyburide metformin 2.5 500mg tabs
acquistare viagra in internet
can levitra and viagra be taken together
zovirax vs. valtrex vs. famvir