Author: মিনহাজ শিবলী

সেই যাযাবর

সেদিনও দুই চাকায় ভর দিয়ে, বাতাসে লোহার ভেলা ভাসিয়ে; একলা ভ্রমণে, উদাসী চনমনে। খসখসে পিচের অমসৃণ প্রেমে সে যাযাবরের পা থাকেনা থেমে। যাচ্ছ কতদূরে? শুধায় ভবঘুরে। বিদ্রোহী সূর্যটা ঘাড়ে উঠে বসে, দিনের চাঁদটা তারে দেখে হাসে। পথ আঁকাবাঁকা, ঘুরে চলছে চাকা। পথের মায়ায় যাবে নাহয় হারায়ে, নাগরিক এসব কোলাহল তাড়ায়ে, সব পেছনে ফেলে, এক যাযাবর ছেলে। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ১২/০৩/২০১৭

চক্র

খুবই বিরক্তি নিয়ে ঘুম ভেঙে গেল। এত রাতে ঘুম ভাঙলে বিরক্ত হওয়া স্বাভাবিক। খুবই স্বাভাবিক। চারপাশে সব অপরিচিত। কোথায় ঘুমাইলাম আজ? নতুন জায়গায় ঘুমালে কিছুক্ষণ সময় লাগে কোথায় আছি বুঝতে। কিন্তু এ জায়গাটা কোথায়? আমি এখানে আসার ইতিহাস কী?   কোথায় যেন খুটখুট শব্দ হচ্ছে। শব্দটা বন্ধ হয়ে গেল। ঘুম ভাঙিয়েই বন্ধ হতে হবে? আবার ঘুমানোর চেষ্টা করব? নাকি কোথায় আছি বুঝব? শব্দ হচ্ছিল কোথায় দেখব?   আরাম আর কৌতুহলের যুদ্ধে আরাম আত্মসমর্পণ করল। বিছানা ছেড়ে নামলাম। সত্যিই এ জায়গা অপরিচিত। কখনও আসিনি এখানে। সুইচবোর্ড হাতড়ে বেড়াচ্ছি। দরজার পাশে পেয়ে গেলাম। সুইচ দিতেই আলোয় প্রায় অন্ধ হয়ে গেলাম। চোখে আলো...

চক্র

খুবই বিরক্তি নিয়ে ঘুম ভেঙে গেল। এত রাতে ঘুম ভাঙলে বিরক্ত হওয়া স্বাভাবিক। খুবই স্বাভাবিক। চারপাশে সব অপরিচিত। কোথায় ঘুমাইলাম আজ? নতুন জায়গায় ঘুমালে কিছুক্ষণ সময় লাগে কোথায় আছি বুঝতে। কিন্তু এ জায়গাটা কোথায়? আমি এখানে আসার ইতিহাস কী? কোথায় যেন খুটখুট শব্দ হচ্ছে। শব্দটা বন্ধ হয়ে গেল। ঘুম ভাঙিয়েই বন্ধ হতে হবে? আবার ঘুমানোর চেষ্টা করব? নাকি কোথায় আছি বুঝব? শব্দ হচ্ছিল কোথায় দেখব? আরাম আর কৌতুহলের যুদ্ধে আরাম আত্মসমর্পণ করল। বিছানা ছেড়ে নামলাম। সত্যিই এ জায়গা অপরিচিত। কখনও আসিনি এখানে। সুইচবোর্ড হাতড়ে বেড়াচ্ছি। দরজার পাশে পেয়ে গেলাম। সুইচ দিতেই আলোয় প্রায় অন্ধ হয়ে গেলাম। চোখে আলো সয়ে আসতে...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

জলদস্যু

মাস্তুলের চূড়ায় কাকের বাসায় রয়েছে আশায় যদি দেখা পায় কোন কিনারায় রামের নেশায় মাতাল হয়ে যায় তবু ভরসায় কালো পতাকায় খুলিতে তাকায় মজা লুটায় জলদস্যুতায়। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২৭/১০/২০১৬

নীল বাঘের পরাবাস্তবতা

ফুটপাথে পড়ে আছে ডানা ভাঙা প্রজাপতি; তখনও শহরে মেঘে রোদে খেলছে, হিমলকুচি করুণা নিয়ে দেখছে ব্যস্ততার দ্রুতি, নীল ডোরায় নীল বাঘ কেবল দুলছে। মগজ ধোলাইয়ের ধকল সামলে ঘুমের রাজ্যে- যেতে পায়ের তলে শিরশিরিয়ে ওঠে। তখনও নীল বাঘ ডানা ঝাপটায় খুশির অতিশয্যে, এক চিলতে রোদ যদি বা একটু জোটে। নীল বাঘকে নিয়ে উড়ে যায় সবুজ বাজপাখি। লু হাওয়াতে পুড়ে যাচ্ছে পালক। ডানা ভাঙা প্রজাপতির অন্তিমকালে এসে দেখি, তালি দেয় একদল মৃন্ময় বালক। খসে পড়ে নীল ডোরা, খসে পড়ে রঙ ও রেণু। মুছে যায় নাগরিক ছবি বৃষ্টিতে। নীল বাঘের জন্য প্রজাপতি বাজায় করুণ বেণু, পরাবাস্তব জীবনের সুর সৃষ্টিতে। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ০৫/০৮/২০১৬

metformin tablet

পুড়তে দেবে কি?

আলোর গতিতে ছুটছি; বাতাসে গগনবিদারী চিৎকার- চিরে দেয় নীরব রাতের আঁধার। তবুও আমি অজান্তে থেমেছি।   থামতে দেবে কি?   অসংজ্ঞায়িত ত্রিমাত্রিক বাস্তব। পালার মঞ্চে অভিনয়ের আকাল। রহস্যঘেরা অনিত্য আগামীকাল; অতীত এখন ঝাপসা সব।   মনে থাকবে কি?   হতে দাও কিছু অবিচার- দোষগুলো নিজেরাই ক্ষমা চায়, প্রেম রাতজাগা ভোরের অপেক্ষায়। সে আগুনে জ্বলে ছারখার।   পুড়তে দেবে কি?   সরে যাচ্ছি, হচ্ছি নির্বাসিত। ধ্রুব সঙ্গী অস্পৃশ্য এক ছায়া, প্রতিশোধ- এক নেশাময় মায়া। প্রেমের অস্ত্রে তীব্র আহত।   আঘাত হানবে কি?   সূর্যগ্রহণের আঁধারে ভীত- তবুও অসংখ্য আলোর কারণ ছেঁড়া বাঁধনে করছে বারণ সে আগুনেই হব মৃত।   পুড়তে দেবে...

zithromax azithromycin 250 mg
levitra 20mg nebenwirkungen

অসমাপ্ত

আমি শহরের কেন্দ্রস্থলে গিয়েছিলাম , আমি নিবিড় মনে ফুটপাথে হাঁটছিলাম। মানুষগুলো অবাক চোখে তাকিয়ে ; তাদের ঠিকরে আসা দৃষ্টি বেঁকিয়ে, আমি সবময়েই ছিলাম শান্ত। মানুষেরা কী কখনই জানতো- ঘুম ভেঙে প্রথম হৃদস্পন্দনের অনুভূতি? যখন আমি একা, বিরুদ্ধে (প্রায়) জাতি আমার হেঁটে যাওয়া দেখে তারা ভাবে কি- ঐশ্বরিক বাণী দেয় আমায় আবাবিল পাখি? আর প্রশংসনীয়রূপে যে অনুগ্রহ তালিমপ্রাপ্ত, সেখানে জরিমানা দাও , আমরা খুব অনুতপ্ত। ভেবেছিলাম আমার সবকিছু ছিল আমাদের ইচ্ছাগুলো নিজেদেরই দিল আত্মসম্মান। আর বাতির জন্য অপেক্ষা করে , আর মাংস ছেড়ে গেল,কিন্তু রুটিগুলো অভিশপ্ত নারে। এমনই এক শান্ত গ্রীষ্মের রাতে , মস্তিষ্ক ঝাঁঝরা করব আমি এক বুলেটে। -মিনহাজ উদ্দিন...

শব্দ করো না

শব্দ করো না। দেশ ঘুমাচ্ছে। জাতি ঘুমাচ্ছে। শশশসসস…. একদম কোন শব্দ করো না। মিছিল করো নীরবে। প্রতিবাদ হোক নিঃশব্দে। খবরদার জাগিও না। শব্দ করো না। দেশ ঘুমাচ্ছে। বিশ্ব ঘুমাচ্ছে। আমরা জেগেও ঘুমাচ্ছি। আকাশকুসুম স্বপ্ন দেখছি। জেগেও ঘুমিয়ে থাকা মানুষকে জাগানো যায় না। শব্দ করো না। আমরা সবাই ঘুমাচ্ছি। শুভ রাত্রি। শুভ স্বপ্ন।   -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ১৬/০৬/২০১৬

cialis new c 100

মুক্তির দাম

টিনের সেপাই এসে চালায় কাঠের তরবারি মৃত প্রজাপতি রঙ ছড়িয়ে যাচ্ছে উড়ি উড়ি, জনবিচ্ছিন্ন দ্বীপে আরেকটি নতুন প্রাণ- শেষ করতে দিচ্ছে নিষ্পাপ ধারাল ছুরি শান। পিয়নের এসে দিয়ে যাবে চিঠি- ঠিকানাবিহীন, পায়ের নিচে ফুটিয়ে যাবে হুল একটি আলপিন, প্রজাপতির অভিমানে ফিঙে হয়ে চলে গেলে- কতখানি অশ্রুজলের দামে তুমি মুক্তি কিনে নিলে। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২৯/০৫/২০১৬

নিয়ন ঈশ্বর, নাস্তিক অন্ধকার

হে অন্ধকার, আমার পুরোনো বন্ধু; আরেক দফা আড্ডা জমে উঠুক। কারণ এক দৃষ্টে তাকিয়ে থেকে তুমি তার বীজ রেখে গিয়েছিলে, আমি তখন বোধহয় ঘুমাচ্ছিলাম এবং দৃষ্টি যে আমার মস্তিষ্কের মধ্যে রোপণ করা হয়েছিল- সে এখনও বিদ্যমান, এখনও সবাক নীরবতা মধ্যে অস্থির স্বপ্নের জগতে আমি একা হাঁটি খোয়া আর বালি বিছানো সরু রাস্তায়। একটি রাস্তায় হলদে আলোর বাতি জ্বলে ওঠে কয়েকবার সুতীব্র চেষ্টায়। আমি শীতল এবং স্যাঁতসেঁতে অন্ধকারে লুকিয়ে যেতে অন্ধকারের বন্ধুত্ব পাই। আমার চোখ একটি নিয়ন আলোর ফ্ল্যাশ দ্বারা ছুরিকাহত হলে, সেই রাতে বিভক্ত চোখে জমজ দেখেছি এবং সবাক নীরবতা স্পর্শ করে নগ্ন আলোকে আমি দেখেছি সহস্র মানুষ, হয়তো আরো...

doctorate of pharmacy online

যান্ত্রিক কপোট্রন

মাথায় কপোট্রন -যেন যান্ত্রিক।   চিন্তাগুলো সব হিপোক্রেটিক, পথ হারিয়ে হয়ে যায় বেগতিক। মধ্যপন্থিহীন আস্তিক – নাস্তিক। মাথায় কপোট্রন – যেন যান্ত্রিক।   অভিশাপ দেয় কুমন্ত্রী তান্ত্রিক। বলির পাঁঠা জনতা সে প্রান্তিক। ঘিলুতে নয়, ঝামেলা আন্ত্রিক। শিল্পায়ন ভুলে হও প্রাকৃতিক।   আক্রান্ত কপোট্রন-যেন যান্ত্রিক।   সাদা কপোত- শান্তির প্রতীক। হল যে দাঙ্গা অতি সাম্প্রতিক। মিথ্যেবাদী নেতা – গণতান্ত্রিক। প্রোগ্রামড কপোট্রন – যান্ত্রিক।   -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ১৪/০৪/২০১৬

buy kamagra oral jelly paypal uk

অণুকাব্যগুলো অশ্লীল নয়

১। ন্যাংটো হয়ে পুতুলগুলো আসে; যাই চাই তাই দেখিয়ে খিলখিলিয়ে হাসে। সবাই আমরা পুতুল হয়েই আছি। যেমনে তারা নাচায় তেমনি করেই নাচি। ২। গত মিনিটে হয়ে গেল আরও কটি ধর্ষণ, যাক, পর্দায় তারই দৃশ্য, কানে হেডফোন। লোলুপ দৃষ্টিতে গিলে খাচ্ছে যেন চোখ, অভুক্ত নরখাদকের চলছে যে রাজভোগ। ৩। কুপিয়ে ভেবেছ বাঁধবে হুরের সাথে জুটি, সার্চবক্সে লিখে দিলে ছোট্ট করে ‘চটি’, মহাপুণ্য পরে হয়ে যাক একটুখানি পাপ, মহান ঈশ্বর ক্ষমাশীল, করে দেবে মাফ। ৪। অণুকাব্যগুলো অশ্লীল? নাহ, কভু নয়! অশ্লীলতা কেবল মগজের ভাঁজে রয়। শব্দগুলোতে পেয়েছে তুমি খুব আঘাত? আঘাত কেবল দেয় মানুষেরই দুহাত। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২৬/০৪/২০১৬ viagra in india medical stores

নস্টালজিয়া

শৈশব যেন আরেকবার ফিরে আসে- কাঁদছে মন বড় হবার ফাঁদে ফেঁসে।   অলস দুপুরে আধো তন্দ্রা ঘুম ভেঙে রৌদ্রস্নানে আমি আর গঙ্গাফড়িঙে কাটিয়ে দিয়েছি কত বেলা, জগত তখন কেবলই খেলা।   স্বাধীনচেতা শৈশব মন যা খুশি চায়। মাথায় ছিল না বোঝা, কর্তব্যের দায়। পাপেরা আমায় ভাবত বুঝি অচ্ছুৎ। গল্পে ছিল পরী, দৈত্যি-দানো, ভূত   হারিয়ে গেল কোন দেশে-   কৈশোর যেন আরেকবার ফিরে আসে- কাঁদছে মন বড় হবার ফাঁদে ফেঁসে।   বৃষ্টি মানে কাদা মেখে বল নিয়ে ছোটা – পুকুরে সাঁতার, ঝাঁপাঝাঁপি,মজা লোটা। যুক্তিহীন সেই সময় আবেগের, অর্থহীন কাজ, শুধু অপেক্ষা ডাকের।   ক্লাসের শেষে বন্ধু, আড্ডা আর হইচই- গল্প-গানে...

কবিতারা প্রতারণা করে না

এখনও রাস্তার নেড়ি কুকুরের মত ঘৃণ্য, তবুও কবিতারা প্রতারণা করে না। শেষ কাঁটাতারের বেড়া হয়েছে ছিন্নভিন্ন। কবিতারা পাশেই আছে, সরে না।   জোছনায় তারা গোনা অহেতুক মানুষকে কেন কবিতারা বড় ভালবাসে? হেঁটে বেড়ানো এক মৃত পঁচাগলা লাশকে দেখে কবিতারা কাছে আসে!   জঘন্যতম নিকৃষ্ট প্রজাতির দুদণ্ড শান্তিতে- কবিতারা নিজেদের করে উৎসর্গ। চারপাশ নরক ঘিরে রাখা প্রাণীগুলোকে কবিতারা দেখিয়ে যায় স্বপ্ন স্বর্গ।   ভ্রমে থাকা ‘পবিত্র’ প্রাণীগুলো চলে যায়। তবু কবিতারা প্রতারণা করে না। আঁধারে জোনাকির আলোয় পথ দেখায়- হাত ধরে কবিতারা কভু ছাড়ে না।   -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২৬/১১/২০১৫

ঘুমন্ত মানুষ, কাক ও দর্শক

একদল কাকের সভায় এক ঘুমন্ত মানুষ নেতা। গোলক নিয়ে ছুটছে দুদল, হয়না দর্শকের জেতা। ঘুমন্ত মানুষ ঘুমের ঘোরে আবোলতাবোল বকে; মন দিয়ে কেবল তাই শুনছে একশ একটা কাকে। গোলকখানা ছুটে আসে কাকের সভার মাঝে, উড়ে উড়ে কানের কাছে কা কা কর্কশ বাজে। ঘুমন্ত মানুষ ঘুমিয়েই থাকে জুড়ে পাঁচটি বেলা। তালি দিয়ে চেঁচায় দর্শক, বেশ জমেছে খেলা। ঘুমন্ত মানুষ ঘুমের ঘোরে এপাশ ওপাশ করে। তাইনা দেখে কাকেরা সব ফড়ফড়িয়ে ওড়ে। ছোঁ মেরে সব মাংস নিয়ে কাক বসে মগডালে। এইতো খেলা হবে যে শেষ আর কিছুকাল হলে। খেলা শেষে দর্শক ও কাক ফিরে যে যার বাড়ি। ঘুমন্ত মানুষ জেগে দেখে সব হারিয়েছে...

যখন নামিবে আঁধার

বৃষ্টিতে- যখন নামিবে আঁধার জোনাকির- সময় আলো জ্বালবার তারারা- জ্বলবে পুড়ে ঈর্ষায় তখন- ভিজব আমি বর্ষায় তবু- দেখবে না আমায় কেহ আমি- ছেড়ে দিয়েছি এ দেহ। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ০২/০১/২০১৬

অপার্থিবতা থেকে বলছি

হে জাগতিক মনুষ্য নামক ইতর প্রাণীর দল, আয়, আমায় দেখে যা। আমি ফিরে এসেছি। সীমানা থেকে ফিরে এসেছি, দেখেছি কত ছল। তোর পার্থিব ক্ষুৎপিপাসা-কামের গায়ে থু ছিটিয়েছি।     মুক্তি পাহাড় থেকে ফিরে এসেছি; আমায় যা দেখে। পাহাড়ের ওপাশে যাবার আগে ভুল ছিল ভারসাম্য। আরও কিছুকাল অভিনয় হোক মানুষের রঙ মেখে। অপার্থিবতা থেকে বলছি, প্রাপ্তি ছিল না কভু কাম্য।     বরণের মালা পায়ে পিষে, বিষে মিশে উদ্ভিজ্জোনি। তোর উইন্ডশিল্ডে এখনও লেগে আছে অপার্থিব গন্ধ, পবিত্র লোভে ফিরে এসে দেখি তোর জগত ভরা মন্দ। অপার্থিবতা থেকে বলছি, শোন মনুষ্য, বড় ইতর প্রাণী।   -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ০১/১১/২০১৫

side effects of quitting prednisone cold turkey

হতাশার আসর

গল্প শুনবে বালক? হতাশার গল্প? যে গল্পে অনেক আশা থাকে কিন্তু পাওয়ার হিসেব অল্প।   সে কি বালক যাচ্ছ কোথায় ফিরে? হতাশার গল্প শুনে না কেউ সবার জীবন আশা ঘিরে।   আসর বসিয়েছিলুম আশা নিয়ে হতাশার এক গল্প শোনাব বলে প্রতিধ্বনি আসে দেয়ালে গিয়ে।   ওহে বালিকা, দু দণ্ড সময় কি হবে? দেখে যাও কতরকম হতাশা। আশা? সে সব মিছে এ ভবে।   বালিকা! তুমি যাও কি বালকের সনে? হতাশ আসরে একাই থাকি, তোমরা বাঁধো আশা মনে।   ফিরে আসছ হে যুগল? কিছু জানতে? আশা ছিল কিনা এ আসরে? জবাব কি পারবে মানতে?   আশাপূরণ দেবী এসেছিল আসরে। কিনে নিল...

সংলাপ

১। -ওই যে দেখ আকাশে চাঁদ উঠেছে। -হেহ, আধখানা চাঁদের আবার কী দেখ? -দেখ, পথশিশুটির মুখে হাসি ফুটেছে। -ছিঃ! মমতা দেখায়ে গায়ে ধুলো মাখো? -এ আঁধারে আধেক চাঁদই দেবে আলো। -তো? পূর্ণিমার ভরা জোছনা সুন্দর বড়। -এ শিশুর হাসি তোমার চেয়ে ভালো। -তোমার কাছে মনে হয় এরাও বুঝি নর?   ২। -দেখ দেখ ছেলেটার পোশাক কি বাজে! -(নীরব) -আর ওই মেয়েটা কী বিশ্রী করে সাজে! -(নীরব) -আরেহ! দেখ ওরা কিসব ছাইপাশ খায়! -(নীরব) -এমন লোভী দৃষ্টিতে কেন এদিকে চায়? -(হাসি) সে ব্যথা বুঝতে তুমি যদি… -যদি বুঝতাম তবে? -ওদের জন্যই কাঁদত মন নিরবধি। -(নীরব) -আজ রেস্টুরেন্টে বিল করেছ কত? -(নীরব)...

posologie prednisolone 20mg zentiva
acquistare viagra in internet
zoloft birth defects 2013

সড়কীয় অণুকাব্য

১। রাস্তার ধারে জ্বলতে নিভতে থাকা একটি ভুতুড়ে ল্যাম্পপোস্ট, একা। তারই ঠিক নিচে দাঁড়িয়ে আমিও- নিভে যেতে থাকি হাজারবার জ্বলেও। ২। নিয়নের শীতল রোদে স্নাত হয়ে হিম বাতাসের ঝলক দেয় কাঁপিয়ে। থেমে আছি আমি, থেমে আছে সময়। ছুটে যাওয়া ব্যস্তদের বড় করুণা হয়। ৩। ঐ দূরে ভেজা পিচ কিংবা মরীচিকা, তপ্ত দুপুরে ভেজা শার্টে সড়কজুড়ে একা। দুপুরের নিঃসঙ্গতা ভয়ঙ্কর রাতের চেয়ে। হেঁটে যাই আইল্যান্ড ধরে সঙ্গী সূর্য নিয়ে। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ১৬/১১/২০১৫

tome cytotec y solo sangro cuando orino