Author: প্রাগৈতিহাসিক

প্রসঙ্গ ধর্ম : ইসলাম সম্পর্কে কত অজানা রে ! [ পর্ব # ১ ]

“প্রাক ইসলাম যুগের মক্কার অন্যতম দেবি আল লাত” ইসলাম ধর্মকে সুষ্পষ্টভাবে জানা ও বোঝার জন্যে এ সম্পর্কিত হাদিস ও ইতিহাসগ্রন্থ থেকে কিছু উদ্ধৃতি দেয়া হলো যা নিম্বরূপ- উটের যুদ্ধে আশারায়ে মুবাশশারার সদস্য তালহা ও যুবাইরসহ মোট ১৮,০০০ মুসলমান অন্য মুসলমানের হাতে শহীদ হন। খলিফা আবু বকরের শাসনামলে জান্নাতের সুসংবাদ লাভকারী আ. রহমান ইবনে আউফসহ কেবল ৮-জন সাহাবাকে ফতওয়া প্রদানের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছিল। বদর যুদ্ধে আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ মুশরিক হওয়ার কারণে তার জন্মদাতা পিতার মাথা তলোয়ারের এক আঘাতে বিছিন্ন করেন। নবীকে খুশী করতে যায়িদ ইবন হারিসা তার তালাকপ্রদানকৃত প্রাক্তন স্ত্রী যয়নাবের কাছে নবীর বিয়ের পয়গাম নিয়ে যান এবং বৃদ্ধা,...

৩০১৪ সনের পৃথিবীর মানুষ কিভাবে লিখবে ধর্মের ইতিহাস? ৩০১৪ সনের ঐতিহাসিকের দৃষ্টিতে পর্যালোচনা করা হচ্ছে পৃথিবীর প্রাচীন ধর্মের ইতিহাস :

প্রাচীন শিখ ধর্ম ২০১৪ সনের ৫০০ বছর আগে প্রাচীন পৃথিবীর লাহোরে গুরুনানক এক ব্যক্তি জন্ম গ্রহণ করেন। ঐ সময় প্রচলিত হিন্দু ও মুসলমান ধর্মের তুলনামূলক ভাল কথাগুলো নিয়ে তিনি নিজে একটি আলাদা ধর্মমত প্রচার করেন তার নাম ছিল ‘শিখ ধর্ম’। নানকের মতে সৃষ্টা ছিল ১-জন। ২০১৪ সনে পৃথিবীতে ২-কোটির অধিক শিখের বসবাস ছিল। ভাল মানুষ হওয়াই ছিল গুরুনানকের মূল কথা। তার উপদেশ সম্বলিত কিতাবের নাম ছিল আদিগ্রন্থ বা ‘গ্রন্থসাহেব’। হিন্দু ও মুসলমান ধর্মের ‘জগাখিচুরী’ ধর্ম হিসেবে ঐ সময়ের মুসলমানরা শিখ ধর্মের বিরুদ্ধে গেলে, মুসলমানদের থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যে শিখদের যুদ্ধবিদ্যা তথা আত্মরক্ষার কৌশল শেখানো হয়। যোদ্ধা শিখদের নতুন নামকরণ করা...

দুঃখমালায় পিষ্ট স্বপ্ন এবং হারিয়ে যাওয়া অতন্দ্রিলা

দু:খের অক্ষরে লেখা স্বপ্ন দেখিনা আমি অনেকদিন। নি:সঙ্গ কফিনের মতো নিবিঢ় ঘুম হয় আমার। তাই ঘনান্ধকারে স্বপ্ন পরীরা হয়তো জানালায় উঁকি দিয়ে চলে যায় নির্ঘুম মানুষের দ্বারে। ছোটবেলা ভয়াবহ সব স্বপ্ন দেখতাম আমি। নক্ষত্র ছিটোয় আকাশ থেকে পড়ছি তো পড়ছি কিংবা বান্ধববিহীন বিষাদে দৌঁড়ুচ্ছি ভাঙা কবরের উপর দিয়ে। চারদিকে লাশ, কোন কবর ভেঙে পড়ে যাচ্ছি আমি গলিত লাশের মাঝে।পথ শেষ না হওয়া এমন সব ভয়াবহ স্বপ্ন। তখন কেঁপে উঠতাম স্বপ্ন দেখে, মাকে জড়িতে ধরতাম ত্রাসে। এখন মা নেই। নি:সঙ্গতায় ঐসব স্বপ্ন এখন এলে কি করবো আমি? হঠাৎ অনেক অনেক বছর পর অতন্দ্রিলাকে স্বপ্ন দেখলাম আমি। অতন্দ্রিলা এলো আমার ফেসবুক বন্ধু... clomid over the counter

হৃদ হননের গান- মহুয়া মৌ কাঁদলো : কাঁদলো নন্দিনি, সুমাইয়া, চৈতি, প্রিয়া, ব্রতিতি, অনিন্দিতা আর ইতু

গণজাগরণের পর থেকে ফেসবুকে এসেছি আমি। এর মাঝে পেজে প্রায় ৯০০০ লাইকার আর আইডিতে কমবেশি ২০০০ এর মত বন্ধু জুটেছে আমার। কেউ কেউ বিরক্ত হয়ে আমায় আনফ্রেন্ড বা ব্লকও করেছে ইতোমধ্যে! একদিন মিরপুরের এক কলেজ পড়ুয়া মেয়ে আমার ইনবক্সে আবদার করলো, তাকে ‘এডমিন’ বানাতে হবে আমার পেজের। আমি যখন নানাবিধ প্রশ্ন করে না বানানোর কথা জানালাম তাকে, পরক্ষণের দেখি সে শুধু আমায় আনফ্রেন্ডই করেনি, ব্লক পর্যন্ত করেছে। ‘সাদিয়া সুমি উজ্জার’ পোস্ট পছন্দ করি, একবার দেখি সেখানে আনফ্রেন্ড আমি। তাকে ইনবক্সে জানানোর পর ফ্রেন্ডভুক্ত হয়েছি আবার, কিন্তু তার কোন পোস্ট বা লিঙ্ক আসেনা আমার আইডিতে। আমার মায়ের উপর একটা লেখা পড়ে... acne doxycycline dosage

metformin gliclazide sitagliptin

ত্রিশোত্তর বাঙলা কবিতায় কলাকৈবল্যবাদ, অস্তিত্ববাদ ও তিন দ্রোহি কবি [পর্ব -৩]

তৃতীয় দ্রোহি : সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (ইতোমধ্যে ১ম ও ২য় পর্ব পোস্ট দেয়া হয়েছে) আমার কথা কি শুনতে পাও না তুমি ? কেন মুখ গুঁজে আছো তবে মিছে ছলে ? কোথায় লুকাবে ? ধূ-ধূ করে মরুভূমি ; ক্ষ’য়ে-ক্ষ’য়ে ছায়া ম’রে গেছে পদতলে । আজ দিগন্তে মরীচিকাও যে নেই ; নির্বাক, নীল, নির্মম মহাকাশ । নিষাদের মন মায়ামৃগে ম’জে নেই ; তুমি বিনা তার সমূহ সর্বনাশ । কোথায় পলাবে ? ছুটবে বা আর কত ? উদাসীন বালি ঢাকবে না পদরেখা । প্রাকপুরাণিক বাল্যবন্ধু যত বিগত সবাই, তুমি অসহায় একা ।। ফাটা ডিমে আর তা দিয়ে কী ফল পাবে ? মনস্তাপেও লাগবে না...

ত্রিশোত্তর বাঙলা কবিতায় কলাকৈবল্যবাদ, অস্তিত্ববাদ ও তিন দ্রোহি কবি (পর্ব # ২)

[প্রথম পর্বের পর] দ্বিতীয় দ্রোহি : অমিয় চক্রবর্তী “অতন্দ্রিলা ঘুমোও নি জানি তাই চুপিচুপি গাঢ় রাত্রে শুয়ে বলি শোনো, সৌরভতারা ছাওয়া এই বিছানায় সুক্ষজাল রাত্রির মশারী কতদীর্ঘ দুজনার গেলো সারাদিন, আলাদা নিশ্বাসে- – – এতক্ষণে ছায়া ছায়া পাশে ছুঁই কি আশ্চর্য দুজনে দুজনা অতন্দ্রিলা হঠাত্ কখন শুভ্র বিছানায় পড়ে জোত্স্না দেখি তুমি নেই” হ্যা অতন্দ্রিলার এ কবিই আসলে অমিয়। ত্রিশোত্তর কবি হিসেবে পরিচিত জীবনানন্দ, অমিয় চক্রবর্তী ও সুধীন্দ্রনাথ দত্ত পাশ্চাত্য অনুসঙ্গে বাংলা ভাষায় কলাকৈবল্যবাদি কবিতা রচনা করে নিজস্ব অস্তিত্বকে করেছেন অনুরণিত। ঐ কালপর্বে গণজাগরণের ঐক্যে বিভেদের ফলে সামাজিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে; সমাজসচেতন কবিরা আশ্রয় গ্রহণ করেন রোমান্টিক স্বপ্নলোকে। যতীন্ত্রনাথ সেনগুপ্ত...

will metformin help me lose weight fast

ত্রিশোত্তর বাঙলা কবিতায় কলাকৈবল্যবাদ, অস্তিত্ববাদ ও তিন দ্রোহি কবি

কবিতার নাকি সুনির্দিষ্ট কোন সংজ্ঞা নেই। প্রশ্ন হচ্ছে সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই কেন ? কারণ কবিতা বিজ্ঞান নয়। কবিতা যেহেতু বিমূর্ত মাধ্যম এবং যারা এ মাধ্যমে কাজ করছেন তাদের ব্যক্তিক অনুভূতি, ভাবনা, অভিজ্ঞতা, সময়কাল, চিন্তার বিবর্তন ও প্রকাশ ভিন্ন সুতরাং কবিতার সংজ্ঞাও ভিন্ন হতে বাধ্য। তাই বলা চলে কবিতার সংজ্ঞা ব্যক্তিক অনুভূতি প্রধান। তাই কি? দেখি কবিরা এ বিষয়ে কি বলেন- হুমায়ুন আজাদের মতে, ‘যা পুরোপুরি বুঝে উঠবো না, বুকে,ওষ্ঠে, হৃৎপিণ্ডে, রক্তে, মেধায় সম্পূর্ণ পাবো না; যা আমি অনুপস্থিত হয়ে যাওয়ার পরও রহস্য রয়ে যাবে রক্তের কাছে, তার নাম ‘কবিতা’। ‘যে লেখাটি সমকালের স্মৃতি বা স্বপ্নকে তুলে আনতে সক্ষম এবং একই... viagra vs viagra plus

নাস্তিকের ধর্ম না মানা ভার্সাস আস্তিকের ধর্ম মানা এবং না মানা [পোস্ট # ৮]

সাধারণত ধার্মিক তাদের বলা হয়, যারা ধর্ম মানে। আর যারা তা মানে না এবং ষ্পষ্ট ভাষায় ধর্মকে অস্বীকার করে তারা নাস্তিক, অধার্মিক, নধার্মিক, বেধার্মিক বা ধর্মহীন হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু আমাদের চারপাশে তাকালে অনেক ধার্মিক দেখবো, যারা ধর্মহীনদের ঘৃণা করে, নিজেরা ধার্মিক হিসেবে পরিচয় দেয় কিন্তু ধর্মের অনেক কথাবার্তাই মানে না কিংবা নিজের স্বার্থের টুকু মানে মাত্র। কিন্তু এ না মানার কথা তারা কখনো স্বীকার করেনা, বরং এসব কথা উঠলে চেপে যায় কিংবা নানারূপ ত্যানা প্যাচাতে থাকে। যেমন ধরুণ : কোরান : “যারা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস করেনা, আল্লাহ ও রাসুল কর্তৃক ঘোষিত হারামকে হারাম হিসেবে মানেনা এবং ইসলামকে জীবন বিধান...

প্রসঙ্গ : চিকিৎসক, তাদের সন্ত্রাসি আচরণ এবং অন্যবিধ প্রসঙ্গ কথা

সারাদেশে সকল নার্সদের আন্দোলন চলছে এখন ডাক্তার কর্তৃক নার্স মারাকে কেন্দ্র করে। পত্রিকায় প্রকাশিত খবর : চিকিৎসা সেবার আর একধাপ অধ:পতন ঘটিয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষানবিশ নার্সদের পেটানোর ঘটনায় জড়িত হয়ে গেল শিক্ষানবিশ ডাক্তারদের নাম। এ ঘটনা নিয়ে এরইমধ্যে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে । গত রবিবার গভীর রাতে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে সেখানকার নার্সিং ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা সোমবার সকাল থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে হাসপাতালে সেবাদান থেকে বিরত থাকে । তারা হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে। নার্সদের আন্দোলনের মুখে আজ সিলেট নার্সিং কলেজ অনির্দিষ্টকালের...

৩টি ভাষার তুলনামূলক পর্যালোচনা : ‘বাংলা’র শ্রেষ্ঠত্ব!

আমরা বাংলা ভাষাভাষী প্রায় সবাই কমবেশী ইংরেজি, আরবি ভাষার সাথে পরিচিত। বাংলা ভাষার চেয়ে অনেক পুরনো ভাষা হচ্ছে ইংরেজি ও আরবি। ‘ইংরেজিভাষী বৃটিশ’ কর্তৃক একসময় ‘বিশ্বশাসনের’ বদৌলতে ইংরেজি ভাষা এখন প্রধান আন্তর্জাতিক মর্যাদাপ্রাপ্ত ভাষা। মুসলমানদের ‘ধর্মীয় ভাষা’ ও মধ্যপ্রাচ্যের পেট্রো-ডলারের বদৌলতে আরবি ভাষাও এখন বিশ্বে কম ব্যবহৃত ভাষা নয়। যদিও বাংলাদেশের ১৫/১৬ কোটি বাঙালী ছাড়াও পশ্চিম বাংলা, উড়িষ্যা, মেঘালয়, ত্রিপুরা, বিহার এমনকি ‘ভুটানে’র (ফুল্টসলিং এলাকায়) অনেক মানুষ বাঙলায় কথা বলে। বৃটেন, উত্তর আমেরিকাসহ বিদেশেও অনেক বাংলাভাষী বর্তমানে বসবাস করছে। অর্থাৎ জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাভাষী খুব একটা কম না হলেও আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে বাংলা কিন্তু তেমন একটা স্বীকৃতি এখনও পায়নি বিশ্বজনীনভাবে।... can levitra and viagra be taken together

about cialis tablets

আমরা কি ছুটে চলছি কোন অজানা কৃষ্ণগহবরের দিকে?

প্রাত্যহিক দৈনিক পত্রিকা খুললে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা আবিষ্কার, দীর্ঘতম সমুদ্র সড়ক উদ্বোধন, অত্যাধুনিক ম্যাগনেটিক ট্রেনের গতিশীলতা বৃদ্ধির খবর, কষ্টকরভাবে ধর্মীয় রীতিতে পশু জবাই নিষিদ্ধের আইন, কৃত্রিম মাংস তথা হ্যামবার্গার উৎপাদন, রপ্তানী বাণিজ্যে চীনের ঈর্ষণীয় উন্নতিসহ বিশ্বের নানা দেশের সপ্তপদী ইতিবাচক খবরের সাথে নিজের দেশের বিবিধ ঋণাত্মক খবরে হৃদতন্ত্রীতে কষ্ট অনুভব করি। যখন একই পত্রিকার পাতায় দেখি জার্মানীর ‘ওয়ার্ল্ড রিস্ক রিপোর্টে’ বিপজ্জনক দেশ তথা শীর্ষে বাংলাদেশের নাম। কিংবা জানতে পারি, আধুনিক শহর ঢাকার মীরপুরের ‘বিখ্যাত’ ভূতের বাড়ির সমাজ বিচ্ছিন্ন ডা. আইনুন নাহার রিতা ও বুয়েট ইঞ্জিনিয়ার নুরুন্নাহার মিতা নামক দু’বোনের নিজেদের নিজ বাড়িতে নির্বাসনের ঘটনা ও কেবল পানি খেয়ে ৪০-৫০...

৪০-বছরের ভারত-বাংলাদেশ বৈরিতা : সমাধান কোন পথে?

গত বছর কোলকাতার রাস্তায় টেক্সিতে ভ্রমনকালে বাংলাভাষী টেক্সিওয়ালার খেদোক্তি ছিল, ‘‘একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের প্রায় ২০,০০০ সেনার রক্তে বাংলাদেশ রঞ্জিত হলেও এবং তখনকার অভাবী কোলকাতার মানুষের বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রতি অকৃত্রিম সমর্থন, আর ১-কোটি শরণার্থীকে নানাভাবে সহযোগিতার পরও, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ কেন এতো ভারত-বিদ্বেষী? কেন বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে নানা কর্মকান্ডে অংশগ্রহণকারী সন্ত্রাসীদের সহায়তা করে? বাংলাদেশ কি পাকিস্তান’’? এরূপ অভিযোগ আরো শুনেছি হিন্দীভাষী চেন্নাইগামী ট্রেনযাত্রীর মুখে ‘করোমন্ডল এক্সপ্রেসে’। যদিও কোলকাতার অধিকাংশ মানুষ ‘বাংলাদেশ’ শব্দটির ব্যাপারে খুবই ‘নস্টালজিক’ এবং পশ্চিম বঙ্গের মতই তারা মনেপ্রাণে রাজনৈতিক বাংলাদেশকে ভালবাসে, বিশেষ করে এক সময় যাদের পূর্বপুরুষরা বাস করতো পূর্ববঙ্গ তথা বর্তমান বাংলাদেশে। সুসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মত...

synthroid drug interactions calcium

মানুষের ঈশ্বর “দশরথ মানঝি” আর তাঁর “তাজমহল” নির্মাণ

বিহারের হতদরিদ্র ভূমিহীন শ্রমিক দশরথ মানঝি। স্ত্রী ফালুগুনি দেবি। অসুস্থ্য হলে স্ত্রী হাসপাতালে নিতে পারেননি মানঝি, কারণ পথ আগলে দাঁড়িয়ে আছে এক বিশাল পাথুরে পাহাড়। যে কারণে মাত্র ১-কিলোমিটারের সোজা পথ ঘুরতে হয়েছিল মানঝিকে ৭০-কিলোমিটার। আর এ পথ পেরুতে পেরুতে ফালগুনি দেবি ছেড়ে দেয় জীবনকে। যা প্রচণ্ড ধাক্কা দেয় দশরথ মানঝিকে। এরপর এ কাহিনির শুরু। বিহারের গয়ার আত্তারি আর ওয়াজিরগঞ্জ ব্লকের মাঝে খাড়া দাঁড়িয়ে পাথুরে পাহাড়, যার সামনেই গহলৌর গ্রাম৷ গরিব এ গ্রামের মানুষকে শহরে যেতে হয় সামনের পাহাড় ডিঙিয়ে, যা পেরতে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ৷ কিন্ত্ত ফাল্গুনি দেবীর মৃত্যুই বদলে দিল গহলৌরের ভূগোল৷ পাহাড়ের বাধা অতিক্রম করে সময়মতো...

capital coast resort and spa hotel cipro

মা দিবসে আমার মা ভার্সাস ম্যাক্সিম গোর্কির মা

ম্যাক্সিম গোর্কির মা ভার্সাস বাংলার গ্রামীণ এক সংগ্রামী মা [a true story] মা! হৃদতন্ত্রী নেচে ওঠা একটি শব্দ, যেন বুকের মাঝে বয়ে চলা কোন শান্ত জলাধার। মানুষ ছাড়াও অন্যান্য হিংস্র প্রাণিদের মধ্যেও ‘মায়ের’ স্বভাব অনেকটাই ‘মাতৃসুলভ’। যে হিংস্র বাঘটি এই মাত্র একটি হরিণকে অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে খেয়ে আসলো, তাকেও তার ছোট্ট শাবক কিভাবে কান-লেজ কামড়াচ্ছে ও তার ‘হিংস্র মা’ ছোট্ট শাবককে নানাবিধ অনুসঙ্গে বা শব্দ করে তার প্রতি-উত্তর দিচ্ছে, তা এখন স্যাটেলাইট টিভির কল্যাণে প্রত্যহ আমরা প্রত্যক্ষ করছি। ‘মা’দের নিয়ে এ অঞ্চলে কম গল্প-উপন্যাস-সিনেমা তৈরী হয়নি। এমনকি বিশ্বসাহিত্যে ম্যাক্সিম গোর্রির ‘মা’ উপন্যাস অন্যতম পাঠকপ্রিয় ও পঠিত উপন্যাস হিসেবেও খ্যাত।...

irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

আস্তিকের ধর্ম মানা ভার্সাস নাস্তিকের ধর্ম মানা

সাধারণত ধার্মিক তাদের বলা হয়, যারা ধর্ম মানে। আর যারা তা মানে না এবং ষ্পষ্ট ভাষায় ধর্মকে অস্বীকার করে তারা নাস্তিক, অধার্মিক, নধার্মিক, বেধার্মিক বা ধর্মহীন হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু আমাদের চারপাশে তাকালে অনেক ধার্মিক দেখবো, যারা ধর্মহীনদের ঘৃণা করে, নিজেরা ধার্মিক হিসেবে পরিচয় দেয় কিন্তু ধর্মের অনেক কথাবার্তাই মানে না কিংবা নিজের স্বার্থের টুকু মানে মাত্র। কিন্তু এ না মানার কথা তারা কখনো স্বীকার করেনা, বরং এসব কথা উঠলে চেপে যায় কিংবা নানারূপ ত্যানা প্যাচাতে থাকে। যেমন ধরুণ : কোরান : “যারা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস করেনা, আল্লাহ ও রাসুল কর্তৃক ঘোষিত হারামকে হারাম হিসেবে মানেনা এবং ইসলামকে জীবন বিধান...

wirkung viagra oder cialis

ইসলামের পবিত্র বাণী ভার্সাস উল্কাপতন, বজ্রপাত ইত্যাদি প্রসঙ্গ

কোরান : বজ্রপাত-উল্কাপতন সম্পর্কে কি বলে ? নিশ্চয় আমি পৃথিবীর আসমানকে সুসজ্জিত করেছি নক্ষত্রমালার সুষমা দিয়ে এবং সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে। ফলে শয়তানের দল উর্ধ্বজগতের কোন কিছু শুনতে পারে না এবং তাদের প্রতি সব দিক থেকে উল্কা নিক্ষেপ করা হয় কিন্তু কোন শয়তান হঠাত্‍ কিছু শুনে ফেললে, এক জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তার পদানুসরণ করে (কোরান ৩৭:৬,৭,৮,১০); বজ্রপাত ঘটার উদ্দেশ্য মানুষকে ভয় দেখানো বা কাউকে আঘাত করা (কোরান ১৩:১২-১৩); আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সাজিয়েছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্য জ্বলন্ত অগ্নির শাস্তি (কোরান ৬৭:৫); তুমি কি জানো সহসা আঘাতকারী বস্তুটি কি? এটা একটা...

মেল-ফিমেল জোড়া [Pair] আর যৌনতা ছাড়া শিশু জন্ম : ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি মারাত্মক চ্যালেঞ্জ

প্রচলতি সকল ধর্মগুলোই দৃঢ়তার সাথে বলে যে, জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি ও যৌনতা ছাড়া প্রাণির নতুন জন্ম অসম্ভব (কেবল ধর্মীয়ভাবে সম্ভব যেমন যিশু!) কিন্তু বিজ্ঞান যতই এগুচ্ছে, ততই তারা সপ্তপদি প্রাণির সন্ধান পাচ্ছে, যারা সন্তান উৎপাদনে পুরুষের সহযোগিতা নেয়না কিংবা নিজেরা সেক্স পরিবর্তন করে, যার কয়েকটি উদাহরণ নিম্নরূপ। ক্লোনিং এর মাধ্যমে নতুন শিশুর জন্ম কথা আমরা সবাই কমবেশি জানি, যেখাবে মা-বাবা দরকার নেই। তা ছাড়া একই ধরণের ‘প্রাকৃতিক ক্লোনিং’ এর মাধ্যমে অনেক প্রাণির দেহের অভ্যন্তরে নিষেক ঘটতে পারে। কোন রকম শুক্রানুর সংযোগ ছাড়াই দেহের “ডিপ্লয়েড ডিম্বানুর নিষেক” ঘটাতে পারে অনেক প্রাণিই। জীববিজ্ঞানে এর নাম ‘পার্থেনোজেনেসিস’ (Parthenogenesis)। কাজেই পার্থেনোজেনেসিস নামধারি ‘কামহীন প্রাণিরা”...

আরেক পাগলাবাবার সাথে আমার পরিচয় হয় যেভাবে

কলেজ জীবনে চট্টগ্রাম কলেজে পড়তাম, প্রায়ই যেতাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে। দাপ্তরিক সেমিনারে গতমাসে চট্টগ্রাম গিয়ে বিকেলে প্লান করি পতেঙ্গা সৈকতে যাবো অনেকদিন পর। নদী আর সমুদ্রের প্রতি প্রচণ্ড টান আমার, মনে হয় তীরে দাঁড়ালেই বুড়ো সেন্টিয়াগোকে দেখতে পাবো হারপুন হাতে কিংবা নৌকোয় বাঁধা তিমিসহ। অনেক বছর যাবত আমার মননে সমুদ্র আর সেন্টিয়াগো গাঁথা কেন যেন ! সেন্টিয়াগো পুরুষ এবং আমি সমকামি না হয়েও, তার সাথে অনেক দিনের প্রেম আমার। ইহকাল ত্যাগ না করলে হয়তো দেখা করতাম এ পুরুষ প্রেমিকের সাথে তার বরফ ঢাকা ওক গাছের ভেঙে পড়া বাড়িতে গিয়ে! পড়ন্ত বিকেলে একাই প্রস্তুতি নিয়ে কাঠগড়ের পথে হাঁটছি পতেঙ্গার দিকে। একা...

প্রসঙ্গ নারী : ধর্মীয় আর সামাজিক বর্বর আইন নারী খৎনা Female Circumcision

নারী খৎনা যা নারী লিঙ্গাগ্রচ্ছেদ, নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণ এবং নারী যৌনাঙ্গ ছাঁটাই নামেও পরিচিত; বলতে বোঝানো হয় সে সকল কার্যপ্রণালী যেগুলোতে স্ত্রী যৌনাঙ্গের আংশিক বা পুরোপুরি অপসারণ করা অথবা সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় বা অন্য কোনো চিকিৎসা বহির্ভূত কারণে নারীর যৌন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি করা হয় বা ক্ষত সৃষ্টি করা হয়। এটি সেই ধরণের কার্যপ্রণালীগুলোর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়, যেগুলো আন্তলৈঙ্গিকদের জন্যে লিঙ্গ প্রতিস্থাপন সার্জারি বা যৌনাঙ্গ পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়। এর চর্চা সারা পৃথিবীতেই আছে, কিন্তু প্রধানত আফ্রিকা ও ইন্দোনেশিয়াতেই এর চর্চা বেশি দেখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রক্রিয়াটিকে চার ভাগে ভাগ করেছে: টাইপ ১, ২, ৩ এবং ৪। তিন নম্বর কার্যপ্রণালীটিকে ঘিরে...