Author: মস্তিষ্ক প্রক্ষালক দার্শনিক

সোহানকে ভালবাসা (ডায়রির পাতা হতে)

ছোটবেলায় আমি অনেক লাজুক ছিলাম, এখনকার মত এত কথা বলতাম না, (দার্শনিকগিরির তো প্রশ্নই আসে না)। কিন্তু, আমার প্রকৃতিটা ছিল অনেকটা বাড়ির পোষা বিড়ালটার মত। মিনমিন করে মিয়াউ মিয়াউ করে গেলেও একদম পায়ে পায়ে কোল ঘেষে থাকে। আমিও ছোটবেলা থেকেই সকলের সাথে মিশতে পারতাম, সবার সাথেই ছিল সদ্ভাব। হগগলেই আমার বন্ধু। বন্ধুদের আমি সেইরকম ভালবাসতাম (আরকি, এখনও বাসি)। বন্ধুর জন্য আমার চোখের পানি পড়েছে, বন্ধুর জন্য একবার অনেক বড় ত্যাগও স্বীকার করতে হইছে…কিন্তু বন্ধুত্বকে ত্যাগ করতে পারি নাই। আমি আবার সরাসরি ক্লাশ ওয়ানে ভর্তি হই প্রি-ক্যাডেটে। প্রথম বন্ধুত্ব হয় সোহান নামে এক ছেলের সাথে। ক্যাডেটের হেডস্যার ছিল ওর চাচা। ওর...

মলয় রায় চৌধুরী’র “প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার”

ওঃ মরে যাব মরে যাব মরে যাব আমার চামড়ার লহমা জ্বলে যাচ্ছে অকাট্য তুরুপে আমি কী কোর্বো কোথায় যাব ওঃ কিছুই ভাল্লাগছে না সাহিত্য-ফাহিত্য লাথি মেরে চলে যাব শুভা শুভা আমাকে তোমার তর্মুজ-আঙরাখার ভেতরে চলে যেতে দাও চুর্মার অন্ধকারে জাফ্রান মশারির আলুলায়িত ছায়ায় সমস্ত নোঙর তুলে নেবার পর শেষ নোঙর আমাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে আর আমি পার্ছিনা, অজস্র কাঁচ ভেঙে যাচ্ছে কর্টেক্সে আমি যানি শুভা, যোনি মেলে ধরো, শান্তি দাও প্রতিটি শিরা অশ্রুস্রোত বয়ে নিয়ে যাচ্ছে হৃদয়াভিগর্ভে শাশ্বত অসুস্থতায় পচে যাচ্ছে মগজের সংক্রামক স্ফুলিঙ্গ মা, তুমি আমায় কঙ্কালরূপে ভূমিষ্ঠ করলে না কেন ? তাহলে আমি দুকোটি আলোকবর্ষ ঈশ্বরের পোঁদে চুমু...

ছোট গল্প – স্রোতের বিপরীতে

(১)  পল্লব হালদার ফটোগ্রাফিটা শুরু থেকেই ভাল করতেন। কবি মন নিয়ে ঝোলা কাঁধে বেড়িয়ে পড়তেন এদিক সেদিক। সে ঝোলায় খাতা-কলম এর বদলে থাকতো ক্যামেরা- ডিএসএলআর। আমাদের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালাটা শুধু জাত চেনাতেই পারছিলেন না। পরিচিতি বাড়াতে তাকে অগত্যা পরিচিত মহলের সুন্দরী কন্যাদের দিকেই ফিরতে হলো। শাটার পড়তে লাগলো হেমন্তের শেষ বৃষ্টির পর শীতের মত হুড়মুড় করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বদৌলতে সে খ্যাতি ছড়ালো মাল্টি লেভেল মার্কেটিং এর মতো। ‘অসাধারণ ফটোগ্রাফার’ মন্তব্যের সংখ্যা স্বীয় ভুখন্ড অতিক্রম করতেই তার মনে হলো- এসব তো আত্মপ্রতারণা! কাব্যরসের যথেষ্ট উপাদান পেলেও কবির কাব্যগাঁথা রচনা হচ্ছিলো না। ‘এখানে গল্প কোথায়?’ ভাবলেন, হালের স্রোতে গা না ভাসিয়ে তাকে...

আমাদের জাতীয়তা- যে মূল্যবান প্রশ্নটি আমরা যত্নে অবহেলায় রেখেছি অর্ধশতাব্দী

আমাদের জাতীয়তা কি- এ নিয়ে অনেক কথা যেমন হয়েছে, অনেকেই আবার এ বিষয়ে নিরুত্তর, অনেকে তো এ বিষয়ে ভাবতেই নারাজ। আদতে বিষয়টা হেলাফেলার নয়। আমার জাতীয়তারই যদি ঠিক না থাকে মানে জাতীয়তাবোধটাই যদি পরিষ্কার না হয়, তাহলে আর সমাজে আমার অবস্থান কোথায় রইল!! ছোটবেলায় আমাদের বই পুস্তকে লেখা ছিল- আমাদের জাতীয়তা কি? উত্তর- বাংলাদেশী। জোর করে আমাদের তা মুখস্ত করানো হতো। আসলে আমাদের জাতীয়তা কি বাংলাদেশী নাকি বাঙ্গালি? আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম মূল ভিত্তি ও চেতনা ছিল জাতিসত্তাভিত্তিক বাঙালি জাতীয়তাবাদ। ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে ভাষা ও সংস্কৃতিভিত্তিক জাতীয়তাবাদের এ লড়াই শুরু হয়েছিল বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। মুক্তিযুদ্ধের আগে অসহযোগ আন্দোলনের...

accutane prices

আমি বিদ্রোহ করব

আমি বিদ্রোহ করব।আমি বিদ্রোহ করব সকল জাতিরনারী এবং পুরুষের বিরুদ্ধেযাদের হৃদয় আছে।আমার বিদ্রোহে সকল জীবএমনকি উদ্ভিদওএবং উদ্ভাবক জগদীশ বসু।আমি বিদ্রোহ করবমাটি ফুঁড়ে সদ্য অঙ্কুরিত কিশলয়ের,পৃথিবীর সকল সৌন্দর্যের বিরুদ্ধে।যেখানে গ্রথিত হয় আবেগ, ভাললাগাভালবাসা।এ ভালবাসার মর্ম জগত বোঝে নানেই তা মেনে নেয়ার স্বাভাবিক রীতিতবে কেন তার এত কারখানাঅহেতুক বিষ্ঠার আঁতুড় ঘর?আমি বিদ্রোহ করব আমার অতীতের প্রতিআমার জন্ম, শিক্ষা, ক্রমবিকাশগঙ্গা থেকে গঙ্গারিডইএবং তারও আগের সকল পূর্বপুরুষ।আমি বিদ্রোহ করব ভবিষ্যতের প্রতিএবং বর্তমান অস্তিত্বের।আমার বিদ্রোহ রাধা থেকে ভেনাসনজরুল থেকে কীটস।দেখালেন যারা সেই অসমর্থিত ধর্মের পথ,তাদের সবার বিরুদ্ধে।আমি বিদ্রোহ করব আমার প্রতি,স্বীয় আত্মার প্রতিআমার শরীর, মস্তিস্কএমনকি আমার হৃদয়।আমার বিদ্রোহ স্বয়ং স্রষ্টার প্রতিপ্রাণ দানে যিনি সৃষ্টি করেছেন...

metformin tablet
doctorate of pharmacy online
half a viagra didnt work
para que sirve el amoxil pediatrico cialis new c 100