Author: দুরন্ত জয়

‘বাড়ি ভাড়া’ কিভাবে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে পারে ?

রাজধানীতে ১৯৯৩ থেকে ২০১৮ এর মধ্যে বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে ৪ থেকে ৭ গুণ। কিন্তু বাড়ির মালিকদের কর প্রদানের হার কতটুকু বৃদ্ধি পেয়েছে এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যায়। ‘বাড়ি ভাড়া’ কিভাবে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে পারে ? ২০১৬ সালে ঢাকার লোকসংখ্যা ছিল ১কোটি ৮০ লাখ, যা প্রতি বছর ৪.২% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ হারে ধারণা করা হয় ২০২০ সালে তা পৌছাবে ২ কোটি ১০ লাখে। যেহেতু জায়গার পরিমাণ নির্দিষ্ট কিন্তু বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য ফ্ল্যাট মালিকের সংখ্যা অল্প হারে বৃদ্ধি পেলেও অধিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ভাড়াটিয়ার সংখ্যা। ‘বাড়ি ভাড়া’ কিভাবে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে পারে ? প্রশ্নের উত্তর মিলবে...

অত:পর মর্গ

শার্টটা রক্তে ভেজা। ঝর্ণার জলে রক্ত ধুয়ে সারা বাথরুম জুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। হাতে এখনও রক্তের দআগ লেগে আছে। টাটকা দেখাচ্ছে। শুভ দেয়ালে হেলান দিয়ে, টাংস্টেনের বাতির দিকে তাকিয়ে, বাথরুমে ঝর্ণার নিচে বসা। কিছুক্ষণ, কিছুদিন আগের ঘটনা যেন ফ্ল্যাশ ব্যক হচ্ছে চোখে সামনে। নীল ছেলেটা বেশ দুরন্ত। নীলের দুরন্তপনা তার চিন্তা-চেতনা-কাজকর্ম সবটা জুড়েই। আম কাঠাঁল কিংবা পেয়ারা গাছের মগ ডালে যেমন উঠেছে তেমনই খাল সাতরে পেরিয়েছে বহুবার। ভাল ছাত্র, পড়ালিখার সুবাদে ঢাকায় থাকা। ২০১৩ সাল বাঙ্গালীর বাঙ্গালিত্বের জাগরণ, পরিচিত হয় ‘ব্লগ’ শব্দটির সাথে। শুধু কি পরিচয়! ব্লগ হয়ে যায় অবসর কাটানোর জায়গা, প্রতিবাদের মঞ্চ আর তার মনের স্বপ্ন গুলো লিখবার ডায়েরি।... missed several doses of synthroid

একটি কেইস স্টাডি ও কিছু প্রশ…

সোশ্যাল হিষ্ট্রি এর উপর ক্লাস চলছে। টপিক জেন্ডার ডিশক্রিমিশন ইন পাস্ট। এই টপিকের উপর আজ দ্বিতীয় লেকচার। সিজি হ্য্যনরি আগের লেকচার-এ যা বলেছেন তা শোনার পর ছাত্রদের বিস্ময়ের যেন সীমা ছিল না। করুণ কণ্ঠে নিজ অজান্তেই বেরিয়ে এসেছিল ‘এমন বর্বর কি করে হয়, মানুষ!’ “বর্তমানে অন্যান্য অনেক ভেদাভেদ দূর হয়েছে। সকলের পরিচয় সে মানুষ। তবে নৃতাত্ত্বিক ভাবে যে সংস্কৃতি আছে তা ধরে রেখেছে সবাই। এখন আমরা যে সময়কার ঘটনা নিয়ে স্টাডি করবো তখন এমন ছিল না, ভেদা ভেদ ছিল অনেক। বিভিন্ন নামের বিভিন্ন ঢং-এর ভেদাভেদ। আজ বিজ্ঞান পূর্ব ১৫০০০ বছর আগের একটি ঘটনা নিয়ে স্টাডি হবে। তখনকার সময়কে খ্রিষ্টাব্দ হিসেবে... doctorate of pharmacy online

doctus viagra

প্রতিশোধ

___১___ দীপ্ত, বয়স আঠারো উনিশ। লম্বাটে চেহারা। ফর্সা। অন্যদের থেকে একটু আলাদা। রাতে ঘুমাতে ঘুমাতে ভোর হয়ে যায় আর সকালে ঘুম ভাঙতে ভাঙতে  দুপুর। নিশাচর বলা চলে। পড়ে ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে। ছাত্র হিসেবে ভাল বলতে শিক্ষকেরা দ্বিধা করলেও ভাল রেজাল্টের কারণে আর কিছু বলতে পারে না তাকে। কলেজে যাওয়াটা তার মনের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। করার মত কাজ না থাকলেই কলেজে যায়। বলেই ছিলাম অন্যদের থকে আলাদা। অনেকের কাছেই তারছিঁড়া  নামেই পরিচিত। তাহমিদ, রাসেল, রবিন ও সুপ্ত ওরই মত তারছিঁড়া। এই তারছিঁড়াদের নিয়েই দিপ্ত’র  সারারাত কাটে। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য কোডিং করে রাতভর। এদের নিয়েই দিপ্তর জগৎ। মেঘলা। মেঘের মতই দুরন্ত।...

চলছে সাইবার যুদ্ধ…

 বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে  ভারতীয়রা “মওকা মওকা” নামে কিছু বিজ্ঞাপন তৈরী ও প্রচার করে। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে কোয়াটার ফাইনাল নিশ্চিত করে বাংলাদেশ, এবং পরবর্তীতে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর নিশ্চিত হয় কোয়াটার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। এরপরই আগের দল গুলোর ক্ষেত্রে যেমন মওকা মওকা বিজ্ঞাপন তৈরী করেছিল, বাংলাদেশের বিপক্ষেও তৈরী করে মওকা মওকা বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনে দেখানো হয় “India created Bangladesh”    যা কি না সরাসরি আমাদের দেশের ত্রিশ লাখ শহীদের প্রতি অপমান করা হয়, তাদের ত্যাগকে অস্বীকার করা হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে তারা আমাদের সাহায়তা করেছে ঠিকই কিন্তু  “India created Bangladesh” কথাটি সম্পূর্ণ ভুল।  এ কথাটির মাধ্যমে আমাদের জাতিকে অপমান করা হচ্ছে।  ভারতের সাপোর্টার দের...

বিবর্তন

ইদানিং সিগারেট বেশ ধরে। অর্ধেক শেষ হতেই মাথাটা ধরে যায়! শরীর টা ছেড়ে দেয় একদম। সিগারেটের ধোঁয়ায় অনুভুতি গুলোও ধোঁয়াচ্ছন্ন হয়ে গেছে। গুটি কয়েক বাদে সবাই ব্রেকআপের পর সিগারেটে আসক্ত হয়, আমিও ব্যতিক্রম নই। তবে আমার ব্রেকআপ টা নিজের সাথে । আমি তখন ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে, আর পাঁচটা সাধারণ ছেলের মতই স্বপ্ন বিলাশী। স্বপ্ন গুলো আকাশ চুম্বী ও অসবাস্তব কল্পনা ছাড়া কিছুই নয়। ২০১৩সাল, দেশ তখন উত্তাল। শাহবাগে গণজোয়ার এসেছে। গণজোয়ার কতটা গণজাগরণের তা আমি বলতে পারব না। তবে এ গণ জোয়ার কিছু স্বপ্নবাজ ছেলে মেয়ের জন্ম দিয়েছিল। তাদের স্বপ্ন আমার মত তথাকথিত স্বাভাবিক ছিল না, আমার মত আত্ম কেন্দ্রিকও...

ইচ্ছে

দুষ্টুমিতে, মিষ্টি মেয়ে তুই কি আমার মন ভরাবি? শক্ত করে, হাতটি ধরে, চিমটি কেটে , আমার সনে পথ চলবি? দুপুর বেলার তপ্ত রোদে, রুমাল দিয়ে, ঘাম মুছে, ক্লান্তি আমার দূর করবি? মাঝে মধ্যে, ইচ্ছে হলে, তুই কি আমায় পত্র দিবি? ভালবাসতে চাইলে তোকে, তুইও কি আমায় ভালবাসবি?

অখাদ্য কাব্য

সতর্কবার্তাঃ আমি কবিতা লিখতে পারি না, মাঝে মাঝে আমার অনুর্বর মস্তিস্কে শব্দরা খেলে করে, সেগুলোই সংরক্ষণ করে রাখা… সুতরাং এগুলো পড়ে মনিটরের স্ক্রীন কিংবা মোবাইল ভেঙ্গে ফেলতে পারেন।   আপনার দুর্দশার জন্য আমি দায়ী নই।  (১)  তুই কি আমার, চাঁদ না হয়ে-আকাশ হয়ে সবটা জুড়ে, সবটা সময়, সঙ্গে রবি? (২) মিথ্যে আমি স্বপ্ন দেখি,কল্পনারই গল্প বুনি। বাস্তবতা নিঠুর খুবই,মনের কথা তবুও শুনি। (৩) আর কখনও জ্বালাবো না, ভালবাসি বলবও না। চুপটি করে, দুষ্টুমিতে, মিষ্টি মেয়ে ,পাগলামিতে, বন্ধু হয়ে হাসাবো। (৪) তুই কি আমার বন্ধু হবি? আড়ি ভাবের সঙ্গী হবি? রাত দুপুরে যখন ইচ্ছে, আমার সনে অচীন পথের পথিক হবি?

গণতন্ত্র

___________________(১)____________________ ফজরের নামায পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়েছে সজল ও শাওন। গত দু দিন গাড়ি নিয়ে বের হওয়া হয় না। বেশ কিছু দিন হয়েছে সরকার বিরোধীরা অবরোধ ডেকেছে। প্রতিদিনই তাণ্ডব চক্রবৃদ্ধি হারে বেরেই চলেছে। গত ১০ দিনের অবরোধে মরেছে ১৫জন, আহত হয়ে হাসপাতালে আছে ৫০ জন। আর গাড়ি পুড়েছে ৬৫ টা। মানুষকে মেরে মানুষের জন্যেই নাকি হচ্ছে আন্দোলন। সজল ও শাওনেরা গণতন্ত্র বোঝে না। তারা চায় তিন বেলা খেতে, ছেলে-মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে। চায় শান্তিতে থাকতে। জীবনের চেয়ে গণতন্ত্র না যেন কি সেটা বড় এখন, তাইতো মানুষ মরছে প্রতিদিনই। মানুষের মৃত্যুতে অবশ্য আন্দোলন কারীদের ভ্রুক্ষেপ নেই, তাদের কথা গণতন্ত্র চাই! শাওন-সজল...

levitra 20mg nebenwirkungen

টুকরো অনুভূতি

(১) যাচ্ছিস নাকি অনেক দূরে , রব তবে কেমন করে! কাছে থেকেও ছিলিস দূরে, তবুও তো মোর চোখের পরে। ইচ্ছে হলেই তোকে দেখা , হয়তো আর হবে না। যা চলে যা, মনে রাখিস – বলে ছিলেম আমায় কি তুই ভালবাসিস! (২) আমি আর তোমায় ভালবাসি না ঐন্দ্রিলা, আর তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখি না , সোডিয়াম আলোয় হাটতে চাই না, আমি তোমায় নিয়ে আর গল্প লিখি না, কোন কবিতা লিখি না। কিন্তু আমি, এখনও নির্ঘুম রাত কাটাই, কবিতা লিখি, ঘৃণার কবিতা, নিজেকে ঘৃণার কবিতা, একলা থাকার কবিতা, অজানা শূন্যতার কবিতা। জানো কি! কবিরা মিথ্যে বলে, আমি কবি নই, কবিতা লিখছি মাত্র।...

কর্মের মধ্যে বেঁচে থাকা নিতুন কুণ্ডু…

নিতুন কুণ্ডু (১৯৩৫-২০০৬) যিনি একাধারে বিক্ষ্যাত চিত্রশিল্পী, মুক্তিযোদ্ধা ও উদ্যোক্তা হিসেবে সবার কাছে পরিচিত। পূর্ণ নাম :নিত্য গোপাল কুণ্ডু। (Nitya Gopal Kundu) জন্ম :১৯৩৫ সালের ৩রা ডিসেম্বর। দিনাজপুর। মৃত্যু :২০০৬ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর। ঢাকা।   দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করা নিতুন কুণ্ডুর ছোট বয়স থেকেই ছিল আঁকার প্রতি তীব্র আকর্ষণ। তার বাবা শখের বসে ছবি আকতেন, এ থেকেই পেয়েছিলেন প্রেরণা। স্থানীয় বড়বন্দর পাঠশালায় লেখাপড়ায় হাতেখড়ি হয়, তখন ছিল ১৯৪২সাল। এরপর দিনাজপুর শহরের গিরিজানাথ হাইস্কুলে ভর্তি হন ১৯৪৭ সালে। মেট্রিকুলেশন পাস করেন ১৯৫২ সালে। পরিবারের ছিল আর্থিক সমস্যা। তাই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় স্থানীয় সুবেন্দ্রনাথ কলেজেই ভর্তি করা হবে তাকে। কিন্তু নিতুন কুণ্ডুর আর্ট... viagra in india medical stores

অমূল্য

নিহাল। বছর আটেক বয়স ছেলেটির। অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। সারাদিনে তার ব্যস্ততার অন্ত নেই। কখনও স্কুল, কখনও কোচিং, কখনও বা প্রাইভেট টিউটর। এ এক টাইট শিডিউল! আজকালকার আর পাঁচটা শিশুর মতই নিহালও অবসরে বিনোদনের জন্য বেছে নিয়েছে কার্টুন আর গেমস। এভাবেই রুটিন মাফিক চলে তার পুরো সপ্তাহ। আজ নিহাল পড়েছে বিশাল ঝামেলায়। রুটিন অনুযায়ী আজ কোন কোচিং কিংবা প্রাইভেট টিউটর নেই। আজ কার্টুন ও নেই। সপ্তাহের এই দিনে সব পুরাতন পর্বগুলোই পুনঃপ্রচার করে। এই দিনটা সে কম্পিউটারে গেমস খেলে পার করে। কিন্তু আজ কম্পিউটার নষ্ট। স্কুল থেকে ফিরেছে বেলা বারোটায়। ফ্রেশ হয়ে টিভির সামনে বসেছে অনেকক্ষণ হল। কোন চ্যানেলে...

অভিমানী ভালবাসা (পর্ব-১)

হঠাৎ মোবাইলে ভাইব্রেশন হল। কেপে উঠলো মোবাইলটা। একটা ম্যাসেজ এসেছে। সেই সাথে সুপ্ত’র হৃদয় টাও যেন কেপে উঠলো। তৎক্ষণাৎ মোবাইলটা তুলে নিলো বিছানা থেকে। কার ম্যাসেজ!না সে যার ম্যাসেজের অপেক্ষা করছিল সে নয়, অন্য এক বন্ধুর ম্যাসেজ। আগ্রহ হারিয়ে মোবাইলটা আবার বিছানায় ছুড়ে ফেলে দিল সে। সুপ্ত, তন্দ্রা’র ম্যাসেজের অপেক্ষা করছিল। তন্দ্রা! তন্দ্রা হল সেই মেয়েটি যার জন্য ঘুম পাগল সুপ্ত রাতে পর রাত নির্ঘুম কাটিয়ে দিয়েছে। একবার ও বলে নি ঘুম পেয়েছে তার, বরং তন্দ্রা ঘুমাবার কথা বললে মন খারাপ করত। একটি মুহূর্ত তাকে ছাড়া ভাবতে পারতো না সুপ্ত। একদিন কথা বলা বন্ধ করা তো দূরের থাক ম্যাসেজের রিপ্লে...

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় : আজ নীল লোহিতের জন্মদিন

পিতা তার ছেলেকে টেনিসনের একটা কাব্যগ্রন্থ দিয়ে বলেছিলেন, প্রতিদিন সেখান থেকে দু’টি করে কবিতা অনুবাদ করতে হবে। এটা করেছিলেন যাতে ছেলে দুপুরে বাইরে যেতে না পারেন। ছেলে তাই করতেন। বন্ধুরা যখন সিনেমা দেখত, বিড়ি ফুঁকত ছেলেটি তখন পিতৃ-আজ্ঞা শিরোধার্য করে দুপুরে কবিতা অনুবাদ করতেন। অনুবাদ একঘেয়ে উঠলে তিনিই নিজেই লিখতে শুরু করলেন। ছেলেবেলার প্রেমিকাকে উদ্দেশ্য করা লেখা একটি কবিতা তিনি দেশ পত্রিকায় পাঠালে তা ছাপা হয়। এই ছেলেটিই হল সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। আর আজ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ সালে (২১ ভাদ্র, ১৩৪১ বঙ্গাব্দ) বাংলাদেশের ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করলেও তিনি বড় হয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। পড়াশুনা করেছেন...

বাঙলা

৫২’তে করলো মিছিল বুকে নিল গুলি, রক্ত দিয়ে ফিরিয়ে আনলো বাংলা মা’য়ের বুলি। ৭১’রে স্বাধীনতা স্বাধীন করবে দেশ, সসস্ত্র যুদ্ধ হল পেলাম বাংলাদেশ। স্বাধীনতার চল্লিশ বছর শেষ হয়নি ওরা, রক্ত নিয়েছে খুন করেছে আমার ভাইদের যারা। ফাঁসিতে যখন ঝুলবে ওরা। অশ্রু চোখে হাসবে তখন আমার নির্যাতিত মা-বোনেরা। বিচার হবে, বিচার হবে রাজাকারের বিচার হবে- এই নিয়েছি পণ। তাইতো মোরা করেছি আবার স্বপ্নের গণ জাগরণ।

সমাজ, দৃষ্টিভঙ্গি ও রহমত আলীরা…

এক প্রথম স্ত্রী’র মৃত্যুর বিশ দিন না পেরুতেই রহমত আলীর দ্বিতীয় বিয়ের  ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা হয়তো খুব সচেতন, তারা রহমত আলীকে একাকীত্বে ভুগতে দিতে চাচ্ছেন না। নতুবা তারা মাত্রাতিরিক্ত বিরক্ত, যত দ্রুত সম্ভব ঝামেলা নিজেদের কাঁধ থেকে নামাতে চান। তাই এ উদ্যোগ। রহমত আলী দাবী করেন তিনি তার মৃত স্ত্রী কমলা বানুকে দেখতে পান। এবং তিনি কমলা বানুর সাথে কথাও বলেন। তবে স্ত্রীর  আচরণ এখন ভিন্ন। সে আগের মত রহমত আলীর কথা শোনে না, তাকে ভয় পায় না। অনেক বেয়াদব হয়েছে। ষোল বছরের এক মেয়ে আর মা ছাড়া রহমত আলীর পরিবারে আর কোন সদস্য নেই।  অবশ্য পুত্র সন্তানের...

হতাশ…

মানুষ কাঁদে। এতে নাকি মন হালকা হয়, দুঃখটা কমে যায়। আচ্ছা, আকাশেরও কি তাহলে মন আছে? এই যে সকাল থেকে বিরতিহীন ভাবে কেঁদেই যাচ্ছে। হয়তোবা আছে। এ নিয়ে আমার ভেবে কাজ নেই। আকাশ কাঁদছে নিজেকে হালকা করার জন্য। কিন্তু শ্রাবণ কাঁদতে পারছে না। শ্রাবণের মন হালকা হবে কি করে! একটা মানুষ, যার কথা আজ খুব মনে পড়ছে। কিন্তু সে আজ থেকেও নেই। ইচ্ছে করলেও যাওয়া যাবে না তার কাছে। মানুষটি কত ভালবাসত শ্রাবণকে। শ্রাবণেরও প্রিয় ছিল সেই মানুষটি। কত মজার মজার স্মৃতি তার সাথে। এখন আর তার সাথে সকাল- সন্ধ্যা হাঁটতে যাওয়া হয় না। সেই মানুষটি আর বাদাম খোসা ছাড়িয়ে...

thuoc viagra cho nam

আর্জেন্টিনার হার ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য সান্ত্বনা

বিশ্বের কাপ বিশ্বকাপ এখন জার্মানীর ঘরে। গতকাল রাত ১টার দিকে খেলা শুরু হয়। প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। উত্তেজনা যেমন ছিল বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা সাপোর্টার দের মাঝে তেমনই ছিল ব্রাজিল জার্মানির সাপোর্টারদের মাঝে। এছাড়াও আরও এক দলের ভক্তদের মাঝে ছিল, তারা হলেন ব্রাজিল ভক্ত। সেমিফাইনালে ব্রাজিল প্রতিপক্ষ জার্মানীর জালে একবার বল ঢোকায়। কিন্তু খেলা শুরুর ২৯ মিনিটেই জার্মানী ৫ গোল করে। আর খেলা যখন ৯০ মিনিট শেষ হয় তখিন স্কোর ১-৭। ব্রাজিলের এ হারের পর চির প্রতিদ্বন্দী ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থক দের মাঝে চলতে থাকে বাকযুদ্ধ। গত কাল প্রথম অর্ধ কাটে গোল শূন্য অবস্থা, দ্বিতীয় অর্ধও তাই। খেলা এক্সট্রা মিনিটে গড়ালে ১১৩ মিনিটে জার্মানী...

শৈশবে হুমায়ুন

হুমায়ূন আহমেদ, আমাদের সকলেরই পরিচিত একটি নাম। শুধু কি পরিচিত! খুব প্রিয় একটি মানুষ তিনি। তার হৃদয়স্পর্শী লেখা দিয়ে তিনি আমাদের কাঁদিয়েছেন, আবার হাসিয়েছেনও। কখন বা নিয়ে গিয়েছেন কল্পনার জগতে। পরপারে চলে যাওয়া লেখক হুমায়ূন সম্পর্কে আমরা কম বেশি সকলই জানি, কিন্তু তার শৈশব নিয়ে কতটুকুই বা জানি? শৈশবের হুমায়ূন কেমন ছিলেন, মনে এমন প্রশ্ন আসাটা অস্বাভাবিক নয়। হুমায়ূন আহমেদ তার শৈশব কেমনে করে কাটিয়েছেন, তিনি কি সারাদিন বই পড়তেন, তিনি কি খুব শান্ত ছিলেন নাকি ছিলেন দুরন্ত? এসব প্রশ্ন চলে আসে যখন আমরা তার শৈশবের কথা ভাবি। তিনি ছিলেন তার বাবা মায়ের প্রথম সন্তান। ছেলেবেলায় তার বাবা ফয়জুর রহমানের...

সমাজ, ভালবাসা, অতঃপর…

মেয়েটির বয়স ছিল ১৭ বছর ৮ মাস। নাম ছিল সুপ্তি। এমন কোন শব্দ এখনও সৃষ্টি হয় নি যা দিয়ে সুপ্তির সম্পূর্ণ রূপের বর্ণনা দেয়া যায়। রূপ-লাবণ্যে স্বর্গের অপ্সরীও যেন হার মানে। বিধাতা তার অবসরে যেন সুণিপুণ  ভাবে সাজিয়েছে অপরূপ এই মেয়েটিকে। জীবনানন্দ দাশ যদি সুপ্তিকে দেখতো তবে বনলতা সেন এর মত সুপ্তির রূপেরও বন্দনা করতো তা নিশ্চিত ভাবে বলা যায়। মেয়েটির সাথে প্রথম কবে যে আমার দেখা হয়েছিল তা বলতে পারবো না, কারণ প্রতিবারেই আমি যেন নতুন এক সুপ্তিকে খুঁজে পাই। কিভাবে যেন বন্ধুত্ব হল। বন্ধুত্বের চেয়ে আগে বেড়ে কবে যে আমরা একে অপরের অতি আপনজন হয়ে উঠলাম, তাও অনুমান... metformin tablet

zovirax vs. valtrex vs. famvir
tome cytotec y solo sangro cuando orino
metformin gliclazide sitagliptin