Author: নীহারিকা

ছায়ালীন

নগরীর আশেপাশে যত ভীতু পাখি ছিল তারা তাদের পালকগুলো আগলে রাখতে শিখেছে শুধু শেখেনি মানুষ কিভাবে চোখের বিবমিষা কাটিয়ে সেখানে চাষ করতে হয় ভালবাসার। বৃত্তান্ত জানতে চেয়ে উপসংহারে আটকে গেল জীবন অতলে দীর্ঘশ্বাস গোপন রেখে ছায়ালীন যাপন, জীবনের ।।

বাঙলার আলোঃ শহীদ জগতজ্যোতি দাস শ্যামা শেষ ভাগ)

জামালপুর মুক্ত করার অভিযানে সম্মুখসমরে অবতীর্ণ হন জগতজ্যোতি , হারাতে হয় তার সহযোদ্ধা বীর সিরাজুল ইসলাম কে । মাত্র ১০ – ১২ জন সহযোদ্ধা নিয়ে তিনি মুক্ত করেন শ্রীপুর । খালিয়াজুড়ি থানায় ধ্বংশ করে দেন শত্রুদের বার্জ । আগস্ট মাসে কোন গুলি করা ছারাই দিরাই – শাল্লায় অভিযান চালিয়ে কৌশলে  আটক করেন  ১০ সদস্যের রাজাকারের দল কে । যারা এলাকায় নির্যাতন চালাচ্ছিল । খুন ধর্ষণ ও লুটপাট চালাচ্ছিল । রাণীগঞ্জ ও কাদীরিগঞ্জেও অভিযান চালিয়েও জ্যোতি আটক করেন ঘরের শত্রু রাজাকার দের । ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার জামালগঞ্জ থানা ও নৌবন্দর সাচনাবাজার শত্রুমুক্ত করে আলোচনার শীর্ষে চলে আসেন ।   স্বাধীন বাংলা...

viagra in india medical stores

বাঙলার আলোঃ শহীদ জগতজ্যোতি দাস শ্যামা

  একাত্তর এসেছিলো বাংলাদেশের মাটি থেকে অভিজাততন্ত্রের শেকড় চিরতরে উপড়ে ফেলার দুঃসাহস নিয়ে । একাত্তরের বীরেরা এসেছিল ধর্ম বর্ণ সামাজিক অর্থনৈতিক শ্রেনিভেদ মুছে ফেলতে ঘূর্ণিঝড় হয়ে । আজ জগতজ্যোতি দাশের কথা আমরা জানিনা । যেন মনে রাখার প্রয়োজন ই নেই । শহিদ জগতজ্যোতি আমাদের স্মৃতি প্রকোষ্ঠে বিস্মৃত হয়ে যাওয়া এক অসীম সাহসীর উপখ্যান ।  স্বাধীনতার ৪৪ বছর পর এসে আমরা দেখতে পাই শহিদ মুক্তিযোদ্ধা জগতজ্যোতি দাশ কে নিয়ে লেখা প্রবন্ধ বা ইতিহাসভিত্তিক রচনার সংখ্যা ১০ টির অধিক নয় । আমাদের নির্লজ্জতার এক নিষ্ঠুর বলি  শহিদ জগতজ্যোতি দাস ডাকনাম শ্যামা । যার নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল দাস কোম্পানী নামে ৩৬ জনের (...

দ্রোহ ( প্রয়াত লেখক অভিজিৎ রায় স্মরনে)

যুদ্ধের দিনগুলি বড় কঠিন হয় অগ্রজ  সেটা আপনার চলে যাওয়ায় বুঝলাম  কতটা আগুনে পুড়ে সোনা হয়েছেন   তা অনুধাবন করেছি হৃদয় দিয়ে ।।   দেশ টা বড় দুখিনী যে পারছে না কাউকে ধরে রাখতে  প্রতি মুহূর্তে রক্তাক্ত হচ্ছে খুব কষ্ট পাচ্ছে এই জননী  ভাষা নেই তাই নীরবে জ্বলছে ।।    যে আগুন জ্বালিয়ে গেলেন  কথা দিলাম তা ছড়িয়ে দেব সবখানে ভেতরের কান্নাকে বেদনাকে চাপা দিয়ে  গেয়ে যাব দ্রোহের গান ।।       

অব্যক্ত

কিছু কথা অব্যক্তই ভালো সেই কথাকে বাঙময় করতে কাটবে অনন্তকাল সময়ের কোন হিসাব থাকবে না লাভ ক্ষতির হিসাব ও তোলা থাকবে ।।   স্রোতের অনুকূলে লীবন ত চলেনা নিয়ত ক্ষয় হয় সূক্ষ স্বপ্নগুলোর কখনো ইচ্ছে করবে খুব করে কাঁদতে ঠিক সে সময় চোখ শুকিয়ে খরা হবে ।।   বসে বসে চিন্তা করব কেমন আছি উত্তরের প্রতীক্ষায় দিন ফুরিয়ে যাবে গাছে আর ফুল ফুটবে না একটা পাতাও থাকবে না । ।    

ধূসর স্বপ্ন

ভেবে দেখেছি অনেকবার ভাবনার কোন উপসংহার আসেনি কি করেই বা আসবে যা নিয়ে ভাবছি সে ত অনন্ত । ।   এক দিন স্বপ্ন দেখতাম মিহি সুতোয় বোনা স্বপ্ন বুননে কারুকাজে সে স্বপ্ন সুন্দর বড় মনোরম ।।   কিন্তু হঠাত সব স্বপ্ন এলোমেলো হয়ে গেল লোকে বলে দেশে গন্ডগোল চলছে একদিন খুব জান্তব কিছু পশু এসে আমার সাধের স্বপ্ন ছিঁড়ে ফেলল ।।   আমি বহুদিন স্বপ্ন দেখিনা চোখে ধূসর কুয়াশা রোদ ওঠেনি মন হাসেনা আমি মরে বেঁচে আছি  ।।

স্যার এডউয়িন আর্নল্ড

  স্যার এডউয়িন আর্নল্ড একজন ইংরেজ কবি ও সাংবাদিক ছিলেন । গৌতম বুদ্ধের উপর লেখা ” দ্যা লাইট অফ এশিয়া ” বই এর জন্য তিনি নন্দিত হন ।   তিনি ১৮৩২ সালের ১০ জুন ইংল্যান্ডের কেন্টে জন্মগ্রহন করেন । তিনি পরিবারের দ্বিতীয় সন্তান ছিলেন । তিনি কিংস স্কুল , কিংস কলেজ ও অক্সফোর্ড কলেজ থেকে বিদ্যার্জন করেন । ১৮৫৬ সালে তিনি পুনায় সরকারী সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ হয়ে আসেন । পরবর্তীতে তিনি ১৮৬১ সালে ইংল্যান্ডে ফিরে গিয়ে দ্যা টেলিগ্রাফ পত্রিকায় যোগদান করেন । সেখানে ১৮৭৩ – ১৮৮৯ অব্দি প্রধান সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন । তিনি ছোট গল্পের কয়েক টি খন্ড...

will i gain or lose weight on zoloft

ওয়াল্ট হূয়িটম্যান

ওয়াল্টার ওয়াল্ট হূইটম্যান একজন আমেরিকান কবি , প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক ছিলেন । তাঁকে আমেরিকার প্রভাব বিস্তারকারী কবিদের অন্যতম বলে গন্য করা হয় । তাঁকে মুক্ত পদ্যের জনক ও বলা হয়ে থাকে ।   ওয়াল্ট হূইটম্যান ১৮১৯ সালের ৩১ মে হাটিংটন শহরের ওয়েস্ট হিলস এ জন্মগ্রহন করেন । নয় সন্তানের মাঝে তিনি ছিলেন দ্বিতীয় । জন্মের পর পর ই তাঁর ডাক নাম হূইট রাখা হয় । চার বছর বয়সে তিনি পরিবার সহ ব্রুকলিন এ চলে আসেন । তিনি পেছন ফিরে শৈশব কে সব সময় অসুখী হিসেবেই দেখতে পেতেন ।   ১১ বছর বয়সে তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি ঘটে এবং তিনি পরিবারের...

wirkung viagra oder cialis

ল্যাংস্টন হিউজ

  জেমস মার্সার ল্যাংস্টন হিউজ  একজন আমেরিকান কবি, সমাজকর্মী, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ছিলেন । তিনি জ্যাজ কবিতার প্রথম দিকের আবিষ্কারক দের একজন ছিলেন ।   শৈশব -  তিনি মুসৌরির জপ্লিন এ জন্ম গ্রহন করেন । পরিবারে তিনি ছিলেন দ্বিতীয় সন্তান । তাঁর মার নাম ছিল ক্যারলিন যিনি একজন শিক্ষিকা ছিলেন এবং পিতার নাম ছিল জেমস । তাঁর পিতা পরে আমেরিকার বর্ণ বৈষম্যের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে স্ত্রীকে তালাক দেন । বিচ্ছেদের পরে তাঁর মা নানা জায়গায় কর্মের সন্ধানে ঘুরতে থাকেন । এ সময় তিনি তা৬র নানীর কাছে বড় হন । তা৬র নানী তোকে প্রবল বর্ণ বিদ্বেষী করে গরে তোলেন । নানীর মৃত্যুর...

accutane prices

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ( কথা সাহিত্যের মানিক)

  মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথা সাহিত্যের একজন উজ্জ্বল মানিক । তাঁর পুরো নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ।প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবী জুড়ে মানবিক মূল্যবোধের চরম সংকটময় মূহুর্তে বাংলা কথা-সাহিত্যে যে কয়েকজন লেখকের হাতে সাহিত্যজগতে নতুন এক বৈপ্লবিক ধারা সূচিত হয় মানিক বন্দোপাধ্যায় ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। তার রচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল মধ্যবিত্ত সমাজের কৃত্রিমতা, শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম, নিয়তিবাদ ইত্যাদি।ফ্রয়েডীয় মনঃসমীক্ষণ ও মার্কসীয় শ্রেণীসংগ্রাম তত্ত্ব দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন যা তার রচনায় ফুটে উঠেছে। প্রথম জীবন – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ মে (১৩১৫ বঙ্গাব্দের ৬ জ্যৈষ্ঠ) বর্তমান ঝাড়খণ্ড রাজ্যের দুমকা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। জন্মপত্রিকায় তাঁর নাম রাখা হয়েছিল অধরচন্দ্র। তার পিতার... zoloft birth defects 2013

মৃনাল সেন ( সেলুলয়েডের নক্ষত্র)

  মৃনাল সেন ভারতীয় সিনেমা জগতের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র । তিনি সত্যজিত রায় ও ঋত্বিক ঘটকের সমসাময়িক ছিলেন । তাদের মাঝে পেশাগত প্রতিযোগীতা থাকলেও একে অপরের কাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন । প্রথম জীবন- ১৯২৩ সালের ১৪ মে মৃণাল সেন বর্তমানবাংলাদেশের ফরিদপুরে  একটি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পড়াশোনার জন্য কলকাতায় আসেন এবং স্কটিশ চার্চ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থ বিদ্যায় পড়াশোনা করেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সাংস্কৃতিক শাখার সঙ্গে যুক্ত হন। যদিও তিনি কখনও কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হন নি। চল্লিশের দশকে তিনি সমাজবাদী সংস্থা আই পি টি এর (ইন্ডিয়ান পিপ্‌লস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন) সঙ্গে যুক্ত হন এবং এর মাধ্যমে তিনি সমমনভাবাপন্ন মানুষদের কাছাকাছি আসেন।...

রায় পরিবারের শত বর্ষের ইতিহাস – [ আমার মা চিত্রা রায়ের জবানীতে)

আমাদের এই রায় পরিবারের ইতিহাস লিখতে গেলে হয়তো কয়েক শত বছর পিছনে চলে যেতে হবে । এর উৎস কোথায় , কবে কিভাবে এখানে এই রায় পরিবার জন্মগ্রহন করেছিলো তার ইতিহাস হয়তো বা কয়েক শতকের । কিন্তু শত বর্ষের ইতিহাস মাত্র দুটো পুরুষেই সীমাবদ্ধ থাকছে। আমার পিতামহ স্বর্গীয় শ্রী বিপীন চন্দ্র রায় ১৮৭২ সালে ময়মনসিংহ জেলার লামকাইনে জন্ম গ্রহন করেন । তাঁর পিতার নাম ছিলো শ্রী মুক্তারাম রায় । মুক্তারাম রায় তার পিতা মাতার এক মাত্র সন্তান হলেও তাঁর ঘরে ছিলো পাঁচ সন্তান । দুই পুত্র গিরীশ চন্দ্র রায় ও বিপীন চন্দ্র রায় এবং তিন কন্যা । গিরীশ চন্দ্র রায় তার...

glyburide metformin 2.5 500mg tabs
viagra vs viagra plus

প্রানের পঁচিশ

গভীর রাত । অন্ধকার রুম । স্বাগত শীতের রাতে একটি কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে । ঘুমাচ্ছেনা । মোবাইলে রিফার সাথে খুনসুটি করছে । হঠাত রুমের লাইট জ্বলে উঠল । হকচকিয়ে উঠল স্বাগত । মামা তুমি কার সাথে কথা বলছ? ৪ বছরের নূহার প্রশ্ন । ” কারো সাথে না মামা । তুমি ঘুমোওনি ? ” না মামা আজ তোমার সাথে ঘুমাব ।” বাকি রাত স্বাগত কাটিয়ে দিল নূহার সাথে গল্প করে ।   পরের দিন সকাল । বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডোর সিঁড়িতে বসে আছে বাপ্পি । কিছুটা চিন্তিত বিষন্ন মুখ । গতকালের ফুটবল ম্যাচে জিততে পারেনি । পরের টায় যে করেই হোক...