Author: ডন মাইকেল কর্লিওনি

বিজয়ের দিনে বিজয়ীর কথাঃবিস্মৃত এক সুপারহিরোর গল্প

শুরুর কথাঃ “What is it that makes these boys have no fear”??? আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র- ভারতীয় একটি মুভিতে এই সংলাপটি শুনে কেন জানিবিশাল একটা ধাক্কা খেয়েছিলাম। স্বাধীনতা সংগ্রামী ভগৎ সিং এবং তাঁর সংগীসাথীরা যখন ফাঁসির মঞ্চে হেঁটে যাচ্ছেন-তাঁদের দৃপ্ত পদচারণা দেখেব্রিটিশ জেলার মিস্টার ম্যাককিনলে বিড়বিড় করে নিজেকেই এ প্রশ্নটি করছিলেন ।এটা দেখে আমার মাথাতেও একই প্রশ্নই খেলছিলঃ এই যে যাঁরা যুদ্ধে প্রাণ দেয়, এরাও তো আমাদের মত মানুষ। এরা আমাদের মতই ঝঞ্ঝাটহীন জীবনের স্বপ্ন দেখেছেকোন এক সময়ে, আনন্দের সাথে জীবন কাটিয়ে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে বৃদ্ধকালেমরতে চেয়েছে। কিন্তু যুগে যুগে প্রতিটি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামেরইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা অসামান্য একটা জিনিস...

ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে যখন রুদ্র একবারে নিশ্চিত হয়ে গেল যে আজকে আর সে বিকল্প-৩৬ নম্বর বাসের দেখা পাচ্ছে না, তখন হঠাৎ করে আচানক কলাবাগান মোড়ের সিগন্যালে ভিআইপি-২৭ নম্বর বাসের পেছনে একটা ৩৬ য়ের দেখা পেল সে। দুইটা প্রাইভেটকার, একটা লেগুনা আর একটা পাজেরোর নিচে পড়তে পড়তে বেঁচে গিয়ে অবশেষে ৩৬ শে উঠলো সে। উঠেই মেজাজটা তিরিক্ষি হয়ে গেল। ভালোবাসা নামক বিচিত্র ব্যাপারটা তার জীবনে বারবার কেবল অভিশাপ হয়েই এসেছে, তাই কিনা আজকাল কোন কাপল দেখলেই তার বড়ই বিরক্তি লাগে।কেননা কাপল মাত্রেরই বিনা কারনে ক্রমাগত ভালোবাসার মিষ্টি আলাপের নামে ভ্যাজর ভ্যাজর করে মাথা ধরিয়ে দেয়ার অসাধারন ক্ষমতা আছে। আর সেটা...

তার জন্ম হয়েছিল গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের খুব সাধারণ এক পরিবারে ১৯৪৯ সালের ৫ই আগস্ট তারিখে। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে ২য় ছিলেন তিনি। খুব ছোট বেলার থেকেই ডানপিটে ছেলেটি পিতার আদর স্নেহ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। সত্যি বলতে কি, ছেলেটার জন্মের পর থেকে তার পিতার সাথে তার ভালোমতো দেখাই হয় নি। কেননা তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান তখন বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠছেন, বাঙ্গালী জাতির মুক্তিদূত হয়ে উঠছেন। পাকিস্তানী শোষকদের নির্মম শোষণের বিরুদ্ধে কথা বলবার কারনে, প্রতিবাদ করবার কারনে তার পিতাকে প্রায়ই কারাবরন করতে হয়। তোঁ একদিন বঙ্গবন্ধু জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি এসেছেন, বহুদিন পর বাড়িতে আনন্দের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ছোট্ট ছেলেটি...

সে এক অদ্ভুত ঘটনা। প্যারিসের একটা বিখ্যাত প্রকাশনী থেকে একটা উপন্যাসপ্রকাশিত হল। উপন্যাস প্রকাশনার সময় লেখক দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিদেশে ছিলেন।তাই একদিন উপন্যাসটা পাঠকমহলের কাছে কেমন সাড়া ফেলল, সেটা জানতে তিনি চিঠিলিখলেন প্রকাশকের কাছে। যথাসময়ে সেই পত্র গিয়ে পৌঁছল প্রকাশকের কাছে।পত্রখানা খুলে তোঁ প্রকাশকের আক্কেলগুড়ুম। পুরো পত্র ফাঁকা, একটা শব্দওলেখা নেই। শুধু গোটা পাতা জুড়ে বিশাল আকারের এক প্রশ্নবোধক (?) চিহ্ন দিয়ে নিচে লেখক সই করে করে দিয়েছেন। পত্রের মাথামুণ্ডু কিছু বুঝতে না পেরে আক্কেলগুড়ুম হয়ে কিছুক্ষন বসে থাকার পর অবশেষে প্রকাশক

synthroid drug interactions calcium

সে এক অদ্ভুত ঘটনা। প্যারিসের একটা বিখ্যাত প্রকাশনী থেকে একটা উপন্যাস প্রকাশিত হল। উপন্যাস প্রকাশনার সময় লেখক দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিদেশে ছিলেন। তাই একদিন উপন্যাসটা পাঠকমহলের কাছে কেমন সাড়া ফেলল, সেটা জানতে তিনি চিঠি লিখলেন প্রকাশকের কাছে। যথাসময়ে সেই পত্র গিয়ে পৌঁছল প্রকাশকের কাছে। পত্রখানা খুলে তোঁ প্রকাশকের আক্কেলগুড়ুম। পুরো পত্র ফাঁকা, একটা শব্দও লেখা নেই। শুধু গোটা পাতা জুড়ে বিশাল আকারের এক প্রশ্নবোধক (?) চিহ্ন দিয়ে নিচে লেখক

জাতিস্মর– জন্মজন্মান্তরের আক্ষেপমাখা অনন্তবিস্তারী এক ভালোবাসার গল্প… 

প্রথম আলোয় ফেরা, আঁধার পেরিয়ে এসে আমি অচেনা নদীর স্রোতে চেনা চেনা ঘাট দেখে নামি… চেনা তবু চেনা নয়, এভাবেই স্রোত বয়ে যায় খোদার কসম জান, আমি ভালোবেসেছি তোমায়..  রোহিতের জন্ম গুজরাটে হলেও তার শিক্ষা-দীক্ষা বড় হওয়া সবই কলকাতায়। কিন্তু আফসোসের ব্যাপার হল, কলকাতায় এতদিন থেকেও সে বাঙলা ভাষাটা রপ্ত করতে পারল না। বাঙলা ভাষায় তার দৌড় বড়ই শোচনীয়। ভাঙ্গা ভাঙ্গা তিন চারটে বাঙলা শব্দ সে জানে বটে, কিন্তু সেগুলোর ব্যবহার করতে গিয়েই বাধে বিপত্তি। ভুল জায়গায় ভুল শব্দ ব্যবহার করে ভয়ংকর রকমের বেকায়দায় পড়ে যায় সে। মহামায়াকে খুব ভালো লাগে তার, কিন্তু ভালোবাসার কথা তাকে বলতে গিয়েই আবার সেই...

doctus viagra

এক অনিচ্ছুক প্রজন্মের কথা…

“ইধার সো রাহা হ্যায় এক গাদ্দার” পাকিস্তানের করাচীর মাসরুর বেসের চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে নিতান্তই অযত্নে আর অবহেলায় ফেলে রাখা একটা কবরের সামনে লেখা ছিল কথাটা। কবরটা এক ফ্লাইট লেফটেন্যান্টের।পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে যার উজ্জ্বল ক্যারিয়ার ছিল, কর্মদক্ষতা আর পারদর্শিতায় যার তুলনা ছিল সে নিজেই। ৪৪ বছর আগের সেই ২০ আগস্ট মানুষটা সব ভুলে গিয়েছিল,ভুলে গিয়েছিল তার স্ত্রী-সন্তানের কথা, পাকিস্তানীদের প্রতি তীব্র ঘৃণা আর অকুতোভয় দেশপ্রেমে জন্ম দিয়েছিল এক অসম্ভব উপাখ্যানের… দেশমাতাকে খুবলে খাচ্ছে চাঁদ-তারা শকুন, মুক্ত করতে হবে তাকে,মাথার ভেতর লুপের মত ঘুরতো এই কথাগুলো… প্রত্যেকটা মুহূর্ত… টি-৩৩ বিমানটা নিয়ে যখন আকাশে উড়লো সে, তখনো কথাগুলো বাজছিল তার মাথার ভেতর। শিক্ষানবিস পাকিস্তানী...

কেন খেলার সাথে রাজনীতি মেশাবো?

আমার এক আত্মীয় আছেন খুব নিরীহ ধরনের, কারোর সাতেও নাই পাঁচেও নাই, দুনিয়ার কারো ব্যাপারে মাথাব্যাথা নাই, নিজের মত করে খুব সহজ-সরল জীবনযাপন করেন। ভোটের সময় ইসলামী দল হিসেবে জামায়াতকে ভোটটা দিয়ে আসেন,রাজাকারের ফাঁসি চাইলে বিরক্ত হন,কসাই কাদেরের ঝুলে যাওয়ার ব্রেকিং নিউজ দেখে “ইসলামের কাণ্ডারি নিরীহ বৃদ্ধ মানুষগুলাকে নাস্তেক জালেম হাসিনা সরকার ফাঁসি দিয়ে দিতেছে দেশটারে হিন্দুস্থান বানানোর জন্য”এই বলে কিছুক্ষন হা-হুতাশ করেন, তারপরে আবার সব ভুলে যান। আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারন তার এ জীবনযাপনে একমাত্র উত্তেজনা দেখা দেয় বাংলাদেশের খেলার সময়, এগারোটা লাল-সবুজ টাইগারকে মাঠে দেখলেই তার মেজাজ খিঁচড়ে যায়,//”বাঙ্গালী তো আজকেও পোঙ্গামারা খাবে, বুঝলা? ; ছাগলের বাচ্চাগুলা খেলা পারে...

can you tan after accutane

A Beautiful Mind– অন্তর্মুখী এক দানব কিংবা শ্বাশত ভালোবাসার গল্প…

১৯৪৭ সাল। Princeton University এর গনিতশাস্ত্রের নতুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে গনিত বিভাগের চেয়ারম্যান যখন প্রেরনাদায়ী বক্তব্য রাখছিলেন তাদের জন মোর্স কিংবা আলবার্ট আইনস্টাইন হবার আহ্বান জানাচ্ছিলেন, তিনি হয়তোবা জানতেনও না, হলরুমের এক কোনায় চুপচাপ বসে থাকা সোনালি চুলো ছেলেটা একদিন সবাইকে চমকে দেবে, বিস্ময়ে করবে বাকহারা। আসলে কেই বা ভাবতে পেরেছিল? সবার কাছ থেকে আলাদা একলা চুপচাপ থাকা John Nash এর গনিতশাস্ত্রের সম্মানজনক বৃত্তি Carnegie Scholarship পাওয়াটাই ছিল এক অদ্ভুত বিস্ময়।কেননা একই স্কলারশিপ পাওয়া Martin Hansen ততদিনে মোটামুটি একজন বিখ্যাত মানুষ। নাজি সাইফার আর নন-লিনিয়ার ইকুয়েশনের উপর দু দুটো থিওরি আবিস্কার করে হ্যানসেন তখন লাইমলাইটে। সে তুলনায় জন ন্যাশ পুরোপুরি অপরিচিত।...

achat viagra cialis france
side effects of quitting prednisone cold turkey

Artificial Intilligence(AI) – একজন অক্ষম সন্তান ও এক নীলপরীর গল্প..

২১ শতকের শেষ দিকে পৃথিবী ক্রমেই মানুষের বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে।ফলাফল মানব প্রজাতিকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে এক নতুন মডেলের অত্যাধুনিক সকল কাজে পারদর্শী রোবট তৈরি করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় পরীক্ষামূলকভাবে ডেভিড নামের এক ছোট্ট যন্ত্রমানবকে পাঠানো হয় হেনরি ও মনিকার সংসারে। উদ্দেশ্য নিরাময়অযোগ্য এক রোগে আক্রান্ত মারটিন(হেনরি ও মনিকার সন্তান) এর স্থানপুরন। কিন্তু প্রশ্ন হল একটা যন্ত্র কিভাবে সন্তানের অভাব পূরণ করবে? ডেভিডকে দেওয়া হয়েছিল এক অত্যাশ্চর্য ক্ষমতা… আপনজনকে প্রচণ্ড ভালবাসার ক্ষমতা এবং প্রিয় মানুষের জন্য প্রয়োজনে স্রোতের বিরুদ্ধে দাড়িয়ে একা লড়াই করার ক্ষমতা কেবল যে মানুষেরই আছে…   বিপত্তিটা বাধে তখন যখন মারটিন ফিরে আসে। মায়ের কোলে সন্তানের ফিরে...

capital coast resort and spa hotel cipro

না মেলা কিছু হিসাবের গল্প…

শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডের ছাদে বসে ছিল ওরা, পা ঝুলিয়ে। একটু আগে তামিমের হাফ সেঞ্চুরি হইছে, মর্দে মারখোর পাকিস্তানী জওয়ানদের বিধ্বংসী বোলিং লাইনআপরে ল্যাড়ল্যাড়া ধ্বজভঙ্গ বানায়া নাকের জল চোখের জল একাকার কইরা ছাড়ছে এই পোলা। নরমাল গ্যালারিতে না বসে এমন বিচিত্র জায়গায় বসার কারন হল জুয়েল আর মুশতাক ভাই। কেউ কাউরে ছাড় দিবে না। মুশতাক ভাই গম্ভীর গলায় বললেন, আমার স্ট্যান্ডের হইল স্টেডিয়ামের সেরা। শুইনা জুয়েল তেলেবেগুনে জ্বইলা উঠলো, “আমার স্ট্যান্ডে গেছেন কোনোদিন মিয়া? কইলেই হইল?” যুদ্ধ বাইধা যায় আরকি… এই দুইটা স্ট্যান্ড ভয়ংকর আবেগের জায়গা মানুষ দুইটার জন্য, স্বাধীন বাংলাদেশ যে দয়াপরাবশ হয়ে কেবল ওদের নামে স্টেডিয়ামের দুইটা গ্যালারীর নাম... metformin synthesis wikipedia

কামারুপুত্রের আফসোস এবং কিছু রূপকথার গল্প…

হাসান জামান শাফি নামের একজনের ওয়ালে একটা লেখা পড়লাম। কামারুরে তিনি বাপ বইলা সম্বোধন করছেন, নিষ্পাপ নিরপরাধ ইসলামী সমাজের আদর্শ তার বাপরে নাকি হাসিনা সরকার আরেকজনের অপরাধে মেরে ফেলছে। ওই যে এই কাদের সেই কাদের না টাইপের ব্যাপার আর কি, উনি বলতে চাইতেছেন এই কামারুও সেই কামারু না… বেশ আবেগঘন একটা লেখা, পাবলিকের ইমোশনে ধাক্কা দেওয়ার মত সব উপাদানই আছে। আরেক রাজাকার মীর কাশেম আলির মেয়ে সুমাইয়া রাবেয়াও তার সাথে গলা মিলায়া বলতেছেন আমার বাপ যুদ্ধাপরাধী হইতেই পারে না, সব মিডিয়ার সৃষ্টি, প্রোপাগান্ডা মাত্র। কামারুজ্জামানের ব্যাপারে উনারা বিস্ময় প্রকাশ করে বলতেছেন ১৯ বছরের একটা কিভাবে এহেন অত্যাচার আর নৃশংসতা চালাইতে...

একজন সালামের গল্প…

৩টা ৪৫ বাজতে চলল প্রায়। ক্যাপ্টেন আমীন নিঃশব্দে এগোচ্ছেন, সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের দুই কোম্পানি সৈন্য।৩০০ সেনার মধ্যে রেগুলার আর্মির মাত্র ১০ জন, বাকিরা বেশিরভাগ মাত্র এক সপ্তাহের ট্রেনিং নিয়েই চলে এসেছে যুদ্ধে, কিশোর-ছাত্রজনতা… ময়মনসিংহ সীমান্তের নকশি বিওপিতে দুর্ভেদ্য পাকিস্তানীরা, মাইন ফিল্ড, সূচালো বাঁশের কঞ্চি আর কাঁটাতারের বেড়ায় ঘেরা পুরো ঘাঁটি, এর আগেও একবার আক্রমণ চালানো হয়েছিল, কোন মুক্তিযোদ্ধা বেঁচে ফিরতে পারেনি। এবার শুধু ইন্ডিয়ান আর্মির আর্টিলারি সাপোর্টটা যুক্ত হয়েছে, এই ই যা… সেটাও সীমিত পরিসরে… তবুও কেউ ভয় পাচ্ছে না, মৃত্যুকে ভয় পায় না এরা আজ অনেকদিন হল… ঠিক ৩টা ৪৫ মিনিটে রেডিওতে আমীনের গলায় শোনা গেল “জোরে মার” চিৎকার, আর্টিলারি...

ডেইলি স্টারের পাকিস্তান ডে বা কিছু বিস্মৃত যন্ত্রণার গল্প…

এরাম রেস্টুরেন্টে বসে আড্ডা দিতেছিল ওরা, হঠাৎ কোথেক্কে কাজী কামাল উদ্দিন এসে হাজির। ক্ষেপে আছে বোঝাই যাচ্ছে, আজাদের দিকে তাকায়া বলল, ঘটনা শুনছো মিয়া? বিসিবি তো পাইক্কাগুলার প্রস্তাব মাইনা নিছে। হালাগোরে প্লেনের ভাড়া দিবো, যাওয়া আসার ভাড়া… আজাদ বললো, কন কি? ফাইজলামি নাকি? ওরা যা কইব, সেইটা মানতে হইব? বিসিবির সমস্যা কি? পাশ থেইকা রুমি বললো, হারামজাদারা নিজেদের দেশটারে বানায়া রাখছে শিটহোল, সেকেন্ডে সেকেন্ডে গ্রেনেডের উর্বর ফলন হয়, দুনিয়ার কোন দেশ খেলতে যায় না। ফকিরের মত আরব আমিরাতে খেইলা বেড়াইতেছে, ওগোর যে খেলার সুযোগ দিছি, এইটাই তো বহুত, আবার লাভ চায় কোন হিসাবে? মিসকিনের বাচ্চাগুলার সাহস দেখছো? শাহাদাত চৌধুরী থামান...

লজ্জাগাঁথা…

দুই পায়ে আটটা অপারেশন হইছে মানুষটার, আটটা… আপনার পায়ে আটবার অপারেশন করার বহু আগেই আপনি পঙ্গু হয়ে যাইতেন। একটা অপারেশনের পরেই ঠিকভাবে হাঁটতে পারে খুব কম মানুষ…সেও যে ঠিকঠাক পারে , তা কিন্তু না। প্রতিবার রান আপের পরেই তার হাঁটুতে পানি জমে, নী ক্যাপ লাগানো হাঁটু দুটো ফুলে যায়, দেখতেই ভয় লাগে, তার যন্ত্রণা হয় কিনা সেটা কখনো ভেবে দেখার সময় হয়নি। পায়ের পানি সিরিঞ্জ দিয়ে বের করে ফেলতে হয়, অনেক সময় খেলা চলাকালীনই কাজটা করে সে, পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোন ক্রিকেটারকে এমন কাজ করতে হয়নি… আর ১০টা মানুষের মত হইলে সেও হয়তো থাইমা যাইত। কিন্তু সে থামে নাই, থামতে...

একজন রেহানা কিংবা কিছু মিথ্যাচারের গল্প…

চুলায় ভাত বসিয়েছিল আসমানী, হঠাৎ কোথেক্কে “মিলিটারি মিলিটারি” চিৎকার করতে করতে ছুটে এল নশু পাগলা। জীপ তিনটা গ্রামে ঢুকলো ঠিক তখনই, কিছুদূর গিয়ে থামতেই লাফ দিয়ে পাকিস্তানী শূয়োরগুলো নামলো। আসমানীর স্বামীর খোঁজে পুরো বাড়ি তন্নতন্ন করে খুঁজলো, না পেয়ে অগত্যা আসমানী আর তার ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধা শাশুড়ির পেটে ইসলামের নামে পাকিস্তানের বীজ বুনে যাওয়াই মনস্থির করলো। কয়েকদিন আগে রেহানা নামের ফুটফুটে একটা পরী জন্ম দেওয়া আসমানি অবশ্য এই পবিত্র পৈশাচিকতা সহ্য করতে পারলো না, “মাগো, মাগো বলে কয়েকবার আর্তচিৎকারের পর নিস্তেজ হয়ে গেল। যোনির ভেতর বেয়নেট নিয়ে নির্বিচারে খোঁচানোয় গলগল করে রক্ত বেরোতে লাগলো। যাবার সময় হঠাৎ বিছানায় নিশ্চিন্তে...

cialis new c 100

একজন মোহাম্মদ আলি এবং রাজাকার সুবহানের গল্প…

ঈশ্বরদীর সাহাপুর গ্রামের একজন ব্যবসায়ী ছিল মোহাম্মদ আলী প্রামানিক, জয় বাংলার লোক হিসেবে আশেপাশের গ্রামের মানুষ তাকে এক নামে চিনতো। আর তাদের প্রামানিক বংশরে চিনতো বিচার-সালিশের জন্য। ১০ গ্রামের বিচারক ছিল প্রামানিকরা, সেইরকম মর্যাদা আর প্রতিপত্তি ওদের। ইয়া বড় একটা সাদা ঘোড়ায় চড়ে চলাফেরা করতো। রাজকীয় স্টাইল। গ্রামের বেশিরভাগ পরিবারই ছিল হিন্দু, সবাইকে প্রানটা দিয়ে ভালবাসতো মানুষটা। একাত্তরের ২রা মে পাকিস্তানি মিলিটারিরে যখন পাবনা জামায়াতের নেতা আবদুস সুবহানের দেখানো পথে সাহাপুর গ্রামে ঢুকে বাড়ির পর বাড়ি জ্বালায়ে দিতে লাগলো, হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে মেয়েদের বাড়ি থেকে বের করে জিব চাটতে চাটতে ঝাঁপিয়ে পড়তে লাগলো, মোহাম্মদ আলী বাড়ি ছিল না। তারে না পায়া...

কিছু বকেয়া গ্লানির গল্প…

হোসনা বেগম ছুটছে, ঊর্ধ্বশ্বাসে… তার চারপাশে ছুটছে অসংখ্য মানুষ, ছুটছে ভয়ংকর আতংকে, প্রান বাঁচাতে, আশেপাশে অবিরাম গুলি চলছে, সাঁই সাঁই করে। গোড়ল গ্রামটা পেরিয়ে নদীর ধারে হঠাৎ মুখ থুবড়ে পড়ে গেল হোসনা, এক মাঝি দৌড়ে এসে তাকে ওঠাল। দুইহাতে আঁকড়ে ধরে থাকা বিছানাপত্র পড়ে গেছে নিচে, সেদিকে তাকিয়ে হঠাৎ চিৎকার করে ওঠে হোসনা, আমার কাশেম কই? একটু আগে যখন রাজাকাররা পাকিস্তানী শুয়োরগুলোকে নিয়ে হোসনার স্বামীকে গুলি করে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়, তখন দিশেহারা হোসনা দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে ঘুমিয়ে থাকা ২০ দিনের কাশেমকে তার বিছানাসমেত জড়িয়ে বুকে নিয়ে দৌড়াতে থাকে। টেরই পায়নি কাশেম ভেবে সে আসলে কাশেমের কোলবালিশটা তুলে এনেছে। জীবন্ত...

acquistare viagra in internet
doctorate of pharmacy online will i gain or lose weight on zoloft