Author: আরাফ কাশেমী

আবদুল হামিদ এক না বলা বীরের গল্প

পাঞ্জাবী কমান্ডিং অফিসার ক্যপ্টেন আসিফ রিজবী চমকে উঠলেন।নিজের কান কে বিশ্বাস করাতে পারছে না,কারন সামনে বসে থাকা একটি যুবক বয়স বেশি গেলে ২২ কি ২৩ হবে যে কিনা এখন তাদের হাতে বন্ধী সেই ছেলে কি তেজী কণ্ঠে কথা বল উঠলো। আসিফ রিজভী তাঁর জামার পকেট তল্লসীর উদ্দেশ্যে হাত দিতে উদ্যত হলে ছেলেটি গর্জে উঠে ধমকের সুরে বলে উঠলো “Stop. Do not you know I am a citizen of Bangladesh? you must seek my permission before charge me” এই ক্যাম্পে এর আগেও অনেক মানুষ আনা হয়েছে ক্যপ্টেন আসিফ রিজবী অনেকের সাথেই কথা বলেছে রিজবী তাদের নিজের ইচ্ছা মত শান্তি দিয়েছে কেউ...

viagra vs viagra plus

অভিজিৎ দের মেরে ফেলার কারণ শুধুই ধর্ম অবমাননা নয়। পর্ব-১

এদুনিয়ার প্রতিটি মানুষ নিজে যা বিশ্বাস করে তা অন্যের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চায় এটাই স্বাভাবিক নয় কি।যারা ধর্মে বিশ্বাস করে কিংবা করে না তারাও এর ব্যতিক্রম নয়,তারাও নিজ নিজ বিশ্বাস স্থাপন করতে চায় সমাজে। একেক জনের বিশ্বাস স্থাপনের পন্থা একেক রকম।কেউ নিজের বিশ্বাস ছড়াতে চায় কলমের দ্বারা যুক্তি দিয়ে,আবার এদানিং দেখা যাচ্ছে কেউ কেউ নিজের বিশ্বাস স্থাপন করতে চায় চাপাতির কোপের ভয় দেখিয়ে।সবই বিশ্বাস নামক তাজ্জব বনের সোনার হরিণ। বেশ কিছুদিন ধরে,না না অনেক বছর ধরেরই ধাপে ধাপে আমাদের এই স্বাধীন দেশে দেখা যাচ্ছে কিছু মানুষ কে কুপিয়ে খুন করা হচ্ছে। জোর করে প্রাণ বলি নেওয়া মানুষের নামের তালিকা খুজতে...

metformin tablet

রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার আর শফিউরের সঙ্গে আরেকটি নাম অহিউল্লাহ

বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান ছিপছিপে গড়নের ছেলেটি ছিলো ভারী দুষ্ট কিংবা দুরন্ত,মাথায় ঝাঁকড়া চুল নিয়ে ঘুরে বেড়ানোই ছিলো তার একমাত্র কাজ।দরিদ্র ঘরে জন্ম নেয়া ছেলেটি তার গ্রাম থেকে দিনমজুর পিতা-মাতার হাত থেকে বাচতে পালিয়ে এসেছে ঘর থেকে ঢাকায়।ছবি আকার বড় শখ ছিলো ছেলেটির সময় পেলেই কাগজ,পেন্সিল নিয়ে বসে পড়ত আঁকাআকি করতে।যার কথা বলছিলাম সে ছিলো ভাষা আন্দোলনের সবচেয়ে কম বয়সী শহীদ নাম অহিউল্লাহ বাবা মায়ের আদরের অহি। অহিউল্লাহরা থাকত ঢাকার নবাবপুরে। আজকের মতো এত ব্যস্ত আর ঘনবসতি ছিল না তখন নবাবপুর। খুব অল্প মানুষই তখন এই এলাকায় থাকতেন।বড় বড় পথঘাট,দুই-চারটি গাড়ি-ঘোড়া অনেকক্ষণ পর পর ছুটে যেত রাস্তা দিয়ে সাঁ সাঁ করে।আট...

can your doctor prescribe accutane

“গুড বাই সামার” দ্য আদার কনসার্ট ফর বাংলাদেশ,১৮-৯-১৯৭১

“Bangladesh, Bangladesh Where so many people are dying fast And it sure looks like a mess I’ve never seen such distress” ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে জর্জ হ্যারিসনের এর কনসার্ট ফর বাংলাদশে কথা বললে “বাংলাদেশ” শিরোনামেগাওয়া এই গানটা কানে ভাসে না এমন মানুষের সংখ্যা যেমন খুবই কম ঠিক তেমন কনসার্ট ফর বাংলাদেশের দেড় মাস পরে ইংল্যান্ডের কেনিংটন ওভালে হয়েছিলো এমনই আরেকটি রক কনসার্ট সে ইতিহাস জানা লোকের সংখ্যাটাও আবার খুব বেশি নয়।   যুদ্ধপীড়িত বাংলাদেশের শরণার্থীদের সাহায্যে ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্ভর ইংল্যান্ডের ওভালে ‘গুডবাই সামার’ নামে সেই কনসার্ট এর আয়োজন করা হয়েছিলো।কেনিংটন ওভাল ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী টেস্ট ভেন্যুগুলোর...

will i gain or lose weight on zoloft

একদল অন্যরকম মুক্তিসেনা

২৪ জুলাই ১৯৭১ বল পায়ে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে পিন্টু বুকের মাঝে অন্যরকম এক ভয় কাজ করছে একের পর এক প্রতিপক্ষের খেলোয়ার সামনে চলে আসছে ভাবতে ভাবতে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।পাশ থেকে সালাউদ্দিন দম বন্ধ করে দৌড়াচ্ছে সারা গায়ের ঘাম ঝরে পরছে মাটিতে।হঠাৎ পিন্টুর চিৎকার “সালাউদ্দিন বল নে” সালাউদ্দিন একদমে সামনে এগিয়ে বল টেক করেই সুট করলো প্রতিপক্ষের গোলকিপার অবাক বনে কিছু বুঝে উঠার আগেই গোল।সালাউদ্দিন মাটিতে বসে পড়লো চোখ দিয়ে টপ টপ করে জড়ে পরছে অশ্রুকনণা। শেখ আশরাফ আকাশ পানে চেয়ে আছে দূরে পত পত করে উড়ছে একটি পতাকা গাঢ় সবুজের সাথে কড়া লাল বৃত্তের মাঝে ৫৬ হাজার বর্গ মাইলের...

renal scan mag3 with lasix

প্রজন্ম চত্বর,শাহবাগ,ঢাকা-১০০০(নিজস্ব স্মৃতি কথা)

বাবার বুকে করলো গুলি কে মাগো? করলো গুলি কে? —————রাজাকার তোমার মনে জ্বালালো আগুন কে? মাগো জ্বালালো আগুন কে? —————-রাজাকার আমার বোনের মান কেড়েছে কে মাগো? মান কেড়েছে কে? ————–রাজাকার আমার বাড়ি লুট করেছে কে মাগো? লুট করেছে কে? ————–রাজাকার ধর্ম আমার সদাই বেঁচে কে মাগো?ধর্ম বেঁচে কে? ————– রাজাকার স্বাধীনতার শত্রু বলো কে মাগো?শুত্রু বলো কে? ————–রাজাকার মুখোশ পরে যাচ্ছে হেঁটে কে মাগো?যাচ্ছে হেঁটে কে? ————রাজাকার তবে বসে আছো কেন হানো আঘাত হানো। ছোট বেলায় শহীদুল ইসলামের এই কবিতাটা শিখেছিলো আব্বু।হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলো মুক্তিযুদ্ধের বইগুলো সেই তখন থেকেই এভাবে বেঁড়ে উঠছি।রাজাকার নিয়ে যখন কেউ কথা বলতো না তখনো আমি...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড-অ্যালেন গিন্সবার্গ (বাংলা অনুবাদ)

শত শত চোখ আকাশটা দেখে, শত শত মানুষের দল, যশোর রোডের দুধারে বসত বাঁশের ছাউনি কাদামাটি জল কাদামাটি মাখা মানুষের দল, গাদাগাদি করে আকাশটা দেখে, আকাশে বসত মরা ইশ্বর, নালিশ জানাবে ওরা বল কাকে। ঘরহীন ওরা ঘুম নেই চোখে, যুদ্ধে ছিন্ন ঘর বাড়ী দেশ, মাথার ভিতরে বোমারু বিমান, এই কালোরাত কবে হবে শেষ।    শত শত মুখ হায় একাত্তর যশোর রোড যে কত কথা বলে, এত মরা মুখ আধমরা পায়ে পূর্ব বাংলা কোলকাতা চলে। সময় চলেছে রাজপথ ধরে যশোর রোডেতে মানুষ মিছিল, সেপ্টেম্বর হায় একাত্তর, গরুগাড়ী কাদা রাস্তা পিছিল লক্ষ মানুষ ভাত চেয়ে মরে, লক্ষ মানুষ শোকে ভেসে যায়, ঘরহীন ভাসে শত শত লোক লক্ষ জননী পাগলের প্রায়। রিফিউজি ঘরে খিদে...

synthroid drug interactions calcium

“জীবন থেকে নেয়া” থেকে”স্টপ জেনোসাইড” আর একজন জহির রায়হান

বঙ্গভূমিতে জন্মলাভ করে শত বাধায় মাঝে বেড়ে উঠতে উঠতে হয়ে উঠেছিলো বাংলার উজ্জ্বল নক্ষত্র।তার নামের পরে ছিলো অনেক গুলো পরিচয়।কখনো গল্পকার,কখনো ঔপন্যাসিক কিংবা চলচ্চিত্র পরিচালক।তার কাজগুলো এমনই ছিলো যে আজ ৪ দশক পরে এসেও আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি মাথা উঁচু করে,আর এদেশের ইতিহাস আজো তার কাজের স্বীকৃতি দিতে বাধ্য। . জীবনের অধ্যায়ের কোন পরিচ্ছেদেই তাকে থেমে থাকতে হয়নি কোথায়ও কোন দিন।জীবন অধ্যায়ের প্রতিটি পরিচ্ছেদে প্রতিটি পরিচয়ে নিজেকে রাঙিয়েছেন নিজের মত করে যেখানে আজো তাকে ছুঁতে পারেনি কেউ।তিনি ছিলেন শুধুই একজন,আমাদের একজন জহির রায়হান। . একুশের গল্পের তপু আর আমাদের জহির রায়হান,লেখক নিজেই যেন লিখে গিয়ে ছিলেন নিজের ভাগ্যকাব্য।গল্পের তপুর...

side effects of drinking alcohol on accutane

অমর মহাকাব্য একাত্তরের ১১ অধ্যায়ের সবটুকু।

আমার মুক্তিযুদ্ধ আমার মহাকাব্য।এই কাব্যের সরল ইতিহাসগুলো কমবেশি সবাই জানলেও,জানি না তার ভিতরের সবটুকু।পাঠ্য বইয়ের বাহিরে কজনই বা খুজে বেড়ায় এই ইতিহাস।যেমনটি ছোট বেলায় ক্লাস ৫ এ শিখেছিলাম,বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচলনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের সমগ্র ভূখণ্ডকে ১১টি যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করেছিলো, এই।এরপর অনেক বড় হবার পরও ঠিক ভাবে জানতে পারিনি ১১টি সেক্টরের সব ইতিহাস,খুজে পাইনি পাঠ্যবইয়েও।তাই পাঠ্যবইয়ের ভিতরে-বাহিরের থাকা সবকিছু এক করার সিদ্ধান্ত নিলাম।মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরের কমান্ডার কে ছিলো,সাব সেক্টর কয়টি ছিলো,কোন জেলা কোন সেক্টরে ছিলো,সাত বীরশ্রেষ্ঠের কে কোন সেক্টরে ছিলেন ইত্যাদি ইত্যাদি। চলুন শুরু করা যাক সেক্টর-১ঃ _______________________________________________________ সেক্টর কমান্ডারঃ মেজর জিয়াউর... amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

গেরিলা – শামসুর রহমান,১৯৭১

ঢাকা শহরে তখন একের পর এক গেরিলা অপারেশন হচ্ছে।পাকিস্তানিরা হাজারো চেষ্টা করে ঠেকাতে পারছে না বাঙ্গালী গেরিলাদের।পাগল হয়ে গেছে পাকির দল চোখে মুখে ভয়,মৃত্যু ভয় কখন কি হয়?পাকিদের এই অবস্থা দেখে বাঙালিরা তখন আনন্দে আত্নহারা।আর মনের প্রতিটি পরত থেকে ভালোবাসা বিলিয়ে দিচ্ছে সেইসব মৃত্যু কে তুচ্ছজ্ঞান করা গেরিলাদের জন্য।সেই সময় শামসুর রহমান ভালোবেসে একটি কবিতা বাধলেন তাদের নিয়ে যাদের তিনি তখনো দেখেনি কিন্তু ভালোবাসা দিয়েছেন অন্তরের অন্তস্থল থেকে।কবিতা টি পুরো তুলে দিলাম দেখতে কেমন তুমি? কি রকম পোশাক আশাক পরে করো চলাফেরা? মাথায় আছে কি জটাজাল ? পেছনে দেখাতে পারো জ্যোতিশ্চত্রু সন্তের মত? টুপিতে পালক গুঁজে অথবা জবর জং ঢোলা...

doctorate of pharmacy online
zovirax vs. valtrex vs. famvir

শীতের সকালে পুড়ছে কেউ সাথে জ্বলছে দেশ

এক আজকে কুয়াশা তেমন একটা নাই কিন্তু বাতাসটা একটু বেশি তারপরও আলী মিয়া ঘামছে।বাহিরে আলো হয়ে গেলো এখনো সব কাজ শেষ হয় নাই। রাতে নেতা কয়েকবার ফোন দিছে সকালের আগে আগে তার সবকিছু চাই মানি চাই,না হলে ১টা টাকা ও দিবে না।কয়েকদিন ধরেই আলী মিয়ার ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না তাই এই ক্ষণিকের সুযোগে টাকা কামানোর সুযোগ হাতছাড়া করা যায় না কারণ টাকাটা যে তার খুব দরকার। হাবিজাবি ভাবতে ভাবতে আলী মিয়া আরেকটা জর্দার কোটায় শক্ত করে টেপ মারছে যাতে সহজে বাস্ট না হয়। যত তাড়াতাড়ি পারে তার কাজ শেষ করে নেতার কাছে ককটেল গুলো পৌছে দিতে হবে। দুই সুমনের সারা...

আমার দেশের হারিয়ে যাওয়া বীর এ.টি.এম. হায়দার

বল বীর-বল উন্নত মম শির!শির নেহারি’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির!বল বীর-বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি’চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা ছাড়ি’ ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়াখোদার আসন ‘আরশ’ ছেদিয়া, উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাতৃর!মম ললাটে রুদ্র ভগবান জ্বলে রাজ-রাজটীকা দীপ্ত জয়শ্রীর!  ১২ জানুয়ারী ছিলো এ.টি.এম.হায়দার এর জম্নদিন । তাই তাকে  উৎসর্গ করলাম কাজী নজরুলের কবিতার কয়েক লাইন। লে. কর্নেল আবু তাহের মোহাম্মদ হায়দার। যিনি লে. কর্নেল এ. টি. এম হায়দার নামেই সমধিক পরিচিত। পারিবারিক ডাক নাম মুক্তু। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যিনি প্রথমে দুই নং সেক্টরের সহ-অধিনায়ক ও পরে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। একজন গেরিলা কমান্ডার হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে অভূতপূর্ব অবদান রাখার জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত... clomid over the counter

kamagra pastillas

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করে বঙ্গবন্ধুর ধ্রুপদী ভাষণ সম্পূর্ণ ১০ জানুয়ারী,১৯৭২

১০শে জানুয়ারী ১৯৭২ সারাদেশ উদ্বেগ এ অধির হয়ে আছেন তাদের নেতা ফিরে আসছেন।নেতা ফিরে আসছেন,শহর-গ্রাম-বন্দরে শুধু ছড়িয়ে পড়েছে একই গুঞ্জন নেতা আসছেন,নেতা আসছেন।স্বাধীন বাংলার নতুন সূর্যলোকে,সূর্যের মত চির ভাস্কর,উজ্জ্বল,মহান নেতা আসছেন তার প্রান প্রিয় স্বদেশ ভূমিতে।তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশের মাটিকে স্পর্শ করে ঘোষণা করলো সেই মহানায়কের আগমন বার্তা। সদ্য স্বাধীন বাংলায় পা রেখে কিংবদন্তী এই নায়ক শিশুর মত আবেগে আকুল হলেন। আনন্দ বেদনার অশ্রুধারা নামলো তার দু-চোখের কোল বেয়ে।প্রিয় নেতাকে ফিরে পেয়ে এদেশের মানুষ ও সেদিন হয়েছিলো অশ্রু সজল। লক্ষ-কোটি জনতার কণ্ঠে সেদিন জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়েছে বাংলার আকাশ বাতাস। লক্ষ জনতার সামনে কথা বলতে গিয়ে সেদিন পিতা বারে...

glyburide metformin 2.5 500mg tabs

September on Jessore Road By Allen Ginsberg,1971

September on Jessore Road Allen Ginsberg Millions of babies watching the skies Bellies swollen, with big round eyes On Jessore Road–long bamboo huts Noplace to shit but sand channel ruts Millions of fathers in rain Millions of mothers in pain Millions of brothers in woe Millions of sisters nowhere to go One Million aunts are dying for bread One Million uncles lamenting the dead Grandfather millions homeless and sad Grandmother millions silently mad Millions of daughters walk in the mud Millions of children wash in the flood A Million girls vomit & groan Millions of families hopeless alone Millions of souls nineteenseventyone homeless on Jessore road under grey sun A million are dead, the million who can Walk toward Calcutta from... metformin gliclazide sitagliptin

স্মৃতি কথা ১৯৭১ পর্ব: ক্যাপ্টেন এ টি এম আলমগীর

৪৩ বছর আগের কথাগুলা বলা কি এতো সহজ। সেসব অনেক কথায় আজ পলি পড়ে গেছে আর কিছু কিছু কথা কে মুছে ফেলতে বাধ্য হয়েছি আমরা জীবন সংগ্রাম মানুষ্কে অনেক কঠিন আর বাস্তবের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয় সেখানে কোন আবেগ স্থান পায় না। এমন অনেক গল্প হয়ে ওঠা ঘটনা শুনেছি আমি কিছু কিছু মানুষের মুখ থেকে,আবার কিছু কিছু খুজে খুজে বের করতে হয়েছে বইয়ের পাতা কিংবা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়িয়ে।এমন অনেক ত্যাগের ঘটনা ঘিরে আমাদের স্বাধীনতা তার অনেকেটাই জানি না আবার আমরা অনেকটাই জানি,কিন্তু বলা হয়ে উঠে না কখন।আজ অনেকেরই অজানা এই রকম একটি গল্প হয়ে উঠা ঘটনা...

can levitra and viagra be taken together