Author: ক্লান্ত কালবৈশাখি

সাঁঝের মেঘ

কোন অজ্ঞাত কারণে, মেঘের প্রতি আমার অদ্ভুত একটা দুর্বলতা আছে। মোড়ের টংয়ের দোকানে এককাপ চায়ের সাথে এক গাল ধোঁয়া ওড়ানোর খেলা খেলতে খেলতে আমি প্রায়শই ধোঁয়াদের দিকে তাকিয়ে থাকি। তাদের মেঘের দিকে উড়ে চলা দেখি। অনেক অনেক উড়ে, তাদের মেঘের সাথে মিশে যাওয়া দেখি। চলার পথে প্রায়শই মেঘের দিকে তাকিয়ে থাকি। আফ্রোদাইতের চেয়েও রহস্যময়ী রূপসী মনে হয় তাকে। মাঝে মাঝে তাকে ফ্রেমে বন্দী করার অপচেষ্টা চালাই। খুব যে সফল হই, তা নয়। কিছু অপচেষ্টাই আজকে হাজির করলাম একসাথে।

clomid over the counter

তোমাকে ভালবাসার আগে

তোমাকে দেখার আগে আমি অন্ধ ছিলাম। অনেক আগেও আমি শ্রাবণ দেখেছি। অনেক আগেও আমি নীল আকাশ আর অন্ধকার আকাশ দেখেছি। তার আগেও সোডিয়াম লাইট আর ফ্লাইওভারের চূড়ায় মেঘেদের দেখেছি। শীতের কুয়াশা দেখেছি। কুয়াশা চিড়ে চাঁদ দেখেছি; চাঁদের আলো দেখেছি। কিন্তু, সত্যি বলছি তোমাকে দেখার আগে আমি দেখিনি কিছুই। এই ক্ষণকাল আগে আমি জেনেছি, বৃষ্টি সুন্দর, বৃষ্টিহীনতা সুন্দর। নীল আকাশ সুন্দর, ধূসর আকাশ সুন্দর। আলো সুন্দর। আর আলোকিত আঁধার সুন্দর। তোমাকে ছোঁয়ার আগে, আমি সত্যিই অসাড় ছিলাম। অনেক আগেও বৃষ্টি এলে আমি জানালা বন্ধ করে দিয়েছি। কার্নিশ বেয়ে জল এলে, তাকে ছুঁতে যাইনি আমি। বৃষ্টির কোলাহলে বিরক্ত হয়েছি। আমার অসীম অনুভূতি...

images (4)

বাতাসে রুদ্রের গন্ধ

কবিতার সংজ্ঞা দেওয়া খুব কঠিন। যে লেখাটি সমকালের স্মৃতি বা স্বপ্নকে তুলে আনতে সক্ষম এবং একই সাথে সমকালকে অতিক্রমের যোগ্যতা রাখে তাকেই বোধহয় কবিতা বলা যেতে পারে। অবশ্য তা হবে কবিতার অন্যান্য ব্যাকরণের শর্ত সাপেক্ষে। — এভাবেই কবিতার সংজ্ঞা দিয়েছিলেন রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।[1] এবং নিজের জীবনে তার নিজের দেয়া সেই সংজ্ঞার প্রতিফলনও ঘটিয়েছেন যথার্থতার সাথেই। একই সাথে তিনি তার লেখায় তুলে এনেছেন সমকালীন স্মৃতি-স্বপ্ন-সাধ। আবার তার কবিতার মূর্ছনাই তার নিজস্ব সময়ের গণ্ডিকে অতিক্রম করে হয়ে উঠেছে সর্বকালীন। মৃত্যুর দুই যুগ পর আজও তাই রুদ্র আছে আমাদের ভেতরে, আমাদের বাহিরে। রুদ্র আছে আমাদের হৃদয় জুড়ে। আনুমানিক উনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে তৎকালীন...

metformin gliclazide sitagliptin

চেতনা

অন্ধকারটা চোখে সয়ে গেল একটু পরেই। প্রথমে চোখ দু’টোও ব্যথায় টনটন করছিল। এখন করছে না। মস্তিষ্কের কাছে এখন এটা একটা অপ্রয়োজনীয় তথ্য। যে তথ্যটা মস্তিষ্ক বড় সময় ধরে নিরবিচ্ছিন্নভাবে পাচ্ছে তার সবটুকুই তার কাছে গুরুত্বহীন তথ্য। মানুষের জন্মের পরপরই তার দেহে মায়ের গর্ভের চাপের সাথে বাইরের বাতাসের চাপের অসমতার সৃষ্টি হয়। জীবনে সেটা প্রথমবার। তাই সেটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। তাই, সেই চাপে বাচ্চা কেঁদে ওঠে। এরপর যখন সেটা সে ক্রমাগত পেতে থাকে মস্তিষ্ক সেই তথ্য আর তাকে জানান দেয় না। মানুষ বুঝতেও পারে না, বাতাস তাকে প্রতিনিয়ত কত চাপ দিচ্ছে। শাহেদের চোখটাও বাধা আছে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে। সেই সূত্রে, এটাও...

মৃতের জন্ম

শুনেছি, বেঁচে ছিলাম, একদা কখনো নিঃসীম শূন্যতা মাঝে। আজো কানে বাজে নীরবতা মহাবিশ্বে যতটুকু আছে। শূন্যতায় শুরু হয়ে অসীমের পরে মম সত্তা ছিল একা। অনুভূতিহীন বোধ ছেয়ে রেখেছিল আমায়। স্রষ্টার আদেশ শুনেছি আমি। অতপর আমি ধেয়ে আসি পৃথিবীর দিকে, জন্ম নিতে। অতপর ভ্রমণ এ ধূলি ধূসরিত ধরায়। শূন্যতা ছেড়ে অস্তিত্বের ভীড়ে চিনেছি আলোতে এই কালো পৃথিবীকে। এতে চিৎকারে ধিক্কার; কাম, ক্রোধ, লোভ, পাপাচার প্রতিক্ষণে। বুঝেছি তারপর শূন্যতাতেই বেঁচেছি। জন্মে মরে গেছি।

posologie prednisolone 20mg zentiva

নির্ঘুম অণুকাব্য!

#১ একঘেয়ে সব আজকে রাত্রিভর। ঘুম নেই চোখে, ঘুমও স্বার্থপর। #২ আমি হব মধ্য রাতের পেঁচা, সবার শেষে রাতের স্বপ্ন করব কেনা বেচা। #৩ আজ মন খারাপের রাতে ইচ্ছেগুলোর সাথে একটুকু পথ হেঁটে দেবে কি চাঁদ অবধি যেতে? #৪ না হয় একবার মরে গেলাম। ক্ষতি কতখানি? অথবা সহস্রবার না হয় মরে যাই আমি। মরে যাক ভুল যত আছে জানি। অতপর রাত্রির পেঁচা হয়ে জন্ম আবার। তবুও ঠোঁটে লেগে থাক আমার আমৃত্যু ক্ষত। থাকুক যে ক্ষত নয় শুকোবার। না হয় থাকি আমৃত্যু অন্ধ যেথা তুমি নাই। দগ্ধ যন্ত্রণা থাকুক চোখে। লক্ষ্মীপেঁচার প্রেতাত্মা হয়ে অন্য ধরায় খুঁজিয়া বেড়াই। #৫ রাত কাটে নির্ঘুম,...

wirkung viagra oder cialis

কান্নাঘর

হ্যাঁ! ভেতরে চলে এসো! ঠিকই ধরেছ তুমি। আমিই কান্নাঘর। দরজা বন্ধ কর। নীরবে; নিঃশব্দে। পিনপতন নীরবে শুরু কর সব কথা। আমি শুনছি সবই। হ্যাঁ, আমি কান্নাঘর। তোমার কান্নাদের ধারণ করি আমাতে। তোমার কষ্টগুলো বলতে এসেছ তুমি। কান্নাঘর শুনছে সব। ফেলে দাও সব জল। আমার ঘরের মেঝে সব জল শুষে নেয়। তোমার কান্নাদের এবং শব্দদের গাঁথে আমার দেয়াল নিজের মাঝে। এবং হত্যা করে বাতাস থেকে সব কম্পন। সবকিছু বলা শেষ? বেশ! তবে ফিরে যাও। বারেক তাকাও তুমি নিজের মনের দিকে। ওতে কষ্টেরা নেই। নেই কোন যন্ত্রণা। কোন কান্নাও নেই। হ্যাঁ, আমি কান্নাঘর সবটা শুষে নিয়েছি। তুমি এই পৃথিবীর সুখিদের একজন। এই...

tome cytotec y solo sangro cuando orino

এইখানের গ্রামগুলো যখন ঘুমিয়ে যায়

এইখানের গ্রামগুলো তখন ঘুমিয়ে গেছে। একটা সূর্য ডুবে শত সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বলেছে ষোড়শী নববধূর হাতে; দুয়ারে দুয়ারে। এখন ঘুমিয়ে গেছে আলো। শুধু; শরতের অর্ধধূসর উজ্জ্বল মেঘে জমা হয়ে আছে, খানিকটা রোদ। সে রোদ শুষে শুষে নিয়ে জ্বলে উঠছে চাঁদ। আউশের উজ্জল কচি সবুজ, সন্ধ্যা থেকে আবছা আঁধার শুষে নিয়ে তেমাথার বুড়ো হয়ে উঠছে। উজ্জ্বল শ্যামরঙা ধানগুলো হয়ে উঠছে গাড় সবুজ। যখন এইখানে গ্রামগুলো ঘুমিয়ে পড়ছে। এখানে ঘুমিয়ে গেছে কাঁচা পাটের ঘ্রাণ। শুধু ব্যস্ত মহাসড়ক দিয়ে এগিয়ে চলা, অলস আমার স্নায়ুতে কিংবা স্মৃতির অতল গহ্বর থেকে, খানিকটা আবেশ; জেগে ওঠে। এই খানে। যখন এইখানের গ্রামগুলো ঘুমিয়ে যায়।

acquistare viagra in internet
glyburide metformin 2.5 500mg tabs

এই শহরের আকাশটাতে মেঘ জমেছে

-আসছে? -না এখনও আসে নাই। -বাআআল, আর কতক্ষণ? -ওইত্তেরি! ‘বাল’ আমার ডায়লগ। তুই দিবি না। আর আমি কী জানি কখন আসবে? আমি তো চারটা থেকেই দাড়ায় আছি সৌরভের জন্য। -আচ্ছা ঠিক আছে। আমরা সব আছি ৪ নাম্বার রোডে। একুশে একাডেমীর গলিতে। -ঠিক আছে। তোরা আড্ডা দে। ওরে নিয়ে সন্ধ্যার দিকেই আসব। আলো থাকলে ঝামেলা। ফোনটা কেটে দিলাম। রাকিন নিশ্চিত চেতছে। করার কিছু নেই। সৌরভ দেরি করছে, সেটা আমার দোষ না। সময় কাটানোর জন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করা যায়। কী নিয়ে? কী নিয়ে? আচ্ছা, সিগারেট চায়ের সাথে খেলে নিকোটিন বেশিরভাগ অংশ চলে যাবে, পাকস্থলীতে। কিন্তু, তাতে পিনিক বাড়ে কেন? কেন বাড়ে...

para que sirve el amoxil pediatrico

রামমোহন রায়: ধর্মকে ছিঁড়ে যুক্তিতে বাঁধলেন যিনি

“আমরা মৃতের বধূ হবার জন্য জীবিত নারীকে নীত হতে দেখেছি।” — অথর্ব-বেদ (১৮/৩/১,৩) “মানুষের শরীরে সাড়ে তিন কোটি লোম থাকে, যে নারী মৃত্যুতেও তার স্বামীকে অনুগমন করে, সে স্বামীর সঙ্গে ৩৩ বৎসরই স্বর্গবাস করে।” — পরাশর সংহিতা (৪:২৮) “যে সতী নারী স্বামীর মৃত্যুর পর অগ্নিতে প্রবেশ করে সে স্বর্গে পূজা পায়।” — দক্ষ সংহিতা (৪:১৮-১৯) “যে নারী স্বামীর চিতায় আত্মোৎসর্গ করে সেতার পিতৃকুল, স্বামীকুল উভয়কেই পবিত্র করে।” — দক্ষ সংহিতা (৫:১৬০) [1] [11] আমাদের, উপমহাদেশ-বাসীদের শিরায়-উপশিরায় প্রতিনিয়তই প্রবাহিত হয় ধার্মিকতার স্রোত। কখনও হাত কেটে গেলে যদি লাল লাল রক্তের পরিবর্তে নীল নীল ধার্মিকতা বেরিয়ে আসে, তাহলে অবাক হবার খুব বড়... can you tan after accutane

doctus viagra

বুলাবু

==== ==== === === === === === === === === শহরটা ছাড়িয়ে যেতেই দু’পাশের ধানক্ষেত থেকে সবুজ ঘ্রাণের একটা বাতাস এসে নাকে ধাক্কা মারল। মনে হল, এই বাতাসে শ্বাস নিয়েই আমি অর্ধেক সুস্থ হয়ে গেছি। দু’দিকে যত দূর চোখ যাচ্ছে গাড় সবুজ রং। সেই রং শেষ হয়েছে দিগন্তে গিয়ে। আবার দিগন্ত থেকেই নীল ছড়ানো শুরু হয়েছে। আম্মু পাশ থেকে বলল, “এখন খানিকটা ভাল লাগছে?” আমি হাসিমুখে বললাম, “অনেকটা।” বলেই বাসের জানালা দিয়ে হড়হড় করে বমি করে দিলাম। নাড়িভুঁড়ি সব যেন পাঁক দিয়ে পেট থেকে বেরিয়ে আসতে চাইল। পেটে যা কিছু ছিল একেবারে বেরিয়ে গেল। আম্মুর দিকে তাকিয়ে ফ্যাকাসে ভাবে হাসার...

কর্ণধার

#বাচ্চাকালের_কবিতাসমগ্র – ১ হে নাবিক দেখ সামনে তোমার পর্বতসম ঢেউ; তুমি ছাড়া আজ থামাবেনা তারে কেউ। মাটি ছেড়ে আজ সংগ্রামে তুমি এই রণবীর সাজে; কর্ণকুহরে ভেরীর নিনাদ মেঘনাদ হয়ে বাজে। তবু কি তোমার ভাঙ্গবেনা ঘুম জাগবে না তবু তুমি? সাগরের এই ঝড়কে হারিয়ে যাবে কি’না তুমি ভূমি? তব ভরসায় জাহাজের যত মাঝিমাল্লার দল, হয়ে আছে নিশ্চল। তুমি না জাগলে পথহারা সব অনুসারীর কী হবে? ঝড় তাণ্ডবে নিশ্চিহ্ন নীরবে! জাগবেনা যদি কেন নিয়েছিলে কাধে এই মহাভার? এক ভুল তুমি কোরো না’ক বারবার। জেগে ওঠো তুমি সামলাও এই তরী। তখন প্রবল মাঝিদের দল যাবে না’ক নুয়ে পড়ি। বাত্যা আরও প্রকট হয়েছে ছেয়েছে...

দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প!

১৮৫৪! ক্রিমিয়ার যুদ্ধের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে হুতাশনের মত। যত্রতত্র আহত সৈনিকেরা ছড়িয়ে আছে। দেখার মত নেই কেউ। ইউরোপে প্রভুত্ব কায়েমের নিমিত্তে রাশিয়ার সাথে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স আর ইতালির এই যুদ্ধে যতটা না বিভীষিকা ছড়াচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্রে, তার চেয়ে কিছু কম আসছে না হাসপাতালে। আহত সৈনিকদের আহাজারিতে তার বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। হাসপাতালের ধারণ ক্ষমতা পার হয়ে গেছে বহু আগেই। তবু, নতুন আহত সৈনিক আশা বন্ধ হচ্ছে না। স্ক্যাটারি (বর্তমান ইস্তানবুলের অন্তর্গত) এর হাসপাতালের অবস্থা তখন এক শব্দে — বিভীষিকাময়! ব্রিটেনের যুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা সিডনি হারবার্ট এর কাছে তখন মনে হল, পুরো ইংল্যান্ডে কেবল এক জনই এই সময়ে সব কিছুর হাল ধরার সক্ষমতা রাখেন — ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল...

কপালকুণ্ডলা – বাংলাসাহিত্যের দ্বিতীয় সার্থক উপন্যাস

“তুমি অধম — তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?” “পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?” প্রথম লাইনটা শোনেনি, এমন বাঙালি বোধহয় না খুঁজে পাওয়া যাবে। আর দ্বিতীয় লাইনটাকে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক ডায়লগের স্বীকৃতি দেয়া হয়। দুটো লাইনই বঙ্কিমচন্দ্রের এক উপন্যাসের অংশ — কপালকুণ্ডলা । তীর্থযাত্রীদের নৌকা পথ হারিয়ে এক মোহনায় উপস্থিত হয়। জনবিচ্ছিন্ন সে জায়গায় নৌকার সবার আহারের কথা চিন্তা করে নবকুমার বনের মধ্যে কাঠ আনতে যায়। কিন্তু, এর মাঝে জোয়ার চলে এলে সবাই নবকুমার কে রেখেই চলে যায়। সেখানে নবকুমার এর দেখা হয় এক কাপালিকের সাথে। কাপালিক চায় তাকে ভৈরবীর কাছে বলি দিতে। কিন্তু, কাপালিকের আশ্রিতা কপালকুণ্ডলার সহায়তায় নবকুমার...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec
can your doctor prescribe accutane

লাল ডাক্তার, হলুদ সাংবাদিক এবং…

ডাক্তার নামক প্রজাতির প্রতি আমার বিদ্বেষ খুব ছোটবেলা থেকে। ক্লাস টু’তে থাকতে যখন দাঁত তুলতে গিয়ে চেম্বারের ভেতর থেকে আরেক রোগীর তীব্র চিৎকার শুনছিলাম, তখনই এদের প্রতি প্রচণ্ড ভয় ঢুকে গিয়েছিল। বড় হয়ে যৌক্তিক মানসিকতা গড়ে ওঠার পর সেই বিদ্বেষ বা ভয় ভেঙ্গে যাবার কথা ছিল। দুর্ভাগ্যবশত তা হয় নি। ক্লাস ফোরে ওঠার পর চলে গিয়েছিলাম গ্রামে। সবচেয়ে কাছের হাসপাতাল ছিল নুরুল্যাগঞ্জ ইউনিয়ন হাসপাতাল। কিন্তু, কখনও সেখানে পা দেয়া হয়নি। কারণ, সপ্তাহে সেখানে ডাক্তার থাকতেন তিন দিন। তাও দু’ঘণ্টা। বাকি সময় জেলা শহরের ক্লিনিকে। সপ্তাহে এই তিন দু’গুণে ছয় ঘণ্টার মধ্যে একেক রোগীর জন্য ত্রিশ সেকন্ড বরাদ্দ করে “স্রেফ প্রেসকিপশন”... missed several doses of synthroid

ডাইন

আমি ডাইন। আমার নাম ডাইন। আমার পরিচয় ডাইন। আমি থাকি ধলপুকুরের পাশে একটা কুড়েতে। এই কুড়েতে আমার আগে আমার মা থাকত। তার আগে তার মা থাকত। তার আগে থাকত তারও মা। এই ঘরে কখনও কোনও পুরুষ থাকে না, থাকে নি। কারণ, আমি ডাইন। আমরা ডাইন। আমার জন্মের তারিখ নেই কোনও। ধলপুকুরের ওপারে যে ক্ষেতটা আছে, সেই ক্ষেতটারও ওপারে যে বুড়ো বটগাছটা আছে, যে বটগাছটার ছায়ার নাম সোনাতলা, সেই বটগাছটার সবচেয়ে ছোট ছেলেটার সমান বয়স আমার। আমার যেদিন জন্ম হয়েছিল, সেদিন আমি বুড়ো বটগাছটা জড়িয়ে ধরে অনেক কেঁদেছিলাম। অনেক! তবু, আমি মরে যাই নি। আমার আমিত্ব মরে যায় নি। পরদিন সকালে...

cialis new c 100