Author: মায়াবী তেজস্বিনী

LIBERATION WAR IN DHAKA: PART-3: OPERATION HOTEL INTERCONTINENTAL

…. সে এক অদ্ভুত যুদ্ধযাত্রা। উঁচু – নীচু – ধনী – গরিব – কম্যুনিস্ট – এন্টি কমিউনিস্ট সব রকম সব কিছু ভুলে দলে দলে ঢাকার তরুণেরা জড়ো হয়েছে মতিনগরে। মতিনগর হল ২ নং সেক্টরের ট্রেনিং ক্যাম্প।।। কুমিল্লা বর্ডারের খুব কাছেই। সেই মতিনগরেই ট্রেনিং পেতে থাকে প্রথম বারে যাওয়া তরুণেরা। এলএমজি, গ্রেনেড কিংবা মেশিনগান চালানো আর ঠিক সময়ে ঠিকভাবে লুকিয়ে যাওয়ার গেরিলা কৌশল শেখানো হত এখানে। ক্যাম্পটা বর্ডারের খুব কাছে হয়ায় পাকিস্তানিরা বারবার এটার উপর আক্রমণ করতে থাকে।।। তখন মুক্তিযোদ্ধারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ মালপত্র বহন করে রওনা দেন মেলাঘরের পথে।। মেলাঘর ছিল বর্ডার থেকে ৩০-৩২ কিলোমিটার দূরত্বে…। এই মেলাঘরেই মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং...

LIBERATION WAR IN DHAKA: PART-2: LEAVING BACK BEHIND

২৫ মার্চ, ১৯৭১। রাত ঘনিয়ে আসে… । প্রতিদিনের মত নিরীহ শান্ত মানুষেরা দিনের হিসেব নিকেশ শেষে ঘুমে গা এলিয়ে দেয়।আর ঠিক তখনই পাকিস্তান সামরিক জান্তা বাস্তবায়ন করে শতাব্দীর নিষ্ঠুরতম হত্যাযজ্ঞ। যুদ্ধক্ষেত্রে সবরকম নিয়ম -নীতির বাইরে যেয়ে তারা ঝাঁপিয়ে পরে নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালির উপর। তাদের এই হিংস্রতম আক্রমণ থেকে সেদিন রেহাই পায়নি গর্ভবতী মা কিংবা একদিনের শিশুটিও। চরমতম আভিজাত্যের নগরী, মুঘলদের এই সাজানো গোছানো অহংকার, মসজিদের নগরী ঢাকা সেদিন পরিণত হয়েছিল মৃত্যুর নগরীতে। ….রাজারবাগ পুলিশ লাইনের বাঙালি পুলিশ থেকে শুরু করে আজাদ বয়েজ ক্লাবের খেলাপাগল মুশতাক – কেউ তো রেহাই পায়নি সেদিন! তবু যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিল। পিলখানায় ই – পি-...

LIBERATION WAR IN DHAKA: PART-1: THE WARRIORS

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন বদি। এইচ এস সি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে চতুর্থ স্থান অধিকার করা এক অসাধারণ ছাত্র এই বদি। কমিউনিস্ট মতাদর্শের সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও ছাত্র ইউনিয়নের সাথে বিরোধিতার জের ধরেই যোগ দিলেন এন এস এফ এ। ক্যাম্পাসে দোর্দন্ড প্রতাপ ওয়ালা এন -এস -এফ বদি। খেলোয়াড় হিসেবে জুয়েল ছেলেটা তার খুব পছন্দের ছিল। ক্যাম্পাসে দেখা হলে খোঁজ – খবর নেয়া চলত।তাতেই ক্রিকেটার জুয়েলের কত গর্ব!! বন্ধুদের জুয়েল বলে বেড়াতেন – “.. দেখছস কত বড় গুন্ডা আমার খোঁজ খবর নিতাসে… “ পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যান ছিল জুয়েল। বল জিনিসটা যে পেটানোর জন্য সেটা তার ব্যাটিং দেখলে বোঝা যেত..। দুর্ধর্ষ...

buy kamagra oral jelly paypal uk

JOURNEY…

রিনঝিন শব্দ ভেসে আসছে। চুড়ি, নূপুর অথবা অন্য কিছু। হতে পারে বীণার ঝংকার কিংবা অস্ত্রের সমস্বর সঙ্গীত।হতে পারে সে ধবংসের বাজনা কিংবা সৃষ্টির। হতে পারে সে একতারার টান কিংবা রাইফেলের সেফটি ক্যাচ খোলার শব্দ। বজ্রের গর্জন হতে পারে আবার হতে পারে মেঘমালার নৃত্য।  কিশোরীর তালে-তালে পা ফেলা ঘুঙুরের শব্দ যেমন হতে পারে, তেমনি হতে পারে কমান্ডের তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলা সৈন্যদের মার্চপাস্ট। জন্মের আহ্বান যেমন হতে পারে – মৃত্যুর অার্তনাদও তেমনি হতে পারে। শুধুই শব্দ শুনে তা আর বোঝার কোন উপায় খোলা নেই…।  আচ্ছা বৃষ্টি কি হতে পারে? হয়ত বা। অনেক বছর এই তল্লাটে বৃষ্টি হয়না। একটা প্রজন্ম বড় হয়েছে- সংসার করেছে আবার...

THE UNIVERSE: LET’S TALK ABOUT ASTROPHYSICS : LAST PART

.. পূর্বের দুইটি পর্বে আমরা মহাবিশ্বের উতপত্তি – গঠন – ভবিষ্যত সম্পর্কে জেনেছি…..। আরো জেনেছি টাইম – ট্রাভেল বা সময় পরিভ্রমণ সম্পর্কে। এবারে আসা যাক আমাদের জানা ৪.৯% মহাবিশ্ব সম্পর্কে।এঈ মহাবিশ্বের আলোচনায় আমার মনে হয় সব চাইতে দরকারী বিষয় হল নক্ষত্র অর্থাৎ তারা। তাহলে প্রথমে সেই তারাদের নিয়েই আলোচনা করা যাক… আমাদের সূর্য একটি নক্ষত্র। পৃথিবীতে সবরকম জীবন ধারনের এবং সবরকম প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া ঠিকভাবে চলা নির্ভর করে এই সূর্যের উপর। অন্যান্য গ্রহগুলোও সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজনিজ উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘোরে।অর্থাৎ আমাদের সৌরজগত এর কেন্দ্র হল সূর্য।পুরো মহাবিশ্বের বিচারে সূর্য হল একটি মাঝারি আকারের নক্ষত্র।এরকম আরো অনেক অনেক নক্ষত্র মহাবিশ্বে রয়েছে। আমাদের...

THE UNIVERSE : LET’S TALK ABOUT ASTROPHYSICS : PART-2

গত পর্বের ধারাবাহিকতায় চলতে গেলে এখন আমার নক্ষত্র গ্রহ – উপগ্রহ এসব নিয়ে আলোচনা করার কথা। তাই করব তবে একটু পরে।এই লেখাটা লেখার অন্যতম একটা উদ্দেশ্য হল নিজের মাথার মধ্যে কিলবিল করতে থাকা এ বিষয়গুলা কে একটা জায়গায় সাজিয়ে ফেলে নিজেকে ভারমুক্ত করা।এতো কথা বলার কারন হল-এ মূহুর্তে আমার মাথার মধ্যে টাইমট্রাভেল সম্পর্কিত কিছু ব্যাপার স্যাপার ঘোরা – ফেরা করতেসে। এগুলা লিখে না ফেলা পর্যন্ত শান্তি নাই।সেজন্য মহাবিশ্বের ঐ ৪.৯% নিয়ে আলোচনার আগে টাইম – ট্রাভেলের আলোচনাটা সেরে নেয়া যাক। “Time machine will be built someday, but has not yet been built, so the tourists from the future cannot reach...

THE UNIVERSE: LET’S TALK ABOUT ASTROPHYSICS : PART-1

অনন্ত রহস্যের আধার আমাদের এই মহাবিশ্ব।।তবে সেই রহস্য মালার সাথে পাল্লা দিয়ে অনেক অনেক গুণ বেশি কৌতূহলের আধার মানুষের মন।। বিজ্ঞান নামের জাদুর কাঠির ছোঁয়ায় এই মহাবিশ্বের লুকিয়ে থাকা রহস্য আর সৌন্দর্য ভরা অসীমতা টা ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয়েছে মানুষের সামনে।।।।। একটা কথা অবশ্য ভুল বললাম। বিজ্ঞান কখনোই কোন জাদুর কাঠি নয়। বিজ্ঞান হল অক্লান্ত পরিশ্রম – পর্যবেক্ষণ – গবেষনা আর সত্যের প্রতিষ্ঠায় আত্মদানের প্রতিশব্দ। যে উদ্দেশ্য নিয়ে লেখাটা শুরু করেছি তা হল বিপুলা এ মহাবিশ্বের রহস্যের প্রতি কিছুটা আলোকপাত করা।।।।।মহাকাশবিদ আর বিজ্ঞানীদের লাগাতার প্রচেষ্টার ফলে এখন তো আমরা সবাই জানি যে – পৃথিবী মহাবিশ্বের বিশালতার কাছে কোনো ইউনিক বস্তুই...

viagra vs viagra plus

শহীদ আলতাফ মাহমুদ – মৃত্যুঞ্জয়ী এক ধ্রুবতারার উপাখ্যান।

দরাজ গলায় মধুর সুরে কোরান শরীফ পাঠ করতেন তিনি। সবাই ভাবত, বড় হয়ে নিশ্চয়ই অনেক বড় ক্বারী হবেন। সবার মন জয় করে নিয়েছিলেন। বাড়ির সামনে বেঞ্চিতে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা গান গাইতেন। আর সে গানে মুগ্ধ হত পরিবারের লোকজন, সহপাঠীরা থেকে শুরু করে স্কুলের শিক্ষকরাও। শুধু যে গান করতেন তাই নয়, ছবি আঁকাতেও ভীষন পারদর্শী ছিলেন তিনি। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত বিভিন্ন আন্দোলনে সংগ্রামে তাঁকে দেখা গেছে প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, ব্যানার আঁকতে। ছবি আঁকা ছিল তাঁ্র নেশা। তবে তাঁ্র সবচেয়ে বড় নেশা ছিল গান। নিজে গান লিখতেন, সুর করতেন। গেয়ে শোনাতেন। প্রায় সবরকম বাদ্য যন্ত্র বাজাতে পারতেন তিনি। হারমোনিয়াম, তবলা, বেহালা,...

বীরাঙ্গনাদের কথা

…. মেয়েদের ধরে নিয়ে এসে, ট্রাক থেকে নামিয়ে সাথে – সাথেই শুরু হত ধর্ষন,দেহের পোশাক খুলে ফেলে সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে ধর্ষণ করা হত।সারাটা দিন ধর্ষণ করার পরে এ মেয়েদের হেড কোয়ার্টার বিল্ডিংএ উলঙ্গ অবস্থায় রডের সাথে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখ হত,এবং রাতের বেলা আবারো চলত নির্যাতন।প্রতিবাদ করা মাত্রই হত্যা করা হত,চিত করে শুইয়ে রড,লাঠি,রাইফেলের নল,বেয়নেট ঢুকিয়ে দেয়া হত যোনিপথে,কেটে নেয়া হত স্তন।অবিরাম ধর্ষণের ফলে কেউ অজ্ঞান হয়ে গেলেও থামত না ধর্ষণ ______ রাজারবাগ পুলিশ লাইনের সুবেদার খলিলুর রহমান। ২৭ মার্চ,১৯৭১,ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালের লাশ ঘর থেকে লাশ ট্রাকে তুলতে গিয়ে একটি চাদর ঢাকা ষোড়শী মেয়ের লাশ দেখতে পান পরদেশী।সম্পূর্ণ উলঙ্গ লাশটির বুক এবং... will i gain or lose weight on zoloft

side effects of drinking alcohol on accutane

স্বর্গেশ্বরী সিলেট

ঘুরে এলাম বাংলাদেশের ছোট্ট ভূখন্ডের মাঝে স্বর্গরাজ্য সিলেট থেকে। সিলেট সম্পর্কে যদি বলতে হয়,  প্রথমে এক কথায় বলতে হবে – অসাধারণ শব্দটার এত সুন্দর উদাহরণ এর আগে আমি পাইনি। সত্যি অসাধারণ এখানকার নদী – প্রকৃতি আর এখানকার মানুষ। ঢাকা শহরের পরে এতটা আপন অনুভব আমি এই শহরেই পেয়েছি। বাংলাদেশকে যদি তুমি জানতে চাও, জীবনে একবার হলেও সিলেট তোমাকে যেতেই হবে। এই সুরমা – কুশিয়ারা, আদিগন্ত বিস্তৃত সবুজের সমারোহে ভরা চা বাগান আর পাহাড়ী পথ, জাফলং – মারি নদী – এসব না দেখলে তোমার বাঙালি জন্ম বৃথা। বাংলাদেশকে যদি জানতে চাও, মারি নদীর স্বচ্ছ জল একটা বার তোমাকে আস্বাদন করতেই হবে...

zovirax vs. valtrex vs. famvir
can levitra and viagra be taken together

আমার অভিশাপ

শ্লোগানের ভাষার সাথে আমার জন্ম জন্মান্তরের পরিচয়। মাতৃ গর্ভ থেকে পৃথিবীর আলো দেখার প্রথম মূহুর্ত টিতে যে চিতকারে তোমরা জেনেছিলে এআমার আগমনবার্তা যে চিতকারে ধরিত্রীবক্ষ বিদীর্ণ হয়েছিল -অঙ্কুর এসেছিল যে চিতকারে শত সহস্র মশাল জ্বলে উঠেছিল একই সুরে সদ্যজাত শিশুর পবিত্র কান্নার সাথে, তুমি মিল পাও সে কন্ঠের? আমার স্মৃতিতে দূরের সমুদ্র গর্জন সূর্যাস্তের আলোমালা আমার স্মৃতিগগনের নীল, ডানা ছড়ানো শুভ্র মেঘ-মালা কোমল করতলস্পর্শে আমি ঘুম ভাঙাই উথাল -সাগরের শর্বরীকাশে স্বপ্নরঙিন ফানুস ওড়াই, পাতাল -কন্যা আমি সুন্দরী প্রাচীরের কোল ঘেঁসে আমার স্মৃতিধারা। হিংস্র শ্বাপদ জেনে রেখ, শ্লোগানের সাথে আমার পরিচয়। জন্মযুদ্ধের ইতিহাস আমার রক্তে-শোণিতের প্রতি কণায় ধর্ষিতা মায়ের অার্তচিতকার আমার...

clomid over the counter

উপন্যাস : লড়াই : শেষ পর্ব

সময় এগিয়ে যায়। এগিয়ে চলে শাহবাগ ও। প্রতিদিনের স্লোগান – মিছিল – মীটিং এর মাঝে সোমা ধীরে ধীরে আকিবাকে ভুলে নতুন করে জীবন শুরু করার অনুপ্রেরণা পেতে থাকে। তবু কলেজের ব্যাস্ত জীবনের ফাঁকে হঠাৎ আকিবা সামনে পরে গেলে সোমার সবকিছু শূন্য লাগতে শুরু করে। নিজের ভেতরের শক্তিটুকুকে এবার সোমা কাজে লাগায়। ধীরে ধীরে ও আকিবাকে ভুলে যায়। আকিবা শুধুই ওর অতীতের একটা অধ্যায় হয়ে বেঁচে থাকে।  স্মৃতিগুলো তো থেকেই যায়। তাকে মোছার সাধ্য কার?  মোবাইলের মেমরির মতন মানুষের মেমরিতে তো আর ডিলিট বাটন নেই! এর মধ্যেই জল অনেক দূর গড়িয়ে যায় – সবদিকে…। সোমার সাথে ওর বাবার সম্পর্ক দিন দিন...

উপন্যাস : লড়াই : পর্ব – ২

পরদিন কলেজে.. – আকিবা, তোর পাগলামি শেষ হল? – হ্যা, শোন। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর কনফারেন্স এ একটা ভাইয়া যে আমাদের রাস্তা পার করে দিসিল মনে আছে? – কোনটা? ওইযে গোলগাল মুখ? – হ্যা ওইটাই। আমি না ওইটার উপর ক্রাশ খাইসি। ফেসবুক আইডিটা খুজে দিতে পারবি? সেই থেকে শুরু। সোমা সেদিন মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে ফেসবুকে বসে। সেই ছেলেটার ফেসবুক আইডি খুঁজে বের করে। ছেলেটার নাম সাকিব।সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে অনার্স। – সোমা, একটা হেল্প করতে পারবি? – এত ফর্মালিটির কি আছে? তোর জন্য সবকিছু করতে পারব। – একটা নতুন আইডি খোল আমার নামে। তারপর ওই আইডি থেকে সাকিবের সাথে তুই কথা বলবি। আমার বাসায় ফেসবুক ধরা নিষেধ। একটু অবাক হলেও...

nolvadex and clomid prices

উপন্যাস: লড়াই। পর্ব : ১

মেয়েটি একা হেঁটে চলেছে রাস্তায়। রাস্তাটি আর দশটা সাধারণ রাস্তার মতই। লোকজনের আলাপ – আলোচনা, হই হল্লা,  জিনিসপত্র বেচা কেনা সবই চলছে। আর তা হবে নাই বা কেন?  মেয়েটাও তো খুবই সাধারণ।  আর মানুষগুলোর মত তার জীবনেও হাসি – কান্নার খেলা চলে। কখনো মনে হয়,  আর সহ্য করতে পারবে না। কিন্তু তারপরে কোনো না কোনো উপায়ে সবকিছু আবার ঠিক হয়ে যায়। পরাজয়ের একদম কিনারায় পৌঁছে জয়ের মুখ দেখতে সে অভ্যস্ত। পশ্চিম ধানমন্ডির এই ব্যস্ত রাস্তাটা এখন  আপাতত থাক। আমরা চলে যাই এক বছর আগের ঘটনায়। মেয়েটা তখন ঢাকা শহর এর নামী একটা কলেজে পড়ে। তখন ওরা এখানে থাকত না। কলেজের... accutane prices

irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে একদিন।

“যতকাল রবে পদ্মা – মেঘনা – গৌরী- যমুনা বহমান ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান। “ ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার। মেইন রোড থেকে কিছুদূর গিয়ে ডান দিকে একটা ব্রীজ। ব্রীজ পেরোলেই সাইন বোর্ড ঘোষণা করছে সামনেই বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর। গেট এ চেক আপের কড়াকড়ি একটা প্রশ্নই বারবার মনে করিয়ে দেয় – সেদিন তোমরা কোথায় ছিলে? আজকের সতর্কতাটা যদি উনচল্লিশ বছর আগে দেখাতে তাহলে হয়ত বঙ্গবন্ধু আজ জীবিত থাকতেন। যাই হোক, মোবাইল জমা দিয়ে কার্ড নিয়ে আমরা ঢুকে গেলাম জাদুঘরের ভিতর। দুটো অংশ সেখানে।  একটা বঙ্গবন্ধুর বাড়ি, একটা সম্প্রসারিত জাদুঘর। বাড়িটাতে ঢোকার সময় প্রথমেই যে ঘরটা চোখে পরে তা হল রান্নাঘর।...

ovulate twice on clomid

সায়েন্স ফিকশন – একদিন সত্যের ভোর…।

কম্পিউটার স্ক্রীনটার দিকে অবাক চোখে চেয়ে আছে অনামিকা। বাংলাদেশ নামক সবুজ একটা দেশের রাজধানী ঢাকার ভিকারুন্নিসা নূন স্কুলে পড়ে সে। এবার দশম শ্রেণীতে উঠল। স্বপ্ন সাংবাদিকতায় পেশা গড়ার। অনেক বড় হবে সে। প্রতিদিন স্কুল থেকে ফিরে একবার ল্যাপটপটা খুলে না বসলে অনামিকার শান্তি হয়না। প্রতিদিনের পড়াশুনার খুঁটিনাটি বিষয় যেমন সে দেখতে ভালোবাসে ইন্টারনেটে, তেমনি ফেসবুকে কাজ করতেও মন্দ লাগে না। আর ফেসবুক কি আজ আর সেই ফেসবুক আছে? শুধু আড্ডা দেয়াই নয়। অনামিকার বয়সী ছেলেমেয়েরা ফেসবুক দিয়ে এখন দেশ পাল্টে দিতে পারে। মূমুর্ষ রোগীর রক্ত যোগাড় করা থেকে শুরু করে রাজাকারবিরোধী আন্দোলন – সবই তো হয় আজকে ফেসবুকের নীল দুনিয়ায়।... side effects of quitting prednisone cold turkey

posologie prednisolone 20mg zentiva

বাংলাদেশের পথে..

সোনালি সবুজ বাংলার রূপ খুব কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। চিরকালের বাঁধাধরা নিয়মের গন্ডি পেরিয়ে কয়েকটা দিন মুক্ত হাওয়ায় নি: শ্বাস নেবার জন্য দরকার একটু গ্রাম থেকে ঘুরে আসা। বাংলাদেশের সৌন্দর্যকে একটু ছুঁয়ে দেখা। অনেক জীবনের দামে এই ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড় আজ আমাদের। প্রকৃতিরাণীর অপরূপ খেয়ালে সাজানো বাংলার পথে প্রান্তরে তাই জীবনের ছোঁয়া ঘুরে বেড়ায়। হাত বাড়ালেই সে জীবনকে ছোঁয়া যায়, ভালোবাসতে জানলেই সে জীবনকে ভালোবাসা যায়। সোনার বাংলাদেশ তার রুপের পসরা সাজিয়ে অপেক্ষা করে তার সন্তানকে বুকে জড়িয়ে নেবার। বাংলা মায়ের ভালোবাসা, এর সাথে আর কিছুর তুলনা হয়না কখনই…।   আন্ত:নগর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ছুটে চলে বাংলার পথ... puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

একাত্তরের অক্ষয় ইতিহাস : বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম রঞ্জুর স্মৃতিতে একাত্তর:(২)

প্রথম পর্ব : http://sovyota.com/node/3723  … ডুমুরিয়া অঞ্চলের একটি অপারেশনে আমরা পাকিস্তানি আর রাজাকারদের পুরো ১১ দিন ১১ রাত ঘেরাও করে রাখি। ২ঘন্টা করে পালাক্রমে আমরা পাহারা দিতাম। আমাদের তো রসদের চিন্তা নেই – স্থানীয় মানুষজনই আমাদের খাবার দিয়ে যায়। সেই সাথে হ্যাভারস্যাকে রুটিও আছে। কিন্তু পাকিস্তানিরা যখন দেখে যে আর ২/১ দিনের বেশি রসদ তাদের নেই – তখন তিনশ মিলিশিয়া নিয়ে তারা আত্মসমর্পণ করে। এই অপারেশনগুলোতে প্রথমে একটানা দুই ঘন্টা ফায়ার চলত। তারপর ওরা ফায়ার করলে আমরাও ফায়ার করি, আমরা ফায়ার করলে ওরা ফায়ার করে এরকম হত। গ্রেনেডের স্প্লিন্ট এর দাগ এখনো আছে। একবার অপারেশনে এক বড়ভাই জানালা দিয়ে ফায়ার...

metformin synthesis wikipedia

একাত্তরের অক্ষয় ইতিহাস: বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম রঞ্জুর স্মৃতিতে একাত্তর: (১)

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি  বিয়াল্লিশ তেতাল্লিশ বছর ধরে মেমোরীতে অনেকটা আছে, অনেকটা  নষ্ট হয়ে গেছে। Evidence তো বলতে গেলে নেই ই। গেরিলা যুদ্ধের ছবি অনেকদিন ছিল আমাদের কাছে। এরপর এমন এক সময় আসল যখন মুক্তিযোদ্ধা বলে পরিচয় দেয়াটাই বিপদ হয়ে দাঁড়াল। সমস্যাগুলো পঁচাত্তরের আগেও ছিল, পরেও। পঁচাত্তরের আগে সমস্যাটা ছিল জাসদ। ওরা যা যা করত,  দায়ভার পরত সরকারের ওপর। নয় মাস ধরে অবরুদ্ধ বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা ছিল অনেক বেশি। তবে অবরুদ্ধ বাংলাদেশের শুরু একাত্তরে নয়, বরং অনেক আগে…। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন আমরা থাকি খুলনায়। বাবা ছিলেন প্রকৌশলী। সরকারী চাকরীর সুবাদে কোথাওই স্থায়ী হওয়া যেত না। বাবার সাথে সাথে আমরাও ছিলাম ভবঘুরে।...

about cialis tablets

জীবনের জয়গাঁথা।

‘মৃত্যু ‘ নামের ব্যাপারটা নিয়ে কয়েকদিন ধরে অনেক কথা ভাবছি। “জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে..” তবুও তো মানুষ সবকিছুর বিনিময়ে হলেও বাঁচতে চায়। জীবনের কি যে এক চিরন্তন দুর্নিবার আকর্ষণ!  প্রতি মূহুর্তে আর একটু  বেশিক্ষণ বেঁচে থাকার ইচ্ছা। আর এক সেকেন্ড বেশি নি:শ্বাস নেয়ার অত্যুগ্র বাসনা। পৃথিবী মাতা কি এক অদ্ভূত বাঁধনে বেঁধে রেখেছেন আমাদের – যে কারণে “মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভূবনে – মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই..” জীবনের যুদ্ধে পরাজয়ের একেবারে শেষ সীমানায় থাকা মানুষটিও শেষ মূহুর্তে একবার ঘুরে দাঁড়ায় – নতুন করে আর একটিবার বাঁচার জন্য…। একটা মানুষের মৃত্যু কখনোই শুধু একটা জীবনের সমাপ্তি হয়ে...

doctus viagra
cialis new c 100 doctorate of pharmacy online