Author: মুদ্রা আতিক

zovirax vs. valtrex vs. famvir

একাদশে পড়ুয়া বালিকা

আমাকে জিইয়ে রেখেছে এই শতাব্দির একাদশে পড়া একটি মেয়ে, স্বপ্নদলের ডানায় চেপে শ্বাস নেই বুক ভরে আর ভাবি, উপচে পরা বিষাদের ভেতর এইতো প্রেম। দৃশ্যত এটি বেমানান। চাইনা ক্ষুদ্রতার প্রতিবিম্ব হতে, আমি চাই হৃদয়গহ্বরের বিশালতা ছুয়ে দেখতে। বহুদূরের নক্ষত্রের দূর্ভিক্ষে অস্ত যাওয়া সুখ হাতছানি দেয়। আমি হাপিয়ে উঠি চিত্তকর্ষের নির্মল চাহিদায়। দূর্মুল্যের প্রেম বাজারে বেঁচে থাকা মানে কি শুধু হৃৎপিন্ডের শরীরচর্চা , নাকি কাপুরুষ মস্তিষ্কের আত্নসমর্পন? একাদশে পড়া মেয়ের তরে আমি ছাড়িয়ে দেই নিজেকে। ভালোবাসি ভালোবাসি থরথর কম্পিত নিউট্রিনোর মতো, উল্কার পেছন ফেরা ছায়ার মতো। মৃত্যুমুখে অন্ধকারে সাতার কাটার মতো। আমি তলিয়ে যাই একাদশে পড়া মেয়ে অন্তনীলে। viagra in india medical stores

ছাপোষা প্রেমিক

আমি চাইনা কবি হতে, মাঝরাতে ল্যাম্প জ্বালিয়ে কবিতার চাষাবাদ করতে। আমি চাইনা ভাবুক হতে, ভাবের রাজ্যে বেঘোরে কোন অচিন অনুভূতির চাবুক , চোয়াল বুঝে সহ্য করতে। আমি চাইনা কালের গর্ভে অন্ধ প্রাচীরের পাশে অন্ধকারের জন্ম দিতে, আমি চাইনা অপেক্ষার অন্তরীক্ষে মানসিক ভারসাম্যহীন এক বৃদ্ধ প্রহরীর মতো বেড়ে উঠতে। আমি চেয়েছি ছাপোষা প্রেমিক হতে। ডাল ভাত আর কমদামী ঝোলের নুন ছাড়া তরকারীতে, “আর একটু দেবো” বলার মায়াতে, শার্টের কলার ঠিক করাতে, কিংবা টানাপোড়ার সংসারে কমদামি শাড়ির হাসির প্রাণচ্ছোল আভাসে ভাসতে চেয়েছি। আমি ওসব শক্ত সামর্থ্য কবি হতে চাইনা ঈশ্বর, ছাপোষা প্রেমিক বানিয়ে দেও।

বর্ণমালার মায়া

ডুব দিয়ে ভেসে উঠেছি কার জন্য? ‘অ,আ,ম,ক’ দিয়ে শুরু কোন মায়ার জন্য। মায়া জড়ানো ফ্যাকাশে শিশুর চোখের ইশারায়! মায়ায় ভোলানো এই মৃতপ্রায় পথটার জন্য! বৃষ্টির জলে কাকভেজা গাংচিলটার জন্য, রোদপিপাসু স্বরবর্ণের নীলহাসের জন্য। কষ্টে ডুব দিয়েছিলাম! অনেক রংঙ্গের কষ্ট নষ্ট রাজনীতিতে ডুবিয়ে দিল! এক সমুদ্র অমাবস্যায় ডুবেই প্রায় গিয়েছিলাম! হিংস্রতার ট্রেনিংটাও শেষের পথে ছিল, রক্তের চিহ্ন চিনতে শুরু করেছি সবে! হঠাৎ অনেক ওপর থেকে আলোটা ডুব সাতার দিল! ‘অ,আ,ক,ম’ এর মায়ার সাথে আমাকে বেঁধে দিল! একটু একটু করে সুস্থ হতে শুরু করেছি, ডুবে থাকার ময়লাগুলো শুকিয়েছে ‘অ,আ,ক,ম’ সবটুকু ক্ষত শুকিয়ে গেলো মায়াতে! ডুব দিয়েও ফিরেছি চেনা ছায়াতে।

স্থায়ী হতে এসেছি শরনার্থী হতে নয়

তোমার দুয়ারে এসেছি স্থায়ী হতে, শরনার্থী হতে নয়। তোমার স্মৃতি আমার স্মরণসভার মূলপাঠ্য হবে, শোকসভার আসনে থাকবেনা কিছুই। জানি ফিরবেনা গতকাল, আজ তোমার আসনে আমি স্থায়ী হতে এসেছি। বুকের ভেতর গভীর চত্বরে মাপজোগ চলছে, হৃদয় পৃষ্ঠের অস্থায়ী কম্পাসটা অস্ত গিয়েছে। টাটকা অন্ধকারে শিরশিরে বাতাসে হৃদয়ের মাপজোঁক বডড একপেশে! ঋনাত্বক ফলাফলে তোমার অভাব স্পষ্ট, এই শহরের ক্ষুদ্র পতঙ্গ বেশে হলেও তোমার দেশে আমি শরনার্থী নই, স্থায়ী হতে এসেছি। আমার বুকে যে যন্ত্রটা টুংটাং করে বাজে, তোমার শহরে যে স্বপ্নটা আতশবাজির মত করে উড়ে, সেই স্বপ্নের কাঁধে চড়ে আমার বুকে হাতে হাত দিয়ে শোনো! ঠিকঠাক মতো করে যন্ত্রটা মন্ত্র গাইছে, স্থায়ী হতে...

synthroid drug interactions calcium

সাদামাটা সত্য

কি দিয়ে শুরু করবো, কোন ধ্বনিতে কন্ঠস্বর আবৃত করে বেঁজে উঠবো,ভেবেছি অনেকদিন। আমি রংয়ের তুলিতে সাদাকালো, খুব সাদামাটা তিন শব্দেই বলে দিয়েছি। জানি খুব সস্তা শব্দের সমষ্টি ছিল সেগুলো, ভালবাসি এর থেকে সত্য আর কোন শব্দ হতে পারে? প্রজাতির ডানায় ভর করে, সোনালী ভোরে সমুদ্রের বালুচরে কিংবা আলোর বেগে চলা কোন নিউট্রিনো থেকে উপছে পড়া অহংকার নেই আমার শব্দে! নিয়ন আলোকে পুঁজি করে, উইপোকার দল প্রেমে হারায়! অবসরের আলো নিয়ে, নিয়মের ডানাভাঙ্গা খেলা সাজায়। বক্ষপিঞ্জরে হাত দিয়ে হৃদয়প্রাঙ্গনের দিব্যি নিয়ে, জেগে থাকা জোনাকীর আনন্দমিছিল সঙ্গে নিয়ে কন্ঠনালীর সাড়া অধরা! জানি আমি এভাবে পারিনা, এভাবে,সেভাবে,ঘুরিয়ে পেচিয়ে গোলকধাধায় পারিনা! খুব সাদামাটা তিন...

metformin tablet

সভ্যতা

ধরে নেই,সভ্যতা একটি এন্ড্রয়েড গেম। শুদ্ধতায় গেমে স্কোর বাড়ে আর সভ্যতায় উন্নয়ন হয়। পায়ে হেটে যেমনটা অবনমন, আর সভ্যতার অধ:পতন! প্রিয়তমা,হৃদয়ের উপত্যকা থেকে বলছি! আয় ভালোবাসা ভালোবাসায় ভাসি, সভ্যতার স্কোর সর্বোচ্চ করি! নয়তো দীর্ঘশ্বাসগুলোর মৃত্যু ডেকে আনি, বাঁচলে বাঁচার মতো বাঁচি নয়তো স্রেফ ধ্বংস হয়ে যাই।

walgreens pharmacy technician application online

বৃত্ত

হৃদয়ের বামপাশটাকে কেন্দ্র করে, ছোট্ট চাহনির হালকা পুজিকে ব্যাসার্ধ ভেবে, বোধের গভীর অভ্যন্তরে ভালবাসার বৃত্তে বেধেছিলাম। বৃত্তের পরিধিতে ভালোবাসার সবটুকুই মূলদ, ছত্রিশটা লালগোলপের চুম্বনের প্রকাশ্য ইচ্ছেটাও এই দুয়ারে ইরেশনাল নাম্বার! এই বৃত্তে বক্ষপিঞ্জরে আচড় অনির্ণেয়,ডিসকন্টিনিউয়াস ফাংশন, উত্তর গোলার্ধের বিশালতায় একটা ছোট্ট হাসিই এক এক ফাংশন! কাধে কাধ রেখে সূর্যাস্ত দেখা, কিংবা দীর্ঘশ্বাসের সঙ্গী হওয়া অংকগুলো এই বৃত্তের মোড়ল! প্রিয়তমা বৃত্তের ভার আজ তোর হাতে। আমার সমস্ত অনুভুতিগুলোকে, দিন থেকে রাতের চিন্তার সীমার আবেশে যোগজীকরণ করার প্রয়াস চালিয়ে দেখ! কিংবা চার প্রকোষ্ঠের হৃৎপিন্ডটাকে অন্তরীকরণ করে দেখ না, উত্তরমালায় শুধুই তুই, শুধুই তুই!

যৌথ প্রযোজনা

বাঁচতে চায় মস্তিষ্কগুলো বাঁচার জন্য তোর আমার যৌথপ্রযোজনায় প্রেম চাই। সিগারেটের ধোয়ায় অপবিত্র যে ঠোঁঠ, সেই ঠোঁঠে বাজবে অমৃত সুধা! বক্ষপিঞ্জরে যৌথপ্রযোজনায় পুঞ্জিভুত হোক প্রেম! আধো আলোয় জোনাকীরা জীবনানন্দে ভাসুক। দীর্ঘদিন অসুস্থ বুক ছুঁয়েও দেখেনি কেও, আভিধানিকভাবে যাকে শূন্যতার চেতনা বলে! চোখের কোঠরে লবণাক্ততার স্মৃতি আজো অমলীন। নগ্ন খুলিতে শকুনের সংলাপ। বাঁচতে চায় নিউরনের শহর, বাঁচার জন্য প্রেম চাই! তুই আমি যৌথপ্রযোজনায় প্রেম চাই!

will metformin help me lose weight fast

অস্পষ্ট

আমি তপ্ত বাতাসে শ্বাস নেই, তবু তোমার চুল কপাল ছুয়ে যায়! মৃদু সুবাস আকুল হয়ে, আমার হৃদয় রাঙ্গিয়ে যায়! জানি বিকেলটাও রং হারায় প্রজাপতির ডানায় ভর দিয়ে ! জানি অভ্যুত্থান নয়, তাও ভালবাসা হৃদয় ছুয়ে যায়! কন্ঠনালীর কাছে আবদার ছিল, যেন বিকেলটাও ধরে থাকে! শেষ ফোটা রৌদ্দচ্ছটায়! নিঝুম সন্ধ্যায়ও ছুয়ে ছুয়ে যায়। চুড়ি ছাড়া হাত ধরেছি, বিকেল ঝুম ঝুম চুড়িকে হার মানায়। তুমি আমায় দেখে হেসে উড়িয়ে দিলে, যেন রাতঘুম শেষে স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়।

cialis new c 100

ঘাসফরিং

বৃক্ষের ছায়া কাটে জল, জলের মাঝে ছায়ার ঢেউ। আমার মন কাটিস তুই, তোর ভেতরেই আজ অন্য কেউ। মন কি আর ছায়ার মত, পানির মত যত্রতত্র মিশে? এক আকাশেই সূর্য কিংবা মেঘ, ভরসা করি কিসে! এতই যদি কাটার শখ, পাথর কেটে ফিরে যা। মনের ভিতর ক্ষত করিস, পাওনাটুকুন দিয়ে যা!

যন্ত্রপ্রেমিক

যদি ভালবাসা নামক অনুভূতি না থাকত! তাহলেও কি আমার হইতি! যদি চোখ বেয়ে যন্ত্রের চাহনি নিংড়াতো, তাও কি আমায় বুকের অন্ধপ্রকোষ্ঠে রাখতি! ভালবাসা তো অনুভূতির তাড়না, হরমোন কিংবা এনজাইমের বাহানা! প্রিয়তমা তাহলে তুই,আমি স্বার্থপর! ভালো থাকার জন্য, নিজে বাঁচার জন্য ভালবাসা! বিপরীত সুখের জন্য, আছে কি তার জিজ্ঞাসা! পাগলি ভাল থাকার জন্য ভালবাসা হলে আমি এই শতাব্দির যন্ত্রপ্রেমিক, আমার ট্রানজিস্টার,ভোল্টমিটারের কসম! জানিসতো মানুষ বাদে যন্ত্র মিথ্যে বলেনা। আমার যান্ত্রিক ত্রুটি আছে বটে, তবে তোর জন্য সব ইউজফুল আউটপুট। তাও ভালবাসি, ভালোরাখার জন্য। তোর সাতরংয়ের জন্য আমি যন্ত্র হয়েই ধন্য।

private dermatologist london accutane

ঘৃণা

আজকাল সবকিছু ঘৃণ্য লাগে! আকাশে চাঁদটাকে ঘৃণ্য লাগে, মহাকাশের এক খন্ড উল্কাপিন্ডকে ঘৃণ্য লাগে, ঘৃণ্য লাগে তারকাখচিত সোডিয়াম আলোর সময়টাকে! ঘৃণা হয় স্বপ্নফেরী করা মেয়েটার জন্য, ঘৃণা হয় স্বপ্ন কেনা ক্রেতার জন্য। ঘৃণা হয় আয়নটাকে, বহুবার যে ফিরে দেখায় কর্পোরেট প্রেমিকাকে। ঘৃণা হয় স্পর্শটাকে, মিথ্যে যে স্পর্শছুঁয়েছে লোভী ইচ্ছেটাকে। ঘৃণা সব ভাঙ্গাচুড়া অনুভূতির প্রতি, ঘৃণ্য এই দেয়ালের যত অংগতির অনূভুতি। ঘৃণা বিক্রিত ঐ শরীরের জন্য, ঘৃণ্য এই মানুষটার বেঁচে থাকার জন্য। ঘৃণা অক্সিজেনের তরে, দরজায় বাইরে যে বাঁচিয়ে রেখেছে শরীরটাকে। ঘৃণা আলোর জন্যও, যে পথ দেখিয়ে অন্ধকারকে নিয়ে গেছে অগোচরে। ‘না’ ঘৃণা মৃত্যুর জন্য, শান্ত ‘অসংগতি’ এর মনে বিভ্রান্তি ছড়ায়... glyburide metformin 2.5 500mg tabs

হরতাল

- একদিন হরতাল হবে, অপ্রেমের বিরুদ্ধে সর্বাত্নক হরতাল হবে! অনশন করবে প্রেমভিখারী কপোত কপোতী! স্লোগান হবে ফিরিয়ে দেয়া দলের বিরুদ্ধে! কোণঠাসা করা বজ্র চাহনির ঘৃণাকে, ফিরিয়ে দেয়া মুখগুলো পড়বে এক বিপাকে! গণতান্ত্রিক সাইনবোর্ড হবে প্রেমিক কিংবা প্রেমিকার হৃৎপিন্ডের স্মারকলিপি, সহসা কোন গোলাপের বাগানে প্রেমিকের হুংকার কোলাহল বাড়াবে! অসংখ্য ছেড়া খাম আর নির্ঘুম রাতে শহর উত্তাল হবে! বিদ্রোহীরা সেদিন প্রেমশহর ঘেরাও দেবে, রক্তার্ত প্রস্তাবে ওদের ভালবাসতে বাধ্য করা হবে! জানি একদিন হরতাল সফল হবে, প্রেমিক-প্রেমিকাদের সব দাবি মেনে নেয়া হবে! অনেকগুলো ‘যদি’ আর ‘কিন্তু’ এর ভীড়ে ঠেলে রাহেল রোদেলার কপাল ছুয়ে দেবে! অর্পা নামের দেমাগী মেয়েটাও বেকার কৌশিককে ভালবাসি বলবে! আকাশে...

দূ:স্বপ্নের পাঠদান

একটা রঙ্গিন চাঁদরে গায়ে জড়ায় আছি, শীতের ভয়ে শহর থেকে পালিয়ে নয়! চাঁদর গায়ে ঘুমিয়ে পড়ার প্রয়াস, যান্ত্রিক অসুস্থতায় জেগে জেগে ঘুম! ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখার স্বাদ, জাগনা ঘুমে স্বপ্নগুলো বিভৎস! জেগে জেগে স্বপ্ন দেখি, কিন্তু একি হায়! স্বপ্নগুলোও পুঁজিবাদি বিষন্নতার গোপন বন্ধু! মানুষের খোলসে প্রজাপতি হতে চেয়েছি! নির্ঘুম রাত অক্টোপাসের মত জড়িয়ে শুয়োপোকা করে ছেড়ে দিল! এই কি বেঁচে থাকা, মানুষের খোলসে অপ্রেম দেখা! কথাগুলো জড়িয়ে গেছে, জিহ্বার তলদেশ ভারী হয়ে যাচ্ছে! দূ:স্বপ্নটা একটু বেশিই ভয়ের! কালবৈশাখীর মত করে চাদরটা উড়ে যায়! আমি বুঝি আমি জেগে আছি, এইটা স্বপ্নের শেষ অধ্যায়! এই অধ্যায়ের পাঠদান শেষেই আমার নিদ্রা ভঙ্গ হবে!

বেঁচে আছি

একটা বালিশ,একটা বিছানা, একটা মোটা ফ্রেমের চশমা আর এক গুচ্ছ সাদা আলোর টিউবলাইট! কিছু ফেরারী স্বপ্ন, ঘড়ির কাঁটার অনিশ্চিত টিকটিক! বেঁচে আছি, মস্তিষ্কের অনুভূতিগুলো বয়স্কতার ভারে ভারী, তবুও ফেলে আসা দিনগুলো টেনে ধরে আছে স্নায়ুকোষগুলোকে! বেঁচে আছি, নির্মম সত্যকে কল্পনা মনে হয়! কল্পনার ভারে ভোররাত পর্যন্ত চশমাটা ব্যস্ত থাকে, ক্লান্ত টিউব লাইট নুইয়ে পড়ে শীতলতায়! বেঁচে আছি, তারপরও ক্লান্তিকে হতাশ করে! মাথার উপর ছায়াটাকে সূর্যালোক দেখাব বলে, কিংবা অন্যভাবে সাদা রঙ্গে রক্তের রং মেখে রংধনু সাজব বলে, বেঁচে আছি! বয়সগুলোকে বৃদ্ধ বানিয়ে, বেঁচে আছি!

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

জয় বাংলা

মানুষ হত্যা মহাপাপ জানি, ক্রোধের কাছে পরাজিত হতে নেই তাও জানি! তারপরও যদি সুযোগ পেতাম, রক্তচোষা সেই রাজাকারের চোখে রক্তাক্ষরে লিখে দিতাম “জয় বাংলা” ! পলাশীর পাড় থেকে আত্নাটা কৃতদাস, আত্নাকে তোতা পাখির মত বুঝিয়েছি! তোতা পাখিটাও স্বাধীনতা চেয়েছিল, পরাজিত আত্নাদের বুকের উপর চড়ে দাপিয়ে দাপিয়ে চিৎকার শহীদ আত্নার”জয় বাংলা”! গাংচিল উড়ে, দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে সুপ্রভাত হাসে! এক আকাশ ক্রোধ নিয়ে কাঠঠোকররা মাথা আচড়ায়, শকুনের হাতে কেন পতাকা উড়ে! ইচ্ছে হয় রাজাকারের বক্ষপিঞ্জরে পতাকা দেই গেড়ে ! মানুষ হত্যা মহাপাপ জানি, বুদ্ধিমানেরা নাকি ফেরারী স্বপ্নের পিছু ছোটেনা! তারপরও আমার পূর্বপুরুষের রক্তে ভেজা শার্টের কসম, সুযোগ হলে শকুনের হৃৎপিন্ডে এক দীর্ঘ আচড়...

ফসিল

- ৩০১৫ এর ২৫ শে মার্চ। সাইমন,রাসেল আর মালিহা এক মিনি এয়ার ক্রাপ্ট এ করে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে ভেসে যাচ্ছে। হিউম্যান রিসার্চ প্রোজেক্টের জন্য ফসিলের প্রয়োজন। প্রফেসর ম্যাডিনসন হঠাৎ এদিক্টাই আসার জন্য সিগন্যাল দিয়েছেন। অগত্যা এই তীব্র তুষারপাতের মধ্যে -৯০℃ তাপমাত্রার এশিয়া অঞ্চলে আসতে হচ্ছে। ঘন্টায় ৭৫০০০ কিমি বেগে ছুটছে যানটি। মালিহার অসস্তি লাগছে। তার পূর্বপুরুষরা পৃথিবীর এদিকটায় থাকত নাকি। প্রফ্রেসর ম্যাডিনসনের কড়া নির্দেশ যেতে যেতে ব্রেইন চিপ ৫ থেকে হিস্টোরিগুলো শুনতে শুনতে যেতে হবে। স্মৃতিগুলোকে বার বার স্কান করে সে শুনছে ভয়াবহ সেই দিন গুলোর কথা। কিন্তু তার ব্রেইন চিপ তাকে এগুলো সিগনাল দিচ্ছে ! প্রফেসর এ গুলো...

খুন

স্বপ্নবালিকা এক দ্বিপ্রহর রাতে কিংবা লালচে চাদরে মোড়ানো খয়েরী অন্ধকারে, তোমার চোখ আয়নার বারান্দায় এসেছিলাম! তোর অস্বচ্ছ হৃদয়ে, নিজেকে জড়িয়ে সাইকোর মত সাইকাসের মরুর বিশালতায় ভালোবেসেছিলাম! তোর হৃদয় প্রাঙ্গনে আমার দাড়িয়ে নয়, তাকিয়ে থাকার জায়গাটুকুও হয়নি! আমার ভালোবাসাকে বস্তায় পুড়ে, তোর মনের ডাস্টবিনে ছুড়ে দিয়েছে কেউ! বস্তা পঁচা মনের লাশ থেকে গন্ধ ভাসছে, ভালোবাসার ঘ্রাণ একে ফোর্টি সেভেন এর বেশে গোলাপ হয়ে বিধছে! তুই লাশের গন্ধেও ভুললিনা স্বপ্নবালিকা! তুই ঠান্ডা মাথার খুনীর রক্তচোষাদের থেকেও পেশাদার, পেশাদার ফিরিয়ে দেয়ায়!

doctus viagra

ওপার

নদীর এপার থেকে দেখছি, ওপারের আকাশ ভারী। মৃত মানুষের চিৎকারে নি:শ্বাস কলঙ্কিত, আহত হৃদয় খুবলে খুবলে খাচ্ছে শকুনের ঝাক! তবুও ওপারে যাব, এপার থেকে শুনছি আমার প্রেমিকার চিৎকার! ওপারের শহরে,তোমাদের পৌরষত্বের অহঙ্কারে, রাস্তার কুকুরের মত ছাপ! তোমার বাক্য এক থলে অভিশাপ। যে শহরে আমার প্রেমিকা ভাল নেই, সে শহর ধ্বংস হোক হিরোসিমার মত করে। সব খাদকের দল ওপারের ডাস্টবিনে যায়, মুমুর্ষ কুকুরের থালাতে ভাগ বসায়! অন্ধরা হাতড়িয়ে খায়, ওপারে আমার প্রেমিকার ডাক শোনা যায়! ঈশ্বর আমায় ওপারে নিয়ে যাও।

ovulate twice on clomid

একলা একা

চায়ের কাপে চুমুকে দুই ঠোঁঠ, চা ফোরানোয় আবার একা! গভীর রাতের স্পর্শ ফুরালে, স্বপ্নদলকে একাকিত্বের সংখ্যারেখায় যায় আঁকা! চূড়ান্ত ব্যস্ত স্তন্যপায়ীরা একা, ঘুমের ঘোর গভীর নি:শ্বাসে, চশমার ফাঁকে মৃত দৃষ্টিতে, জোনাকীর বেচে যাওয়া আলো নিয়ে ঘুনেপোকাটাও একা! ব্যস্ত নগরের ল্যাম্পপোষ্ট থেকে কদম গাছের শীর্ষে বসা ছত্রাকে একাকিত্ব। দিনের আলোয় অন্ধকার একা, অন্ধকারে আলো একা। ভয় কিন্তু একা চলে, উড়ন্ত সাহসটাও একা। অন্তিম মূহুর্তে বাড়ি ফেরা সিটি বাসের সাথে একাকিত্বের হয়ে গেল দেখা। আজ নতজানু সময়টা একা, ক্রোধ,হিংসা,মৃত্যু সব সময়ের সহপাঠি। পিষে ফেলা অতর্কিত চাহনি একা, নীরব করে ফেলা ঘটনার ঘটক একা, ভেতর জ্বালিয়ে দেয়া আকাঙ্খার দল একান্ত ফাঁকা! অন্ধকারে ছটফটিয়ে...

irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg
side effects of drinking alcohol on accutane
renal scan mag3 with lasix