ইসলামে সন্তান দত্তক নেওয়া কেন কুফরী এবং হারাম !?!

0

বার পঠিত doxycycline caps 100mg side effects

বাংলাদেশে কোন শিশুকে অ্যাডপ্শন বা দত্তক নেওয়ার বিষয়ে কোন আইন না থাকলেও দত্তক বা সন্তান পালক নেওয়ার বিষয়টি থেমে নেই এবং দীর্ঘকাল ধরেই নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে কম-বেশী শিশু সন্তান দত্তক নেওয়া হয়ে থাকে।তবে বাংলাদেশে দত্তক নেয়া ব্যাপারটা খুব একটা প্রচলিত নয়। সামাজিক, ধর্মীয় কিংবা স্রেফ পারিবারিক কারণে অনেকেই দত্তক নেয়ার কথা ভাবেন না।তারমধ্যে বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ হবার কারণে ধর্মীয় জটিলতাও রয়েছে।কারণ ইসলামে সন্তান দত্তক নিতে পারলেও দত্তককারী ব্যক্তি তাকে পিতৃ/মাতৃ পরিচয় দিতে পারবেনা এবং কি দত্তক সন্তান কোন ধরনের উত্তরাধিকারীও হতে পারবেনা ইসলাম ধর্মের রিতী অনুযায়ী।

তবে,ইসলামে অন্য কারো সন্তান লালন-পালন ও তার অভিভাবকত্ব নিতে পারবে।যেমনটা জায়েদকে নবী মুহাম্মদের পালক পুত্র বলা হয়।কিন্তু দত্তক কখনোই উত্তরাধিকারী হয় না। ইসলামে দত্তক নেওয়া হারাম, দত্তক নেওয়া জায়েজ নেই অর্থাৎ কেউ কোনো শিশুকে দত্তক নিলে ইসলাম তাকে তার সন্তান হিসেবে গণ্য করে না। বরং সন্তান সবসময় তার আসল পিতার দিকেই সম্পৃক্ত হবে। এ সম্পর্কে কোরানে বলা আছে,

আল্লাহ কোন মানুষের মধ্যে দুটি হৃদয় স্থাপন করেননি। তোমাদের স্ত্রীগণ যাদের সাথে তোমরা যিহার কর, তাদেরকে তোমাদের জননী করেননি এবং তোমাদের পোষ্যপুত্রদেরকে তোমাদের পুত্র করেননি। এগুলো তোমাদের মুখের কথা মাত্র। আল্লাহ ন্যায় কথা বলেন এবং পথ প্রদর্শন করেন। সুরা আহযাব: ৪

কিন্তু নবী মুহাম্মদ নিজেইতো জায়েদ নামে এক সাহাবিকে দত্তক নিয়েছিলেন। তাঁর পিতার নাম ছিল হারেসা। তাঁকে সবাই জায়েদ ইবনে মোহাম্মাদ—অর্থাত্ মোহাম্মাদের পুত্র বলে ডাকা হতো।

এ প্রসঙ্গে কয়েকজন সাহাবি বর্ণনা করেন, ‘মহানবী (সা.)-এর নবুওয়েতের পূর্বে কৃতদাস শিশু যায়েদ ইবনে হারেছাকে মুক্ত করে দত্তক পুত্র করে রেখেছিলেন। সে রাসূল (সা.)-এর ঘরে, তারই পিতৃস্নেহে লালিত-পালিত হয়ে বড় হয়। আমরা তাকে যায়েদ ইবনে মুহাম্মাদ (মুহাম্মদের পুত্র যায়েদ) বলেই সম্বোধন করতাম। যখন আহজাবের ৫ নম্বর আয়াত অবতীর্ণ করে আল্লাহ নির্দেশ দিলেন, ‘তাদের (পালক সন্তানদের) পিতৃ-পরিচয়ে তোমরা তাদের ডাকবে’- তখন আমরা আমাদের পূর্বের ডাক পরিবর্তন করি।‘ (সহিহ মুসলিম:৬৪১৫) canadian pharmacy online percocet

তাহলে এবার দেখে নেওয়া যাক সূরা আহজাবের ৫ নম্বর আয়াত থেকেই,

তোমরা তাদেরকে তাদের পিতৃপরিচয়ে ডাক। এটাই আল্লাহর কাছে ন্যায়সঙ্গত। যদি তোমরা তাদের পিতৃ-পরিচয় না জান, তবে তারা তোমাদের ধর্মীয় ভাই ও বন্ধুরূপে গণ্য হবে। এ ব্যাপারে তোমাদের কোন বিচ্যুতি হলে তাতে তোমাদের কোন গোনাহ নেই, তবে ইচ্ছাকৃত হলে ভিন্ন কথা। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। সুরা আহযাব: ৫

এ-ব্যাপারে হাদিস চষে দেখা যাক তাহলে, এ প্রসঙ্গে মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি জানা সত্ত্বেও অন্য কাউকে পিতা বলে ডাকবে সে কুফরি করবে। যে ব্যক্তি অন্য বংশের পরিচয় দিবে সে জাহন্নামকে তার ঠিকানা বানাবে।’ (সহিহ বোখারি: ৩৫০৮)

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি জেনেশুনে নিজের পিতাকে ছাড়া অন্য কাউকে পিতা বলে দাবি করে, তার জন্য জান্নাত হারাম। ’ (সহিহ বোখারি: ৪৩২৬)

এ জন্যই যুগশ্রেষ্ঠ ফকিহ মুফতি শফি (রহ.) বলেন, ‘লালন-পালনকারীকে সম্মান ও কৃতজ্ঞতাস্বরূপ মা-বাবা ডাকা বৈধ হলেও অনুত্তম ও অনুচিত। কেননা এতে জাহেলিয়াতের কুসংস্কারের সঙ্গে সাদৃশ্য হয়ে যায়। ইসলাম এ ধরনের সাদৃশ্য পছন্দ করে না। ’ (আহকামুল কোরআন : ৩/২৯২)

পালক সন্তান উত্তরাধিকার সম্পত্তির অধিকারী হবে না, লালন-পালনকারীর মৃত্যুর পর ওই সন্তান উত্তরাধিকার হিসেবে তার সম্পত্তি থেকে কোনো অংশ পাবে না। লালন-পালনকারীরাও ওই সন্তানের ওয়ারিশ হবে না। হ্যাঁ, লালনকারী জীবদ্দশায়ই পালক সন্তানকে সম্পত্তি থেকে দান করতে পারবেন বা মৃত্যুর পর তাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ দেওয়ার অসিয়ত করে যেতে পারবেন। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী এই অসিয়ত কেবল এক-তৃতীয়াংশ সম্পদ থেকেই কার্যকর হবে। অনুরূপ সন্তানের আসল মা-বাবা ও আত্মীয়স্বজন থেকে অবশ্যই সে উত্তরাধিকার সম্পত্তির অধিকারী হবে। তাকে পালক দেওয়ায় তার উত্তরাধিকার সম্পত্তির অধিকার খর্ব হয়নি। (তাকমিলাতু ফাতহিল কাদির : ১০/১২২) সূত্র

এ সুরা এবং হাদিসগুলার মাধ্যমে পালক পুত্ররা যে রক্ত সম্পর্কিত পুত্রের মর্যাদা পাবেন না সেটা ও প্রমানিত হয়।

কোরআনে বিষয়টি নিষেধ করে দেওয়ার পরে সবাই তাঁকে জায়েদ ইবনে হারেসা বলেই ডাকা আরম্ভ করে।কিন্তু কেন হঠাত করে সন্তান দত্তক নেওয়ার ব্যাপারে নিষেধ কিংবা নিরুতসাহিত করা হলো কোরআনে !?!

মদীনায় মহানবীর মধ্যস্থতায় জায়েদ ও জয়নবের বিবাহ হয়। জয়নব ছিলো আবার নবী মুহাম্মদের ফুফাতো বোন। জায়েদ ও জয়নবের বিবাহ সম্পন্ন হবার পর স্বামী-স্ত্রী মদীনায় তাদের নিজ বাসগৃহে বাস করতেন। জায়েদের সাতে জায়নাবের বিবাহ খুব সুখের ছিলনা এবং এ বিবাহ ভেঙে যায়। কথিত আছে যে, রাসুল জায়নাবের প্রতি প্রেম অনুভব করেন এবং জায়েদ তা জানতে পেরে জায়নাব কে তালাক দেন।তালাকে পর নবী মুহাম্মদ জয়নবের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চাইলে অনেকের মাঝেই বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় জয়নব পালক পুত্রের প্রাক্তন স্ত্রী হওয়ায় এবং নবী মুহাম্মদও প্রশ্নবিদ্ধ হয়। zithromax z pak 250 mg

সমস্যা সমাধানের জন্য নবী যেমন বারবার আল্লাহ্‌কে ব্যবহার করতেন, এ ক্ষেত্রেও ঠিক তাই করলেন। এ প্রসঙ্গে নবী আল্লাহর মুখ দিয়ে নিম্নোক্ত আয়াত নাজিল করালেন,

আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন; আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর। আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে। সুরা আহযাব: ৩৭

এ থেকে এটাই প্রমানিত হয় যে,নবী মুহাম্মদ জয়নবের প্রেমে মগ্ন ছিলেন এবং নিজের স্বার্থ মনোবাসনা পোষন করার জন্যই দত্তক নেওয়ার মতো মহৎ কর্মকে চুপীসারী বৈধতা দিলেও দত্তককারী ব্যক্তি তাকে পিতৃ/মাতৃ পরিচয় দিতে পারবেনা এবং কি দত্তক সন্তান কোন ধরনের উত্তরাধিকারীও হতে পারবেনা ইসলাম ধর্মের রিতী অনুযায়ী।

You may also like...

  1. সচেতন বলছেনঃ

    শরিয়তের এত কোরআন হাদীস দেখালেন, আর রাসূল (স) যে জয়নবের প্রতি প্রেম অনুভব করতেন, তার সমর্থনে কারও মুখের কথারও রেফারেন্স দিলেন না। নাস্তিকরা কি এতই মূর্খ যে কে কি বলল, তা যাচাই বাছাই না করেই ‘অনুমানের’ সমর্থনে কাপড় খুলে নাচতে শুরু করবে? নাস্তিকদের মান রাখুন। প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করে তারপর বিদ্যা ফলাতে আসুন।

    lasix tabletten
    buy viagra over the counter in canada

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

clomid trying to get pregnant

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

prednisolone acetate eye drops shortage