মুসলিম নারীদের বস্তাবন্দী করার ধান্ধা কাঠ মোল্লাদের

0

বার পঠিত

হঠাৎ করেই বাল্যকালের এক মেয়ে বান্ধবীকে খোঁজে পাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।যদিও তার সাথে বাল্যকালে খুব একটা বেশী পরিচিতি বা খেলার সাথী ছিলো তাও না।যখন কিন্ডার গার্ডেনে পড়া হয় তখন শুধু এক সাথে স্কুলের গাড়িতে করে যাওয়া আসা আর ঠুকড়া-ঠুকড়ি পর্যন্তই সম্পর্ক ছিলো।এই ঠুকড়া-ঠুকড়ি থেকে এক পর্যায়ে তাকে একদিন গালে চপেটাঘাতও করেছিলাম।আর সেদিন অপ্রাসঙ্গিকভাবে কান্না করে একটা কথা বলেছিলো যা,আজও স্পষ্ট কানে বেজে উঠে এবং সেই সময়ের দৃশ্যটাও চোখে ভেসে উঠে।

যাইহোক,পরবর্তীতে তার প্রতি আমার একটা ভালো লাগাও কাজ করে।কিন্তু সেটা কখনো বলা হয়নি।আর বলবোই বা কি করে!তখনও অনেক ছোট বাচ্চা দুজনেই।যার কারণে, ভালো লাগাটা মনের মাঝে পোষে রাখা হয়ে গেছিলো ততোদিনে।পরবর্তী কিছুদিন পরেই তার সাথে আমার দেখা সাক্ষাৎ সব শেষ হয়ে যায় স্কুল বদলানোর কারণে।তারপরে তাকে কয়েকবার আমি দেখলেও সে আমাকে দেখেনি আর দেখলেও তার মনে নাই অথবা স্বীকার করে নিচ্ছে না।কিন্তু আমাকে খুব ভালো করেই চিনে এবং জানে।তবে আমার সাথে তার কেমন সম্পর্ক ছিলো এমন কোন কিছু মনে নাই বলে দাবি অথবা মনে থাকলেও সে স্বীকার করতে চাচ্ছে না এমনও হতে পারে।অন্যদিকে তার প্রতিটা আচরন থেকে শুরু করে তার কথা বলা,তার পোশাকসহ সব কিছুই স্পষ্ট মনে আছে।হয়তো,তার প্রতি আমার যে, ভালো লাগা ছিলো সেটাই মূখ্য কারণ তার এসব আমার মনে গেঁথে যাওয়ার জন্য।

যাইহোক,এরজন্য ফেসবুক আমার কাছে ধন্যবাদ অবশ্যই পায় কারণ এক যুগেরও বেশী সময় পরে তার সাথে আমার কথা হচ্ছে।এরমধ্যে দুইজনেরই অনেক কিছু শেয়ার করাও হয়েছে।আমার মাঝেও যেমন অনেক পরিবর্তন হয়েছে এতোদিনে ঠিক তেমনি তার মাঝেও।আমি হয়েছে মডারেট ধার্মিক থেকে অবিশ্বাসী আর সে হয়েছে মডারেট ধার্মিক থেকে বুরখাধারী হিজাবী পাক্কা ধার্মিক। renault ci cipro 85

বলাবাহুল্য যে,তার বিশ্বাস অবিশ্বাস নিয়ে আমার কোন হিংসা-বিদ্বেষ কোন কিছু নাই।কারণ যতক্ষন পর্যন্ত না সে সমাজ কিংবা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর না হয়ে উঠছে।কিন্তু তার সাথে কথা বলার প্রসঙ্গে আমি তার হিজাব নিয়ে কথা বলি।সেও উত্তর দেয় খুব ভালো ভাবেই এবং কোন কিছু মনে না করেই।

যাইহোক তাকে যখন বলি,তুমি এই গরমে এরকম হিজাবী হয়ে থাকতে বিরক্ত লাগে না?সে আমাকে প্রত্যুতরে বলে ধর্মে নাকি আরও বেশী কঠিন করে হিজাব করার পরিধান আছে।আমার কাছে বিষয়টা খটকা লাগে।তাকে আমিও বলি,আচ্ছা তুমি এই কথা কোথায় পাইছো?সে বলে কেন,ধর্মগুরুরা এবং অনেক ওয়াজ আছে শুনে দেখতে পারো।আমি তাকে বললাম কোরানের বাংলা অনুবাদ পড়েছ?সে বলে কোরান পড়তে জানি কিন্তু বাংলা অনুবাদ পড়া হয়নি।আমিও তাই ভাবছিলাম এই কথাটা তাকে বলার পর সে আমাকে বলে,কেন আমি পড়েছি কিনা?আমি তাকে বলি এ নিয়ে কাল তোমাকে বিস্তারিত বলবো এবং তুমিও একটু আমার কথাগুলা পরখ করে নিও।সেও রাজী হয়ে যায়,এবং কথা অন্য প্রসঙ্গে চলে যায়।তাই আজকের লিখাটা আমার নারীদের পোশাক সম্পর্কে আলোচনাই করাই মূল উদ্দেশ্য তাকে উৎসর্গ করে।

পোশাক মোটামুটি দু’ ধরনের হয়।ভৌগলিক বা সাংস্কৃতিক আর ধর্মীয়।তবে আমি ছেলেদের না মেয়েদের পোশাক সম্পর্কে হালকা একটু ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো ।বিশেষ করে এবং উল্লেখ্য যোগ্যভাবেই মুসলিম নারীদের পোশাক নিয়ে।বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে নারীদের সবচেয়ে পছন্দের পোশাক শাড়ি, একটু কম বয়েসী তরুণীদের পছন্দ সালওয়ার কামিজ।সালওয়ার কামিজ বা শাড়ি দুটোই আমাদের দেশে শালীন পোশাক বলেই পরিচিত।

এরপরে আসি, ধর্মীয় পোশাক। ধরে নেই, আমাদের দেশের সব মুসলিম নারীদেরই ধর্মী পোশাক বুরখা/হিজাব।কিন্তু এই পোশাকটা মুলত আরাবিয়ান ভৌগলিক পোশাক।কিন্তু এটা মোল্লারা বা বাংলাদেশীসহ অনেক মুসলিম ধার্মিকরাই ধর্মীয় পোশাক বানিয়ে ফেলেছে কালের বিবর্তনে ধর্মের কারসাজী করে।কারণ কোরানের কোন জাগায় আমি পাইনি বোরখার কথা।তবে যে নির্দেশনা পাওয়া যায় সেটা হলো শালীন পোশাক।যা নারীদের লজ্জাস্থান নিবারণ করে রাখবে।

দেখুন এ ব্যাপারে কোরআন কি বলা আছে, ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।(সূরা আন-নূর:৩১)

সবচাইতে আসল কথাটি হল, শালীনতাকে স্টান্ডারডাইজড করা যায়না, কারো কাছে শাড়ি অশালীন, কারো কাছে বুরখা ব্যতিত এমনকি হিজাবও অশালীন। কারো কাছে আবার আপনার হাটা-চলা,খাওয়া-দাওয়া অথবা কথা বলার স্টাইলও অশালীন হতে পারে। viagra 100 mg effectiveness

বিশ্বাস না হলে এবারও কোরআন থেকেই দেখে নিন, হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।(সূরা আল আহযাব:৫৯)

কিন্তু গোড়াপন্থি মুসলিম মোল্লারা নারীদের যে পর্দা করার কথা বলেন তার সঙ্গে ইসলামের মৌলিক বিধানের কোনো মিল নেই। বরং ইসলামের মৌলিক বিধানে পর্দার যে কথা বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রায় শতভাগ নারীই সেই বিধান মেনে চলেন। তারা সবাই শালীন পোশাক পরেন। তার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে, কোরআন মেয়েদের এসব বলার আগে ছেলেদেরকে দৃষ্টি সংযত রাখতে এবং যৌনতার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলেছেন।

দেখা যাক তাহলে কোরআন এব্যাপারে কি বলে, মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।(সূরা আন-নূর:৩০)

অর্থাৎ পুরুষরা যদি তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে, কে কোন ধরনের পোশাক পরল, কার শরীর কতটুকু দেখা যায়, তা তো বোঝার কথা না। আসল পর্দা হচ্ছে নফসের পর্দা। ওইটা নারী পুরুষ সবার থাকা উচিত।নারীর পাশাপাশি ইসলাম ধর্মে পুরুষের জন্যও পর্দা ফরজ করা হয়েছে এবং দৃষ্টি অবনত করতে বলা হয়েছে।

দেখুন এব্যাপারে কোরআনেও স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া আছে, হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না। তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না। নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না। তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ। আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।(সূরা আল আহযাব:৫৩) prednisone and hormone replacement therapy

অর্থাৎ নিজেদেরই মানে পুরুষদেরই সংযত রাখতে হবে।কিন্তু মোল্লারা নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য উপরের সূরাগুলো পরোক্ষভাবে এড়িয়ে গিয়ে বেশ কিছুই সূরা টেনে আনে নারীদের বন্দী করে রাখার জন্য।কিন্তু সেই সময় আর এখনকার সময় পাল্টাছে।কারণ তখন ছিলো জাহেলী যোগ আর এখন একবিংশ শতাব্দী।মানুষ এখন অনেক এগিয়ে গেছে,নারী পুরুষ একসাথে কাজ করে সভ্য থেকে সভ্যতার দিকে যাচ্ছে।কিন্তু তারপরেও মোল্লারা যে কথা বলে নারীদের বন্দী করতে চায় সেগুলাই দেখুন কিভাবে এড়িয়ে গিয়ে করে।তারা প্রথমেই যে রেফারেন্সটা টেনে আনে এবং বয়ান দেয় সে সম্পর্কেই একটু যেনে নেয়া যাক তাহলে, তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। হে নবী পরিবারের সদস্যবর্গ। আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে।(সূরা আল আহযাব:৩৩)

এখানে বলে রাখা ভালো যে,আয়াত দেখেই মনে হতে পারে নারীদের ঘরে চার দেয়ালের মাঝে বন্দী থাকতে বলা হয়েছে,এবং কাঠ মোল্লারা তাই বলে প্রচার করে থাকে।এবং তারা আজ অনেকটাই সফলও।তার কারণ আমরা নিজেরা না যতোটা জানার চেষ্টা করি তার থেকে বেশী বিশ্বাস করি কাঠমোল্লাদের।আর এই সুযোগটাই তারা হাতিয়ে নেয়।কিন্তু আপনি যদি ভালোভাবে খেয়াল করেন ,তাহলে এর উত্তর সহজেই খুজে পাবেন।‘তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না।‘ যদি আমি শুধু এই লাইনটুকু ধরেই ব্যাখ্যা করি তাহলে সহজেই উত্তর খুজে পাওয়া যাবে।কারণ এখানে স্পষ্ট করেই বলা আছে, মূর্খতা যুগ’র কথা।আর এই যুগটা হলো,জাহেলী যুগ।ইসলামের অনেক পূর্বের যুগের নাম হলো জাহেলী যুগ।এই যুগ যে অনেক বর্বর ছিলো তা অনেকেই জানি।আর কোরআনেও সে কথাই উল্লেখ করেছে।কারণ কোথায় ৫০০০ বছর পূর্বে আর কোথায় ১৪৫০ বছর পূর্বের যুগ আর বর্তমান যুগ।বাদ দিলাম এসব যুগ ফুগের কথা কিন্তু কোরানতো আর অস্বীকার করতে পারেন না।কারণ বিশ্বাসীদের আল্লাহই কোরানে বলেছেন, আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?( সূরা আল ক্বামার:১৭)

তারপরেও কি বলবেন কোরআন বুঝা এতো সহজ না?কোরান বুঝতে হলে হাদিস পড়তে হবে,ইসলামী পণ্ডিতদের তাফসীর পড়তে হবে?তাহলে আপনি অবশ্যই বোকার রাজ্যে আছেন।এতো ভয় কিসের !নিজের চোখ খুলে দেখুন কোরআনে কি বলা আছে, সেদিন প্রত্যেক উম্মতের মধ্যে আমি একজন বর্ণনাকারী দাঁড় করাব তাদের বিপক্ষে তাদের মধ্য থেকেই এবং তাদের বিষয়ে আপনাকে সাক্ষী স্বরূপ উপস্থাপন করব। আমি আপনার প্রতি গ্রন্থ নাযিল করেছি যেটি এমন যে তা প্রত্যেক বস্তুর সুস্পষ্ট বর্ণনা, হেদায়েত, রহমত এবং মুসলমানদের জন্যে সুসংবাদ।(সূরা নাহল:৮৯)

কি হলো তারপরেও বুঝতাছেন না,এসব বানানো কথা আমার!তাহলে এবার আরও একটু ভালোভাবে পরখ করে নেন, আর যত প্রকার প্রাণী পৃথিবীতে বিচরণশীল রয়েছে এবং যত প্রকার পাখী দু’ ডানাযোগে উড়ে বেড়ায় তারা সবাই তোমাদের মতই একেকটি শ্রেণী। আমি কোন কিছু লিখতে ছাড়িনি। অতঃপর সবাই স্বীয় প্রতিপালকের কাছে সমবেত হবে।(সূরা আল আন-আম:৩৮) comment acheter du viagra en suisse

এবারও যদি না বুঝেন তাহলে,হাতে পপ কর্ণ নিয়ে কাঠমোল্লাদের ওয়াজ শুনতে বসে যান।তারপর নিজেকে ধার্মিক বলে দাবি করে ফাল দিয়ে উঠুন।এতে সমাজের জন্য আপনি ক্ষতিকারক ছাড়া আর কোন কিছুই হতে পারবেন না।কিন্তু তারপরেও আপনাকে আরও বুঝার বৃথা চেষ্টা করে দেখি কিছু বুঝেন কিনা কোরআন থেকে, হে বনী-আদম আমি তোমাদের জন্যে পোশাক অবর্তীণ করেছি, যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে এবং অবর্তীণ করেছি সাজ সজ্জার বস্ত্র এবং পরহেযগারীর পোশাক, এটি সর্বোত্তম। এটি আল্লাহর কুদরতেরঅন্যতম নিদর্শন, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে।(সূরা আল আরাফ:২৬)

কি মনে হচ্ছে এই আয়াত পড়ে?এইটাইতো সেই বয়ান যেটা কাঠমোল্লা হুজুরেরা দেয়?তাহলে আরও একবার বলবো আমাকে বিশ্বাস করার দরকার নাই।তবেই নিজেই নিজ ভাষায় একবার কোরআন পড়ে দেখুন।নিজেই প্রশ্নের উত্তর খুজে পাবেন এবং সিদ্ধান্তও নিতে পারবেন ধর্ম বিষয়ে।বিশ্বাস না হলে কোরআন বের করে দেখুন, “হে বনী আদম, আমি তো তোমাদের জন্য পোশাক অবতীর্ণ করেছি, যা তোমাদের লজ্জা-স্থান ঢাকবে এবং যা সৌন্দর্যস্বরূপ। আর তাকওয়ার পোশাক, তা উত্তম”।(সুরা আরাফ : ২৬) cialis erfahrungswerte

এখন আপনার কাছে মনে হতে পারে তাকওয়ার পোশাক কি আবার?তাকওয়ার পোশাক বলতে যা বুঝায়,যে কাপড় পরিধান করলে অপচয় ও অহংকার করা না হয়।কি হলো বিশ্বাস হচ্ছে না আমার কথা?তাহলে এবার হাদীস শরীফ থেকেই দেখে নেয়া যাক, হযরত আমর ইবনে শুআইব তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা খাও, পান কর, অন্যদের দান কর এবং কাপড় পরিধান কর যে পর্যন্ত অপচয় ও অহংকার করা না হয়।-সুনানে নাসায়ী, হাদীস : ২৫৫৯; ইবনে মাজাহ,হাদীস : ৩১০৫

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. বলেন, যা মনে চায় খাও, যা মনে চায় পরিধান কর যে পর্যন্ত দুটি বিষয় না থাকে : অপচয় ও অহংকার।-সহীহ বুখারী ১০/১৫২

এরপরেও যদি আপনার মনে হয় এসব আমার বানানো এবং কোরআন বিকৃতি করে উপস্থাপন করে ইহুদীদের পেইড এজেন্ট আমি তাহলে আপনার জন্য এই আয়াত, কোরআনের আল্লাহর বানী অস্বীকার করবে যে সে মুনাফিক।আর মুনাফিকের পরকাল জাহান্নামের আগুন।এ সম্পর্কে কোরআনে আল্লাহ বলেছে,-আল্লাহ মুনাফেক নর-নারী ও অবিশ্বাসীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাহান্নামের আগুনের যেখানে ওরা থাকবে চিরকাল, এই ওদের জন্য হিসেব। ওদের ওপর রয়েছে আল্লাহর অভিশাপ, ওদের জন্য রয়েছে স্থায়ী শাস্তি।(সূরা আত তাওবাহ:৬৮)

সেহেতু বিশ্বাস অবিশ্বাস আপনার,এতে আমার কিচ্ছুই যায় আসে না। apcalis or kamagra

kroger pharmacy refills online

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন * doxycycline hyclate treats

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong> cara pakai obat misoprostol cytotec

granatapfelsaft besser als viagra

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

para que sirve la pastilla del viagra
prednisone muscle weakness cialis malta buy viagra over the counter in canada