ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তনে মহামান্য রাষ্টপতি আব্দুল হামিদের ভাষনকে কেন্দ্র করে মিথ্যা গুজব

0 capital coast resort and spa hotel cipro

বার পঠিত

সকাল থেকেই “প্রথম আলো” নিউজ লিঙ্কের কিছু অংশ অনলাইনে কিংবা ফেসবুকে ঘুরপাক খাচ্ছে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে নিয়ে এবং কিছু অতি উৎসুক ফেসবুকাররা তা বিতর্কিতভাবে ভাবে বিভিন্ন অনলাইন পেইজ অথবা ফেসবুকে পাবলিক পোস্ট করে নিজেকে জ্ঞানীর ভাণ্ডার হিসাবে দাবিতেই ব্যস্ত।যাই হোক,যে কথাটি নিয়ে ঘুরপাক খাচ্ছে সেটা সরাসরি তুলে ধরি।তারপর না হয় এক লাইনে উত্তরটা দেওয়া যাবে। “মনে ইচ্ছা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন। ভর্তিও হয়ে গেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। ভর্তির কাজকর্ম শেষে গেলেন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে, ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে। বঙ্গবন্ধু সব শুনলেন। তারপর জানিয়ে দিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, পড়তে হবে সেন্ট্রাল ল কলেজে। আর রাজনীতি করতে হবে কিশোরগঞ্জে। সেন্ট্রাল ল কলেজে যেহেতু নিয়মিত ক্লাস না করলেও পরীক্ষা দেওয়া যায়, সে কারণেই এ বিকল্প চিন্তা। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার বিপুল আগ্রহ তাঁর। তাই নেতাকে একটু মিথ্যার আশ্রয় নিয়েই বললেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সব টাকা শেষ। কীভাবে আবার সেন্ট্রাল ল কলেজে ভর্তি হবেন। বঙ্গবন্ধু ডাকলেন পাশের রুমে থাকা তোফায়েল আহমেদকে। পাঞ্জাবির পকেট থেকে তিনটি ১০০ টাকার নোট বের করে তোফায়েলের হাতে দিয়ে বললেন, ‘ওকে সেন্ট্রাল ল কলেজে ভর্তি করিয়ে, বইপুস্তক কিনে কিশোরগঞ্জে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দে।’ নেতার ইচ্ছাই নিজের ইচ্ছা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার চিন্তা জলাঞ্জলি দিয়ে আবদুল হামিদ সেন্ট্রাল ল কলেজের ছাত্র হলেন।”
কিন্তু যে বিষয় টুকু খুব সতর্কভাবেই এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে তা তুলে দেওয়া হলো, “কোনোরকমে ম্যাট্রিক পরীক্ষার বৈতরণী পার হলেন, তৃতীয় বিভাগ নিয়ে। এইচএসসিও পার হয়ে গেলেন কীভাবে কীভাবে। বিএ পরীক্ষায় পেলেন রেফার্ড। কিন্তু বিএ পাস না করলে মান-ইজ্জত থাকে না। ইজ্জত রক্ষার জন্য জনসভায় একদিন ঘোষণা দিয়ে ফেললেন, যত দিন আইয়ুব সরকারের পতন হবে না, তত দিন তিনি পরীক্ষা দেবেন না, বিএ পাস করবেন না। এর মধ্যে আইয়ুব খানের বিরোধিতা করার দায়ে জেলে যাওয়ার অভিজ্ঞতাও হয়ে গেছে তাঁর। রাজনীতিতেই ঢেলেছিলেন মন-প্রাণ। কীভাবে ঢেলেছিলেন তার একটা প্রমাণ দেওয়া যেতে পারে। পরে অবশ্য বিএ পাস করেন আইয়ুবের পতনের পরই। “
এখন কথা হলো,আমরা এতোটাই শিক্ষিত হয়ে গেছি যে, কথায় কথায় ভুল ধরা এবং একজন আরেকজনের পিছনে লেগে নিজের দাবিকে সত্য বলে প্রমানিত করতেই ব্যস্ত।একটু মাথা খাটালেই যে,নিজেই নিজের উত্তর পাওয়ার সম্ভবনা থাকে তা কখনো ভেবে দেখার চেষ্টা করবে না।বরং এক প্রকার জোর করেই অনৈতিক মিথ্যাকে সত্য বলে প্রমান করতে ব্যস্ত।আর একজন যখন এই ভুল করে, বিশেষ করে ফেসবুকে তা যখন অন্যএকজন উৎসুক ফেসবুকার দেখবে তখনই সেও চিন্তা না করে সরাসরি কপিপেস্ট মেরে কিংবা শেয়ার করে ভাইরাল করে দিবে।যাই হোক এতো কথা না বলে এবার আসল কথাটাই বলে ফেলি, “যোগ্যতা না থাকায় ঢাবিতে পড়তে পারি নাই ,কিন্ত আজ আমি ঢাবির চ্যান্সেলর , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে ৫০তম সমাবর্তনে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভর্তি ফরম না পাওয়ার গল্প শুনিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।“
প্রথম আলোর যে নিউজ লিঙ্কটা শেয়ার হচ্ছে এবং ৫০তম সমাবর্তনে বক্তব্য দিতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভর্তি ফরম না পাওয়ার যে গল্প শুনিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সেটাও যেমন সত্য,ঠিক তেমনি সত্য হতে পারে প্রথম আলোর শেয়ার লিঙ্ক।কারণ, তিনি বিএ ভর্তি হওয়ার জন্য কিংবা ভর্তি ফরম উঠানোর যোগ্য ছিলেন না, আর তিনি বিএ পাস করে আইনে ভর্তি হওয়ার কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।আপনি যদি নিউজ লিঙ্ক দুইটাই পড়ে থাকেন তাহলে সহজেই উত্তর পেয়ে যাবেন।তবে অনলাইনে যেভাবে ভাইরাল করা হচ্ছে তা শুধু প্রথম আলো নিউজ লিঙ্কের ৬ নম্বর প্যারাটুকু।এতে সহজেই বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে সাধারণ মানুষদের মাঝে।কিন্তু এই বিভ্রান্তিটা মূলত উদ্দ্যেশ্যপ্রনোদীত এবং একজন মানুষকে মিথ্যার গুজব ছড়িয়ে ছোট করে উপস্থাপন করার জন্যই করা হচ্ছে।আপনার যদি সাধারণ জ্ঞানও থাকে তাহলে যে দুইটাই ভিন্ন জিনিস এবং ভিন্নভাবে বুঝানো হয়েছে তা আপনি অতি সহজেই বুঝতে পারবেন এবং যদি আপনি প্রথম আলোর আর্টিকেলটা পড়ে থাকেন।সেহেতু এটাকে মিথ্যা বলেছে বলে দাবিটা পুরাই বোকামী। আবার অনেকেই বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সাথে রাষ্ট্রপতির কথার তাল মিলিয়ে ঘুলপাক খাইয়া নিজে নিজেই চন্দ্রজয় করেছেন।
রেফারেন্সঃ ঢাবি সমাবর্তনে মহামান্য রাষ্টপতি আব্দুল হামিদের ভাষন
কঠিনেরে ভালোবাসিলাম (প্রথম আলো) metformin tablet

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

viagra en uk

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

doctorate of pharmacy online

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.