বোহেমিয়ান র‍্যাপশডি

226

বার পঠিত will i gain or lose weight on zoloft

প্রথমে একটা ত্রিভূজ আঁকুন। ABC. কোণ A এর মান এক সমকোণ। এই কৌণিক বিন্দুতে একটা মেয়েকে বসান। B ও C বিন্দুতে দুইটা ছেলেকে বসালেই আমরা পেয়ে যাবো কাঙ্খিত পীথাগোরাস। উপপাদ্য লিখে যদি আমরা একটা আস্ত গল্প পয়দা করতে যাই, প্রথমেই আমাদের কিছু সঙ্গা জেনে রাখা আবশ্যক। সেগুলো জেনে রাখলে গল্প পাঠে সবার সুবিধা হওয়ার কথা।
প্রশ্নঃ হৃৎপিন্ড কাকে বলে?
উত্তরঃ অবাধ্য ফ্যাক্টরি যেখানে সর্বদা ইট ভাঙার কাজ চলে তাকে হৃৎপিন্ড বলে।
প্রশ্নঃ চোখ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে গোলকটি দেখেও না দেখার ভান করে থাকে তাকে চোখ বলে।
প্রশ্নঃ কান কাকে বলে?
উত্তরঃ যে পর্দা বিশিষ্ট শ্রবণাঙ্গ শুনেও না শুনার ভান করে থাকে তাকে কান বলে।
প্রশ্নঃ ঘুম কাকে বলে?
উত্তরঃ যে অবস্থায় মানুষের হৃৎপিন্ড কাজ করলেও চোখ বা কানের কোনোটাই কাজ করেনা তাকে ঘুম বলে।

সঙ্গা পর্ব শেষ। এবার গল্প শুরু করা যাক। গল্পের শুরুতেই ত্রিভূজকে একটি লেখচিত্রে অঙ্কন করি। B বিন্দুটা বসবে X অক্ষের উপর, C বিন্দু Y অক্ষের উপর। A বিন্দুর অবস্থান প্রথম চতুর্ভাগে। glyburide metformin 2.5 500mg tabs

Is this the real life?
Is this just fantasy?
Caught in a landslide,
No escape from reality.

কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়ে আমি উঠে দাঁড়িয়েছি। লাশ পঁচে যাওয়ার আগে পুঁতে ফেলতে হবে। লাশ পুঁতে ফেলার উপর আমার কোনো অনার্স ডিগ্রী নেই। থাকাটা উচিত ছিলো। ধরা পড়ার ভয় কমে। নসু মাস্তানের কাছে অনেকেই লাশ নিয়ে পিএইচডি করে। আমি অন্তত অনার্সটা করতে পারতাম। সে অবশ্য জোর করেছিলো শেখাতে। আমার চুল টেনে ধরে বলতো, “শালা খুন তো একদিন না একদিন করবিই, শিইখ্যা ল, কামে দিবো।” গুরুজনের কথা অগ্রাহ্য করা ঠিক হয়নি। যা হোক, শার্টের হাতায় নিজের গালে লেগে থাকা রক্ত গুলো মুছে সিনা টান টান করে উঠে দাঁড়ালাম। অতিরিক্ত ধস্তাধস্তি হয়ে গেছে; তারচেয়ে আফসোসের ব্যাপারটা হচ্ছে মরহুমের চুলের একটা বিশাল অংশ স্থায়িত্বের গৌরব হারিয়েছে। সেগুলো প্যান্টের পকেটে নিয়েই আমি শেষ সিগারেটটা ধরালাম। আর কফিনটা যতটা সম্ভব নিঃশব্দে টানতে লাগলাম। যাকে বলে, Doing better than my best.

আগে থেকেই গর্তটা খুঁড়ে রেখেছিলাম। গর্তের চারিপাশে ছয় সাতটা শেয়াল বসে আছে। কারো মুখে কোনো কথা নেই। সম্ভবত লাশের গন্ধ পেয়ে গেছে। ব্যাপারটা ভালো হলোনা। এই মরদ শিয়ালবৃন্দের সাথে যুদ্ধ করবে কে। আমি পুকুর পাড়ে সিগারেট হাতে পাথরের মত দাঁড়িয়ে রইলাম। হাতঘড়ির ক্ষীণ শব্দটাও প্রচন্ড ভাবে কানে লাগছে। অসহ্য। সেটা খুলে ফেলে দিলাম ঘোলা জলে। কোনো মাছের গায়ে লেগে থাকলে আমি দুঃখিত। পুকুরে একটা তরঙ্গের সৃষ্টি হলো। বৃত্তাকারে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তে লাগলো সেটা। সমস্ত পুকুরটা বিশাল একটা চায়ের কাপ। মমিন ভাই! এককাপ চা দাও!

ভার্সিটির গেটে আমি দাঁড়িয়ে আছি। সেই সময়েই মেয়েটার সাথে দেখা। হাতে কাশ্মিরী শাল, বাম চোখের উপর চুলের জঙ্গল পড়ে আছে, হালকা বাতাসে কামিজের পেছন দিকটা উড়ছে। পাশেই মমিন ভাইয়ের চায়ের দোকান। বাকিতে আরেক কাপ চা চাইতেই মমিন সাহেব বিরক্ত হলেন। বিরক্তির রিজনেবল কারণ আছে। ছয়শো বিরাশি টাকা বাকি। তা সত্ত্বেও কেন তিনি আমার অন্যায় আবদার মেটাচ্ছেন আমি জানিনা। চা খেতে খেতে মেয়েটার দিকে তাকালাম। যতটা সম্ভব নিজের মাঝে বখাটে লুক আনার চেষ্টা করলাম। মেয়েটা কাছে এসেই জানতে চাইলো, জুওলজি ভবনটা কোনদিকে। আমি এই ভার্সিটির কেউ না। তাই ভদ্রতা সূচক আন্দাজে একটা ডিরেকশান দিয়ে দিলাম। মেয়েটা ধন্যবাদ দিয়েই চলে গেল। আমিও বাসায় ফিরে আসলাম।

২.
Open your eyes,
Look up to the skies and see,
I’m just a poor boy, I need no sympathy,
Because I’m easy come, easy go,
Little high, little low,
Anyway the wind blows doesn’t really matter to me, to me.

বিকেলের হেলে পড়া সূর্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কালো চাকাটি যখন তার ঘূর্ণন শক্তি প্রশংসনীয় ভাবে প্রমাণ করার পরে অবশেষে ভারসাম্য হারিয়ে একটাকার কয়েনের মত গড়িয়ে পড়ে গেল সেই সময়ে কেউ জানতোনা এলাকার অন্যতম স্বাস্থ্যবান একটি আম প্রকাণ্ড সিঁদুরে গাছ হতে বোঁটার স্থায়িত্ব হারিয়ে খসে পড়তে বড়জোর কয়েকমিনিট বাকি। রিতু দৈবগুণে ব্যাপারটা আঁচ করতে পেরে গাছের নিচে দাঁড়িয়ে রইলো। তার বাম হাতে একটি কালো রিক্সার টায়ার। পায়জামা হাফপ্যান্টের মত গুটিয়ে হাঁটুর উপর তোলা। সদ্য জলাজমি থেকে তুলে আনা কয়েকটি শালুক কোমরে পেঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যখন আমটি খসে পড়লো রিতু অভিজ্ঞ হাতে লুকিয়ে আমটি তুলে নিয়েই রুদ্ধশ্বাসে দৌড় শুরু করলো। বিকেলের বাতাস সামান্য ধরে এসেছে। রিতু দৌড় থামিয়ে পথের পাশে পড়ে থাকা একটা অর্ধমৃত পাখির ছানার দিকে তাকায়। পাশেই একটা ভেঙে পড়া বাসা। রিতু অপ্রাসঙ্গিক মাতৃত্বের দায় নিয়ে অনভ্যস্ত হাতে পাখির ছানাটাকে যখন নিজের কামিজের ভাঁজে রেখে ধীরে ধীরে হাঁটা দেয় তখন খেয়াল করে সূর্য আজকের মত আকাশকে তালাক দিয়েছে। অন্ধকার নেমে আসতেই চারিদিকে দলছুট জোনাকির ঝাঁক ঝোপের আশেপাশে কেন আগুন নিয়ে ঘুরে এই ব্যাখ্যা রিতুর কাছে নেই। সম্ভবত নাম না জানা পাখির ছানারও সেই জ্ঞান নেই। দুইটি মূর্খ প্রাণী যখন দোচালা বেড়ার ঘরে পৌঁছে গেছে তখন সারা পরিবেশব্যাপী মাগরিব নেমে এসেছে। মাগরিবের কালো বিষণ্ণতার সাথে যুদ্ধ করছে একটি পিতলের চেরাগ। চেরাগটি জোনাকির মত আগুন নিয়ে খেলা করছে। দমকা বাতাস ঠেকাতে রিতু দূর্বল জানালাটা এঁটে দেয়। বেড়ার ফাঁক থেকে রিতুর মা বাজখাঁই গলায় চেঁচায়, ‘কই ছিলি এতক্ষন হতভাগী?’ এই প্রশ্নের আসলে কোনো উত্তর হয়না। রিতু চুপ করে থাকে। পাখির বাচ্চারা কী খায়? দুধ খায়? পাখি কী স্তন্যপায়ী? রিতু মনোযোগ দিয়ে পরিবেশ পরিচিতি বিজ্ঞান বইটা ওল্টায়।

৩.
Mama, just killed a man,
Put a gun against his head,
Pulled my trigger, now he’s dead.
Mama, life had just begun,
But now I’ve gone and thrown it all away.

আমার পাশে ঘুমিয়ে পড়ার আগে মেয়েটি একবারও ভাবেনি তরকারিতে লবন না দেয়ার পরিণাম কত ভয়াবহ হবে। ইতিহাসের পাতা উল্টিয়ে দেখা গেল সেই সময়টাতে চাঁদের প্রখর জ্যোৎস্না প্রসবে একটি কাক বিভ্রান্ত হয়ে উড়াউড়ি করছে আমার ঘরে চালের ঠিক নব্বই ডিগ্রী উপরে। অথচ এই সময়ে চা খাওয়ার প্রতি আমার কোনো আগ্রহ কাজ করছিলোনা। টেবিলের উপরেই আমার হাত ঘড়ি রাখা। নিস্তব্দ রাতে হাতঘড়ির টিকটিক শব্দটাও প্রচন্ড বিরক্তিকর লাগে। মেয়েটার হাত শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে আমাকে। মাথার উপর সিলিং ফ্যানটা বিপজ্জনক ভাবে ঘোরা শুরু করেছে অনেকক্ষন হল। জং ধরা ফ্যানে গোলাকার বৃত্তের ঘূর্ননে হিপনোটাইজড হওয়ার আগ মুহুর্তেই আমি বুঝে গেলাম ধীরে ধীরে ফ্যানটা নেমে আসছে। ঠিক আমার নাকের উপর এসে বসেছে ফ্যানটা। ডানা ঘুরছে সাঁই সাঁই সাঁই…

ধড়ফড় করে উঠে বসলাম বিছানা থেকে। নাক থেকে ফড়িংটাকে ঝেড়ে ফেলে দিলাম। জানলা খোলা রাখাটা ঠিক হয়নি। পুরো রুমে আমি একলা। আজকের চাঁদ নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়ে সূর্যের সাথে যৌবন প্রতিযোগীতায় নেমেছে যেন। এদিকে আমার ছোট্ট ঘরের বাইরে এক টুকরো জ্যোৎস্না এসে অন্ধকারটাকে বিবর্ণ আর গাঢ় করে দিচ্ছে। স্প্রাইটের সবুজ বোতলে রাখা শেষ পানিটুকু চুমুক দিয়ে শেষ করে উঠে বসলাম। রাত ক’টা বাজে দেখতে ইচ্ছা করছেনা। লাল রঙা প্রবীণ কাঠের দরজাটা খুলে বাইরে বেরিয়ে এলাম। আমার সামনে বিস্তীর্ণ দাবার বোর্ড। আমি একটি বর্গে এসে দাঁড়ালাম। আমার পাশেই একটি গাছ;মৃত গাছ। মৃত গাছটির পাশেই আমি মানুষ; জীবিত মানুষ। গাছটি নড়তে পারেনা, আমিও পারিনা। আমি আলাদা করতে পারিনা কাউকে। শিরদাঁড়া বেয়ে একটি ঠান্ডা স্রোত নেমে গেল। আমার দুই ঘর সামনেই একটি মেয়ে। অনেকটা অশরীরি কেউ যেন। প্রখর জ্যোৎস্নাও রক্তবর্ণ চোখ প্রদর্শনকে আড়াল করতে পারছেনা। viagra in india medical stores

-তোমাকে না বলেছি কখনো আমার কাছে আসবেনা।
-আচ্ছা।
-একটু আগে তুমিই শুয়ে ছিলে আমার পাশে?
-হুঁ।
-কেন?

মেয়েটা উত্তর দিচ্ছেনা। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। চোখ থেকে টপ করে দুফোঁটা রক্ত গড়িয়ে পড়লো। আমি রুমালটা এগিয়ে দিলাম। “মুছে নাও।”
-আমি বের হতে পারছিনা এখান থেকে।
-পারবেনা।
-আমি কি মারা যাচ্ছি?
-আমরা সবাই মারা যাচ্ছি।
-কেন?

আমি উত্তর না দিয়ে চলে এলাম নিজের ঘরে। শক্ত করে দরজা আঁটকে দিলাম, অস্বাভাবিক ভাবেই। যদিও এই অভিজ্ঞতাটা আমার নতুন নয়। কিছুক্ষণ পরই আমার স্বচ্ছ জানলায় কেউ আঁচড় কাটবে, অসহ্য লাগবে আমার। আমি কে? কি হচ্ছে এসব আমার সাথে? ঘরের বাম কোণায় জাল বাঁধা মাকড়সাটা বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে থাকে আমারদিকে। কলমটা সজোরে ছুঁড়ে দিলাম। গায়ে লাগেনি তার। পালিয়ে গেল আটপায়ে হেঁটে। জানলায় আঁচড়ের শব্দ আরো প্রখর হচ্ছে ধীরে ধীরে।

৪.
Mama, ooh,
Didn’t mean to make you cry,
If I’m not back again this time tomorrow,
Carry on, carry on as if nothing really matters.

পাকা হাতে বায়ান্নটি তাশ দুই মিনিটের বেশি সময় ধরে শাফল করে চলেছে সে। পানপাতার মত স্পেডের টেক্কাটা নিপুণ হাতে প্রথম সারির তিনটি তাসের পর চালান করে দিতেই মোবাইলে পরিচিত রিংটোন। ডান কানে মোবাইলটা চেপে ধরেই সে বাকি তিনজনের চোখে ধূলো দিয়ে শাফল করছে কল ব্রিজের জন্য। ওপাশ থেকে ভেসে আসলো, “তোমার সাথে সম্পর্কটা রাখতে পারছিনা, স্যরি।” ফোনটা রেখে দিয়েই আবার তাস শাফল করতে লাগলো সে চালু হাতে। ডায়মন্ডের টেক্কাটাও যাতে নিজের আয়ত্তে আসে সেই উদ্দেশ্যে কৌশলে স্পেডের কিং এর তিনটি তাসের পরেই সুন্দর করে ডায়মন্ডের টেক্কা চালান করে দিলো। আবার বাতাস কাঁপিয়ে রিংটোন বেজে উঠলো। “আচ্ছা, আমি আবার ভেবে দেখি রাখা যায় কিনা।” সম্পর্কের টানাপড়েন সত্তেও নিবিষ্ট চিত্তে ছেলেটি তাস শাফল করে চলেছে প্রেমিকার মনের সাথে পাল্লা দিয়ে। সেই সময় পাশের জন ছোঁ মেরে কার্ডগুলো টেনে নিলো।

৫.
Too late, my time has come,
Sent shivers down my spine,
Body’s aching all the time.
Goodbye, everybody, I’ve got to go,
Gotta leave you all behind and face the truth. metformin tablet

সৌরতাপে যদি তোমার শুকোতে দেয়া শাড়ির ভাঁজ হতে
বাষ্প হয়ে উড়ে যাই অসাবধানে,
তবে কি তুমি কেঁদে কেঁদে কেঁদে কেঁদে……
যদি মেঘ হয়ে নেমে আসি ফের, ঐতিহাসিক জান্‌লায়
ভারী বর্ষন; যেন হেমলক ঝরে তোমার টিনের চালে,
তবে কি তুমি………

৬.
Mama, ooh (anyway the wind blows),
I don’t wanna die,
I sometimes wish I’d never been born at all.
I see a little silhouetto of a man,
Scaramouche, Scaramouche, will you do the Fandango?
Thunderbolt and lightning,
Very, very frightening me.
(Galileo) Galileo.
(Galileo) Galileo,
Galileo Figaro
Magnifico. viagra vs viagra plus

আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমি তোমাকে ভালোবাসি।…………… জল দাও। গলা শুকিয়ে গেছে। জল দাও! প্রচন্ড তেষ্টা পেয়েছে… জল দাও! জল দা… জল… জ… ০… ০… -১… -২… -…..

৭.
I’m just a poor boy, nobody loves me.
He’s just a poor boy from a poor family,
Spare him his life from this monstrosity.

০… ১… ২… সম্ভবত আমি বেঁচে নেই। স্মৃতি গুলো খুব হালকাভাবে ভাসছে আমার চোখে। অথচ, আমি দেখেও না দেখার ভান করে যাচ্ছি। হৃৎপিন্ডে চলছে হাতুড়ি পেটা লাব ডাব… লাব ডাব… সম্ভবত ইট ভাঙার ইজারা পেয়েছে। আমি শুনেও শুনছিনা কিছুই। সম্ভবত ঘুমিয়ে পড়েছি। কিংবা আমি বেঁচে নেই। Over!

৮.
Easy come, easy go, will you let me go?
Bismillah! No, we will not let you go. (Let him go!)
Bismillah! We will not let you go. (Let him go!)
Bismillah! We will not let you go. (Let me go!)
Will not let you go. (Let me go!)
Never, never let you go
Never let me go, oh.
No, no, no, no, no, no, no.
Oh, mama mia, mama mia (Mama mia, let me go.)
Beelzebub has a devil put aside for me, for me, for me. accutane prices

আমার ছোট্ট বাসাটা পৃথিবীর বৈমাত্রেয় ভাই। পৃথিবীকে ধারণ করার সমস্ত গুণ থাকা সত্ত্বেও বেচার আকৃতিগত কারণে সর্বদাই মাথা হেঁট করে থাকে। যন্ত্রণা লাগে। পাশবিক যন্ত্রনা। বুঝতে পারিনা আমি কী করলে কী হতে পারবো? ভীরু না সাহসী? ন্যায় না শঠ? আগ্রাসী না বিনয়ী? অনেকে বলে আমি নাকি সাধারণ মানুষ, আমার লজ্জা লাগে। সাধারণ হয়ে উঠার এই অসাধারণ লজ্জাটা আমাকে গর্তে মিশিয়ে দেয়। শুনেছি বয়স বেড়ে আঠারোতে গিয়ে ঠেকেছে আমার। আমার ক্লান্তি লাগে। ঘৃণা লাগে। আঠারো বছর মানে সারাজীবন মনে হয়। মনে হয়, এর চেয়ে বেশি বেঁচে থাকাটা অনৈতিক ও অসাধু। ঈশ্বরকে ফাঁকি দেয়ার মত ব্যাপার। এই পাপের শাস্তি দিতে ইচ্ছা করে সমস্ত মানুষজাতিকে। রাগে আমি কেঁপে উঠি। নিজের ছোট্ট পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসি। আমার হাতে তখন ঐতিহাসিক অদৃশ্য কোনো লিখিত বক্তব্য। সাধারণ মানুষের মঞ্চে দাঁড়িয়ে কাশি দিই। নিজের উপস্থিতি জানান দিই। কিন্তু কেউ পাত্তা দেয়না আমাকে। মাথা নিচু করে নিজের ডেরায় ফিরে আসি। কুত্তা আপনা গলি মে শের হোতা হ্যায়। তাতে কি। আমার পৃথিবীতে আমিই সেরা।

পৃথিবীতে গর্ব করার মত অনেক কিছুই আছে আমার। লজ্জিত হয়েই বলতে চাই, আমি নিকৃষ্ট কোনো পতঙ্গও হতে পারিনি এই জীবনে। জীবনের সাদা কালো জেব্রা ক্রসিং এ আমি আঁচড় কাটি অবোধ শিশুর মত। নিজেকে তুচ্ছ হীন মনে করার মত মানসিক অবস্থাও আমার নেই। তখন মনে হয়, আমার এই হীনতার শাস্তি পাওয়া উচিত। কেউ এসে আমাকে কষে চড় লাগানো উচিত, কিংবা আমার চুলের মুঠি চেপে ধরে উত্তর দক্ষিণে ছুঁড়ে ফেলে দেয়া উচিত। কিন্তু কেউ আসেনা। এই যন্ত্রনাটাও আমায় তিলে তিলে হত্যা করে। আমি মৃত মানুষ। ভয়াবহ মৃত মানুষ। কিন্তু আমাদের এই সমাজটা তো মৃতদেরই জন্যে। এখানে জীবিত মানুষ হাতে গোণা। আমি কর্মবীর নই, আমি প্রেমিক নই, আমি সৃষ্টিশীল উদ্যমি নই, মহৎ নই, হৃদয়বান সুপুরুষ নই। নিজেকে মানুষ ভাবার পেছনে আমার আদৌ কোনো কারণ নেই। অথচ, আশপাশের বোকা মানুষগুলো আমাকে মানুষ মনে করে। আমি শুনেছি আমার প্রাণ আছে। প্রাণ থাকলে প্রাণী হওয়া যায়, মানুষ হওয়া যায়না।

৯.
So you think you can stone me and spit in my eye?
So you think you can love me and leave me to die?
Oh, baby, can’t do this to me, baby,
Just gotta get out, just gotta get right outta here.

ভাবছেন ঠাট্টা করছি? না জনাব। ঠাট্টা করার মত অবস্থায় আমি আর নেই। আমার রসিকতাও খুব একটা উঁচু দরের নয় যদিও ব্যাপারটা একসময় আমাকে সংকল্পিত করতো। যাই হোক, যা বলছিলাম, কয়দিন আগেই বিশ্রী একটা ব্যাপার ঘটে গেল। সরু নির্জন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। দুইপাশে সুউচ্চ দালানের মাঝে শহুরে রাস্তা প্রচন্ড অস্তিত্বহীন মনে হচ্ছিলো। অস্তিত্বের অসহনীয় লঘুতা নিয়ে একটা সামাজিক দায়বোধ যখনই আমাকে নতুন চিন্তা করতে নির্দেশ দিলো তখনই আবিষ্কার করলাম, রক্তে ভেসে যাচ্ছে চারিদিক। উঠতে গিয়েও পারছিনা। ঝাপসা চোখে দুইজন আততায়ীকে দেখলাম মুখে সুতি গামছা পেঁচিয়ে হাঁপাচ্ছে। ওদের হাঁপানো দেখে কষ্ট পেলাম। মনে হলো, ঘাতকদের উঠে গিয়ে একগ্লাস পানি দেই। কিন্তু ওদের চোখে ঘৃণা আর ক্লান্তি। সব মিলিয়ে বিষণ্ণ একটা পরিবেশ। ওরা ভাবছে আমি মারা গেছি। পুরোনো স্পঞ্জের স্যান্ডেল দিয়ে আমার হাত নেড়েচেড়ে দেখলো। এই প্রথম বুঝলাম এরা আমাকে ভয় পাচ্ছে। কী আশ্চর্য! জীবিত মানুষকে ভয় না পেয়ে মৃতের ভয়ে জড়োসড়ো। আগেই বলেছি, মানুষ হিসেবে আমি অধম, আমি মানুষের নীতিনির্ধারণ করতে বসিনি। কাউকে উপদেশও দিতে বসিনি। কোনোদিন সেটা দিই নি পর্যন্ত। কিন্তু আজ ইচ্ছা করলো উপদেশ দিই। ইচ্ছা করলো ঐ ক্ষুব্দ দুই বিশ্বাসীকে বুঝিয়ে বলি, ওদের এই আত্ম প্রশংসিত কাজে জীবনে এই প্রথমবারের মত নিজেকে মানুষ বলে মনে হচ্ছে। নিজেকে মরতে দেখার যে অসাধারণ এক অনুভূতি সেটা বলে বোঝাতে পারবোনা ভাই। আমি আনন্দ খুঁজে পেয়েছিলাম আমার ঐ মৃত্যুতে।

এমন নয় যে, আমার বেঁচে থাকার আশা ছিলোনা। আমি যখন বাইরে যেতাম, তখন দুই পায়ের অনেক মানুষের সাথেই আমার বাহ্যিক মিল খুঁজে পেতাম। কিন্তু যখনই ওদের সংস্পর্শে আসতাম, আমার ভুল ভাঙতে শুরু করতো। তার লাম্পট্য, তার নিচুতা আমাকে গ্রাস করে নেয়ার উপক্রম করার আগেই মনে মনে তাকে অভিশাপ দিয়ে সরে যেতাম। প্রেমিকাহীন, বন্ধুহীন এই অস্থিতিশীল জীবনে কী এক বিতৃষ্ণা, কী যে এক অসুখ নিয়ে বেঁচে ছিলাম কে জানে। আমি বাইরে যেতাম না। অসহ্য লাগতো পৃথিবীর সবকিছু, সব ব্যক্তি- গোত্র- প্রজাতি। সান্ত্বনা হিসেবে নিজের কক্ষটাকেই ধরে নিতে শুরু করলাম নিজের পৃথিবী। এভাবেই আমার দৈনন্দিন দিনলিপি সমৃদ্ধ হয়ে গেছে। মানুষের সাথে ঈশ্বরের দীর্ঘমেয়াদী কন্টাক্ট থাকে বেঁচে থাকা নিয়ে। ঈশ্বরের সাথে আমার কোনো যোগাযোগ ছিলোনা। তাই, আমি বেঁচে থাকতাম নিজের দয়ায়, নিজের ইচ্ছায়। আমি বেঁচে থাকতাম একদিন একদিন করে।

যাই হোক, আপনাদের কেন এত কথা বলে ফেলেছি আমি জানিনা। নিজেকে প্রায় সময়ই আমি শ্রদ্ধার দাবীদার বলে ভাবতাম। অসহ্য লাগতো, যখন মনে হতো আমার প্রাপ্য সম্মানটা যেন আমি পাচ্ছিনা, যেন আমি মহাবিশ্বের প্রবল উপেক্ষিত কোনো এক অকাজের বস্তুকণা। এই উপেক্ষিত অনুভূতি আমাকে আরো বেশি করে ক্ষেপিয়ে তুলতো। মনে হত… মনে হত এই বেয়াদব মানুষ গুলোকে সোজা পুঁতে ফেলি, নিজের আত্মসম্মানের প্রতি আমি এতটাই লোভী ছিলাম। তবে, আমার মৃত্যুর পর ব্যাপারটা খুব সুন্দরভাবে সমাধান হয়ে গেল। আমার সমস্ত অপরাধ, সমস্ত অক্ষমতা আর আমার লঘুত্ব সব ক্ষমা করে দিলো সবাই। দিকে দিকে কেবল আমার জয়জয়কার। আমি নাকি কতই ভালো ছিলাম, কতই সামাজিক ছিলাম, কতই বন্ধুবাৎসল ছিলাম। রাগ হয়েছিলো মানুষের এই অপ্রয়োজনীয় মূর্খতায়। ইচ্ছা করছিলো উঠে একটা চড় মেরে বসি এই প্রশংসাকারীদের গালে। কিন্তু মৃত মানুষ কফিন ছেড়ে উঠে আসতে পারেনা।

১০.

Nothing really matters,
Anyone can see,
Nothing really matters,
Nothing really matters to me.
Anyway the wind blows…….

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন * venta de cialis en lima peru

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

capital coast resort and spa hotel cipro
levitra 20mg nebenwirkungen
zoloft birth defects 2013