বাংলাদেশ দিন দিন এক আতংক রাষ্ট্রে পরিনত হচ্ছে

108

বার পঠিত half a viagra didnt work

বাংলাদেশ দিন দিন এক হিংস্র আতংক রাষ্ট্রে পরিনত হচ্ছে।সমগ্র জাতি আজ স্তব্ধ ও নিস্তব্ধ।কারন সমগ্র জাতিকে আজ,ঘাতকের চাপাতি কিংবা বুলেট তাড়া করে বেড়াচ্ছে। সম্প্রতি দেশের আরাজকতা ভয়ংকর পরিস্হিত তাই প্রমান করে। বছরের শুরু থেকেই প্রকাশ্য দিবা লোকে একে একে বেশ কয়েক জন মুক্তমনা ব্লগার হত্যা দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে এই হিংস্রতা দাঁড়িয়েছে বিদেশী নাগরিক থেকে শুরু করে প্রকাশক,পুলিশ এবং কি সাধারন মানুষ।এ যেন রক্তের হলি খেলা চলছে সাম্প্রতিক কাল ধরে।
দেশে দিন দিন বেড়েই চলছে চাপাতির কোপে হত্যাযজ্ঞ।হত্যার কারণে দেশের মুক্ত-চিন্তক মানুষ,সুশীল সমাজ লেখক,প্রকাশক এবং কি এখন সাধারণ জনগণও চিন্তিত। দেশের সব নাগরিকের নিরাপত্তা দেয়া সরকারের দায়িত্ব। নাগরিকদের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও বাহিনী রয়েছে। এছাড়া অপরাধ তদন্তের জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা। দিন দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না খুন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, রাহাজানিসহ নানা রকম দুষ্কর্ম। রোধ করা যাচ্ছে না দূস্কৃতদের। চাঁদাবাজি, খুনের ঘটনা প্রতিদিনই ঘটছে দেশের কোথাও না কোথাও।
দুই বিদেশি খুন,গর্ভবতী মায়ের পেটে লাথি মেরে পৃথিবীর আলো দেখার আগেই শিশুকে বিদায় জানানো পরিবারের বোবা মুখ,রাতের আঁধারে ধর্মীয় উৎসবে বোমা হামলা,উৎকন্ঠাময় কাশেম স্যারের শোকাহত মুখ, দীপনের রক্তাক্ত লাশ, টুটুল, রনপদীপমের রক্তভেজা শরীর আর অস্ফুট গোঙানি,ফুচকা বিক্রেতা পরিবারের আর্তনাদ,১২ বছরের মেয়ে হারানো পরিবারের উৎকণ্ঠা,পুলিশ চেকপোস্ট এর নিরাপত্তা- সেখানে যারা দায়িত্বে থাকেন তাদের প্রস্ততি নিয়ে প্রথম আলোর রিপোর্ট প্রকাশের সপ্তাহ পার হওয়ার আগেই আশুলিয়ায় আরো একজন পুলিশকে কুপিয়ে হত্যা দেখে যারা আজ এসবকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে দাবি করেন তাদের প্রতি আমার অভিযোগ দেওয়ার মত সাহস নাই।অপর দিকে গন মাধ্যমের কল্যাণে জানতে পারছি হঠাৎ করে বিমান বন্দর ও কারাগার সমুহের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, মনে হচ্ছে কিছু একটা আশংকা করছে সরকার, কিন্তু এই বিষয়ে ও তাদের নির্লিপ্ত বক্তব্য হচ্ছে এগুলো প্রচলিত ব্যাবস্থারই অংশ।
তবে স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক,পরিকল্পিত ও বিচ্ছিন্ন, এই শব্দ গুলোর অর্থ বোঝার মত বিত্তবান বুদ্ধি আমার বা আমার মতো আমজনতা মার্কা বাংলাদেশের কোটি মানুষের নেই বলে মনে হচ্ছে।
সামাজিক অবক্ষয় আজ সর্বগ্রাসী। সর্বক্ষেত্রে সামাজিক অস্থিরতা প্রতিদিনের জীবন যাপনকে অতিশয় দুর্বিষহ করে তুলছে। সমাজের কর্তা ব্যক্তিরা কখনও চান না সৎ সাহস নিয়ে কথা বলতে। যেখানে লাভ-লোকসানের ব্যাপার আছে সেখানেই আগ বাড়িয়ে কথা বলতে চান। আর যারা দুর্বল, যাদের সামাজিক ও গোষ্ঠীগতভাবে জোর কম তাদের উপর চান সমাজপতিরা শক্তি দেখাতে। অবক্ষয় এতটা গ্রাস করেছে যে, মানুষ বাড়িঘরে ও নিরাপদে থাকতে পারছে না। আইন আছে, কিন্তু যথাযথ প্রয়োগ নেই। অন্যায়ের বিবেচনাবোধ যেন নির্বাসিত হয়েছে। সমাজে ক্রোধ, প্রতিহিংসা ও ক্ষোভ বেড়ে চলেছে।
যারা দায়িত্তপ্রাপ্তআছেন তারা সাদা কে সাদা কালো কে কালো বলুন, আমরা বাংলাদেশ এর সকল শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি, থাকবো।দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর বাংলাদেশ স্বাধীন-সার্বভৌম একটি রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পায়। কিন্তু স্বাধীন দেশে আমরা কতটা নিরাপদে আছি-এই প্রশ্নটি মুখ্য হয়ে উঠেছে।

para que sirve el amoxil pediatrico

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

viagra en uk

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong> puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

nolvadex and clomid prices
levitra 20mg nebenwirkungen
will metformin help me lose weight fast
glyburide metformin 2.5 500mg tabs