পুলিশ বিষয়ক এক ফর্মা

159

বার পঠিত

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তি তাদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য ১৮১৩ সালে প্রথম পুলিশ বাহিনী গঠন করে । এ বাহিনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল উপনিবেশ বিরোধী বিপ্লবীদের দমন-নিপীড়ন । সূর্যসেন, ক্ষুদিরাম আর প্রীতিলতারা ব্রিটিশ বেনিয়ােদর এই ভারতবর্ষ থেকে খেদিয়েছিল তা ও তো প্রায় এক শতাব্দী হয়ে গেল । কিন্তু বর্তমান পুলিেশর সকল কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে সেই ব্রিটিশ বেনিয়াদের তাবেদার বাহিনী হিসেবে পরিচিত পুলিশ বাহিনীর জন্য করা পুলিশ আইন ১৮৬১ অনুসারে । ১৮৬১ সালে এই আইন করা হয়েছিল ১৮৫৭ সালে ভারতের প্রথম জাতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের শক্তিকে দমন কনার জন্য । যাতে ব্রিটিশদের শাসন নামের শোষনের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আর কোন আন্দোলন গড়ে উঠতে না পারে । এই আইনের ধারাবাহিকতায় পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল ১৯৪৩ সালে জারী করা হয় নাচোলের রানী ইলা মিত্রের নেতৃত্বে তেভাগা আন্দোলন দমন করার জন্য । পরবর্তীতে পাকিস্তানী হায়না চরিত্রের পুলিশের নির্যাতনের বর্বর ইতিহাস বলার অপেক্ষা রাখেনা । অত:পর স্বাধীন বাঙলাদেশের অভ্যুদ্বয়ের পর ব্রিটিশ বেনিয়াদের করা ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনকে মূল ধরে শাসক শ্রেনীর নির্যাতনের হাতিয়ার পুলিশ বাহিনীতে আরো একাধিক আইনের প্রবর্তন করা হয় । এবং বেশ ঢাক ঢোল পিটিয়ে বলা হলো পুলিশ জনগণের বন্ধু । কিন্তু নির্মম বাস্তবতা হলো পুলিশ তার পুরোনো চরিত্র থেকে সামান্যতম বেরিয়ে আসতে পারেনি । স্বাধীন বাঙলাদেশে ও জনগণের বন্ধু (!) পুলিশকে শাসক শ্রেনী সরাসরি জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়েছে । বানানো হয়েছে রাষ্ট্রীয খুনি । সদ্য স্বাধীন বাঙলাদেশের প্রথম শাসক শ্রেনী থেকে শুরু করে আজ অবধি প্রত্যেকটি শাসক শ্রেনী পুলিশকে তাদের তাবেদার বাহিনী হিসেবে ব্যাবহার করে আসছে । তাছাড়া বিভিন্ন সময় একাধিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের জরিপে ও পুলিশ বাহিনীকে সর্বাধিক দূর্নীতি গ্রস্থ বাহিনী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে । তবু ও স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে ক্ষমতাসীন শাসক শ্রেনীর উচ্চ পর্যায়ের লোকেদের দালালী করা, ঘুষ , দূর্নীতি সহ নানান অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশ বাহিনীকে ই সাধারন মানুষ তাদের আশ্রয়স্থল ভাবে । অতি সম্প্রতি টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে একটি পৈশাচিক ঘটনার প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয় চার জন নিরীহ মানুষ। এদের মধ্যে ঘটনাস্থলে ৩ জন এবং হসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় ১ জন মারা যায় । উল্লেখ্য মা-ছেলেকে উলঙ্গ করে ছেলের সামনে মাকে ধর্ষন করে স্থানীয় আওয়ামীলীগের গুন্ডারা । এঘটনায় থানায় ধর্ষন মামলা করতে গেলে স্থানীয় এক আওয়ামীলীগ নেতার হস্তক্ষেপে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানালে ফুঁসে ওঠে এলাকার সাধারন মানুষ। তারা এর প্রতিবাদে মিছিল করতে গেলে পুলিশ তাদের ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষন করে । এতে চার জন হতাহতের ঘটনা ঘটে । এখানে ই শেষ নয় । পুলিশ ঘটনা স্থল থেকে৮/১০ জন প্রতিবাদ কারীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় । পরে জনগণের তোপের মুখে পুলিশ তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় । জানা যায় পুলিশ এ ঘটনায় অজ্ঞাত নামা ৮০০ জনের নামে একটি মামলা ও দায়ের করেছে । বিগত সময় এমন অসংখ্র ঘটনায় পুলিশের জড়িত থাকার খবর গনমাধ্যমে এসেছে । কিন্তু এসব ঘটনায় বিভাগীয় সাজা (!) লোক দেখানো দু একজন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা ছাড়া তেমন কোন উল্লেখ যোগ্য ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়না । এছাড়া সাধারন মহলে ঘুষের সমার্থক শব্দ হিসেবে পুলিশ শব্দটির ব্যাপক বাজার রয়েছে । এই যদি হয় একটি রাষ্ট্রের সর্ব বৃহৎ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাস্তব অবস্থা । তবে অদুর ভবিষ্যতে দেশ যে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখিন হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা । তাই পুলিশের জন্য সময়োপযোগী আইন প্রনয়ন করা এবং তাদের কাজের জন্য যথাযথ জবাবদিহিতা থাকা জরুরী বরে মনে করেন সাধারন মানুষ ।

tome cytotec y solo sangro cuando orino
wirkung viagra oder cialis

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

venta de cialis en lima peru
ovulate twice on clomid
viagra en uk
acquistare viagra in internet