একজন অকৃত্রিম বন্ধু মেঘ সিং

223

বার পঠিত

লে. কর্ণেল মেঘ সিং (বীরচক্র)

লে. কর্ণেল মেঘ সিং (বীরচক্র)

একজন লম্বা, সদাহাস্যরত মানুষ। মানুষের জন্য যার মনের দুয়ার সবসময় খোলা। tome cytotec y solo sangro cuando orino

নাম তার লে: কর্ণেল মেঘ সিং। ভারতীয়-১৮ বিএসএফের কমান্ডিং অফিসার। রাজপুত ব্যাটালিয়নের কমান্ডো। জন্ম ১ইমার্চ ১৯২৪, ভারতের রাজস্থানে। about cialis tablets

  nolvadex and clomid prices

লোকটা সিনিয়রদের সামনে অপ্রিয় সত্যি কথা বলতো এজন্যে তার পদোন্নতিও হত না। এই দু:সাহসী লোকটা ১৯৬৫সালের যুদ্ধে সাহসীকতা প্রদর্শনের জন্য “বীর চক্র” পদক লাভ করেন। লে.জেনারেল হারবক্স সিংয়ের In the Line of Duty: A soldier remembers বইয়ে মেঘ সিং সম্পর্কে বলা হয়েছে কোর্ট মার্শাল করে মেঘ সিং কে মেজর পদে ডিমোশন দেওয়া হয়। কিন্তু ১৯৬৫ সালে আবার তার বীরত্ব দেখে প্রমোশন দেওয়া হয়।

 

মেঘ সিংএর রাজপুত ব্যাটালিয়নকে ফেব্রুয়ারিতে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তের পেট্রাপোলে নিয়োগ দেওয়া হয়।

১৯৭১ এর ৩০শে মার্চ ক্যান্টনমেন্টে আক্রমণ করা হলে লে: হাফিজ ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ২০০ সৈনিক ও ইপিআরের ৩০০ সৈনিক নিয়ে প্রতিরক্ষাযুদ্ধ করতে করতে বেনাপোলের দিকে অগ্রসর হয়।

১৯৭১ এর ২৩ শে এপ্রিল….

যশোর-বেনাপোল রোডের পাশে বেনাপোলের কাগজপুকুরে প্রতিরক্ষা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে লে:হাফিজ এর সৈনিকরা আর ইপিআরের সৈনিকেরা। walgreens pharmacy technician application online

অনেক হতাহত হলেও যুদ্ধটাকে চালিয়ে যেতে থাকে এরা। হাফিজ কোম্পানি দুটিকে বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকায় পিছিয়ে আনেন। যুদ্ধ চলছে, আর্টিলারি ফায়ারিং….

হঠাৎ পিছনদিক থেকে জিপ চালিয়ে একজন হাফিজের কাছে নামলেন। সে লে: কর্ণেল মেঘ সিং। এতো গোলাগুলির মাঝেও সে শান্ত। পাকা সড়কের উপর দাড়িয়ে স্বাভাবিকভাবে হাফিজকে জিঙ্গাসা করলো যে, “হাফিজ ভালো আছো তো?”

আহতদের পিছনে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিলেন। ফিরে গেলেন মেঘসিং….

কিন্তু আমাদের প্রতি তার একটা ভালবাসা ছিল। ফিরে গিয়েই সে নিজের পক্ষ থেকে পাঠিয়ে দিলেন ৬টি ৩ইঞ্চি মর্টার ও পর্যাপ্ত পরিমাণে গোলা।

  zoloft birth defects 2013

১৭ই এপ্রিল সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে এই মেঘসিং সামনের সারিতেই বসেছিল যেন আমাদের দেশের সেনা!

 

এপ্রিলেই যশোরের নাভারণের কাছে মেঘ সিংয়ের দুইজন্য সৈন্য পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়ে। এরফলে পাকিস্তানিরা অনেক তোলপাড় করে। কারণ তখনও ভারত কোনরকম সরাসরি যুদ্ধের সাথে জড়িত ছিল না। আসলে ঘোষণা দিয়ে ভারতীয় সৈন্যদের যুদ্ধ করার অনেক আগে থেকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ব্যাপক সাহায্য করে। কোথাও ব্যাকআপ হিসেবে কোথাও বা মেঘ সিংয়ের মত এগিয়ে। cialis new c 100

লে. কর্নেল মেঘ সিং, বিএসএফ-এর অফিসারসহ দুটি কোম্পানি পূর্ণ সামরিক সম্ভার নিয়ে ঝিকরগাছা লাওজান গেটের নিকট প্রতিরক্ষা ব্যুহ গড়ে তোলে মুক্তিবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য।

মে মাসের মাঝামাঝিতে একদিন হাফিজ গিয়েছিলেন মেঘসিং এর হেডকোয়ার্টারে। মেঘ সিং সেদিন বলেছিলো, ” ভারত সরকার কেন আরো সক্রিয়ভাবে মুক্তিবাহিনীকে সাহায্য করছে না।”

এ যেন এদেশের কোন সৈনিক ভারতের উপরে ক্ষোভ দেখাচ্ছে!!!

সেদিন মেঘসিং হাফিজের সাথে একটা গোপন ইচ্ছার কথা বলেছিল, সেটা হলো, ” আমি ভাবছি বিএসএফের চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে মুক্তিবাহিনীর সৈনিক হয়ে যাবো!”

 

বেনাপোলের এক মুক্তিযোদ্ধার মাধ্যমে শুনেছিলাম, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বেনাপোল নোম্যানসল্যান্ডে পুরো যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকাটা পত পত করে উড়েছিলো। আর এই পতাকাটা পুরো সময়ে এইভাবে উড়ার পিছনে ছিল মেঘ সিং। kamagra pastillas

জেনারেল অরোরা আসেন পেট্রাপোলে। হাফিজের সাথে কথা বলেন। এমন সময় মেঘসিং এসে জেনারেল অরোরা স্যালুট দিয়ে নোম্যানসল্যান্ডের ফ্লাগ স্ট্যান্ডের বাংলাদেশের পতাকা দেখিয়ে ইংরেজিতে বলেন, “স্যার, আমি মুক্তিবাহিনীর এই অফিসারটাকে কথা দিয়েছি যে এই পতাকাটি কেবল আমার মৃতদেহের উপরদিয়েই নামানো সম্ভব (The flag will be come down only over my deadbody)। স্যার, আমি চাকরি ছেড়ে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

মেঘসিং এর কথা শুনে জেনারেল অরোরা হতভম্ব হয়ে যায়। যদিও মেঘসিং চাকরি ছেড়ে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দিতে পারে নি কিন্তু ঐ পতাকাটা সত্যি কেউ নামাতে পারে নি। যুদ্ধের পুরোটা সময় বেনাপোলের নোম্যান্সল্যান্ডে পত পত করে উড়েছিলো আমাদের ঐ পতাকা। বেনাপোলের বাসিন্দা হয়ে এটার জন্য আমি গর্ববোধ করতে পারি।

 

মেজর কামরুল হাসান ভূইয়ার লেখা “জনযুদ্ধের গণযোদ্ধা” বইয়ে মেঘ সিং এর সম্পর্কে হালকাভাবে জানার পরে তার ছবি আর তার সম্পর্কে আরেকটু বেশি জানার চেষ্টা করেছিলাম। গুগল করে একটা ওয়েবসাইট থেকে ঐ ঝাপসা ছবিটা পেলাম। আরো বিভিন্ন ওয়েবসাইট, উইকিপিডিয়া থেকে হালকা তথ্য পেয়েছি। ovulate twice on clomid

 

তিনি অবসর নেওয়ার পরে খুব সম্ভবত জয়পুরে একটা থ্রি স্টার হোটেল তৈরি করেন। হোটেলটির নাম Meghniwas Hotel. জানতে পারি নি তিনি বেঁচে আছেন কিনা। বেঁচে থাকলেও হয়ত বয়স অনেক হয়ে গেছে। কারণ হোটেলটি এখন তার পরিবারের অন্য সদস্যরা পরিচালনা করে। তার পরিবারের সদস্যদের কিছু ফেসবুক আইডিও পেয়েছিলাম। কিন্তু সেখান থেকেও তেমন কোন তথ্য পায় নি। will i gain or lose weight on zoloft

 

এমন অনেক মেঘ সিং নিজে থেকে সাহায্য করেছে আমাদের মুক্তিবাহিনীকে।

জানি সবার নাম মনে রাখা যায় না। তবুও কিছু মানুষের নাম মনে রাখতে হয়, মনে রাখা লাগে। মেঘ সিং তেমনই একজন… যে বাংলাদেশী না হয়েও আমাদের প্রতি দেখিয়েছে অসীম ভালবাসা……

 

তথ্যকৃতজ্ঞা:

১. জনযুদ্ধের গণযোদ্ধা- মেজর কামরুল হাসান ভূইয়া irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

২. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র নবম খন্ড

৩. https://en.m.wikipedia.org/wiki/Megh_Singh

৪. http://www.jaipurhotelsgroup.com/tag/hotels-in-jodhpur/page/2

৫. http://twdi.in/node/4172 metformin gliclazide sitagliptin

৬. http://m.u71news.com/?page=details&cid=49&nid=620

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

thuoc viagra cho nam
zithromax azithromycin 250 mg half a viagra didnt work