সাকা বৃত্তান্ত

959

বার পঠিত female viagra tablets online

[১] accutane price in lebanon

“সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী” যিনি  সংক্ষেপে “সাকা চৌধুরী” নামে পরিচিত। বাবা ফজলুল কাদের চৌধুরী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ উত্থাপিত ছয় দফার বিরোধী ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ কালে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের বিপক্ষে এবং ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। পুত্রও তার ব্যতিক্রম নন। স্বাধীনতার সময় অবস্থানের বিষয়ে পরে আসছি। স্বাধীনতা উত্তর যেসব রাজাকার এদেশে ফিরে এসেছে, সুযোগ সুবিধা বহন করেছে,গাড়িতে পতাকা লাগিয়েছে,তাদের সকলের মধ্যে তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম, সবচেয়ে উদ্ধত,নোংরাভাসী,অসভ্য এবং হিংস্র। তার চট্টগ্রামের “গুডহিল” বাসাটি শুধু একাত্তরেই না,একাত্তরের পরেও নব্বই দশক পর্যন্ত মানুষের জন্য এক বিভীষিকার নাম ছিল। সাকা চৌধুরী একাত্তরের আগে ও পরে অনেক খুন,ধর্ষণের সাথে জড়িত ছিল। এবং সে সেগুলো প্রচন্ড গর্বের সাথে স্বীকার করে। ২০১২ সালের ৪ঠা এপ্রিল বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের ২৩টি অভিযোগ গঠন করে।

একই বছরের ২৯ অক্টোবর খালাস চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করেন তিনি। তবে সর্বোচ্চ সাজা হওয়ায় আপিল করেননি রাষ্ট্রপক্ষ। চলতি বছরের ১৬ই জুন আপিলের শুনানি শুরু হয় এবং তা শেষ হয় ৭ই জুলাই।ওই দিন আদালত রায় ঘোষণার জন্য ২৯ জুলাই তারিখ ধার্য করেন। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

[২]

এখন জানা যাক “সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে গঠিত অভিযোগগুলো কি কি! ৫ এপ্রিল ১৯৭১, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার রামজয় মহাজন লেন, সেখানে থাকতেন  মতিলাল চৌধুরী ও শান্তি কুসুম। এ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় সাকা চৌধুরীর গুডহিলে। সাথে মতিলাল চৌধুরীর কর্মচারী সুনীলসহ আরো ছয়জন। সুনীলকে প্রচন্ড আহত অবস্থায় ছেড়ে দিলেও মতিলাল চৌধুরী, শান্তি কুসুম আর বাকি ছয়জনের হদিস গত ৪৪ বছরে মেলেনি। সাকার ক্রোধ থেকে বাঁচার জন্য হিন্দুরা যখন এদিক ওদিক ছুটছে, সাকা তার সহযোগী আবু মাবুদসহ একটা প্লান করলেন।  রাউজানের গহিরার জগৎমল্লপাড়ায় কিরণ বিকাশ চৌধুরীর বাড়িতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের জড়ো করলেন। শান্তি কমিটির সভা করার জন্য সেখানে তাদের জড়ো করা হয়। শান্তি কমিটির সভায় যোগ দিলে যদি জীবন বাঁচে এ আশায় তারা যোগ দেয় কিরণ বিকাশের বাড়ির সভায়। কিছুক্ষণ পর সাকা চৌধুরী পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে হাজির হন। এর পর পাকিস্তানি সেনারা ব্রাশফায়ার চালায়। ঘটনাস্থলেই তেজেন্দ্র লাল নন্দী, সমির কান্তি চৌধুরী, কিরণ বিকাশ চৌধুরীসহ ৩২ জন নিহত হন। পরে নিহতদের ওই বাড়ির উঠানেই গণকবর দেওয়া হয়। মারা যায় ৩২ জন। একই দিন বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে রাউজানের ঊনসত্তরপাড়ায় চালানো হয় গণহত্যা। সাকা চৌধুরীর উপস্থিতিতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ব্রাশফায়ারে চরণ পাল, বাবুল মালীসহ ৭০ জনকে হত্যা করে। একই এলাকার ক্ষিতিশ চন্দ্র মহাজনের বাড়ির পেছনে পুকুরপাড়ে ডাকা হয় শান্তি কমিটির সভা।  ৭০ জনের বেশি ব্যক্তি নিহত হয়। তবে তদন্ত সংস্থা ৫০ জনকে শনাক্ত করতে পেরেছে বলে জানা গেছে। একাত্তরের ১৭ এপ্রিল চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ মোজাফফর আহমেদ ও তাঁর ছেলে শেখ আলমগীরকে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কের হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড থেকে ধরে স্থানীয় সেনাক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নির্যাতন চালিয়ে তাঁদের হত্যা করা হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত মাত্র পাঁচ মাসে রাউজানসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ৪৩৭ ব্যক্তিকে হত্যার সঙ্গে সাকা চৌধুরী জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে রাউজানের শাকপুরা, ঊনসত্তরপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। শুধু রাউজানেই ৯টি গণহত্যা চালানো হয়েছে। সাকা চৌধুরীর উপস্থিতি ও নির্দেশে তাঁর সহযোগীরা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে এসব গণহত্যা চালায়। মূলত হিন্দু সম্প্রদায় ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের নিশ্চিহ্ন করার জন্যই এসব হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে তথ্য পেয়েছে তদন্ত সংস্থা।

[৩]

ট্রাইব্যুনালে সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনা মানবতাবিরোধী অপরাধের  মোট ২৩টি অভিযোগের মধ্যে ১৭টির পক্ষে সাক্ষী হাজির করেন রাষ্ট্রপক্ষ। এগুলোর মধ্যে মোট ৯টি অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ট্রাইব্যুনালের রায়ে। বাকি আটটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রাষ্ট্রপক্ষ যে ছয়টি অভিযোগের পক্ষে সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করেনি সেগুলো থেকেও সাকা চৌধুরীকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

 

প্রমাণিত অভিযোগগুলোর মধ্যে চারটিতে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে সাকা চৌধুরীকে। তিনটি অভিযোগের প্রত্যেকটিতে ২০ বছর এবং আরো দু’টি অভিযোগের প্রতিটিতে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে তাকে। সব মিলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি মোট ৭০ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন তিনি।

 

যে চারটি হত্যা-গণহত্যার দায়ে সাকাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে সেগুলো আনা হয় ৩ নম্বর (অধ্যক্ষ নূতন চন্দ্র সিংহকে হত্যা), ৫ নম্বর (রাউজানের সুলতানপুর গ্রামে তিনজনকে গণহত্যা), ৬ নম্বর (রাউজানের ঊনসত্তরপাড়ায় ৫০-৫৫ জনকে গণহত্যা) এবং ৮ নম্বর (চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মোজাফফর আহম্মদ ও তার ছেলে শেখ আলমগীরকে হত্যা) অভিযোগে। cialis 20 mg prix pharmacie

 

অন্যদিকে ২ নম্বর (রাউজানের গহিরা গ্রামের হিন্দুপাড়ায় গণহত্যা), ৪ নম্বর (জগৎমল্লপাড়ায় ৩২ জনকে গণহত্যা) এবং ৭ নম্বর অভিযোগে (রাউজানের সতীশ চন্দ্র পালিতকে হত্যা) আনা তিন হত্যা-গণহত্যায় সাকা চৌধুরীকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। crushing synthroid tablets

 

১৭ এবং ১৮ নম্বর অভিযোগে সাকা চৌধুরীকে আরও পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যে দু’টি অভিযোগে যথাক্রমে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক নিজাম উদ্দিন আহম্মেদ, সিরাজ ও ওয়াহেদ ওরফে ঝুনু পাগলাকে অপহরণ করে নির্যাতন এবং চান্দগাঁওয়ের সালেহউদ্দিনকে অপহরণ করে সাকা চৌধুরীর পারিবারিক বাসভবন গুডসহিলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

[৪]

“এই সাকা চৌধুরী সেই সাকা চৌধুরী না।”

” সাকা চৌধুরী ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ এর পর দেশেই ছিলেন না। উচ্চশিক্ষার্থে পাকিস্তানে ছিলেন।”

“সাকা চৌধুরী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার”

এইরকম অনেক অভিযোগ শোনা যায়। এইরকম অভিযোগ “কাদের মোল্লা” আর “দেলোয়ার হোসেন সাঈদী”র ব্যাপারেও উঠেছিল। এইসব “অকাট্য যুক্তি” শুনে হাসব না কাঁদব বুঝছিনা।

১৯৭১ এ সাকাকে মারার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা একবার না,দুবার না,পুরোপুরি তিনবার আক্রমণ করেছিলেন। ভাগ্যের জোরে প্রতিবারই একটুর জন্য বেঁচে গেলেও শেষবার মারাত্মক আহত হন। নিহত হন তার ব্যক্তিগত গাড়ির চালক। পরদিন পাকিস্তান টাইম, ভয়েস অফ আমেরিকা,বিবিসিতে এই খবর ফলাও করে প্রচার হয়।

EjE8R5in7aYb prednisone 10mg dose pack poison ivy

images online pharmacy in perth australia

এবারের আগেরবারে বিএনপির ভরাডুবির ইলেকশনে সাকা কিন্তু জিতে এসেছিলেন।সে নির্বাচনে নির্বাচনী ঘোষণাপত্রে তিনি লেখাপড়ার কলামে ‘শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই’ বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন।

  doxycycline monohydrate mechanism of action

অন্যদিকে একই লোক নূতন চন্দ্র সিংহকে হত্যার অপরাধ থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য বলছেন যে, সে সময় তিনি পাকিস্তানে পড়তে গিয়েছিলেন। যে লোক স্বাধীন দেশের নির্বাচনে দাঁড়াতে গিয়ে ‘লেখাপড়া নেই’ বলে ঘোষণা দেন, তিনি একাত্তরে লাহোর বা পাঞ্জাবের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করলেন কীভাবে?

 

[৫]

বিএনপিতে আসার আগে তিনি এনডিপি নামে একটি দল গড়েছিলেন। এক নেতা আর কিছু সাগরেদ ও খুনির দল হয়ে উঠেছিল সেটি। সে দলের দেয়াল লিখনে প্রচ্ছন্ন দেশবিরোধিতা থাকত। আঞ্চলিকতার নামে চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে পৃথক রাখার এক জঘন্য ভাবনা নিয়ে দেয়াল লিখনগুলো হত। এমনকি চট্টগ্রামকে প্রদেশ করে ফেলা হোক বা চট্টগ্রামের স্বায়ত্তশাসন চাই এগুলোও লেখা হত।

 

যেই দলের(বি এন পি) রাজনীতি করে তিনি বাঁচছেন সেই দলকেও তিনি ছাড় দেননি। খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের সম্পর্কে এমন সব খারাপ উক্তি তিনি করেছিলেন,যা কখনো আওয়ামীলীগ ও করেনি। তারপরও তারা কেন সাকার গুনগান গায় তা একটা প্রশ্ন।

 

[৬]

  viagra lowest price

মোদ্দা কথা হল,সাকা চৌধুরী হল এদেশের মানুষের কাছে এক বিভীষিকার নাম। এই স্বাধীন দেশে সেই পশুর গাড়িতে লাল সুবজ পতাকা লাগিয়ে জাতি যে ভুলটি করেছিল তা শুধরানোর সময় হয়েছে। আমার কিছু চাইনা। আমি চাই, যেদিন আমি মরব সেদিন যাতে গর্ব করে মরতে পারি যে “আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ”।  আমার যদি কোন সন্তান থাকে,তাকে যেন গর্ব করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বলতে পারি। আমার পরবর্তী প্রজন্ম যাতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার জন্য দ্বিধাদ্বন্দ্বে না ভোগে। শেখ হাসিনা তার আমলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছেন। আমরা চাই সবাইকে ফাঁসিতে ঝুলানো হোক। আর কেউ যেন বয়সের কারণে মারা না যায়। সবার বিচার চাই। আগস্ট মাস আমাদের জন্য একটা কালো অধ্যায়। এই আগস্টেই সাকার ফাঁসি কার্যকর করে নতুন বিজয় ছিনিয়ে আনা হোক।

 

জয় বাংলা

জয় বঙ্গবন্ধু

জয় মুক্তিযুদ্ধ। sildenafil 50 mg dosage

cialis new c 100

You may also like...

  1. তারপরও কিছু মানুষের মত দেখতে পাকিস্তানী শুয়োরের বাচ্চা বলবে, এই সাকা সেই সাকা না… আসল সাকা তো পড়াশোনা করতে বিদেশে গেছিল

  2. সাকাকে গ্রেপ্তারের পর টিভিতে তার মেয়ের সাক্ষাতকার দেখেছিলাম , তিনি প্রকাশ্যেই বলছিলেন যে তিনি নাকি তার বাবার রাজনীতির জন্য গর্ব বোধ করেন !!! শুধু সাকাই নয় সব রাজাকারের ছেলে মেয়েই একই রকম ভাবে। এদের জন্য করুণা ছাড়া আর কিছুই বরাদ্দ নেই। যাই হোক এই ব্লগ টাকে আবার সচল দেখে ভাল লাগলো।

  3. সত্যিই ভালো লাগল, বিশেষ করে পেপার পেজ…………
    অসাধারন :smile: :smile: :grin:

  4. দুরন্ত জয় বলছেনঃ

    থ হ্রস উ কারে থু… নাম শুনলেই একদলা থুথু চলে আসে মুখে…

  5. আরাফ কাশেমী বলছেনঃ

    সাকারা এলিট রাজকার হিসেবে গর্ব করতো আর আজ আমরা তাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে গর্ব করবো জয় বাংলা জয় পিতা :)

  6. কিরন শেখর বলছেনঃ

    স্বাীনতার বিরোধিতার নেতৃত্ব দেয়ার পাশাপাশি। সাকা পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো। আপনার এই লেখা যারা সাকাকে নির্দোষ দাবী করে তাদের মুখে চপেটাঘাত।

    does propranolol cause high cholesterol

প্রতিমন্তব্যঅংকুর বাতিল

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

pastillas cytotec en valencia venezuela

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment. pharmacie belge en ligne viagra

ampicillin working concentration e coli
buy viagra alternatives uk