আপনাকে বলছি, নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করবেন না!

3052

বার পঠিত

“ভাই, আপনি কোরআন ভাল করে পড়ুন, আপনার জানায় ভুল আছে…”-এরকম যারা বলেন তারা নিজেরাই কোনদিন জানার জন্য কোরআন পড়ে দেখেনি।কোরআন সম্পর্কে তাদের কোন ধারনা নেই।সাঈদী আর শফির মুখে শুনেই এরা কোরআন সম্পর্কে একটা ধারনা করে। কারণ যখন এদের বলি, ভাই, দয়া করে আমাকে আমার ভূলটা দেখিয়ে দিন, কোথায় কোন জায়গায় আমি কোরআন বুঝতে ভুল করেছি দেখান, তখন তারা আর কমেন্ট করতে আসে না।আমি কতদিন ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকেছি কিন্তু ‘পাখি’ আর ফিরে আসেনি! আমার ভুলটাও কেউ ভেঙ্গে দেয়নি।

আমি লিখি মৌলবাদের বিরুদ্ধে। ধর্মের সঙ্গে আমার বিবাদ এই মৌলবাদের সূত্রে। নইলে ধর্ম নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই।ধার্মীক যত রকমভাবে পারে ধর্মকর্ম করে মনে সুখ পান আমার কিছু যায় আসে না।প্রতিটি মুহূর্তের সমস্ত কিছুর জন্য একজন “সর্বশক্তিমানের” উপস্থিতি বিশ্বাস করে তৃপ্তি পান আমার কিছু যাবে আসবে না।সেই সর্বশক্তিমান আমাদের খাওয়ান, পরান, বাঁচিয়ে রাখেন-এই বিশ্বাস আমাকে জ্বলুনি ধরিয়ে দেয় না।আমি ধার্মীকদের নিয়ে মাথা ঘামাই না। তারা আমার প্রতিপক্ষ না।আমার প্রতিপক্ষ তারা যারা বিশেষ কোন ধর্মকে রাষ্ট্রের ১ নম্বর বানাতে উদ্যোত।যার সংখ্যাগরিষ্ঠের জোরে তাদের কিতাবের আইন যা তাদের ঈশ্বরকৃত প্রণিত বিশ্বাস করে এবং ঈশ্বর ওয়াদাবদ্ধ তা দুনিয়ায় বাস্তবায়নে-এই মামার বাড়ির আবদারকারীরা আমার প্রতিপক্ষ।যারা ব্যক্তির স্বাধীনতায় অবিশ্বাসী ও সে স্বাধীনতায় অবরোধ আরোপে ইচ্ছুক তারা।যারা শুধুমাত্র বিশ্বাসের জন্য নির্যাতিত হন, দেশান্তরিত, সমাজচ্যুত সে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান-আমাদের লড়াইটা তাদের জন্য। can levitra and viagra be taken together

যারা ইসলামকে ডিফেন্স করেন, প্রমাণ করেন এখানে একটাও খারাপ কথা নেই। একটাও ভুল নেই। একটাও মানবিক বিপর্যয়ের উস্কানি নেই। কোন সাম্প্রদায়িক উস্কানি নেই-তাতেই কি তারা দাবী করতে পারেন যে এই ধর্মই একটা রাষ্ট্রের চলার সংবিধান হতে পারে? সমস্ত দেওয়ানী ও ফৌজদারি আইন এই মহান গ্রন্থ থেকে চলবে? এই নির্ভুল, মহান ধর্ম হবে একটি রাষ্ট্রের ১ নাম্বার ধর্ম-কেন? আমি আপনার ধর্মকে শ্রেষ্ঠ, উৎকৃষ্ট, মহান, নির্ভুল, সমালোচনার অতীত মেনে নিলাম, তবু আপনি অন্তত একটা যুক্তি দেখান কেন তবু এই ধর্মকে একটা রাষ্ট্রে, একটা পৃথিবীতে শাসনযন্ত্রের জন্য বিবেচিত হবে? আপনি সংখ্যার জোরের কথা বললে, এটা কি ধরে নিবো পৃথিবীর অন্য কোথাও আপনার অনুসারীরা সংখ্যায় কম হলে তাদের অনুরূপ অধিকার থেকে বঞ্চিত করাটা অনুচিত হবে না? যখন ইউরোপের কোন দেশে হিজাব পরার উপর নিষেধাজ্ঞা আসে তখন কেন আপনি ক্ষেপে যান? কেন তখন আপনি অধিকারের কথা বলেন? কেন তখন ব্যক্তির স্বাধীনতার ছবক শোনান?

আপনারা সব সময় বলেন এটা কোরআনে নেই, বা ওটা কোরআনে আছে-মানে সমস্ত কিছু কোরআন সিদ্ধ হতে হবে।আপনি শরীয়া আইনের পক্ষে।শরীয়ায় এমন অনেক কিছু আছে যা কোরআনে পষ্ট করে কিছু নেই।একজন মুরতাদ বা ধর্মত্যাগিকে শরীয়া বলছে মৃত্যুদ্বন্ড দিতে। কোরআনের কোথাও এরকম কিছু বলা নেই। এটা আমার কথা না, ইসলামিস্কলারদের কথা। কিন্তু আপনি কখনো মুরতাদ ঘোষণ ও তাদের মৃত্যুদ্বন্ড ঘোষণার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন? বলেছেন, এসব কোরআনে নেই? বলেননি।কিন্তু যখন আমরা শরীয়ার এই ভয়ংকর মানবধিকার হরণ ও মধ্যযুগীয় প্রথাকে ইসলামের কলঙ্ক বলেছি ওমনি ইসলামের ইজ্জত রক্ষার জন্য এগিয়ে এসেছেন, বলছেন, এগুলো কোরআনে নেই! কিন্তু যখন মুনতাসির মামুন, শাহরিয়ার কবীরকে মুরতাদ ও তাদের মৃত্যুদ্বন্ড ঘোষণা হয় তখন আপনি চুপটি করেছিলেন! কেন? চেয়েছেন প্রগতিশীলরা এই চান্সে শেষ হয়ে যাক! metformin gliclazide sitagliptin

আপনার “কোরআন আছে-নেই” একটি সুবিধাবাদী আচরণ! কোরআনে কি নামাজের ৫ ওয়াক্ত চিহ্নিত করা আছে? আছে কোন রীতিতে নামাজ পরতে হবে? আপনি যে ওঠবসটা করছেন নামাজের নিয়ম মেনে এটা কোত্থেকে শিখেছেন? হযরত মুহাম্মদের বাপ-দাদার নামধাম কোরআনে আছে? আছে আবু লাহাব আর আবু জাহেলের নাম! ১ বৈশাখ কোরআনে নেই তাই বেদাত, আয়েশার নামও কোরআনে নেই সেটাও তাহলে বেদাত!নবী গর্ভধারিনি আমিনাও বেদাত! এসব তো কোরআনে নেই!… zoloft birth defects 2013

কোরআনে আছে বলেই একটা ইসলামী রাষ্ট্র বানাবেন এরচেয়ে অশান্তির কথা দ্বিতীয়টি হতে পারে না।আপনাকে এই দাবী ছাড়তে হবে শান্তির স্বার্থে।আপনি এই দাবী ছাড়লে অন্যত্র ধর্মরাষ্ট্র দাবীকারীরাও শান্ত হবে। শরীয়া প্রতিষ্ঠার দাবী না ছাড়লে অন্যত্র হিজাব পরতে দিবে না।কেউ হিজাব পরুক, আবার কেউ মাথায় কাপড় না দিক, দুটোই ব্যক্তির ইচ্ছার উপর ছেড়ে দিন।আর সবার আগে অন্যের পথের সামনে থেকে ব্যরিকেটটা তুলে ফেলুন।আপনি পথের ধারে বসে থাকুন বা ভূতের পায়ে ভর করে পিছনে যেতে থাকুন, সে আপনার ইচ্ছা, কিন্তু অন্যের ভবিষ্যতে যাবার পথে অন্তরায় হবে না! আমাদের লড়াইটা সেই আগামীতে যাবার পথটাকে মসৃন করে দেবার।এটাই এখন কাজ…।

buy kamagra oral jelly paypal uk

You may also like...

  1. অংকুর বলছেনঃ

    ভাই কথাটা ঠিক বলেছেন । আমি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করি । এবং এও মনে করি যে সবার ব্যক্তিস্বাধীনতা আছে । আমাদের দেশে অধিকাংশ মানুষ তাদের স্বার্থের সাথে যেটা যায় সেটাকে গ্রহণ করে আর যেটা যায়না সেইগুলা চাপা দিয়ে রাখে । আসলে যা সবার জন্য ভালো তাই করা উচিত । মদিনা সনদ আরবের জন্য পরিপূর্ণ হতে পারে তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে তা ততটা কাজ করবে বলে মনে হয় না । ধর্মবিশ্বাস মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় । এর উপর কারো হস্তক্ষেপ করা উচিত না । নিজের ধর্মের , নিজের বিশ্বাসের কথাগুলোও কারো উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত না । আমার কথাগুলো যদি ভালো হয় সত্য হয় তা সবাই এমনিই গ্রহণ করবে । চাপিয়ে দিতে হবে না । আপনার সাথে একমত । :-bd :-bd zovirax vs. valtrex vs. famvir

  2. দুরন্ত জয় বলছেনঃ

    আসলে কিছু মানুষ আছে যাদের মাথায় অন্ধত্ব এমন ভাবে গেথে আছে যে তারা সব কিছু ধর্ম দিয়ে চিন্তা করে। সাধারণ চিন্তাধারাও নেই এদের্।

    নিজেদের মনে প্রশ্ন আসলেও তারা তা সরিয়ে ফেলে। এরা বুঝবে না কখনও।

  3. আপনার লেখার মূল উদ্দেশ্যটির সাথে পুরোপুরি একমত… :-bd বিশেষকরে –

    কোরআনে আছে বলেই একটা ইসলামী রাষ্ট্র বানাবেন এরচেয়ে অশান্তির কথা দ্বিতীয়টি হতে পারে না।আপনাকে এই দাবী ছাড়তে হবে শান্তির স্বার্থে।আপনি এই দাবী ছাড়লে অন্যত্র ধর্মরাষ্ট্র দাবীকারীরাও শান্ত হবে। শরীয়া প্রতিষ্ঠার দাবী না ছাড়লে অন্যত্র হিজাব পরতে দিবে না।কেউ হিজাব পরুক, আবার কেউ মাথায় কাপড় না দিক, দুটোই ব্যক্তির ইচ্ছার উপর ছেড়ে দিন।আর সবার আগে অন্যের পথের সামনে থেকে ব্যরিকেটটা তুলে ফেলুন।আপনি পথের ধারে বসে থাকুন বা ভূতের পায়ে ভর করে পিছনে যেতে থাকুন, সে আপনার ইচ্ছা, কিন্তু অন্যের ভবিষ্যতে যাবার পথে অন্তরায় হবে না! আমাদের লড়াইটা সেই আগামীতে যাবার পথটাকে মসৃন করে দেবার।এটাই এখন কাজ…

    এই কথাগুলো খুবই ভালো লেগেছে… :কুপায়ালাইছ মামা-ভিক্টরি: :)

  4. আমার একজন পরিচিত মুসলিমকে একবার কথার সাপেক্ষে জিজ্ঞেস করেছিলাম – আল্লাহ যে কুরআন রচিয়েছে, তাহা প্রমাণ করুন ।
    প্রায় এক ঘন্টা শুধু ত্যানা প্যাচানো দেখতে হল তারপর ।

    আবার জিজ্ঞেস করলাম – মুহম্মদ যে এই কুরআনে এবং তারা কথিত সাহাবীরাও যে এখানে কেরামতি করেনি, তা সত্য প্রমাণ করুন ।
    আবার কিছুক্ষন ত্যানা প্যাঁচানি ।

    অবশ্য একটা সুবিধাবাদী উত্তর সে দিতে পেরেছে – বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর ।
    তাই আজো সেই বিশ্বাস নিয়েই বসে আছি, কিন্তু তবুও তো তর্ক অনর্গল চলছে ।

    এ পর্যন্ত ছোটো-বড়, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন অনেকের মুখ থেকেই একটা কথা শুনেছি -

    অপ্ল বিদ্যা ভয়ংকরী ।

    কিন্তু, কোন একটা আল্লাহর বান্দা পেলাম না এখন পর্যন্ত যে আমাকে বেশি বিদ্যার সাথে পরিচয় ঘটাতে পেরেছে । বরং তর্ক চলতে চলতে তা কখনো আরও বেশি ভয়ংকর হয়ে ওঠে । একসময় ত্যানা ফুরিয়ে গেলে তখন আবার মাতৃভাষা বাংলায় দু এক শব্দের কিছু ছড়া পাঠ করে বসেন । এটা প্রকৃতপক্ষে বিরিয়ানি খাবার পর পান-সিগারেটের মতন উপশম দেয় তাদেরকে ।
    মাঝে মাঝে ভাবি – এই না হলে আর বেশি বিদ্যা !! ব্যাপারটা নিঃসন্দেহে বেশি বিদ্যার মারাত্মক ফলাফল ।

  5. শেহজাদ আমান বলছেনঃ

    ভালো লিখেছেন। আপনার লেখার মাধ্যমে ধরমান্ধদের চেতনায় আলো প্রবেশ করুক, এই কামনা করি।

  6. ঠিক অবশ্য। ধর্মরাষ্ট্র একটি প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে অন্যরাও মাথা চড়াবে না তা কে দেখবে? আর এক্স্ট্রিমিস্টরাই ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র চায়।

    walgreens pharmacy technician application online

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.