ভালোবেসে চলে যেতে নেই

290

বার পঠিত clomid over the counter

ফোনটা ভাইব্রেট করেই চলছে।স্ক্রিনের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি।হাত কাপছে।এতোদিন,এতো বছর পর আবার সেই অতি পরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসছে
আজ নাম্বারটা দেখে বুকের মাঝে কেমন যেন কাপুনিটা একটু বেড়ে গেলো।মনে হচ্ছে বুকের মধ্যে কাল বৈশাখী ঝড় উঠেছে।আর থাকতে পারলামনা সেই নাম্বারের দিকে চেয়ে থাকতে।
এইবার ফোনটি হাতে নিয়ে চোখ বন্ধ করে রিসিভ করলাম।ওপাশ থেকে ভেসে আসলো সেই পরিচিত কন্ঠস্বর।এতো বছর পর একটুও বদলায়নি।সেই আগের মতোই আছে………………।
হ্যালো…………………………!!!
কি হলো?কিছু বলছ না যে?ভুলে গেছ নাকি?নাকি চিনতে পারোনি?
ঃ না আসলে ৫ বছর পর এই নাম্বার থেকে কোন ফোনের আশা করিনাই।তাই বুঝতে পারছিনা কি বলে উঠব।
:ও পাশ থেকে আসলে কয়েকদিন থেকেই তোমাকে খুব মনে পরছিল।কিন্তু ফোন করার ঠিক সাহস পাচ্ছিলামনা।কাল থেকে তোমার কন্ঠ শোনার খুব ইচ্ছা হচ্ছিলো।তাই আজ সাহস করে ফোনটা দিয়েই দিলাম।কেমন আছ তুমি?
ঃ মানুষ বদলে যায় কিন্তু তাদের কন্ঠ বদলায় না।হুম ভালো আছি নিজের মত করে।নিজেকে নিয়ে ব্যাস্ত আছি।এইতো এই আর কি…………………… আছি।
ঃজিজ্ঞেস করবেনা আমি কেমন আছি?
ঃউম না,প্রয়োজন নেই।কিছু মানুষ আছে যারা সবসময় ভালো থাকে।তুমিও ভালো আছো।আর তুমি হচ্ছো তাদেরি একজন।
ঃ(ওপাশ থেকে কিছুক্ষন নিরবতা)আমার কথা মনে পরেনি তুমার?
ঃহুম পড়ছে,খুব পরছে।কেন মনে পরবেনা।কারন তুমি যে আমার একান্তই তুমি ছিলা।যখন দিনের পর দিন না খায়ে থাকতাম,তখন মনে পরতো তুমি খাচ্ছতো?
যখন রাতের পর না ঘুমিয়ে অসুস্থ হয়ে পরতাম,তখন মনে পরতো তুমি সুস্থ আছোতো?যখন সবাই বাইরে উল্লাসে মেতে উঠতো আর আমি অন্ধকার রুমে বসে ভাবতাম তুমি উল্লাস করতাছতো?যখন আয়নায় নিজের চেহেরা দেখে ভয়ে শিওরে উঠতাম তখন ভাবতাম তুমি কি আরো সুন্দর হয়েছ?এক সময় অনেক মনে পরছে।কিন্তু এখন আর কই মনে করার মত সময়?সারাদিন নিজেকে নিয়ে খুব ব্যাস্ত থাকি,কখন কেমনে সময় চলে যাচ্ছে,কিছু বুঝে উঠার আগেই আর একটা সকাল চলে আসে।
:ও পাশ থেকে আবার নিরবতা।আমাকে কি ক্ষমা করা যায় না?
ঃক্ষমা তো আমি আরো ৫ বছর আগেই করে দিছি।তোমাকে ক্ষমা করে না দিতে পারলে আমার মনের ভিতরের ক্ষত কখনো শুকাত না।আচ্ছা এখন তাহলে রাখি?এখন আমার আকাশ দেখার সময়।প্রতি রাতে এই সময় আমি খোলা ছাদে বসে আকাশ দেখি আর চাঁদ মামার গল্প গুলা মনে করি।আর মন চাইলে আকাশের সাথে কথা বলি।আকাশ কখনো আমার সাথে ছলনা করেনা।আকাশ আমাকে আর আমিও এখন আকাশকে সঙ্গে নিয়ে খুব ভালো আছি।প্রতি রাতে তারার ঝুলি নিয়ে আমার সামনে হাজির হয়,আমি তার সাথে অনেক কিছু শেয়ার করি আর শুধু শুধু বকবক করি কিন্তু সে একটুও বিরক্ত হয়না।আমাকে সে খুব সহজে আপন করেই নিছে।
ঃএক রাতে আকাশের সাথে কথা না বললে হয়না?আমার সাথে কথা বলার থেকে আকাশের সাথে কথা বলা কি খুব জুরুরি?
ঃআপাতত তাই।আমার চরম সময় আর অসহাত্ত্বের সময় আকাশ যে আমাকে সময় দিছে।যে ৫ বছর তুমি আমাকে দূরে সরিয়ে রাখছিলা সে ৫ বছর যে আমাকে সময় দিছে।আজ আমি আবার তোমার জন্য আকাশকে একলা ফেলে তুমার সাথে আড্ডা দিতে পারিনা।আর আমার মনটাও যে আকাশের জন্য পরে থাকবে।আচ্ছা আমি এখন যাই।আজকের আকাশের চাদটাও খুব সুন্দর দেখাচ্ছে।আজ চাদের সাথে কথা বলব।এই বলে ফোনটা কেটে দিলাম………………………………………………………………………………।।

বারান্দায় এসে দাড়ালাম।আকাশের বুকে গোল একটা চাঁদ উঠেছে।তাকিয়ে আছি আকাশের দিকে।খুব কষ্ট হচ্ছে।সেই আগের মত কষ্ট যখন তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গেছিলা।

কি দোষ ছিল আমার?কি করেছিলাম আমি?কেন চলে গেছিলা?তা আমি আজো জানিনা।তারপরেও বিশ্বাস ধরে রেখেছিলাম যে তুমি একদিন ঠিকই ফিরে আসবে।আমি এই ভাবে অনেক অপেহ্মা করেছি।অনেক অপেহ্মা করেছি।কিন্তু তুমি তখন ফিরে আসোনি।ভেবেছিলাম যেদিন তুমার ফোন আসবে খুশিতে চিৎকার দিব।সারাবাড়ি দোড়ে বেড়াব।তুমার পানে আবার ছুটে চলে যাব।কিন্তু তুমি আসনি।দিন যায়,মাস যায়,বছর যায় কিন্তু তুমার দেখা নাই।ভারসিটি পাশ করা ৬ বছর হয়ে গেল।বাসা থেকে মা-বাবা বিয়ে নিয়ে ভাবতেছিল।বাবা আমাকে অনেক ভালোবাসে সেও বাবাকে মুখের উপরে বলে দিলাম আমি আর বিয়ে করবনা।ঠিক ৬ মাস আগে বাবা খুব অসুস্থ হয়ে পড়লো।ডাক্তার বললো

মাইনর এ্যাটাক।এই বয়সে এতো টেনশন খুবই খারাপ অবস্থার কারন।আর এজন্য আমি দায়ি কারন বাবার সব চিন্তার মুলে ছিলাম আমি।এই কটা দিন সবসময় বাবার পাশেই থাকতাম।বাবা একটু সুস্থ্য হয়ে উঠলো।একদিন বাবা ভরাক্রান্ত মন নিয়ে বলল আমি তুমাকে সব সময় সুখি রাখার চেষ্টা করতাম।আমার আর ওপারে যাওয়ার বেশি সময় নাই।

তাই আমি তুমাকে মরার আগেও সুখি দেখে যেতে চাই।বাবা হয়ে এর থেকে আর তুমার কাছে কি চাওয়ার হতে পারে।মেয়েটা অনেক ভালো।তুমার সাথে মিলিয়ে চলতে পারবে আমার বিশ্বাস।কোন তারাহুড়ু নাই মেয়েটার সাথে দেখা করো।তাকে বুঝার চেষ্টা কর।পছন্দ না হলে সমস্যা নাই।তুমাকে জুড় করবনা।আর মেয়েটা আমার একমাত্র বন্ধুরই মেয়ে।ওরা তুমার সব কথাই জানে।তাই আমার বিশ্বাস মেয়েটা তুমাকে নিয়ে ঠিকই এড়িয়ে উঠতে পারবে।

বাবার কথামত মেয়ের সাথে দেখা করলাম।ডাক্তার মেয়ে কিন্তু খুবই সাধাসিধে।খাটি বাংগালি মেয়ে।কথার মারপেচ একদম ধরতে পারেনা। মেয়েটার বাবা নেই।ওর মনে অনেক কষ্ট।একদিন ভয়ে ভয়ে বললেন একটা কথা বলি?

ঃহা বলুন।

ঃআমি আমার কখনো বাবাকে দেখি নাই।আমি আপনার মাঝে যেন আমার বাবার ছায়া পাই।সরি আপনি রাগ করলেন নাতো আমার কথায়?বলে চোখের পানি আড়াল করার চেষ্টা করললেন।কিন্তু পারলেন না।আমার বাবাকেও খুব সম্মান করে।প্রায় প্রতিদিন দেখতে আসে।কি খাচ্ছে?কি করছে?অষুধ ঠিকমতো খাচ্ছে কিনা?যত্নের অভাব হচ্ছে কিনা আরো কত কি?একদিন বাবার সাথে দেখা করতে এসে আমাকে লাজুক স্বরে বললেন আপনার জন্য একটা জিনিস এনেছিলাম।আমি নিজেই রান্না করি।অনেক কিছু রান্না করতে পারি মুট্মমুটি।বিয়ের আগেই সব শিখে নিছি।যেন বিয়ের পর অসুবিধা না হয়।ও সরি,আই মিন আপনার সাথে যদি বিয়ে হয় আর কি।আপনার জন্য পাতুরি পাতা দিয়ে কই মাছ রান্না করে আনছি। আশা করি আপনার ভালো লাগবে। para que sirve el amoxil pediatrico

ঃসরি আমি কই মাছ খাইনা।খুব নিচু কন্ঠেই বললাম। levitra 20mg nebenwirkungen

:ও সরি আমারি ভুল হয়ে গেছে।আপনাকে না জানিয়ে আমার রান্না করে আনা ঠিক হইনি।আমার জানার দরকার ছিল আপনি কি পছন্দ করেন আর না করেন।সরি………………………।।

ঃনা ঠিক আছে সমস্যা নাই।এই ভাবতে ভাবতে কখন জানি চাদটা মাথার উপর এসে পড়েছে।কিন্তু আজ আর চোখে এতটুকু পরিমান ঘুম আসার কোন সম্ভাবনা নাই।আবার ভাবনার আকাশে আমি চলে গেলাম।তুমি অনেক বেশি দেরি করে ফেলেছ।কালই আমি ওই মেয়ের সাথে বিয়েতে রাজি হয়ে গেছি।আমি পারব এই বিয়েকে না করে দিতে  কিন্তু দিবনা কারন কাল যে আমি আমার বাবার চোখে আনন্দ দেখিছি তা অনেক আগেই হারিয়ে গেছিল আমার জন্য।তা আমি আর হারাতে চাইনা কারন তুমি যখন আমাকে রাস্তার ভিখারির মতো দুরদুর করে তাড়িয়ে দিছ তখন এই বাবা আমাকে রাজপুত্রের মত করে আগলে রেখেছে।আমি দেখিছি এই মেয়ের চোখে আমাকে নিয়ে আশার আলো।বলো আজ কেমন করি পারি তুমার জন্য তাদের মুখ কালো করে দিতে।আমি মেয়েকেও সরি বলে তুমার কাছে ফিরে যেতে পারতাম।পারতাম বাবা হারা সেই একাকিত্ব মেয়েকে তাড়িয়ে দিতে।হ্যা বলার পর মেয়েটাকে এক ঘন্টা পর ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করছি আমি, ইয়ে মানে বিয়ের শাড়ি কবে কিনতে যাবেন?আপনাকে নিয়ে যাব।আমি আবার এগুলা একদম বুঝিনা।আমি কিনলে আপনার আবার একদম পছন্দ হবেনা।আবার ফোন করলাম মেয়েকে,ইয়ে মানে আপনার কি আগের দিনের গহনা পছন্দ ?আসলে মার দুটা বালা ছিল আপনাকে দিতে চাচ্ছিলাম?অনেক আগের ডিজাইন।ভাবলাম আপনাকে আবার জিজ্ঞেস করে নেই।কারন আজকাল মেয়েরাতো আবার একটু আধুনিক যদি ভালো না লাগে।আমার এই স্বপ্ন দেখানো ভেঙ্গে চুড় চূড় করে দিতে পারতাম।কিন্তু না পাড়লামনা এতো স্বার্থপর হতে।তুমিতো অনেক স্বার্থপর হয়েছিলে তাইতো পারছিলে আমাকে এতো কষ্ট আর কাদিয়ে এবং কি ভালোবাসাকে উপেহ্মা করে একটু মুক্তির স্বাদ গ্রহন করতে।কিন্তু আমি পারিনা,আর পারবোনা।কারন এই দুটি মানুষের আমাকে নিয়ে আশাকে ধূলিস্যাত করে দিতে পারবনা আমি।হয়তো তুমি ভাবছ আমি প্রতিশোধ নিচ্ছি।কিন্তু না,ঠিক তা না।আর যদি তুমি ভেবেই নাও প্রতিশোধ তবে তাই।তোমার চোখে অপরাধি হয়ে যদি দুইজন মানুষের মুখে যদি হাসি ফুটাতে পারি তবে তাই।যদি তুমি আর একটু আগে আসতে তালে  তোমাকেই আপন করে নিতাম।যা এখন আর সম্ভব না।অনেক দেরি হয়ে গেছে তুমার।এখন আর আমার-তুমার ভালোবাসা না ওদের ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার সময়।যারা তুমার থেকে অনেক বেশি ভালোবাসে আমাকে।এভাবে ভাবতে ভাবতে কখন যেন ভোরের আযান ভেসে আসছে কানে।চাদ মামা টাও আজ কখন যেন হেলে পড়ছে।আকাশের দিকে ছলছল চোখে তাকিয়ে আছি।আর এভাবেই নিজের অজান্তে কিছু কথা স্মৃতিচারন হলো।

[বিশেষ দ্রষ্টব্য-কথাগুলো কারো জীবন বা ঘটনার সাথে মিল নেই।সবি আমার মনের কাল্পনিক কথা।তবে অনেকদিন আগে নাম না জানা এরকম একটা গল্প পড়ছিলাম তার সাথে কিছু জাগায় মিলে যেতে পারে।]

side effects of drinking alcohol on accutane

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন * walgreens pharmacy technician application online

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong> all possible side effects of prednisone

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

viagra vs viagra plus
doctus viagra