অবতার

950 soulcysters net metformin

বার পঠিত

২০১৫ সালের কোনো এক রাতে যখন রইসুদ্দিনের চারটি বউ স্বামী অধিকারনিয়ে ঝগড়া করছিলো, সেই রাতেগৌতমের মতই সুখের সংসার ছেড়ে বেরিয়ে পরলেন সানি লিওন। তিনিও মহাপুরুষ হবেন বলে। মহাপুরুষ হওয়ার অন্যতম শর্ত হচ্ছে, বেরিয়ে আসা। শুরুটা করতে হয় বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে, এরপর ধ্যান বেরিয়ে আসে, শেষে জ্ঞান বেরিয়ে আসে। সব শেষে নারী দেহের সান্নিধ্যে সামাজিক অসামাজিক অনেক কিছু বেরিয়ে আসে। আজ পর্যন্ত কোন মহাপুরুষ মহিলা হলো না। এটা হতাশা নাকি নিয়তি? বাসে লাফিয়ে উঠার সময় একটি মহাপুরুষের উত্তরাধীকারী ছুঁয়ে দিলো সানিকে, সহজ ভাষায় হাতিয়ে দেয়া। মহাপুরুষরা শুধু হাতাহাতিতে ব্যস্ত।আচ্ছা, নারীরা কি মহাপুরুষ হতে পারে ?

 

তার কতো ইচ্ছা ছিল ভীড়ের মাঝে এরশাদ চাচার ঊরুসন্ধিতে মুক্ষম একটা চাপ দিবে, যেন হারামিটা ক্ষমতার বলে কচি মেয়ে বিদিশার উপর অত্যাচারের শাস্তিটুকু বুঝতে পারে আর সালমান খানের মত চিরকুমার টাইপ সুদর্শনকে একটু ধর্ষণ করবে। ধর্ষণ একটি মানবাধিকার। কেবল মেয়েরাই কেন ধর্ষিত হবে ভেবে কুল পায় না সানি। তার মাথায় একটা সমাজ ব্যাবস্থার কথা খেলা করতেছে। আসলেই তো এই দুনিয়ায় কোন বাপ জানে তার বৈধ স্ত্রীর গর্ভের সন্তানটি কার? কিন্তু দুনিয়ার তাবৎ মহিলাই জানে তিনি কার সন্তান ধারণ করেছেন। তাহলে মানুষের জৈবিক চাহিদা আর সমাজবদ্ধ বসবাসের মূল উদ্দেশ্য যদি হয় সেলফিস জিনের উত্তরাধিকার নিশ্চিত করবার অন্যতম মাধ্যম তবে নারীই হওয়া উচিৎ সমাজের কর্তা, পরিবারের প্রধান। বৈজ্ঞানিকভাবে সেই তার পছন্দের ডজন খানেক পুরুষ থেকে সবচে সক্ষম, জ্ঞানী, নির্ভরশীল আর সুদর্শন পুরুষের জীনকেই টিকিয়ে রাখতে পারবে ভবিষ্যতের পৃথিবীটির জন্যে।

 

তাহলে সব দিক দিয়েই সেইফ। সানির মাথায় রক্ত উঠে যাচ্ছে হাজারো বছর ধরে কি অবৈজ্ঞানিকভাবেই না পুরুষ মহাপুরুষেরা নারীদের বোকা বানিয়ে রেখে ৫০/৭০ কোটি মানুষের সবুজ পৃথিবীকে ৭৩০ কোটি মানুষের খামার বানিয়ে ফেলেছে। কি করা যায়। সমাজের সবচে ক্ষমতাধর একজন পুরুষকে বিয়ে করতে হবে। তারপর তার ধনসম্পদ আর সবকিছু কাজে লাগিয়ে একটি মহাজাগতিক নারী ধর্ম বানাতে হবে। এখনই তার নারী নির্যাতনের কথা মাথায় রেখে একটা প্রতিশোধ মূলক রূপরেখাও দাড় করানো হয়ে গেছে।

  acheter viagra pharmacie en france

আজকের পুরুষরা যেভাবে নারীদের সম্পদ করে ঘরে বন্ধী করতে চায় ঠিক সে ভাবেই তার ভাবনা পুরুষকে একটা অস্ত্র আর দুইটা বুলেট দিয়ে বাসায় বসিয়ে রাখতে হবে। যখন ফায়ারের সময় হবে তখনই খালি তাদের ব্যবহার করা হবে আর বাসার ধোয়া, মুছা, রান্না বান্না সন্তান লালন পালন সবই পুরুষেরা করবে। নারীরা চালক হিসেবে এমনিতেই ভাল, দুর্নীতি প্রবণ না আর প্রচণ্ড কুল হেডেড সুতরাং সমাজের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো তারাই করবে। সে ভেবে কুল পায় না কীভাবে পেশল একজন সুদর্শন পুরুষ এইভাবে জিন্স টি শার্ট পরে রাস্তায় হেঁটে বেড়ায়। এইসব দেখলেই তো তার ছেলেটারে রেপ করতে ইচ্ছা করে। পুরুষের লম্বা পা, সরু কোমর আর প্রসস্থ কাঁধ দেখলেই তো তার মাথায় রক্ত উঠে যায়। রক্ত জমাট বেঁধে শক্ত হয়ে যায় সানির মাথায়। সানি অনুভব করে হাত দিয়ে, শক্ত বিচির মত হয়ে গেছে সেখানে।

  glaxosmithkline levitra coupons

এইসব পেশল শরীরকে অবশ্যই পর্দার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। তার সবচে পছন্দ ঋত্বিক রোশন আর সালমান খানের বডি! আর অশ্লীলভাবেই না তারা সবার সামনে টপলেস হয়ে যায়। তারা কেন টপ লেস হবে। কত পরিশ্রম করে এইটা তারা বানায়ছে তার স্ত্রীর জন্যে। তার বউয়ের নেয়ামত এইটা। আরে মেয়েদের বক্ষ তো ন্যাচারাল এইটা সন্তানের জন্যে। এতে লজ্জা পাওয়ার কি আছে? কোন মা কি সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতে লজ্জা পায়? লজ্জাতো ছেলেদের বক্ষ দেখাতে। এইটা কেবলই তার সঙ্গিনীর হক।

 

আরে পুরুষেরা কি অন্যায়ভাবেই না মেয়েদের বঞ্চিত করছে। আরে এক এরশাদ একদিনে কয়জনের সাথে রাত কাটাতে পারে? এক, দুই কিংবা তিন অথবা চার? কিন্তু সে ভাবে আমরা নারীরা তো চাইলেই ৮/১০ জন পুরুষের সাথে রাত কাটাতে পারি। আমাদের সেবার জন্যেই তো হাফ ডজন পুরুষ দরকার। ওহো, শাস্তির কথাই তো ভুলে গেছে সানি। এইবার আর “স্টোনিং অব সুরাইয়া এম” হবে না এইবার “ওয়াটারিং অব এরশাদ এম” হবে। হিসেব সহজ সে ভাবে আমরা নারীদের কম সময়ে বেশী পুরুষ দরকার বলেই তো পুরুষেরা বেশীদিন এরশাদের মত লম্পট থাকে।

 

সে একটা পোশাক ডিজাইন করতে লাগলো মনে মনে, কীভাবে পুরুষের সরু পেশল এবং শক্তিশালী নিতম্বকে আড়াল করতে হবে, কীভাবে প্রসস্থ বুক এবং এলোমেলো চুল আর ফ্যাশনেবল দাড়িকে আড়াল করতে হবে, আরে আসল বিষয়তো বলায় হয় নি, ওসাইন বোল্ট যখন দৌড়ায় বাঘের মত তার পেশীবহুল কাফ মাসল দেখলেই তো তার পৈশাচিক হয়ে উঠতে মন চায়। কি করবে সানি ভেবে কুল পায় না। সে পুরুষের জন্যে চশমা, জুতা মৌজাসহ একটা খাঁচার মত ড্রেস ডিজাইন করলো। এইটা না পরলেই পুরুষকে নারীদের উত্ত্যক্ত করার দায়ে পানি থ্যারাপি দেয়ার বিধান করবে। উত্ত্যক্ত করেও যদি কাজ না হয় সোজা ধর্ষন করে দিবে।

 

পুরুষের বাইরে কাজ কি। বাসায় অবসর সময়ে এক্সারসাইজ করবে আর নারীর জন্যে নিজেকে ফিট করবে আর সন্তান লালন পালন করবে এইটাই ভাল। বাইরে বের হলেই তারা দুর্নীতি, মদ্যপান আর ধূমপান করে পরিবেশটাকেও নষ্ট করে দিছে। তাদের হাতে ক্ষমতা থাকায়ই তো আজ পৃথিবীর এই দশা। এক পুরুষের একাধিক সংসারে ডজন ডজন বাচ্চা জন্মদিয়া পৃথিবীটারে বসবাসের অযোগ্য করে দিছে। আরে সন্তান নিতে কি কষ্ট সেটাতো হারামিরা বুঝে না। সিদ্ধান্ত আমার আমি কার সন্তান নিয়ে বড় করবো। এমনটা হলে আজ দুনিয়ার মানুষ ১০০ কোটি ছাড়াইত না। সানি ভাবে আর পৃথিবীর জন্যে কাঁদে এই পৃথিবীর জন্যে। তার সমুদ্র আর পাহাড় খুব পছন্দ। accutane prices

  articles on kamagra polo

ভাবে এই পুরুষেরা ক্ষমতায় বলেই আজ এতো যুদ্ধ বিগ্রহ। নারীই যেহেতু সভ্যতার ধারক, সেলফিস জীনের একমাত্র বংশবিস্তারকারী তাই তারাই জানে আজকের শিশুর জন্যে কেমন পৃথিবী রাখতে হবে। নারীরা ক্ষমতায় থাকলে আজ আণবিক বোমা, মিসাইল এইসব করেও এতো অনর্থক কাজ হত না দুনিয়াতে। কেবলই গবেষণা, আর এগিয়ে যাওয়া হত। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আজ আমরা থাকতাম সুপার সায়ন্টেফিক এইজে।

 

ভাবতে ভাবতে সানি ঘুমিয়ে পরে সেই গাছে নীচে। সকালে ঘুম থেকে উঠে সে ভাবল সে তো পুরুষের মত নৃশংস হতে পারবে না তাহলে যুদ্ধ করবে কীভাবে, কীভাবেই বা রাজ্য দখল করে তার স্বপ্নের রাজ্য বানাবে? সে দিল্লির ধর্ষণ থেকে ঢাকার টিএসসি’র ঘটনা কল্পনা করতে করতে হাঁটতে লাগলো। প্রচণ্ড হতাশা ভোর করলো। মানব জীনের নির্ভরতার প্রতীক নারীর এই ক্রোধান্বিত প্রতিনিধির আর ক্যালিগুলা হয়ে উঠা হবে না। দুঃখে আর হতাশায় নিমজ্জিত সানি আত্মহত্যা করতে চাইলো। কিন্তু পারেনি। অনেক দূর থেকে একটি নারীর চিৎকার শুনতে পেল সানি। দৌড়ে গিয়ে সেখানে দেখলো একটি পুরুষ একটি নারী… মেয়েটা ক্ষত বিক্ষত প্রায়। পুরুষের জ্বলজ্বলে চোখ। এরপরই ইতিহাস। দুইটি নারী বনাম একটি পুরুষ সেখানে। ক্ষত বিক্ষত পুরুষ দেহটিকে একপাশে ফেলে রেখে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসলো সানি। তার মুখ তৃপ্তির হাসি। পুরুষটা কাপড় ঠিক ভাবে পরেনাই।

 

সানি হাটছে, পাগলের মত শুধু হাটছে। অনেক পথ বাকি।

You may also like...

  1. এইটা কি কোন মশকরা ছিল? আমি আসলে বিষয়টা বুঝতে পারিনি কি বলতে চাচ্ছেন। আপনার কাছে যদি ছেলেদের অসংযত আচরণ এর বিষয়টা খারাপ মনে হয় তাহলে মেয়েদের ক্ষেত্রেও তাই। আমার এই পোস্টটা একদম ভালো লাগল না। ছেলেরা সমাজ চালায়, তাই দুর্নীতি হয় এইটা বলার আগে কি ভেবে দেখেছেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী কে? বিস্ফোরক এর কথা বলেছেন। সেইরকম পুরুষ যেমন আছে, তেমনি শান্তির জন্য নিজের জীবন দিয়ে দিয়েছেন এমন পুরুষও আছেন। নারীভভিত্তিক সমাজ আসলে সব ঠিক হয়ে যাবে ভাবার আগে ভেবে দেখুন, প্রতিবাদী নারী যেমন আছে,লুতুপুতু নারীও কিন্তু আছে। আসলে নারী পুরুষ এর মধ্য আমি কোন পার্থক্য দেখিনা। আমি মানুষ বিশ্বাস করি। এই পৃথিবীটাকে সুন্দর করতে হলে তা শুধু নারী বা শুধু পুরষ করতে পারবে আমি বিশ্বাস করিনা। মানুষ হিসেবে কাজ করলে হবে। mycoplasma pneumoniae et zithromax

  2. historian বলছেনঃ

    পড়লাম। এটা নারীর প্রতি সমাজে যা হচ্ছে তার বিপক্ষে এক যুক্তি হতে পারে কিন্তু তাতে সমাধানের পথ নেই। আসলে বর্তমান সামাজিস্ট তথা ধর্মীয় সিস্টেম পাল্টালে নারী কিংবা কারো প্রতি কোন অনাচার থাকবে না, এ জন্য দরকার “প্রকৃত শিক্ষা” যা পেতে মানুষের আরো হাজার বছর সময় লাগবে বলে আমার ধারণা। লেখককে ধন্যবাদ

  3. অর্ফি

    অর্ফি বলছেনঃ

    একটা ছুটে আসা গতিকে এমনি এমনি থামানো যায় না। এর জন্যে বিপরীত শক্তির প্রয়োজন। সুন্দর লেখা, ভুল মনে হলেও আপাত সঠিক হবে এটাই।

  4. দুরন্ত জয় বলছেনঃ

    স্ট্যটায়ার টা মজার ছিল।
    তবে কি আমি মানুষের পৃথীবি চাই, নারী কিংবা পুরুষের পৃথিবী নয়…

    নারীকে ভোগের সামগ্রী করে পুরুষ যেমন নিন্দনীয় হয়েছে, তেমনই নারীও হবে যদি সে পুরুষকে ভোগের সামগ্রী বানাতে যায়…

    সেই সব ব্যক্তিদের পড়ানো উচিত যাদের চোখে নারী ভোগের সামগ্রী আর মুখে বলে পদতলে বেহশত…

  5. সরি , কিছুই বুজলাম না । তবে, বুজলাম নারী- পুরুষ অধিকার নিয়ে লিখতে চেয়েছেন।

  6. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    মজার আসলেই স্যাটায়ারটা চমৎকার…
    কিন্তু কথা হল লক্ষ বছরের মানব সভ্যতার ইতিহাসের আধুনিক যুগের পুরুষতান্ত্রিকতা এতোটাই প্রকট যে আপনার এই লিখনিকে ভয় পেয়ে এখনই পুরুষেরা নারীর বঞ্চনা আর দুর্ভোগকে অনুধাবন না করেই নিজের অবস্থার কথা কল্পনা করে দ্রুতই মানবতাবাদের কথা বলছে। অথচ নিজে কখনই নিরপেক্ষ হতে পারবে না। যদিও নিরপেক্ষতা একটি তুলনামূলক পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গিকে জায়েজ করার জন্যে ব্যবহৃত হয় বলে আমার ধারণা…

    কল্পিত ঈশ্বররাই যেখানে পক্ষ নিয়ে নিয়েছে সেখানে বাস্তবের মানুষেরা কি করবে…
    তবে প্রহসনটি আরও ব্যাপক পটভূমিতে লিখা হলে আরও চমৎকার হত!!

  7. সবাই দেখি খুব সিরিয়াস টাইপ মন্তব্য করছে।
    বুঝলাম না, এটা তো রূপক অর্থে একটা ব্যাঙ্গার্তক লেখা। এটিতে নারী পুরুষের পৃথিবী চাই নাকি মানুষের পৃথিবী চাই বলাটা খুব হাস্যকর লেগেছে আমার কাছে।

  8. খুব ভাল লাগলো অনেক সুন্দর একটি লেখা। আসলেই ব্যতিক্রম। সমাজে এভাবেও ঘটতো পারত অথবা এভাবেই ঘটার কথা ছিল। ঈশ্বরের পুরুষতান্ত্রিকতার জন্য জন্য এ অবস্থা হয়েছে। ভালো লিখেছেন। চালিয়ে জান।

  9. অপার্থিব বলছেনঃ

    লেখার বিভাগটি রুপকথা না হয়ে স্যাটায়ার বা প্রহসন হওয়া উচিত ছিল । মানব সমাজ টিকে থাকার অন্যতম গুরুত্ব পূর্ণ একটি ফ্যাক্টর হল সামজিক উৎপাদন । সেই সামাজিক উৎপাদনের উপর নিয়ন্ত্রন যখন পুরুষের হাতে চলে এসেছে তখনই পুরুষ নারীর উপর কর্তত্ব করা শুরু করেছে । পুরুষেরাই ধর্মকে তৈরী করেছে , ধর্ম কে ব্যবহার করেছে নারীদের অধীনস্ত করে রাখার কাজে । আর্যরা নিজেদের স্ত্রীদের মাথায় সিদুর দেওয়ার প্রথা চালু করেছিল সেই নারীটি যে অন্য একজনের অধীনস্ত সেটা অন্যদের সামনে প্রমাণের জন্য। ইসলাম ধর্মও হিজাবের মাধ্যমে একই কাজটি করেছে।

প্রতিমন্তব্যদুরন্ত জয় বাতিল

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

funny viagra stories

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

malaria doxycycline 100mg