২৫ শে মার্চ ও আরও কিছু প্রতিরোধযুদ্ধ

384 kamagra pastillas

বার পঠিত

২৫ শে মার্চের কথা বললেই যে চিত্র আমাদের সামনে ভেসে ওঠে,সেটি হচ্ছে পাক বাহিনী কতৃক সংগঠিত গনহত্যা এবং আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত এই বাহিনীর বিরুদ্ধে খেলনা বন্দুক তুল্য থ্রি নট থ্রি নিয়ে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বের সাথে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে প্রতিরোধ করা পুলিশ বাহিনীর সেই সব বিরযোদ্ধাদ্দের কথা।কিন্তু ২৫ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত আরও কিছু বিক্ষিপ্ত প্রতিরোধ যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল ঢাকার বুকে,অসীম সাহসি,দেশপ্রেমিক সেই যোদ্ধাদের দ্বারা সংগঠিত সেই প্রতিরোধ যুদ্ধের কথা হয়ত অনেকেরেই অজানা।চলুন জেনে নেই সেই সব বীরত্বের কাহিনী।

ঢাকা মিরপুর প্রতিরোধঃ রাজারবাগ পুলিশ লাইনের এস আই আব্দুস সোবাহান ২৫ শে মার্চ রাতে মিরপুর ১০ নম্বরে জরুরী টহলে ছিলেন।রাজারবাগ পুলিশ লাইনের হামলা এবং প্রতিরোধ যুদ্ধের কথা তিনি ডিউটিরত অবস্থায় জানতে পারলেন।সাথে সাথেই টহলরত ৩৭ জন পুলিশ নিয়ে তিনি মিরপুর থানায় যান।ইতিমধ্যেই মোহাম্মাদপুর ও আসাদ গেটের দিকে ভীষণ গোলাগুলি শুরু হয়েছে,সারা ঢাকা শহর তখন জ্বলছে।দেশমাতৃকার টানে সিদ্ধান্ত নিলেন প্রতিরোধ যুদ্ধ করার,আব্দুস সোবাহানের নেতৃত্বে ৩৭ সদস্যের পুলিশ দলটি মিরপুর ইটখোলার ভিতরে পজিশন নিয়ে থাকলেন,হানাদার বাহিনীর ৩ ট্রাক সৈনিক ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের বিপরীতে তাদের কাছে রয়েছে জন প্রতি একটি রাইফেল ও ২০ রাউন্ড গুলি।মিরপুর ই পি আর ক্যাম্পে ই পি আর জওয়ানদের সাথে হানাদারদের প্রায় ১ ঘন্টা যুদ্ধা চলে,ট্রাকে করে ই পি আর জওয়ানদের বন্দি করে ফিরছিল হানাদাররা।সীমিত গোলাবারুদ নিয়ে কেবল মাত্র অসীম সাহসিকতা আর দেশ প্রেম নিয়ে হানাদারদের উপর ঝাপিয়ে পরে ৩৭ জন সদস্যের এই দলটি।কিন্তু গুলি ফুরিয়ে এলে তারা পিছু হটতে বাধ্য হন।কল্যানপুর বাঙালি এলাকায় এসে তারা ইউনিফর্ম ছেড়ে ছাত্র জনতার সাথে মিশে যান।পরদিন ২৬ মার্চ কারফিউ উপেক্ষা করে অসংখ্য বিহারি বাঙালি কলোনিতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে লুটপাট শুরু করলে লুকিয়ে থাকা পুলিশ সদস্যারা বিহারীদের প্রতিরোধ করে,ঘটনাস্থলেই দু জন বিহারি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় এবং বাকিরা পালিয়ে যায়।

পিলখানার প্রতিরোধ যুদ্ধঃবাংলাদেশের সামরিক ও প্রতিরক্ষা বিভাগ গুলোর মধ্যে প্রথম পতাকা উত্তলনের প্রথম দুঃসাহস দেখায় ই পি আর।মার্চের ৩য় সপ্তাহে ই পি আর এর প্যারেডগ্রাউন্ডের বট গাছের মাথায় প্রথম পতাকা উত্তলন করেন, ল্যান্স নায়েক বাশার।পরে তাকে নিষ্ঠুর ভাবে হত্যা করা হয়।রাজারবাগ পুলিশ লাইন আক্রমনের পরে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে রাত ১ টা ৫ মিনিটে ২২ বেলুচ রেজিমেন্ট পিলখানা আক্রমন করে,পিলখানার ২৫০০ বাঙালি জওয়ান ও অফিসারদের মধ্যে মাত্র ৬০০ জন পালাতে সক্ষম হয় এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন।বাকি ই পি আর সদসেদের আটক করা হয় এবং বেয়নেট চার্জ এবং গুলি করে হত্যা করা হয়।পিলখানায় বাঙ্গালিদের সাথে সংগঠিত প্রতিরোধ যুদ্ধে পাকিস্তানিদের একজন লেফট্যানেন্ট সহ ৬ জন সৈনিক নিহত হয়।এই যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন গার্ড কমান্ডার জহিরুল হক।

বংশাল থানা প্রতিরোধযুদ্ধঃ২৫ শে মার্চের রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও পিলখানা আক্রমনের পর,হানাদারদের একটি দল যায় বংশাল থানা আক্রমন করতে।তাদের হতবাক করে দিয়ে থানার ভেতর দিয়ে এক অন্যরকম অভ্যারথনা জানায় একটি মেশিনগান থেকে ছোড়া গুলি।দু পক্ষের যুদ্ধ শুরু হলে কিছুক্ষন পর হানাদাররা পালিয়ে যান।এই প্রতিরোধ যুদ্ধের নায়ক ছিলেন সু পরিচিত নাদের গুন্ডা ও তার কয়েকজন সাগরেদ।
লেঃ আনোয়ারের প্রতিরোধঃ লেঃ আনোয়ারসহ সেনাবাহিনীর ১৬ জন যুবক ২৭ মার্চ সেনাবাহিনী থেকে পালিয়ে যান।তেজগাঁও ড্রাম ফ্যাক্টরির কাছে ই পি আর,আনসার,পুলিশ ছাত্র জনতা সবাই মিলে মুক্তবাহিনি গঠন করেন।এদের সংখ্যা ছিল সাড়ে তিনশ এর উপরে,লেঃ আনোয়ার এই বাহিনীর দায়িত্ব গ্রহন করে,তেজগাঁও রেল লাইনের অপরদিকে হানাদারদের সাথে মুক্তিবাহিনীর সংঘর্শ হয়,এতে হানাদারদের ১২৬ জন নিহত হয়,তাদের ৩ টি গাড়ি ধ্বংস করা হয়।বহু অস্ত্র দখলে আসে মুক্তিবাহিনীর।

তথ্যসুত্রঃ ফিরে দেখা ৭১ viagra en uk

You may also like...

  1. অংকুর বলছেনঃ

    অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় ফুটিয়ে তুলেছেন ভাই। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র সংগ্রাম এগুলো। অথচ এগুলার বিষয়ে কেউ জানেনা all possible side effects of prednisone

  2. দারুণ একটা কাজ করেছেন ভাই! এসব ইতিহাস চাপা পরে গেছে, অজানা থেকে গেছে! অনেক আগেই এইসব ইতিহাস উঠে আসা উচিত ছিলো! দেরিতে হলেও যে এইসব ইতিহাস উঠে আসছে এটাই আশার কথা …

    ধন্যবাদ..

  3. মনে প্রশ্ন জাগে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে পুলিশ লাইনে মেবি প্রথম এটাক হয়। তাহলে ইপিআর দের তো আগে থেকেই কাউন্টার করার জন্য রেডি থাকার কথা । কারন তাদের কাছে পুলিশ দের নিউজ ততক্ষণে পৌছে যাওয়ার কথা । :???: side effects of quitting prednisone cold turkey

    • না ভাই ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১১ টার দিকে অথবা এর কিছু আগে আক্রমন ঘটে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে,আর আমার পোস্টেই উল্ল্যেখ আছে ই পি আর প্রতিরোধ করেছিল এবং এক ঘন্টার মত যুদ্ধ হয়।আর মার্চের প্রথম সপ্তাহে ২২ বালুচ রেজিম্যান্টে পিলখানায় আনা হয়।তার মানে পাকিরা শুরু থেকেই পিলখানায় ছিল,এবং যখন ই পি আর দের গ্রেফতার করা হয় তখনই তারা প্রতিরোধ করে

  4. আর একটা জিনিস ! তখন Fire brigade এর উপর (ঢাকা) কি এটাক করা হয়েছিলে?

    acquistare viagra in internet
  5. অপার্থিব বলছেনঃ

    ৭১ পূর্ব কালীন বাঙ্গালীদের আন্দোলন সংগ্রাম দমনে পাকিস্তান সরকারের পক্ষে বড় ভুমিকা রেখেছিল সে সময়ের পুলিশ -ইপি আর( হয়তো চাকরী কিংবা প্রাণ বাচাতে বাধ্য হয়ে)। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তুলেছিলেন এনারাই।

    • Aimless Venom

      Aimless Venom বলছেনঃ

      ‘ হয়তো চাকরী কিংবা প্রাণ বাচাতে বাধ্য হয়ে ‘- পুলিশদের কথা জানি না। কিন্ত ইপিআর এর কথা বলতে পারি।
      সেনা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত সকল বাহিনীর (বর্তমানের আনসারও) প্রথম দায়িত্ব কাশান বা কমান্ড পালন করা।একজন সৈনিকের এটা ধর্মও বলা চলে। :lol: সেক্ষেত্রে তারা একপ্রকার বাধ্য ছিল বলা চলে।তারা অন্যায় জানার পরও পাকিদের পক্ষে একারনে কাজ করে গেছে। আর মুক্তিবাহিনীর মুল সেনাবাহিনী গঠিত হয়েছিল এদের দ্বারাই । :grin: তাই বলা চলে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত এরাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রধান অস্ত্র। :razz:

    can levitra and viagra be taken together

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

zovirax vs. valtrex vs. famvir
viagra vs viagra plus