চাওয়া-পাওয়া

605

বার পঠিত

স্কুল জীবনের শেষ দিকের কথা, বরই আঁতেল মার্কা হাবলু টাইপ স্টুডেন্ট কাতারের যদি নাম চাওয়া হয়; আমার নাম আসবে সবার আগে। একবার খেলার মাঠ থেকে দূরে অনুষ্ঠানের শব্দ কানে আসতেই ছুটে গেলাম ওই দিকে গিয়ে দেখি বেশ গান বাজনা চলছে এ এক আরেক জগত। চেনা মানুষের সংখ্যা খুব কম যারা আছে অনেক দূরে, কথা বলা সম্ভব না; জিজ্ঞেস করা সম্ভব না যে, হচ্ছেটা কি ??

দাড়িয়ে রইলাম স্যারের বক্তৃতা চলছে, আমার ক্লাসের একজন বন্ধু (অনিক) আমার পিছে দেখে অবাক হই। কারন অনিকতো ছুটি হবার পরেই বাসায় চলে যায়, আর গোত্রেরের ও পার্থক্য থাকায় ভাল বন্ধু বলা যাবে না; শুধু ক্লাসমেট।

-অনিক জিজ্ঞেস করলো দোস্ত তুই আমার একটা কাজ করবি ? can your doctor prescribe accutane

-মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ সূচক জবাব দেই। viagra en uk

-আমার আজকে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আমার থাকতে ইচ্ছা করছে না আমার নামটা ডাকলে আমার হয়ে পুরষ্কারটা নিয়ে তোর কাছে রাখবি ?

-আমি আবারো হ্যাঁ সূচক জবাব দিলাম।

-স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে অনিক কাঁধের ব্যাগ শক্ত করে ধরল, আর যাওয়ার জন্য মুখ ফিরিয়ে নিল। কিছু দূর গিয়ে আবার ফিরে এসে বললো, আমার জ্বর এই জায়গা থেকে একদম নরবি না আমার নাম কিছুক্ষণের মধ্যেই ডাকবে।

অনিক চলে গেলো ক্লান্ত মুখ নিয়ে আমার হাতে সময় আছে, আমার বড় ভাই এর ছুটি হবার আগপর্যন্ত আমার থাকতে হবে ছুটি হলে এক সাথে যাবো। সুতরাং তাড়াহুড়ার কিছু নেই ভাবতে ভাবতেই অনিক এর ডাক আসলো। অনিক তো মাত্রই গেলো এখনও মেইন গেট দিয়ে বের হয়নি দেখা যাচ্ছে ওকে এক দৌড় দিয়ে ধরে আনবো বলে উঠে দাঁড়ালাম, সবার চোখ তখন আমার দিকে আমার নাম অনিক আর হাততালি শুরু হয়ে গেলো লজ্জায় চোখ মুখ সাদা-কালো মিশে ঘোলাটে একবর্ণ ধারন করল। বর্ণটার নাম লজ্জা বর্ণ হওয়ার কথা। কাঠের তক্তা দিয়ে সামান্য উঁচু করা জায়গাটাকে ষ্টেজ বানিয়েছে একটু লম্বা হবার কারনে আমি যখন যাই এবং আমাকে দাঁড়াতে বলা হয় আমি ষ্টেজের উপর গিয়ে দাড়াই এবং সবার চাইতে আমার অবস্থান উঁচুতে দেখে কেমন জানি একটা ভাল লাগা কাজ করল। আমাকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর একটি বই উপহার দেয়া হলো আর উপরে বড় করে লিখা প্রথম পুরষ্কার ও অনিক এর নাম।

-আমাকে বলতে বলা হল তোমার অনুভুতি কি ?

এখানে আমি অনিক না কেউই জানে না আমাকে সবাই অনিক ভাবছে।

-আমি সবার সামনে লজ্জা মুখ করে বললাম অনিকের জ্বর তাই আমি ওর হয়ে এসেছি। হাততালি দিচ্ছিলো সবাই হটাত থেমে গেলো কিন্তু আমার তেমন লজ্জা লাগলো না যে আমি অনিক আর হয়ে ওখানে গিয়েছি হাততালিটা আমার জন্য না কিন্তু শিখেছি, বুঝেছি, পেয়েছি হোক আরেক জনের সন্মান। কারন আমি তো কখনো ভাল ছাত্র হবার চেষ্টাই করিনি। ভাল ছাত্র হবার স্বাদ পেলাম জীবনে প্রথম তাও আবার অনিক এর জন্য। স্বাদটা ভাল ছাত্রের জন্য না, স্বাদটা এসেছে হাততালি পাওয়া থেকে অসাধারণ এক আনন্দ নিজে থেকে নিজের জন্য এমন হাততালি পাওয়ার ইচ্ছে হল।

এবার চেষ্টা করতে থাকলাম কি দিয়ে এই হাত তালি কুড়ানো যায়। বার্ষিক সমাপনী অনুষ্ঠানে নিজের নাম লিখালাম গায়ক হিসেবে আর অনেক হাততালি পেলাম অসাধারণ, জীবনে একমোরে এই ভাবে কারও থেকে পেয়ে নিজের জন্য কিছু চাওয়ার ইচ্ছে জাগলো। আর এই ভাবেই আমি কিঞ্চিত একটি ছোট সফলতা দিয়ে জীবনের চাওয়া পাওয়ার খাতায় নাম লিখালাম।

বলাই বাহুল্য এর আগে আমার কোনো প্রকার চাওয়া পাওয়া ছিলো না বললেই চলে… এই জীবনে নতুন এক দাঁড় উন্মোচন হোলো আমার, যার অনুভূতি আসলেই অসাধারণ…।

accutane prices
venta de cialis en lima peru

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

renal scan mag3 with lasix

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong> kamagra pastillas

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment. zoloft birth defects 2013

synthroid drug interactions calcium
half a viagra didnt work
glyburide metformin 2.5 500mg tabs