লেটার টু আ পাকিস্তানি ডিপ্লোম্যাট

967

বার পঠিত

কোন এক পাকিস্তানি কূটনীতিকের উদ্দেশ্যে চিঠিঃ(নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস,২ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)

( ইকবাল আহমেদ একজন বিহারী-পাকিস্তানি দার্শনিক, নোয়াম চমস্কি এবং এডোয়ার্ড সাঈদ-এঁদের সমসাময়িক ও বন্ধুস্থানীয়।বাংলাদেশে গণহত্যাকে জায়েজ করতে পাকিরা যেসব যুক্তি ব্যবহার করে(উদাঃ বাংগালি কর্তৃক বিহারী হত্যার প্রতিশোধ নিতেই আসলে পাক আর্মি আসে ম্যা ম্যা ম্যা), খুব সুন্দর ভাবে সেগুলো খণ্ডন করেছিলেন তিনি।আজ থেকে সাত বছর আগে লেখাটি অনুবাদ করেছিলাম, সেই ২০০৮ সালে-সভ্যতাব্লগের জন্যে আবার তুলে দিচ্ছি।

লেখাটির কিছু কিছু বিষয়ের সাথে একেবারেই একমত নই, বিশেষ করে বংগবন্ধুকে নিয়ে লেখকের মন্তব্য রীতিমত আপত্তিকর।অবশ্য পাকিস্তানি কারো মুখ থেকে বংগবন্ধুর  প্রশংসা আশা করাটাও বাতুলতা, কাজেই এ প্রসংগে না যাই। মূল লেখার লিংক নীচে দেয়া আছে।

ছাগুকূলের যুক্তি নস্যাৎ করতে লেখাটি অবশ্যপাঠ্য)
ইকবাল আহমেদ


নিউইয়র্ক টাইমসে(১০ এপ্রিল ১৯৭১) আরো তিনজন পশ্চিম পাকিস্তানি পন্ডিতের সাথে স্বাক্ষরিত আমার একটি চিঠি প্রকাশিত হয়। পূর্ব বাংলায় পাকিস্তানি সামরিক সরকারের হস্তক্ষেপের বিরোধীতা করে আমার প্রদত্ত বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এরপর বহু পাকিস্তানি কর্মকর্তা প্রতিবাদ জানিয়েছেন।তাঁরা সবাই নির্দিষ্টভাবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো তুলে ধরেছেনঃ

 

১)জেনারেল ইয়াহিয়ার নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনী কেবলমাত্র একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন দমনের মাধ্যমে জাতীয় সংহতি বজায় রাখতে চাইছে-যে আন্দোলন সফল হলে ৭ কোটি পূর্ব পাকিস্তানি মানুষ সাড়ে ৫ কোটি পশ্চিম পাকিস্তানির কাছ থেকে পৃথক হয়ে যাবে।

২)বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদীরা(*) পূর্ব পাকিস্তানে বসবাসরত পশ্চিম পাকিস্তানি নাগরিক এবং বিহারী সংখ্যালঘু উদ্বাস্তুদের হত্যা করতে শুরু করার পরই সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করেছে। amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

৩)যেহেতু আওয়ামি লিগের নেতারা পশ্চিমা মনোভাবসম্পন্ন,এবং যেহেতু চীন কেন্দ্রীয় সরকারকে সমর্থন করে-সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী এবং আমূল সংস্কারে বিশ্বাসীদের উচিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রমকে সমর্থন করা।

আমার নিম্নলিখিত বক্তব্য উপরোক্ত মনোভাব পোষণকারী এমনই একজন বন্ধুরপ্রতিঃ

জনাব, viagra in india medical stores

আমি আশা করি আপনি এটা বুঝতে পেরেছেন যে নিউ ইয়র্ক টাইমসে(১০ এপ্রিল ১৯৭১) আপনি যে বক্তব্যটি দেখেছেন সেটা আমি এবং আমার ভাই সাগীর আহমেদের পক্ষে প্রকাশ করাটা খুব একটা সহজ ছিলনা।প্রথমত, বাংলাদেশ আন্দোলনের প্রতি আমার কোন জন্মগত সমবেদনা নেই।বরং শেখ মুজিবের(পূর্ব পাকিস্তানি নেতা,যার দল আওয়ামী লিগ জাতীয় অধিবেশনে সরকার গঠন করার মত সংখ্যাধিক্য লাভ করেছে এবং শতকরা ৯৮ ভাগ বাঙ্গালি ভোট পেয়েছে) প্রতি আমার যথাযথ কারণে বিতৃষ্ণা রয়েছে। তিনি একজন ক্ষুদ্র এবং বোধবুদ্ধিহীন মানুষ হিসেবে আমাকে “মুগ্ধ” করেছেন।কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমি তাঁর পশ্চিম পাকিস্তানি জ্ঞাতি ভাই-গিরগিটির মত নিজের রং বদলকারী দুর্বিষহ জনাব ভুট্টোর প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ করি।এছাড়া ঔপনিবেশিক ব্রিটেনে বেড়ে ওঠা আর আমেরিকার অস্ত্রে সজ্জিত জেনারেলরা,যারা দেশকে স্পেন বা গ্রীসের মুসলিম সংস্করণে পরিণত করতে চায়-তাদের প্রতিও আমার মনোভাব খুব একটা উঁচু নয়।

দ্বিতীয়ত, আপনি জানেন যে আমি মূলতঃ বিহারের লোক। আমার পরিবার পরিজনের বেশিরভাগ লোক বিহার থেকে এসে পূর্ব পাকিস্তানে অভিবাসী হয়েছে-যাদের অনেকেই সেনা হস্তক্ষেপের ঠিক আগে উন্মত্ত বাঙ্গালিদের হাতে মারা গিয়েছে।এছাড়া আমি নিজেই পাকিস্তান আন্দোলনের সময় বেড়ে উঠেছি-জাতীয় ঐক্যের কথা চিন্তা না করাটা তাই আমার পক্ষে খুবই কষ্টসাধ্য।সবশেষে,একজন সংস্কারবাদী ও আন্তর্জাতিক মনোভাবসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনকে আমি অগ্রযাত্রার পথে সঠিক পদক্ষেপ বলে মনে করিনা।এসব কারণে পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষা হয় এমন একটি নীতিকে সমর্থন করাটাই আমার পক্ষে স্বাভাবিক।

যাই হোক, আমি যখন সমসাময়িক ঘটনাবলী সম্পর্কিত প্রকৃত তথ্যাবলীর দিকে তাকাই-সামরিক হস্তক্ষেপের সপক্ষে রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক বা নীতিগত-কোন ধরণের সমর্থনই খুঁজে পাইনা।বর্তমানে ঘটতে থাকা ঘটনাবলীর প্রতি আমি যতটা তীক্ষ্ণভাবে সম্ভব ঠিক ততটাই তীক্ষ্ণভাবে নজর রাখছি-যদিও অধিকাংশ সংবাদপত্রের রিপোর্টে অসংলগ্নতা রয়েছে।প্রকাশিত সংবাদের উপর সামরিক নিয়ন্ত্রণই এর কারণ,যার কিছুটা ভারত থেকেও এসেছে।

 

আমার বক্তব্য হচ্ছেঃ

১) সেই ১৯৫৭ সাল থেকে সামরিক শাসনের অধীনে থাকা পূর্ব পাকিস্তানিদের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি ক্ষোভের পুরোপুরি যৌক্তিক কারণ রয়েছে।পশ্চিম পাকিস্তানের সবচেয়ে গোঁড়া সমর্থকও বাঙ্গালিদের প্রতি মোটা দাগের অর্থনৈতিক বৈষম্য আর শোষণের কথা অস্বীকার করতে পারবেনা।১২ বছরের সামরিক শাসন তাদেরকে ক্ষমতার সামান্যতম অংশ থেকেও বঞ্চিত করেছে।

 

২)প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের জন্যে আওয়ামী লিগের দাবীর প্রতি প্রায় সর্বসম্মত ভোটার সমর্থন পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি উন্নাসিকতার ফলাফল ছাড়া আর কিছুই নয়-যে উন্নাসিকতার চূড়ান্ত রূপ দেখা যায় সাইক্লোন আক্রান্ত পূর্ব পাকিস্তানিদের প্রতি সীমাহীন ঔদাসীন্যে। আমি স্বীকার করি যে পশ্চিম পাকিস্তানের গরীবেরাও ভুক্তভোগী এবং আমাদের নেতাদের ঔদাসীন্য হয়তো দুক্ষেত্রেই সমান।তারপরেও,অপেক্ষাকৃত পশ্চাৎপদ পূর্ব পাকিস্তানিরা যদি একে প্রাদেশিক বৈষম্যের ফলাফল হিসেবে দেখে তাহলে তাদেরকে দোষ দেয়া যায়না।

  zoloft birth defects 2013

৩)সংসদ বহির্ভূত মীমাংসায় পৌঁছতে ব্যর্থ হবার পর পশ্চিম পাকিস্তানি নেতাদের মদদপুষ্ট সেনাবাহিনী ২৫ মার্চ,১৯৭১ পাকিস্তানের সর্বপ্রথম মুক্তভাবে সংঘটিত নির্বাচনের ফলাফল মুছে ফেলতে হস্তক্ষেপ করে। সম্ভবত তারা পাকিস্তানের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে আত্মসমর্পনের আশা ছেড়ে দিয়েছিল।এটা এখন দিবালোকের মত সত্য যে ভুট্টো আর মুজিবের দর-কষাকষিকে তারা আড়াল হিসেবে ব্যবহার করেছিল।

 

৪)সন্দেহাতীতভাবে বলা যায় যে কেন্দ্রীয় সরকারের জনপ্রিয়তার কোন ভিত্তি নেই।এমনকী চার মাসের আতঙ্কের পরেও তারা সামরিক হস্তক্ষেপকে কিছুটা বৈধতা দিতে পারে এমন একটি দালাল শ্রেণী গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে।

 

৫)পূর্ব পাকিস্তানে যদি সেনাবাহিনীর প্রভূত্ব বজায় থাকে-তাহলে এই ঔপনিবেশিকতার জন্যে পূর্ব আর পশ্চিম দুই পাকিস্তানকেই চড়া মাশুল গুনতে হবে।শেষোক্তটির জন্যে তা বয়ে আনবে অর্থনৈতিক দুর্দশা, সমাজ ও রাজনীতির সামরিকীকরণ এবং নাগরিক অধিকারের পুরোপুরি বরখেলাপ। আসাদ এবং লায়াল-ও-নাহারের মত পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া,পশ্চিম পাকিস্তানের সাম্প্রতিক প্রায় ৮০০ লোকের বিচারবিহীন আটক(যাদের মধ্যে আফজাল বানগাশ,মুখতার রানা আর জি এম সায়েদের মত নেতা, আব্দুল্লাহ মালিক ও শেখ আজিজের মত মননশীল ব্যক্তি এবং জি এম শাহের মত পেশাজীবী পণ্ডিত রয়েছেন) এবং লয়ালপুর আর শিয়ালকোটে সরকারের সাথে ভিন্নমতাবলম্বী জনতার প্রতি পিটুনি একদলীয় মতবাদের দিকে ঝুঁকে যাওয়াকেই নির্দেশ করে।

 

একইভাবে যেসব সম্পাদকীয় ও বক্তব্য ভারতীয়-ইহুদি-আমেরিকান ষড়যন্ত্রের কথা বলে জনমনে ভীতি ছড়াচ্ছে তা নিয়েও আমি শঙ্কিত।আমেরিকান সরকার অস্ত্রশস্ত্র ও অর্থ দিয়ে রক্তপিপাসু সামরিক একনায়কত্বকে পরোক্ষভাবে সহায়তা করছে- আমার শঙ্কাটি এ কথা জানা সত্বেও বিদ্যমান । সর্বোপরি, সেনাবাহিনী কর্তৃক আমাদের হিন্দু নাগরিকদের পরিকল্পিত হত্যা ও অত্যাচার এবং ধর্মীয় মৌলবাদের উত্থান নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন।এই নীতি ভারতের ৮ কোটি মুসলিমের উপর কি প্রতিক্রিয়া ডেকে আনবে একথা চিন্তা করলে আমি ভয়ে শিউরে উঠি।

 

৬) এই মুহূর্তে পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক শাসনের ইতি না ঘটালে দূর্ভিক্ষ,মহামারী এবং সেনাবাহিনী কর্তৃক পর্যায়ক্রমিক গণহত্যা আগামী মাসগুলোতে লক্ষ লক্ষ প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।সামরিক হস্তক্ষেপ ইতোমধ্যে প্রায় ২৫০,০০০ নিরস্ত্র মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।৬০ লক্ষ উদ্বাস্তু ভারতে পৌঁছেছে।৬০,০০০ থেকে ১০০,০০০ মানুষ প্রতিদিন ভারত যাচ্ছে এবং কলেরা সংক্রমন আর দরিদ্র ভারতীয়দের বিদ্বেষের স্বীকার হচ্ছে।লক্ষ লক্ষ ভীতসন্ত্রস্ত ও ক্ষুধার্ত মানুষ পূর্ব পাকিস্তানের ভেতর অমানবিক দিন কাটাচ্ছে-সম্ভাব্য পরিসংখ্যান মতে এটি ইতিহাসের ভয়াবহতম হত্যাযজ্ঞ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

আপনি জানেন,পূর্ব পাকিস্তানে অস্তিত্বের ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্ত নাজুক একটি বিষয়।সামান্য অসঙ্গতি এখানে প্রায়ই মর্মান্তিক ঘটনার জন্ম দিয়ে থাকে।১৯৭০ ও ১৯৭১ বিশেষ করে কঠিন সময় হিসেবে দেখা দিয়েছে।গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের বন্যা ছিল বিগত কয়েক দশকের মধ্যে সবচাইতে ভয়াবহ যা প্রায় ৫ লক্ষ টন খাদ্যশস্য বিনষ্ট করেছে।নভেম্বরের সাইক্লোন,যা কিনা শতাব্দীর সবচাইতে মারাত্মক,সেটিও প্রায় সমপরিমান খাদ্যশস্য বিনষ্ট করেছে এবং একহাজার বর্গমাইল আবাদী জমিকে অন্ততঃ এক বছরের জন্য চাষবাসের অযোগ্য করে দিয়েছে। synthroid drug interactions calcium

এরপর সেনাবাহিনী তাদের বাঙ্গালি প্রতিপক্ষের রসদ সরবরাহে বাধা দিতে মজুদ খাদ্য বাজেয়াপ্ত এবং অগ্নিসংযোগ করেছে।বহু ভীত,বাস্তুচ্যুত কৃষক শীতকালীন ফসল ঘরে তোলেনি।দূর্ভিক্ষ এড়াতে সর্বমোট প্রায় ২৫ লক্ষ টনের এই ক্ষতি যত দ্রুত সম্ভব পুষিয়ে দিতে হবে।বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক জরিপ এবং সেনেটর কেনেডীর প্রকাশিত স্টেট ডিপার্টমেন্টের রিপোর্টে দেখা যায় যে পূর্ব পাকিস্তানের পশ্চিমা এবং ইউরোপীয় কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনকে দূর্ভিক্ষের আশংকায় সতর্ক করেছে।

 

অন্যেরা তাদের পূর্বাভাসের ব্যাপারে আরো নিশ্চিত তথ্য দিয়েছে।তিন মাস আগে লেইন ম্যাকডোনাল্ড(অক্সফ্যাম ও অন্যান্য সংস্থার রিলিফ সমন্বয়কারী) সতর্ক করে দিয়েছেন যে প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ খাদ্যাভাবের শিকার হতে পারে।সাম্প্রতিক ফিনান্সিয়াল টাইমস অব লন্ডন অনুমান করেছে যে অতি দ্রুত রিলিফ ও পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু করা না হলে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষ মৃত্যুমুখে পতিত হবে।বিবিসির সাংবাদিক এলান হার্ট বিশ্বাস করেন “প্রায় দুই কোটি বা তারও বেশি পূর্ব পাকিস্তানি মানুষ সেপ্টেম্বর অথবা অক্টোবরের মধ্যে খাদ্যাভাবের শিকার হবে”।

দ্রুত রিলিফ সরবরাহের মাধ্যমে আসন্ন মর্মন্তুদ ঘটনা ঠেকিয়ে দেবার সম্ভাবনা খুব কম।শুধুমাত্র বেসামরিক আইনের দ্রুত প্রতিস্থাপন খাদ্যশস্য ও ওষুধপত্রকে সামরিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা ঠেকাতে পারে,এবং এধরণের প্রতিস্থাপনই কেবল রিলিফের সঠিক বিতরণ ও রিলিফকার্যে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখা নিশ্চিত করতে পারে।

  about cialis tablets

৭)সবশেষে,আমি সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই যে পূর্ব পাকিস্তানিদের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার এমনকী বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া যদি না মেনে নেয়া হয় তাহলে সত্যিকারের বেসামরিক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

 

এ সব কারণে আমি বিশ্বাস করি যে পশ্চিম পাকিস্তানিদের উচিৎ এই মুহূর্তে নিঃশর্তভাবে সামরিক শাসনের বিলোপসাধনে জোর দেয়া,ন্যায়ভাবে নির্বাচিত জাতীয় এসেম্বলিকে সহায়তা করা এবং তার সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া-এমনকী সে সিদ্ধান্ত যদি পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রকে ভেঙ্গে দেয় তবুও।আমাদেরকে অবশ্যই “সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের উদ্দেশ্য পাকিস্তানের একমাত্র মুক্তভাবে সংগঠিত নির্বাচনে সদ্য জয়লাভ করা দলের হাত থেকে দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করা”-এই উদ্ভট দাবীকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

 

সত্যি বলতে কি,পূর্ব পাকিস্তানের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ কেবলমাত্র স্বায়ত্তশাসনের উপর জোর দিয়েছিলেন।তাঁরা স্বাধীন বাংলাদেশের ঘোষণা দেন সেনাবাহিনী কর্তৃক জাতীয় এসেম্বলী আহবান করতে অস্বীকার এবং ২৫ মার্চ,১৯৭১ রাতে বর্বরভাবে পূর্ব পাকিস্তানে হস্তক্ষেপ করার পরে। ২৮ জুনের ভাষণে জেনারেল ইয়াহিয়া জাতীয় এসেম্বলির সংবিধান রচনার অধিকার অস্বীকার করেন এবং আওয়ামি লিগের সব নেতাদের কর্কশভাবে আক্রমণ করেন।এটি নির্বাচনের ম্যান্ডেট অনুযায়ী যে কোন সমঝোতার সম্ভাবনা ভেস্তে দেয়। cialis new c 100

 

আমি জানি আমাকে আমার অবস্থানের জন্য চড়া মাশুল গুনতে হবে।যে ব্যক্তি আমেরিকায় একটি কঠিন বিচারের মুখোমুখি হচ্ছে(**) তার পক্ষে তার নিজ দেশের সরকারের সাথে সংঘাতে যাওয়া কোন সহজ কাজ নয়।তবুও আমি যখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে আমেরিকান অপরাধ অথবা কাশ্মীরে ভারতীয় দখলদারিত্বের প্রতিবাদ করছি-তখন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের উপর আমার নিজ সরকারের করা অন্যায়গুলো মেনে নেয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।যদিও আমি উন্মত্ত বাঙ্গালিদের হাতে বিহারী হত্যাকান্ড এবং আওয়ামি লিগের দায়িত্বহীনতার নিন্দা করি-কিন্তু তাদের কর্মকাণ্ডের সাথে আমি সরকার এবং একটি পেশাদার সেনাবাহিনীর অপরাধমূলক কার্যকলাপকে এক করে দেখতে রাজী নই।

 

নির্ভরযোগ্য রিপোর্টের মতে(যা সরকারীভাবে খণ্ডণ করা হয়নি)দাঙ্গায় বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদীদের হাতে ১০০০০ এর বেশি বিহারী মৃত বা আহত হয়নি।যাহোক,আগস্টের শুরুতে পশ্চিম পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃপক্ষ একটি শ্বেতপত্র জারি করে যাতে দাবী করা হয় যে এক লক্ষ মানুষ বাঙ্গালিদের হাতে নিহত হয়েছে।এটিসহ শ্বেতপত্রের অন্যান্য অতিরঞ্জিত দাবী নিঃসন্দেহে নিশ্চিতভাবে বিরোধীদলীয় নেতাদের বিচার ও সম্ভাব্য মৃত্যুদণ্ডের অজুহাত হিসেবে তোলা হয়েছে।এ চিঠি লেখার সময় সামরিক সরকার ঘোষণা করেছে যে ১২ আগস্ট শেখ মুজিবকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে “যুদ্ধ শুরু করার” অপরাধে গোপন সামরিক ট্রাইবুনালের মুখোমুখি করা হবে।শ্বেতপত্রে যেহেতু ঘোষণা দেয়া হয়েছে যে ৭৯ জন জাতীয় এসেম্বলীর সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হবে,শেখ মুজিবের বিচার আরো অনেক গোপন বিচারকার্যের পূর্বলক্ষণ হতে পারে।

 

আমি জানি পূর্ব পাকিস্তানে ৩ সপ্তাহ ধরে চলা অবাঙ্গালি হত্যাকাণ্ড ঠেকানো(যে সময়ে জেনারেলরা রাজনীতিবিদদের সাথে পার্লামেন্ট বহির্ভূত সমঝোতায় পৌঁছানোর ভান করেছেন)সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিলনা।বেসামরিক মানুষদের জীবনরক্ষা করা এই অসহনীয় অত্যাচারের লক্ষ্য ছিলনা-যে অত্যাচারের ফলে অসংখ্য পাকিস্তানি তাদের জীবন ও সহায় সম্পত্তি হারিয়েছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।নৃশংসতার অসম বণ্টন কোন দায়িত্বশীল সরকারের কাজ নয়।এই সেনাবাহিনী যে তাদের কার্যকলাপকে আওয়ামি লিগ আর উন্মত্ত জনতার বাড়াবাড়ি উল্লেখ করার মাধ্যমে বৈধতা দিতে চাচ্ছে-এ থেকেই বোঝা যায় আমাদের সেনাবাহিনী আর বেসামরিক সার্ভিসের ক্ষেত্রে সভ্যতার মান কতটা নীচে নেমে গিয়েছে।সবচেয়ে বড় কথা, অপরাধ কোন বানিজ্যিক কর্মকাণ্ড নয় যে একজন তার অপরাধ আরেকজনের হিসাবখাতায় গচ্ছিত রাখবে।

 

এ ব্যাপারে চায়নার ভূমিকা অপ্রাসঙ্গিক বলে আমি মনে করি।তারা পাকিস্তানকে কেবলমাত্র বহিঃশত্রুর আক্রমণের ক্ষেত্রে সহায়তার প্রস্তাব করেছে ; আর এই সংঘাতকে অভ্যন্তরীণ ব্যাপার হিসেবে ইঙ্গিত দিয়েছে।কিন্তু আমেরিকার ভূমিকা আসলেই উদ্বেগজনক-তারা তাদের পশ্চিমা বন্ধুদের,কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের এবং বিশ্বব্যাংকের সর্বসম্মত বিরোধিতা সত্ত্বেও একনায়কতন্ত্রের কাছে অস্ত্র বিক্রি এবং অর্থনৈতিক সহায়তা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।পশ্চিম এবং আমেরিকার প্রতি শেখ মুজিব আর তার দলের বিশ্বস্ততার কথা মাথায় রাখলে এ ঘটনা আসলেই লক্ষণীয়। thuoc viagra cho nam

  will i gain or lose weight on zoloft

যেসব পাকিস্তানিরা মনে করে যে স্বৈরাচার এবং সুশীল গণতন্ত্রের মধ্যে বেছে নিতে বলা হলে আমেরিকা শেষোক্তটাকেই বেছে নেবে-পশ্চিম পাকিস্তানি জান্তার প্রতি ওয়াশিংটনের সহায়তা তাদের জন্যে একটি শিক্ষামূলক ঘটনা হওয়া উচিৎ।স্পেন এবং পর্তুগাল থেকে গ্রীস ও ইসরায়েল হয়ে ইরান থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর ও ভারত সাগর অঞ্চলে একটি অনানুষ্ঠানিক কিন্তু নির্ভরযোগ্য সোভিয়েত বিরোধী ব্লক তৈরি করা নিক্সন-কিসিঞ্জারের কর্মকৌশলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ- পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামি লিগের নেতারা এই বিষয়টি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। viagra en uk

বলা হচ্ছে, জনাব কিসিঞ্জারের চায়না মিশনে সাহায্য করার পুরষ্কার হিসেবে জেনারেল ইয়াহিয়া আমেরিকান সহায়তা পাচ্ছেন।তাই যদি হয়,তবে চীন-আমেরিকান দাঁতাতের শুরুটা হবে এশিয়ার গরীব ও দুর্বলদের জন্যে ক্ষতিকর হিসেবে। আমেরিকান নীতির পেছনে যে কারণই থাকুক না কেন একটি বিষয় নিশ্চিত-এশিয়ার আরেকটি অংশে আমেরিকানরা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের নীরব সহযোগী হয়ে রইল।কিন্তু তাদের দায়ের চেয়ে আপনার আমার দায় অনেক বেশি ভারী।

 

আমি আরেকটি বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করছি-সাম্প্রতিক ঘটনাবলী থেকে মনে হচ্ছে ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে আরেকটি যুদ্ধ বাঁধতে চলেছে।এই দুটি দেশ দিনকে দিন আরো বেশি করে বিশ্ব রাজনীতির খেলায় দাবার ঘুঁটিতে পরিনত হচ্ছে।ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ইতোমধ্যে বিশ বছর মেয়াদী সম্প্রীতি-চুক্তি হয়েছে যার ফলে ভারত রাশিয়ার কাছে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে সামরিক সহায়তা লাভ করবে।এ চুক্তির ফলে ১৯৬৬ সালের তাসখন্দ চুক্তিতে পাকিস্তান যে সুবিধা পেয়েছিল(রাশিয়ার কাছ থেকে সহায়তা এবং ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কে রাশিয়ার নিরপেক্ষ থাকার আশ্বাস) তা নাকচ হয়ে গেল। irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

…………………………………………………………………………………………………………………………….

 

আমি জানিনা আমার অবস্থান আদৌ একটি মানবিক মীমাংসার ক্ষেত্রে কোন ভূমিকা রাখতে পারবে কিনা।যেহেতু আমাদের সরকার জনগনের কাছে দায়বদ্ধ কিংবা মানবজাতির মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল-এর কোনটাই নয়,এই অঞ্চল থেকে সব সম্পদ নিঃশেষ হওয়া এবং দেশ নীতিগত,রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া না হওয়া পর্যন্ত আমাদের প্রতিবাদ সম্ভবত কোন প্রভাব রাখতে সক্ষম হবেনা।তবে যাই হোক না কেন- স্বেচ্ছাচারী শক্তির সামনে নিরবতার অপরাধকে আমি সাফল্যের অভাবের কথা বলে বৈধ করতে রাজী নই।

নির্ঘণ্টঃ para que sirve el amoxil pediatrico

 

(*)এখানে বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদী বলতে বর্তমানে একই নামের রাজনৈতিক দল সম্পর্কিত কাউকে বোঝানো হচ্ছেনা সেটি সম্ভবত পাঠকমাত্রই বুঝতে পারছেন।(**)১৯৭১ সালে লেখককে যুদ্ধবিরোধী যাজক ফিলিপ বেরিগান ও তার ভাই ডেনিয়েল এবং আরো ৪ জন শান্তিবাদীর সঙ্গে একসাথে হেনরি কিসিঞ্জারকে অপহরণের মাধ্যমে ভিয়েতনাম যুদ্ধ বন্ধ করার “ষড়যন্ত্রের” সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলা হয়।এ প্রবন্ধ লেখার সময় লেখক বিচারাধীন ছিলেন।১৯৭২ সালে মামলাটিকে পদ্ধতিগত ভুলের কারণে বিচারকগণ খারিজ করে দেন।

 

অনুবাদকের কথাঃ

বাবার বুকশেলফ এবং ক্যাডেট কলেজের লাইব্রেরি থেকে কিশোর বয়েসে ১৯৭১ সালের বর্বরতা সম্পর্কে জানার পর থেকেই পাকিস্তানের প্রতি আমার একটা অন্ধ ক্রোধ কাজ করত-যা অনেকটা যুক্তিতর্কের ঊর্ধে। যেহেতু আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি এবং মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নোংরা কাঁদাছোঁড়াছুঁড়ির সংস্কৃতির মধ্যেই আমার বেড়ে ওঠা-আমাদের সবচাইতে গৌরবোজ্জ্বল এ অধ্যায় সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান আছে এটা দাবী করার মত যোগ্যতা আমার নেই।তবে ক্ষুদ্র সামর্থ দিয়ে যতটুকু পারি যেখানে যা পাই তাতে চোখ বুলাতে চেষ্টা করি।আর এরকম চোখ বুলাতে বুলাতেই ইন্টারনেটে চোখে পড়েছিল এই লেখাটি।মুক্তিযুদ্ধের প্রচলিত দিকগুলো যেমন মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা,গণহত্যা-নির্যাতন এবং পরবর্তীতে দেশদ্রোহী অপশক্তির আস্ফালন ইত্যাদির ভীড়ে মানবতার একটি দিক কিন্তু আমরা ভুলে যাই-শত্রুপক্ষের ভেতর থেকেও যেসব মানুষ তাঁদের বিবেক আর ন্যায়বোধকে স্বজাতিপ্রেমের ঊর্ধে স্থান দিয়েছিলেন সেসব আলোকিত মানুষদের কথা।এ প্রবন্ধের লেখক ইকবাল আহমেদ একজন স্বনামধন্য পাকিস্তানি চিন্তাবিদ-নোয়াম চমস্কি এবং এডোয়ার্ড সাঈদের মত প্রতিথযশা যুদ্ধবিরোধী বুদ্ধিজীবীদের সাথে তাঁর নামও হরহামেশাই এক কাতারে উচ্চারিত হয়ে থাকে।১৯৭১ সালের মাঝামাঝি সময়ে রচিত এ লেখাটিতে স্বজাতির বর্বরতার বিরুদ্ধে শুধু প্রতিবাদই নয়-বর্তমান সমাজে আমাদের দেশীয় অপশক্তি যেসব যুক্তির মাধ্যমে তাদের অপকর্মকে জায়েজ করার চেষ্টা করে থাকে তার খণ্ডনও রয়েছে।আর এ কারণেই প্রায় চার দশক পরেও এ লেখাটি পড়ে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম।আমার আফসোস,বর্বর পাকিস্তানিদের মধ্য থেকে একজন আলোকিত মানুষ আলোচিত বিষয়গুলো এত অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন অথচ বাংলাদেশি বহু মানুষের কাছে আজ মুক্তিযুদ্ধ একটা গণ্ডগোল বা ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই নয়।আর এই আফসোস থেকেই লেখাটি অনুবাদ করার সিদ্ধান্ত নেই-যাতে এ যুক্তিগুলো আমাদেরকে বিকৃত ইতিহাসের বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করতে পারে।যেহেতু এ লেখাটি অন্য কোথাও অনূদিত হয়েছে কিনা আমার জানা নেই তাই এর কপিরাইট আমি দাবী করছিনা।যদি হয়ে থাকে,সহৃদয় পাঠক তার লিঙ্ক দিলে বাধিত হব।আর আমি যেহেতু পেশাদার অনুবাদক নই-এ অনুবাদ যে মানসম্মত হয়েছে সেটিও আমি আশা করিনা।এ কারণে মূল লেখাটির লিঙ্ক নিচে দিয়ে দিলাম-আগ্রহী পাঠক ইচ্ছে করলেই যাতে ইংরেজিতে লেখা মূল প্রবন্ধটি পড়তে পারেন এবং ইকবাল আহমেদ সম্পর্কে জানতে পারেন সে উদ্দেশ্যে।এছাড়া অনুবাদের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিলেও তা সহৃদয়চিত্তে গ্রহণ করব। ovulate twice on clomid

মুক্তিযুদ্ধ হোক আমাদের সকল বাধা পেরিয়ে যাবার পথে অফুরন্ত প্রেরণার উৎস।

মূল লেখার লিঙ্কঃhttp://www.nybooks.com/articles/archives/1971/sep/02/letter-to-a-pakistani-diplomat/

 

You may also like...

  1. তথ্যপূর্ণ চমৎকার লেখা।
    বই মেলা থেকে “হামুদুর রহমানের কমিশন রিপোর্ট” বইটা সংগ্রহ করেছি। এ ধরনের দলিলগুলোর আরও প্রচার দরকার।
    শুভকামনা। :)

    viagra vs viagra plus
  2. ঠিক এ লেখার প্রাসঙ্গিক নয়, তবে জাতীয়তাবাদ নিয়ে কথা বলছিলেন শুরুতে…… সে হিসেবে আমার লেখায় (http://sovyota.com/?p=6500) আপনার মতামত জানতে চাচ্ছিলাম। পক্ষে-বিপক্ষের যুক্তিতে কিছু বিষয়ে পরিষ্কার হইতাম।

    puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec
  3. অংকুর বলছেনঃ

    অসাধারণ একটা পোস্ট। অনেক তথ্যবহুল।।’৭১ এ সামান্য গন্ডগোল হয়েছিল এই কথা যারা বলে তাদের পড়ে দেখা উচিত

  4. চমৎকার। ভালো লাগলো।

    “এখানে বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদী বলতে বর্তমানে একই নামের রাজনৈতিক দল সম্পর্কিত কাউকে বোঝানো হচ্ছেনা সেটি সম্ভবত পাঠকমাত্রই বুঝতে পারছেন।” :lol: :lol:

  5. চমৎকার পোস্ট স্টিকি করার আবেদন জানাচ্ছি আদি সভ্যর প্রতি :)

half a viagra didnt work

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

zovirax vs. valtrex vs. famvir

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

levitra 20mg nebenwirkungen
clomid over the counter